Bhromon Bangla

Bhromon  Bangla Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Bhromon Bangla, Tour Agency, 85/1 Purana paltan Lane, Dhaka.

19/03/2023
গতকাল এসএসসি রেজাল্ট দিয়েছে। ভিডিওতে জিপিএ ৫ পাওয়া এক পরীক্ষার্থী সাক্ষাৎকারে তার ভবিষ্যৎ জীবনের লক্ষ্য জানালো। সে ডাক্ত...
01/12/2022

গতকাল এসএসসি রেজাল্ট দিয়েছে। ভিডিওতে জিপিএ ৫ পাওয়া এক পরীক্ষার্থী সাক্ষাৎকারে তার ভবিষ্যৎ জীবনের লক্ষ্য জানালো। সে ডাক্তার হবে, যেহেতু আমাদের দেশে ট্যালেন্টেড ডাক্তার নেই, তাই তার ইচ্ছা ডাক্তার হবার।

সমাজ সম্পর্কে মেয়ের ধারণা দেখে অবাক হলাম। অন্যকে হেয় বা অবমাননা করে নিজেকে ট্যালেন্ট মনে করে যদি সে এই ধারণা পোষণ করে থাকে, তবে বিষয়টি একটু ভয়ের বটে।

এবার বাচ্চার রেজাল্ট শীট ফেসবুকে দেয়ার এক অদ্ভুত প্রবণতা লক্ষ্য করলাম। আপনার বাচ্চা সব বিষয়ে ৯৮/৯৯/১০০ পেয়েছে, সেটা সবাইকে জানান দেয়ার তো কিছু নেই। এই যুগে বাচ্চার স্কুলসহ সব তথ্য প্রকাশ করে দেয়াটা একটা চরম বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়। কারণ, আপনাদের অজানা নয়।

বাচ্চাকে পড়ালেখার পাশাপাশি ভাল মানুষ বানান। তাদের মনে অহংকার জন্মে এমন কাজ ভুলেও করবেন না প্লিজ।

কয়জন বাবা মা সাহস রাখেন, বাচ্চার ছবিসহ রেজাল্ট প্রকাশের সাথে বলার যে, আপনাদের সৎ এবং হালাল আয়ে বাচ্চার শরীরের প্রতি ফোটা রক্ত তৈরি হয়েছে।

এবার সন্তানদের বলছি, জীবনে সব পরীক্ষায় প্রথম বিভাগ পেয়ে বিসিএস পরীক্ষায় প্রথম হয়েও সামান্য টাকা ঘুষ খাবার উদাহরণ এই সমাজে আছে।

সরি টু সে, আমাদের ভাল মানুষ দরকার। ভাল মানুষের বড়ই অভাব যে।

চিন্তা চেতনার এত দ্রুত পরিবর্তন দেখে মাঝেমাঝে আতংকিত হয়ে পড়ি। বিশেষ করে যদি সেটা গার্জিয়ানদের মাঝে হয়।

৯৯ নাম্বার পাওয়া একটা বদের চেয়ে ৩৬ পাওয়া ভাল মানুষ অনেক কল্যাণকর। শুধু এটুকু মনে রাখলেই হবে।

 #কারো পাজেরো গাড়ি থামছে রাতের গভীরে নিষিদ্ধ পল্লীতে, ঘরে অপেক্ষারত স্ত্রী দীর্ঘশ্বাস ফেলছে...! কেউ ভাঙা ঘরে থেকে স্ত্র...
15/08/2022

#কারো পাজেরো গাড়ি থামছে রাতের গভীরে নিষিদ্ধ পল্লীতে, ঘরে অপেক্ষারত স্ত্রী দীর্ঘশ্বাস ফেলছে...! কেউ ভাঙা ঘরে থেকে স্ত্রীকে নিয়ে অবিরত স্বপ্নের জোয়ারে ভাসছে।

কেউ ভাবছে আর কয়েকটা দিন! ডিভোর্স পেপারে সাইন করলেই মুক্তি। কেউ একটা সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার জন্য যুদ্ধ করে চলছে।

কেউ সন্তান ডাস্টবিনে ফেলে দিয়ে দায়মুক্ত হতে চাইছে। কেউ একটা সন্তানের জন্য সারাটা জীবন হাহাকার করছে!

