Traveler's Of Bangladesh

Traveler's Of Bangladesh এটি একটি ভ্রমণ সংস্থা।খুব শীঘ্রই কার?

পৃথিবীকে আপনার দেয়া একটা মূল্যবান উপহার। 🌍এখন আম, লিচু, কাঁঠাল, জাম খাবার মৌসুম আসছে । তাই অনুরোধ আম, লিচু, কাঁঠাল, জাম ...
14/05/2023

পৃথিবীকে আপনার দেয়া একটা মূল্যবান উপহার। 🌍

এখন আম, লিচু, কাঁঠাল, জাম খাবার মৌসুম আসছে ।

তাই অনুরোধ আম, লিচু, কাঁঠাল, জাম খাবার পর তার বীজ / আঠি / বিচি / দানা / seeds গুলোকে ফেলে দেবেন না । সেগুলো ভালো করে জলে ধুয়ে, শুকিয়ে একটা কাগজে মুড়ে রেখে দিন । পাহাড়, ঝর্না, নদী, হাওর কতো জায়গায় না আমাদের বিচরণ। ঘুরতে যাওয়ার সময় সেই বীজগুলো একটু সচেতনতার সাথে ঐসব রাস্তা ও পথের ধারের অনুর্বর ফাঁকা জমিতে একে একে ছড়িয়ে দিন । বর্ষার মৌসুমে সেই বীজ থেকে নতুন চারাগাছ জন্ম নেবে । যদি এদের মধ্যে একটা গাছ ও বেঁচে থাকে তবে সেটাই হবে এই পৃথিবীকে আপনার দেওয়া সবথেকে বড় উপহার । ফলের গাছ শুধু পরিবেশকে অক্সিজেন দিয়ে সতেজই রাখে না, ফল খাবার লোভে অনেক পাখি আসে গাছে গাছে ।

তাই আসুন আমরাও সাধ্য মত চেষ্টা করি এই প্রকৃতিকে ভালো রাখার।🌴
#সংগৃহীত

Amzing View.                                                  Las Yungas,Bolivia
01/10/2016

Amzing View. Las Yungas,Bolivia

02/09/2016

কক্সবাজারে থাকার জন্য উল্লেখযোগ্য হোটেলগুলো হচ্ছে - সায়মন বিচ রিসোর্ট (০৯৬১০৭৭৭৮৮৮, ০৩৪১-৫১৩৫০, ০১৭৫৫৬৯১৯১৭), ওশান প্যারাডাইস হোটেল এন্ড রিসোর্ট (০১৯৩৮৮৪৬৭৬৩-৭, ০৩৪১-৫২৩৭০-৯), লং বিচ হোটেল (০১৭৫৫৬৬০০৫১, ০৩৪১-৫১৮৪৩-৬)সীগাল হোটেল লিমিটেড (০১৭৬৬৬৬৬৫৩০, ০৩৪১-৬২৪৮০-৯০) হোটেল দ্য কক্স টুডে (০১৭৫৫৫৯৮৪৪৯, ০১৭৫৫৫৯৮৪৫০, ০৩৪১-৫২৪১০-২২)হোয়াইট অর্কিড (০১৮২৫৯২৩৯৮৯)হোটেল সী ওয়ার্ল্ড (০১৯৩৮৮১৭৫০১-১২, ০৩৪১-৫২২২৬, ০৩৪১-৫১৬২৫)হোটেল সী ক্রাউন (০১৮১৭০৮৯৪২০,০৩৪১-৬৪৭৯৫, ০৩৪১-৬৪৪৭৪)এ্যালবাট্রস রিসোর্ট (০১৮১৮৫৪০১৭৭, ০১৮১৬০৩৩৪৪৫, ০১৮১৮৫৯৬১৭৩, ০৩৪১-৬৪৬৮৪)হোটেল রয়াল রিগ্যাল পেলেস (০১৯৭৭৯৩৬৬২৩)হোটেল প্রাইম পার্ক (০১৭৭৫৬০৯৯১৫, ০১৮৪২৬০৯৯১৫, ০৩৪১-৬২৩১১)হোটেল ইউনি রিসোর্ট (০১৭১৩১৬০১৬৭)হোটেল মিডিয়া ইন্টারন্যাশনাল (০১৭১১৩৪১১৬৪)পর্যটন হোটেল শৈবাল (০৩৪১-৬৩২৭৪)পর্যটন মোটেল প্রবাল (০৩৪১-৬৩২১১), পর্যটন হোটেল লাবনী (০১৯১৩৯৩২০৮২), হোটেল সায়মন (০৩৪১-৬৩২৩৫, ০৩৪১-৬৩২৩১) ইত্যাদি।এছাড়া ইনানি বিচের আশেপাশের উল্লেখযোগ্য হোটেল হচ্ছে - রয়াল টিউলিপ সী পার্ল বিচ রিসোর্ট (৮০০৩৫৮০৮৪৬, ০৩৪১-৫২৬৬৬-৮০)ইনানি রয়াল রিসোর্ট (০১৭৭৭৭৯০১৭০), লা বেল্লা রিসোর্ট (০১৮২৫৯২৩৯৮৯)ইত্যাদি।ইকো রিসোর্ট – মারমেইড ইকো রিসোর্ট (প্যাচার দ্বীপ, ০১৮৪১৪৬৪৬৪-৯সাম্পান ইকো রিসোর্ট (০১৯৭৪৭২৬৭২৬)

