Riaz Ahmed

Riaz Ahmed পদচিহ্ন ভুলে যাও আর স্মৃতিগুলো নিয়ে নাও

17/04/2026
28/03/2026

তুমি হয়তো খুব সহজে সবকিছু মুছে দিলে—একটা ক্লিক, আর তারপর নিঃশব্দ সব। কিন্তু আমি?

ভাবছিলাম, হয়তো আবার মেসেজ দিতে পারবো, হয়তো বলবো—"মাফ করে দাও কিন্তু তুমি আসোনি।

তুমি জানো, ব্লক করাটা যতটা সহজ ছিল তোমার জন্য, আমার জন্য ঠিক ততটাই অসম্ভব ছিল মানিয়ে নেওয়া।

যে মানুষটার সাথে নিয়মিত চ্যাট হতো, হুট করে তার সব চিহ্ন মুছে যাক—এইটা কেমন লাগে জানো?

তুমি চলে যাও, সেটাও মেনে নেবো, কিন্তু এভাবে কিছু না বলে, কিছু না বুঝিয়ে—একেবারে নিঃশব্দে চলে যাওয়াটা ছিল সবচেয়ে বড় কষ্ট।

আল-ফারুক একাডেমী
05/07/2025

আল-ফারুক একাডেমী

"বৃষ্টিবেলায় ফুটবল খেলা উপভোগ"
21/05/2025

"বৃষ্টিবেলায় ফুটবল খেলা উপভোগ"

বাজারে কমদামে আম , অনলাইনে কত?একটু খেয়াল করলেই দেখা যায়, আমের সিজনে যেদিকে তাকাই সেদিকেই আম আর আম। বাসা থেকে নিচে নামলেই...
21/05/2025

বাজারে কমদামে আম , অনলাইনে কত?
একটু খেয়াল করলেই দেখা যায়, আমের সিজনে যেদিকে তাকাই সেদিকেই আম আর আম। বাসা থেকে নিচে নামলেই ভ্যান গাড়িতে আম, গলির মোড়ে মোড়ে আম সয়লাব, দামেও সস্তা, দেখতেও বেশ টসটসে, আকর্ষণীয়।
আর অনলাইনে কত?

অনলাইনের সেলাররা বলেন সরাসরি বাগান থেকে আম দিচ্ছে, তারপরেও তাদের দাম বাজারের থেকে বেশি। কিন্তু কেন?

কারণ - অনলাইন সেলাররা ক্রেতাকে আম দেন বাছাইকৃত সেরাটা। বাছাইকৃত সেরা আমের দাম একটু বেশিই। এর সাথে যোগ হয় ক্যারেটের দাম, প্যাকিং খরচ, পেপার, লেবার,আরও অন্যান্য খরচ। সবকিছু মিলিয়ে বাজারের আমের চাইতে অনলাইনে আম কিনতে দাম একটু বেশিই লাগে।

তারপরও কেন অনলাইন থেকে কিনবেন?
বাজারের আম আড়তদার বাগানীদের থেকে একসাথে কিনে নেন, বাগানীও পরিপক্ক অপরিপক্ক আমের হিসাব না করে সব একসাথে পেড়ে আড়তে বিক্রি করেন।
আড়তদার অপরিপক্ক আম পাকাতে আমে দেন ক্ষতিকর কেমিক্যাল ফলে সব আম একবারে পেকে যায়। আম অপরিপক্ক হওয়ায় আসল স্বাদ পাওয়া যায় না। সেইসাথে, কার্বাইড দেয়া আম খাওয়ার ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকি তো আছেই। এছাড়া এক আমের নাম বলে অন্য আম সেল করা তো চলেই।

রুটিন অফ বাংলাদেশ = Routine of Bangladesh
আমের প্যাকেজ -. সবনিম্ন ১০ কেজি থেকে শুরু

কল করুন : ০১৭৯২-৬৫৪৫৫৫
Whatsapp: 01792-654555

মেসেজ করুন: Routine of Bangladesh

#সুমিষ্ট #আম #হিমসাগর

ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা রোপণ এবং বিক্রি নিষিদ্ধপরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি ...
15/05/2025

ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা রোপণ এবং বিক্রি নিষিদ্ধ

পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা রোপণ ও বিক্রি নিষিদ্ধ করেছে সরকার।

কারন- ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছ মাটি থেকে অনেক বেশি পানি শোষণ করে, ফলে মাটির আর্দ্রতা কমে যায় এবং শুষ্ক বা মৌসুমী জলবায়ুর এলাকায় এটি মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়।

এই গাছের পাতায় থাকা বিষ গোড়ায় পড়ে মাটিকে বিষাক্ত করে তোলে, যার ফলে উর্বরতা নষ্ট হয়, চারপাশে অন্য কোনো গাছ সহজে জন্মাতে পারে না।

এ দুটি প্রজাতির গাছ স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের জন্য হুমকি, কারণ বহু দেশি গাছ, পোকামাকড় ও পাখি এই গাছে বাসা বাঁধে না বা খাদ্য খুঁজে পায় না।

তাই পরিবেশ সুরক্ষা এবং প্রাণবৈচিত্র্য রক্ষায় সকল সংস্থা ও নাগরিককে দেশি প্রজাতির বৃক্ষরোপণ প্রাধান্য দিতে আহ্বান জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

যেসব উদ্ভিদ ঘরের বাতাসকে বিশুদ্ধ করেযান্ত্রিক এই শহরে গাড়ি-কলকারখানার সংখ্যা যেমনি বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে বাতাসে থাকা বিভিন্...
15/05/2025

যেসব উদ্ভিদ ঘরের বাতাসকে বিশুদ্ধ করে

যান্ত্রিক এই শহরে গাড়ি-কলকারখানার সংখ্যা যেমনি বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে বাতাসে থাকা বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের পরিমাণ, ঘটছে পরিবেশ দূষণ। তবে এ বিষাক্ত রাসায়নিক যে শুধু রাস্তাঘাটেই রয়েছে, তা কিন্তু নয়। এমন অনেক ভয়াবহ রাসায়নিক পদার্থ আমাদের বাসা-বাড়িতেও রয়েছে, যার সম্পর্কে অনেকের ধারণাও নেই।

তবে এই নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। একটু সবুজই এনে দিতে পারে আপনার ঘরে সজীবতা। সারাদিনের ঘর্মক্লান্ত শ্রান্ত দেহটা নিয়ে যখন ঘরে পা দিবেন, তখন এই এক ঝলক সবুজ আপনাকে দিবে প্রকৃতির পরশ। তার জন্য ঘরে প্রাকৃতিক গুণাগুণ সমৃদ্ধ গাছ লাগানো জরুরি। যা গরমে আপনার ঘরকে শীতল রাখার পাশাপাশি বাতাসকে বিশুদ্ধ করে তুলবে।

চলুন জেনে নেই, যেসব উদ্ভিদ ঘরের বাতাসকে বিশুদ্ধ করে তোলে-

অ্যালোভেরা বা ঘৃতকুমারী
জানালার কাছে কিছু অ্যালোভেরা গাছ লাগিয়ে দিন। এটি একই সঙ্গে আপনাকে বিশুদ্ধতা এবং প্রয়োজনে ওষধি গুনাগুণ দিয়ে সাহায্য করে যাবে। এছাড়া রূপচর্চায়ও এই গাছ নানা কাজে আসে। এই গাছের এমন একটি গুণ রয়েছে যা সত্যিই অবাক করার মতন। ঘরের বাতাস বিশুদ্ধ করতেও অ্যালোভেরার রয়েছে বিশেষ ক্ষমতা। এই গাছটি বাতাসে মিশে থাকা ক্ষতিকারক কেমিক্যাল বেনজিন ও ফরমালডিহাইড দূর করে ঘরের বাতাসকে করে তুলে বিশুদ্ধ। বাতাসে ভেসে থাকা ক্ষতিকর কেমিক্যালের মাত্রা যখন খুব বেড়ে যায় তখন অ্যালোভেরার পাতায় ছোট ছোট বাদামি দাগ পড়ে। ফলে ঘরে থাকা বিষাক্ত জিনিসের মাত্রা সম্পর্কে সচেতন হওয়া যায়।