কেউ বছরে কতোজন ভালবাসার মানুষ বদলে ফেলছে! কেউ শুধু একটা সত্যিকারের ভালবাসার মানুষের জন্য অপেক্ষা করে চলছে।

কেউ দামি শাড়ি হাতে পেয়ে তবু খুশি নয়! কেউ তাঁতের নতুন শাড়ির বারবার গন্ধ শুঁকছে।

কেউ লাখ টাকার ডাইনিং টেবিলে বসেও তৃপ্তি সহকারে ভাত খেতে পারছেনা! কেউ পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ কচলিয়ে গোগ্ৰাসে ভাত গিলছে।

কারো দামি খাটে শুয়েও আবার ঘুমের ওষুধ খেতে হচ্ছে! হিমেল হাওয়ায় কেউ অঘোরে ঘুমোচ্ছে।

কারো পড়ার টেবিলে নতুন বইয়ের সমারোহ কিন্তু পড়তে ইচ্ছে
করছেনা। কেউ পুরাতন বইয়ের দোকান চষে বেড়াচ্ছে, পকেট খালি বলে!

কেউ বিলাস বহুল গাড়িতে বসে চিন্তিত, সন্তানগুলো মানুষ হলোনা! এতো সম্পত্তি রাখতে পারবেতো? কেউ পায়ে হেঁটে পথ চলছে, মনে মনে ভাবছে... সন্তানতো মানুষ করতে পেরেছি! আল্লাহ চাইলে, ওরাই জীবনটা এখন গড়ে নিবে।

সত্যিই নানান রঙের মানুষ, নানান রঙের স্বপ্নের ঘুড়ি...! জীবনের নিজস্ব আলাপনে, বাস্তবতার হাত ধরে!!

 #কে লিখেছেন জানি না, কিন্তু অসাধারণ👌১.  মা ৯ মাস বহন করেন, বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন, উভয়ই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে ...
12/08/2022

#কে লিখেছেন জানি না, কিন্তু অসাধারণ👌

১. মা ৯ মাস বহন করেন, বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন, উভয়ই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।

২। মা বিনা বেতনে সংসার চালায়, বাবা তার সমস্ত বেতন সংসারের জন্য ব্যয় করেন, উভয়ের প্রচেষ্টাই সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।

৩. মা আপনার যা ইচ্ছা তাই রান্না করেন, বাবা আপনি যা চান তা কিনে দেন, তাদের উভয়ের ভালবাসা সমান, তবে মায়ের ভালবাসা উচ্চতর হিসাবে দেখানো হয়েছে। জানিনা কেন বাবা পিছিয়ে।

৪. ফোনে কথা বললে প্রথমে মায়ের সাথে কথা বলতে চান, কষ্ট পেলে ‘মা’ বলে কাঁদেন। আপনার প্রয়োজন হলেই আপনি বাবাকে মনে রাখবেন, কিন্তু বাবার কি কখনও খারাপ লাগেনি যে আপনি তাকে অন্য সময় মনে করেন না? ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে ভালবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রে, প্রজন্মের জন্য, বাবা কেন পিছিয়ে আছে জানি না।

৫. আলমারি ভরে যাবে রঙিন শাড়ি আর বাচ্চাদের অনেক জামা-কাপড় দিয়ে কিন্তু বাবার জামা খুব কম, নিজের প্রয়োজনের তোয়াক্কা করেন না, তারপরও জানেন না কেন বাবা পিছিয়ে আছেন।

৬. মায়ের অনেক সোনার অলঙ্কার আছে, কিন্তু বাবার একটাই আংটি আছে যেটা তার বিয়ের সময় দেওয়া হয়েছিল। তবুও মা কম গহনা নিয়ে অভিযোগ করতে পারেন আর বাবা করেন না। তারপরও জানি না কেন বাবা পিছিয়ে।

৭. বাবা সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেন পরিবারের যত্ন নেওয়ার জন্য, কিন্তু যখন স্বীকৃতি পাওয়ার কথা আসে, কেন জানি না তিনি সবসময় পিছিয়ে থাকেন।

৮. মা বলে, আমাদের এই মাসে কলেজের টিউশন দিতে হবে, দয়া করে আমার জন্য উৎসবের জন্য একটি শাড়ি কিনবে অথচ বাবা নতুন জামাকাপড়ের কথাও ভাবেননি। দুজনেরই ভালোবাসা সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে আছে জানি না।

৯. বাবা-মা যখন বুড়ো হয়ে যায়, তখন বাচ্চারা বলে, মা ঘরের কাজ দেখাশোনা করার জন্য অন্তত উপকারী, কিন্তু তারা বলে, বাবা অকেজো।

১০. বাবা পিছনে কারণ তিনি পরিবারের মেরুদণ্ড। আর আমাদের মেরুদণ্ড তো আমাদের শরীরের পিছনে। অথচ তার কারণেই আমরা নিজেদের মতো করে দাঁড়াতে পারছি। সম্ভবত, এই কারণেই তিনি পিছিয়ে আছেন...!!!!