শুভলং ঝর্না
14/07/2016

শুভলং ঝর্না

এটা কোথায় জানানেই ভাল লাগল তাই পোস্ট করা।
18/06/2016

এটা কোথায় জানানেই ভাল লাগল তাই পোস্ট করা।

11/06/2016
হিমালয় থেকে আমাদের সোনার বাংলার বিছনাকান্দি।
28/05/2016

হিমালয় থেকে আমাদের সোনার বাংলার বিছনাকান্দি।

চা বাগান
28/05/2016

চা বাগান

17/05/2016

প্রথমবারের মত ভ্রমন কাহিনী লিখছি সুতরাং কোন ভুল হলে অবশ্যই ক্ষমা করবেন। আমি গত ২৬ এপ্রিল রাতে শ্যামলী এস.আর বাসে করে ভূটান ঘুরে আসলাম। যাওয়ার আগে শুনতাম ছবির মতো সুন্দর একটা দেশ কিন্তু যাওয়ার পর বুজলাম তার থেকেও সুন্দর গোছানো একটা দেশ ভূটান। এবার আসি বিস্তারিত বর্ণনায়, কিভাবে যাবেন, কই থাকবেন, কি করবেন?প্রথমেই ভারতীয় ট্রানজিট ভিসার প্রয়োজন হবে যা ঢাকার গুলশান শাখা থেকে করিয়ে নিতে পারবেন। বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন প্রথম দিনঃ তারপর আগে থেকে টিকিট করে রাখা শ্যামলী বাসে উঠে পরুন। আরামবাগ থেকে রাত ৮টায় এবং কল্যাণপুর থেকে ৯টায় ছাড়ে। সময় লাগে ১০ থেকে ১১ ঘণ্টা তারমানে পরদিন সকাল ৮টার মধ্যে আপনি বুড়িমারি সীমান্তে। ৯টায় ইমিগ্রেশন অফিস খুললে প্রয়োজনীয় কাজ শেষ করে ঢুকে পরুন ইন্ডিয়াতে। দুই সীমান্তের বর্ডারের কাজ শেষ করে আপনার জন্য অপেক্ষারত বাসটিতে উঠে পরুন।ভুটানের যাবার জন্য শ্যামলীর বাসটি থেকে ময়নাগুরি নামক জায়গায় নেমে ১টা লোকাল বাসে উঠে পরুন ভাড়া নিবে ৩০টাকা জনপ্রতি। গন্তব্য ফালাকাটা। ঐখান থেকে নেমে সাফারি নামের গাড়িতে উঠুন ভাড়া পড়বে ৩০/৩৫ টাকা যা আপনাকে জয়গাও ভূটান-ইন্ডিয়া বর্ডারের কাছাকাছি নিয়া যাবে। এরপর ৭টাকা ভাড়া দিয়ে অটোতে (আমাদের দেশে সিনজি) উঠে চলে যাবেন জয়গাও ইন্ডিয়ান ইমিগ্রেশন অফিসে এবং এক্সজিট সিল লাগিয়ে সোজা চলে যান ভূটান।Figure: জয়গাও ইন্ডিয়ান ইমিগ্রেশন অফিসমনে রাখবেন ভূটান-ইন্ডিয়া ওপেন বর্ডার, যখন খুশি যাওয়া ও বের হওয়া যায়। কোন সমস্যা নেই। আমার মতে খাওয়া দাওার কাজটা জয়গাও তে সেরে নেয়াই উত্তম হবে।Figure: Phuntsholing এ অবস্থিত ভূটান ইমিগ্রেশন অফিস, এখান থেকে on-arrival ভিসা নিন এবং শুরু করুন ১টি স্বপ্নের ভ্রমন।আমরা Phuntsholing থেকে ১টা ৮ সিটের গাড়ি ভাড়া করি এবং সোজা চলে যাই ওদের রাজধানী থিম্পুতে। যেতে যেতে প্রায় রাত ১১:৩০। ও ভালোকথা, বাংলাদেশ এবং ভুটানের সময় একদম এক (GMT+6 ) । আমরা থিম্পুতে Yoesel Hotel 2 তে ছিলাম যার double Bed রুমের ভাড়া ছিল 700 rupee এবং triple Bed রুমের ভাড়া ছিল 9০০ rupee. গোছানো, ছিমছাম হোটেল। দ্বিতীয় দিন: সকালে ঘুম থেকে উঠে পাশের হোটেলের রেস্টুরেন্ট Hotel Choephal Norkye থেকে নাস্তা করে নেই। এখানের খাওয়া মজার। আমাদের প্রথম দিনের নাস্তার আইটেম ছিল Cheese Egg, Parata, Dal Fry & Coffee. আমরা প্রথই দিনই থিম্পু থেকে Punakha নামক শহরে যাওয়ার permit করায় নিয়েছিলাম যেন পরবর্তীতে কোন সময় নষ্ট না হয়।Figure: Punakha নামক শহরে যাওয়ার permit এখান থেকেই নিতে হয়. Immigration Service Counter নামে পরিচিত. এটা রাজধানী থিম্পুতে অবস্থিত এবং হোটেল এরিয়া থেকে খুব কাছে।