Campus Tours

Campus Tours This is official page of Campus Tours

29/01/2020

https://www.facebook.com/HelloMr.andMrs/

উন্নত প্রোডাক্ট- ভাল সার্ভিস-
"বিজনেস আপনার,
ইনকাম আপনার-
কিন্তু ইনভেস্ট আমাদের

04/03/2019

জিন্দা পার্ক
***********
রূপগঞ্জের পূর্বাচল উপশহরের জিন্দা গ্রামে বিশাল এলাকার উপর গড়ে তোলা হয়েছে জিন্দা নামের এই পার্কটি। অপস নামে একটি সামাজিক সংগঠনের অর্থায়নে এ পার্কটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। টিলা আর লেক বেষ্টিত এ পার্কের ভেতরে আছে দ্বি- পুকুর। লেকে নৌকায় চড়ে ভ্রমনের সুযোগ। পার্কের ভেতরেই রয়েছে মার্কেট সেখানে সব ধরনের কেনাকাটা করতে পারে দর্শনার্থীরা। আছে লাইব্রেরী, ক্যান্টিন, প্রাণী জগত। পার্কের ৫০ ভাগ জুড়ে আছে লেক। লেকের পাড়ে ফুলের বাগানে নিরিবিরি চুটিয়ে আড্ডা দেবার মত জায়গা রয়েছে। এখানকার লাভ লেক প্রেমিক প্রেমিকাদের জন্য আকর্ষনীয় স্থান। পুরো পার্কে পুকুর লেক ছাড়া রয়েছে ঘন সবুজ অরণ্যে ঘেরা ছোট বড় টিলা। পার্কে আছে বাংলো, রেস্টুরেন্ট,স্লিপার,দোলনা। আছে সবুজ ঘাষে ঢাকা শিশুদের খেলার মাঠ। লেকময় ঘুরে বেড়ানোর জন্য ১০ টি নৌকা রয়েছে। আছে চিকিৎসার জন্য ফ্রি ক্লিনিক। নিরাপত্তা ও সেবার জন্য রয়েছে একঝাক তরুন তরুনী। যারা সর্বক্ষন দর্শনার্থীদের সেবায় নিয়োজিত। শুটিং ও পিকনিকের এক অনন্য স্থান জিন্দা পার্ক । রূপগঞ্জের জিন্দা গ্রামের ৫ প্রতিভাবান কিশোর এক যুগ আগে জিন্দা গ্রামকে আদর্শ গ্রাম হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষে অপস নামে এক সেবামূলক সামাজিক সমিতি চালু করে। এই কিশোররা স্বপ্ন দেখেনি স্বর্নকমল বানানোর; স্বপ্ন দেখেনি বিদেশে পাড়ি জমানোর। তারা স্বপ্ন দেখেছে হতদরিদ্র মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের। তাদের স্বপ্ন ছিল একটাই অজোগাঁ জিন্দাকে আদর্শ মডেল গ্রাম হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা। তাদের সে স্বপ্ন আজ সত্যি হয়েছে। জিন্দা আজ রূপগঞ্জের মডেল গ্রাম হিসেবে ¯ী^কৃতি পেয়েছে। পাশাপাশি জিন্দা পার্কের কারনে জিন্দার সুনাম ছড়িয়ে পরেছে সারা দেশে।

এছাড়া যেতে পারেন ইউসুফগঞ্জ উপশহর এলাকায়। বিশাল এলাকা জুড়ে ছোট ছোট টিলা, সমতল ভূমি, শালবন,কাঠাল বাগান। সব মিলিয়ে কি বিচিত্র এখানকার রূপ। প্রাকৃতিক এ সৌন্দর্যে নিঃসন্দেহে আপনি অভিভূত হবেন। মনে হবে অসংখ্য বোটানিক্যাল গার্ডেনের জন্ম যেন এ এলাকায়। আর তারাব পৌরসভার নোয়াপাড়ায় রযেছে আগেকার দিনের রাজাবাদশা,জমিদার ও সওদাগরদের মতো প্রায় ১৫টি বজরা ও ময়ূরপঙ্খি নৌকা। এগুলো দিয়ে শান্ত শীতলক্ষা নদীতে দিনভর ভ্রমর করতে পারবেন। যেতে পারেন কাঞ্চনের মশারি পল্লী কিংবা নোয়াপাড়ার জামদানী পল্লীতে। এখানকার কারিগরদের তৈরী কাজ আপনাকে মুগ্ধ করবেই। সব মিলিয়ে এই শীতে ১ দিনের জন্য সময় করে বেড়িয়ে পরতে পারেন রূপগঞ্জের উদ্দেশ্যে । রূপগঞ্জের রূপ আপনাকে সত্যিই মুগ্ধ করবে।

নরসিংদীরাজা নরসিংহের নরসিংদীনরসিংদী বাংলাদেশের একটি সুপ্রাচীন সমৃদ্ধ জেলা । এবং তাঁতবস্ত্রের জন্য বিখ্যাত জনপদ।  শিক্ষা,...
28/02/2019

নরসিংদী
রাজা নরসিংহের নরসিংদী

নরসিংদী বাংলাদেশের একটি সুপ্রাচীন সমৃদ্ধ জেলা । এবং তাঁতবস্ত্রের জন্য বিখ্যাত জনপদ। শিক্ষা, শিল্প, সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য, স্বাধিকার আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধে নরসিংদীর রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল অবদান। নরসিংদী জেলার আয়তন ১ হাজার ১৪০ দশমিক ৭৬ বর্গকিলোমিটার। উপজেলা আছে ৬টি। উপজেলাগুলো হলো নরসিংদী সদর, বেলাবো, মনোহরদী, পলাশ, রায়পুরা ও শিবপুর। প্রধান নদীগুলো হচ্ছে : মেঘনা, আড়িয়াল খাঁ, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, হাঁড়ীধোয়া, শীতলক্ষ্যা ও কলাগাছিয়া। নরসিংদীর উত্তরে কিশোরগঞ্জ, দক্ষিণে নারায়ণগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া, পূর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জ এবং পশ্চিমে গাজীপুর জেলা। মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নরসিংদী ৩ নং সেক্টরের অধীনে ছিল।

নরসিংদী শহরের নামকরণের ইতিহাস
হাবসী শাসনামলের শেষ পর্যায়ে সোনারগাঁও অঞ্চলের উত্তর-পশ্চিম সীমান্তে শীতলক্ষ্যার তীরে হিন্দু জমিদার ধনপদ সিংহ রাজা খেতাব গ্রহণ করেন। রাজা ধনপদ সিংহের পুত্র নরসিংহী বাবার জমিদারির সীমা বৃদ্ধি করে প্রাচীন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে, নগর নরসিংহপুর নামে একটি ছোট্ট শহর প্রতিষ্ঠা করেন। নিজের আবাসিক স্থান তৈরি করেন। বর্তমানে পলাশ উপজেলার পারুলিয়া গ্রামটিই সেই শহর। ধারণা করা হয়, রাজা নরসিংহের নাম থেকেই নরসিংদী নামকরণ হয়েছে। নরসিংদীর সঙ্গে দী শব্দটির একটি ব্যাখ্যা আছে। আসলে প্রাচীনকালে শব্দটি ছিল ডিহি। সংস্কৃত ভাষায় ডিহি শব্দের অর্থ হলো ডাঙা। নরসিংদী একটি উঁচু অঞ্চল। সেই কারণেই স্বভাবতই এর নাম ছিল নরসিংহ ডিহি। পরবর্তীতে সাধারণের মুখে মুখে এর নাম হয়েছে নরসিংদী। বর্তমান সময়ে হ বিলুপ্ত হয়ে নাম হয়েছে নরসিংদী।