*জানিনা কে লিখেছে, কুড়িয়ে পাওয়া।
সমস্ত বাবাদেরকে উৎসর্গ করছি *
সালাম জানাই পৃথিবীর সকল বাবাদেরকে!

~সংগৃহীত~

❝যতকাল রবে পদ্মা যমুনা গৌরী মেঘনা বহমান ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।❞
16/03/2022

❝যতকাল রবে পদ্মা যমুনা গৌরী মেঘনা বহমান
ততকাল রবে কীর্তি তোমার শেখ মুজিবুর রহমান।❞

ভ্রমণ বাংলার সাথেমেঘের রাজ্য সাজেক ভ্রমণ
26/08/2021

ভ্রমণ বাংলার সাথে
মেঘের রাজ্য সাজেক ভ্রমণ

 #মানুষের ধারণা পাল্টে দিতে বাংলাদেশি পাসপোর্টে ১১৫ দেশ ভ্রমণ #একজন নারী হয়ে যেমন ছুটে চলেছেন বিশ্বের আনাচে-কানাচে, তেমন...
10/03/2021

#মানুষের ধারণা পাল্টে দিতে বাংলাদেশি পাসপোর্টে ১১৫ দেশ ভ্রমণ

#একজন নারী হয়ে যেমন ছুটে চলেছেন বিশ্বের আনাচে-কানাচে, তেমনি এলাকার মানুষের মুখে হাসি ফোটাতেও কাজ করছেন। নিজ উদ্যোগে গড়ে তুলেছেন লাইব্রেরিসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। শুধু বিদেশে বাংলাদেশকে পরিচিত করানোই নয়, দেশেও তিনি করছেন সমাজগঠনমূলক নানা কাজ।

তিনি হলেন ভ্রমণপিপাসু কাজী আসমা আজমেরী। বাংলাদেশি পাসপোর্টে যিনি ১১ বছরে ১১৫টি দেশ ভ্রমণ করেছেন। ২০১২ সাল থেকে নিউজিল্যান্ডে থাকার সুবাদে সুযোগ থাকলেও আজো সেদেশের নাগরিকত্ব নেননি, নিজের দেশকে ভালোবেসে।

আসমা আজমেরী জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমি সত্যিই ধন্য যে, বাংলাদেশের মতো একটি দেশে জন্ম নিয়েছি। নাগরিকত্ব পরিবর্তন করে দেশকে অসম্মান করার কোনো অর্থই হয় না। এজন্যই দেশের দুর্বল পাসপোর্ট নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশই ভ্রমণ করেছি। প্রমাণ করতে পেরেছি বাংলাদেশিরাও ভ্রমণ করতে পারে। উৎসাহ জুগিয়েছি ১৮ কোটি মানুষকে। সবুজ পাসপোর্ট দুর্বল নয়, চাইলে আপনিও পারেন ভ্রমণ করতে।’

ভ্রমণে গিয়ে জেল খাটার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘এই কাজটি খুব একটা সহজ ছিল না আমার জন্য। ২০১০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি সর্বপ্রথম ভিয়েতনামে ২৩ ঘণ্টা ইমিগ্রেশন জেল খেটেছি। রিটার্ন টিকিট, হোটেল বুকিং ছিল না বলে আমাকে তারা হেনস্তা করেছে। বাংলাদেশি বলেই আমাকে এমন শাস্তি দেয়া হয়েছিল সেটা প্রথমে বুঝতে পারিনি।’

