Liberty Tours & Travels

Liberty Tours & Travels This page is basically for them, who wants to visit around the world for a happy life & hassle free travel. Call us on 01641-349754 for any quires.

 #ভিসার_জন্য_এম্বেসিতে_যেতে_হবে_না 🌞 🌞⛈ ⛈ ☔ মেঘ ও জলপ্রপাতের রাজ্য এবং প্রাচ্যের স্কটল্যান্ডখ্যাত মেঘালয়ের শিলং-চেরাপুঞ্...
27/11/2018

#ভিসার_জন্য_এম্বেসিতে_যেতে_হবে_না 🌞 🌞
⛈ ⛈ ☔ মেঘ ও জলপ্রপাতের রাজ্য এবং প্রাচ্যের স্কটল্যান্ডখ্যাত মেঘালয়ের শিলং-চেরাপুঞ্জি থেকে মাত্র ১৪,৯৯৯ টাকায়। যাতায়াত, থাকা-খাওয়া, সাইট সিয়িং, ভিসা প্রসেস, সহ সব খরচ এই প্যাকেজের অন্তভুক্ত!
#ভ্রমনের_তারিখঃ ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ইং - ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং
বুকিং হটলাইনঃ ☏ 01641-349754, ☏ 01788-346419, ☏ 01819-406117
#বুকিং_শেষ_সময় : ৩ ডিসেম্বর বা আসন খালি থাকা সাপেক্ষে।
************************************************************
বুকিং মানিঃ ৭০০০ টাকা
#ইন্ডিয়ান_ভিসার_ঝামেলা_এড়াতে_এবং_আপনার_যাত্রা_নিশ্চিত_করতে_দ্রুত_বুকিং_করুন
************************************************************
#প্যাকেজের_সাথে_যা_থাকছেঃ

- ঢাকা-মেঘালয়-ঢাকা সকল যাতায়াত
- ৩ (তিন) রাত টুইন শেয়ার বেসিসে স্ট্যান্ডার্ড হোটেলে থাকা
- সকাল, দুপুর ও রাতের খাবার (ট্যুর প্লান অনুযায়ী)
- সাইটসিয়িং
- সকল হোটেল ট্যাক্স ও পার্কিং চার্জ
- সার্বক্ষণিক গাইড
- ভিসা প্রসেসিং
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
#ভ্রমণের_বিবরণী :

০ দিন : ঢাকা
রাত ১০.৫০ মিনিটে ঢাকা থেকে এসি বাসে মেঘালয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু।
Breakfast (No) | Lunch (No) | Dinner (No)

১ম দিন : ঢাকা - মেঘালয়
সকালে সিলেট পৌছে সি এন জি কিংবা রিজার্ভ ট্রান্সপোর্ট এ করে তামাবিল বর্ডারের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু। বর্ডারে সকালের নাস্তা করে বর্ডারে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া শেষে টুরিস্ট বাস/জীপে (প্রতি জীপে ৮ জন করে শেয়ার ব্যাসিসে বসবেন) করে আমরা এশিয়ার সবচেয়ে পরিচ্ছন্ন গ্রাম মাওলিংনং এবং 'Living Root Bridge' ঘুরতে যাবো। দুপুরের খাবার শেষে শিলং এর উদ্দেশ্যে যাত্রা করব। ২ ঘন্টা যাত্রা শেষে শিলং পৌছে হোটেলে চেক-ইন করব এবং বিশ্রাম নিবো। রাতের খাবার শেষে হোটেলে রাত্রি যাপন করব।
Breakfast (Yes) | Lunch (Yes) | Dinner (Yes)

২য় দিন : শিলং - চেরাপুঞ্জি
সকালের নাস্তা করে চেরাপুঞ্জির উদ্দেশ্যে রওনা হবো। এদিন আমরা মাউকডক ভ্যালি, রামকৃষ্ণ মিশন, নুহকালিকাই ফলস, মুহসেমাই গুহা, ইকো পার্ক, সেভেন সিস্টার ফলস, মট ট্রপ ও থাংখারাং পার্ক ঘুরে দেখব। রাতে শিলং এ অবস্থান করব।
Breakfast (Yes) | Lunch (Yes) | Dinner (Yes)

৩য় দিন : শিলং - বারাপানি
সকালের নাস্তা করে বারাপানি সাইটসিয়িং এর উদ্দেশ্যে রওনা হবো। এদিন আমরা এলিফেন্ট ফলস, শিলং পিক, লেডি হায়দারী পার্ক, ওয়ার্ডস লেক, গলফ কোর্স, স্টেট মিউজিয়াম এবং বারাপানি লেক

৪থ দিন : মেঘালয় - ঢাকা
সকালে নাস্তা করে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা করব। বর্ডারে ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া শেষে দুপুরের খাবার খাবো। খাবার শেষে ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করব এবং রাতের মধ্যে ঢাকায় পৌছাবো।
Breakfast (Yes) | Lunch (No) | Dinner (No)
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
#প্যাকেজের_যা_অন্তভুক্ত_নয়ঃ

- ভিসা ফি (৮৪০ টাকা), ট্র্যাভেল ট্যাক্স (৫০০ টাকা), বর্ডার খরচ ও যে কোন বাক্তিগত (লন্ড্রি, ফোন, টিপস, এন্ট্রি টিকেট, ক্যামেরা চার্জ, জরিমানা ইত্যাদি) এবং চিকিৎসা খরচ।

#ভিসা_সংক্রান্ত_তথ্যঃ শিলং ও চেরাপুঞ্জি ভ্রমনের জন্য আপনাকে অবশ্যই ডাউকি বর্ডার দিয়ে ভিসা করা থাকতে হবে। যাদের এই পোর্ট এ ভিসা করা আছে তারা দ্রুত বুকিং মানি পাঠিয়ে আপনার প্যাকেজটি কনফার্ম করে ফেলুন। যাদের ভিসা অন্য পোর্ট দিয়ে করা আছে তাদের ডাউকি পোর্ট এড করে দিতে পারবো, সেক্ষেত্রে খরচ লাগবে। আর যাদের ভিসা করা নাই তাদের ভিসা প্রক্রিয়ার খেত্রে আমরা সহযোগীতা করবো।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
#প্যাকেজে_খাবার_যা_থাকছেঃ

- সকালের নাস্তাঃ
১ম দিনঃ পরটা, সবজি/ডিম, চা/ কফি
২য় দিনঃ সুপ নুডুলস, চা/ কফি
৩য় দিনঃ লুচি/ আলু পরটা, মটর/সবজি, ডিম, চা/ কফি
৪থ দিনঃ লুচি/ আলু পরটা, মটর/সবজি, ডিম, চা/ কফি

- দুপুরের খাবারঃ
১ম দিনঃ ভাত, ডাল, সবজি, আলু ভাজা, মুরগি//ডিম, চাটনি, সালাদ
২য় দিনঃ ভাত, ডাল, সবজি, আলু ভাজা, মুরগি//ডিম, সালাদ, চা
৩য় দিনঃ চিকেন দম বিরিয়ানি

- রাতের খাবারঃ
১ম দিনঃ পরটা, তান্দুরি চিকেন, সালাদ
২য় দিনঃ ভাত, ডাল, মুরগি//ডিম/মাছ, সালাদ
৩য় দিনঃ চিকেন দম বিরিয়ানি

>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
#জরুরী_নোটঃ

• কোনো রকম আইন বিরোধী কাজে সম্পৃক্ত থাকা যাবেনা।
• এই ট্যুরের আসন সংখ্যা ২৭ জন।
• খাবার মেন্যতে অদল-বদল হতে পারে। তবে খাবার আইটেমগুলো এমনই থাকবে।

• নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কিছু কোনভাবেই করা যাবেনা
• সমালোচনা বা মজা করতে গিয়ে কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমন বা অসম্মান করা যাবেনা । পরিবেশ নষ্ট হয় এমন কাজ করা যাবে না।
• যারা ভ্রমনে ছোট খাটো সমস্যাগুলো নিজের মনে করে মেনে নিতে পারেন না তাদের কোন গ্রুপ ভ্রমনে না যাওয়াই শ্রেয়।
• ভ্রমণকালীন যে কোন সমস্যা নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করতে হবে।
• "লিবার্টি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস” এই ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোন সিদ্ধান্ত গ্রহনের একক ক্ষমতা রাখে।
• ভ্রমণ সুন্দর মত পরিচালনা করার জন্য সবার সর্বাত্মক সহায়তা কাম্য।
যেভাবে বুকিং করতে পারবেন :
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
যারা যারা যাবেন তারা এখানে কনফার্ম করুন এবং নীচের একাউন্টে অথবা সরাসরি অফিসে এসে জমা দিন।
১। বিকাশ কিংবা রকেট এর মাধ্যমে বুকিং কনফার্মঃ
01986869400 (Bkash-Personal)
019145440014 (Rocket)
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
#কাপল_পলিসি