রাবার গাছ
রাবার গাছ ঘর থেকে বিষাক্ত ফরমালডিহাইড দূর করতে সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। এছাড়াও অন্যান্য কেমিক্যাল যেমন কার্বন মনোক্সাইড, ট্রাই ক্লোরো ইথিলিন ইত্যাদিও দূর করতেও এই গাছ খুব উপকারী। রাবার গাছ উজ্জ্বল আলোতে খুব ভালো বাড়ে। রাবার গাছ ৮ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়ে থাকে। এই গাছটি সাইজ ঠিক রাখার জন্য কয়েক মাস পর পর এর ডালপালা ছেঁটে দিতে পারেন এবং গাছের পাতা ঝকঝকে রাখতে মাঝেমধ্যে ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলতে পারেন।

পিস লিলি
সুন্দর এ পিস লিলি ঘরে রাখার জন্য দুর্দান্ত একটি ফুল গাছ। পিস লিলি শীতল তাপমাত্রায়ও বেড়ে উঠতে পারে এবং এগুলো বাতাসে থাকা প্রচুর মাত্রার টক্সিন কমাতে পারে। আমাদের দেশে এটি সাধারণত লিলি নামেই বেশি পরিচিত। কালচে সবুজ পাতার সঙ্গে সাদা ফুল আপনার নজর কাড়তে বাধ্য।

স্নেক প্লান্ট
এই গাছ অন্ধকার ও জলীয়বাষ্পপূর্ণ জায়গায় ভালোভাবে বেড়ে উঠে। তাই অনেকে এই গাছকে টবে রোপণ করে বাথরুম বা এর আশেপাশে রেখে দেন। এই গাছ বাতাস থেকে অনেক ক্ষতিকর কেমিক্যালকে দূর করে। বিশেষ করে ফরমালডিহাইড আর কার্বন মনোক্সাইড দূর করতে এই গাছের জুড়ি নেই। তবে এই গাছের পাতা যতই ধারালো হোক এর সবচেয়ে বড় গুণ হলো রাতে এই গাছ অক্সিজেন সরবরাহ করে বেশি। ঘুমের পরিবেশকে ভালো রাখতে শোবার ঘরে এই গাছ রাখেন অনেকেই।

ছোট বাঁশ গাছ বা বাম্বো পাম
এই গাছ ট্রাই ক্লোরোইথিলিন, বেনজিনসহ আরও বেশ কিছু ক্ষতিকর বিষাক্ত কেমিক্যাল দূর করে বাতাসকে বিশুদ্ধ করে তুলতে পারে এই উদ্ভিদ।
ঘরের এক কোনায় বা অফিসে রাখার মাধ্যমে এ বাঁশ যেমন সৌন্দর্য বাড়িয়ে তোলে, তেমনি পরিবেশ রক্ষায়ও এর কাজ তুলনাহীন। আকর্ষণীয় এ বাঁশ ৮ দশমিক ৪ স্কোর নিয়ে নাসার বাতাস বিশুদ্ধ করা উদ্ভিদের শীর্ষ তালিকায় রয়েছে।

মানিপ্ল্যান্ট
মানিপ্ল্যান্টকে সৌভাগ্যের গাছও বলা হয়। ধারণা করা হয়, এই গাছ বাড়িতে বা অফিসে লাগালে, বাড়ির সুখ- শান্তি আর ঐশ্বর্য বৃদ্ধি পায়। এর কারণ হিসেবে কথিত আছে- গাছের প্রত্যেকটি শাখায় ৫টি করে পাতা থাকে। এই পাঁচটি পাতা ধাতু, কাঠ, জল, আগুন ও পৃথিবীর প্রতীক। এই পাঁচটি উপাদান সমৃদ্ধিকে আকর্ষণ করে।

ট্রেকিং স্যান্ডেলআমি নিয়মিত ঝর্ণা বা পাহাড়ি পথে ভ্রমণ করি। যেখানে নানা ধরনের মানুষের সঙ্গে দেখা হয়। অনেকে হয়তো জীবনে প...
14/05/2025