‘একই বছরের মে মাসের ৩ তারিখ সাইপ্রাসে আবারও ২৭ ঘণ্টা ইমিগ্রেশন জেলে রাখা হয় আমাকে। তারা গলাধাক্কাই দেয়নি আমাকে, রীতিমতো অপমানও করেছিল। জাতি হিসেবে আমাদের কোনো সম্মান করে না। সবুজ পাসপোর্ট দেখলেই ইমিগ্রেশন ধরে নেয় আমরা বুঝি অবৈধভাবে থেকে যাব তাদের দেশে।’

তাদের ধারণা ভুল প্রমাণ করার জন্যই বাংলাদেশি পাসপোর্টে বিদেশ ভ্রমণ করেন জানিয়ে আসমা আজমেরী বলেন, ‘বাংলাদেশিরাও সময় সুযোগ পেলে তাদের ভ্রমণপিপাসু মন উড়ে বেড়ায়, শুধু দেশ নয়, বাংলাদেশের মতো অনেক অনুন্নত দেশের মানুষও ভ্রমণপিপাসু আছে। যারা বিশ্বকে দেখতে চায় কিন্তু ভিসা জটিলতায় তারা সেই স্বপ্ন পূরণ করতে পারে না।’

‘সেই স্বপ্ন পূরণের জন্যই বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তরে যাওয়ার প্রতিজ্ঞা করি। মাত্র ৩১ বছরে ১১৫টি দেশ এবং ৯০তম দেশ থেকেই ভিসা জটিলতা, অর্থনৈতিক অসচ্ছলতা, সামাজিক প্রতিবন্ধকতার পরেও বিশ্বভ্রমণ করছি। এখন আমি আমার গল্প পৃথিবীর মানুষকে জানাতে চাই’—বলেন এ ভ্রমণপিয়াসু।

আসমা আজমেরী ফিলিপাইন থেকেই শুরু করেন তার সেই গল্প বলা। ‘ট্রাভেলিং ইজ ফান ওয়ে টু লার্ন’ স্লোগানে বিশ্বের প্রায় ১৮টি দেশে ৩০ হাজার শিক্ষার্থীকে গল্পের মাধ্যমে অনুপ্রাণিত করার চেষ্টা করছেন। তিনি জানান, তার ইচ্ছা ছিল মুজিববর্ষে এক লাখ ছেলে-মেয়েকে ভ্রমণে অনুপ্রাণিত করবেন।

আসমা আজমেরী বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে আমার স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়নি। শুধু তাই নয়, নিউজিল্যান্ডের রেডক্রসের চাকরিটাও হারিয়েছি। গত বছর বাংলাদেশে বাবা-মার সঙ্গে দেখা করতে এসে আটকে গেছি। তবে দেশে থেকে চেষ্টা করেছি বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে আমার প্রিয় শহর খুলনার মানুষকে সহযোগিতা করতে।’

ভ্রমণের শুরুর লড়াই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রতিটি মেয়ে শাড়ি চুড়ি গহনা পছন্দ করে। অথচ আমি আমার সেই গহনা বিক্রি করে ২০০৯ সালে ভ্রমণ শুরু করি। তারপর চাকরি করে টাকা জমিয়ে দেড় বছরে ছয় মাসে একবার করে কোনো না কোনো দেশ ভ্রমণ করেছি।’

‘বাংলাদেশে এসে করোনায় আটকে যাওয়ায় পরে যখন দেখলাম খুলনার আশপাশের লোকজন কাজ না থাকায় না খেয়ে রয়েছে। তখন ৫০০টি পরিবারকে ৫ দিনের খাবারের ব্যবস্থা করেছি। সেই টাকা জোগাড় করেছি জামা-জুতা ও কসমেটিকস না কিনে। তখন বন্ধুরা উপহাস করেছে। তারা বলতো, বোকা তুমি, পুরোনো জামা-কাপড় পরে থাক’— বলেন আসমা।

এ ধরনের উপহাস সত্ত্বে মানুষের সহযোগিতায় অবিচল ছিলেন তিনি। বলেন, ‘আমার নতুন জামার পরিবর্তে কোনো মানুষের ঘরে এক মুঠো ভাত উঠেছে সেটার ভালোলাগা আপাতদৃষ্টিতে অনেকেই বুঝবে না।’