অফিসিয়াল কাজ শেষে আমরা থিম্পুতে সিটি ট্রিপ দিলাম এর মধ্যে zoo, Dzhong, Monestry ছিল কিন্তু বুদ্ধা পয়েন্ট ছিল মনে রাখার মতন ১টা জায়গা। এককথায় চমৎকার। অসম্ভব সুন্দর ১টা শহর। দেখলেই মন ভরে যায়। Figure: Buddha point, Thimphuতৃতীয় দিন: যাত্রা এবার পুনাখা। সকাল ১০টায় রওনা দিলাম, ২/২:৩০ ঘণ্টার মতন সময় লাগে পৌছাতে। যাওয়ার পথে Dochu La Pass, Punakha Dzhong, এবং Suspension Bridge তো মাথা নষ্ট করে দেয়।Figure: Dochu La Pass. অসম্ভব সুন্দর একটা জায়গা। শীতকালে এখানে বরফও পরে।Figure: Punakha Dzhong.Figure: Punakha Dzhong.Figure: Suspension Bridge, Punakhaআবহাওয়া অন্য শহর থেকে একটু ভিন্ন কিন্তু খুবই উপভোগ্য। কেউ ভূটান গেল, কিন্তু পুনাখা গেল না, তাহলে তার ভূটান যাত্রাই অপূর্ণ। সারাদিন ঘুরে রাতে আবার থিম্পুতে ফিরে গেলাম কারন পুনাখাতে থাকার মতন ভাল হোটেল নেই। আর থিম্পু হয়ে যেহুতু পারো যাওয়া লাগে তাই থিম্পুতে চলে যাওয়াটাই ভাল সিদ্ধান্ত।চতুর্থ দিনঃ থিম্পু এবং পুনাখা দেখা শেষে এবার আমাদের যাত্রা স্বপ্নের শহর Paro এর উদ্দেশে। এখানে আমরা ছিলাম Hotel Dragon এ, এটা ইন্ডিয়ান হোটেল খুব সম্ভবত এর মালিক কলকাতার লোক। তাই এখানে সর্ব ধরনের বাঙালি খাবার পাওয়া যায়। যেমন; সাদা ভাত, আলু ভর্তা, আলু ভাজি, শুকনা মরিচ দিয়া আলু ভর্তা, খাসির তরকারি, মুরগির তরকারি, সবজি এক কথায় পুরা ১৬ আনা বাঙালি খাওয়া তবে দাম একটু বেশি। তবে কয়েক দিন টানা ফ্রাইড রাইস আর চাওমিন খেতে খেতে আমরা অস্থির হয়ে গিয়েছিলাম। তাই বাঙালি খাবার পেয়ে এই সুযোগ কেউ হাত ছাড়া করি নাই।Figure: Hotel Dragonএখন আসি আসল কথায়, পারো হচ্ছে ওদের সবথেকে সুন্দর শহর, এই শহরেই ওদের একমাত্র আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্ট আছে। থিম্পু থেকে আসার পথে অনেক সুন্দর সুন্দর যায়গা আছে যা না দেখলেই নয়। এদের মধ্যে অন্যতম হল case bridge. এটা যেমন মজার তেমনই ভয়ঙ্কর।পঞ্চম দিনঃ এবার পারোর সব থেকে বড় আকর্ষণ Tiger Nest/ Paro Taktsang. যেটা ওদের ধর্মীয় এবং পর্যটনের দিক থেকে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ দিক। তিন হাজার ফুট হেটে উঠতে হবে আবার নেমে আসতে হবে। পায়ে হাটার বিকল্প কোন ব্যবস্থা নাই। আমাদের উঠতে সময় লেগেছিল প্রায় ৩:৩০ ঘণ্টার মতন আবার নামতে সময় লেগেছে ১ ঘণ্টার বেশি। দিন শেষে এটাই ছিল সব থেকে মজার এবং সারা জীবন মনে রাখার মতন একটা ঘটনা।Figure: Tiger Nest/ Paro Taktsang জয়ের পথে আমিষষ্ঠ দিনঃ ভুটানের সব সুন্দর সৃতি সাথে নিয়ে এবার আমাদের গন্তব্য আরেক সৌন্দর্যের রানি দার্জিলিং। চা বাগানে ঘেরা অপুরুপ সুন্দর দার্জিলিং শুধু টিভিতেই দেখেছি কিন্তু এবার সুযোগ এসেছে সামনে থেকে দেখার। এবার রওনা হলাম পারো থেকে দার্জিলিং এর উদ্দেশ্যে। সকাল ১১টা। আমাদের যাত্রা শুরু। ৪:৩০/৫ ঘণ্টা সময় লাগে ফুএেন্টসলিং পৌছাতে। পথে যাত্রা বিরতি বেশি নিলে সময়তো একটু বেশি লাগবেই। অবশেষে ভূটান বর্ডার গেটে পৌছালাম স্থানীয় সময় ৫টায়। এক্সিট সিল নিয়ে হেঁটে চলে গেলাম ইন্ডিয়ার ভিতর সোজা ওদের ইমিগ্রেশন অফিসে আর লাগিয়ে নিলাম এন্ট্রি সিল। যেহুতু দারজেলিং যাব তাই রাতটা