100 Miles

100 Miles THE WORLD IS A BOOK, AND THOSE WHO DO NOT TRAVEL READ ONLY A PAGE

পায়ের তলে সরষে আর পাখীর মতো যে মানুষের মন সে উড়বে, সে ঘুরবে। কোথায় বাঁধা? কোন শিকড়ে? আমি নিজে ঘুরতে ভালোবাসি। ইচ্ছে করে হারিয়ে যাই কোন এক অচিনপুরে। এইসব ইচ্ছা, ঘোরাঘুরি, দেখাদেখির গল্পগুলো ইচ্ছে হলো কাওকে বলি, কারোটা শুনি। সে জন্যই এই হানড্রেড মাইলস। বেড়ানো, বেড়ানোর স্বপ্ন, ভালো লাগা, একটুর জন্য আরেকটু বেশি ভালো না লাগা সব কিছুই লেখা হবে এখানে। সঙ্গে যদি ছবি থাকে তো সোনায় সোহাগা।
যাদের ‘ইচ্ছে করে

সব ছেঁড়েছুঁড়ে চলে যায়/ বোতাম ছেঁড়া শার্ট শুধু গায়/ তিস্তা নদীর ধার ধরে সোজা হিমালয়’
তারাই গাইবে একসঙ্গে এখানে
Not a shirt on my back
Not a penny to my name
Lord I cant go back home
This away
Lord Im One
Lord Im two
Lord Im three
Lord Im four
Lord Im five
Hundred miles away from home
(Those, who can hear the whistle, blows from hundred miles, can dream of a tiny hut on the top of the mountain, and want to traverse hundred miles away from home, will get something more from this page to listen with whistle, to color their dream and walking across one two three four and five hundred miles…)

প্রায় বছর দশেক আগের এক সন্ধ্যায়, কোন পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই 100 Miles এর জন্ম। হঠাৎ হঠাৎ টুকটাক দুয়েকটা পোস্ট, ছবি এইসব ...
22/05/2024

প্রায় বছর দশেক আগের এক সন্ধ্যায়, কোন পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়াই 100 Miles এর জন্ম। হঠাৎ হঠাৎ টুকটাক দুয়েকটা পোস্ট, ছবি এইসব নিয়ে টিকে ছিল বছর দুয়েক। তারপর জীবনের ব্যস্ততায় কবে কখন যেন ভুলেও গেলাম পেজটার কথা।
এর মাঝে এক দুই তিন করে প্রায় দশ বছর! কোন এক নীরব ভর দুপুরে কোত্থেকে এক পুরানো কোকিল ফিরে এলো। গানের সুরে মনে করিয়ে দিল, হান্ড্রেড মাইলস।
তবে কেন নয়? ঠিক আছে। আবার তবে ফেরা যাক। সেই হঠাৎ হঠাৎ…

হয়তো কোনো একদিন...
08/10/2016

হয়তো কোনো একদিন...

হয়তো কোন একদিন আমরাও...

বিশ্ব পর্যটন দিবস ।

হয়তো কোন একদিন আমরাও...বিশ্ব পর্যটন দিবস ।
27/09/2016

হয়তো কোন একদিন আমরাও...

বিশ্ব পর্যটন দিবস ।

ছোট্ট বড় প্রায় সব শহরে গেলেই পাওয়া যায় চায়না টাউন। একখন্ড চীন দেশ যেন অন্য দেশে। রঙ্গীন, হৈ হুল্লোড় আর খানাপিনা, পুরা চা...
06/07/2016

ছোট্ট বড় প্রায় সব শহরে গেলেই পাওয়া যায় চায়না টাউন। একখন্ড চীন দেশ যেন অন্য দেশে। রঙ্গীন, হৈ হুল্লোড় আর খানাপিনা, পুরা চাইনিজ স্টাইল। লাল লাল ঝুলন্ত লনঠন অনেক দূর থেকে চিনিয়ে দেবে এ মিনি শহর। একবার ঢুকে গেলে নাকে এসে লাগবে নানা রকম বাহারী খাবারের ঘ্রান।
কুয়ালালামপুরের চায়না টাউনে পেলাম এই বিখ্যাত ক্লে পট চিকেন রাইস আর গ্রিল ফিস। স্বাদ? নাই বা বল্লাম, একেবারে জিভে জল আনা।

