Expose Bangladesh

Expose Bangladesh Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Expose Bangladesh, Travel Agency, Dhaka.

এই পেইজটি বানানো হয়েছে তাদের জন্য যারা ঘুরতে ভালবাসে। ভ্রমন সম্পর্কিত কোনো প্রশ্ন, তথ্য, ছবি, পরিকল্পনা যা আমাদের ও দেশের সকল ভ্রমন পিপাশুদের উপকারে আসে সেই সম্পর্কিত তথ্য এখানে পোস্ট করুন। ছবি পোষ্ট করার সময় অবশ্যই ট্যাগ (স্হান, সময়) উল্লেখ করবেন ।

সংবিধিবদ্ধ সতর্কিকরন: অবশ্যই মনে রাখবেন। এখানে কোনো বাজে কথা, কাউকে আক্রমনাত্মক এমনকি কোনো ধরনের অপ্রাসঙ্গিক পোস্ট কোনো ভাবেই করা যাবেনা।

আমাদের সহযোগী গ্রুপ https://www.facebook.com/groups/exposebangladesh

ষাইট্টা বটগাছ===========================ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের একটা গ্রামের নাম ষাইট্টা। প্রায় ৫০০...
25/09/2019

ষাইট্টা বটগাছ
===========================

ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার যাদবপুর ইউনিয়নের একটা গ্রামের নাম ষাইট্টা। প্রায় ৫০০ বছর আগে এই গ্রামের দেবীদাস বংশের পূর্বপুরুষরা একটি পাকুড় গাছ ও একটি বটগাছ পাশাপাশি রোপন করেন। গাছ দু’টি সময়ের সাথে বড় হতে থাকে। গাছ দু’টি নিয়ে অনেক মিথ প্রচলিত আছে। বলা হয় প্রচলিত ধারনা অনুযায়ী পাকুড় গাছটিকে পুরুষ এবং বট গাছটিকে নারী বিবেচনায় নিয়ে তাদের মধ্যে সনাতন ধর্মের রীতি মেনে বিয়ে দেয়া হয়। সেই থেকে গাছ দু’টি স্বামী-স্ত্রী হিসেবে পরিচিত। আরও প্রচলিত আছে যে গাছের ডাল কোন কারণে কেউ কাটলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে পুজো দিয়ে মুক্তি পেতে হয়। তাই গাছের ডাল কেউ কাটে না। ফলে গাছ দু’টি ডাল পালা স্তম্ভমূল গজিয়ে প্রায় ৫ বিঘা জমি জুড়ে বিস্তৃতি লাভ করেছে।

স্থানীয় হিন্দু ধর্মাবলম্বী লোকজন গাছ দু’টিকে দেবতা বলে মনে করেন। তারা একপাশে গাছের নীচেই ছায়ায় স্থাপন করেছেন মন্দির। মন্দিরের পাশে একটি চাপকলও আছে। গাছ দু’টির গোড়া এমনভাবে পরস্পরে সাথে মিশে গেছে যে এখন আর আলাদা করা যায় না। গাছের পাতা দেখে গাছ দু’টিকে সনাক্ত করতে হয়। যে পাতাগুলো সবুজ সেটি বট গাছের, আর যে পাতাগুলো রঙ্গিন হয়ে গজিয়ে পরে সবুজ হয় সেটা পাকুড় গাছের! আর স্থাপিত মন্দিরটি হলো কালি মন্দির।

প্রতি বছর পহেলা বৈশাখে গাছের নীচে আয়োজন করা হয় নানা অনুষ্ঠানের। বিভিন্ন রকম ভৌতিক ঘটনার প্রচলন থাকায় রাতের বেলা গাছের নীচে সাধারণত কেউ নাকি যায় না! গাছের ডাল কাটার রীতি না থাকায় গাছের নীচ দিয়ে যে সরু রাস্তা গেছে সেটি প্রশস্ত করার প্রয়োজন পড়লে স্থানীয় চেয়ারম্যান রাস্তা একটু পাশ দিয়ে ঘুরিয়ে নিয়ে যান যাতে ডাল কাটা না লাগে।

যাওয়ার উপায়
============================
ঢাকার গাবতলী বাসস্ট্যান্ড থেকে মানিকগঞ্জগামী বাসে উঠে নামতে হবে ঢুলিভিটা। ভাড়া ৬০ টাকা। এরপর অটোতে করে ধামরাই বাজার। ভাড়া ৫ টাকা। ওখান থেকে যাদবপুর, ষাইট্টা গ্রামের উদ্দেশে অটো রিজার্ভ করে নিতে হবে। দর কষাকষি করলে ২৫০-৩০০ টাকায় পেয়ে যাবেন।

অথবা ঢাকার গাবতলী থেকে ‘জনসেবা’ ও ‘এস.বি. লিংক ‘ মিনিবাস আছে। জনসেবা/এস.বি লিংক বাসে করে ‘মহিষাশী বাজার’ নামতে হবে। জনসেবা বাসে ভাড়া জনপ্রতি ৪০ টাকা আর ৬০ টাকা এস.বি.লিংকে। বাজার থেকে কুশুরা পর্যন্ত সিএনজি ভাড়া ৫ টাকা। কুশুরা থেকে ষাইট্টা ভাড়া ১৫ টাকা। ওখানে নেমে কাউকে জিজ্ঞাসা করলেই দেখিয়ে দিবে।

খরচ ভাড়া বাবদ : ৪০*২=৮০/৬০*২=১২০ + ২০*২ =৪০ =১২০/১৬০ টাকা । এভাবে আনুমানিক ৩০০-৩৫০ টাকার মধ্যে ধামরাইয়ের ষাইট্টা বটগাছ ঘুরে আসতে পারবেন।

15/12/2014

পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ? এখানে ক্লিক করুন রেজিস্ট্রেশন/লগিন সমস্যা?

