দেশের পথে

দেশের পথে Bangladesh is south Asia's greenest jewel – a country braided with rivers, with a rich culture wai

Bangladesh is south Asia's greenest jewel – a country braided with rivers, with a rich culture waiting to be explored by pioneering travellers.

বিনামূল্যে ল্যাপটপআমরা গর্বের সাথে ঘোষণা করছি যে স্ক্র্যাচ এবং নগদ অর্থের কারণে আমরা ৩৫০টি অবিক্রীত HP ল্যাপটপ দান করব। ...
04/10/2025

বিনামূল্যে ল্যাপটপ
আমরা গর্বের সাথে ঘোষণা করছি যে স্ক্র্যাচ এবং নগদ অর্থের কারণে আমরা ৩৫০টি অবিক্রীত HP ল্যাপটপ দান করব। সমস্ত ল্যাপটপ ভালো অবস্থায় আছে এবং ৯ অক্টোবর, ২০২৫ এর আগে যারা "অভিনন্দন" স্বাক্ষর করবেন তাদের জন্য এলোমেলোভাবে নির্বাচিত করা হবে। শুভকামনা!

মহামায়া লেক 😍
19/10/2022

মহামায়া লেক 😍

মুহুরী প্রজেক্ট
17/10/2022

মুহুরী প্রজেক্ট

পাহাড়ি জুমচাষ রাঙ্গামাটি ♥️
09/02/2021

পাহাড়ি জুমচাষ
রাঙ্গামাটি ♥️

সাকা হাফংত্ল্যাং ময় (বম: সুন্দর চূড়া), মোদক টং বাংলাদেশের একটি পাহাড়চূঁড়া। চূঁড়াটিকে অনেক সময় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ...
18/11/2020

সাকা হাফং
ত্ল্যাং ময় (বম: সুন্দর চূড়া), মোদক টং বাংলাদেশের একটি পাহাড়চূঁড়া। চূঁড়াটিকে অনেক সময় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিন্দু হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর উচ্চতা ১,০৫২ মিটার (৩,৪৫১ ফুট)।বাংলাদেশ-মায়ানমার সীমান্তে চূড়াটি অবস্থিত।
আনুষ্ঠানিকভাবে ত্লাংময়কে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া হিসেবে ঘোষণা করা হয়নি। সাম্প্রতিক তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে সরকারি ভাবে তাজিংডং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া স্বীকৃত। সাকা হাফং চূড়াটি ২০০৫ সালে সর্বপ্রথম আরোহণ করেন ইংরেজ পর্বতারোহী জিং ফুলেন। সেসময় তিনি চূঁড়াটির উচ্চতা নির্ণয় করেন ১,০৬৪ মিটার আর অবস্থান দেখান 21°47′11″উ. 92°36′36″পূ. / 21.78639°উ. 92.61°পূ.। তার দেখানো এ অবস্থান রাশিয়া নির্মিত ভৌগোলিক মানচিত্রে এর অবস্থানের সাথে হুবহু মিলে যায়।[৭] ২০০৭ সালে প্রথম বাংলাদেশী দল ত্লাংময় আরোহণ করেন। ইয়াহিয়া খানের নেতৃত্বে সেই দলে ছিলেন দেশের এভারেস্ট আরোহণকারী পর্বতারোহী সজল খালেদ। মূলত সেই সময় থেকে পরিচিত হয়ে উঠে ত্লাংময় নামটি। ২০১১ খ্রিষ্টাব্দে দুটি অভিযাত্রিক দল সাকা হাফং-এর উচ্চতা নির্ণয় করেন ৩,৪৮৮ ও ৩,৪৬১ ফুট।বাংলাদেশের স্বীকৃত সর্বোচ্চ চূড়া তাজিংডং (৪১৯৮ ফুট)।

ইসলামে ভ্রমণ ও সফরের তাগিদসফর বা ভ্রমণ শুধু চিত্তবিনোদনের জন্য নয়। ভ্রমণে যেভাবে চিন্তার জগৎ প্রসারিত হয়, তেমনি এতে থাকে...
31/10/2020

ইসলামে ভ্রমণ ও সফরের তাগিদ

সফর বা ভ্রমণ শুধু চিত্তবিনোদনের জন্য নয়। ভ্রমণে যেভাবে চিন্তার জগৎ প্রসারিত হয়, তেমনি এতে থাকে শিক্ষণীয় উপাদান। ভ্রমণে এই শিক্ষণীয় দিকটার প্রতি কোরআন বিশেষ নজর দিয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘বলে দাও, তোমরা পৃথিবীতে পরিভ্রমণ করো, অতঃপর দেখো, যারা সত্যকে মিথ্যা বলেছে, তাদের পরিণাম কী হয়েছিল?’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ১১)