শিলিগুড়ি থাকতে হবে। ৩,৫০০ টাকায় একটা গাড়ি ভাড়া করে রওনা দিলাম এবং রাত ১০:৩০ নাগাদ শিলিগুড়ি পৌঁছে গেলাম। বলে রাখা ভাল যে ইন্ডিয়া ঢুকেই ইন্ডিয়ার ১টা মোবাইল সিম কিনি ইন্টারনেট প্যাকেজ সহ। তাই অনলাইনেই ১টা হোটেল বুক দিয়া সরাসরি উঠে পরি হোটেলে। ২ রুম, ২ রাত সর্বমোট ৩,০০০ রুপি। রাতে আরেকটা গাড়ি ঠিক করে রেখেছিলাম পরের দিন সারা দিন যেন ভালভাবে ঘুরতে পারি কোন ঝক্কি ছাড়া। সপ্তম দিনঃ ভোর ৪:৩০ টায় ঘুম থেকে উঠে আগের দিন ঠিক করে রাখা গাড়ি করে পুরো দার্জিলিং শহরটা ঘুরে দেখলাম। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো Zoo, Rock Garden, Bazar, Tiger Hill. বলে রাখা ভালো যে দার্জিলিং শহরে ঢাকার মতন ট্রাফিক জ্যাম হয়। সারাদিন ঘুরাফিরা শেষে এবার হোটেলে ফিরার পালা। বাস শিলিগুড়ি থেকে ছাড়ে বলে শিলিগুড়িতেই আবার ফিরে গেলাম। অষ্টম দিনঃ গত কয়েক দিনের ক্লান্তি পুষিয়ে নেবার জন্য এবার একটা সেই ঘুম দেয়ার পালা কারন বাসতো সেই ১:৩০ টায়। যে কথা, সেই কাজ। ১০ টা পর্যন্ত ঘুমিয়ে নিলাম এবং সকালে নাস্তা করলাম স্ট্রিট ফুড দিয়ে। ২০ রুপিতে ৩ টে পরটা এবং refillable ডাল। চমৎকার স্বাদ, পেটেও তৃপ্তি, জিহ্বাতেও তৃপ্তি। হাল্কা ঘুরে, বিধান মার্কেটে শপিং করে বাসে উঠে গেলাম। গন্তব্য এবার বাংলাদেশ।কিছু করনীয়ঃ১. ডলার চেংরাবান্দাতেই ভাংগাবেন কারণ পুরো ভুটানে আমার চোখে কোন মানি এক্সচেঞ্জার পরে নাই। ভুটানে কোন সমস্যা ছাড়াই ইন্ডিয়ান রুপি চলে, সুতরাং ইন্ডিয়ান ৫০০ আর ১০০ করে টাকা নিয়া যান। ২. দার্জিলিং যদি যাওয়ার ইচ্ছা থাকে তাহলেও ডলার চেংরাবান্দাতেই ভাংগাবেন কারণ দার্জিলিং শহরে রেট অনেক কম দেয়। 3. অবশ্যই ১০০ ডলারের নোট নিয়ে যাবেন কারণ ৫০ বা খুচরা নোটে কম রেট দেয়। আর সর্বদাই চেষ্টা করবেন নতুন ১০০ ডলারের নোটটা নিতে। (আমি চেংরাবান্দাতে ৬৬ রুপি করে পেয়েছিলাম) । ৪. ভূটান ও দার্জিলিং এ হোটেলে অবশ্যই দামাদামি করে উঠবেন এতে ২০০/৩০০ টাকা প্রতিদিন শুধু হোটেলেই সেভ হবে।**Mobile Sim:Figure: Tashicell sim এর Data packB-Mobile & Tashicell নামের দুটো কম্পানি আছে, Tashicell বেস্ট। কারণ এটাতে 3G ইন্টারনেট আছে কিন্তু B-Mobile এর টুরিস্ট সিমের জন্য কোন ইন্টারনেট অফার নেই। কিছু প্রয়োজনীয় কনটাক নাম্বার ও ঠিকানা (যদি কারো প্রয়োজন পরে)Hotel Choephal Norkye (Thimphu)Tel: +975 17628400এদের ডাবল বেড ১২০০ এবং ত্রিপল বেড ১৫০০ করে। খুবই স্ট্যান্ডার্ড।Yoesel Hotel 2 (Thimphu)Tel: +975 77399406+975 17852311+975 17606447এদের ডাবল বেড 700 এবং ত্রিপল বেড 900 করে। moderate service।Hotel Dragon (Paro)Tel: +975 8272174+975 17762628+975 17320473এদের ডাবল বেড 1000 এবং ত্রিপল বেড 1300 করে। (This is the best, Bengali foods are available too)Driver:Name: Tobgay (Bhutan)Tel: +975 17608230(হিন্দিতে কথা বলতে পারদর্শী এই ড্রাইভার, আগে থেকে বলে রাখলে সে আপনাদেরকে ফুএন্টশলিং থেকে রিসিভ করবে)Name: Kumar (Darjeeling)Tel: +91 8436-352214(হিন্দিতে কথা বলতে পারদর্শী এই ড্রাইভার, আগে থেকে বলে রাখলে সে আপনাদেরকে চ্যাংড়াবান্দা থেকে রিসিভ করবে)