সারা বাংলাদেশের মতো নরসিংদীতে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি
১৯৭১-এ সেনাবাহিনী তাণ্ডব চালিয়েছে। হত্যা করেছে ছাত্র, শিক্ষক, মুক্তিযোদ্ধাসহ মুক্তিকামী নিরীহ মানুষ। এ জেলায় আছে অনেক বধ্যভূমি। তবে সেসব স্মৃতি এখন অনেকটাই ম্লান হয়ে গেছে। ঠিক তেমনই একটি স্মৃতি দেখতে হলে আপনাকে যেতে হবে নরসিংদী শহর থেকে ২ কিলোমিটার দক্ষিণে তারাবো সড়কের খাটেহারা সেতুতে।

এই সেতুতে যে কতজন মানুষ হত্যা করা হয়েছে তা আজ আর বলা সম্ভব নয়। তবে যুদ্ধ শেষে সেতুর আশপাশ থেকে উদ্ধার করা মাথার খুলি, কংকাল, জামাকাপড়, শাড়ি-চুড়ি-চুল দেখে এর সংখ্যা যে বেশ বড় রকমের তা নির্দ্বিধায় বলা যায়।

১৯৭১-এর ২৮ আগস্ট সকালে বর্বর পাকিস্তানি সেনারা নরসিংদী মহাবিদ্যালয়ে ঢুকে সরজকুমার নাথ, শিক্ষক রাধাগোবিন্দ সাহাসহ ২৭/২৮ জনকে ধরে নিয়ে আসে। হায়েনারা ওইদিন রাতের আঁধারে সবাইকে পাঁচদোনা সেতুর ওপর দাঁড় করে গুলি করে হত্যা করে। সেই স্মৃতি চিহ্ন নিয়ে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর এখনো দাঁড়িয়ে রয়েছে পাঁচদোনা সেতু।

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাঁচদোনা মোড়ে রয়েছে অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ ভাস্কর্য। ২০০৭ সালে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের অর্থায়নে জেলা প্রশাসনের পৃষ্ঠপোষকতায় এ ভাস্কর্যটি নির্মাণ করা হয়। শিল্পী কামরুজ্জামান স্বাধীন ও এহসানুল আহসান খান মিঠুর নকশায় অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ ভাস্কর্যে ফুটে উঠেছে বাঙালির সংগ্রামের ইতিহাস।

পাঁচদোনা মোড়ের পাশেই রয়েছে পাঁচদোনা ইউনিয়ন ভূমি অফিস। আর সেখানে রয়েছে একটি মঠ। ইচ্ছে করলে ঘুরে-ফিরে দেখতে পারেন মঠটি।

১৮৩৫ সালে গিরিশচন্দ্র সেন এই পাঁচদোনায় জন্মগ্রহণ করেন। সাংবাদিকতা পেশার পাশাপাশি গুরু কেশবচন্দ্র সেনের উৎসাহে তিনি ইসলামী সাহিত্য সাধনা শুরু করেন এবং ১৮৮৬ সালে প্রথম পবিত্র কুরআনের বঙ্গানুবাদ সম্পন্ন করেন। বাংলা সাহিত্যে এটাই তার শ্রেষ্ঠ কীর্তি। ধর্ম সম্পর্কে জানার আগ্রহ, চারিত্রিক উদারতা এবং সত্যবাদিতার জন্য গিরিশচন্দ্র সব মানুষের শ্রদ্ধা অর্জন করেন। বলা চলে তিনি ছিলেন সর্বধর্ম সমন্বয়ের প্রতীক। তাই সকলে তাকে ভাই গিরিশচন্দ্র নামেই ডাকত। ১৯১০ সালে গিরিশচন্দ্র সেনের কর্মময় জীবনের অবসান হয়।

নরসিংদীড্রিমল্যান্ড হলিডে পার্কঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে তাঁতশিল্পে সমৃদ্ধ নরসিংদী সদর উপজেলার চৈতাব নামক স্থানে গড়ে উঠেছ...
27/02/2019

নরসিংদী
ড্রিমল্যান্ড হলিডে পার্ক

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশে তাঁতশিল্পে সমৃদ্ধ নরসিংদী সদর উপজেলার চৈতাব নামক স্থানে গড়ে উঠেছে বিনোদনের এক স্বর্গরাজ্য। এখানে জলকামান, ওয়াটার আম্ব্রেলা, রাজহংস, রেইনবো ওয়াটার, ঐতিহাসিক টাইটানিকসদৃশ জাহাজ, যা অর্ধডুবন্ত অবস্থায় রয়েছে। যার মধ্যে আছে প্রতি ৫ মিনিট পরপর পানির ফোয়ারায় গা ভাসিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা। আরও রয়েছে ড্রাইভিং টিউব, যাতে আপনি অনায়াসে পানির তোড়ে ভেসে যাবেন। এর সঙ্গে রয়েছে পানির ছন্দে বাজানো মিউজিক, আপনাকে মুহূর্তের মধ্যে করবে রোমাঞ্চিত ও শিহরিত। পার্কে ঘুরে বেড়ানোর জন্য তৈরি করা হয়েছে মনোমুগ্ধকর পরিবেশ, আছে নয়নাভিরাম ক্যানেল। যেখানে ফাইটার ৮ বোট চালিয়ে আপনি অনায়াসে ঘুরে বেড়াতে পারবেন। আরও রয়েছে সাউন্ড সিস্টেম ও সার্বক্ষণিক সুরের মূর্ছনা, রকিং হর্স অর্থাৎ ঘোড়ায় চড়ে শিশুরা চলে যাবে স্বপ্নপুরীর দেশে। আরও রয়েছে নাগেক ক্যাসেল। যেখানে শিশুরা সারাক্ষণ লম্ফঝম্প করে আনন্দ উপভোগ করতে পারবে। এয়ার বাইসাইকেল, যা বাংলাদেশের পার্কের জন্য এক নতুন সংযোজন। এতে বসে দু’জন মানুষ অনায়াসে নিজ ইচ্ছায় প্যাডেল চালিয়ে পার্কের ওপর দিয়ে বেড়াতে পারবে। অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত ইমু পাখি এ পার্কের অন্যতম আকর্ষণ। মায়াবী স্পটে কৃত্রিম জলজ প্রাণীর পিঠে চড়ে পৌঁছে যাবেন রূপকথার মৎস্যকন্যা মায়াবী দানবের দেশে। কিন্তু এখানে পৌঁছতে আপনাকে সাহসী হতে হবে। কৃত্রিম অভয়ারণ্য অর্থাৎ হরিণ, কুমির, অজগরসহ বিভিন্ন প্রাণীর সমাহার থাকছে এখানে। এছাড়া ক্যানেলের চতুর্দিকে ঘুরে বেড়াতে সুপ্রশন্ত ফুটপাত এবং কুঁড়েঘরে বসে বিশ্রাম নেয়ার সুব্যবস্থা, রাতযাপনের জন্য রয়েছে ডুপ্লেক্স বাংলো প্যাটার্নের কটেজ। যার মধ্যে রয়েছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসহ সপরিবারে থাকার সুব্যবস্থা। সপ্তাহের প্রতি বৃহস্পতিবার লাইভ ফিশ ক্রয় করে নিজে তৈরি করে বার-বি-কিউ খাবার সুবিধা। পার্কটিতে সার্বক্ষণিক ক্লোজসার্কিট ক্যামেরা ও সরকার প্রদত্ত পর্যাপ্ত নিরাপত্তা কর্মীর তত্ত্বাবধানে সুশৃংখল নিরাপত্তা ব্যবস্থা, গাড়ি পার্কিয়ের বিশাল জায়গা, মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশে নিজস্ব কটেজে থাকার ব্যবস্থা ও সুবিশাল বাংলো। যেখানে সিঙ্গেল ও ডবলসহ সপরিবারে পূর্ণ বাংলো ভাড়ার ব্যবস্থা, স্বাস্থ্যসম্মত ঘরোয়া পরিবেশে খাবারের ব্যবস্থা, যা অত্যাধুনিক ফুডকোর্টে বসেই খাওয়া যাবে। রয়েছে কফি হাউস। পার্কে শিশু-কিশোরদের জন্য বেশ কয়েকটি রাইড রয়েছে ফ্রি। আছে সুবিশাল লেক। যেখানে অনায়াসে হংসরাজ প্যাডেল বোটে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ রয়েছে। এছাড়া এখানে রয়েছে সুবিশাল দুটি পিকনিক স্পট। এক থেকে দেড় হাজার লোক সব ধরনের সুযোগ-সুবিধাসহ সারাদিন পিকনিকের সুযোগ পাবে। পার্কটির ভেতরে আপন মহিমায় শোভাবর্ধন করে দাঁড়িয়ে স্থান করে নিয়েছে দেশী-বিদেশী নানা প্রজাতির সব প্রাকৃতিক পাছপালা।