ট্রেকিং স্যান্ডেল

আমি নিয়মিত ঝর্ণা বা পাহাড়ি পথে ভ্রমণ করি। যেখানে নানা ধরনের মানুষের সঙ্গে দেখা হয়। অনেকে হয়তো জীবনে প্রথমবার ঝর্ণা ও পাহাড় দেখতে এসেছেন। কেউ হয়তো বন্ধুদের সাথে দল বেঁধে। তাদের পায়ের দিকে তাকালে প্রথমেই যে জিনিসটি নজরে আসে, তা হলো তাদের পায়ে উপযুক্ত জুতা নেই। শুধু তা-ই নয়, অনেকে খালি পায়ে কিংবা কেউ কেউ এংলেট পরে আছেন।

তখন মাথায় আসে ট্র্যাকিং স্যান্ডেলের কথা।
০১. খালি পা অথবা এংলেট ব্যবহারের অসুবিধা কী?
০২. ঝিরিপথে বুট কেন ঠিক নয়?
০৩. ট্রেকিং স্যান্ডেল কতটা জরুরি?
০৪. কী ধরণের ফিচার থাকলে সেটিকে ট্রেকিং

০১. স্যান্ডেল বলা যায়?
আসুন আমরা এর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করি।
খালি পা অথবা এংলেট ব্যবহারের অসুবিধা কী?
ধরুন আপনি একটা ঝিরিপথে হাঁটছেন এবং সেখানে অনেক ছোট ভাঙা পাথর। তাহলে কে আপনার পা রক্ষা করবে? অবশ্যই ট্রেকিং স্যান্ডেল। আমাদের দেশে সবুজ পাহাড় অথবা ঝর্ণার পথগুলো মসৃণ নয় এবং অনেক সময় গাছের শিকড় থাকে। ইটের তৈরি উঁচু-নিচু রাস্তায় কি খালি পায়ে হাঁটা সম্ভব? দুপরের কড়া রোদে পাথর কতটা গরম হয়, তা আমরা সবাই জানি। যেখানে খালি পায়ে ভ্রমণ করা খুবই কঠিন। তাছাড়া খালি পায়ে পিছলে পড়ার শঙ্কাও বেশি। এক্ষেত্রে এংলেট শুরুর দিকে কিছুটা সহায়ক হলেও এংলেটের কাপড়ে কাদা আটকে গেলে সেটি পিচ্ছিল হয়ে যায়। ধরুন আপনি এংলেট পরে প্রথমে কাদায় হাঁটলেন। আস্তে আস্তে এংলেটে অনেক কাদা আটকে গেলো। তখন আপনি ওই কাদযুক্ত এংলেট পরে পরিষ্কার স্থানে হাঁটলেও স্লিপ করবেন।

০২. ঝিরিপথে বুট নয় কেন?
ঝিরিপথ শুধু পাথুরে হবে এমন নয়। অনেক কাদাও থাকে। কোথাও হাঁটু পানি। কখনো কোমরসমান পানি। আবার এমনও হয় যে ঠাঁই পাওয়া না গেলে সাঁতরে পাড়ি দিতে হয়।
এবার ধরুন আপনি ঝিরিপথে বুট পরে হাঁটছেন আর আপনার বুটের ভেতর ছোট ছোট নুড়ি, পাথর ও বালু ঢুকে গেছে। এসবের ঘর্ষণে পায়ের চামড়া ক্ষয় হতে থাকবে। আবার পানিতে ভিজে আপনার জুতার ওজন যাবে বেড়ে।

০৩. ট্রেকিং স্যান্ডেল কতটা জরুরি?
ঝিরিপথ বা পাহাড়ে আমি মনে করি সব চেয়ে বেশি জরুরি হচ্ছে ট্রেকিং স্যান্ডেল, অর্থাৎ ট্রেকিংয়ের উপযুক্ত জুতা। কেননা এই ধরনের বিশেষ জুতা ট্রেকিংয়ের সময় আপনাকে যেমন নিরাপদ রাখবে, তেমনি আনন্দময় করবে আপনার ভ্রমণ।

