Textile Study Center

Textile Study Center For Study Related Metarials Visit: Textile Study Center ( Article in specific topics, Books & Model Online Library for Textile Learners

গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ও প্রকৃত শ্রমিকরা বলছেন, বাংলাদেশের পোশাক খাত নিয়ে ভারত গভীর ষড়যন্ত্র করছে। এর মধ্যে অপরাজনীতিও ঢুকে...
12/09/2024

গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ও প্রকৃত শ্রমিকরা বলছেন, বাংলাদেশের পোশাক খাত নিয়ে ভারত গভীর ষড়যন্ত্র করছে। এর মধ্যে অপরাজনীতিও ঢুকে পড়েছে। যারা আন্দোলন করছে তারা প্রকৃত শ্রমিক নয়। প্রকৃত শ্রমিকরা কখনো নিজ কর্মস্থলের ধ্বংস চায় না। হাসিনার আমলে সুবিধাভোগী শ্রমিক নেতা এবং আওয়ামী লীগের এজেন্টরা গার্মেন্টসে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। তারাই পোশাক শিল্পকে অস্থিতিশীল করতে ভাঙচুর চালাচ্ছে। শ্রমিক বিক্ষোভের আড়ালে তারা শিল্পকে ধ্বংস করতে উঠেপড়ে লেগেছে। গার্মেন্টস ভাঙচুরে নিরীহ শ্রমিকরা জড়িত নন, বহিরাগতরাই এসব করছে। শ্রমিকদের যেসব দাবির কথা বলা হচ্ছে, ৫ আগস্টের আগে গার্মেন্টস সেক্টরে সেসব দাবির কথা শোনা যায়নি। এ সংকট দ্রুত শক্তভাবে প্রতিহত করতে না পারলে দেশের পুরো পোশাক শিল্পে বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। শ্রমিক অসন্তোষের খবর প্রচার হলে বিদেশি ক্রেতারা বাংলাদেশের পণ্য ক্রয়ের অর্ডার না দিয়ে ভারতের তৈরী পোশাক ক্রয়ে বাধ্য হবে। আর যেসব বিদেশি অর্ডার ইতোমধ্যেই পাওয়া গেছে পোশাক উৎপাদন ব্যাহত হওয়ায় সময়মতো পণ্য জাহাজীকরণে অনিশ্চয়তায় পড়ে যাবে।

চলমান শ্রমিক অসন্তোষ নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকের পর শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, সাভারের পোশাক কারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন বৃহস্পতিবারের মধ্যে পরিশোধ করা হবে। ইতোমধ্যে শ্রমসংক্রান্ত অভিযোগ পর্যালোচনা কমিটি করা হয়েছে। যেখানে যে কেউ শ্রমের বিষয়ে অভিযোগ জানাতে পারবেন। মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিরাও আছে এই কমিটিতে। বিজিএমইএ জানিয়েছে ৪০ থেকে ৬০টি কারখানা এখন বন্ধ আছে। ১০ থেকে ১৫ ভাগ অর্ডার সাময়িক সময়ের জন্য অন্য জায়গায় চলে গেছে।

গার্মেন্টস মালিকরা জানান, গার্মেন্টস সেক্টরে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছেন বিদেশি ক্রেতারা, নতুন অর্ডার দিচ্ছেন না। তারা ভারতে অর্ডার দিচ্ছেন বেশি। ফলে বোঝাই যাচ্ছে বাংলাদেশের পোশাক শিল্পে হিন্দুত্ববাদী ভারতের শকুনি দৃষ্টি পড়েছে। তিন দশক আগে বাংলাদেশের পাট শিল্প ধ্বংস করে ভারতে নতুন নতুন পাটকল গড়ে তোলা হয়েছে। এখন গার্মেন্টস শিল্পকে ধ্বংস করতে চাচ্ছে। এখনই সতর্ক না হলে এবং শ্রমিক আন্দোলন ঠেকাতে সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ না করলে পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