উয়ারী – বটেশ্বর*************এই দুই জায়গা একদা ছিল রাজধানী। প্রাচীন আমলেই গড়ে উঠেছিল উয়ারি – বটেশ্বর। যুদ্ধরাজ বম্বেট শক্...
26/02/2019

উয়ারী – বটেশ্বর
*************
এই দুই জায়গা একদা ছিল রাজধানী। প্রাচীন আমলেই গড়ে উঠেছিল উয়ারি – বটেশ্বর। যুদ্ধরাজ বম্বেট শক্তিমান গ্রিকবীর আলেকজান্ডার যে জাতির ভয়ে পালিয়ে গিয়েছিলেন সে জাতির বসবাস ছিল এই দুই গ্রামেই। সেই জাতির নাম গঙ্গারিডি। নরসিংদীতেই ছিল তাদের বসবাস। উয়ারি – বটেশ্বরে আড়াই হাজার বছরের প্রতœনিদর্শন আবিষ্কারের কাহিনী একটি জনপদের অস্তিত্বের কথা প্রমাণ করে দেয়। ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতœতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক দিলীপ কুমার চক্রবর্তী উয়ারী দুর্গনগরীকেই এই জনপদের রাজধানী মনে করেন। এখানে পাওয়া গেছে প্রাচীন দূর্গনগরী, বন্দর, রাস্তা, র্পাশ্বরাস্তা, পোড়ামাটির ফলক, পাথরের পুঁতি, মুদ্রাভান্ডারসহ উপমহাদেশের প্রাচীনতম রৌপ্যমুদ্রা যা নরসিংদী জেলা সদর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে বেলাব উপজেলার আমলার ইউনিয়নে উয়ারী – বটেশ্বরে অবস্থিত। উয়ারি – বটেশ্বরে পাওয়া গেছে স্বল্প মূল্যবান পাথরের গুটিকা, কাচের গুটিকা, রৌদ্রমুদ্রা, উচ্চমাত্রায় টিনমিশ্রিত ব্রোঞ্জ নির্মিত নবযুক্ত পাত্র। উত্তরভারতীয় মসৃণ কালো মৃৎপাত্র প্রভৃতি নির্দশনগুলোকে প্রতœতাত্ত্বিকরা খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০ অব্দ থেকে খ্রিস্টীয় প্রথম শতক র্পযন্ত সীমায় ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধানণা করেছেন। উয়ারী গ্রামে একটি অস্থায়ী জাদুঘর প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ঢাকা অথবা সিলেট থেকে সড়কপথে রওনা দিলে আপনি মরজাল বাসস্ট্যান্ডে নেমে যাবেন। মরজাল থেকে ৪ কি. মি. দূরে উয়ারী – বটেশ্বর। এ পথে রিকশা নিয়ে আসা যাবে।
মনোহরদী উপজেলা সদর থেকে কয়েক মাইল দূরে গেলে বনাঞ্চল দেখতে পাবেন। এখানে বানরসহ নানান জাতের বন্যপ্রাণী বসবাস। এছাড়া রঘুনাথ মন্দির ঘুরে দেখুন। এটি খুবই আকর্ষনীয়।
নরসিংদী যেভাবে যাবেন
ঢাকা-চট্টগ্রাম রোডের কাঁচপুর ব্রিজ পার হয়ে বামে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ধরে একটু এগুলেই নরসিংদী। ঢাকা থেকে নরসিংদীর দূরত্ব মাত্র ৫৪ কিলোমিটার। গুলিস্তান, সায়েদাবাদ ও আব্দুল্লাহপুর থেকে নরসিংদীর বাস পাওয়া যায়। বিভিন্ন পরিবহন ৫ মিনিট পর পর নরসিংদী যাচ্ছে। যেতে সময় লাগে দেড় ঘণ্টা। ভাড়া ৬০ টাকার মতো। ট্রেনেও নরসিংদী যেতে পারবেন। ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে নরসিংদী যেতে ট্রেনে সময় লাগে ১ ঘণ্টার মতো, ভাড়া ৩০ টাকা।

যেখানে থাকবেন
নরসিংদী সকালে এসে ঘুরেফিরে রাতে ফেরত যেতে পারবেন। শহরে থাকা-খাওয়ার বেশ কয়েকটি ভালো হোটেল আছে, আছে নরসিংদী শহরে ডাকবাংলোও, রয়েছে হোটেল।

ঐতিহাসিক আতিয়া জামে মসজিদ**************************যমুনা, ধলেশ্বরী ও বংশী নদীবিধৌত টাঙ্গাইল জেলা। বাংলাদেশের ঐতিহাসিক নি...
25/02/2019

ঐতিহাসিক আতিয়া জামে মসজিদ
**************************
যমুনা, ধলেশ্বরী ও বংশী নদীবিধৌত টাঙ্গাইল জেলা। বাংলাদেশের ঐতিহাসিক নিদর্শনের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। এ জেলায় জন্মগ্রহণ করেছেন বাংলার অনেক কৃতী পুরুষ যারা বিভিন্ন সময় এদেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন। এ মাটিতে শায়িত আছেন হযরত শাহান শাহ বাবা আহমদ কাশমিরী (রা.)। এই জেলার সন্তান মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। টাঙ্গাইলের শাড়ি এক সময় বিখ্যাত ছিল দেশ-বিদেশে, যা আজ হারিয়ে যাওয়ার পথে। এই টাঙ্গাইল শহরের একটি গ্রামেই কালের সাক্ষী হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে মুঘল আমলের তৈরি আতিয়া জামে মসজিদ।

আতিয়া মসজিদ : টাঙ্গাইল শহর থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম দূরত্বে লৌহজং নামক নদীর তীরবর্তী পূর্ব পাশে নির্মাণ করা হয় আতিয়া জামে মসজিদে। মসজিদের পাশে পশ্চিমে উত্তর-দক্ষিণে লম্বা পুকুর। পূর্ব- পশ্চিমে এই মসজিদের আয়তন দৈর্ঘ্য ৬৯ ফুট এবং প্রস্থ ৪০ ফুট। মিনারগুলো অলঙ্কৃত হয়ে গম্বুজের আকৃতি নিয়ে সমাপ্ত হয়েছে। আতিয়া মসজিদে দুটি ভাগে বিভক্ত, একটি অভ্যন্তরীণ এবং অপরটি বারান্দা। প্রধান কক্ষ অথবা নামাজ পাটের কক্ষের প্রত্যেক বাহু প্রায় ২৫ ফুট লম্বা, মূল কক্ষের ওপরে বৃহদাকারের গ¤ভুজ রয়েছে। পূর্ব দিকে বারান্দা, যেখানে তিনটি গ¤ভুজ রয়েছে। পূর্ব দেয়ালে তিনটি প্রবেশ পথ। প্রবেশ পথের উপরাংশ প্রায় গোল গ¤ভুজসদৃশ। দরজায় কাঠের পান্না অনেক ভেতরে। মসজিদের প্রবেশ পথের কাছে একটি শিলালিপি রয়েছে। যেখানে শিলালিপি স্থাপিত তার চারপাশের এলাকা অলঙ্করণযুক্ত। মসজিদটি দীর্ঘদিনের পুরনো বলে অলঙ্করণে আদিরূপ ক্ষয়িষ্ণু অথবা অনুপস্থিত থাকায় মূলত কি ধরনের অলঙ্করণ ছিল তা শনান্ত করা কঠিন। মসজিদের শিলালিপির পাঠ মতে, ১০১৮ হিজরি তথা ১৬০৮ খ্রিষ্টাব্দে বায়েজিদ খান পন্নীর পুত্র সাঈদ খান পন্নী পীর আলী শাহান শাহ বাবা কাশ্মীরির সম্মানে এটি নির্মাণ করেন ১৬০৯ খ্রি. এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়। পীর শাহান শাহ এতদঞ্চলে বাবা কাশ্মীরি বলে পরিচিত ছিলেন। তিনি মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের অতিশয় ঘনিষ্ঠ এবং সম্মানীয় ব্যক্তি। মুসলিম ধর্মে একজন দরবেশ। তিনি যখন ধর্ম প্রচারের জন্য এই এলাকায় আসেন তখন সম্রাট তাকে দুটো এলাকার বন্দোবস্ত করেছেন। তার মধ্যে একটি হচ্ছে আটিয়া পরগনা অপরটি কাগমারী পরগনা।
যেভাবে যেতে হবে : সিলেট থেকে সরাসরি টাঙ্গাইল অথবা ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল যাওয়ার আগে পাকুল্লা নামক স্টেশন থেকে টেম্পোতে করে পাথরাল বাজার পর্যন্ত। সেখান থেকে ভ্যান অথবা রিকশায় একেবারে মসজিদে পর্যন্ত পৌঁছা যায়।