Happy International Mountain Day! :)
11/12/2014

Happy International Mountain Day! :)

রাখাইন ঝর্ণা
30/11/2014

রাখাইন ঝর্ণা

বান্দরকুম (বান্দরিছড়া) ঝর্ণা
30/11/2014

বান্দরকুম (বান্দরিছড়া) ঝর্ণা

Shangu River, Beauty of Bandarban
27/11/2014

Shangu River, Beauty of Bandarban

অল্প সময়ে ইন্ডিয়ান ভিসা পাবেন তবে নিদিস্ট ক্যাটাগরিতে। এই ১০ ক্যাটাগরির আবেদনকারীর মধ্যে রয়েছেন- চিকিৎসার প্রয়োজনে ভারত ...
24/11/2014

অল্প সময়ে ইন্ডিয়ান ভিসা পাবেন তবে নিদিস্ট ক্যাটাগরিতে। এই ১০ ক্যাটাগরির আবেদনকারীর মধ্যে রয়েছেন- চিকিৎসার প্রয়োজনে ভারত গমনেচ্ছু রোগী, সাংবাদিক, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী, গবেষক, সম্মেলনে গমনেচ্ছু, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় আমন্ত্রিত এবং ট্রানজিট পেতে ইচ্ছুক ব্যক্তি। এই ১০ ক্যাটাগরির আবেদনকারীরা অনলাইনে আবেদন করে অ্যাপয়েনমেন্ট তারিখের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হবে না। অনলাইন আবেদন ফরম পূরণের সর্বোচ্চ ৪ দিনের মধ্যে এ সব আবেদনকারীকে ভিসা প্রদান করা হবে বলে ভারতীয় দূতাবাস সূত্র নিশ্চিত করেছেন।

ভিসা আবেদন ও ভিসা প্রদানে গতি আনার পাশাপাশি আবেদনকারীদের দুর্ভোগ কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে হাই কমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। তবে টুরিস্ট ভিসার জন্য আবেদনকারীরা এই বিশেষ সুবিধা পাবেন না। টুরিস্ট ভিসা পেতে পূর্বের নিয়মে আবেদন করে অ্যাপয়েনমেন্টের জন্য কমপক্ষে একমাস অপেক্ষা করতে হতে পারে।

ভারতীয় দূতাবাস থেকে ভিসা আবেদনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে বলা হয়েছে, আবেদনকারীদের প্রথমে https://indianvisaonline.gov.in ঠিকানায় গিয়ে অনলাইন ফরম পূরণ করতে হবে। সেখানে ঠিকভাবে নিজের ভিসা ক্যাটাগরি নিশ্চিত করতে হবে। পরে ফরমের পূর্ণাঙ্গ কপি প্রিন্ট করে ভিসা আবেদন কেন্দ্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ভিসা প্রক্রিয়াকরণ ফিসহ জমা দিতে হবে। অনলাইনে নিবন্ধনের চারদিনের ভেতর সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত অফিস চলাকালীন সময়ে (রোববার-বৃহস্পতিবার) আবেদন জমা দিতে নতুন নিয়মে বলা হয়েছে। টুরিস্ট ভিসা পেতে পূর্বের নিয়মে আবেদন করে অ্যাপয়েনমেন্টের জন্য কমপক্ষে একমাস অপেক্ষা করতে হতে পারে।

এই বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে http:/ww/w.ivacbd.com ঠিকানায়।

এডওয়ার্ড মাইকেল গ্রিলস (Bear Grylls)===================================================একজন দুঃসাহসী ব্রিটিশ অভিযাত্রিক...
24/11/2014

এডওয়ার্ড মাইকেল গ্রিলস (Bear Grylls)
===================================================
একজন দুঃসাহসী ব্রিটিশ অভিযাত্রিক এডওয়ার্ড মাইকেল বিয়ার গ্রিল্সবিয়ার গ্রিলস। পৃথিবীর যে কোন দেশে যেকোন জায়গায় নিজেকে তিরি করে নিতে পারেন এবং তিনি মাত্র ২৩ বছর বয়সে এভারেস্ট জয় করে বিশ্বরেকর্ড করেছিলেন। তার অনুষ্ঠান Man vs. Wild সব মানুষের হ্নদয়ে নজর কাটে।
এডওয়ার্ড মাইকেল বিয়ার গ্রিল্স (জন্ম ৭ জুন ১৯৭৪) একজন দুঃসাহসী ইংলিশ অভিযাত্রী, লেখক এবং টেলিভিশন উপস্থাপক। তিনি তাঁর টেলিভিশন সিরিজ ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড-এর কারণে সর্বাধিক পরিচিত। এই টিভি সিরিজটি যুক্তরাজ্যে বর্ন সারভাইভর নামে পরিচিত। ২০০৯-এর জুনে বিয়ার গ্রিল্স ৩৫ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ঠ স্কাউট প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন।