জানতে চাইলে বিকেএমইএ-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, তৈরী পোশাক শিল্প কঠিন সময় অতিক্রম করছে। শ্রমিক অসন্তোষের জেরে একদিকে কারখানা বন্ধ থাকায় উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, অন্যদিকে বিদেশি ক্রেতারা শীত ও গ্রীষ্মের অর্ডার কমিয়ে দিয়েছেন। রফতানি আদেশ যাতে অন্য দেশে চলে যায়, সেজন্য পরিকল্পিতভাবে গার্মেন্টে হামলা, ভাঙচুর চালানো হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, এ বিক্ষোভের সঙ্গে সাধারণ শ্রমিকদের দূরতম সম্পর্কও নেই। রফতানিমুখী এ শিল্পকে বাঁচাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও মালিকদের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতা, শ্রমিকনেতা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের এগিয়ে আসতে হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, স্বৈরশাসক হাসিনা রেজিমে সাধারণ ব্যবসায়ীরা নানাভাবে হয়রানির শিকার ও বাধাপ্রাপ্ত হয়েছেন। আওয়ামী লীগের অনুগত ছাড়া কেউ স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পরেননি। সে কারণে ব্যবসায়ীদের বড় অংশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিশেষ ব্যবসায়ী সম্মেলন’ করে শেখ হাসিনাকে ফের ক্ষমতায় আনার ঘোষণা দেন। এমনকি মৃত্যুর পরও হাসিনার সঙ্গে থাকার অঙ্গীকার করেন। আর শেখ হাসিনার পালানোর কয়েক দিন আগে ব্যবসায়ীরা গণভবনে গিয়ে সরকারকে কঠোরভাবে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের পরামর্শ দেন। শেখ হাসিনাও সুবিধাবাদী কিছু ব্যবসায়ীকে নিয়ে সিন্ডিকেট তৈরি করে বিশেষ বিশেষ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে ব্যবসার সুযোগ করে দেন। হাসিনা পালানোর পর পরিস্থিতি এখন আর সে অবস্থায় নেই। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর কোনো সিন্ডিকেট প্রশ্রয় পাচ্ছে না। যে য্ক্তুরাষ্ট্র জিএসপি বন্ধ করেছিল তারা সেটা ফিরিয়ে দেয়ার পথ খুঁজছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশের পণ্যের জন্য বাজার উন্মুক্ত করার কথা ভাবছে। ড. ইউনূসকে সব ধরনের সুহযোগিতা দিতে আন্তর্জাতিক মহল উদগ্রীব। ফলে দেশের গার্মেন্টস শিল্পের ভবিষ্যৎ আরো উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হওয়ার পথে। য্ক্তুরাষ্ট্রের জিএসপি ও ইউরোপীয় ইউনয়নে ‘বাংলাদেশি পণ্যের অবাধ বাজার সুবিধা’ কার্যকর হলে গার্মেন্টস মালিকরা যেমন অধিক লাভবান হবেন তেমনি গার্মেন্টসে কর্মরত শ্রমিকদের মধ্যেও আরো সুখ-সমৃদ্ধি আসবে, বেতন-ভাতা বাড়বে। অথচ গণহত্যাকারী হাসিনাকে আশ্রয় দেয়া হিন্দুত্ববাদী ভারতের ইন্দনে গার্মেন্টস সেক্টরকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র চলছে। সে ষড়যন্ত্রের ফাঁদে পা দিয়েছে কিছু সুবিধাভোগী ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক দুর্বৃত্ত।

দেশের অর্থনীতির চাকা সচলে প্রবাসী শ্রমিকদের রেমিট্যান্সের পরই রফতানিমুখী পণ্য তৈরী পোশাকের ভূমিকা অনন্য। ছাত্....