19/10/2017

প্রথমবার কক্সবাজার সেন্টমার্টিন!!! জেনে নিন
বর্ণনা:
পৃথীবির দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। প্রতি বছর সারা দেশ থেকে লাখো পর্যটকের কক্সবাজারে সমাগত হয় কক্সবাজারে সমুদ্র দর্শনের জন্য। কক্সবাজারের সমুদ্র তীর প্রায় ১২০ কিমি দীর্ঘ। এছাড়াও এখানে রয়েছে দেশের সর্ববৃহৎ মংস্য বন্দর। আমাদের দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের অবস্থানও কক্সবাজার জেলায়। এ ছাড়াও মহেশখালী ও সোনাদিয়া দ্বীপের অবস্থানও কক্সবাজার জেলায়। শুধু সমুদ্র আর দ্বীপ নয়, এ জেলায় আছে বেশ কয়েকটি সুন্দর সংরক্ষিত বন। এ সমস্ত কারণে কক্সাবাজারে সারা বছরই পর্যটকের ভীড় লেগে থাকে।

কিভাবে যাবেন:
কক্সবাজারের সরাসরি গাড়ী চলে রাজধানী ঢাকা সহ দেশের প্রধান প্রধান শহরগুলোতে। যেমন, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, রংপুর ইত্যাদী। ঢাকা থেকে নন এসি গাড়ী আছে অনেকগুলো। শ্যামলী, টিআর, হানিফ, ইউনিক, এস আলম, সৈাদিয়া, ইত্যাদী। ভাড়া পড়বে ৮০০ টাকা। আর যদি এসি তে যান আছে গ্রীন লাইন, ‍সৈাদিয়া, দেশ ট্রাভেলস, টিআর, সোহাগ ইত্যাদী। ভাড়া পড়বে ১৬০০(ইকোনমি ক্লাস)-থেকে ২০০০ টাকা (বিজনেস ক্লাস)। সময় লাগতে পারে ১২-১৪ ঘন্টার মত। এছাড়া সেন্টমার্টিন পরিবহন বলে একটি সার্ভিস চালু আছে যেটা চলে টেকনাফ পর্যন্ত। নন এসির ক্ষেত্রে ইউনিক এবং শ্যামলীর সার্ভিস ভালো এবং এসির ক্ষেত্রে দেশ এবং টিআর ট্রাভেলসের সার্ভিস ভালো।

চট্টগ্রাম থেকে প্রতি ঘন্টায় কক্সবাজারের গাড়ী পাওয়া যায় বহদ্দার হাট থেকে। অধিকাংশ গাড়ীও অত্যন্ত লোকাল। ভালো সার্ভিস দেয় এস আলম ও সৈাদিয়া, ছাড়ে গরীবুল্লাহ শাহ মাজার, দামপাড়া থেকে।

এছাড়া বিমানেও যেতে পারবেন। রিটার্ণ ভাড়া ৮,০০০ থেকে শুরু করে ১২,০০০ টাকা । ইউএস বাংলা, নোভো এয়ার, বাংলাদেশ বিমান যায় কক্স বাজার। ইউনাইটেড এয়ারের অবস্থা ভালোনা, এতে ভ্রমণ না করায় শ্রেয়। কম খরচে যেতে চাইলে বিমান সবচেয়ে ভালো মাধ্যম, কিন্তু টিকেট কিনতে হবে আগে।

অনেকে ট্রেনে চট্টগ্রাম যেয়ে তারপর সেখান থেকে কক্স বাজার যেতে চান। সেক্ষেত্রে ঢাকা থেকে তূর্ণা-নিশীথা, সুবর্ন এক্সপ্রেস, মহানগর প্রভাতী/গোধূলী, চট্রগ্রাম মেইলে চট্টগ্রাম আসতে হবে। চট্টগ্রাম রেল স্টেশনের উল্টা পাশেই বিআরটিসির কাউন্টার থেকে বিআরটিসির বাসে যেতে পারেন কক্সবাজার। অথবা সিএনজি নিয়ে নতুন ব্রীজ বা দামপাড়া যেয়ে কক্সবাজারের গাড়ীতে উঠতে হবে। ট্রেনের বিস্তারিত সময়সূচী এবং ভাড়া জানতে পারবেন www.railway.gov.bd সাইট থেকে।

কখন যাবেন:
কক্সবাজারের পীক সিজন বলে অক্টোবর থেকে মার্চ। এ সময়টায় বৃষ্টি কম হওয়ায় বেশী ট্যুরিস্ট আসে। এ ছাড়াও শীত থাকাতে বীচগুলো বেশী উপভোগ্য লাগে, কিন্তু ভীড়টাও বেশী থাকে। অফপিক সীজন থাকলেও দুই ঈদের পরে এবং তিন দিনের বন্ধে অনেক ট্যুরিস্ট থাকে। এ সময়টায় বুকিং না দিয়ে যাওয়াটা ঠিক নয়। অফসিজনে হোটেলগুলো ৩০% থেকে ৬০% পর্যন্ত ছাড় দিয়ে থাকে। এ ছাড়াও বর্ষার সময়টা ঢেউ গুলো অনেক বড় থাকে। সেন্টমার্টিনের জাহাজ চলে সাধারণত অক্টোবর থেকে এপ্রিল। সেন্টমার্টিন জাহাজে যাবার ইচ্ছা থাকলে ওই সময়টায় যেতে পারেন। এবছর (২০১৫) কোরবানীর ঈদের পর থেকে জাহাজ চালু হবার কথা (২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫).

