Amazing Dinajpur

Amazing Dinajpur দিনাজপু‌র জেলার ইতিহাস ঐতিহ্য সহ প্রতিমুহূর্তের আপডেট তথ্য জানতে আমাদের নিয়মিত ফলো দিয়ে পাশে থাকুন।

⚠ Sponsorship এর জন্য ইনবক্স করুন 💌
(241)

সাহিত্য ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যমন্ডিত দিনাজপুরের ইতিহাস অত্যন্ত প্রাচীন ও সমৃদ্ধ। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের ছোট নাগপুর, বিন্ধ্যা পর্বত প্রভৃতি লাখ লাখ বছরের প্রাচীন স্থানগুলোর মৃত্তিকার সমগোত্রীয় দিনাজপুরের মাটি। বহুকাল পূর্বে হিমালয় পর্বতের ভগ্নীরূপে জন্ম নেয়া বরেন্দ্র ভূমির হৃদয়-স্থানীয় স্থান দিনাজপুর। লোকশ্রুতি অনুযায়ী জনৈক দিনাজ অথবা দিনারাজ দিনাজপুর রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর নামানুসারেই রা

জবাড়ীতে অবস্থিত মৌজার নাম হয় দিনাজপুর। পরবর্তীতে ব্রিটিশ শাসকরা ঘোড়াঘাট সরকার বাতিল করে নতুন জেলা গঠন করে এবং রাজার সম্মানে জেলার নামকরণ করে দিনাজপুর।

বাংলাদেশ ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর শাসনের সূচনায় সৃষ্ট আদি জেলা শহরগুলির অন্যতম দিনাজপুর। ইংরেজ সেনারা পলাশী যুদ্ধের আট বছর পর ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে এ এলাকা জয় করে। ফলে নবাবী শাসনের অবসানের সঙ্গে পতন হয় সাবেক রাজধানী ঘোড়াঘাট নগরের। তারপর থেকে গড়ে উঠতে শুরু করে দিনাজপুর শহর।

দিনাজপুর গেজেটিয়ারের মতে ১৭৮৩ খ্রিস্টাব্দে জেলা শাসনের জন্য দিনাজপুরে স্বতন্ত্র স্থায়ী কালেক্টরেট স্থাপিত হয়। তার পূর্ব পর্যন্ত দিনাজপুর-রংপুর যুক্ত কালেক্টরেট ছিল। রাজসেরেস্তা থেকে নথিপত্র প্রত্যাহার করে জিলা স্কুলের পুরাতন ভবনটিতে (সম্প্রতি ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে) কালেক্টর অফিস স্থাপিত হয়। জেলা স্কুল হওয়ার পূর্বে ভবনটি রাজকাচারী ছিল। তখন কালেক্টর ছিলেন মি. ম্যারিওয়েট; রাজা ছিলেন রাজবংশের নাবলক উত্তরাধিকারী রাধানাথ।

১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ সেনাপতি মিঃ কোট্রিল ঘোড়াঘাটের শেষ মুসলিম ফৌজদার করম আলী খানকে পরাজিত করে এই অঞ্চলে ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। এ অঞ্চলে প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে ইংরেজরা ১৭৮৬ সালে নতুন জেলা গঠন করে এবং ১৭৯৩ সালে দিনাজপুরে জেলার দপ্তর স্থাপন করে। দিনাজপুরের কালেক্টর মিঃ এইচ জে হ্যাচ (১৭৮৬-১৭৯৩ পর্যন্ত কালেক্টর ছিলেন) এর আমলে দিনাজপুরে প্রথম নিজস্ব কালেক্টরেট ভবন নির্মিত হয় বর্তমান বাহাদুর বাজারস্থ গোলকুঠি বাড়ীতে। জেলা কালেক্টরেট নির্মিত হওয়ায় এবং সেই সঙ্গে সুবিন্যস্ত শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হওয়ায় আধুনিক জেলা শহরটির গড়ন শুরু হয় রাজাদের দেয়া কয়েকটি মৌজার উপর। রাজবাড়ী থেকে সমস্ত নথিপত্র প্রত্যাহার করে গোলকুঠি ভবনে আনা হয়। মুগল আমলের ঘোড়াঘাট নগর তখন সম্পূর্ণভাবে পরিত্যক্ত। দিনাজপুর শহর তখন জেলা শাসনের কেন্দ্র ও সবকিছুর কর্মস্থলে পরিণত হতে শুরু করে। ১৮৩৩ থেকে ১৮৭০ সাল পর্যন্ত দিনাজপুরের বিভিন্ন অংশ পূর্ণিয়া, রংপুর ও রাজশাহীর মধ্যে অন্তর্ভুক্তি ও বিচ্যুতি ঘটে।

১৮০০ হইতে ১৮০১ খ্রিস্টাব্দে দিনাজপুরের বড় বড় এষ্টেট পূর্ণিয়া, রংপুর এবং রাজশাহী জেলার সংগে যুক্ত করা হয়। ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে আর একটি সুবিস্তৃত অংশ বগুড়া ও মালদহ জেলার সাথে যুক্ত করার পূর্ব পর্যন্ত আর কোন রদবদল করা হয়নি। ১৮৬৪-১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে খট্রা নামক একটি সুবিশাল পরগণাকে এ জেলা হতে ছেঁটে বগুড়া জেলার সাথে যুক্ত করা হয়। ১৮৬৮-১৮৭০ সালের দিকে এ জেলার একটি বৃহৎ অংশ বগুড়া ও মালদহ জেলায় যুক্ত হয়। ১৮৯৭-১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে এ জেলার দক্ষিণ অংশে অবস্থিত মহাদেবপুর থানা রাজশাহীতে স্থানান্তরিত হয়। পাকিস্তান-পূর্ব আমল পর্যন্ত আর কোন রদবদল হয়নি।