No 1 Country in the world for misinformation...
12/08/2024

No 1 Country in the world for misinformation...

https://www.youtube.com/watch?v=T8E1zQOsi2s
11/08/2024

https://www.youtube.com/watch?v=T8E1zQOsi2s

ভুয়া গুজব ছড়িয়ে ভয়ঙ্কর দেশ দখলের চেষ্টা ! হাসিনা ও জজিব জয় এর প্লান সি , হিন্দু কার্ড এখন মাঠে! #...

https://www.youtube.com/watch?v=iWnLEshUq-g
11/08/2024

https://www.youtube.com/watch?v=iWnLEshUq-g

বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ফরহাদ মজহারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বই ‘গণঅভ্যুত্থান ও গঠনঃ বাংলাদেশে গণরাজনৈত...

11/08/2024

প্রকৃতপক্ষে এই ১৫ বছর সংখ্যালঘু ছিলো মুসলিমরা। অধিকার বঞ্চিতরাই প্রকৃত সংখ্যালঘু। আমাদের কয়জন হুজুর সংসদে আছে? কয়জন হুজুর পুলিশ? আপনারা সংসদ সহ দেশের সব গুরুত্বপূর্ণ পোস্টে আছেন। মেজর সিনহা হ'ত্যার প্রধান আসামি ছিলো ওসি প্রদীপ পুলিশ। 🙂

দাড়ি টুপি দেখলেই জামাত শিবির উপাধি ফ্রি। মসজিদে অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বললে ইমামের চাকরি নাই করে দেওয়া হতো। মাদ্রাসার ছাত্রদের গুম করে টর্চার করা হতো। আলেমদের কারাগারে বন্ধী করে রাখা হতো। মাহফিলে বাধা দেওয়া হতো। বাক স্বাধীনতা পর্যন্ত ছিলো না হুজুরদের।😅

এইবার বলেন আপনাদের কয়জনকে কি উপাধি দেওয়া হতো? মন্দিরে পূজা করতে বাধা দেওয়া হতো? আপনাদের ধর্মীয় গুরুদের গুম করে টর্চার করা হতো নাকি জেইলে রাখা হতো? দূর্গাপূজার সময় একবার সমস্যা হয়ছিলো তখন সবাই পোস্ট দিছেন এবং বাংলাদেশের সব নিউজ মিডিয়া খবর প্রকাশ করছে স্বাধীনভাবে। 😊

কিন্তু ২০১৩ সালে শাপলা চত্বরে পাখির মতো গু'লি করে মারছে মাদরাসার স্টুডেন্টদের। এইটার নিউজ করতে দেয় নাই কোনো চ্যানেলকে। ইসলামিক টিভি এবং দিগন্ত টিভি সরকারের আদেশ অমান্য করে সত্য প্রচার করতে থাকে এক পর্যায়ে ২ টা চ্যানেল সরকার কর্তৃক স্হায়িভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। কত হাজার মরছে কত হাজারকে গুম করা হয়ছে হিসাব নাই। শাপলা চত্বরের এই আন্দোলনের কথা আজ অনেক মুসলিমই জানে না কারন নিউজ করতে দেয় নাই যেই কথা বলছে তাকে ধরে নিয়ে গেছে। 🙂

আপনারা বলতেছেন আপনারা এখনো স্বাধীন নয়। স্বাধীনতা কাকে বলে জানেন? গতকাল আপনারা এতো বড়ো আন্দোলন করছেন একটা ফুলের টোকাও লাগে নাই এইটাকে বলে স্বাধীনতা। যতো মানুষ আন্দোলনে আসছেন ওই মানুষগুলাই একসাথে মন্দির পাহারা দিলে একটা কুলঙ্গারও মন্দিরে হাত দেওয়ার সাহস করতো না। 🙂

এইটা কপি করে সব জায়গায় ছড়াই দেওয়ার অনুরোধ রইলো। 😊

Copied

Address

Bangladesh University Of Textiles
Dhaka
1208

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Textile Study Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Textile Study Center:

Share