ভ্রমণ চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি একটি আধুনিক লাইব্রেরি তৈরি করেছেন আসমা। যার নাম দিয়েছেন ‘ইন্সপায়ারিং ইয়ুথ ক্লাব’। এছাড়া ট্রাভেলারদের জন্য মিউজিয়াম, শিশুদের জন্য আর্ট স্কুল, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব ও ইয়ুথ হাব করেছেন। যেখানে খুলনার ছেলেমেয়েরা তাদের গ্রুপ স্টাডি করার সুযোগ পান। টাকার জন্য আসমা আজমেরীর অনেক স্বপ্ন আটকে আছে। কেউ কেউ বই উপহার দিচ্ছেন। কেউবা বুকসেলফ দিয়ে সাহায্য করছেন তাকে।তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, কাজকে গুরুত্ব দেয়া উচিত। জীবনের প্রতিটি সময়কে সঠিকভাবে ব্যবহার করা উচিত। তাহলেই প্রতিটি নারী সফল হবে নিশ্চিত।’

সাজেক-খাগড়াছড়িইকো ট্যুর ২০২১তারিখ : ২০, ২১, ২২, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার (৪ রাত ৩ দিন)জন প্রতি ৫৮...
31/12/2020

সাজেক-খাগড়াছড়ি
ইকো ট্যুর ২০২১

তারিখ : ২০, ২১, ২২, ২৩ জানুয়ারী ২০২১,
বুধ, বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার (৪ রাত ৩ দিন)

জন প্রতি ৫৮৫০ টাকা মাত্র

শুধুমাত্র সাজেক, খাগড়াছড়ি ভ্রমণ নয়, বরং আরো অনেক কিছু…
পাহাড়ের মাটি, মানুষ, প্রকৃতিকে নিবিড়ভাবে চেনা-জানা, প্রকৃতির নিসর্গ সৌন্দর্যে অবগাহন করা, পাহাডের ঐতিহ্য-সংস্কৃতি, জীবনাচারের সাথে পরিচয়সহ আনন্দময় ভ্রমণ সূচী নিয়ে সাজানো হয়েছে আমাদের এবারের ‘ইকো ট্যুর‘ ২০২১।
সৃজণশীল, অনুসন্ধিৎসু ভ্রমণ পিয়াসী পর্যটকগণ ঘুরে আসতে পারেন এ প্যাকেজে।
সাজেকের অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে হারিয়ে যাওয়া, মেঘের ভেলায় ভেসে বেড়ানো আর নিসরগ প্রকৃতির সাথে বন-বাদাড় আর মোহনীয় ঝর্ণায় সিক্ত হওয়ার সময়ই এখন। আর এ কাজটিই খুব সহজ করে দিয়েছে ভ্রমণ বাংলা। সাজেক আর খাগড়াছড়ির সকক’টি স্পট ঘুড়ে বেড়ান নিশ্চিন্তে। আমরা আছি আপনার একান্ত সহযোগি হিসেবে।

বিস্তারিত জানতে অথবা বুকিং দিতে কল করুন- ফোন: 01551-083063, 01316-549231, 01829-998998

বিস্তারিত ভ্রমণ সূচী:

❐ যাত্রা শুরু: ২০ জানুয়ারী ২০২১, বুধবার, রাত ১০টা

❐ রিটার্ন: ২৩ জানুয়ারী ২০২১, শনিবার, রাত ১০টা (খাগড়াছড়ি থেকে)

*সাইট সিইং

-রুইলুই পাড়া
-রক গার্ডেন
- লুসাই হেরিটেজ পার্ক
- হেলিপ্যাড
- কংলাকপাড়া
- রিছাং ঝর্ণা
- হাজাছড়া ঝর্ণা
- আলুটিলা গুহা
- ঝুলন্ত ব্রীজ
- তারেং
- মায়াবীনি লেক
- অরণ্য কুঠির
- দেবতা পুকুর

ভ্রমণের সময় সাথে সবসময় রিজার্ভ মাহেন্দ্র জীপ/চান্দের গাড়ী ।

• কাপল রুম: প্রতি রাতে ১০০০ টাকা অতিরিক্ত যোগ হবে।

• এসি বাস হলে জনপ্রতি ১০০০ টাকা অতিরিক্ত যোগ হবে। বিজনেস ক্লাসের হুন্দাই বাস হলে ১৫০০ টাকা
অতিরিক্ত যোগ হবে।