** কাপলদের জন্য আলাদা রুম দেয়া হবে ।
যারা আগে বুকিং করবেন তারা বিশেষ সুবিধা পাবেন । কাপল রুম বেশি নেই তাই আগ্রহী কাপলদের দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক বলা যাচ্ছে যে আপনারা যত দ্রুত সম্ভব বুকিং করে ফেলুন ।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
#শিশু_পলিসি
* ০ - ৩ বছরের বাচ্চাদের ফ্রি
(কোন খাবার পাবে না, গাড়িতে সীট পাবে না, হোটেলে বাবা-মায়ের সাথে থাকবে)
* ৪-৮ বছরের বাচ্চাদের ৮০% দিতে হবে এডাল্ট প্রাইসের
(খাবার পাবে, গাড়িতে সীট পাবে, হোটেলে বাবা-মায়ের সাথে থাকবে)
* ৮+ বছরের বাচ্চাদের ১০০% দিতে হবে এডাল্ট প্রাইসের
(খাবার পাবে, গাড়িতে সীট পাবে, হোটেলে আলাদা সিট পাবে)
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
খরচঃ ১৪,৯৯৯ টাকা
*********************************************************
#টিকেট/ #প্যাকেজ/ #হোটেল/ #ভিসা/ #গ্রুপ ট্যুর
*********************************************************
#যোগাযোগঃ

লিবার্টি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস
বাড়ী নং-১০ এভিনিউ-১, রোড-১, ব্লক- বি, সেকশন-২, মিরপুর-২, ঢাকা-১২১৬
ফোনঃ ০১৬৪১ ৩৪৯৭৫৪, ০১৭৮৮ ৩৪৬৪১৯, ০১৮১৯ ৪০৬১১৭
মেইলঃ [email protected]
ওয়েবঃ www.libertytravelsbd.com
ফেজবুক পেইজ : https://www.facebook.com/MyLibertyTours

 #বাই_রোডে_ভূটান_ট্যুর (৫ রাত/ ৪দিন)জনপ্রতি মাত্র ৯,৯৯৯/- টাকা!! #ভ্রমনের_তারিখঃ ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং - ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ ...
27/11/2018

#বাই_রোডে_ভূটান_ট্যুর (৫ রাত/ ৪দিন)
জনপ্রতি মাত্র ৯,৯৯৯/- টাকা!!
#ভ্রমনের_তারিখঃ ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং - ১৮ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং
বুকিং হটলাইনঃ ☏ 01641-349754, ☏ 01788-346419, ☏ 01819-406117
বুকিং শেষ সময় : ০৩ ডিসেম্বর বা আসন খালি থাকা সাপেক্ষে।
------------------------------------------------------------------------
#প্যাকেজে_যা_থাকছেঃ
১। ঢাকা- বুড়িমারি-ঢাকা এসি বাস
২। বুড়িমারি থেকে জয়গা সুমো জিপ/ বাস
৩। ৩ রাত স্ট্যান্ডার্ড হোটেলে রাত্রি যাপন (প্রতি রুমে ৪ জন)
৪। ভিসা প্রসেসিং
৫। অভিজ্ঞ গাইড
৬। সকল সাইটসিং ও ট্র্যান্সফার

#নোটঃ কাপল/টুইন শেয়ার রুমের জন্য জনপ্রতি ১,৫০০ টাকা যোগ করতে হবে
----------------------------------------------------------------------------
#ভ্রমন_বিস্তারিতঃ

০ দিন:
রাত ৭ টায় ঢাকা থেকে ভুটানের উদ্দেশ্যে আমাদের যাত্রা শুরু।

১ম দিন:
সকাল আমরা বুড়িমারি বর্ডারে পৌছাবো। ইমিগ্রেশনের কাজ শেষ করে সুমো জিপে আমরা রওনা দিব জয়গার উদ্দেশ্যে। জয়গাও পৌছে ভারত এবং ভূটানের ইমিগ্রেশন ও পারমিটের কাজ সম্পূর্ণ করে জয়গাও/ফুয়েন্টসোলিং এর হোটেলে চেক ইন । বিকালে নিজেদের মতো করে চমৎকার শহরটির সৌন্দর্য উপভোগ করব।রাত্রি যাপন জয়গাও/ফুয়েন্টসোলিং এ ।

২য় দিন:
সকালের নাস্তা করে আমরা পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তা বেঁয়ে থিম্পুর উদ্দেশে যাত্রা করব। আঁকাবাঁকা যাত্রাপথের কোন এক সময় মনে হবে পুরো ফুয়েন্টসোলিং শহর পাখির চোখে দেখছেন। পথিমধ্যে চোখ জুড়ানো পাহাড়ি বন, ভুটানের ট্র্যাডিশনাল ঘরবাড়ি, নান্দনিক পাহাড়ের দৃশ্য আপনাকে মুগ্ধ করবেই। দুপুরে আমরা থিম্পু পৌছাবো। দুপুরের খাবার খেয়েই আমরা চলে যাব থিম্পুর দর্শনীয় স্থান গুলো দেখতে ।একে একে দেখবোঃ ন্যাশনাল লাইব্রেরী (যেখানে বিশ্বের সবছেয়ে বড় প্রকাশিত বই সংরক্ষিত আছে), ফোক হেরিটেজ মিউজিয়াম, ন্যাশনাল মেমোরিয়াল, রয়েল প্যালেস, আরচারি গ্রাউন্ড, বুদ্ধা পয়েন্ট, চাংখা লাখাং, বিবিএস টাওয়ার, লোকাল মার্কেট ।রাত্রি যাপন থিম্পুতে।

৩য় দিন:
সকালে ঘুম থেকে উঠে আমরা চলে যাব পারোর অন্যতম আকর্ষণ টাইগার নেস্টের উদ্দেশ্যে।আবহাওয়া ভালো থাকলে সেখান থেকে আমরা Mount Jomolhari এর চূড়া (24,000 ft) দেখতে পারবো। পারোতে আমরা আরো উপভোগ করবো পারোর অন্যতম দর্শনীয় স্থান Drugyel Dzong, সপ্তম শতাব্দীতে নির্মিত Kyichu Lhakhang, এশিয়ার সেরা ন্যাচারাল ইতিহাস সমৃদ্ধ জাদুঘর পারোর ন্যাশনাল মিউজিয়াম ও অন্যতম আকর্ষণ পারো ডোজং। রাত্রি যাপন পা্রোতে।

৪থ দিন:
সকালে নাস্তা সেরে আমরা যাত্রা করব ফুয়েন্টসোলিং এর উদ্দেশ্যে। পাহাড়ের আঁকাবাঁকা রাস্তা বেয়ে নামবো প্রায় ৬৫০০ ফিট নিচে আর সাথে চোখ ধাঁধানো দৃশ্য তো আছেই। ভূটান এবং ভারতের ইমিগ্রেশনের কাজ শেষ করে বিকেল/সন্ধ্যায় আমরা চলে যাব বুড়িমারিতে। এবার আমাদের ঢাকায় ফেরার পালা।বর্ডার এর আনুষ্ঠানিকতা সম্পূর্ণ করে এসি বাসে ঢাকার দিকে যাত্রা শুরু করবো। সকালে পৌছে যাব ঢাকায় ।
-------------------------------------------------------------------
#আপনার_যাত্রা_নিশ্চিত_করতে_দ্রুত_বুকিং_করুন
আমাদের কোন প্যাকেজে কোন প্রকার সার্ভিস চার্জ / হিডেন চার্জ নেই।
==================================================
#প্যাকেজের_অন্তর্ভুক্ত_নয়
= ভিসা ফি-৮৪০/-
= ট্রাভেল ট্যাক্স-৫০০/-
= খাবার
= ব্যক্তিগত খরচসমুহ
= বর্ডার টিপস
======শিশু পলিসি======
০-৩ বছর :কোন খরচ লাগবেনা (বাবা মার সাথে থাকবে, বাসে বাবা মার সাথে বসবে, আলাদা খাবার পাবেনা
:
jaigaon: Sh*tal Resedency or similer
Phuntsholing: Shelgaon / Central or similar
Thimphu: Centennial /Chopel or similar
Paro: Jigmiling / Dragon / City or similer
================================================
পোশাক: ভুটান এ শীত তাই শীতের পোশাক অবশ্যই সাথে রাকতে হবে। বৃষ্টি থেকে নিরাপদ থাকতে ছাতা/ রেইনকোট,
পাহাড়ি পথে হাটার জন্য কেডস,
রোদ থেকে নিরাপদ থাকতে সানগ্লাস/সানক্যাপ।
অন্যান্য: বাইনোকুলার, ক্যামেরা, টুথপেস্ট, টুথব্রাশ, তাওয়েল, স্লিপার, জরুরি ঔষধ। ফার্স্ট এইড ব্যান্ডেজ।
================================================
ভিসা প্রসেসিং করার প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসের তালিকাঃ
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
১। ৬ মাসের ভ্যালিড পাসপোর্ট
২। ৩/৬ মাসের ব্যাংক ষ্টেটমেন্ট। ব্যালেন্স কমপক্ষে ২০,০০০/= টাকা। ব্যাংক হিসাব না থাকলে ২০০ ডলার এন্ডোর্সমেন্ট অথবা এন্ডোর্সমেন্ট এর জন্য অতিরিক্ত ৮০০ টাকা।
৩। চাকুরীজীবীদের জন্যে অফিস থেকে এন ও সি লেটার (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট),
৪। ব্যবসায়ীদের জন্যে ট্রেড লাইসেন্স এর ফটোকপি
৫। অফিসের আইডি কার্ডের কপি (চাকুরীজীবীদের জন্যে),
৬। ন্যাশনাল আইডি কার্ডের কপি