০৪. কী ধরনের ফিচার থাকলে ট্রেকিং স্যান্ডেল হিসেবে গণ্য করা যাবে?
গ্রিপ: জুতার নিচে বড় গ্রিপ এবং উপরিভাগে ছোট গ্রিপ থাকবে। নিচের গ্রিপ হচ্ছে পিচ্ছিল স্থানে আটকে থাকার জন্য আর উপরের গ্রিপ পায়ের সাথে আটকে থাকার জন্য।
পেছনে বেল্ট: বেল্ট থাকার কারণে আপনার জুতা সহজে খুলে আসবে না। তা যে অবস্থানেই থাকুক না কেন।

ওজন: তুলনামূলক হালকা হবে

জল প্রতিরোধী: পায়ের বেশির ভাগ অংশ ফাঁকা রাখবে। তাই পানি, পাথর, নুড়ি ইত্যাদি আটকে থাকবে না।

পাহাড়, ঝর্ণা, ঝিরিপথসহ যেকোনো স্থানে ভ্রমণের জন্য কেনাকাটার আগে আমাদের জানা উচিত, এটি কতটা উপযুক্ত। অর্থাৎ প্রয়োজনের সঙ্গে এটি মিলছে কি না?

#ট্রেকিং #স্যান্ডেল #গ্রিপ

আমাদের কোথায় কী গাছ লাগানো উচিত! শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস, হাসপতাল, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গনে রোপণ-উপযোগী গাছ:-নারিকেল,...
11/05/2025

আমাদের কোথায় কী গাছ লাগানো উচিত!

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস, হাসপতাল, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান প্রাঙ্গনে রোপণ-উপযোগী গাছ:-

নারিকেল, তাল, কাঠবাদাম, আম, জাম, কাঁঠাল, পেয়ারা, জাম্বুরা, গাব, লিচু, কাউ, চম্পা, মেহগনি, তেলসুর, জারুল, সোনালু, পলাশ, কৃষ্ণচূড়া, কামিনি, বকুল, অশোক, নাগেশ্বর, উইপিং দেবদারু, দেবদারু, বটল-ব্রাশ, বটল-পাম, অরোকেরিয়া, থুজা ইত্যাদি।

পুকুর পাড়ে রোপণ-উপযোগী গাছ:-

নারিকেল, তাল, সুপারি, খেজুর, পেয়ারা, জাম্বুরা, লেবু, আম, কাঁঠাল, বাঁশ ইত্যাদি।

শিল্প অঞ্চলে রোপন-উপযোগী গাছ:-

মেহগনি, নিম, নারিকেল, তাল, বকুল, নাগেশ্বর, দেবদারু, গাব, উইপিং দেবদারু, রাজকড়ই, পলাশ, কৃষ্ণচূড়া, থুজা, অরোকেরিয়া ইত্যাদি।

হাট-বাজারে রোপণ-উপযোগী গাছ:-

বট, অশ্বথ, তেতুঁল মেহগনি, কাঠবাদাম, রেইনট্রি ইত্যাদি।

কবরস্থান ও শ্মশানে রোপণ-উপযোগী গাছ:-
কাঁঠাল, আম, মেহগনি, বকুল, পলাশ, কৃষ্ণচূড়া, নাগেশ্বর শিমুল, বট, দেশিগাব, অশ্বথ, বেল, চম্পা, ঝাউ, বটল-ব্রাশ, বটল-পাম, অরোকেরিয়া, সোনালু, পাতাবাহার, রঙ্গন, থুজা, কামিনি, সুপারি, বাঁশ ইত্যাদি।

পাহাড়ি বন ভুমিতে রোপণ-উপযোগী গাছ:-

পাহাড়ের উপরিভাগঃ গর্জন, গামার, চম্পা, চিকরাশি, সিভিট, তেলসুর, উড়িআম, আমলকী, পাইন্যাগোলা/লুকলুকি, কনক, ধারমারা, শিলভাদি, গুটগুটিয়া, ঝাউ, আকাশমনি ইত্যাদি।

