Minu Shahid Travel Agency

Minu Shahid Travel Agency it's a travelling page.our activites 1. Traveling2. Hiking3. Climbing4. Cycling5. Photography6. VideoGraphy7. Mountaineering8. Boating9. Social Activities.

M/S travel agency present.1st tour in this agency.
30/09/2017

M/S travel agency present.
1st tour in this agency.

M/S Travel agency present. Our 1st event video. SO Hope you guyz like it, ANd ShaRe iT.

বিজয় দিবস বাংলাদেশে বিশেষ দিন হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেশের সর্বত্র পালন করা হয়। প্রতি বছর ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশে দিনটি ...
16/12/2016

বিজয় দিবস বাংলাদেশে বিশেষ দিন হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে দেশের সর্বত্র পালন করা হয়। প্রতি বছর ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশে দিনটি বিশেষভাবে পালিত হয়। ২২ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশে জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয় এবং সরকারীভাবে এ দিনটিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়। ৯ মাস যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে হানাদার পাকিস্তানী বাহিনীর প্রায় ৯১,৬৩৪ সদস্য বাংলাদেশ ও ভারতের সমন্বয়ে গঠিত যৌথবাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে।[২] এর ফলে পৃথিবীর বুকে বাংলাদেশ নামে একটি নতুন স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যুদয় ঘটে। এ উপলক্ষে প্রতি বছর বাংলাদেশে দিবসটি যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য এবং বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে পালিত হয়। ১৬ই ডিসেম্বর ভোরে ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের সূচনা ঘটে। জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে অনুষ্ঠিত সম্মিলিত সামরিক কুচকাওয়াজে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সদস্যরা যোগ দেন। কুচকাওয়াজের অংশ হিসেবে সালাম গ্রহণ করেন দেশটির প্রধান মাননীয় রাষ্ট্রপতি কিংবা প্রধানমন্ত্রী। এই কুচকাওয়াজ দেখার জন্য প্রচুরসংখ্যক মানুষ জড়ো হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের অংশ হিসেবে ঢাকার অদূরে সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মী, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ পুষ্পস্তবক অর্পণ করে থাকেন।

25/03/2016

স্বাধীন দেশের প্রতি ইঞ্চি মাটি হোক প্রতিটি নাগরিকের জন্য নিরাপদ, আর যেন কোন তনুকে অনিরাপদ থাকতে না হয়। এই হোক মহান স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গিকার। মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী সকল শহীদদের প্রতি রইলো গভীর শ্রদ্ধা।

21/02/2016

অামার দেশের বিজয় গাঁথা লেখা ইতিহাসে,
হঠাৎ রাতে হাজার হাজার
পাক হানাদার অাসে।
★★
পাখির মতো গুলি করে
মানুষ মারে কত,
বীর বাহাদুর বাঙ্গালীরা
হয়নি তবু নত।
★★
ন'মাস ধরে লড়াই করে
বিজয় এল শেষে,
নারী-পুরুষ অবোঝ শিশুর
তাজা রক্ত ভাসে।

23/10/2015

একটু ভেবে দেখবেন কি??
☞ দেখিনি কোন হিন্দু মেয়েকে
কোরআন
তেলাওয়াতে মশগুল।
☞দেখেছি অনেক মুসলিম মেয়েকে
পূজোয়
দিতে ফুল।
☞ দেখিনি কোন হিন্দু যুবককে ওয়াজ
শুনতে মসজিদে।
☞ দেখেছি অনেক মুসলিম যুবককে
পূঁজা
দেখতে যায় মন্দিরে।
☞ দেখিনি কোন হিন্দু রমণীকে
হিজাবপড়ে
চলাফেরা করে।
☞ দেখেছি অনেক মুসলিম রমণীকে
হিন্দু
রীতির নীড়ে।
☞ কি হল মুসলিম? কেনইবা তোমার
ভিন্ন
ধর্ম প্রীতি।
☞ কেন ভাল লাগেনা তোমার নিজ
ধর্মের
রীতি?,,,,,,,,,,,,..