৭। ছবি (২''/২'', ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা হতে হবে)
৮। বিদু্ৎ/পানি/টেলিফোন বিলের কপি
৯। স্টুডেন্ট আইডি কার্ড (স্টুডেন্টদের ক্ষেত্রে)।
জরুরী নোটঃ
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
• কোনো রকম আইন বিরোধী কাজে সম্পৃক্ত থাকা যাবেনা।
• নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয় এমন কিছু কোনভাবেই করা যাবেনা।
• সমালোচনা বা মজা করতে গিয়ে কাউকে ব্যক্তিগত আক্রমন বা অসম্মান করা যাবেনা। পরিবেশ নষ্ট হয় এমন কাজ করা যাবে না।
• বাংলাদেশের রান্না ও ভারতের –ভূটানের রান্না ভিন্ন হওয়ায় খাবার গ্রহণে সমস্যা হতে পারে।
• যারা ভ্রমনে ছোট খাটো সমস্যাগুলো নিজের মনে করে মেনে নিতে পারেন না তাদের কোন গ্রুপ ভ্রমনে না যাওয়াই শ্রেয়।
• কোন ভাবেই অতিরিক্ত দু:সাহসিকতা দেখানো যাবেনা।
• দলছাড়া হয়ে ঘুরা যাবে না। বিশেষ প্রয়োজনে দলকে জানিয়ে যাওয়া যেতে পারে।
• অন্য কোন সদস্যের সাথে আর্থিক লেনদেন থেকে বিরত থাকবেন। করার পর ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার দায়ভার নিজের উপরেই বর্তাবে।
• ভ্রমণকালীন যে কোন সমস্যা নিজেরা আলোচনা করে সমাধান করতে হবে।
• "লিবার্টি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস” এই ভ্রমণ সংক্রান্ত যেকোন সিদ্ধান্ত গ্রহনের একক ক্ষমতা রাখে।
• ভ্রমণ সুন্দর মত পরিচালনা করার জন্য সবার সর্বাত্মক সহায়তা কাম্য।
যেভাবে বুকিং করতে পারবেন :
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
যারা যারা যাবেন তারা এখানে কনফার্ম করুন এবং নীচের একাউন্টে অথবা সরাসরি অফিসে এসে বুকিং মানি ৫০০০ টাকা করে জমা দিন।
১। বিকাশ কিংবা রকেট এর মাধ্যমে বুকিং কনফার্মঃ
01986869400 (Bkash-Personal)
019145440014 (Rocket)
কাপল পলিসি
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
** কাপলদের জন্য আলাদা রুম দেয়া হবে । এজন্য জনপ্রতি অতিরিক্ত ১৫০০ টাকা যোগ হবে। কাপল রুম বেশি নেই তাই আগ্রহী কাপলদের দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক বলা যাচ্ছে যে আপনারা যত দ্রুত সম্ভব বুকিং করে ফেলুন ।
>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>>
#টিকেট । #প্যাকেজ । #হোটেল । #ভিসা । #গ্রুপট্যুর
***********************************************************
#যোগাযোগঃ

লিবার্টি ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস
বাড়ী নং-১০ এভিনিউ-১, রোড-১, ব্লক- বি, সেকশন-২, মিরপুর-২, ঢাকা-১২১৬
ফোনঃ ০১৬৪১ ৩৪৯৭৫৪, ০১৭৮৮ ৩৪৬৪১৯, ০১৮১৯ ৪০৬১১৭
মেইলঃ [email protected]
ওয়েবঃ www.libertytravelsbd.com
ফেজবুক পেইজ : https://www.facebook.com/MyLibertyTours

✔️✔️ বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলার দর্শনীয় স্থানের তালিকা 👉👉আমরা সবাই কম-বেশি ঘুরতে পছন্দ করি। কিন্তু অনেকে আবার ইচ্ছা থাক...
23/11/2018

✔️✔️ বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলার দর্শনীয় স্থানের তালিকা 👉👉

আমরা সবাই কম-বেশি ঘুরতে পছন্দ করি। কিন্তু অনেকে আবার ইচ্ছা থাকা শর্তেও নিজের জেলার দর্শনীয় স্থানে যেতে পারেন না এমনকি নামও জানেন না! তাদের জন্য খুব সংক্ষিপ্ত করে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলার দর্শনীয় স্থানের তালিকা দেওয়া হলো। ঘুরতে যাওয়া না হোক, নামগুলোতো জানা হলো। দেখুন আপনার জেলায় কোন কোন দর্শনীয় স্থান রয়েছে ? ভালো লাগলে মন্তব্য করবেন আর কোন নাম বাদ পরলে তা মন্তব্যের ঘরে সংযুক্ত করার অনুরোধ রইলো। পরে আমি তা এডিট করে মূল পোস্টে সংযুক্ত করে দিবো। সবাই ভালো থাকবেন।

রাজশাহী বিভাগ

বগুড়া

মহাস্থানগড়, ভাসু-বিহার, গোকুল মেধ, শাহ্ সুলতান বলখি মাহী সাওয়ারের মাজার, ভবানীপুর শিবমন্দির, ভবানী মন্দির, খেড়ুয়া মসজিদ, মোহাম্মদ আলী প্যালেস মিউজিয়াম, গ্রায়েন বাঁধ, ওয়ান্ডারল্যান্ড, মহাস্থান প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ

ছোট সোনা মসজিদ, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের সমাধি, দারসবাড়ী মসজিদ ও মাদ্রাসা, দারসবাড়ী মসজিদের প্রস্তরলিপি, খঞ্জনদীঘির মসজিদ, ধনাইচকের মসজিদ, চামচিকা মসজিদ, তিন গম্বুজ মসজিদ ও তাহখানা, তাহখানা কমপ্লেক্স, শাহ্ নেয়ামতউল্লাহ (রহ.) মাজার, শাহ নেয়ামতউল্লাহর সমাধি, কোতোয়ালি দরওয়াজা, দাফেউল বালা, বালিয়াদীঘি, খঞ্জনদীঘি, কানসাটের জমিদারবাড়ি, তরতীপুর, চাঁপাই জামে মসজিদ, মহারাজপুর জামে মসজিদ, মাঝপাড়া জামে মসজিদ, হজরত বুলন শাহর (রহ.) মাজার, সর্ববৃহৎ দুর্গাপূজা, মহারাজপুর মঞ্চ, বারঘরিয়া মঞ্চ, জোড়া মঠ।

জয়পুরহাট

আছরাঙ্গা দীঘি, নান্দাইল দীঘি, লকমা রাজবাড়ি, পাথরঘাটা নিমাই পীরের মাজার, গোপীনাথপুর মন্দির, দুওয়ানী ঘাট, বারশিবালয় মন্দির, হিন্দা-কসবা শাহী জামে মসজিদ, পাগলা দেওয়ান বধ্যভূমি, কড়ই কাদিপুর বধ্যভূমি, সেভেনথ ডে অ্যাডভেন্টিস মারানাথা সেমিনার খনজনপুর খ্রিস্টান মিশনারি স্মৃতিস্তম্ভ-৭১, শিশু উদ্যান।
পাবনা

ভাঁড়ারা শাহী মসজিদ, জোড়বাংলার মন্দির, তাড়াশ বিল্ডিং, পাবনা ক্যাডেট কলেজ, প্রশান্তি ভুবন বিনোদন পার্ক, অনুকূল ঠাকুর টেম্পল, পাবনা মানসিক হাসপাতাল, সমন্বিত লাগসই কৃষি প্রযুক্তি জাদুঘর, চাটমোহর শাহী মসজিদ, সমাজ শাহী মসজিদ, হান্ডিয়াল জগন্নাথ মন্দির, হরিপুর জমিদারবাড়ি পুকুর, মথুরাপুর মিশন, চলনবিলের সূর্যাস্ত, বড়াল ব্রিজ রেলসেতু, বৃদ্ধমরিচ শাহী মসজিদ, জমিদার রানীর পুকুরঘাট, শেখ শাহ্? ফরিদ (রহ.) মসজিদ, লর্ড হার্ডিঞ্জ রেল সেতু, লালন শাহ সেতু, ঈশ্বরদী রেলজংশন, ঈশ্বরদী ইপিজেড, ঈশ্বরদী বিমানবন্দর, কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, শহীদনগর স্মৃতিস্তম্ভ, বেঙ্গল মিট, সুজানগর আজিম চৌধুরীর জমিদারবাড়ি, গাজনার বিল, হজরত মাহতাব উদ্দিন শাহ আউলিয়ার মাজার, তাঁতীবন্দ জমিদারবাড়ি, নাজিরগঞ্জ ফেরিঘাট, কৈটোলা নিষ্কাশন পাম্প হাউস, বেড়া পাম্প হাউস ও স্লুইসগেট, হুরাসাগর নদীর তীরে বেড়া পোর্ট।