ব্যক্তিগত জীবন :
===================================================
বিয়ার গ্রিলস উত্তর আয়ারল্যান্ডের ডোনাঘাডি এলাকায় ৪ বছর বয়স অবধি শৈশব অতিবাহিত করেছেন। এরপর তিনি তাঁর পরিবারের সাথে বেমব্রিজ অঞ্চলে যান।কনজারভেটিভ পার্টির মরহুম রাজনীতিবিদ স্যার মাইকেল গ্রিলস ছিলেন বিয়ারের পিতা। বিয়ারের মা হলেন লেডি গ্রিলস যার মা প্যাট্রিসিয়া ফোর্ড ছিলেন পেশায় একজন রাজনীতিবিদ এবং সংসদ সদস্য। বিয়ার গ্রিলসের একজন বড় বোন রয়েছেন, তাঁর নাম লারা ফাউসেট। লারা পেশায় একজন টেনিস কোচ। লারাই বিয়ার গ্রিলসের “বিয়ার” নামটি দেন যখন তাঁর বয়স কেবল এক সপ্তাহ।

গ্রিলস ইটন হাউস, লুডগ্রুভ স্কুল, ইটন কলেজে শিক্ষা লাভ করেছেন। ইটন কলেজের ছাত্রাবস্থায় তিনি সেখানকার প্রথম পর্বতারোহণ ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া তিনি ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডন থেকে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। অতি অল্প বয়সেই গ্রিলস তাঁর বাবার কাছ থেকে পর্বতারোহণ এবং নৌচালনা শিখেছেন। তাঁর বাবা নৌচালনায় দক্ষ ছিলেন। কৈশোরেই গ্রিলস স্কাইডাইভিং এবং কারাতে শেখেন। তিনি যোগ ও নিনজৎসু চর্চা করেন। আট বছর বয়সে তিনি কাব স্কাউট হন। গ্রিলস ইংরেজি, স্প্যানীয় এবং ফরাসি ভাষা জানেন। তিনি ধর্মে একজন খ্রিস্টান, এবং তিনি ধর্মবিশ্বাসকে তাঁর জীবনের “মেরুদন্ড” হিসেবে অভিহিত করেছেন। বিয়ার গ্রিলস ২০০০ সালে সারা গ্রিলসকে বিয়ে করেন। তাঁদের তিন পুত্র সন্তান রয়েছে। তাঁদের নাম জেস, মার্মাডিউক এবং হাক্লবেরি।

সামরিক বাহিনীতে চাকরি :
===================================================
বিদ্যালয় জীবন শেষ হবার পর বিয়ার গ্রিলস ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেয়ার মনঃস্থ করেন। এসময় তিনি সিক্কিম ও পশ্চিম বাংলা অঞ্চলে হিমালয়ে হাইকিং করেন। গ্রিলস ব্রিটিশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এবং ইউনাইটেড কিংডম স্পেশাল ফোর্স রিজার্ভে কাজ করেন। স্পেশাল এয়ার সার্ভিসে তিনি ১৯৯৭ পর্যন্ত তিন বছর কাজ করেন।
১৯৯৬ সালে জাম্বিয়ায় গ্রিলস একটি প্যারাশুট দুর্ঘটনার সম্মুখীন হন। এসময় গ্রিলসের চিরতরে হাঁটার ক্ষমতা বন্ধের সম্ভাবনা দেখা দেয়। পরবর্তী বারো মাস গ্রিলস মিলিটারির সকল কার্যকলাপ থেকে বিরত থাকেন। ধীরে ধীরে তিনি সুস্থ হয়ে উঠেন এবং তাঁর শৈশবের লালিত স্বপ্ন মাউন্ট এভারেস্ট জয়ের নেশায় উদ্বেলিত হন। মানব সেবায় অবদান রাখার জন্যে ২০০৪ সালে গ্রিলসকে সম্মানসূচক পদ লেফটেন্যান্ট কমান্ডারে পদোন্নতি দেয়া হয়।

এভারেস্ট জয় :
===================================================
১৯৯৮-এর ১৬ মে বিয়ার গ্রিলস তাঁর শৈশবের লালিত স্বপ্ন মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন। আট বছর বয়সে যখন তাঁর বাবা তাকে এভারেস্টের একটি ছবি উপহার দেন, তখনই গ্রিলসের মনে এভারেস্ট জয় করার ইচ্ছা জাগে। এভারেস্ট জয়ের মাধ্যমে মাত্র ২৩ বছর বয়সে তিনি গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এ সর্বকনিষ্ঠ ব্রিটিশ হিসেবে এভারেস্ট জয়ের রেকর্ড করেন। তাঁর প্যারাশুট দুর্ঘটনার আঠারো মাস পরেই তিনি এভারেস্টে আরোহণ করেন। জেমস অ্যালেন নামের একজন অস্ট্রেলীয় নাগরিক ২২ বছর বয়সে একটি দলের সাথে এভারেস্ট জয় করেন। মাত্র ১৯ বছর বয়সে এভারেস্ট জয় করে রব গন্টলেট নামের অন্য এক ব্রিটিশ তরুণ গ্রিলসের রেকর্ড ভেঙে ফেলেন।