ভালো থাকুন পরজনমে।।ডাঃ এপিজে আব্দুল কালাম আর নেই।
27/07/2015

ভালো থাকুন পরজনমে।।
ডাঃ এপিজে আব্দুল কালাম আর নেই।

16/07/2015
১ঃপানাম নগর যেখানেঅবস্থিত -- সোনারগাঁয়ে।২ঃসোনারগাঁও বাংলাদেশের রাজধানী ছিল -- মূঘল আমলে।৩ঃসোনারগাঁ নামকরণ হয়েছে -- ঈশা খ...
20/01/2015

১ঃপানাম নগর যেখানেঅবস্থিত -- সোনারগাঁয়ে।
২ঃসোনারগাঁও বাংলাদেশের রাজধানী ছিল -- মূঘল আমলে।
৩ঃসোনারগাঁ নামকরণ হয়েছে -- ঈশা খাঁর স্ত্রী সোনা বিবির নামে।
৪ঃবাংলার রাজধানী সোনারগাঁয় স্থাপন করেন -- ঈশা খাঁ।
৫ঃসোনারগাঁর পূর্বে বাংলার রাজধানী ছিল -- মহাস্থানগড়।
৬ঃপাঁচ বিবির মাজার অবস্থিত -- সোনারগাঁতে-
৭ঃবাংলাদেশের একমাত্র লোকশিল্প যাদুঘরটি অবস্থিত -- সোনারগাঁতে।
৮ঃসোনারগাঁয়ের পূর্ব নাম -- সুবর্ণ গ্রাম।
৯:স্থাপত্য কর্মঃ সংগ্রাম । স্থপতিঃজয়নুল আবেদিন । অবস্থানঃসোনারগাঁও।

রূপলাল হাউসবলা হয়ে থাকে, উনিশ শতকের ঢাকায়, নবাব আবদুল গণির ‘আহসান মঞ্জিলে’র সাথে জাঁকজমকের দিক দিয়ে অন্য যে অট্টালিকাটি ...
20/01/2015