নওগাঁ

কুশুম্বা মসজিদ, পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার, পতিসর রবীন্দ্র কাচারিবাড়ি, দিব্যক জয়সত্মম্ভ, মাহি সমেত্মাষ, বলিহার রাজবাড়ি, আলতাদীঘি, জগদলবাড়ি, হলুদবিহার, দুবলহাটি জমিদারবাড়ি।

নাটোর

উত্তরা গণভবন, রানী ভবানী রাজবাড়ি, লুর্দের রানী ধর্মপল্লী, বোর্নি মারিয়াবাদ ধর্মপল্লী।

রাজশাহী

হজরত শাহ মখদুম রূপোষের (রহ.) দরগা, পুঠিয়া রাজবাড়ি, পুঠিয়া বড় আহ্নিক মন্দির, পুঠিয়া বড় শিবমন্দির, পুঠিয়া দোলমন্দির, পুঠিয়া গোবিন্দ মন্দির, বাঘা মসজিদ, দুই গম্বুজবিশিষ্ট কিসমত মাড়িয়া মসজিদ, এক গম্বুজবিশিষ্ট রুইপাড়া (দুর্গাপুর) জামে মসজিদ, বাগধানী মসজিদ (পবা), তিন গম্বুজবিশিষ্ট ভাগনা (তানোর) জামে মসজিদ, হজরত শাহ্ সুলতান (র.)-এর মাজার, চতুর্দশ শতাব্দী), দেওপাড়া প্রশস্তি, বড়কুঠি (অষ্টাদশ শতাব্দী), তালোন্দ শিব মন্দির, রাজশাহী বড়কুঠি, বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর, রাজশাহী কলেজ, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমী, রাজশাহী।

সিরাজগঞ্জ

বঙ্গবন্ধু যমুনা বহুমুখী সেতু, মখদুম শাহের মাজার, রবীন্দ্র কাচারিবাড়ি, চলনবিল, যাদব চক্রবর্তী নিবাস, ইলিয়ট ব্রিজ, শাহজাদপুর মসজিদ, জয়সাগর দীঘি, নবরত্ন মন্দির, ছয়আনি পাড়া দুই গম্বুজ মসজিদ, ভিক্টোরিয়া স্কুল, হার্ড পয়েন্ট, ইকো পার্ক, মিল্কভিটা, রাউতারা বাঁধ ও স্লুইসগেট, বাঘাবাড়ি নদীবন্দর।

রংপুর বিভাগ

দিনাজপুর

দিনাজপুর রাজবাড়ি, চেহেলগাজি মসজিদ ও মাজার, কান্তজিউর মন্দির, ঘোডাঘাট দুর্গ, সীতাকোট বিহার, সুরা মসজিদ, নয়াবাদ মসজিদ, রামসাগর, স্বপ্নপুরী, স্টেশন ক্লাব, কালেক্টরেট ভবন, সার্কিট হাউস ও জুলুমসাগর, দিনাজপুর ভবন, সিংড়া ফরেস্ট, হিলি স্থলবন্দর, বিরল স্থলবন্দর।

গাইবান্ধা

বর্ধনকুঠি, নলডাঙ্গার জমিদারবাড়ি, বামনডাঙ্গার জমিদারবাড়ি, ভতরখালীর কাষ্ঠ কালী, রাজা বিরাট, ভবানীগঞ্জ পোস্ট অফিস ও বাগুড়িয়া তহশিল অফিস।

কুড়িগ্রাম

চান্দামারী মসজিদ, শাহী মসজিদ, চন্ডীমন্দির, দোলমঞ্চ মন্দির, ভেতরবন্দ জমিদারবাড়ি, পাঙ্গা জমিদারবাড়ি ধ্বংসাবশেষ, সিন্দুরমতি দীঘি, চিলমারী বন্দর, শহীদ মিনার, স্বাধীনতার বিজয়স্তম্ভ, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিফলক, পাঙ্গা জমিদারবাড়ির কামান, বঙ্গ সোনাহাট ব্রিজ, মুন্সিবাড়ি।

লালমনিরহাট

তিন বিঘা করিডোর ও দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহল, তিস্তা ব্যারাজ ও অবসর রেস্ট হাউস, বুড়িমারী স্থলবন্দর, শেখ ফজলল করিমের বাড়ি ও কবর, তুষভান্ডার জমিদারবাড়ি, কাকিনা জমিদারবাড়ি, নিদাড়িয়া মসজিদ, হারানো মসজিদ, সিন্দুরমতি দীঘি, কালীবাড়ি মন্দির ও মসজিদ, বিমানঘাঁটি, তিস্তা রেলসেতু, হালা বটের তল, লালমনিরহাট জেলা জাদুঘর, দালাইলামা ছড়া সমন্বিত খামার প্রকল্প।

নীলফামারী

ধর্মপালের রাজবাড়ি, ময়নামতি দুর্গ, ভীমের মায়ের চুলা, হরিশচন্দ্রের পাঠ, সৈয়দপুরের চিনি মসজিদ, তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প, নীলফামারী জাদুঘর, কুন্দুপুকুর মাজার, দুন্দিবাড়ী স্লুইসগেট, বাসার গেট, স্মৃতি অম্লান।

পঞ্চগড়

ভিতরগড়, মহারাজার দীঘি, বদেশ্বরী মহাপীঠ মন্দির, সমতলভূমিতে সম্প্রতি প্রতিষ্ঠিত চা-বাগান, মির্জাপুর শাহী মসজিদ, বার আউলিয়ার মাজার, গোলকধাম মন্দির, তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো, তেঁতুলিয়া পিকনিক কর্নার, বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর, রকস্ মিউজিয়াম।

রংপুর

পায়রাবন্দ, তাজহাট জমিদারবাড়ি, কেরামতিয়া মসজিদ ও মাজার, ভিন্ন জগৎ, ঝাড়বিশলা।

ঠাকুরগাঁও

জামালপুর জমিদারবাড়ি জামে মসজিদ, বালিয়াডাঙ্গী সূর্যপুরী আমগাছ, ফান সিটি অ্যামিউজমেন্ট পার্ক অ্যান্ড ট্যুরিজম লি., রাজভিটা, রাজা টংকনাথের রাজবাড়ি, হরিপুর রাজবাড়ি, জগদল রাজবাড়ি, প্রাচীন রাজধানীর চিহ্ন নেকমরদ, পীর শাহ নেকমরদের মাজার, মহালবাড়ি মসজিদ, শালবাড়ি মসজিদ ও ইমামবাড়া, সনগাঁ শাহী মসজিদ, ফতেহপুর মসজিদ, মেদিনীসাগর জামে মসজিদ, গেদুড়া মসজিদ, গোরক্ষনাথ মন্দির, কূপ ও শিলালিপি, হরিণমারী শিবমন্দির, হরিপুর রাজবাড়ি শিবমন্দির, গোবিন্দনগর মন্দির, ঢোলরহাট মন্দির, ভেমটিয়া শিবমন্দির, মালদুয়ার দুর্গ, গড়গ্রাম দুর্গ, বাংলা গড়, গড় ভবানীপুর, গড়খাঁড়ি, কোরমখান গড়, সাপটি বুরুজ, দীঘি।

সিলেট বিভাগ

হবিগঞ্জ

বিথঙ্গল আখড়া, বানিয়াচং প্রাচী রাজবাড়ির ধংসাবশেষ, বানিয়াচং পুরানবাগ মসজিদ, সাগরদীঘি, হব্যা গোমার দারা গুটি, নাগুড়া ফার্ম, সাতছড়ি রিজার্ভ ফরেস্ট, কালেঙ্গা রিজার্ভ ফরেস্ট, রাবারবাগান, ফরুটসভ্যালি, সিপাহসালার হজরত শাহ সৈয়দ নাসির উদ্দিনের (রহ.) মাজার, লালচান্দ চা-বাগান, দেউন্দি চা-বাগান, লস্করপুর চা-বাগান, চন্ডীছড়া চা-বাগান, চাকলাপুঞ্জি চা-বাগান, চান্দপুর চা-বাগান, নালুয়া চা-বাগান, আমু চা-বাগান, রেমা চা-বাগান, দারাগাঁও চা-বাগান, শ্রীবাড়ী চা-বাগান, পারকুল চা-বাগান, সাতছড়ি চা-বাগান।

