Syeid Hasan Mahamud

Syeid Hasan Mahamud লক্ষই হোক বিশ্বভ্রমণ।

09/01/2023

Bandarban City Tour in a day...

07/01/2023

কক্সবাজার থেকে শিপে করে সেন্টমার্টিন ভ্রমণ

ছুটে চলা 😊
31/05/2022

ছুটে চলা 😊

27/04/2022

Debota pahar, Thanchi, Bandarban

15/04/2022
31/03/2022

আমিয়াখুম, থানচি, বান্দরবান।

17/08/2017

#ফাইল_ফোল্ডার_যদি_মোছা_না_যায়

কম্পিউটারে কখনো এমন কিছু ফাইল বা ফোল্ডার তৈরি হয়, যেগুলো মুছে (ডিলিট) ফেলা খুব দরকার, কিন্তু মোছা যায় না। ফাইল ডিলিট করা না গেলে সেটি বেশ বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তবে এমন ফাইল ও ফোল্ডারও মোছা যাবে কিছু কৌশল অবলম্বন করলে।

যা করবেন

এটি করতে অবশ্যই কম্পিউটারের কমান্ড প্রম্পট বিষয়ে জানতে হবে এবং ফাইল ফোল্ডারের ডিরেক্টরি সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। প্রথমে স্টার্ট মেনুতে গিয়ে cmd লিখুন। এরপর cmd.exe এলে সেটিতে ডান ক্লিক করে Run as administrator নির্বাচন করে খুলুন। কমান্ড প্রম্পটের উইন্ডোকে মিনিমাইজ করে CTRL+ALT+DEL একসঙ্গে চেপে টাস্ক ম্যানেজার চালু করুন। আবার ডেস্কটপের নিচের টাস্কবারে রাইট ক্লিক করে Start Task Manager-এ ক্লিক করে চালু করতে পারেন। কম্পিউটারে explorer.exe ফাইল চালু থাকলে কাঙ্ক্ষিত ফাইল ডিলিট করা যায় না। তাই এটি বন্ধ করতে Process ট্যাবে গিয়ে explorer.exe খুঁজে নিয়ে তাতে ডান ক্লিক করে End Process Tree-তে ক্লিক করুন। একটি বার্তা আসবে, সেটিতে আবার End Process চাপুন। এবার কমান্ড প্রম্পটের উইন্ডোতে ফিরে আসুন। আপনার যে ড্রাইভে ফাইলটি আছে সেটির ডিরেক্টরি এখানে লিখে দিতে হবে। আপনার ফাইলটি যদি D: ড্রাইভে থাকে, তাহলে এখানে cdD: লিখে এন্টার করুন। তাহলে cd কমান্ড প্রয়োগের ফলে D: ড্রাইভে থাকা ফাইলে ঢোকা যাবে। এবার যে ফাইলটি মুছে ফেলতে চান সেটির নাম del d:/ProthomAlo/ComputerProtidin/HelpLine.doc এভাবে লিখে এন্টার করুন। খেয়াল করুন এখানে del সংকেত দিয়ে ফাইল মুছবে আর পরের অংশটি ফাইলের ডিরেক্টরি মানে ফোল্ডার। তাই এখানে আপনার কাঙ্ক্ষিত ফাইলের ডিরেক্টরি বসিয়ে নিয়ে কাজটি সেরে নিন। কোনো ফোল্ডার মুছতে চাইলে RD/S/Q d:/ProthomAlo/ComputerProtidin হুবহু লিখে এন্টার চাপুন।

খেয়াল করুন, সেখানে RD/S/Q ফাইল মুছে ফেলার সংকেত (কমান্ড) আর পরের অংশটি আপনার কাঙ্ক্ষিত ফোল্ডারের ডিরেক্টরি। সংকেত লেখায় কোনো ভুল হলে কাজটি সফল হবে না, তাই বুঝে-শুনে প্রয়োগ করুন। কাজটি সফল হলে এবার টাস্ক ম্যানেজারে ফিরে আসুন। এখানে File থেকে New Task (Run…)-এ ক্লিক করুন। Create New Task-এর ঘরে explorer.exe লিখে এন্টার চাপুন। তাহলে এক্সপ্লোরার চালু হয়ে যাবে আর কম্পিউটারের বাকি অন্যান্য কাজ করা যাবে।