১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্ট রাজ্য ইংরেজ শাসিত ভারতের বুকে পাকিস্তান ও ভারত নামক দুটি আলাদা রাষ্ট আত্মপ্রকাশ করে। ঐ সময়ে রাডক্লিফ রোয়েদাদ অনুসারে এ জেলার দশটি থানা ভারতের পশ্চিম বাংলা প্রদেশের অন্তর্ভূক্ত হয় এবং পশ্চিম দিনাজপুর জেলা গঠন করে। অপরদিকে পশ্চিম বাংলার জলপাইগুড়ি জেলা হতে তেতুলিয়া, পঞ্চগড়, বোদা, দেবীগঞ্জ ও পাটগ্রাম থানা দিনাজপুরের সাথে যুক্ত হয়। পরবর্তী সময়ে পাকিস্তান সরকার শাসনকার্যের সুবিধার্থে পাটগ্রাম থানাটি রংপুরের সাথে এবং দিনাজপুরের দক্ষিণ অংশের ধামইর, পোরশা ও পত্নিতলা থানা তিনটি তৎকালীন রাজশাহীর নওগাঁ মহকুমার সাথে যুক্ত করে। সর্বশেষ ১৯৮৪ সালে দিনাজপুরের দুটি মহকুমা ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় আলাদা জেলার মর্যাদা লাভ করে।


আয়তনঃ ৩,৪৪৪.৩০ ব:কিঃমিঃ (১৩২৯.৮৫ বঃ মাঃ) (উপজেলা ভিত্তিক আয়তন)

লোক সংখ্যাঃ ৩১,০৯,৬২৮ জন
(২০১১ সালের আদমশুমারী অনুয়ায়ী-Adjusted) (উপজেলা ভিত্তিক লোকসংখ্যা)

দিনাজপুরে মোট  ১ হাজার ৮৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৯৩৮টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য....© Amazing Dinajpur
25/10/2025

দিনাজপুরে মোট ১ হাজার ৮৬৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৯৩৮টিতে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য....

© Amazing Dinajpur

হাসপাতাল নয়, এ যেন  স্বাস্থ্য-বাণিজ্য কেন্দ্র! দিনাজপুরের চিকিৎসা সেবার নামে নৈরাজ্য।​দিনাজপুরের চিকিৎসা কেন্দ্রে রোগীকে...
25/10/2025

হাসপাতাল নয়, এ যেন স্বাস্থ্য-বাণিজ্য কেন্দ্র! দিনাজপুরের চিকিৎসা সেবার নামে নৈরাজ্য।

​দিনাজপুরের চিকিৎসা কেন্দ্রে রোগীকে নিয়ে ঢোকা মাত্রই মানবসেবার নামে এক নীরব বাণিজ্য শুরু হয়ে যায়। শুরুতে ১০ টাকার টিকেট, কিন্তু ভর্তি হলেই সেই টিকেট হয়ে যায় ২৫ টাকার বিল! এরপর শুরু হয় একটার পর একটা ধাপ,হুইল চেয়ারে ওয়ার্ডে নিতে ১০০-২০০ টাকা, অবস্থা খারাপ হলে ট্রলিতে সরাতে ২০০-৩০০ টাকা বেড পেতে গুনতে হয় আরও ১০০ টাকা, নয়তো ঠাঁই মেলে মাটিতে, আর ২০০ টাকা দিলেই কপালে জোটে তথাকথিত ভিআইপি বেড এই হচ্ছে ভেতরের চিত্র দৈনন্দিন,এমন অনেক বিরম্বনার ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ...

এরপর ​ডাক্তার এলেই শুরু হয় , প্রয়োজনের থেকে বেশী অপ্রয়োজনীয় চার-পাঁচটি পরীক্ষার নির্দেশ, সাথে স্যালাইন ও বিভিন্ন ওষুধের লম্বা তালিকা। রিপোর্ট নিয়ে নতুন ডাক্তারের কাছে গেলে খরচ হয় আরও বাড়ে নতুন পরীক্ষা, নতুন পরামর্শ, নতুন বিল। মজার বিষয় হলো, পরীক্ষার জন্যেও আবার আলাদা করে হুইলচেয়ারে ১০০ এবং ট্রলিতে ২০০ টাকা দিতে হয় এভাবে প্রতিদিন রোগীর পরিবারকে নতুন নতুন খরচের মুখে পড়তে হয়।

​সব পরীক্ষার শেষে যদি অপারেশন লাগে, তবে রোগীর পরিবারকে হাজার কয়েক টাকার ওষুধ নিজ খরচে কিনে ডাক্তারের হাতে দিতে হয়, এরপরের পরিণতি আরও নির্মম: অপারেশন ব্যর্থ হলে রোগী মা*রা গেলে পকেট শূন্য করে শুনতে হয় টাকাও শেষ, মানুষও শেষ আর যদি কোনোভাবে অপারেশন সফল হয়, তবে শুরু হয় আরও এক পর্বের অর্থদান ওটি বয় ,দারোয়ান পর্যন্ত খুশি করতে হয় বকশিশ দিয়ে। প্রতিদিনের ড্রেসিং আর ওষুধের খরচ তো আছেই।

​শেষপর্যন্ত যখন রিলিজ বা ছাড়পত্র পাওয়ার পালা আসে, আবারো দারোয়ান, ওয়ার্ড বয়দের মুখে হাসি ফোটাতে অর্থদান সবাইকে টাকা দিয়ে পকেট শূন্য করে বাইরে বেরিয়ে এসে দেখা যায় বিশাল ব্যানারে লেখা আমরা সাধু আমরা জনগণের সেবক!