মৌলভীবাজার

চা-বাগান, মাধবকুন্ড, মাধবকুন্ড ইকো পার্ক, বর্ষিজোড়া ইকো পার্ক, হজরত শাহ মোস্তফার (রহ.) মাজার, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহি হামিদুর রহমান স্মৃতিসৌধ।

সুনামগঞ্জ

টাঙ্গুগুয়ার হাওর, হাছনরাজা মিউজিয়াম, লাউড়ের গড়, ডলুরা শহীদদের সমাধিসৌধ, টেকেরঘাট চুনাপাথর খনি প্রকল্প। বাগবাড়ি টিলা , সেলবরষ জামে মসজিদ, সুখাইড় কালীবাড়ি মন্দির, কাহালা কালীবাড়ি, মহেষখলা কালীবাড়ি, তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নে হলহলিয়া গ্রামে রাজা বিজয় সিংহের বাসস্থানের ধ্বংসাশেষ।

সিলেট

জাফলং, ভোলাগঞ্জ, লালাখাল, তামাবিল, হাকালুকি হাওর, ক্বীন ব্রিজ, হজরত শাহজালাল (রহ.) ও শাহ পরানের (রহ.) মাজার, মহাপ্রভু শ্রী চৈতন্যদেবের বাড়ি, হাছনরাজার মিউজিয়াম, মালনীছড়া চা-বাগান, এমএজি ওসমানী বিমানবন্দর, পর্যটন মোটেল, জাকারিয়া সিটি, ড্রিমল্যান্ড পার্ক, আলী আমজাদের ঘড়ি, জিতু মিয়ার বাড়ি, মণিপুরী রাজবাড়ি, মণিপুরী মিউজিয়াম, শাহী ঈদগাহ, ওসমানী শিশুপার্ক।

বরিশাল বিভাগ

বরগুনা

বিবিচিনি শাহী মসজিদ, সোনারচর, লালদিয়ার বন ও সমুদ্র সৈকত, হরিণঘাটা, রাখাইন এলাকা, বৌদ্ধ মন্দির ও বৌদ্ধ একাডেমি।

বরিশাল

দুর্গাসাগর, কালেক্টরেট ভবন, চাখার প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর, রামমোহনের সমাধি মন্দির, সুজাবাদের কেল্লা, সংগ্রাম কেল্লা, শারকলের দুর্গ, গির্জামহল্লা, বেলস পার্ক, এবাদুল্লা মসজিদ, কসাই মসজিদ, অক্সফোর্ড গির্জা, শংকর মঠ, মুকুন্দ দাসের কালীবাড়ি, ভাটিখানার জোড়া মসজিদ, অশ্বিনী কুমার টাউন হল, চরকিল্লা, এক গম্বুজ মসজিদ, সাড়ে তিন মণ ওজনের পিতলের মনসা।

ভোলা

চরকুকরিমুকরি, বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল স্মৃতি জাদুঘর, ওয়ান্ডার কিংডম, মনপুরা দ্বীপ।

ঝালকাঠি

সুজাবাদের কেল্লা, ঘোষাল রাজ বাড়ির ধ্বংসাবশেষ, নুরুল্লাপুর মঠ, সিভিল কোর্ট ভবন, সাতুরিয়া জমিদারবাড়ি, জীবনানন্দ দাশের মামাবাড়ি, কীর্তিপাশা জমিদারবাড়ি, গাবখান সেতু, ধানসিঁড়ি নদী, রূপসা খাল, নেছারাবাদ কমপ্লেক্স, পোনাবালিয়া মন্দির, সিদ্ধকাঠি জমিদারবাড়ি, নলছিটি পৌরভবন, মার্চেন্টস্ স্কুল, চায়না কবর, কামিনী রায়ের বাড়ি, কুলকাঠি মসজিদ, সুরিচোড়া জামে মসজিদ, শিবমন্দির, নাদোরের মসজিদ।

পটুয়াখালী

কুয়াকাটা বৌদ্ধবিহার, শ্রীরামপুর মিয়াবাড়ি মসজিদ, মিঠাপুকুর, কানাইবালাই দীঘি, কমলা রানীর দীঘি, সুলতান ফকিরের মাজার, নুরাইনপুর রাজবাড়ি, শাহী মসজিদ।

পিরোজপুর

রায়েরকাঠি জমিদারবাড়ি, মঠবাড়িয়ার সাপলেজা কুঠিবাড়ি, প্রাচীন মসজিদ, মঠবাড়িয়ার মমিন মসজিদ, শ্রীরামকাঠি প্রণব মঠ সেবাশ্রম, গোপালকৃষ্ণ টাউন ক্লাব, শেরেবাংলা পাবলিক লাইব্রেরি, মাঝের চর মঠবাড়িয়া, পাড়েরহাট জমিদারবাড়ি, বলেশ্বরঘাট শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ।

চট্টগ্রাম বিভাগ

বান্দরবান

মেঘলা পর্যটন কেন্দ্র, নীলাচল পর্যটন কমপ্লেক্স, চিম্বুক, শৈলপ্রপাত, বগালেক, স্বর্ণমন্দির, কেওক্রাডং, নীলগিরি, প্রান্তিক লেক, ঋজুক জলপ্রপাত, মিরিঞ্জা কমপ্লেক্স।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

কালভৈরব, সৌধ হীরণ্ময়, হাতিরপুল, কেল্লা শহীদ মাজার, গঙ্গাসাগর দীঘি, উলচাপাড়া মসজিদ, কাজী মাহমুদ শাহ (রহ.) মাজার, ছতুরা শরীফ, নাটঘর মন্দির, বিদ্যাকুট সতীদাহ মন্দির।

চাঁদপুর

শ্রী শ্রী জগন্নাথ মন্দির, মনসামুড়া, দোয়াটি, সাহারপাড়ের দীঘি, উজানীতে বেহুলার পাটা, তুলাতলি মঠ, সাহেবগঞ্জ নীলকুঠি, লোহাগড় মঠ, রূপসা জমিদারবাড়ি, হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদ, হজরত মাদ্দা খাঁ (রহ.) মসজিদ, বলাখাল জমিদারবাড়ি, নাসিরকোর্ট শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সমাধিস্থল, নাগরাজাদের বাড়ি, মঠ ও দীঘি, মঠ, নাওড়া, শাহরাস্তির (রহ.) মাজার, তিন গম্বুজ মসজিদ ও প্রাচীন কবর।

চট্টগ্রাম

ফয়স লেক, চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা, চট্টগ্রাম শিশুপার্ক, জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর, আগ্রাবাদ, বাটালি হিল, ডিসি অফিস (পরীর পাহাড়), কোর্ট বিল্ডিং, ওয়ার সিমেট্রি (কমনওয়েলথ যুদ্ধসমাধি), ডিসি হিল, কদম মোবারক মসজিদ, শাহ্ আমানতের (রহ.) দরগা, বদর আউলিয়ার (রহ.) দরগা, বায়েজিদ বোস্তামির (রহ.) মাজার, শেখ ফরিদের চশমা, ওলি খাঁর মসজিদ, আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদ, হামজার মসজিদ, হামজারবাগ, পাথরঘাটা রোমান ক্যাথলিক গির্জা, চট্টগ্রাম বৌদ্ধবিহার, নন্দনকানন, কৈবল্যধাম, চন্দ্রনাথ পাহাড় ও মন্দির, সীতাকুন্ড, বাঁশখালী ইকোপার্ক, সীতাকুন্ড ইকোপার্ক।

কুমিল্লা

শালবন বিহার ও প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘর, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈনিকদের সমাধিক্ষেত্র ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) শাহ সুজা মসজিদ, জগন্নাথ মন্দির, ধর্মসাগর, বৌদ্ধবিহারের ধ্বংসাবশেষ, রূপবানমুড়া ও কুটিলামুড়া, বার্ডসংলগ্ন জোড়কানন দীঘি, জগন্নাথ দীঘি, বীরচন্দ্র গণপাঠাগার ও নগর মিলনায়তন, শ্রী শ্রী রামঠাকুরের আশ্রম, রামমালা পাঠাগার ও নাটমন্দির, লাকসাম রোড, নবাব ফয়জুন্নেছার বাড়ি, সঙ্গীতজ্ঞ শচীনদেব বর্মণের বাড়ি, রাজেশপুর বন বিভাগের পিকনিক স্পট, গোমতি নদী, পুরাতন অভয়াশ্রম (কেটিসিসিএ লি.), বাখরাবাদ গ্যাস ফিল্ড, কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম স্ত্রী বেগম নার্গিসের বাড়ি, নবাব ফয়জুন্নেছার পৈতৃক বাড়ি।