এ আয়াতে ভ্রমণ ও সফরের প্রতি গুরুত্বারোপ করে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করে দেখো, পূর্বকালে যারা তাদের রাসুলকে মিথ্যা বলেছে, ইহকালে তারা কী পরিমাণ শাস্তি ভোগ করেছে। আর পরকালে তো তাদের জন্য কঠিন শাস্তি রয়েছেই।



দেশ-বিদেশে ভ্রমণের গুরুত্ব

পবিত্র কোরআনের অসংখ্য আয়াতে দেশ-বিদেশে ভ্রমণের প্রতি তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এক আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘বলো, তোমরা পৃথিবীতে পরিভ্রমণ করো এবং দেখো, তোমাদের আগের লোকদের কী পরিণাম হয়েছিল! তাদের বেশির ভাগই ছিল মুশরিক।’ (সুরা : রুম, আয়াত : ৪২)

মূলত সফরের মাধ্যমে দেশ-বিদেশের নানা বৈচিত্র্য বিষয় অবলোকন করে জীবনের পাথেয় সঞ্চয় করা খুবই সহজ। সফরের কারণে মানুষের চোখ-কান খুলে যায়। সত্য, সঠিক পথ ও পন্থা গ্রহণে সহায়ক হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তবে কি তারা পৃথিবীতে পরিভ্রমণ করে না, যাতে তাদের অন্তর অনুধাবন করতে পারত এবং তাদের কান (সত্য কথা) শুনে নিত।’ (সুরা : হজ, আয়াত : ৪৬)

নির্দিষ্ট ভূখণ্ড থেকে বের না হলে সৃষ্টিজগতের অনেক কিছুই অজানা থেকে যায়। পৃথিবীর একেক স্থান একেক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। চিত্তবিনোদনের পাশাপাশি সেসব স্থানে চিন্তাশীলদের জন্যও রয়েছে চিন্তার খোরাক। আল্লাহ বলেন, ‘বলে দাও, তোমরা ভূপৃষ্ঠে ভ্রমণ করো এবং দেখো, কিভাবে আল্লাহ প্রথমবারে সৃষ্টি করেছেন। আবার তিনি শেষবারেও সৃষ্টি করবেন।’ (সুরা : আনকাবুত, আয়াত : ২০)

সফরের প্রতি ইসলাম কখনো নিরুৎসাহ করেনি। ইসলামের একটি অন্যতম রুকন বা স্তম্ভ হলো হজ। আর হজ পালন করতে হয় দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে। ইসলামের আরেকটি রুকন হলো জাকাত। জাকাত আদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো বিত্তহীন মুসাফিরকে দান করা। কারো যাত্রাপথকে মসৃণ করা। এ ছাড়া নির্দিষ্ট পরিমাণ সফরের কারণে শ্রেষ্ঠতম ইবাদত নামাজকে সংক্ষিপ্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এভাবেই বিভিন্ন উপায়ে ইসলাম ভ্রমণের প্রতি উৎসাহিত করেছে। ইমাম শাফেয়ি (রহ.) ভ্রমণের পাঁচটি উপকারিতা উল্লেখ করেছেন। এক. দুশ্চিন্তা দূর হয়। দুই. জীবিকা অর্জন করা যায়। তিন. জ্ঞানার্জন করা যায়। চার. সৌজন্যতা ও শিষ্টাচার শেখা যায়। পাঁচ. শারীরিক সুস্থতা অর্জন হয়।

ভ্রমণের অতীত ও বর্তমান সংস্কৃতি

প্রাচীনকালে আরববাসী ব্যবসা-বাণিজ্য, জীবিকা নির্বাহ, শিকার এবং মেষ চরানোর লক্ষ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান পরিভ্রমণ করত। কিন্তু শিক্ষামূলক ও উপদেশ গ্রহণের জন্য ভ্রমণের আদেশটি তাদের জন্য একেবারেই নতুন ছিল। আর এ নতুন পন্থাই তাদের জাহেলিয়াতের গহ্বর থেকে টেনে তুলে উন্নতির উচ্চ শিখরে পৌঁছে দিয়েছে। বর্তমানে ব্যবসা, শিক্ষা, বিনোদন, চিকিৎসাসহ বিভিন্ন কারণে মানুষ ভ্রমণ করে। এসব সফরও যদি কোরআনের নির্দেশের কথা স্মরণ করে ইবাদতের উদ্দেশ্যে করা হয়, তাহলে পার্থিব কল্যাণের পাশাপাশি আখিরাতের জন্য সওয়াবও অর্জিত হবে।

পর্যটন হলো জ্ঞানসমুদ্রের সন্ধান। প্রফুল্ল মন ও শারীরিক সুস্থতার জন্য মাঝেমধ্যে বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমণ করা খুব উপকারী। ভ্রমণ মানুষের মনের পরিধিকে বিস্তৃত করে।