গণমাধ্যম :
===================================================
বিয়ার গ্রিলস টেলিভিশন জগতে প্রবেশ করেন একটি ডিওডোরেন্টের বিজ্ঞাপনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে। ইংল্যান্ডের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে নির্মিত সেনাবাহিনীর মাদক-বিরোধী টিভি ক্যাম্পেইনেও বিয়ার গ্রিলস উপস্থিত হন। এছাড়া বিশ্বখ্যাত হ্যারডস দোকানের বিজ্ঞাপনেও গ্রিলস অংশগ্রহণ করেন। গ্রিলস বেশ কিছু টেলিভিশন প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে ফ্রাইডে নাইট উইথ জোনাথন রোজ, অপরাহ উইনফ্রে শো, দ্য টুনাইট শো উইথ যে লেনো, দ্য লেট শো ডেভিড লেটারম্যান ইত্যাদি। গ্রিলস ইন্টারনেটে পাঁচ পর্বের একটি সিরিজে উপস্থিত হন যেখানে তাকে নগর-জীবনে টিকে থাকার কৌশল দেখাতে হয়। ওয়ার্নার ব্রাদার্স গ্রিলসকে তাদের ক্ল্যাশ অফ দ্য টাইটানস চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল। বিয়ারের প্রথম রচিত বইয়ের নাম ফেসিং আপ। এটি যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে বেশি বিক্রিত বইয়ের তালিকায় স্থান পায়। এটি যুক্তরাষ্ট্রে দ্য কিড হু ক্লাইম্বড এভারেস্ট নামে প্রকাশিত হয়। এভারেস্টে তাঁর অভিযান এবং অভিজ্ঞতা নিয়ে রচিত দ্বিতীয় বই ফেসিং দ্য ফ্রোজেন অশেন ২০০৪ সালে উইলিয়াম হিল স্পোর্টস বুক অফ দ্য ইয়ার পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়।
গ্রিলসের তৃতীয় বই বর্ন সারভাইভর: বিয়ার গ্রিলস; এটি পৃথিবীর বেশ কিছু প্রতিকূল পরিবেশে তাঁর টিকে থাকার অভিজ্ঞতা অবলম্বনে রচিত হয়েছে। এটি সানডে টাইমস টপ টেন বেস্ট সেলার তালিকায় স্থান পায়। এছাড়া তিনি বিয়ার গ্রিলস আউটডোর অ্যাডভেঞ্চার নামে একটি বই লিখেন। ২০১১ সালে বিয়ার গ্রিলস আত্মজীবনী প্রকাশ করেন। এর নাম মাড, সোয়েট অ্যান্ড টিয়ারস: দ্য অটোবায়োগ্রাফি। দুর্গম স্থানে টিকে থাকার কৌশলের উপর শিশু-কিশোরদের জন্য তিনি বেশ কটি বই রচনা করেন। এগুলো হল মিশন সারভাইভাল: গোল্ড অফ দ্য গডস, মিশন সারভাইভাল: ওয়ে অফ দ্য ওলফ, মিশন সারভাইভাল: স্যান্ডস অফ দ্য স্করপিয়ন, মিশন।
২০০৫ সালে বিয়ার গ্রিলস এবং তাঁর এগারো সহযোগীর ফ্রেঞ্চ ফরেন লিজিওনের আওতায় সাহারা মরুভূমিতে প্রশিক্ষণের উপর এস্কেপ টু দ্য লিজিওন নামে একটি টেলিভিশন শো নির্মিত হয়। এটি যুক্তরাজ্যের চ্যানেল ফোর এবং যুক্তরাষ্ট্রের মিলিটারি চ্যানেলে প্রচারিত হয়। এছাড়া ২০০৮-এও এটি যুক্তরাজ্যের হিস্টোরি চ্যানেলে পুনঃপ্রচারিত হয়।

বর্ন সারভাইভর/ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড :
===================================================
যুক্তরাজ্যের চ্যানেল ফোর-এ বর্ন সারভাইভর: বিয়ার গ্রিলস নামে গ্রিলস একটি প্রোগ্রাম করে থাকেন। এটি অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, কানাডা, ভারত এবং যুক্তরাষ্ট্রে ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড নামে প্রচারিত হয়। এছাড়া ইউরোপ, এশিয়া এবং আফ্রিকার অনেক দেশীটি আল্টিমেট সারভাইভাল নামে প্রচারিত হয়। এই অনুষ্ঠানে দেখানো হয়, বিয়ার গ্রিলসকে কোন প্রতিকূল পরিবেশে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই পরিবেশে প্রতিকূলতার মধ্যে কীভাবে বেঁচে থাকাওতে হয় তা গ্রিলস প্রদর্শন করে। ২০০৬ সালে ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড শুরু হয় এবং এটি যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধিক জনপ্রিয় টেলিভিশন প্রোগ্রামে পরিণত হয়। বিশ্বজুড়ে ১.২ বিলিয়ন মানুষ এই অনুষ্ঠান দেখে থাকে। এই অনুষ্ঠানে দেখায় বিয়ার গ্রিলস সুউচ্চ পর্বত-শৃঙ্গে আরোহণ করছে, হেলিকপ্টার থেকে প্যারাশুট নিয়ে নামছে, প্যারাগ্লাইডিং করছে, বরফ-আবৃত পাহাড়ে উঠছে, গভীর অরণ্যের আগুনের মধ্য দিয়ে দৌড়াচ্ছে, সাপ পোকা-মাকড় কীট-পতঙ্গ খাচ্ছে, মরুভূমির কড়া রোদ থেকে পরিত্রাণের জন্য প্রস্রাব-সিক্ত টিশার্ট দিয়ে মাথা আবৃত করছে, সাপের খোলসের মধ্যে প্রস্রাব জমিয়ে রেখে পান করছে, হাতির মল নিঃসৃত তরল পান করছে, হরিণের বিষ্ঠা খাচ্ছে, কুমিরের সাথে যুদ্ধ করছে, সীলের চামড়াকে পোশাকের মত বানিয়ে সাঁতারের সময় হ্রদের হিমশীতল পানি থেকে পরিত্রাণের জন্য তা পরিধান করছে, জলপ্রপাত থেকে ঝাপিয়ে পড়ছে, বাঁশ দিয়ে ভেলা বানিয়ে সাগর পাড়ি দিচ্ছে, সাগরের তলদেশে কোন প্রকার যন্ত্রের সাহাযে ছাড়াই মাছসহ অন্যান্য জলজ প্রাণী শিকার করে খাচ্ছে, প্রতিকূল পরিবেশে আশ্রয় হিসেবে স্থানীয় হিনিস দিয়ে থাকার জায়গা বানাচ্ছে এবং দুর্গম পরিবেশে টিকে থাকার জন্য এমনি আরো উপায় ও কৌশল সে অবলম্বন করছে।