কক্সবাজার

সমুদ্র সৈকত, হিমছড়ি, অগে্গ্মধা ক্যাং, আদিনাথ মন্দির, সোনাদিয়া দ্বীপ, রামকোর্ট, লামারপাড়া ক্যাং, ইনানী, প্রবালদ্বীপ সেন্টমার্টিন, মাথিনের কূপ, বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক।

ফেনী

সোনাগাজী মুহুরি সেচ প্রকল্প, পাগলা মিয়ার মাজার, শিলুয়ার শীল পাথর, রাজাঝির দীঘি, মোহাম্মদ আলী চৌধুরী মসজিদ ও বাসভবন, চাঁদগাজী মসজিদ, ফেনী সরকারি কলেজ ভবন, মহিপালের বিজয় সিংহ দীঘি।

খাগড়াছড়ি

আলুটিলা, আলুটিলার সুড়ঙ্গ বা রহস্যময় গুহা, দেবতার পুকুর, ভগবানটিলা, দুই টিলা ও তিন টিলা, আলুটিলার ঝরনা, পর্যটন মোটেল, খাগড়াছড়ি, পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, মহালছড়ি হ্রদ, শতায়ু বটগাছ।

লক্ষ্মীপুর

দালালবাজার জমিদারবাড়ি, কামানখোলা জমিদারবাড়ি, তিতা খাঁ জামে মসজিদ, জিনের মসজিদ, খোয়া সাগর দীঘি, মটকা মসজিদ।

নোয়াখালী

পাবলিক লাইব্রেরি, গান্ধী আশ্রম, বজরা শাহী জামে মসজিদ, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোঃ রুহুল আমিন গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর, নিঝুম দ্বীপ।

রাঙ্গামাটি

কর্ণফুলী হ্রদ, পর্যটন মোটেল ও ঝুলন্ত সেতু, সুবলং ঝরনা, উপজাতীয় জাদুঘর, কাপ্তাই জাতীয় উদ্যান, জেলা প্রশাসক বাংলো, জেলা প্রশাসক এলএইচ নিবলেটের সমাধি।

ঢাকা বিভাগ

ঢাকা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্মৃতি জাদুঘর, আহছান মঞ্জিল, বায়তুল মোকাররম মসজিদ, রাস্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মা/মেঘনা, ঢাকেশ্বরী মন্দির, কাজী নজরুল ইসলামের মাজার, বিমানবন্দর, সোনারগাঁও, বিজয় সরণি ফোয়ারা, বসুন্ধরা সিটি, বাকল্যান্ড বাঁধ, বলধা গার্ডেন, অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্য, জাতীয় ঈদগাহ ময়দান, শাহআলী বোগদাদির মাজার, ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন, জাতীয় জাদুঘর, ক্রিসেন্ট লেক, শিশুপার্ক, বাংলাদেশ-জাপান মৈত্রী সেতু-১, বাংলাদেশ-জাপান মৈত্রী সেতু-২, বাংলাদেশ-জাপান সেতু, বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম, হোটেল সোনারগাঁও, কবিভবন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, শাহী মসজিদ, জয়কালী মন্দির, আসাদ গেট, বড় কাটারা, শাপলা চত্বর ফোয়ারা, ঢাকা শহররক্ষা বাঁধ, স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য, পল্টন ময়দান, অস্ত্র তৈরির কারখানা, শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তন, লোকশিল্প জাদুঘর, গুলশান লেক, ওসমানী উদ্যান, গণভবন, জাতীয় সংসদ ভবন, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়াম, হোটেল শেরাটন, বাংলাদেশ টেলিভিশন ভবন, ধানমন্ডি ঈদগাহ, কমলাপুর বৌদ্ধবিহার- কমলাপুর, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল, ঢাকা তোরণ, বাংলা একাডেমী গ্রন্থাগার, ছোট কাটারা-চকবাজারের দক্ষিণে, কদম ফোয়ারা, বিমাবন্দর রক্ষাবাঁধ, জাগ্রত মুক্তিযোদ্ধা ভাস্কর্য, স্বাধীনতা জাতীয় স্কোয়ার, মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি, বাংলাদেশ বিজ্ঞান জাদুঘর, রমনা লেক-রমনা পার্ক, যমুনা ভবন, তিন নেতার স্মৃতিসৌধ, মিরপুর স্টেডিয়াম, হোটেল পূর্বাণী-মতিঝিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, গুলিস্তান পার্ক, বিনত বিবির মসজিদ, শাক্যমুনি বৌদ্ধবিহার, খ্রিস্টান কবরস্থান, বিমানবাহিনীর সদর দফতর গেট, আওরঙ্গবাদ দুর্গ-লালবাগ, সার্ক ফোয়ারা, দুরন্ত ভাস্কর্য-শিশু একাডেমী, বিশ্ব ইজতেমা ময়দান-টঙ্গী, ধানমন্ডি লেক-ধানমন্ডি, বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, প্রকৌশলী বিশ্ববিদ্যালয়, চক মসজিদ, গুরুদুয়ারা নানক শাহী, হোসনি দালান, বলাকা ভাস্কর্য, মহানগর নাট্যমঞ্চ, সামরিক জাদুঘর, রাজারবাগ শহীদ স্মৃতিসৌধ, শিখা অনির্বাণ, সাত গম্বুজ মসজিদ, কাকরাইল চার্চ, দোয়েলচত্বর ভাস্কর্য, মহিলা সমিতি মঞ্চ, হাইকোর্ট ভবন, মহাকাশবিজ্ঞান ভবন, নভোথিয়েটার, তারা মসজিদ, লালবাগ দুর্গ, বাহাদুর শাহ পার্ক, পুলিশ মিউজিয়াম, বোটানিক্যাল গার্ডেন, জাতীয় আর্কাইভস, রাজউক, ফ্যান্টাসি কিংডম, নন্দন পার্ক, ওয়ান্ডারল্যান্ড, শিশুপার্ক, শ্যামলী শিশুমেলা।

ফরিদপুর

গেরদা মসজিদ, পাতরাইল মসজিদ ও দীঘি, বাসদেব মন্দির, পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের বাড়ি ও কবরস্থান, নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট, জগদ্বন্ধু সুন্দরের আশ্রম, সাতৈর মসজিদ , ফাতেহাবাদ টাকশাল মথুরাপুর দেউল, বাইশ রশি জমিদার বাড়ি, জেলা জজ কোর্ট ভবন , ভাঙা মুন্সেফ কোর্ট ভবন, বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ জাদুঘর।

গাজীপুর

জাগ্রত চৌরঙ্গী, ছয়দানা দীঘি ও যুদ্ধক্ষেত্র, উনিশে স্মারক ভাস্কর্য, আনসার-ভিডিপি একাডেমী স্মারক ভাস্কর্য, মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কর্নার, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, রাজবাড়ি শ্মশান, শৈলাট , ইন্দ্রাকপুর, কপালেশ্বর, রাজা শিশুপালের রাজধানী, একডালা দুর্গ (প্রাচীন ও ধ্বংসপ্রাপ্ত), মীর জুমলার সেতু, সাকাশ্বর স্তম্ভ, বঙ্গতাজ তাজউদ্দিনের বাড়ি, বিজ্ঞানী মেঘনাথ সাহার বাড়ি, রবীন্দ্র স্মৃতিবিজড়িত কাওরাইদ বাংলো, ভাওয়াল রাজবাড়ি, বলধার জমিদারবাড়ি, পূবাইল জমিদারবাড়ি, বলিয়াদী জমিদারবাড়ি, কাশিমপুর জমিদারবাড়ি, দত্তপাড়া জমিদারবাড়ি, হায়দ্রাবাদ দীঘি, ভাওয়াল কলেজ দীঘি, রাহাপাড়া দীঘি, টেংরা দীঘি, তেলিহাটী দীঘি, সিঙ্গার দীঘি (পালরাজাদের রাজধানী নগরী), সিঙ্গার দীঘি, কাউছি টিহর, কর্ণপুর দীঘি, চৌড়াদীঘি, মাওনা দীঘি, ঢোলসমুদ্র দীঘি ও পুরাকীর্তি, রাজবিলাসী দীঘি, কোটামুনির ডিবি ও পুকুর, মনই বিবি-রওশন বিবির দীঘি (চান্দরা), মকেশ্বর বিল, বিল বেলাই, উষ্ণোৎস, গঙ্গা (সরোবর) তীর্থক্ষেত্র, ভাওয়াল রাজশ্মশানেশ্বরী, টোক বাদশাহী মসজিদ, সমাধিক্ষেত্র (কবরস্থান), চৌড়া, কালীগঞ্জ সাকেশ্বর আশোকামলের বৌদ্ধস্তম্ভ (ধর্মরাজিকা), পানজোড়া গির্জা, ব্রাহ্মমন্দির, সমাধিক্ষেত্র, গুপ্ত পরিবার, সেন্ট নিকোলাস (চার্চ), বক্তারপুর, ঈশা খাঁর মাজার, তিমুলিয়া গির্জা।