21/04/2016

তিন ঋতুরই দেখা পাবেন যেখানে২০ এপ্রিল ২০১৬, ১৬:২৮ | আপডেট: ২০ এপ্রিল ২০১৬, ১৭:১০মাসুক উর রহমানসুনসান নীরবতা, নিস্তব্ধতা আপনাকে আপন করতে চায়, কিন্তু আপনারই ফুসরত মিলছে না। হঠাৎ করে একদিন মনে হলো, আর পেরে উঠছি না! এবার একটু কোথাও ঘুরে আসা যাক। হাতে যে তালিকাটা আছে, তার প্রায় সবটুকুই দেখা শেষ। এখন নতুন কোনো জায়গার খোঁজে? পাহাড়ের কোলজুড়ে সবুজ গাছপালার ঘন রঙে আচ্ছাদিত হয়ে আছে সাজেক। এর সৌন্দর্য যে কাউকে মুগ্ধ করবে। চারদিকে সবুজের সমারোহ আর প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্যে পাহাড়ের মনোরম দৃশ্য, আকাশ-পাহাড়ের মিতালি ও শুভ্র মেঘের খেলা দেখে বিস্ময়ে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পড়বেন আপনি। পাহাড়, উপত্যকা, মেঘ আর বাতাসের রাজ্য এই চারের মিশেলে খুব সহজেই চলে আসে সাজেক পর্যটন কেন্দ্রের নাম। এখানে পাহাড় সারির দুই পাশের গভীর উপত্যকার ওপর মেঘ ঝুলে থাকে সারাবছর, পাহাড়ের দুরন্ত বাতাস এক পাশ থেকে আরেক পাশে লুকোচুরি খেলতে যায় বলে সাজেকে হাওয়া খেলে সারাবছর, আর এই হাওয়ার গাড়িতে চেপে মেঘের আনাগোনাও আপনাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে মেঘের ভেলায়। সাজেক আরেকটা কারণে অনন্য এজন্যে যে এখানে এক স্থান থেকেই সূর্যোদয় ও সুর্যাস্ত দেখা যায় দূরের পাহাড়সারিতে। সাজেক এমন একটি স্থান, যেখানে আপনি এক দিনেই ৩ ঋতুর স্বাদ পেতে পারেন, রাতে হাড় কাঁপানো ঠান্ডা, কখনো ঝুম বৃষ্টি, কখনোবা উষ্ণতা, তবে সাজেক সারা বছর সব আবহাওয়ায় যাওয়ার মতো স্থান।"" style="border: 0px; vertical-align: bottom; ">উচ্চতার বিচারে সাজেক সমতল থেকে মাত্র এক হাজার ৭০০ ফুট উঁচু হলেও প্রায় দুই হাজার ৮০০ ফুট উচ্চতায় বান্দরবানের জনপ্রিয় হিলস্টেশন নীলগিরি থেকেও অনেকেই একে পছন্দের বিচারে এগিয়ে রাখেন কাসালং রেঞ্জের দুই পাশের দুটি উপত্যকা একই স্থান থেকে দেখা যায় বলে, বাংলাদেশে এ রকম স্থান পার্বত্য অঞ্চলে বিরল। কাসালং পাহাড় সারি দুই পাশেই গভীর উপত্যকা থাকায় ও উচ্চতা কম হওয়ায় প্রতিদিন ভোরে সাজেক ডুবে থাকে মেঘের রাজ্যে যেটি বান্দরবানের উঁচু পাহাড়ের ক্ষেত্রে মেঘের সারি থাকে পাহাড় চূড়া থেকেও অনেক নিচে।সাজেক পর্যটন কেন্দ্রসাজেক একটি ইউনিয়ন। এর অবস্থান রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায়। তবে রাঙামাটি জেলা সদরের সাথে সাজেকের সাথে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ নেই, যেতে হয়ে খাগড়াছড়ি জেলা হয়ে, তাই অনেকেই একে খাগড়াছড়ি জেলার অন্তর্গত বলে ভুল করে ভেবে থাকেন।খাগড়াছড়ি থেকে সাজেকের দূরত্ব ৬৭ কিলোমিটার, এরপুরোটাই সড়ক যোগাযোগ রয়েছে। রাঙামাটি থেকেও সাজেক আসা যায়, তবে এ ক্ষেত্রে কাপ্তাই লেক পাড়ি দিতে হয় লঞ্চ বা নৌকায়, এরপর লংদু হয়ে মারিশ্যা হয়ে চান্দের গাড়িতে পৌঁছানো যায় সাজেকে। সাজেক ইউনিয়ন বাংলাদেশের বৃহত্তম ইউনিয়ন, এর আয়তন বাংলাদেশের অনেক উপজেলা হতেও বড়। সাজেক পর্যটন কেন্দ্রটি মূলত সাজেক ইউনিয়নের রুইলুইপাড়াকে ঘিরে (সমতলে যা গ্রাম, পাহাড়ে তা পাড়া নামে পরিচিত)।