২০১২ এর মার্চে ডিসকভারি চ্যানেল বিয়ার গ্রিলসের সাথে চুক্তি-সংক্রান্ত মতৈক্যের কারণে ম্যান ভার্সেস ওয়াইল্ড অনুষ্ঠান নির্মাণ বন্ধ করে।

নিরিবিলি এক সমুদ্র সৈকতের নাম কাট্টলী সমুদ্র সৈকত  ====================================== চট্টগ্রাম শহর থেকে কিছুটা দূরে...
21/11/2014

নিরিবিলি এক সমুদ্র সৈকতের নাম কাট্টলী সমুদ্র সৈকত
======================================

চট্টগ্রাম শহর থেকে কিছুটা দূরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে আকর্ষণীয় সমুদ্র সৈকতটির নাম কাট্টলী সমুদ্র সৈকত। পাহাড়তলী থানার দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ডের এই সমুদ্র সৈকতটি অনেকের কাছেই অজানা। চট্টগ্রামবাসী কেউ কেউ এর খবর জানলেও বাহিরের পর্যটকরা এর খবর খুব একটা জানেন না।

এই সৈকতটির আরেকটি নাম হল জেলেপাড়া সমুদ্র সৈকত। জায়গাটির নৈসর্গিক সৌন্দর্য সহজেই বিমোহিত করে প্রকৃতিপ্রেমীদের। একদিকে সমুদ্র সৈকত আর একদিকে গ্রামীণ পরিবেশ অন্য কোন সৈকতে খুজে পাওয়া যাবে না। চট্টগ্রাম শহর থেকে টোল সড়ক ধরে সহজেই পৌঁছুতে পারেন জায়গাটিতে। এ ছাড়া চট্টগ্রামের একমাত্র আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ভেন্যু জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের পাশ দিয়েও এ সৈকতে আসা যায়। এ জায়গাটির নাম সাগরিকা সমুদ্র সৈকত। যারা জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে আসেন তাদের জন্য এই সমুদ্র সৈকতটি একটি আদর্শ ভ্রমন স্পট। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, মৃতুমন্দ বাতাস, সাম্পান নৌকা, জেলেদের মাছ ধরা আর তাদের জীবনযাপন আপনাকে মুগ্ধ করবে। আর সন্ধ্যার সূর্যাস্ত আপনাকে মোহাবিষ্ট করবে। এমন নিরিবিলি সূর্যাস্ত হয়তো আপনি আর কোথাও দেখতে পারবেন না। সবকিছু মিলিয়ে এটি হতে পারে আপনার জন্য একটি নতুন অভিজ্ঞতা।

যে ভাবে যাবেন
-------------------

ঢাকা থেকে সড়ক, রেল ও আকাশ পথে যেতে পারেন চট্টগ্রাম শহরে। চট্টগ্রাম শহর হতে প্রথমে আপনাকে আসতে হবে পাহাড়তলী থানায়। ব্যাক্তিগত গাড়ী কিংবা সিএনজি বা মাইক্রোবাসে আসতে পারেন পাহাড়তলী। পাহাড়তলী হতে জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামের পাশ ঘেসে আসতে হবে টোল সড়কে। টোল সড়কের পাশেই পেয়ে যাবেন কাট্টলী সৈকত। অথবা আপনি শহর হতে টোল সড়ক ধরেও আসতে পারেন কাট্টলী।

 #  #  # নারায়ণগঞ্জের আশপাশে দর্শনীয় স্থানসমুহ  #  #  #অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর আমাদের বাংলাদেশের প্রায় প্রত্যেকটি জেলায়ই র...
20/11/2014

# # # নারায়ণগঞ্জের আশপাশে দর্শনীয় স্থানসমুহ # # #

অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর আমাদের বাংলাদেশের প্রায় প্রত্যেকটি জেলায়ই রয়েছে বিভিন্নদর্শনীয় স্থান।পাঠক আজ নারায়ণগঞ্জের কিছু দর্শনীয় স্থানের তথ্য জানাবো যেখানে আপনি ইচ্ছা করলে শহুরে ব্যস্ততার ফাঁকেও অনায়াসেই ঘুড়ে আসতে পারবেন ।চলুন ঘুরে আসি রাজধানীর একেবারে কোলঘেষা জেলা নারায়ণগঞ্জের কিছু দর্শনীয় স্থান থেকে।

প্রাচীন বাংলার রাজধানী পানাম নগর:
মোঘল আমলে বাংলাদেশের রাজধানী ছিল এই পানাম নগর।যা আজকের এই সোনারগাঁও নামে পরিচিত।৪০০ বছর আগের সেই জৌলস না থাকলেও সেই সোনালীদিনের ঐতিহ্য বুকে ধারণ করে আজও ঠায় দাঁড়িয়ে আছে পানাম নগরী।সেখানে মোঘল রাজা ঈসা খাঁ’র আমলে নির্মিত কিছু প্রাসাদ আর পুরাকীর্তি এখনো আপনাকে মনে করিয়ে দিবে কতশত বছর আগেও কত সমৃদ্ধ ছিল আমাদের এই দেশ।অযত্ন আর অবহেলার কারণে এর ঐতিহ্য হারাতে বসলেও বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে এখন কিছু প্রাচীন ভবন সংরক্ষন করা হচ্ছে।এলাকাটিকে সরকার পর্যটন নগরীতে পরিণত করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে।ঢাকা থেকে মাত্র ২৫ কি.মি. দূরত্বের এ এলাকটিতে ঘুরাফেরা করতে কোন টাকা লাগবেনা।

বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প যাদুঘর, সোনারগাঁ :
পানাম নগরীর পাশেই গড়ে সোনারগাঁয়ের ঐতিহ্যবাহী লোক ও কারুশিল্প যাদুঘর।শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের স্বপ্নে গড়া এই লোক ও কারুশিল্প যাদুঘরে আপনি ইচ্ছা করলে হারিয়ে যেতে পারবেন শত সহস্র বছরের বাঙ্গালী ঐতিহ্যের মাঝে। পুরনো দিনের গ্রামীন ঐতিহ্য থেকে শুরু করে আগেকার আমলের রাজাদের ব্যবহৃত সব আসবাব পত্র ও যুদ্ধাস্ত্র দেখতে পারবেন সেখানে। এতে প্রবেশ ফি ১৫ টাকা।

বাংলার তাজমহল :
প্রেমের জন্য অমর হয়ে আছেন মোঘল সম্রাট শাহজাহান তারা বিবির জন্য তাজমহল নির্মান করে। বিশ্বের ক’জনই আছেন সেখানে যাওয়ার অভিলাস প্রকাশ করেনা? কিন্তু যেতেই পারেন বা ক’জন? ভ্রমণ পিপাসুদের জন্য সুখবর হলো আমাদের দেশেই নির্মিত হয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় তাজমহল। ঠিক সম্রাট শাহজাহানের গড়া আসল তাজমহল না হলেও আগ্রার তাজমহলের আদলেই গড়ে তোলা হয়েছে এই তাজমহলটি। নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ের পেরাবো এলাকায় মুক্তিযোদ্ধা আহসান উল্লাহ মণি গড়ে তুলেছেন বাংলার তাজমহল। এই তাজমহল দেখতে হলে আপনাকে যেতে হবে সোনারগাঁওয়ের পেরাবো গ্রামে। সেখানে প্রবেশ ফি ৫০ টাকা।

রূপগঞ্জ রাজবাড়ি:
ঢাকা সিলেট মহাসড়কের মধ্যেখানেই রূপগঞ্জ। সেখানে আছে প্রায় শতবর্ষী রাজবাড়ি। অপূর্ব এই রাজবাড়ীর কারুকার্যমন্ডিত সৌন্দর্য দৃষ্টিনন্দন। জমিদার বাড়ির সামনেই রয়েছে বিশাল আকৃতির পুকুর। প্রাচীন এ প্রাসাদটি বেশ আকর্ষণীয়। প্রায় ৯৫টি কক্ষ সংবলিত এ প্রাসাদে অতিথিশালা, নাচঘর, পূজাম-প, কাছারিঘর, আস্তাবলসহ আরো বিভিন্ন অংশে বিস্তৃত। একটু সময় করে ঘুরে আসতে পারেন প্রাকৃতিক পরিবেশে সংরক্ষিত রূপগঞ্জের রাজবাড়ী থেকে। এখানে প্রবেশের জন্য কোন ফি লাগবেনা।

শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর আশ্রম:
সারা বিশ্বের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রাণপুরুষ শ্রী শ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারীর আশ্রম ও তীর্থস্থান এই জেলায়ই। জেলার বারদী ইউনিয়নে লোকনাথের আশ্রম। প্রতিবছর হাজার হাজার হিন্দু ধর্মাবলম্বী এখানে আসেন পূন্যস্নানের জন্য। ঢাকা থেকে প্রায় ৩৫ কি.মি. দূরে এই তীর্থস্থানে ভ্রমনের জন্য যাতায়াত ভাড়া ছাড়া আপনাকে কোন খরচ করতে হবেনা। এছাড়াও এই এলাকা অর্থাৎ বারদীতে রয়েছে বাংলার বড় বাবু জ্যোতি বসুর স্মৃতি বিজরিত পৈত্রিক নিবাস।

এছাড়াও সোনারগাঁওয়েই রয়েছে মোঘল সম্রাট গিয়াস উদ্দিন আযম শাহ্ এর মাজার। পাঁচ পীরের মাজার, লালপুরি শাহ্ এর দরবার শরিফ প্রমুখ ঐতিহ্যবাহী স্থান।

সোনাকান্দা দুর্গ:
শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব তীরে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দরে অবস্থিত এ জলদুর্গটি। হাজীগঞ্জ দুর্গের প্রায় বিপরীত দিকেই এর অবস্থান। নদীপথে ঢাকার সঙ্গে সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ নদীপথগুলোর নিরাপত্তার জন্য মুঘল শাসকগণ কতগুলো জলদুর্গ নির্মাণ করেছিলেন। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো সোনাকান্দা দূর্গ।

হাজীগঞ্জ দূর্গ:
নারায়ণগঞ্জ জেলাশহরের কিল্লারপুলে অবস্থিত ঐতিহাসিক হাজীগঞ্জ দুর্গ। বাংলার বারভূঁইয়াদের অন্যতম ঈসা খাঁর কেল্লা হিসেবেও অনেকের কাছে এটি পরিচিত। নদীপথে মগ ও পর্তুগিজদের আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য মীরজুমলার শাসনামলে এ দুর্গ নির্মিত বলে ঐতিহাসিকগণ মনে করেন। চতুর্ভুজাকৃতি এই দুর্গের প্রাচীরে রয়েছে বন্দুক বসিয়ে গুলি চালাবার ফোকর।