গোপালগঞ্জ

বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ, চন্দ্রভর্ম ফোর্ট ( কোটাল দুর্গ), মুকসুদপুরের ঐতিহাসিক নিদর্শন, বহলতলী মসজিদ, ধর্মরায়ের বাড়ি, থানাপাড়া জামে মসজিদ, খাগাইল গায়েবি মসজিদ, কোর্ট মসজিদ, সেন্ট মথুরানাথ এজি চার্চ, সর্বজনীন কালীমন্দির, বিলরুট ক্যানেল, আড়পাড়া মুন্সীবাড়ি, শুকদেবের আশ্রম, খানার পাড় দীঘি, উলপুর জমিদারবাড়ি, ’৭১-এর বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ (স্মৃতিস্তম্ভ)।

জামালপুর

হজরত শাহ জামালের (রহ.) মাজার, হজরত শাহ কামালের (রহ.) মাজার, পাঁচ গম্বুজবিশিষ্ট রসপাল জামে মসজিদ (উনবিংশ শতাব্দী), নরপাড়া দুর্গ (ষোড়শ শতাব্দী), গান্ধী আশ্রম, দয়াময়ী মন্দির, দেওয়ানগঞ্জের সুগার মিলস, লাউচাপড়া পিকনিক স্পট।

কিশোরগঞ্জ

ঈশা খাঁর জঙ্গলবাড়ি, এগারসিন্ধুর দুর্গ, কবি চন্দ্রাবতীর শিবমন্দির, দিল্লির আখড়া, শোলাকিয়া ঈদগাহ, পাগলা মসজিদ, ভৈরব সেতু, হাওরাঞ্চল, সুকুমার রায়ের বাড়ি, জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ, দুর্জয় স্মৃতিভাস্কর্য।

মাদারীপুর

হজরত শাহ মাদারের দরগাহ, আলগী কাজিবাড়ি মসজিদ, রাজা রামমন্দির ঝাউদিগিরি, আউলিয়াপুর নীলকুঠি, মিঠাপুর জমিদারবাড়ি, প্রণব মঠ, বাজিতপুর, মঠের বাজার মঠ, খোয়াজপুর, খালিয়া শান্তি কেন্দ্র, পর্বতের বাগান, শকুনী লেক, সেনাপতির দীঘি।

মানিকগঞ্জ

বালিয়াটি প্রাসাদ, তেওতা জমিদারবাড়ি, তেওতা নবরত্ন মঠ, মানিকগঞ্জের মত্তের মঠ, রামকৃষ্ণ মিশন সেবাশ্রম, শিব সিদ্ধেশ্বরী মন্দির, শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ি, গৌরাঙ্গ মঠ, নারায়ণ সাধুর আশ্রম, মাচাইন গ্রামের ঐতিহাসিক মাজার ও পুরনো মসজিদ, বাঠইমুড়ি মাজার।

মুন্সীগঞ্জ

বল্লাল সেনের দীঘি, হরিশ্চন্দ্র রাজার দীঘি, রাজা শ্রীনাথের বাড়ি, রামপাল দীঘি, কোদাল ধোয়া দীঘি, শ্রীনগরের শ্যামসিদ্ধির মঠ, সোনারংয়ের জোড়া মঠ, হাসারার দরগাহ, ভাগ্যকূল রাজবাড়ি, রাঢ়ীখালে জগদীশচন্দ্র বসুর বাড়ি, কুসুমপুরে তালুকদার বাড়ি মসজিদ, তাজপুর মসজিদ, পাথরঘাটা মসজিদ, কাজীশাহ মসজিদ, পোলঘাটার ব্রিজ, পাঁচ পীরের দরগাহ, সুখবাসপুর দীঘি, শিকদার সাহেবের মাজার, বার আউলিয়ার মাজার, শহীদ বাবা আদমের মসজিদ, ইদ্রাকপুর কেল্লা, অতীশ দীপঙ্করের পন্ডিতভিটা, হরগঙ্গা কলেজ গ্রন্থাগারে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আশুতোষ গাঙ্গুলীর আবক্ষ মার্বেল মূর্তি।

ময়মনসিংহ

শশী লজ, গৌরীপুর লজ, আলেকজান্ডার ক্যাসেল, শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা, স্বাধীনতাস্তম্ভ, ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী পার্ক, ময়মনসিংহ জাদুঘর, বোটানিক্যাল গার্ডেন, নজরুল স্মৃতি কেন্দ্র, মুক্তাগাছা জমিদারবাড়ি, মহারাজ সূর্যকান্তের বাড়ি, গৌরীপুর রাজবাড়ি, বীরাঙ্গনা সখিনার মাজার, রামগোপাল জমিদারবাড়ি, ফুলবাড়িয়া অর্কিড বাগান, চীনা মাটির টিলা, আবদুল জববার স্মৃতি জাদুঘর, কুমিরের খামার, তেপান্তর ফিল্ম সিটি।

নারায়ণগঞ্জ

লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন, হাজীগঞ্জে ঈশা খাঁর কেল্লা, কদমরসুল দরগাহ, পাঁচ পীরের দরগাহ, ইপিজেড আদমজী, মেরিন একাডেমী, লাঙ্গলবন্দ, সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি, সোনাকান্দা দুর্গ, সালেহ বাবার মাজার, গোয়ালদী মসজিদ, সুলতান জালাল উদ্দিন ফতেহ শাহের এক গম্বুজবিশিষ্ট মসজিদ, পাগলা ব্রিজ, বন্দর শাহী মসজিদ, মেরী এন্ডারসন (ভাসমান রেস্তোরাঁ), বিবি মরিয়মের মাজার, রাসেল পার্ক, জিন্দাপার্ক।

নরসিংদী

উয়ারী বটেশ্বর, বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান জাদুঘর, সোনাইমুড়ি টেক, আশ্রাবপুর মসজিদ, ইরানি মাজার, দেওয়ান শরীফ মসজিদ, গিরিশ চন্দ্র সেনের বাস্ত্তভিটা।

নেত্রকোনা

উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী, বিজয়পুর পাহাড়ে চিনামাটির নৈসর্গিক দৃশ্য, রানীখং মিশন, টংক শহীদ স্মৃতিসৌধ, রানীমাতা রাশমণি স্মৃতিসৌধ, কমলা রানী দীঘির ইতিহাস, নইদ্যা ঠাকুরের (নদের চাঁদ) লোক-কাহিনী, সাত শহীদের মাজার, হজরত শাহ সুলতান কমরউদ্দিন রুমির (রহ.) মাজার, রোয়াইলবাড়ি কেন্দুয়া।

রাজবাড়ী

চাঁদ সওদাগরের ঢিবি (মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র চাঁদ সওদাগরের স্মৃতিচিহ্ন), মথুরাপুর প্রাচীন দেউল, শাহ পাহলোয়ানের মাজার, দাদ্শী মাজার, জামাই পাগলের মাজার, নলিয়া জোডা বাংলা মন্দির, সমাধিনগর মঠ (অনাদি আশ্রম), রথখোলা সানমঞ্চ, নীলকুঠি, মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি কেন্দ্র, দৌলতদিয়া ঘাট।

শরীয়তপুর

মগর, মহিষারের দীঘি, রাজনগর, কুরাশি, বুড়ির হাটের মসজিদ, হাটুরিয়া জমিদারবাড়ি, রুদ্রকর মঠ, রাম সাধুর আশ্রম, জমিদারবাড়ি, মানসিংহের বাড়ি, শিবলিঙ্গ, সুরেশ্বর দরবার, পন্ডিতসার, ধানুকার মনসাবাড়ি।

শেরপুর

গড় জরিপার দুর্গ , দরবেশ জরিপ শাহের মাজার, বারদুয়ারী মসজিদ, হযরত শাহ কামালের মাজার, শের আলী গাজীর মাজার, কসবার মুগল মসজিদ, ঘাঘরা লস্কর বাড়ী মসজিদ, মাইসাহেবা মসজিদ, নয়আনী জমিদারের নাট মন্দির, আড়াই আনী জমিদার বাড়ি, পৌনে তিন আনী জমিদার বাড়ি, গজনী অবকাশ কেন্দ্র।