​প্রশ্ন একটাই যেখানে মানুষের জীবন নিয়ে এমন জঘন্য অবিচার চলছে, টাকা ছাড়া এক পা-ও চলা যায় না, এটা কি তাহলে সেবা? এমন নিয়মের বিরুদ্ধে কেন কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না? স্বাস্থ্যসেবা হোক মানবিক অধিকার, ব্যবসা নয়! এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের সবারই প্রখর আওয়াজ তোলা দরকার ..🙏🏻

এই অনিয়ম দুর্নীতি তো চলছে বহু বছর ধরেই, সাধারণ মানুষদের জিম্মি হয়রানি করে দিব্বি চলমান চিকিৎসা সেবা নামের এই নোংরা কার্যক্রম..

সেবার নামে এই নিষ্ঠুর শোষণ দিনাজপুরবাসী আর কতকাল এই অমানবিক নির্যাতন সহ্য করবে.....

© Amazing Dinajpur

24/10/2025

⚠️ব্রেকিং নিউজ⚠️
মিরপুরের কালশীতে বহুতল ভবনে আ*গুন!
©Jumuna tv

দিনাজপুর বড় মাঠে  ইতিহাস গড়তে আসছে এসি আই মটরস আগামী ২৭ অক্টোবর দিনাজপুর বড় মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই ঐতিহাসিক ইভেন...
24/10/2025

দিনাজপুর বড় মাঠে ইতিহাস গড়তে আসছে এসি আই মটরস

আগামী ২৭ অক্টোবর দিনাজপুর বড় মাঠে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই ঐতিহাসিক ইভেন্ট,বিশ্বে এই প্রথম একদিন সর্বাধিক সোনালীকা ট্রাক্টর ডেলিভারি দিবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি!

ছবি - কালেক্টেট

© Amazing Dinajpur

দিনাজপুর শহরের একজন উদার হৃদয়ের মানুষ জুয়েল,পেশায় একজন অটোচালক ও দিনাজপুর রক্তদান সমাজ কল্যাণ সংস্থার সদস্য !হাফেজ ছাত...
24/10/2025

দিনাজপুর শহরের একজন উদার হৃদয়ের মানুষ জুয়েল,পেশায় একজন অটোচালক ও দিনাজপুর রক্তদান সমাজ কল্যাণ সংস্থার সদস্য !

হাফেজ ছাত্রদের জন্য অটো ভাড়া ফ্রি করে তিনি মানবতার এক সুন্দর দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

24/10/2025

ঘটনাটি গাইবান্ধা সদর উপজেলার...

বিস্তারিত কমেন্টে...

© Amazing Dinajpur

24/10/2025

গ্রামের আগমনী শীতের সকাল.. 🖤❤️🧡

ভিডিও-আদনান

© Amazing Dinajpur

দিনাজপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ..প্রতিষ্ঠানটি ২০০১ সালে  দিনাজপুর ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (VTI) নামে কার্...
23/10/2025

দিনাজপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ..

প্রতিষ্ঠানটি ২০০১ সালে দিনাজপুর ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (VTI) নামে কার্যক্রম শুরু করে এটি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরিচালিত,দেশে ও বিদেশে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল

চলতি বছরের তথ্যানুযায়ী, দিনাজপুর সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজে এসএসসি এবং এইচএসসি (ভোকেশনাল) প্রোগ্রামে মোট চারটি ট্রেড রয়েছে। তবে অ্যাসাইনমেন্ট প্রকল্পের আওতায় স্বল্পমেয়াদী কোর্সের জন্য আরও কয়েকটি ট্রেড চালু হতে পারে ২০২৫ সালে বিদ্যমান ট্রেডগুলো হলো:

•জেনারেল ইলেকট্রিক্যাল
•কম্পিউটার (আইটি সাপোর্ট সার্ভিস)
•অটোমোটিভ
•রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ার কন্ডিশনিং -আরএসি

© Amazing Dinajpur

23/10/2025

⚠️ব্রেকিং নিউজ ⚠️
অবশেষে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলো দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র...

©Channel24

জেলা ও দায়রা জজ আদালত দিনাজপুর ..... দিনাজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয় ১৭৮৬ সালে ,সে সময়   প্রথম দায়িত্বপ্র...
23/10/2025

জেলা ও দায়রা জজ আদালত দিনাজপুর .....

দিনাজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয় ১৭৮৬ সালে ,সে সময় প্রথম দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছিলেন Mr. G. Hatch বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জনাব আব্দুল হান্নান চৌধুরী ছিলেন দিনাজপুরের প্রথম জেলা ও দায়রা জজ এর পর পহেলা নভেম্বর ২০০৭ খ্রিস্টাব্দে নির্বাহী বিভাগ হতে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসি আলাদা হলে সারাদেশের ন্যায় দিনাজপুরেও চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়, যা দিনাজপুর জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গনে অবস্থিত দিনাজপুর জেলার প্রথম চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম।

একটি জেলার বিচারিক ক্ষমতা পরিচালনা করা, দেওয়ানি ও ফৌজদারি উভয় মামলার বিচার করা, বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের পরিচালনা করা এবং উচ্চ আদালত থেকে আসা আপিল ও রিভিশন মামলার নিষ্পত্তি করা। এটি মূলত জেলার সর্বোচ্চ আদালত এবং অন্যান্য আদালতের কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করে।

প্রতিনিয়ত প্রায় শতাধিক মামলা শুনানি, রায়, এবং নিষ্পত্তির জন্য জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিচারপ্রার্থীরা হাজির হন, যা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া

বর্তমান তথ্য হালনাগাত অনুসারে দিনাজপুরে ১ টি জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ৬ টি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ১২ টি যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত, ১৩ টি সহকারী জজ ও সিনিয়র সহকারী জজ আদালত, ১ টি চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, ১ টি অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, ৫ টি সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, ৬ টি জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, ১ টি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল, ১ টি বিশেষ জজ আদালত ও ১ টি বিদ্যুৎ আদালত এবং জেলা লিগ্যাল এইড অফিস নিয়ে দিনাজপুর বিচার বিভাগ গঠিত এছাড়াও একই ক্যাম্পাসে দিনাজপুর জেলা আইনজীবী সমিতি ও জেলা রেজিস্ট্রি অফিস অবস্থিত।

ছবি : আদনান -এডিটর

© Amazing Dinajpur

আজ বুধবার দিনাজপুর রাজবাড়ীতে চলমান  সংস্কার কাজ, এমতাবস্থায় মাটির নিচ থেকে  মিলল রাজার শাসনামলের এক সুবিশাল লোহার কড়া...
22/10/2025

আজ বুধবার দিনাজপুর রাজবাড়ীতে চলমান সংস্কার কাজ, এমতাবস্থায় মাটির নিচ থেকে মিলল রাজার শাসনামলের এক সুবিশাল লোহার কড়াই, রীতিমত সারা পড়ে যায় আশেপাশে এলাকা গুলোতে, মুগল যুগের এই কড়াই দেখতে দূর দূরান্ত থেকে আগত মানুষের হইহুল্লোড়ে মুখর হয়ে ওঠে রাজবাড়ি চত্বর !

অনেকেই ধারণা করেই এসেছিলেন কড়াইটি হয়তোবা সোনার তবে কাছ থেকে দেখা যায় কড়াইটি আসলে লোহার।

© Amazing Dinajpur

কাগজে কলমেই দিনাজপুর জেলাকে ক শ্রেণির জেলাতে বিবেচনা করেন উপর মহলের কর্মকর্তারা..দিনাজপুর জেলাকে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খাদ...
22/10/2025

কাগজে কলমেই দিনাজপুর জেলাকে ক শ্রেণির জেলাতে বিবেচনা করেন উপর মহলের কর্মকর্তারা..

দিনাজপুর জেলাকে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের খাদ্য ভান্ডার বলা হয়,তবে এই জেলাকে কেন্দ্র করেই যতসত অবেহেলা অনিয়ম দুর্নীতি - সকল বৈষম্য উত্তরবঙ্গতেই ..

২০১৩ সালে দিনাজপুরকে সিটি কর্পোরেশন করার আশা দেওয়া হয়েছিল ,যাতে বলা হয় ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের সাথে একত্রে উন্নতি করার কথা তবে ঠিকই ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীন হয় ২০১৮ সালে আর হতভাগা দিনাজপুর এখনো পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন নয়। সাম্প্রতিককালে একাধিকবার সিটি কর্পোরেশন করার প্রচেষ্টা হলেও, তা শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়িত হয়নি কিন্তু কেনো হয়নি সেই উওর এখনো অজানা...সিটি কর্পোরেশনের আওতাধীনস্থ হতে কিছু শর্ত যেমন প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক অবস্থান,,আমরা পিছিয়ে কোন দিক থেকে জানতে চায় দিনাজপুর বাসী.???

দিনাজপুর বাসিকে দেয়া কোনো প্রতিশ্রুতিই বাস্তবায়ন করেননি জনপ্রতিনিধিরা, দিনাজপুরে নেই চারলেন সড়ক, রাস্তাঘাট সমূহের বেহাল দুর্দশা অবকাঠামোগত উন্নয়ন ,এই নড়বড়ে উন্নয়নই যদি বাস্তব হয়, তবে আশার জায়গা কোথায়?