রূপলাল হাউস
বলা হয়ে থাকে, উনিশ শতকের ঢাকায়, নবাব আবদুল গণির ‘আহসান মঞ্জিলে’র সাথে জাঁকজমকের দিক দিয়ে অন্য যে অট্টালিকাটি পাল্লা দিতে পারতো, সেটি হলো রূপলাল দাসের ‘রূপলাল হাউস’ (Ruplal House)। ঢাকার ফরাশগঞ্জের শ্যামবাজারে বুড়িগঙ্গার তীরে নির্মিত এই বাড়িটির তুলনা সে নিজেই। বাড়িটির বিশেষত্ব হলো, গ্রীক স্থাপত্যের অনুকরণে নির্মিত এর বিশাল ডরিক কলাম, যা ঢাকা শহরে আর কোন বাড়িতে এই রীতির স্থাপনা নেই বা ছিলো না। এবং বাড়ির মাঝখানে চূড়ায় একটা প্রকাণ্ড ঘড়ি ছিলো, যা ঢাকার সম্মুখস্থ বুড়িগঙ্গা নদী থেকে সহজেই দৃষ্টিগোচর হতো। এর দ্বারা সমস্ত নৌকারোহীরা উপকৃত হতো। কিন্তু ১৮৯৭ সালের তীব্র ভূমিকম্পে বাড়ির চূড়াটি ভেঙে গেলে তা আর মেরামত করা হয় নি।
মূল বাড়িটির নির্মাণকাল সম্পর্কে স্পষ্ট কোন তথ্য পাওয়া না গেলেও এটা জানা যায়, মূল বাড়িটি ছিলো ঢাকার বিখ্যাত আর্মেনী জমিদার আরাতুনের। ঢাকার ধনাঢ্য জমিদার রূপলাল দাস আরাতুনের কাছ থেকে ১৮৮০ সালের দিকে বাড়িটি ক্রয় করে কলকাতার বিখ্যাত মার্টিন কোম্পানিকে দিয়ে তা পূননির্মাণ করান। রূপলাল দাসরা ছিলেন তিন ভাই। সনাতন দাস, রূপলাল দাস ও রঘুনাথ দাস। এই তিনভাই পৃথক হয়ে যাবার পর রূপলাল ও রঘুনাথ ফরাশগঞ্জে নদীর পাড়ে নিজেদের বাড়ি করে সেখানে চলে যান। প্রথমে নির্মিত হয়েছিলো রঘুনাথের বাড়ি, যা পরিচিত ছিলো ‘রঘুবাবুর বাড়ি’ নামে। রঘুবাবুর বাড়ির ঠিক পাশেই হলো রূপলাল হাউস।
রঘুনাথ ও রূপলালের বাড়িটির মাঝখানের সীমানা প্রাচীর ভেঙ্গে দিলে দুটো বাড়িকে একটি একক বাড়ি বলে মনে হবে। তাই সঠিক তথ্য পাওয়া না গেলেও ধারণা করা হয়, পুরো বাড়িটি আরাতুনের কাছ থেকে কিনে দু’ভাই ভাগ করে যার যার অংশ নিজ রুচি অনুসারে সংস্কার করেছিলেন। তবে গ্রীক স্থাপত্যের অনুকরণে পুননির্মিত অট্টালিকাটি যে কোন অংশে আহসান মঞ্জিল থেকে কম ছিলো না, তা বুঝা যায় ঢাকার অভিজাত নাগরিকদের দ্বারা ১৮৮৮ সালে লর্ড ডাফরিনকে ‘রূপলাল হাউসে’ আপ্যায়নের ভেনু নির্বাচনের ঘটনায়।
বড়লাট লর্ড ডাফরিন সেবার এক সরকারি সফরে কলকাতা থেকে ঢাকায় এলে ঢাকাস্থ অভিজাত ইংরেজরা তাঁকে আপ্যায়ন করার জন্য এক বল-নাচের আয়োজন করতে উদ্যোগী হয়। কিন্তু বল-নাচের জন্য প্রয়োজনীয় বড় হলঘর বা সুদৃশ্য ভবন ছিলো ঢাকায় কেবল দু’টি, আহসান মঞ্জিল আর রূপলাল হাউস। ঢাকার অভিজাতদের বৈঠকে শেষপর্যন্ত ভোটের মাধ্যমে রূপলাল হাউসকেই ভেনু হিসেবে নির্বাচন করা হয়। মূলত তখন আহসান মঞ্জিল থেকে তুলনামূলক আকর্ষণীয় ছিলো রূপলাল হাউসই। সেবার বড়লাটকে আপ্যায়ন উদ্দেশ্যে আয়োজিত এই বল-নাচের অনুষ্ঠান ঢাকায় তুমুল আলোচনার বিষয়বস্তু হয়েছিলো। ইংরেজরা দু’দিনের জন্য ‘রূপলাল হাউস’ দুশো টাকায় ভাড়া নিলেও বাড়িটিকে সে উদ্দেশ্যে সাজাতে রূপলাল বাবুদের সে আমলে পঁয়তাল্লিশ হাজার টাকা খরচ হয়েছিলো বলে জানা যায়।
বিশ শতকে এসেই ‘রূপলাল হাউসে’র জৌলুস কমে গিয়েছিলো এবং ১৯৪৭-এর দেশ বিভাগের পর রূপলালের উত্তরাধিকারীরা বাড়ি বদল করে কলকাতায় চলে যান। এর পর থেকেই ‘রূপলাল হাউস’ সরকারি সম্পত্তির অংশীভূত হয়। তবে বর্তমানে রূপলাল হাউসের বেহাল অবস্থা দেখে দুঃখ হয় এজন্যে যে, এটা যে কেবল প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা রক্ষায় গুরুতর অবহেলা তা-ই নয়, হয়তো পরিকল্পিত হীন উদ্দেশ্য নিয়েই এখানে হলুদ মরিচ ইত্যাদির গুদাম তৈরির পাশাপাশি যে যেখানে যেভাবে পারে দখল করে যার যার ব্যবসা নিয়ে বসেছে এবং বাড়িটি ধ্বংসের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করছে। এমনকি বাড়িটির ভেতরেও বিভিন্ন কক্ষে অনেক উটকো পরিবারকে যথেচ্ছ বসবাস করতে দেখা যায়। স্বচক্ষে না দেখলে খোদ রাজধানীতে পরিকল্পিতভাবে প্রত্নতত্ত্ব ধ্বংসের এমন হরিলুট অবস্থা কল্পনা করা চিন্তারও অগম্য হতো নিঃসন্দেহে। কেবল ধিক্কার জানিয়েই কি এ অবস্থার অবসান হবে ?