মধ্যঢাল থেকে পাদদেশ পর্যন্ত: গর্জন, গামার, কালাকড়ই, চাপালিশ, মেহগনি, শিলকড়ই, সেগুন, তেলসুর, চম্পা,

সিভিট, শিমুল, ছাতিয়ান, জারুল, তেঁতুল, ঝাউ, ঢাকিজাম, পিতরাজ, কাইঞ্জলভাদি, তুন, বট, বকুল, তেতুয়াকড়ই, লোহাকাঠ, চিকরাশি, বইলাম, টালি, বান্দরহোলা, তেজবহল, বাজনা, গুটগুটিয়া, উদাল, চালমুগরা, কন্যারী, পদুকা, চন্দুল, নারিকেলী, কামদেব, রক্তন, বনাক, ধারমারা, হারগোজা, মুজ, রাতা, উড়িআম, রাবার, কাঁঠাল, লেবু, বেল, পেয়ারা, বর্ষা, কাউ, গাব, কালজাম, হরিতকি, আমলকি, বহেরা, ওলটকম্বল, অর্জুন, বাশ, বেত ইত্যাদি।

পাহাড়ি এলাকার নিচু ভূমি (যেখানে বছরের কোন না কোন সময় পানি থাকে) ৪ জারুল, কদম, পুতিজাম, ডেপামাজ, কালজাম, পিটালী, ডুমুর, শিমুল, চাকুয়াকড়ই, কালাকড়ই, বান্দরহোলা, মান্দার, হিজল, বট, অশ্বথ, জিগা, কাঞ্চন, বারিয়ালা বাঁশ, বেত ইত্যাদি।

রাস্তা ও সড়কের ধারে রোপণ-উপযোগী গাছ:-

সড়ক ও মহাসড়ক : রেইনট্রি, রাজকড়ই, শিলকড়ই, কালাকড়ই, শিশু, মেহগনি, অর্জুন, দেবদারু, ঝাউ, চিকরাশি, তেলসুর, রকুল, পলাশ, কৃষ্ণচূড়া, সোনালু, নিম, লোহাকাঠ, আকাশমনি, ইউক্যালিপটাস ইত্যাদি। পানি উঠে বা পানি জমে থাকে এরূপ জায়গায় জারুল, কদম, হিজল, জাম, মান্দার ইত্যাদি।

ফিডার রোড ৪ শিশু, নিম, দেবদারু, চম্পা, ইপিল-ইপিল, গ্লিরিসিডিয়া, তুন, জাম, জাম্বুরা, বাবলা, খয়ের, বকফুল, সিন্দুরী, অড়হর, বগামেডুলা, তাল, খেজুর, ইউক্যালিপটাস ইত্যাদি।

সিটি রোড: দেবদারু, মেহগনি, নিম, চম্পা, নাগেশ্বর, কৃষ্ণচূড়া, পলাশ, সোনালু, বটল-পাম, ঝাউ ইত্যাদি।

সিটি আইল্যান্ড: উইপিং দেবদারু, বটল-পাম, বটল-ব্রাশ, এরিকা-পাম, কামিনি, চেরী, জারুল, নাগেশ্বর, সিন্দুরী, জবা, গন্ধরাজ,বাগান বিলাস, মোসেন্ডা, থুজা, অশোক, রাধাচূড়া ইত্যাদি।

রেল লাইন : তাল, খেজুর বাবলা, খয়ের, বকফুল, সিন্দুরী, বেলা, রাজকড়ই ইত্যাদি। পানি জমে এরূপ জায়গায় জারুল,
হিজল, কদম, জাম, মান্দার ইত্যাদি।

বাঁধের ধারঃ তাল, খেজুর, বাবলা, খৈয়া বাবলা, পুনিয়াল, নারিকেল, ঝাউ, বাঁশ, জারুল, মান্দার, জাম, কদম ইত্যাদি।