তাই সময় এসেছে দিনাজপুরকে সিটি কর্পোরেশনের আওতায় আনারএতে প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়বে, নাগরিকসেবা আরও দ্রুত ও আধুনিক হবে একই সঙ্গে শহর ও জেলার প্রধান সড়কগুলোকে ৪- লেন মানে উন্নীত করা জরুরি।

রংপুর, হিলি, বিরল ও পার্বতীপুর রোড গুলো উন্নত হলে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাপক সহজ হবে, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পর্যটনে খাতে আসবে সুফল।।

এছাড়া শহরের পানি নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা ও জনসাধারণের নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধিতে সমন্বিত পরিকল্পনা প্রয়োজন দিনাজপুরের জনসংখ্যা, অবস্থান ও সম্ভাবনা অনুযায়ী এখনই যদি সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তাহলে এটি উত্তরবঙ্গের অন্যতম আধুনিক শহরে হিসেবে বাস্তবায়ন করা মাত্র সময়ের ব্যাপার...

নিশ্চুপে বৈষম্য না মেনে একসাথে জেগে উঠুন প্রাণপ্রিয় দিনাজপুর বাসী .. ✊🚀

© Amazing Dinajpur



Address

Dinajpur
Dinajpur
5200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amazing Dinajpur posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Amazing Dinajpur:

Share

প্রানের দিনাজপুর

সাহিত্য ও সংস্কৃতির ঐতিহ্যমন্ডিত দিনাজপুরের ইতিহাস অত্যন্ত প্রাচীন ও সমৃদ্ধ। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের ছোট নাগপুর, বিন্ধ্যা পর্বত প্রভৃতি লাখ লাখ বছরের প্রাচীন স্থানগুলোর মৃত্তিকার সমগোত্রীয় দিনাজপুরের মাটি। বহুকাল পূর্বে হিমালয় পর্বতের ভগ্নীরূপে জন্ম নেয়া বরেন্দ্র ভূমির হৃদয়-স্থানীয় স্থান দিনাজপুর। লোকশ্রুতি অনুযায়ী জনৈক দিনাজ অথবা দিনারাজ দিনাজপুর রাজপরিবারের প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর নামানুসারেই রাজবাড়ীতে অবস্থিত মৌজার নাম হয় দিনাজপুর। পরবর্তীতে ব্রিটিশ শাসকরা ঘোড়াঘাট সরকার বাতিল করে নতুন জেলা গঠন করে এবং রাজার সম্মানে জেলার নামকরণ করে দিনাজপুর। বাংলাদেশ ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর শাসনের সূচনায় সৃষ্ট আদি জেলা শহরগুলির অন্যতম দিনাজপুর। ইংরেজ সেনারা পলাশী যুদ্ধের আট বছর পর ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে এ এলাকা জয় করে। ফলে নবাবী শাসনের অবসানের সঙ্গে পতন হয় সাবেক রাজধানী ঘোড়াঘাট নগরের। তারপর থেকে গড়ে উঠতে শুরু করে দিনাজপুর শহর। দিনাজপুর গেজেটিয়ারের মতে ১৭৮৩ খ্রিস্টাব্দে জেলা শাসনের জন্য দিনাজপুরে স্বতন্ত্র স্থায়ী কালেক্টরেট স্থাপিত হয়। তার পূর্ব পর্যন্ত দিনাজপুর-রংপুর যুক্ত কালেক্টরেট ছিল। রাজসেরেস্তা থেকে নথিপত্র প্রত্যাহার করে জিলা স্কুলের পুরাতন ভবনটিতে (সম্প্রতি ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে) কালেক্টর অফিস স্থাপিত হয়। জেলা স্কুল হওয়ার পূর্বে ভবনটি রাজকাচারী ছিল। তখন কালেক্টর ছিলেন মি. ম্যারিওয়েট; রাজা ছিলেন রাজবংশের নাবলক উত্তরাধিকারী রাধানাথ। ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ সেনাপতি মিঃ কোট্রিল ঘোড়াঘাটের শেষ মুসলিম ফৌজদার করম আলী খানকে পরাজিত করে এই অঞ্চলে ইংরেজ শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। এ অঞ্চলে প্রশাসনিক কাজের সুবিধার্থে ইংরেজরা ১৭৮৬ সালে নতুন জেলা গঠন করে এবং ১৭৯৩ সালে দিনাজপুরে জেলার দপ্তর স্থাপন করে। দিনাজপুরের কালেক্টর মিঃ এইচ জে হ্যাচ (১৭৮৬-১৭৯৩ পর্যন্ত কালেক্টর ছিলেন) এর আমলে দিনাজপুরে প্রথম নিজস্ব কালেক্টরেট ভবন নির্মিত হয় বর্তমান বাহাদুর বাজারস্থ গোলকুঠি বাড়ীতে। জেলা কালেক্টরেট নির্মিত হওয়ায় এবং সেই সঙ্গে সুবিন্যস্ত শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তিত হওয়ায় আধুনিক জেলা শহরটির গড়ন শুরু হয় রাজাদের দেয়া কয়েকটি মৌজার উপর। রাজবাড়ী থেকে সমস্ত নথিপত্র প্রত্যাহার করে গোলকুঠি ভবনে আনা হয়। মুগল আমলের ঘোড়াঘাট নগর তখন সম্পূর্ণভাবে পরিত্যক্ত। দিনাজপুর শহর তখন জেলা শাসনের কেন্দ্র ও সবকিছুর কর্মস্থলে পরিণত হতে শুরু করে। ১৮৩৩ থেকে ১৮৭০ সাল পর্যন্ত দিনাজপুরের বিভিন্ন অংশ পূর্ণিয়া, রংপুর ও রাজশাহীর মধ্যে অন্তর্ভুক্তি ও বিচ্যুতি ঘটে। ১৮০০ হইতে ১৮০১ খ্রিস্টাব্দে দিনাজপুরের বড় বড় এষ্টেট পূর্ণিয়া, রংপুর এবং রাজশাহী জেলার সংগে যুক্ত করা হয়। ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে আর একটি সুবিস্তৃত অংশ বগুড়া ও মালদহ জেলার সাথে যুক্ত করার পূর্ব পর্যন্ত আর কোন রদবদল করা হয়নি। ১৮৬৪-১৮৬৫ খ্রিস্টাব্দে খট্রা নামক একটি সুবিশাল পরগণাকে এ জেলা হতে ছেঁটে বগুড়া জেলার সাথে যুক্ত করা হয়। ১৮৬৮-১৮৭০ সালের দিকে এ জেলার একটি বৃহৎ অংশ বগুড়া ও মালদহ জেলায় যুক্ত হয়। ১৮৯৭-১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে এ জেলার দক্ষিণ অংশে অবস্থিত মহাদেবপুর থানা রাজশাহীতে স্থানান্তরিত হয়। পাকিস্তান-পূর্ব আমল পর্যন্ত আর কোন রদবদল হয়নি। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগষ্ট রাজ্য ইংরেজ শাসিত ভারতের বুকে পাকিস্তান ও ভারত নামক দুটি আলাদা রাষ্ট আত্মপ্রকাশ করে। ঐ সময়ে রাডক্লিফ রোয়েদাদ অনুসারে এ জেলার দশটি থানা ভারতের পশ্চিম বাংলা প্রদেশের অন্তর্ভূক্ত হয় এবং পশ্চিম দিনাজপুর জেলা গঠন করে। অপরদিকে পশ্চিম বাংলার জলপাইগুড়ি জেলা হতে তেতুলিয়া, পঞ্চগড়, বোদা, দেবীগঞ্জ ও পাটগ্রাম থানা দিনাজপুরের সাথে যুক্ত হয়। পরবর্তী সময়ে পাকিস্তান সরকার শাসনকার্যের সুবিধার্থে পাটগ্রাম থানাটি রংপুরের সাথে এবং দিনাজপুরের দক্ষিণ অংশের ধামইর, পোরশা ও পত্নিতলা থানা তিনটি তৎকালীন রাজশাহীর নওগাঁ মহকুমার সাথে যুক্ত করে। সর্বশেষ ১৯৮৪ সালে দিনাজপুরের দুটি মহকুমা ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড় আলাদা জেলার মর্যাদা লাভ করে। প্রাগৈতিহাসিক দিনাজপুরঃ সাহিত্য-সংস্কৃতির ঐতিহ্যমন্ডিত দিনাজপুরের ইতিহাস অত্যন্ত প্রাচীন এবং সমৃদ্ধ। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের ছোট নাগপুর, বিন্ধ্যা পর্বত প্রভৃতি লক্ষ লক্ষ বছরের প্রাচীন স্থানগুলির মাটির সমগোত্রীয় দিনাজপুরের মাটি। বহুকাল পূর্বে হিমালয় পর্বতের ভগ্নীরূপে জন্ম নেয়া বরেন্দ্র ভূমির হৃদয়-স্থানীয় স্থান দিনাজপুর। চৈনিক ও ইউরোপীয় ভ্রমণকারীদের বিবরণীতে বৃহৎ ও সুনাব্য নদীরূপে বর্ণিত করতোয়া নদীর তীরে কোন এক অজ্ঞাত সময় থেকে এক উন্নত সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। করতোয়ার তীরে গড়ে উঠে বলে একে করতোয়া সভ্যতা হিসেবে অভিহিত করা যায়। অনুমিত হয়, মধ্যযুগে মহাস্থান, বানগড় এবং মোগল যুগে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটই ছিল এই সভ্যতার প্রধান নাগরিক কেন্দ্র। ইতিহাস খ্যাত পঞ্চনগরী দিনাজপুরেই অবস্থিত ছিল। পাল ও সেন আমলে দিনাজপুরঃ যমুনা-করতোয়ার অববাহিকায় অবস্থিত এ নগরীর বিভিন্ন ধ্বংসাবশেষগুলি চরকাই, বিরামপুর, চন্ডীপুর, গড়সিংলাই, দামোদরপুর ইত্যাদির ধ্বংসাবশেষ নামে পরিচিত। মৎস্যন্যায় যুগে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদীর পাড়ে এক উল্লেখযোগ্য বৌদ্ধ বিহার নির্মিত হয়। স্থাপত্য শৈলীর বিবেচনায় এটি বাংলাদেশে আবিষ্কৃত বৌদ্ধ বিহারের মধ্যে তৃতীয় স্থানীয়। ১৯৬৮ সালে প্রথম বার এবং ১৯৭৩ সালে দ্বিতীয় বার খননের পর ৪১টি প্রকোষ্ঠসহ বহু ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কৃত হয়। এখানের অনেক প্রত্নদ্রব্য দিনাজপুর মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে। ৮ম শতকে গোড়াপত্তন হওয়া পাল বংশের ভ্রাম্যমাণ রাজধানীর বহু ধ্বংসাবশেষ দিনাজপুরের মাটিতে মিশে আছে। পাল রাজত্বকালে পার্বত্য কম্পোজ জাতির আক্রমণ এবং কৈবর্ত বিদ্রোহের ঘটনার সাথে জড়িয়ে আছে দিনাজপুর। সেন রাজত্বকালে নির্মিত অসংখ্য দেব-দেবীর প্রস্তরমূর্তি আবিষ্কৃত হয়েছে দিনাজপুরসহ বরেন্দ্র অঞ্চলের বিভিন্ন জায়গায়। আফগান ও মুঘল আমলে দিনাজপুরঃ লক্ষ্মণসেনকে বিতাড়িত করে বিজেতা বখতিয়ার খিলজী ১২০৪ সালে বরেন্দ্র ভূমি বিজয় করে দিনাজপুরের দেবকোটে মুসলিম রাজধানী স্থাপন করেন। ১২২০ সালে গৌঁড়ে স্থানান্তরিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত দেবকোর্টই ছিল বাংলার রাজধানী। চেহেলগাজীগণ দিনাজপুরের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। রাজা গোপালের সময় ইসলামের বার্তা নিয়ে চেহেলগাজীদের আবির্ভাব হয়। ন্যায়ের স্বার্থে রাজা গোপালের সেনাদলের সাথে ভয়ানক যুদ্ধে মুজাহিদগণ শহীদ হয়েও ভক্তদের মনে মহান গাজীত্বের সম্মান লাভ করেন। গাজীগণ সংখ্যায় ৪০ জন হওয়ায় তাঁদের ৫৪ ফুট দীর্ঘ সমাধিস্থলটি চেহেলগাজীর মাজার নামে পরিচিত যা দিনাজপুর শহরের উত্তর উপকন্ঠে অবস্থিত। এছাড়া দিনাজপুরের গড়মল্লিকপুর এবং খানসামার দুহসুহ গ্রামে যথাক্রমে ৮৪ ফুট এবং ৪৮ ফুট দীর্ঘ দুটি মাজার আছে যা যথাক্রমে গঞ্জে শহীদ এবং চেহেলগাজী নামে পরিচিত। দিল্লী শাসনের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা সুরক্ষায় ইলিয়াস শাহ্ কর্তৃক নির্মিত ঐতিহাসিক একডালা দুর্গের অবস্থানও ছিলো দিনাজপুরের মধ্যেই। হত্যার রাজনীতির মাধ্যমে গৌড়ীয় সুলতান গিয়াসউদ্দিন আযম শাহকে অপসারণ করে গৌড়ের মসনদে আরোহণকারী রাজা গণেশ দিনাজপুরের অধিবাসী ছিলেন। পরবর্তীতে গণেশ পুত্র যদু ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে জালালুদ্দীন নাম ধারণ করে গৌড়ের সিংহাসনে আরোহণ করেন। গৌড়ীয় সুলতান বরবক শাহের সেনাপতি ইসমাইল গাজীর নেতৃত্বে আত্রাই নদীর তীরবর্তী মাহিসন্তোষ নামক স্থানে কামতারাজের সঙ্গে তুমুল যুদ্ধ হয় এবং পরে কামতাপুর দুর্গ (দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে) বিজীত হয়। ঘোড়াঘাটে করতোয়া নদীর পশ্চিমতীরে ইসমাইল গাজী এক মুসলিম নগরীর গোড়াপত্তন করেন। পরবর্তী কালে ইহা বিখ্যাত ঘোড়াঘাট সরকার