হোটেল নিরবপুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোড এ অবস্থিত “হোটেল নিরব” একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হোটেল। এটি মূলত বাংলা খাবারের জন্যই প্...
20/01/2015

হোটেল নিরব
পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোড এ অবস্থিত “হোটেল নিরব” একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় হোটেল। এটি মূলত বাংলা খাবারের জন্যই প্রসিদ্ধ। ভাত,ডাল, বিভিন্ন ধরণের ভর্তা,মাছের পদ এর জন্যই ব্যাপক জনপ্রিয়। তবে এখানকার শুঁটকি ভর্তা আর মগজ ভুনার কথা না বললেই নয়। চ্য্যপা শুঁটকির সাথে অনেক পরিমান পেঁয়াজ আর অন্যান্য মশলার সমন্বয়ে বানানো হয় সুস্বাদু এক শুঁটকি ভর্তা। এছাড়া নিজস্ব বাবুর্চির উদ্ভাবিত “মগজ ভুনা” ‘হোটেল নিরব” এর জনপ্রিয়তার তালিকায় যোগ করেছে এক নতুন মাত্রা। মশলাদার, ধোঁওয়া উঠা গরম গরম মগজ ভুনা সহজেই ভোজনরসিকদের মগজ ধোলাই করতে সক্ষম। খাবারের মান ও কমদামের জন্য এই হোটেলের খাবারগুলো সাধারণ মানুষের হাতের নাগালেই রয়েছে। শুধু পুরান ঢাকারই না, এই হোটেলের সুনাম ছড়িয়ে রয়েছে পুরো ঢাকা শহরের সর্বত্র।
,

রেমা কালেঙ্গা :- বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর বনগুলোর অন্যতম একটি রেমা-কালেঙ্গা। একবার এর রূপ লাবন্য প্রত্যক্ষ করলে বার বার...
10/01/2015

রেমা কালেঙ্গা :- বাংলাদেশের সবচেয়ে সুন্দর বনগুলোর অন্যতম একটি রেমা-কালেঙ্গা। একবার এর রূপ লাবন্য প্রত্যক্ষ করলে বার বার ছুটে যেতে ইচ্ছে করবে সেখানে। রেমা-কালেঙ্গার প্রকৃতি এমনই মনোমুদ্ধকর যে মনে হবে প্রকৃতি যেন নিজ হাতে সাজিয়েছে এই বনকে।

সাতছড়ি উদ্দ্যান :- সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলায় সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান। রাজধানী থেকে প্রায় ১৩০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত জাতীয় এ উদ্যানটিতে উপভোগ করা যাবে এখানকার নানান জীব বৈচিত্র্য।
সাতছড়িতে রয়েছে প্রায় ১৪৯ প্রজাতির পাখি, ২৪ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ এবং ৬ প্রজাতির উভচর প্রাণী।

বন দুটিতে যা যা দেখা মেলে : মুখপোড়া হনুমান, চশমা হনুমান, উলস্নুক, লজ্জাবতী বানর, কুলু বানরের মতো বিরল প্রাণীর দেখা মেলে এ উদ্যানে। এ ছাড়া মায়া হরিণ, খিদির শুকর, বন্য শুকর, বেজি, গন্ধ গোকুল, বনবিড়াল, মেছো বাঘ, কটকটি ব্যাঙ, গেছো ব্যাঙ, গিরগিটি, বিভিন্ন রকম শাপ, গুই সাপ প্রভৃতি রয়েছে এ বনে। ফিঙ্গে, কাঠঠোকরা, মথুরা, বন মোরগ, ধনেশ, লাল ট্রগন, পেঁচা, সুই চোরা এ বনের উলেস্নখযোগ্য পাখি।

মিনু সহিদ ট্রাভেল এজেন্সি আপনাদের নিয়ে যাবে এই বন দুটিকে উপভোগ করা ও গহীনতার সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য।

Show Map
চুনারুঘাট,হবিগঞ্জ

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Minu Shahid Travel Agency posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category