21/03/2016

We’re in the business of telling travel stories

07/03/2016

বেড়ানো বা ভ্রমন মানে কি শুধুই কোন বিশেষ দ্রষ্টব্য স্হানে যাওয়া? স্বনামে খ্যাত কিছু লোকেশনে পৌছান, ছবি তোলা, খাওয়া দাওয়া? হতে পারে। তবে আমার কাছে বেড়ানোর মানে ভিন্ন। বেড়ানো মানে যেখানেই যাই বহুল পরিচিত বা অপরিচিত, বা আমার বেড়ে ওঠার ছোট শহর কিংবা আপনজনেরা থাকে তেমন গ্রাম সেখানেই কিছু ভালো লাগা খুঁজে পাওয়া। হয়তো গত বর্ষায় যেখানে নদীটা ছিল কাছে এ ফাল্গুনে সেটা সরে গেছে বহুদূরে। মাঝের বিরান ভুমিতেই বিস্তীর্ণ ফসলের ক্ষেত। সেটা অনুভব করা। বেড়ানো মানে চেনা রাস্তার ভীষন চেনা রেইনট্রি গাছগুলোর বেড়ে ওঠাটা পরখ করে নেয়া। বেড়ানো মানে লক্ষ্য করা যে গত পাঁচ সাত বছরে বেড়ে গেছে ঘুঘু পাখীর সংখ্যা। হঠাৎ কমে গেছে কাঠবিড়ালী। পথের বাঁকের চেনা গাছটা হঠাৎ নাই হয়ে গেছে। বেড়ানো মানে হঠাৎ বাতাবিলেবুর ফুলের ঘ্রান টেনে নেয়া। বেড়ানো মানে টের পাওয়া যে, রাস্তায় শিমূল গাছ কমে গিয়েছে। নতুন পলাশ কোথাও লাগানো হয়নি আর, সজনে ডাটায় ভরে গেছে গাছগুলো। বেড়ানো মানে হঠাৎ একটা ফ্যাকাশে রক্তচোষা গিরগিটির বিভ্রান্ত দৃষ্টি নজরে পড়া।
এইসব ছোট ছোট সৌন্দর্য অবলোকনই আমার বেড়ানো। তাই গন্তব্য মূখ্য নয়, মূখ্য হলো প্রতিটি মূহুর্ত অনুভব করা, উপভোগ করা।

#হ্যাপিট্রাভেলিং

এটা একটা ভোরের গল্প, ঠিক ভোর নয়, আসলে সকাল। সুইজারল্যান্ডের বার্ন শহর। শহর বলতে আমরা যেমন বুঝি ঠাসা ঠাসি বাড়ি ঘর, গাড়ি, ...
18/01/2016