21/05/2017

কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে যেসব কারণে

সঠিকভাবে ব্যবহার না করলে কম্পিউটারে অনেক ধরনের সমস্যা তৈরি হয়। এর মধ্যে হুটহাট কম্পিউটার থমকে (হ্যাং) যাওয়া অন্যতম। কী কী কারণে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে, তার একটি তালিকা দেওয়া হলো।
* কাজের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটারের র্যামের পরিমাণ কম থাকলে কম্পিউটার ঠিকমতো কাজ করতে পারে না এবং হুটহাট হ্যাং হয়ে যায়।
* কম্পিউটারের কাজ করার পরিমাণ নির্ণয় করে প্রসেসর। তাই প্রসেসরের মান ভালো না হলে কম্পিউটার হ্যাং হওয়াটা স্বাভাবিক।
* কম্পিউটারের হার্ডডিস্কের সংযোগ সঠিক না হলে হঠাৎ কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।
* এ ছাড়া অন্য কোনো হার্ডওয়্যারের সংযোগে বা হার্ডওয়্যারেই সমস্যা থাকলে কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।
* সাধারণত ভাইরাসের কারণেই কম্পিউটারে হ্যাং হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। আর এই ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে দেয়। যার কারণে কম্পিউটার প্রায়ই হ্যাং হয়।
* কম্পিউটারের প্রসেসরের সংযোগ ঠিকমতো না হলে কম্পিউটার হঠাৎ করে চলতি কাজকে থামিয়ে দিয়ে হ্যাং হয়ে যেতে পারে। এমনকি এর জন্য কম্পিউটার রিস্টার্ট দেওয়ার পরও ঠিক হয় না।
* যদি অপারেটিং সিস্টেমে ত্রুটি থাকে। ত্রুটি বলতে কোনো সিস্টেম ফাইল যদি পড়ে যায় (ডিলিট) বা অন্য কোনো কারণে নষ্ট হয়ে যায়, তাহলেও কম্পিউটার হ্যাং হতে পারে।
* কম্পিউটার গেমের পাশাপাশি কিছু সফটওয়্যার রয়েছে যেগুলো খুব উচ্চ গ্রাফিকসসম্পন্ন, যা সাধারণত কম র্যাম এবং কম প্রসেসরের ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটারে চালনা করলে কম্পিউটার হ্যাং হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

অনলাইনে ভার্চুয়াল কাজের পরিমান বাড়ছে। ইমেইল আদান প্রদান, ক্লাউড ফাইল ব্যবহার করে ডক ফাইল চালাচালি, নেটওয়ার্কিংয়ের সুবিধা...
26/04/2017

অনলাইনে ভার্চুয়াল কাজের পরিমান বাড়ছে। ইমেইল আদান প্রদান, ক্লাউড ফাইল ব্যবহার করে ডক ফাইল চালাচালি, নেটওয়ার্কিংয়ের সুবিধা, ব্লুটুথের ব্যবহার এভাবেই চলছে দৈনন্দিন কাজ। কাগজের ব্যবহার কমাতে সবাই উদ্যোগ হচ্ছে। তবুও অনেক ক্ষেত্রে প্রিন্ট না হলে চলে না।

এমন ক্ষেত্রে কম্পিউটারের সঙ্গে প্রিন্টার যুক্ত করার প্রয়োজন হলে ডাকতে হয় টেকনিশিয়ানদের। তবে আপনি চাইলে কিন্তু নিজেই এ কাজটি করতে পারেন। কম্পিউটারের সঙ্গে সংযোগ দেওয়া বা ড্রাইভার ইন্সটল করা বেশ জটিল কাজ মনে হতে পারে অনেকের কাছে। তবে কয়েকটি ধাপ অবলম্বন করে প্রিন্টার সহজে যুক্ত করা যায়।

এ টিউটোরিয়ালে সহজ সে প্রক্রিয়াটিই তুলে ধরা হলো।

670px-Connect-a-Printer-to-Your-Computer-Step-1-Version-2

১. প্রিন্টারকে সব সময় কম্পিউটারের যতটা সম্ভব কাছাকাছি সংযোগ করতে হবে। এতে ক্যাবলের সাহায্যে যুক্ত করা যায় সহজে।

২. প্রতিটি প্রিন্টারের সাথে ডিভিডিটিতে ড্রাইভার সফটওয়্যার থাকে। সেটি কম্পিউটারে ইন্সটল করেত হবে। সাধারণ সফটওয়্যারের মতই এটি ইন্সটল করতে হবে।

যদি সফটওয়্যার দেওয়া না থাকলেও চিন্তার কারণে নেই। ইউএসবি ক্যাবলের মাধ্যমে প্রিন্টারটি যুক্ত হলে উইন্ডোজ সাধারণত স্বয়ংক্রিয়ভাবে ড্রাইভারটি খুঁজে নেবে।

৩. প্রিন্টারের ক্যাবলটি যুক্ত করে কম্পিউটার স্ক্রিনে সাজেশন আসবে ড্রাইভার সফটওয়্যারটির আপডেট সম্পর্কে। তখন ইন্সটল বাটনে ক্লিক করতে হবে।

৪. সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ হলে ‘Control Panel-এ গিয়ে “Devices and Printers” গেলে নতুন ইন্সটল করা প্রিন্টারটি খুঁজে পাওয়া যাবে।

এরপর স্বাভাবিকভাবেই প্রয়োজনীয় ফাইল প্রিন্ট দিতে পারবেন।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Syeid Hasan Mahamud posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Syeid Hasan Mahamud:

Shortcuts

Share

Category