থাকার ব্যবস্থা:
বর্তমানে কক্সবাজারে হোটেলগুলো প্রায় ১৫০,০০০ জন ধারণ ক্ষমতা আছে। সুতারাং বুক না দিয়ে গেলেও হোটেল পাবার সম্ভাবনা থাকে। তবে ডিসেম্বরের শেষ দিকে এবং নিউ ইয়ারের প্রারম্ভে এ ঝুকিটা নেয়া ঠিক হবেনা। কক্স বাজার হোটেল/মোটেল/রিসোর্ট গুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায় দামানুসারে।

৬০০০-১০.০০০: মারমেইড বিচ রিসোর্ট, সায়মন বিচ রিসোর্ট, ওশেন প্যারাডাইজ, লং বীচ, কক্স টুডে।
৩,০০০-৬,০০০: সী প্যালেস, সী গাল, কোরাল রীফ, নিটোল রিসোর্ট, আইল্যান্ডিয়া, বীচ ভিউ, সী ক্রাউন।
১,০০০ - ৩,০০০: উর্মি গেস্ট হাউজ, কোরাল রীফ, ইকরা বিচ রিসোর্ট, অভিসার, মিডিয়া ইন, কল্লোল, হানিমুন রিসোর্ট।

মনে রাখবেন হোটেল ভাড়া অফসিজনে অর্ধেকেরও বেশী ছাড়ে পাবার সম্ভাবনা থাকে। সুযোগ থাকলে কক্সবাজার নেমে একজন যেয়ে হোটেলের সাথে দরদাম করে হোটেল খুজে নিলে সবচেয়ে ভালো হয়। রিকশাওয়ালা বা সিএনজিওয়ালার পরামর্শে হোটেল খোজাটা উচিত নয়। এখন প্রায় সব হোটেলরই ফেইসবুক পেইজ বা ওয়েবাসাইট থাকে, সেখান থেকে নাম্বার নিয়ে আগে যোগাযোগ করেও যেতে পারেন।

হোটেলের পাশাপাশি কিছু ফ্ল্যাটও ভাড়া পাওয়া যায়। আপনি যদি বড় পরিবার নিয়ে যান, এ ধরণের ফ্ল্যাট আপনার জন্য বেশী উপযোগী হতে পারে। ২/৩ রুম এসি/নন এসি, রান্নঘর সহ এ ধরণের ফ্ল্যাটের ভাড়া পড়বে ৪,০০০ থেকে ১০,০০০ টাকা প্রতিদিন।

খাওয়া:
কক্সাজারে খাওয়ার মত অনেকগুলো রেস্টুরেন্ট আছে। বাজেট রেস্টুরেন্টের মধ্যে ঝাউবনের নামই সবার আগে আসে। এধরণের বেশ কিছু রেস্টুরেন্ট আছে, খাবারের মান মোটামুটি একই। রোদেলা, ধানসিঁড়ি, নিরিবিলি। মেনু অনুসারে দামের তালিকা নিচে দেওয়া হল। সিজনে কম/বেশী হতে পারে:
ভাত: ২০-৪০ টাকা
মিক্সড ভর্তা: ৭৫/১৫০/৩০০ (৮-১০ আইটেম)
লইট্যা ফ্রাই: ১০০-১২০ (প্রতি প্লেট ৬-১০ টুকরা)
কোরাল/ভেটকি: ১৫০ (প্রতি পিচ)
গরু: ১৫০-২০০ (২ জন শেয়ার করতে পারবেন)
রপচাঁদা ফ্রাই/রান্না: ৩০০-৪০০ (বড়, ২জন খাওয়ার মত)
ডাল: ৩০-৬০
বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য নাম পৈাষী । হোটেল জোন থেকে কিছুটা দুরে শহরে এর অবস্থান। রিকশা/অটো ৫০ টাকা নিবে। দাম মোটামুটি একই। কিন্তু খাবার ভালো হবার কারণে ভিড়টা খুব বেশী থাকে।
এছাড়া হান্ডি রেস্তারায় হায়দারাবদী বিরাণী খেতে পারবেন ২০০-২৫০ টাকায়। অবস্থান লাবণী পয়েন্টে। কেএফসিও আছে, যদি কারো খেতে ইচ্ছা করে।

দর্শনীয় স্থান:
সৈকত: কক্সাবাজারের তিনটি সৈকত মোটামটি বিখ্যাত। লাবণী, সুগন্ধা, কলাতলী বীচ। কলাতলী বীচে ভিড় তুলনামূলক কম থাকে আর সবচেেয়ে বেশী ভিড় থাকে সুগন্ধায়। সময় নিয়ে তিনটা বীচে হেটে দেখতে পারেন। গোসল করলে অবশ্যই সাবধানতা অবলম্বন করবেন ভাটার সময় বা লাল পতাকা দেয়া অবস্থায় পানিতে নামবেননা। বীচে চেয়ার ভাড়া পাওয়া যায় ৫০-৬০ টাকা ঘন্টা। একই ভাড়ায় রাবার টিউবও পাবেন।

বার্মিজ মার্কেট: শহরের বার্মিজ মার্কেট পর্যটকদের একটি প্রিয় গন্তব্য। এখানে বার্মা এবং চায়না (!) থেকে আসা অনেক কিছু পাওয়া যায়। যার মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ধরণের আচার, কাপড় চোপড়, গিফট আইটেম।

হিমছড়ি: কক্সবাজার হোটেল জোন থেকে হিমছড়ির দূরত্ব ১৮ কিমির মতে। সিএনজি ভাড়া নিতে পারে ৩০০ টাকা। এছাড়াও প্রবেশ ফি রয়েছে ৩০ টাকা। পাহাড়ের উপর থেকে চমৎকার সমুদ্রের ভিউ দেখা যায় বলে এ জায়গাটি অনেক জনপ্রিয়। মানুষ বেশী থাকলে জীপ ভাড়া করেও যেতে পারেন। জীপ ভাড়া নিতে পারে ১৫০০ টাকা।

ইনানী:

ইনানী সৈকতের অবস্থান কক্সবাজার থেকে ৪০ কিমি দূরে। সেখানে ভাটার সময়
দরিয়ানগর পার্ক:
পাহাড়, সমুদ্র আর সুর্যের মিলনের এ অপরূপ দৃশ্য বিশ্বের বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের নিকটবর্তী দরিয়ানগর পর্যটন কেন্দ্রের। কক্সবাজার শহর থেকে মেরিন ড্রাইভ সড়ক ধরে মাত্র আট কিলোমিটার পূর্বদিকে দরিয়ানগর পর্যটন কেন্দ্র। পশ্চিমে বিশাল বঙ্গোপসাগর, পূর্বে উঁচু পাহাড়। মাঝখানে কক্সবাজার-টেকনাফ পিচঢালা সড়ক। এই পথ ধরে এগিয়ে গেলেই সবুজে ঘেরা বড়ছেড়া গ্রাম। এই গ্রামের ৫৩ হেক্টর জমির ওপরে উঁচু-নিচু পাঁচটি পাহাড়ের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে এই বিনোদন কেন্দ্রটি। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত থেকে খানিক দূরে হিমছড়ি বা ইনানী বিচে যাওয়ার আগেই সমুদ্র আর পাহাড়ের এই মিলনস্থল। পাহাড়ের চূড়া থেকে প্রায় সাতশ’ ফুট গভীরে একটি প্রাচীন গুহাও রয়েছে এখানে। পর্যটকরা অনায়াসে পাহাড়ের সেই ভিন্ন রূপটা উপভোগ করতে পারেন। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের ভ্রমণ ও আনন্দ খানিকটা বাড়িয়ে দিতে পারে এই দরিয়ানগর। প্রকৃতি তার দু’হাত ভরে সৌন্দর্য বিতরণ করেছে দরিয়ানগরকে।

দুলাহাজা সাফারি পার্ক:

মহেশখালী:
কক্সবাজার থেকে মহেশখালী যেতে হলে আপনাকে যেতে হবে ফিশারী ঘাটে। হোটেল জোন থেকে টমটম বা রিক্সায় যেতে পারেন। টমটমের ভাড়া ১০০ টাকা নিবে। ফিশারী ঘাট থেকে স্পীডবোট ছাড়ে। শেয়ারে গেলে ১১০ টাকা পড়বে প্র্রতি জন। আর দল বড় হলে রিজার্ভ নিতে পারেন, সেক্ষেত্রে পড়বে ১৮০০-২০০০ টাকা। সর্বোচ্চ ১১ জন যেতে পারবেন এক স্পীড বোটে। মহেশখালীর মূল আকর্ষণ আদিনাথ মন্দির। এছাড়াও আরো কয়েকটি বৈাদ্ধ মন্দির আছে। সেগুলোও দেখতে পারেন। আদিনাথ মন্দিরের উপরের পাহাড়, ম্যানগ্রোভ বন ও সমুদ্রের দৃশ্যটা অনেক সুন্দর।