বিল এলাকায়:- (যেখানে বছরের ২-৩ মাস পানি জমে থাকে) রোপণ-উপযোগী গাছ:-

হিজল, করচ, বিয়াস, পিটালী, জারুল, মান্দার, বরুন, পলাশ, কদম, চালতা, পুতিজাম, ডেপাজাম, পিতরাজ, অর্জুন, আম ইত্যাদি।

বসতবাড়ীর আশে পাশে রোপণ-উপযোগী গাছ:-

নিম, আম, জাম, কাঁঠাল, পেয়ারা, বেল, আমড়া, নারিকেল, তাল, খেজুর, লটকন, কাউ, সজিনা, বকফুল, সুপারি, লিচু, জাম্বুরা, জলপাই, বেলঘু, কামরাঙ্গা, ডালিম, কুল, লেবু, তেজপাতা, দারুচিনি, বিলাতিগাব, সফেদা, কলা, পেঁপে, তুন, শিলকড়ই, গামার, কদম, অড়হর, বাসক, পাথরকুচি, বাঁশ ইত্যাদি। বর্ষার পানি জমে থাকে এমন জায়গায় কদম, জারুল, পিটালী, বরুন, জাম ইত্যাদি।

ক্ষেতের আইলে রোপণ-উপযোগী গাছ:-

তাল, খেজুর, সুপারি, বাবলা, খয়ের, বকাইন, বকফুল, ধৈঞ্চা, মান্দার, জিগা, কড়ই, ইউক্যালিপটাস ইত্যাদি।

উপকূলীয় নতুন চরে রোপণ-উপযোগী গাছ:-

কেওড়া, বাইন, কাকড়া, গরান, গোলপাতা ইত্যাদি।
উপকূলীয় এলাকায় জেগে উঠা উচু চর (যেখানে ম্যানগ্রোভ জন্মে না)
বাবলা, ঝাউ, সনবলই, সাদাকড়ই, কালাকড়ুই, জারুল, রেইনট্রি ইত্যাদি।

নদী বক্ষে জেগে উঠা নতুন চরে রোপণ-উপযোগী গাছ:-

ঝাউ, লোনা-ঝাউ, পিটালী, করচ, পানিবিয়াস ইত্যাদি।

তাপ থেকে পরিত্রাণ পাবো কীভাবে? পরিত্রাণ গাছের কাজকর্মে। বৃক্ষই পারে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা কমিয়ে রাখতে। কেমন করে? বাতাসের কা...
11/05/2025

তাপ থেকে পরিত্রাণ পাবো কীভাবে?
পরিত্রাণ গাছের কাজকর্মে। বৃক্ষই পারে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতা কমিয়ে রাখতে। কেমন করে? বাতাসের কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে নিজের খাদ্য বানায় গাছ, যাকে ফটোসিন্থেসিস বলে। এ প্রক্রিয়ায় গাছ বাতাসে ছড়িয়ে দেয় অক্সিজেন। বায়ুমণ্ডল শুদ্ধ করার প্রাকৃতিক সম্পদ গাছ, বৃক্ষসমৃদ্ধ অরণ্য।
এমন জেনেও নির্বিচারে বৃক্ষ নিধন, অরণ্য ধ্বংস করছি আমরা। আমাদের দরকার গাছ লাগানো, বৃক্ষ সম্পদ নষ্ট না করা। গাছ লাগানো মানে যে কোনও গাছ। বড় বৃক্ষ না হোক, বাঁশ-ঘাস-লতা হলেও নিজ গুণে সেই উদ্ভিদ বাতাসের কার্বন ডাই-অক্সাইড শুষে নেবে। অর্থাৎ আমাদের অক্সিজেন জোগাবে, ধরণী শীতল হবে।

গাছ লাগানোর সুযোগ না থাকলে আমাদের অন্য উপায়ও আছে। ফল খেয়ে তার বীজ নষ্ট না করা। বীজ ছড়িয়ে দিতে হবে মাঠে প্রান্তরে, বাসে বা রেলপথে যেতে যেতে। কিছু পড়বে পাথরে, রুক্ষ মাটিতে। কিছু পড়বে সঠিক মৃত্তিকায়, জন্ম নেবে গাছ।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Riaz Ahmed posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category