খাগড়াছড়ি সদর থেকে দীঘিনালা হয়ে সাজেক অবধি বাংলাদেশের অন্যতম সুন্দর সড়কটির শেষ বিন্দু এই রুইলুই পাড়া। রুইলুই পাড়াটি পাহাড় সারির চূড়ায় এর দুই পাশে গভীর দুই উপত্যকা। রুইলুই এর উচ্চতা প্রায় এক হাজার ৭০০ ফুট সমতল থেকে, মেঘের সারির সাধারণ উচ্চতা এই উচ্চতায় হয় বলে সাজেক মেঘের রাজ্য হিসেবেই পরিচিত। খুব ভোরে ঘুম ভাঙলে দেখতে পাবেন আপনি ডুবে আছেন মেঘের সমুদ্রের মাঝে। সাজেক থেকে ভারতের মিজোরাম অঙ্গরাজ্যের উঁচু পাহাড় সারি দেখতে পাবেন খুব কাছ থেকে। এ ছাড়া সাজেক বিখ্যাত কমলালেবু চাষের জন্য। সাজেক আসলে কমলা বাগান আর বাগানের টাটকা কমলা লেবুর স্বাদ নিতে ভুলবেন না। সাজেকের ইতিহাসসাজেক পর্যটন কেন্দ্রটি রুইলুই পাড়াকে কেন্দ্র করে, যত দূর জানা যায় ১৮৮৫ সালের দিকে ভারতের মিজোরাম অঙ্গরাজ্য থেকে লুসাই জাতির কিছু মানুষ এখানে একটি পাড়ার গোড়াপত্তন করে, এরপর পাংখোয়া ও ত্রিপুরা জাতিগোষ্ঠীর অধিবাসীরাও এখানে বসবাস শুরু করে। তবে সাজেকে খাবার, পানি, চিকিৎসা সুবিধার অপ্রতুলতার কারণে অনেকেই আবার ছেড়েও চলে যায়। এখন অবশ্য এখানে ত্রিপুরা পরিবারের সংখ্যাই বেশি, বর্তমানে পরিবারের সংখ্যা ৯৫টি। সাজেক অতীতে বাংলাদেশের দুর্গমতম স্থান হলেও পার্বত্য শান্তি চুক্তির পর থেকেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে যাতায়াত ব্যবস্থার অভাবনীয় পরিবর্তন এসেছে, সাজেক এখন আর কোনো দুর্গম পার্বত্য অঞ্চল নয়।কীভাবে যাবেনসাজেক যেতে প্রথমেই আসতে হবে খাগড়াছড়ি জেলা সদরে কিংবা দীঘিনালায়। ঢাকা থেকে সরাসরি বাস সার্ভিস রয়েছে খাগড়াছড়ি এবং দীঘিনালা অবধি। ভাড়া ৫২০ টাকা (নন এসি) থেকে ৭০০ টাকা (এসি)। বাস ছেড়ে যায় সায়েদাবাদ ও কল্যাণপুর থেকে। সৌদিয়া, শ্যামলী, ইকোনো, এস আলম, শান্তি পরিবহনের বাস এই রুটে চলাচল করে। শুধু শান্তি পরিবহন দীঘিনালা পর্যন্ত যায়। চট্টগ্রাম কিংবা ফেনী পর্যন্ত ট্রেনে এসেও বাকিটা বাসে যেতে পারেন খাগড়াছড়িতে। এবার খাগড়াছড়ি থেকে রিজার্ভ জিপ/চান্দের গাড়ি নিতে হবে সাজেক পর্যন্ত। একদিন নিয়ে যাবে, রাতে থাকবে পরের দিন সেই গাড়ি আপনাদের নিয়ে খাগড়াছড়ি ফিরবে এমন চুক্তিতে ভাড়া নিবে সাত থেকে সাড়ে সাত হাজার টাকা পর্যন্ত। বাসস্ট্যান্ডেই সাজেক যাওয়ার চান্দের গাড়ি পেয়ে যাবেন। এ ছাড়া লোকাল চান্দের গাড়ির সার্ভিসে যাওয়া যায় কিন্তু সরাসরি যাওয়া যায় না, আপনাকে যেতে হবে শুরুতে দীঘিনালা, সেখান থেকে গাড়ি পাল্টে মাসালং, মাসালং থেকে আরেক গাড়িতে সাজেক, ভাড়া এ ক্ষেত্রে কম পড়লেও গ্রুপ করে গেলে গাড়ি রিজার্ভ করেই যাওয়া ভালো। সাজেকের আকর্ষণগুলোসাজেক মূল পর্যটনকেন্দ্রে একেবারে খাদের কিনারায় বেশ দারুণ একটি পার্ক রয়েছে, বাচ্চাদেরসহ বড়দের বিনোদনের জন্য কিছু খেলাধুলা ও একান্তে বসে পাহাড় দেখার জন্যে ছোট ছোট খোলা ছাউনির মতো করা আছে, পুরো পর্যটনকেন্দ্রেই প্রিয়জনের সাথে বসে কিছু মুহূর্ত কাটানোর জন্য প্রচুর বসার ব্যবস্থা রয়েছে।