সোনাদিয়া:

টেকনাফঃ টেকনাফের ভ্রমণের শুরু হয় নাফনদী থেকে। নদীর কূল ধরে বেড়ে উঠেছে ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল। শ্বাসমূলের সঙ্গে পানির বোঝাপড়াটাও দারুণ। এছাড়াও দেখার মত স্থান হতে পারে মাথিনের কুপ ,টেকনাফ শহরের প্রান কেন্দ্রে নাফ নদীর পাশে টেকনাফ পুলিশ ফাঁড়ির চত্তরে এই মাথিনের কূপ ।
এছাড়া রয়েছে টেকনাফের দমদমিয়ায় অবস্থিত নেচার পার্কে। গর্জন, তেলসুর, বহেড়া, চাপালিশ, হরীতকীসহ নানা গাছে ঘেরা ঘন সবুজ বন। এখানে ট্রেকিং পথে মিলবে নানা রকমের পাখি আর বন্য প্রাণীর, যা পুরোটাই প্রাকৃতিকভাবে গড়ে উঠেছে।
টেকনাফে থাকার জন্য মিল্কই হোটেল ভালো হবে প্রাইজ দামাদামি করে নিলে ২২০০ এর মধ্যে নিতে পারবেন ৪ জনের জন্য ।

সেন্ট মার্টিন: সেন্টমারটিন/নারিকেল জিনজিরা দেখার উপযুক্ত সময় হচ্ছে শীতকাল । ে সময় পানির রঙ একদম ছবির মত নীল দেখায় । সেন্টমারটিন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর ছোট্ট একটা দ্বীপ এখানে কেউরা গাছের নিচে বসে সমুদ্র দর্যেশন , নীল সমুদ্রে গোসল , সুন্দর সুন্দর রিসোর্টে রাত্রিযাপন ,ছেরাদবিপ ভ্রমণ ,ডাবের পানি সহ সামুদ্রিক মাছ সবই আপনার মনে গেঁথে নেবে। তবে এখানে অনেক আধুনিক সুযোগ সুবিধাই হয়ত আপনি পাবেন না । ২৪ ঘণ্টা ইলেক্ট্রেসিটি,এসি ,লিফট বা থাই/চাইনিস রেস্ট্যুরেন্ট সেখানে নেই । ইলেক্ট্রিসিটির ব্যাবস্থা কিছু সময়ের জন্য করা হয়ে থাকে জেনারেটরের মাধ্মে । তবে হ্যা ভালো মোবাইল নেটওয়ার্ক পাবেন সব খানেই ।
শীতকাল ছাড়াও কখন সেন্মারটিন ভ্রমণ উপযোগী তা শিপ ইনফরমেশন নিলেই বুজতে পারবেন ।একমাত্র সমুদ্রের অবস্থা ভাল থাকলেই শিপ ছাড়ার অনুমতি মিলে।
সেন্টমারটিনে ট্রলার/ শিপ অথবা স্পীড বোডে যেতে পারেন । ট্রলারে/স্পিড বোডে জন প্রতি ভারা পরবে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা ।এবং এগুলো সারা বছর ধরে যাতায়াত করে ।( এডভেঞ্চার পছন্দ করলে আপনিও এভাবে যেতে পারেন ।)আর সিপে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ভারা পরবে ৩৫০ থেকে শুরু করে ৪/৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ।কক্সবাজার সমুদ্র দেখে সেন্টমারটিন আসবার প্লান করছেন তারা কক্সবাজার থেকে টেকনাফ স্পেশাল বাসে চলে আসবেন ভারা ১২০ টাকা ।৩ ঘণ্টা লাগে যেতে। আর টেকনাফ থেকে কেয়ারি ঘাট ও খুব বেশী দূরে না মূলত টেকনাফ যাবার আগেই পথে কেয়ারী ঘাট । যারা রেল-বাস-সিপ এবং ট্রালার একসাথে ভ্রমণ করতে চাইছেন তারা রাতের ট্রেনে চিটাগং এরপর বাসে কক্সবাজার হয়ে টেকনাফ এসে সিপে সেন্তমারটিন এবং ট্রলারে ছেরাদ্বিপ পরিদর্শন করে আসতে পারেন ।
Collected

দেখে মাধ্যাকর্ষণের বিরোধীতাকারী মনে হওয়া এই ভাষ্কর্যটি স্থাপন করা হয়েছে মিশরের কায়রো বিমানবন্দরের প্রবেশপথে। এর নির্মাতা...
27/09/2017

দেখে মাধ্যাকর্ষণের বিরোধীতাকারী মনে হওয়া এই ভাষ্কর্যটি স্থাপন করা হয়েছে মিশরের কায়রো বিমানবন্দরের প্রবেশপথে। এর নির্মাতা ভাষ্কর শাবান আব্বাস। ভাষ্কর্যটির এভাবে অবস্থান করতে পারার কারণ পাথরগুলো আসলে পাথর নয়, বরং পাতলা মাইল্ড স্টিলের শিট যার বাইরের দিকে পাথরের মতো রং করা হয়েছে। দড়িটি মূলত লোহার রড যা নিচের পাথরের ভুমি সংলগ্ন অংশের ভেতর দিয়ে ভুমির সাথে দৃঢ়ভাবে যুক্ত করা আছে।

উপমহাদেশের সবচেয়ে উঁচু মঠ শ্যামসিদ্ধি*************************************সে এক চমৎকার ঘটনা। একটি স¡প্নাদেশ। সন্তানের প্...
13/09/2017