কদমরসুল দরগা:
নারায়ণগঞ্জ শহরের বিপরীত দিকে শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব পাড়ে নবীগঞ্জে অবস্থিত কদমরসুল দরগা। এখানে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স)-এর কদম মোবারকের ছাপ সংবলিত একটি পাথর রয়েছে। ইতিহাস থেকে জানা যায়, সম্রাট আকবরের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণাকারী আফগান নেতা মাসুম খান কাবুলি পদচিহ্ন সংবলিত এ পাথরটি একজন আরব বণিকের কাছ থেকে কিনেছিলেন। ঢাকার জমিদার গোলাম নবী ১৭৭৭-১৭৭৮ সালে এ সৌধটি নির্মাণ করেন। আর কদম রসুল দরগার প্রধান ফটকটি গোলাম নবীর ছেলে গোলাম মুহাম্মদ ১৮০৫-১৮০৬ সালে নির্মাণ করেন।

বিবি মরিয়ম মসজিদ ও সমাধি:

নারায়ণগঞ্জ শহরের হাজীগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত এ মসজিদটি হাজীগঞ্জ মসজিদ নামেও পরিচিতি। তিন গম্বুজবিশিষ্ট এ মসজিদটি শায়েস্তা খাঁ কর্তৃক ১৬৬৪-১৬৮৮ সালে নির্মিত বলে ঐতিহাসিকগণ মনে করেন।

রূপগঞ্জ জামদানি পল্লি:
প্রাচীন আমলে বাংলার মসলীনের কদর ছিল বিশ্ব জুড়ে। তবে আজ সেই ঐতিহ্যবাহী মসলীন না থাকলেও রয়েছে জামদানী। বিশ্বের অন্যতম আকর্ষনীয় এ শাড়ী তৈরীতে শীতলক্ষার তীরে রূপগঞ্জ থানার রূপসীতে রয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় জামদানী পল্লি। রূপসী বাজার ও এর আশপাশে শতশত জামদানি শিল্পী দিন-রাত তাঁতে বুনেন নানা রকম শৈল্পিক জামদানি। তুলনামূলক কম দামে এখান থেকে ভালো মানের জামদনি শাড়ি কেনা যায়।

জিন্দাপার্ক:
বর্তমানে রাজউকের বর্ধিত সম্প্রসারিত এলাকা পূর্বাচল উপশহরে অবস্থিত এই পার্কটি। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যে ও পরিবেশে তৈরী এই পার্কটি আগামীর ঢাকার বৃহৎ বিনোদন কেন্দ্র। গাছগাছিতে মুখরিত এই জায়গাটিতে ইচ্ছে করলেই ঘুরে আসতে পারেন।

রাসেল পার্ক :
মুড়াপাড়া জমিদার বাড়ির পাশেই বেসরকারি একটি বনভোজন কেন্দ্র রাসেল পার্ক। নানারকম গাছ-গাছালি ছাড়াও এখানে আছে ছোট একটি চিড়িয়াখানা। সপ্তাহের প্রতিদিনই সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকে এটি। নারায়ণগঞ্জের পরিভ্রমনকারি নদী সমূহ হচ্ছে শীতলক্ষ্যা, মেঘনা, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র, বুড়িগঙ্গা, বালু এবং ধলেশ্বরী নদী। এসব নদীতে নৌকায় করে ঘুরে বেড়িয়ে আন্দন্দের সময় পার করতে পারেন।

পন্ড গার্ডেন পার্ক :
শীতলক্ষা নদীর পূর্বতীরবর্তী রূপগঞ্জের চমৎকার প্রাকৃতিক পরিবেশে কাঞ্চন সেতুর ধার ঘেষে গড়ে উঠেছে একটি চমৎকার পর্যটন কেন্দ্র। বেসরকারী উদ্যোগে গড়ে ওঠা এ পার্কটি ইতো মধ্যেই ভ্রমনপিপাসুদের নজর কেড়েছে। গ্রামীণ নৈসর্গে গড়া বিশাল এ পার্কটিতে বিনোদনের জন্য রয়েছে নানা আয়োজন। পুকুরের মাঝখানে ফোয়ারা আর ভাসমান সেতু দর্শনার্থীদের নিঃসন্দেহে মুগ্ধ করবে। পুকুর থেকে তাজা মাছ ধরে পরিবেশনের ব্যবস্থাও আছে এখানে। এখানে আছে ১৬ সিটের সুপার চেয়ার, শিশুদের জন্য রয়েছে ইঞ্জিন ট্রেন, আনন্দ ঘুর্ণন, হেলিকপ্টার,ব্যাটারি গাড়ী,স্লিপার, দোলনা, ঢেকি ইত্যাদি। পার্ক জুড়ে চোখে পরবে চিত্রা হরিন, বানর আর পাখিদের ছুটাছুটি। আছে হরেক রকমের জীবিত মাছ নিয়ে সাজানো ফিস মিউজিয়াম। ১শ’ থেকে ৫ শ’ জন পর্যন্ত পিকনিক করতে পারেন এখানে। খাবার জন্য রয়েছে দ্বিতল ডাইনিং হল। আছে বাবুর্চি, ডেক-হাড়িপাতিলের ব্যবস্থা। পিকনিকে আসা লোকদের জন্য রয়েছে খেলাধুলার বিশেষ ব্যবস্থা। এখানে যে খেলাগুলোতে অংশগ্রহন করে নিজেরা আনন্দ উপভোগের পাশাপাশি সঙ্গীদের মনোরঞ্জন করতে পারেন তাহলো মিউজিক্যাল চেয়ার, মিউজিক্যাল পিলো রানিং, রশি টানাটানি, বাস্কেট, ভলি, ব্যাডমিন্টন, হাড়ি-ভাঙ্গা ইত্যাদি। পার্কটিতে পর্যাপ্ত পরিমানে পানিয়জল, বিদ্যুৎ ও টয়লেটের ব্যবস্থা রয়েছে। আছে ফাস্টফুডের দোকান। আছে গাড়ি পাকিংয়ের ব্যবস্থা। এখানে এলে ফোয়ারা, ভাসমান সেতু, বিশাল ফুলের বাগান আপনাকে সত্যিই মুগ্ধ করবে। পার্কের দর্শনার্থী বিশ্রামাগারের দ্বীতিয় তলার খোলামেলা বাড়ান্দায় বসে ও সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারেন। কোলাহলমুক্ত এই স্থানটির মনোরম পরিবেশ আপনার মনকে আনন্দে মাতিয়ে তুলবে।

