21/09/2016
আমার ইচ্ছে ছিল বাংলাদেশের সবগুলো রেলপথ {(প্রধান এবং শাখা-প্রশাখা), (পূর্বাঞ্চল-পশ্চিমাঞ্চল), (মিটারগেজ-ব্রডগেজ)} রেলগাড়ীর মাধ্যমে ভ্রমন করা। অবশেষে সেই ইচ্ছা পূর্ণ হলো সর্বশেষ রেলপথ দিনাজপুর-বিরল ভ্রমনের মাধ্যমে। ইতিমধ্যে আমি যে রেলপথগুলো ভ্রমন করেছি তা নিম্নে দেওয়া হলো:
১. ঢাকা-চট্টগ্রাম
২. ঢাক-সিলেট
৩. ঢাকা-খূলনা
৪. ঢাকা-দিনাজপুর
৫. ঢাকা-রাজশাহী
৬. ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ বাজার
৭. ময়মনসিংহ জংশন-মোহনগঞ্জ
৮. শ্যামগঞ্জ জংশন -ঝারিয়া
৯. গৌরীপুর জংশন-ভৈরব বাজার
১০. জামালপুর জংশন-যমুনা সেতু পূর্ব
১১. লাকসাম জংশন-চাঁদপুর
১২. লাকসাম জংশন-সোনাপুর (নোয়াখালী)
১৩. চট্টগ্রাম-দোহাজারী
১৪. চট্টগ্রাম-নাজিরহাট
১৫. ফতেহাবাদ জংশন-চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
১৬. সিলেট-ছাতক
১৭. যশোর জংশন -বেনাপোল
১৮. পোড়াদহ জংশন-গোয়ালন্দঘাট
১৯. পাচুরিয়া জংশন-ফরিদপুর
২০. কালুখালী জংশন-ভাটিয়াপাড়াঘাট (কাশিয়ানী)
২১. রাজশাহী-রহনপুর
২২. আমনুরা জংশন-চাঁপাইনবাবগঞ্জ
২৩. দিনাজপুর-পঞ্চগড়
২৪. দিনাজপুর-বিরল
২৫. পার্বতীপুর-চিলাহাটি
২৬. পার্বতীপুর-বুড়িমাড়ী
২৭. তিস্তা জংশন-রমনা (কুড়িগ্রাম)
২৮. সান্তাহার জংশন-কাউনিয়া জংশন
২৯. জামতৈল-সিরাজগঞ্জ বাজার
এই রেলপথগুলো ভ্রমন করতে গিয়ে অনেকগুলো ছোট-বড় ষ্টেশন, জংশন, ব্রীজ পাড়ি দিতে হয়েছে। সাথে অনেক কষ্টও করতে হয়েছে। তবে কষ্টের চেয়ে ভাল লেগেছে বেশী এবং অনেক আনন্দ অনুভব করেছি। আরেকটা কথা বলে রাখি প্রায় ৮০ ভাগ ট্যুরে আমি একা ছিলাম, বাকী ট্যুরগুলোতে হয়ত দু-একজন বন্ধু (মুরাদ, কালাম ভাই) ছিল। ট্যুর সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি এবং দোয়া কামনা করছি।