সাজেক পর্যটন কেন্দ্রটি পাহাড়ের একেবারে চূড়ায় বলে আর গাড়ি ততটুক যায় পাহাড়ে ট্রেকিংয়ের স্বাদ সাজেক ভ্রমণে পাবেন না। তবে সাজেক পর্যটনকেন্দ্র রুইলুই পাড়া থেকে দুই কিলোমিটার দূরে কংলাক পাড়া অবস্থিত। এইটুকু ট্রেকিং করার স্বাদ পেতেই পারেন আপনি। কংলাক পাড়াটি সিপ্পু পাহাড়ের চূড়ায়, এটিই সাজেকের সর্বোচ্চ বিন্দু, এখানে পাহাড়িদের জীবনধারা দেখার খুব ভালো সুযোগ পাবেন, সাথে সিপ্পুর চূড়া থেকে ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে ঘুরে কালাসং রেঞ্জের পুরোটা দেখতে পাবার মজা রয়েছে। সাজেকে এই একটি মাত্র জায়গা যেখান থেকে সাজেকের দুই পাশের ভ্যালি এক জায়গায় দাঁড়িয়ে দেখতে পাবেন। কংলাক পাড়ায় কিছু বাড়িতে কফি চাষ হয়, চাইলে ঘরে রোস্ট করা কফির স্বাদ পেতে পারেন এই পাড়াতে বসেই। সাজেকে দুটি হ্যালিপ্যাড রয়েছে সেনাবাহিনীর। এর একটায় বসে সকালে সূর্যোদয় দেখতে পাবেন আর আরেক পাশের হ্যালিপ্যাডে বসে দেখতে পাবেন সূর্যাস্ত। সাজেকে একটি ঝরনা রয়েছে স্থানীয় ভাবে কমলক ঝরনা নামে পরিচিত, তবে এটি দেখতে শারীরিক সক্ষমতা আর মানসিক শক্তি প্রয়োজন কারণ ঝরনাটি রুইলুইপাড়া পাহাড়ের নিচের দিকে নেমে যেতে হয়, ৪৫ মিনিট মতো পাহাড়ি পথে নেমে যাওয়ার পর আরো মিনিট দশেক ঝিরিপথ পারি দেওয়ার পর কমলক ঝরনা দেখতে পাবেন, এটিতে যেতে রুইলুই থেকে স্থানীয় গাইড নিয়ে যেতে হবে, গাইড ২০০-৩০০টাকা চাইতে পারে। এ ছাড়া সাজেক থেকে ফেরার পথে দীঘিনালায় একটু যাত্রা বিরতি দিয়ে ঘুরে আসতে পারেন হাজাছড়া ঝরনা। এখানে যেতে অবশ্য গাইড লাগবে না, জিপ ড্রাইভারই ঝরনা দেখিয়ে নিয়ে আসবে আপনাদের। থাকার ব্যবস্থাসাজেকে থাকার জন্য রুইলুই পাড়ায় সেনাবাহিনী পরিচালিত দুটি রিসোর্ট রয়েছে রক সাজেক আর রুন্ময় রিসোর্ট, রুন্ময়তে ভাড়া পড়বে চার হাজার ৫০০- পাঁচ হাজার টাকা, এ ছাড়া রুন্ময় রিসোর্টে তাবু রয়েছে এডভেঞ্চার প্রিয়দের জন্য, আটজন থাকার তাবুর ভাড়া দুই হাজার ৮৫০ টাকা। এ ছাড়া আলো রিসোর্ট রয়েছে, ভাড়া ৭০০ থেকে এক হাজার ৩০০ টাকা, এ ছাড়া আছে মারুতি রিসোর্ট, নিরিবিলি কটেজ, হানিমুন কটেজ, জীবনদাস কটেজ ইত্যাদি। এ ছাড়া রয়েছে বোর্ডিং ব্যবস্থায় শেয়ারিং সিস্টেমে পাহাড়িদের বাড়িতে কিংবা সাজেক ক্লাব হাউজে থাকার ব্যবস্থা, এ ক্ষেত্রে প্রতিরাতে ভাড়া গুনতে হবে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।খাবার : সাজেকে রুন্ময় রিসোর্টে কিংবা আলো রিসোর্টে থাকলে খাবার ব্যবস্থা ওরাই করবে, এর বাইরে দুই-তিনটা খাবার হোটেল রয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে খাবার অন্তত দুই ঘণ্টা আগে অর্ডার দিতে হবে। এ ছাড়া চা, বিস্কিট, কলা, পেঁপে, আনারস আর সাজেকের ট্রেডমার্ক কমলা তো থাকছেই। এ ছাড়া ভারতের মিজোরাম খুব কাছে হওয়ায় ভারতীয় কিছু পণ্য এখানে পাবেন। সম্ভাব্য খরচ : ঢাকা-খাগড়াছড়ি-ঢাকা বাস ভাড়া (পথে