কিভাবে যাবেন :
সায়েদাবাদ বাসস্ট্যান্ড থেকে অথবা গুলিস্তান থেকে নারায়ণগঞ্জের সর্বত্র যাতায়াতের জন্য লোকাল ও স্পেশাল বাস আছে। ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জের পথে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বেশ কিছু বাস চলাচল করে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল— বিআরটিসি, বন্ধন, উৎসব, সেতু, আনন্দ ইত্যাদি। ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ গেইট ও গুলিস্তানের হকি স্টেডিয়ামের আশপাশ থেকে এসব বাস ছেড়ে যায়। ভাড়া ৩৫-৫০ টাকা। এ ছাড়া কমলাপুর রেল ষ্টেশন থেকে ট্রেনে করেও নারায়ণগঞ্জে যাওয়া যায়।

আপনার কর্মব্যস্তদিনের শেষে অথবা একদিন সময় করে বন্ধু-বান্ধব বা স্বপরিবারে ঘুরে আসতে পারেন নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন মনোরম পরিবেশ থেকে।

মান্দারবাড়িয়া, বাংলাদেশের এক অজানা সমুদ্র সৈকত-----------------------------------------------------------------মান্দারবা...
20/11/2014

মান্দারবাড়িয়া, বাংলাদেশের এক অজানা সমুদ্র সৈকত
-----------------------------------------------------------------

মান্দারবাড়িয়া, সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত বঙ্গোপসাগরের তীরভূমি জুড়ে এক নয়নাভিরাম বালুকাময় সমুদ্র সৈকত।সাতক্ষীরার বুড়িগোয়ালিনীর নীলডুমুর নৌ-ঘাট থেকে এর দূরত্ব আনুমানিক ৭৫ কিঃমিঃ।

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সপ্তমাশ্চর্য সুন্দরবন, পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় একক ম্যানগ্রোভ বন । এ বনে জালের মতো জড়িয়ে আছে সামুদ্রিক জল ধারা, বাদাবন আর ছোট ছোট দ্বীপ। সমগ্র সুন্দরবনের মধ্যে এই সাতক্ষীরা রেঞ্জেই সবচেয়ে বেশি বাঘ দেখা যায় ।

হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর তীরে মান্দারবাড়িয়ায় বন আর বেলাভূমির যুগল মিলন । এক পাশে বিশাল সমুদ্র আর অন্য পাশে ঘন বন। বৃক্ষ আচ্ছাদিত রহস্যময় ঘনবন, মনের রহস্যকে আনমনা করে দেয়, মনোজগতে তৈরি এক ধরনের বিচ্ছিন্নতার টান।

প্রায় ৮ কিলোমিটার লম্বা এই সমুদ্র সৈকত যেন ছবির মত । মান্দারবাড়িয়া সৈকতের সাথে অন্যকোনো সৈকতের একটুও মিল নেই। অপূর্ব সৌন্দর্য ঘেরা এক জায়গা। পিছনে বাঘের ভয় আর সামনে অসম্ভব ভালোলাগার হাতছানি দেয়া সমুদ্র, বিস্তীর্ণ সৈকত, সবুজ রহস্যে ঘেরা বন।

কীভাবে যাবেনঃ
------------------

ঢাকা থেকে সাতক্ষীরার বুড়িগোয়ালীনি থেকে ট্যুরের জন্য শ্যামলী থেকে সাতক্ষীরার বাস ধরে সাতক্ষীরা/শ্যামনগর। ভাড়া এসি ৫০০/৬০০, নন এসি ৩০০/৩৫০ টাকা। ঢাকা থেকে সাতক্ষীরার দূরত্ব ৩৪৩ কিলোমিটার। সাতক্ষীরা সদর থেকে বুড়িগোয়ালীনি ৭০ কিলোমিটার। যেতে সময় লাগে সাত থেকে আট ঘন্টা। তিন চার দিনের এই ধরনের ট্যুরে প্রতিজনের খরচ হয় সর্বসাকুল্যে কমবেশি ৭-৮ হাজার টাকা।

বগালেক, রুমা, বান্দরবান, বাংলাদেশ
20/11/2014

বগালেক, রুমা, বান্দরবান, বাংলাদেশ

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Expose Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Expose Bangladesh:

Share

Category