উপমহাদেশের সবচেয়ে উঁচু মঠ শ্যামসিদ্ধি
*************************************
সে এক চমৎকার ঘটনা। একটি স¡প্নাদেশ। সন্তানের প্রতি স্বপ্নযোগে পিতার নির্দেশ। হ্যাঁ, ঘটনাটি ঘটেছিল ১৭৫৮ সালের কোন এক রাতে। অর্থাৎ ২৪৭ বছর আগে। গ্রামের নাম শ্যামসিদ্ধি। মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার একটি গ্রাম। এ গ্রামে বাস করতেন বিক্রমপুরের ধর্নাঢ্য ব্যক্তি সম্ভুনাথ মজুমদার। এক রাতে শ্রী সম্ভুনাথ ঘুমিয়েছিলেন। স্বপ্নে দেখলেন, তার স্বর্গীয় পিতা তার চিতার ওপর একটি মঠ নির্মাণের নির্দেশ দিচ্ছেন। সেই মতো কাজ শুরু। কথাগুলোর সত্যতা কতটা তা বলা মুশকিল। তবে শ্রী সম্ভুনাথ বাবুর তৈরি মঠটি যে উপমহাদেশের একটি শ্রেষ্ঠ ইতিহাস হয়ে থাকবে সে কথা অন্তত তার জানা ছিল না। বর্তমান মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানার শ্যামসিদ্ধি গ্রামে উপমহাদেশের সর্বোচ্চ মঠ অবস্থিত। বিশাল এ মঠটির উচ্চতা ২৪১ ফুট। মঠের আয়তন দৈর্ঘ্যে ২১ ফুট ও প্রস্থে ২১ ফুট। বৃহত্তর এ মঠের গঠন খুবই সুন্দর। অষ্টভুজাকৃতির মঠটি না দেখলে এর সৌন্দর্যের কথা বলে শেষ করা যাবে না। মঠটির ভেতরের সুরংয়ের উচ্চতা প্রায় ৮০ ফুট। মঠের ভেতরে ঢুকতে দরজার উচ্চতা ২৭ ফুটেরও বেশি। প্রাচীনকালে তৈরি ইট সুরকির এ মঠের ভিত খুবই মজবুত। ঐতিহাসিকদের মতে শ্যামসিদ্ধির এ মঠ উপমহাদেশের সর্বোচ্চ স্মৃতিস্তম্ভ। প্রসঙ্গ উলে¬খ্য, ভারতের কুতুব মিনারের উচ্চতা ২৩৬ ফুট। মঠের ভেতরে ও বাইরে কারুকাজে পরিপূর্ণ ছিল। খুব সুন্দর সুন্দর কাঠের নকশি করা ছিল এর দরজায় ও জানালায়। মঠের মূল অংশের চেয়ে বাড়তি বারান্দা আছে। বারান্দার কাঠের দরজা ও মঠের মূল ফলকের কাঠের গেট অনেক আগেই চুরি হয়ে গেছে। মঠের গায়ে ছিল মূল্যবান পাথর ও পিতলের কলসি যার কোনও অস্তিত্ব এখন আর দেখা যায় না। মঠটির ভেতরে
কষ্টি পাথরের শিবলিঙ্গটি স্থাপিত ছিল, যার উচ্চতা ছিল ৩ ফুট। ১৯৯৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে শিবলিঙ্গটি চুরি হয়ে যায়। ২ অক্টোবর ১৯৯৫ সালে শ্রীনগর থানায় মামলা হলেও চোর ধরা পড়েনি এখনও। মঠটি হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের জন্য তীর্থস্থান। ওহ ঝঁহ ধহফ ঝযড়বিৎ গ্রন্থে দিল্লীর লেখক ‘বারড়ী’ শ্যামসিদ্ধির এ মঠের বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। দক্ষিণ দিকের দরজার ঠিক উপরে মার্বেল পাথরের ১৮-২৪ বর্গাকৃতির নামফলক আছে। সেখানে লেখা রয়েছে
‘শম্ভুনাথের বাসার্থ মঠ
শকাব্দ ১৭৫৮, সন ১২৪৩
শম্ভুনাথ মজুমদার মহাশয় অত্র মঠ স্থাপন করেন।
তস্য পৌত্র শ্রীযুত কুমুদিনীকান্ত মজুমদার ওয়ারিশ সূত্রে মালিক হয়ে পূজার কার্যাদি পরিচালনা করিতেছেন।
শ্রী উপন্দ্রনাথ মজুমদার ওরফে কালু
সন ১৩৩৬, ১৯ আষাঢ়।’
তথ্য সমৃদ্ধ এ পাথরটিতে ফাটল দেখা দিয়েছে। যে কোনও সময় এ পাথরটিও নষ্ট হয়ে যেতে পারে। মঠটির চূড়ার মধ্যে অসংখ্য ছিদ্র রয়েছে। এ ছিদ্রগুলোতে বর্তমানে অসংখ্য পাখির বাস।
হিন্দু সম্প্রদায় বছরের বিশেষ দিনে মঠে শিব পূজা করে। পূজা উপলক্ষে শ্যামসিদ্ধি হয়ে ওঠে মুন্সীগঞ্জের মিলনমেলা। হিন্দু-মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই মিলিত হয়। মুন্সীগঞ্জের ৬টি থানার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা দলমত, ধর্ম, বর্ণ ভুলে গিয়ে উপস্থিত হন। পূজাতে শুধু মুন্সীগঞ্জ জেলার লোকই নয় আশপাশের জেলা থেকেও হিন্দু লোকজন শ্যামসিদ্ধিতে জামায়েত হয়। মঠের সামনে রয়েছে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও একটি বিরাট মাঠ। এ মঠকে কেন্দ্র করে প্রতি বৈশাখ মাসের দুই তারিখে বসে বৈশাখী মেলা। যা মুন্সীগঞ্জ জেলার আঞ্চলিক ভাষায় ‘গলইয়্যা’ নামে পরিচিত। এ গলইয়্যা উপলক্ষে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। দুঃখজনক হলেও সত্য, ঐতিহাসিক এ মঠটির দিকে বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টি নেই। একবার ১৯৮৪ সালে জাতীয় জাদুঘর কর্তৃপক্ষ স্মৃতি মঠটি পরিদর্শন করেন। এ পর্যন্তই শেষ। ২৪৭ বছরের পুরনো এ মঠটির সংস্কার করা খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে। মঠে ফাটল দেখা দিয়েছে। যে কোনও সময় ভেঙে পড়তে পারে।
প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হলে মঠটি ইতিহাস হয়ে দাঁড়িয়ে থাকবে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে; এ প্রত্যাশা শ্যামসিদ্ধি এলাকাবাসীর।
মঠটি বাংলাদেশ ও তার অতীত ঐতিহ্যের কথা তুলে ধরবে আগামী প্রজন্মের কাছে।

-- গোলাম আশরাফ খান উজ্জ্বল

পদ্মা রিসোর্টপ্রমত্তা পদ্মার তীরে পানির ওপরেই ছোট ছোট কাঠের কটেজ। নদীতীর থেকে কটেজে আসতে কাঠের করিডোর। নিচে থৈ থৈ করছে প...
12/09/2017

পদ্মা রিসোর্ট

প্রমত্তা পদ্মার তীরে পানির ওপরেই ছোট ছোট কাঠের কটেজ। নদীতীর থেকে কটেজে আসতে কাঠের করিডোর। নিচে থৈ থৈ করছে পানি, যেন ভরা বর্ষার বন্যায় উঁচু ঘরের নিচের দিকটা পানিতে তলিয়ে গেছে। কফির মগ হাতে কটেজের বারান্দায় বসে দেখা যাচ্ছে পদ্মার বুকে জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য। সন্ধ্যার লাল সূর্য পদ্মার পানিকেও রাঙিয়ে দিচ্ছে। এমন দৃশ্য সচরাচর আমরা শুধু কল্পনাতেই দেখি।
এই কল্পনা বাস্তবে রূপ দিয়েছে পদ্মা রিসোর্ট। মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং থানা কমপ্লেক্সের ঠিক উল্টো পাড়ে পদ্মা তীরে এর অবস্থান।
থানা কমপ্লেক্স ঘাট থেকে রিসোর্টের ট্রলারে করে নদী পার হয়ে পৌঁছানো যায় গন্তব্যে। কাঠের পাটাতন ফেলে নদীর ঘাট থেকে রিসোর্টের গেট পর্যন্ত অস্থায়ী পথ। সেখান থেকে কাঠের সাঁকো দিয়ে অফিস বা কেবিনগুলোতে যাওয়া যায়। সোজা গেলে অফিস কক্ষ। কেবিনটির নাম ‘বসন্ত’। এমন কেবিন আছে মোট ১৬টি। বাংলা ১২ মাস আর ষড়ঋতুর নামে কাঠের কটেজ। বৈশাখ থেকে চৈত্র পর্যন্ত ১২টি, বাকি ৪টির নাম হল গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরত্ ও বসন্ত। বাকি থাকল শীত! হুম। খাবারঘরটির নাম শীত!
প্রতিটি থাকার কেবিন দুই লেভেলের বা বলা ভালো তিন লেভেলের। দক্ষিণ দিকে মুখ করা। নিচতলায় আড্ডার জায়গায় আছে কয়েকটি সোফা ও একটি খাট। দোতলার দিকে আধাআধিতে রয়েছে খোলা ডেক। এটি নদীর দিকে। মানে এই ডেকে বসে খাওয়া যায় নদীর হাওয়া। গভীর রাতে জ্যোত্স্নার আঁকিবুঁকি দেখা যায় প্রমত্তা পদ্মার পানিতে।
বাকি অর্ধেক উঠলেই দোতলা থাকার ঘর। এ ঘরে দুটি খাট। ছনের আধুনিক ছাউনি ভেদ করে বৃষ্টির পানি নিচে আসতে পারে না বটে, কিন্তু দেখার চোখ থাকলে উপভোগ করা যায় ছাদে পানির চমত্কার সব নকশা।
বর্ষায় নদীর পানি কূল ছাপিয়ে ঢুকে পড়ে রিসোর্টে। পানি ঠেকানো হয় না, ফলে সেটি অবাধে ঢুকে পড়ে। কেবিনগুলোর নিচ দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে সবখানে। কয়েক ফুট গভীরতার পানি। ঝিরঝিরি বাতাস।
বিকেলে কিংবা সন্ধ্যার পর ট্রলারে ঘুরে আসা যায় নদীতে। ট্রলার বা নৌকা ঘণ্টা হিসাবে ভাড়া করা যায়। রিসোর্টের রয়েছে নিজস্ব দোতলা ট্রলার। বড় গ্রুপ হলে সেটি ভাড়া করা যায় ঘণ্টায় হাজার টাকা হিসাবে।
শীত নামের খাবারঘরে দুপুর, রাত আর সকালের খাবার। খোলা ডেকে বসেও খাওয়া সম্ভব। পদ্মার ইলিশ তো থাকবেই, সঙ্গে ভর্তা-ভাজি।
কীভাবে যাবেন : রাজধানী থেকে বুড়িগঙ্গা সেতু পার হয়ে সোজা মাওয়া চৌরাস্তার মোড়। তারপর বাঁয়ে লৌহজং। এই মোড় থেকে সাত কিলোমিটার দূরে লৌহজং থানা কমপ্লেক্স। সেখানেই নদীর ঘাট। গুলিস্তান থেকে ১০-১৫ মিনিট পরপর ছেড়ে যায় লৌহজংয়ের বাস। আবার দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াতকারী যে কোনো বাসে মাওয়া গিয়ে সেখান থেকে স্কুটারে করে চলে আসতে পারবেন রিসোর্টের ঘাটে। আগে থেকে বুকিং করা থাকলে রিসোর্টের লোক নদী পাড়ি দিতে সাহায্য করবে। বুকিং ছাড়া গেলে নদী পাড়ি দিতে খরচ হবে জনপ্রতি ৫০ টাকা।
ভাড়া : শুধু সারা দিন কিংবা দিন-রাত ২৪ ঘণ্টার জন্য পদ্মা রিসোর্টের কটেজ ভাড়া দেওয়া হয়। সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কটেজপ্রতি ভাড়া ২ হাজার টাকা। আর রাতযাপনসহ পরদিন সকাল ১০টা পর্যন্ত ৩ হাজার টাকা। দুপুর বা রাতের খাবার ৩০০ টাকা, আর সকালের নাশতা ১০০ টাকা। যে কোনো শুক্রবার সকালে চলে গিয়ে পরদিন সকালে ফিরে আসতে পারেন। আর পূর্ণিমা হিসাব করে গেলে সেটি হবে প্রমত্তা পদ্মায় বাড়তি পাওয়া। ঢাকা থেকেই সরাসরি পদ্মা রিসোর্টের কটেজ বুকিং করা যায়। যোগাযোগ : পদ্মা রিসোর্ট লিমিটেড, ফোন : ০১৭১৩০৩৩০৪৯, ০১৭১২১৭০৩৩০। ওয়েবসাইট : www.padmaresort.net