এটা একটা ভোরের গল্প, ঠিক ভোর নয়, আসলে সকাল। সুইজারল্যান্ডের বার্ন শহর। শহর বলতে আমরা যেমন বুঝি ঠাসা ঠাসি বাড়ি ঘর, গাড়ি, ঘোড়া, ভ্যাপু, ভ্যাপু। মোটেই সেরকম নয় বার্ন। শান্ত, নিরিবিলি, ছিমছাম এবং পরিপাটি। মনে হয় একটা বড় বাগানের মাঝে মধ্যে কেউ কিছু বাড়ি ঘর বানিয়েছে হিসেব করে। হাতে গোনা কয়েকটা মানুষ। অন্ততঃ আমাদের চোখে দেখতে গেলে হাতে গোনাই।
সেই শহরের এই রকম হাতে গোনা কয়জন মানুষের একজন আবার আমার বন্ধু এ্যান। এক সময়ের সহকর্মী। সুইজারল্যান্ড যাব, অথচ এ্যানের সংগে দেখা হবেনা! এযেন দুজনের জন্যই ভাবনার বাইরে। এ্যান ঢাকায় আসলে আমি নানা বাহানা দিতে পারি। যানজট, সন্ধ্যায় বের হওয়া যাবেনা, আজকে না কালকে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু আমি জুরিখ গেলে এ্যানের জন্য কোন বাহানা নেই। আমাকে আসতেই হবে। দরকারে ও জুরিখ এসে আমাকে নিয়ে যাবে। অতঃপর কাজ শেষে জুরিখ থেকে বার্ন না গিয়ে আর উপায় থাকেনা।
তো সেই ছিমছাম শহরের একটা পরিপাটি এপার্টমেন্টে মধ্যরাত পর্যন্ত রান্না, খাওয়া, গল্প, আড্ডায় কখন ঘুমিয়েছি, মনে পড়েনা। শুধু মনে পড়ে রাতে একবার বৃষ্টি পড়ার শব্দ পেয়েছি। এরপর একটানে সকাল আটটা। দুদ্দাড় উঠে সিদ্ধান্ত নয়টার ট্রেনে রওয়ানা দেব গ্রুয়েনের পথে। যেই ভাবা সেই কাজ।
সাড়ে আটটায় বের হয়ে দেখি, চনমনে দারুন এক সূর্যে উঠেছে আকাশে। সোনা রং রোদে মাখামাখি চারপাশ। রাতের বৃষ্টির দাগ রয়ে গেছে কোথাও কোথাও। বার্ন ইউনিভারসিটির ভেতর দিয়ে বা পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি, দুজন। রাস্তায় পড়ে অাছে ঝরে পড়া কাঠ বাদামের বীজ। হঠাৎ শুরু গীর্জার ঘন্টা। ঢং ঢং ঢং। লোক নাই জন নাই। প্রাচীন একটা গীর্জা। আকাশ মুখো তার চূড়া। কোথাও কোন জনমানব নাই। রাস্তায় আমরা দু’জন। আর দেখি গীর্জার চাতালে ধীরে ধীরে হেঁটে উঠছে দু’জন মানুষ। একজন নারী একজন পুরুষ। পরস্পরের হাত ধরে, ধীরে ধীরে, পরম আস্থায়, নির্ভরতায়। দু’জনেই প্রায় আশির কাছাকাছি!
আমি মুগ্ধ হয়ে দেখি। বৃষ্টি ভেজা, রোদ মাখা সেই ভীনদেশী ভোরে কেন যেন আচমকাই চোখে ঝাল ঝাল লাগে। হয়তো আরো ত্রিশ সেকেন্ড দাঁড়িয়ে থাকি। দেখি, আমার জীবনের একটা সেরা ভোর। গীর্জার ঢং ঢং ঘন্টা ততক্ষণ বেজেই যায়, বেজেই যায়...

কোন চাকচিক্য নেই, বাহুল্য নেই। সেই চারশো বছর আগের স্মৃতি বয়ে বেড়ানোর ছাপ সর্বত্র। নিত্য নতুন সস্তা মেকাপে  বনেদীআনা ঢেকে...
20/12/2015

কোন চাকচিক্য নেই, বাহুল্য নেই। সেই চারশো বছর আগের স্মৃতি বয়ে বেড়ানোর ছাপ সর্বত্র। নিত্য নতুন সস্তা মেকাপে বনেদীআনা ঢেকে ফেলার হীন প্রচেষ্টা নেই। মানুষের জীবন চলে ঢিমে তালে। মধ্যবিত্ত সরল জীবন। অযথা প্রতিযোগীতা নেই বলে সবটাতেই যেন ছোট ছোট আনন্দের উপকরন। বেঁচে থাকা মানেই উৎসব। সেই প্রাণের শহর, প্রাণ প্রাচুর্যময় শহর, উৎসবের শহর কোলকাতা। যেখানে আমার কোথাও কেউ নেই। তবু শহরটা আমায় টান মারে, জাদু করে রাখে বছরের পর বছর, কারণে অকারণে।

সুইজারল্যান্ডের বার্ন শহর থেকে একটু দূরে গেলেই, থুন। যেখান থেকে একসাথে দেখা যায় আল্পসের বেশ কয়েকটা ফোর থাউজেন্ডার্স মানে...
10/10/2015

সুইজারল্যান্ডের বার্ন শহর থেকে একটু দূরে গেলেই, থুন। যেখান থেকে একসাথে দেখা যায় আল্পসের বেশ কয়েকটা ফোর থাউজেন্ডার্স মানে চার হাজার মিটার উচ্চতার শৃঙ্গ ।

09/10/2015

প্রায় হাজার বছরের পুরোনো দূর্গের উঠোনে দাঁড়িয়ে দেখা নিচের জনজীবন...

In what distant deeps or skies. Burnt the fire of thine eyes?On what wings dare he aspire?What the hand, dare seize the ...
18/09/2015

In what distant deeps or skies.
Burnt the fire of thine eyes?
On what wings dare he aspire?
What the hand, dare seize the fire?

Address

Dhaka
1217

Telephone

+8801678709270

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when 100 Miles posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category