টাঙ্গাইল

আতিয়া মসজিদ, শাহ্ আদম কাশ্মিরির মাজার, পরীর দালান, খামারপাড়া মসজিদ ও মাজার, ঝরোকা, সাগরদীঘি, গুপ্তবৃন্দাবন, পাকুটিয়া আশ্রম, ভারতেশ্বরী হোমস, মহেড়া জমিদারবাড়ি/পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার, মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ, পাকুল্লা মসজিদ, কুমুদিনী নার্সিং স্কুল/কলেজ, নাগরপুর জমিদারবাড়ি, পুন্ডরীকাক্ষ হাসপাতাল, উপেন্দ্র সরোব, গয়হাটার মঠ, তেবাড়িয়া জামে মসজিদ, পাকুটিয়া জমিদারবাড়ি, বঙ্গবন্ধু সেতু, এলেঙ্গা রিসোর্ট, যমুনা রিসোর্ট, কাদিমহামজানি মসজিদ, ঐতিহ্যবাহী পোড়াবাড়ি, সন্তোষ, করটিয়া সা’দত কলেজ, কুমুদিনী সরকারি কলেজ, বিন্দুবাসিনী বিদ্যালয়, মধুপুর জাতীয় উদ্যান, দোখলা ভিআইপ রেস্ট হাউস, পীরগাছা রাবারবাগান, ভূঞাপুরের নীলকুঠি, শিয়ালকোল বন্দর, ধনবাড়ি মসজিদ ও নবাব প্যালেস, নথখোলা স্মৃতিসৌধ, বাসুলিয়া, রায়বাড়ী, কোকিলা পাবর স্মৃতিসৌধ, মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ।

খুলনা বিভাগ

বাগেরহাট

ষাট গম্বুজ মসজিদ, খানজাহান আলীর (রহ.) মাজার, সিঙ্গাইর মসজিদ, বিবি বেগনী মসজিদ, চুনখোলা মসজিদ, পীর আলী মুহাম্মদ তাহেরের সমাধি, এক গম্বুজ মসজিদ, নয় গম্বুজ মসজিদ, সাবেক ডাঙ্গা পুরাকীর্তি, রণবিজয়পুর মসজিদ, জিন্দাপীর মসজিদ, রেজা খোদা মসজিদ, খানজাহানের বসতভিটা, ঢিবি, কোদলা মঠ, ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী শহীদ কৃষক রহিমুল্লাহর বাড়ি, মোরেলের স্মৃতিসৌধ, ১৮৬৩ সালে তৎকালীন এসডিও মংলা পোর্ট, চিলা চার্চ, কবি রুদ্র মোহাম্মদ শহীদুল্লাহর সমাধি, প্রফুল্ল ঘোষের বসতবাড়ি, নীলসরোবর, জমিদার ক্ষিতিষ চন্দ্রের বসতবাড়ির ধ্বংসাবশেষ, শাহ আউলিয়াবাগ মাজার, হজরত খানজাহান আলীর (রহ.) সহচর পীর শাহ আউলিয়ার মাজার, নাটমন্দির, রামজয় দত্তের কাছারিবাড়ি। ব্রিটিশ সেনাদের পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। কৃষ্ণমূর্তি, গোপাল জিউর মন্দির, লাউপালা, যাত্রাপুর, দুবলার চর, কটকা, কচিখালি, সুন্দরবন।

চুয়াডাঙ্গা

ঘোলদাড়ি জামে মসজিদ, তিয়রবিলা বাদশাহী মসজিদ, আলমডাঙ্গা রেলস্টেশন, হজরত খাজা মালিক উল গাউসের (রহ.) মাজার (গড়াইটুপি অমরাবতী মেলা), দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোং লি., দর্শনা রেলস্টেশন, দর্শনা শুল্ক স্টেশন, দর্শনা ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস চেকপোস্ট, নাটুদহ আটকবর, নাটুদহ, মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ, চারুলিয়া, কার্পাসডাঙ্গা, তালসারি, দত্তনগর কৃষি খামার, ধোপাখালী মুক্তিযোদ্ধা কবরস্থান, কাশিপুর জমিদারবাড়ি, ধোপাখালী শাহী মসজিদ।

যশোর

হাজী মুহাম্মদ মহসিনের ইমামবাড়ী, মীর্জানগর হাম্মামখানা, ভরত ভায়না মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি, ভাতভিটা, সীতারাম রায়ের দোলমঞ্চ, গাজী-কালু-চম্পাবতীর কবর, বাঘানায়ে খোদা মসজিদ, পাঠাগার মসজিদ, মনোহর মসজিদ, শেখপুরা জামে মসজিদ, শুভরাঢ়া মসজিদ, মীর্জানগর মসজিদ, ঘোপের মসজিদ, শুক্কুর মল্লিকের মসজিদ, নুনগোলা মসজিদ, কায়েমকোলা মসজিদ, বালিয়াডাঙ্গা সর্বজনীন পূজামন্দির, দশ মহাবিদ্যামন্দির, অভয়নগর মন্দির, পঞ্চরত্ন মন্দির, ভুবনেশ্বরী দেবীর মন্দির, রায়গ্রাম জোড়বাংলা মন্দির, লক্ষ্মীনারায়ণের মন্দির, মুড়লি শিবমন্দির, জোড়বাংলার দশভুজার মন্দির, চড়ো শিবমন্দির।

ঝিনাইদহ

নলডাঙ্গা মন্দির, মিয়ার দালান, কেপি বসুর বাড়ি, গোড়ার মসজিদ, মিয়ার দালান, গলাকাটা মসজিদ, জোড়বাংলা মসজিদ, সাতগাছিয়া মসজিদ, জাহাজঘাটা হাসিলবাগ গাজী-কালু-চম্পাবতীর মাজার, বলু দেওয়ানের বাজার, দত্তনগর কৃষি খামার, শৈলকুপা শাহী মসজিদ ও মাজার, শৈলকুপা রামগোপাল মন্দির, মরমি কবি পাঞ্জু শাহের মাজার, শৈলকুপা শাহী মসজিদ, কামান্না ২৭ শহীদের মাজার, সিরাজ সাঁইয়ের মাজার, ঢোলসমুদ্র দীঘি, মল্লিকপুরের এশিয়ার বৃহত্তম বটগাছ।

খুলনা

সুন্দরবন, রেলস্টেশনের কাছে মিস্টার চার্লির কুঠিবাড়ি, দক্ষিণডিহি, পিঠাভোগ, রাড়ুলী, সেনহাটি, বকুলতলা, শিরোমণি, বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের সমাধি সৌধ, চুকনগর, গল্লামারী, খানজাহান আলী কর্তৃক খননকৃত বড় দীঘি, মহিম দাশের বাড়ি, খলিশপুর সত্য আশ্রম।

কুষ্টিয়া

শিলাইদহ কুঠিবাড়ী, লালন শাহের মাজার, মীর মশাররফ হোসেনের বাস্ত্তভিটা, ঝাউদিয়ার শাহী মসজিদ, আড়-য়া পাড়ার নফর শাহের মাজার, কুমারখালী বাজারে দরবেশ সোনা বন্ধুর মাজার এবং সাফিয়ট গ্রামের জঙ্গলী শাহের মাজার, জর্জবাড়ী, মুহিষকুন্ডি নীলকুঠি, কালীদেবী মন্দির, মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য ‘মুক্তবাংলা’।

মাগুরা

রাজা সীতারাম রায়ের রাজধানীর ধ্বংসাবশেষ, সুলতানী আমলে প্রতিষ্ঠিত মাগুরা আঠারখাদা মঠবাড়ি, সিদ্ধেশ্বরী মঠ, ভাতের ভিটা পুরাকীর্তি, শ্রীপুর জমিদারবাড়ি, মোকাররম আলী (রহ.) দরগাহ, শত্রুজিৎপুর মদনমোহন মন্দির।

মেহেরপুর

মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ ও ঐতিহাসিক আম্রকানন, মুজিবনগর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স, পৌর ঈদগাহ, মেহেরপুর পৌর কবরস্থান, মেহেরপুর পৌর হল, মেহেরপুর শহীদ স্মৃতিসৌধ, আমদহ গ্রামের স্থাপত্য নিদর্শন, সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, আমঝুপি নীলকুঠি, ভাটপাড়ার নীলকুঠি, সাহারবাটি, ভবানন্দপুর মন্দির।

নড়াইল

সুলতান কমপ্লেক্স, বাধাঘাট, নিরিবিলি পিকনিক স্পট, অরুনিমা ইকো পার্ক, চিত্রা রিসোর্ট, বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ নূর মোহাম্মদ শেখ কমপ্লেক্স।

সাতক্ষীরা

সুন্দরবন, মান্দারবাড়িয়া সমুদ্রসৈকত, যশোরেশ্বরী মন্দির, হরিচরণ রায়চৌধুরীর জমিদারবাড়ি ও জোড়া শিবমন্দির, যিশুর গির্জা, মোজাফফর গার্ডেন অ্যান্ড রিসোর্ট, মায়ের মন্দির, মায়ি চম্পার দরগা, জোড়া শিবমন্দির, শ্যামসুন্দর মন্দির, চেড়াঘাট কায়েম মসজিদ, তেঁতুলিয়া জামে মসজিদ, গুনাকরকাটি মাজার, বুধহাটার দ্বাদশ শিবকালী মন্দির, টাউন শ্রীপুর, দেবহাটা থানা, প্রবাজপুর মসজিদ, নলতা শরীফ।

Address

House-10, Avenue-1, Block-B, Mirpur/2
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Liberty Tours & Travels posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category