যাত্রাবিরতিতে রাতের খাওয়া আর বাসা থেকে বাস স্ট্যান্ড অবধি যাওয়া মিলিয়ে) এক হাজার ৩০০ টাকা। খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক জিপ সাত হাজার টাকা (আমরা ১০ জন গিয়েছি, তাই জনপ্রতি ৭০০ টাকা খরচ হয়েছে)। সাজেকে থেকেছি ক্লাব হাউজে, ভাড়া ১৫০। এ ছাডা দুই দিনে খাবার খরচ চা-নাশতাসহ ৭০০ এ ছাড়া টুকটাক ১৫০, সব মিলিয়ে তিন হাজার টাকার মতো। এ ছাড়া খাগড়াছড়ির আশপাশে রিসাং ঝরনা, আলুটিলা গুহা, ঝুলন্ত সেতু, এসব ঘুরে দেখতে চান্দের গাড়িতে অতিরিক্ত এক হাজার ৬০০ থেকে এক হাজার ৮০০টাকা দিতে হয়। নিরাপত্তা ব্যবস্থাখাগড়াছড়ি জেলা সদর থেকেই দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলের শুরু। তবে খাগড়াছড়ি থেকে সাজেকের রাস্তাটি দেশের অন্যতম সেরা ও সুন্দরতম রাস্তা। তবে পুরো অঞ্চলেই বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ক্যাম্প ছাড়াও দীঘিনালায় একটি ক্যান্টনমেন্ট রয়েছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ আনসার, বাংলাদেশ পুলিশ রয়েছে পুরো অঞ্চলেই। আর সাজেক পর্যটন কেন্দ্রটি গড়ে উঠেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি ক্যাম্প ঘিরে, সাজেকের মূল ব্যবস্থাপনায় রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সাথেই রয়েছে বিজিবি ক্যাম্প। সব মিলিয়ে সাজেক বাংলাদেশের যেকোনো অঞ্চল থেকে নিরাপদ স্থান। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দু-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পর্যটকবাহী গাড়িগুলোকে বাঘাইছড়ি আর্মি ক্যাম্প থেকে সামরিক প্রহরায় সাজেক অবধি পৌঁছে দেয় আবার ফিরে আসার সময়ও একি সুবিধা রয়েছে সেনাবাহিনীর তরফ থেকে। টিপস সাজেকে বিদ্যুৎ সুবিধা নেই, সোলার সিস্টেমে শুধু আলোর ব্যবস্থা করা হয়। তবে পাহাড়ের অতো উঁচুতে গরম তেমন লাগে না, বরং হিম বাতাসে একটু ঠান্ডা ঠান্ডাই লাগবে। সাজেকে শুধু রবি ও টেলিটকের নেটওয়ার্ক ভালো পাওয়া যায়, যাত্রার সময় এটি খেয়াল রাখবেন, সাথে অবশ্যই পাওয়ার ব্যাংক রাখবেন। সাজেকে অনেকেই নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যায়, তবে পাহাড়ি আঁকাবাঁকা- উঁচুনিচু রাস্তার সাথে পরিচিত চালক থাকলেই ভালো। সাজেকে যেই সিজনেই যান না কেন, রাতে হিম হিম বাতাস সামাল দিতে সাথে অবশ্যই এক সেট ফুলহাতা জামা রাখবেন। কিছু প্রয়োজনীয় ফোন নম্বর বিতরাম দাদা : ০১৮৬০৭০৭১৫৫ (সাজেক কমিউনিটি পুলিশে আছেন, যেকোনো প্রয়োজনে উনার কাছেই সব খোঁজ পাওয়া যাবে, কোনো প্রকার শংকা ছাড়াই ফোন করে খোঁজ নিতে পারেন)। সেন্টমারটিনস পরিবহন : ০১৭৩২৪০৬৩৫২, ০১৭৬২৬৯১৩৪০; শ্যামলি পরিবহন : ০১৮১৫২৭৩৯৪২, ০২৯০১৪৫৬০; বিআরটিসি আরামবাগ : ০১৬৮৯৯২৮০৪২; সৌদিয়া- ফকিরারপুল : ০১৯১৯৬৫৪৮৫৮।

মন মূগ্দকর কিছু ছবি
25/12/2015

মন মূগ্দকর কিছু ছবি

Address

Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Traveler's Of Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category