❐ কটেজ : সাজেকে যে কোন কাঠের কটেজ
- রুম টাইপ: সিঙ্গেল বেড (২ জনের)/ডাবল বেড (৪ জনের)
- প্রশস্ত ওপেন ষ্পেস, প্রতি রুমে এ্যাটাচ্ট বাথ, সার্বক্ষণিক পানি।
- পরিচ্ছন্ন প্রসস্ত রুম
- নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ব্যবস্থা
- রুমের সাথে প্রসস্ত লম্বা বারান্দা।
- প্রচুর ওপেন স্পেস।

❐ ফুড মেনু ….
১ম দিনের খাবার---
- খাগড়াছড়িতে সকালের নাস্তা: পরাটা/রুটি, সবজি/ডাল, ডিম অমলেট, চা।
- দুপুরের খাবার সাজেকে: সাদা জুম চালের ভাত, ব্যাম্বো চিকেন, ভর্ত্তা, সবজি, ডাল।
- সাজেকে রাতের খাবার: চিকেন বার-বি-কিউ, পরটা, চা।

২য় দিনের খাবার:
- সকালের নাস্তা সাজেকে: ভূনা খীচুড়ি, ডিম।
- দুপুরের খাবার (খাগড়াছড়িতে: আলুটিলায় অরণ্য ভোজন): সাদা জুম চালের ভাত, হাঁসের কালো ভুনা, লাউ চিংড়ি, ডাল, পাহাড়ি ফল।
- রাতের খাবার : সাদা জুম চালের ভাত, মাছ, সবজি, ভর্তা, ডাল।

৩য় দিনের খাবার:
- সকালের নাস্তা (স্বনির্ভর বাজার, খাগড়াছড়ি): পরাটা/রুটি, সবজি/ডাল, ডিম অমলেট, চা।
- দুপুরের খাবার : সাদা জুম চালের ভাত, পাহাড়ী দেশী মুরগীর মাংস, সবজি/বাঁশ কোরল, ডাল, পাহাড়ি ফল।
- রাতের খাবার : সাদা জুম চালের ভাত, মাছ, শুটকী ভূনা, সবজি, ডাল, চা।

শিশু পলিসি :
- শিশু (১ থেকে ২ বছর ১১ মাস) ফ্রি
- শিশু (৩-৫ বছর) ৪,০০০/= নন এসি বাস, এসি বাস হলে ৫,০০০/=। (প্রাপ্ত বয়স্ক যা পায় সবই পাবে, থাকবে বাবা মায়ের সাথে একই রুমে)

প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত:
- ঢাকা-খাগড়াছড়ি-ঢাকা (নন এসি বাস)
- খাগড়াছড়ি-সাজেক- খাগড়াছড়ি, অভ্যন্তরীন পরিবহন (জীপ/চাঁদের গাড়ি)
- দেশীয় ও পাহাড়ী ঐতিহ্যবাহী খাবার পরিবেশন। (সর্বমোট ৯ বেলা খাবার)
- সাজেক ভ্যালীতে রিসোর্ট/কটেজে এক রাত যাপন, খাগড়াছড়িতে ১ রাত যাপন (প্রতি রুমে ৪ জন)
- সাজেক ও আলুটিলায় এন্ট্রি টিকিট
- সব ধরনের লোকাল ট্রান্সপোর্ট সুবিধা
- জীপের ড্রাইভার ও হেলপারের যাবতীয় খরচ
- অভিজ্ঞ গাইড সুবিধা
- খাগড়াছড়িতে হোটেলে ফ্রেশ হওয়ার ব্যবস্থা (গ্রুপ ভিত্তিক রুমে)

আসন সংখ্যা সীমিত। আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে বুকিং নেয়া হচ্ছে।

বুকিং এর নিয়ম:
প্যাকেজ এর ৫০% টাকা অগ্রিম বিকাশে বা ক্যাশ পেমেন্টের মাধ্যমে বুকিং কনফার্ম করতে হবে।
বাকী টাকা ট্যুরের নির্ধারিত তারিখের আগে অবশ্যই পরিশোধ করে বাস টিকেট সংগ্রহ করে নিতে হবে।

বিকাশ নম্বর : 01819-932001 (পার্সোনাল)

শুভেচ্ছান্তে

মুহাম্মদ আবু বকর সিদ্দিক
কো-অর্ডিনেটর
সাজেক ট্যুর, ভ্রমণ বাংলা ডট কম
01316-549231

Address

85/1 Purana Paltan Lane
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bhromon Bangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bhromon Bangla:

Share

Category