-- অর্ণব সান্যাল

দেখে আসুন মুন্সীগঞ্জের একটি প্রাচীন মসজিদ****************************************গোলাম আশরাফ খান উজ্জ্বলঢাকা থেকে ২৫ কিল...
11/09/2017

দেখে আসুন মুন্সীগঞ্জের একটি প্রাচীন মসজিদ
****************************************
গোলাম আশরাফ খান উজ্জ্বল
ঢাকা থেকে ২৫ কিলোমিটার দক্ষিণে মুন্সীগঞ্জ জেলা। বুড়িগঙ্গা ও ধলেশ্বরীর সঙ্গমস্থল এখানেই। মুন্সীগঞ্জ জেলা একসময় বিক্রমপুর নামে পরিচিত ছিল। সেখানে সেনবংশীয় রাজাদের বসবাস ছিল। সেন রাজবংশ, চন্দ্ররাজ বংশ ও বর্ম রাজবংশের রাজধানী। অর্থাৎ বঙ্গ-সমতটের রাজধানী শহর ছিল মুন্সীগঞ্জ। জেলা শহর মুন্সীগঞ্জ থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার পশ্চিমে দরগাহবাড়ি। এ দরগাহবাড়িতে রয়েছে সুলতানী শাসনামলের একটি মসজিদ। বিভিন্ন বই-পুস্তক ও প্রাচীন দলিল-দস্তাবেজে এটি ‘বাবা আদম শহীদ’ মসজিদ নামে পরিচিত। কিন্তু মসজিদের শিলালিপি অনুসারে এ মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা হলেন মহান মালিক কাফুরশাহ্।
রাজা বল্লালসেনের সময়কালে এক ধর্মপ্রচারক যার নাম ছিল বাবা আদম। যিনি বল্লালসেনের হাতেই নিহত হন।
ইউসুফ শাহের বিক্রমপুরের শাসক কাফুরশাহ্ ১৪৭৯ সালে একটি মসজিদ নির্মাণ শুরু করেন। যা বাবা আদম (রহ.) মসজিদ নামেই পরিচিতি লাভ করে। উত্তর-দক্ষিণে মসজিদের আয়তন ৪৩ ফুট। আর পূর্ব-পশ্চিমে ৩৬ ফুট। মসজিদের দেয়াল প্রায় সাড়ে ৩ ফুট চওড়া। মসজিদের পশ্চিম দেয়ালে ৩টি মেহেরাব রয়েছে। পূর্ব দেয়ালে মসজিদে প্রবেশের জন্য ৩টি দরজা রয়েছে। মেহেরাবগুলো অলংকৃত। মাঝখানেরটা অন্য দুটির চেয়ে প্রশস্ত। মসজিদটি নির্মাণের সময় ১০ ইঞ্চি, ৭ ইঞ্চি, ৬ ইঞ্চি ও ৫ ইঞ্চি মাপের লাল পোড়ামাটির ইট ব্যবহার করা হয়েছে। মসজিদের চারকোণে ৪টি টারেট রয়েছে। যা অষ্টাভুজাকৃতির। চমৎকার কারুকার্যখচিত এ মসজিদটির ছাদে ৬টি গম্বুজ রয়েছে। ছাদের ভর রাখার জন্য মসজিদের ভেতরে দুটি স্তম্ভ ব্যবহার করা হয়েছে। ছাদ বক্রাকার কার্নিশ। বাংলাদেশের আবহাওয়ার সঙ্গে মিল রেখে মসজিদটি নির্মিত। ছাদের পানি সরানোরও ব্যবস্থা চমৎকার। মসজিদের পূর্বপাশে পাকা উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ। মসজিদটি ১৯৪৮ সাল থেকে পুরাতত্ত্ব বিভাগের অন্তর্ভুক্ত। ১৯৯১-৯৬ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ বাবা আদম মসজিদের ছবি সংবলিত ডাকটিকিট প্রকাশ করে। কারুকার্যখচিত এ মসজিদটির নির্মাণে মালিক কাফুরশাহের সময় লেগেছিল ৪ বছর। অর্থাৎ বাবা আদম (রহ.) মসজিদের নির্মাণ কাজ শেষ হয় সুলতান ফতেশাহের সময় ১৪৮৩ সালে। মসজিদের পূর্ব দেয়ালে মাঝখানের দরজার ঠিক ওপরে একটি আরবি শিলালিপি প্রোথিত রয়েছে। শিলালিপির ইংরেজি অনুবাদ করেছিলেন ব্লকম্যান।
ঢাকা সদরঘাট থেকে লঞ্চে, গুলিস্তান থেকে বাসে সিপাহীপাড়ায় নামলে এ মসজিদে আসা যাবে। মসজিদটি শুধু মুন্সীগঞ্জেরই নয়, সমগ্র দেশেরই ইতিহাস ও ঐতিহ্য। সুলতানী আমলের ইতিহাস বহন করে চলছে মহাকালের দিকে।

- গোলাম আশরাফ খান উজ্জ্বল

Address

ট্যুরস্পট বিষয়ে প্রতিদিনের আপডেট পেতে পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Campus Tours posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category