নামে পরিচিত হয়। জিন্দাপীর নামে অভিহিত ইসমাইল গাজী ও বহু আউলিয়ার মাজার ঘোড়াঘাটে বিদ্যমান। ১৪৬০ খ্রিস্টাব্দে সুলতান বরবক শাহ সম্পাদিত এবং চেহেলগাজীর মাজারে প্রাপ্ত একটি ফার্সী শিলালিপি থেকে জানা যায় দিনাজপুর শহরসহ উত্তরাংশের শাসনতান্ত্রিক এলাকার শাসনকর্তা নসরত উলুখ নসরত খাঁন চেহেলগাজী মাজারের পাশে একটি মসজিদ নির্মাণ করেন, যা বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন মসজিদ বলে চিহ্নিত। হোসেন শাহী আমলের বিভিন্ন মসজিদ ও ইসলাম প্রচারকের মাজার দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট, দেবকোটসহ বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে আছে। এছাড়া দিনাজপুরের বুকে শেরশাহী আমলের মসজিদ, সড়ক ও সেতু শূরবংশীয় অধিকারের প্রমাণ বহন করে। মোগল আমলে বাংলা বিজয়ের পর সমগ্র বাংলাদেশকে ২৪টি সরকারে ভাগ করা হয়। এতে দিনাজপুরে ঘোড়াঘাট, বরকাবাদ, তাজপুর এবং পিঞ্জরা নামের ৪টি সরকার অন্তর্ভুক্ত হয়। সবদিক বিবেচনায় বাংলার ঘোড়াঘাট শ্রেষ্ঠ সরকার ছিল। ঘোড়াঘাটের শেষ ফৌজদার ছিলেন ঐতিহাসিক গ্রন্থ ’মোজাফফরনামা’ রচয়িতা করম আলী খান। সে সময় মসজিদ ও মুসলিম নগরীতে পরিণত হয় মোগল আমলের ঘোড়াঘাট। বিখ্যাত সূরা মসজিদ ও আউলিয়াদের মাজারে ধন্য হয় ঘোড়াঘাট। এক নজরে দিনাজপুর জেলা আয়তনঃ ৩,৪৪৪.৩০ ব:কিঃমিঃ (১৩২৯.৮৫ বঃ মাঃ) (উপজেলা ভিত্তিক আয়তন) লোক সংখ্যাঃ ৩১,০৯,৬২৮ জন (২০১১ সালের আদমশুমারী অনুয়ায়ী-Adjusted) (উপজেলা ভিত্তিক লোকসংখ্যা) পুরুষ ১৫,৬৯,০০৬ জন। মহিলা ১৫,৪০,৬২২ জন। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.২২ নৃতাত্বিক জনগোষ্টির অন্তর্ভুক্ত জনসংখ্যা: ১৩৩৭০৩ জন। উপজেলার সংখ্যাঃ ১৩ টি (বোচাগঞ্জ, বিরল, কাহারোল, বীরগঞ্জ, দিনাজপুর সদর, খানসামা, চিরিরন্দর, ফুলবাড়ী, পার্বতীপুর, বিরামপুর, নবাবগঞ্জ, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট) Go to Top পৌরসভার সংখ্যাঃ ৮টি (উপজেলা ভিত্তিক পৌরসভা) সিটি কর্পোরেশনঃ নেই ইউনিয়নের সংখ্যাঃ ১০২টি (উপজেলা ভিত্তিক ইউনিয়ন) গ্রামের সংখ্যাঃ ২,১৩১টি (উপজেলা ভিত্তিক গ্রাম) মৌজার সংখ্যাঃ ১,৯২৬টি (উপজেলা ভিত্তিক মৌজা) থানাঃ ১৩ টি হাট-বাজারঃ ২৭৩ টি নদীঃ ১৯ টি মোটপরিবারের (খানা) সংখ্যাঃ ৬,৪৭,৫০০টি প্রতি বর্গকিঃমিঃ-এ লোক সংখ্যার ঘনত্বঃ ৮৬৮ জন (প্রায়) কৃষক পরিবারের সংখ্যাঃ ৪,৮০,৭৫৬ টি ভূমিহীন কৃষক পরিবারের সংখ্যাঃ ১,৪০,৩২৫ টি(৩০%) ক্ষুদ্র কৃষক পরিবারঃ ৭৯,০৮৬ টি(১৭%) প্রান্তিক কৃষক পরিবারঃ ১,৭৪,২৭৯ টি(৩৬%) মাঝারি কৃষক পরিবারঃ ৬৯,৩৮৭ টি (১৩%) বড় কৃষক পরিবারঃ ১৭,৬৭৯ টি (৫%) খাদ্য চাহিদাঃ ৪,৮৮,৫২৯ মেঃটন মোট খাদ্যশষ্য উৎপাদনঃ ১৩,০৩,৯২৩মেঃ টন উদ্বৃত্ত খাদ্যঃ ৬,৬,৪৪০০ মেঃটন কৃষি শস্য ও ফলমূলঃ প্রধান কৃষি শস্য ধান, গম,ইক্ষু, পাট, আলু, সবজি, পিঁয়াজ, আদা, তৈলবীজ প্রধান ফলমূল লিচু, আম, কলা, কাঠাল, জাম, নারিকেল বনভূমিঃ মোট বনভূমিঃ ৭,৬৪১.২২হেক্টর রিজার্ভ বনভূমিঃ ৪,৬৮৫.৪০হেক্টর ভেস্টেড বনভূমিঃ ২,৪৯৭.১৬হেক্টর একোয়ার্ড বনভূমিঃ ৩৫২.৮৫হেক্টর খাস বনভূমিঃ ১১৫.৮১হেক্টর নার্সারীঃ সরকারী নার্সারীঃ ৫টি ব্যক্তিগত নার্সারীঃ ১৮৩ টি উপজেলা নার্সারীঃ ১৯ টি Go to Top শিক্ষা সংক্রান্তঃ শিক্ষার হার ৫২.৪ (উপজেলা ভিত্তিক শিক্ষার হার) চিকিৎসা মহাবিদ্যালয়ঃ ১ টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ঃ ১ টি পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটঃ ১ টি টেক্সটাইল ইনষ্টিটিউটঃ ১ টি আইন মহাবিদ্যালয়ঃ ১ টি কমার্শিয়াল ইনষ্টিটিউটঃ ১ টি সরকারী কলেজঃ ৩ টি বেসরকারী কলেজঃ ৮৬ টি মাদ্রাসাঃ ৩৫০ টি পি.টি.আইঃ ১টি সরকারী বিদ্যালয়ঃ ১০ টি বেসরকারী বিদ্যালয়ঃ ৪০৬ টি (উপজেলা ভিত্তিক শিক্ষার্থী সম্পর্কিত তথ্য) সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ৮৬০টি রেজিস্টার্ড বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ৮৩৫ টি আনরেজি: বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ১৩৬ টি ভিটিআইঃ ২ টি বিকেএসপিঃ ১ টি সরকারী ভেটেরিনারী কলেজঃ ১ টি হোমিও কলেজঃ ১ টি বি এড কলেজঃ ১ টি ভোকেশনাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটঃ ১ টি যুব প্রশিক্ষন কেন্দ্রঃ ১ টি যোগাযোগ ব্যবস্থা পাকা রাস্তাঃ ৬৯১ কিঃমিঃ আধা