বিশ্বময় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে আল্লাহর সৃষ্টির লীলারহস্য। এই সৃষ্টিরহস্য ও ঐতিহাসিক নিদর্শনাদি মানুষকে হাতছানি দিয়ে ডাকছে প্রতি মুহূর্ত। বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা বলেছেন, ভ্রমণ স্রষ্টার সৃষ্টিরহস্য জানায়, ভ্রমণ আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। প্রত্যেক মানুষেরই সাধ্যানুসারে কাছে কিংবা দূরে ভ্রমণের মাধ্যমে স্রষ্টার বৈচিত্র্যময় সৃষ্টিকে দেখে অন্তরকে বিকশিত করা উচিত। মহান আল্লাহর বিশাল সৃষ্টি দর্শন, উপার্জন, জ্ঞান আহরণ, রোগ নিরাময় এবং আত্মশুদ্ধির জন্য ভ্রমণ করার নির্দেশ রয়েছে ইসলামে। কেউ যদি সওয়াবের নিয়তে ভ্রমণ করে, পুরো ভ্রমণেই তার সওয়াব অর্জন হবে। জ্ঞানার্জনের জন্য স্বামী-স্ত্রী সপরিবারে বা দলবদ্ধভাবে ভ্রমণে বা পর্যটনে যাওয়ায় কল্যাণ ও পুণ্য নিহিত রয়েছে। পৃথিবীজুড়ে রয়েছে আল্লাহর কুদরতের নানা কীর্তি। এসব দেখে মানুষ চিন্তা ও গবেষণা করবে। দৃঢ় করবে ঈমান ও আমল। তবে কোনো খারাপ উদ্দেশ্যে সফর করার অনুমতি ইসলাম প্রদান করেনি।

সোনাদিয়া দ্বীপবাংলাদেশে পর্যটনের প্রধান অঞ্চল কক্সবাজার। আর কক্সবাজার জেলার অন্যতম দৃষ্টিনন্দন স্থান সোনাদিয়া দ্বীপ। মহ...
28/10/2020

সোনাদিয়া দ্বীপ
বাংলাদেশে পর্যটনের প্রধান অঞ্চল কক্সবাজার। আর কক্সবাজার জেলার অন্যতম দৃষ্টিনন্দন স্থান সোনাদিয়া দ্বীপ। মহেশখালী উপজেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের কুল ঘেঁষে দ্ব্বীপটির অবস্থান।
দ্ব্বীপটির দূরত্ব কক্সবাজার শহর থেকে সাত কিলোমিটার। আয়তন প্রায় ৯ বর্গকিলোমিটার। দ্বীপের পশ্চিম দিকে বালুকাময় সমুদ্রসৈকত রয়েছে, যেখানে ঝিনুক ও মুক্তা পাওয়া যায়।
এ ছাড়া রয়েছে কেয়া-নিশিন্দার ঝোপ, ছোট-বড় খাল, ম্যানগ্রোভ বন, উপকূলীয় বনভূমি, সাগরে গাঢ় নীল পানি ও লাল কাঁকড়া।
দ্ব্বীপটিকে পাখিদের ভূ-স্বর্গ বলা হয়। নানা প্রজাতির জলচর পাখির দেখা মেলে এই দ্বীপে। শীতে অতিথি পাখিরা বেড়াতে আসে।
দ্বীপ অঞ্চলটিতে প্রচুর শুঁটকি মাছ পাওয়া যায়। দেশের মানুষের শুঁটকি মাছের চাহিদা পূরণে অঞ্চলটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। অঞ্চলটিকে দেশের প্রধান শুঁটকি মাছ উৎপাদন কেন্দ্র বলা হয়।
একটি খাল দ্বীপটিকে কক্সবাজারের মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা করেছে।
দ্বীপটি বাংলাদেশের গভীর সমুদ্রবন্দর তৈরির জন্য নির্বাচিত হয়েছে।

Travel Therapy (:
25/10/2020

Travel Therapy (:

পর্দা নারীর অলংকার 💗
25/10/2020

পর্দা নারীর অলংকার 💗

টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি হাওর। প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্...
02/10/2020

টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি হাওর। প্রায় ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এ হাওর বাংলাদেশর দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি ।[১] স্থানীয় লোকজনের কাছে হাওরটি নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল নামেও পরিচিত।[২] এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় রামসার স্থান, প্রথমটি সুন্দরবন।
টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলার মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত। মেঘালয় পাহাড় থেকে ৩০টিরও বেশি ঝরা (ঝরনা) এসে মিশেছে এই হাওরে। দুই উপজেলার ১৮টি মৌজায় ৫১টি হাওরের সমন্বয়ে ৯,৭২৭ হেক্টর এলাকা নিয়ে টাঙ্গুয়ার হাওর জেলার সবচেয়ে বড় জলাভূমি। পানিবহুল মূল হাওর ২৮ বর্গকিলোমিটার এবং বাকি অংশ বসতি ও কৃষিজমি। একসময় গাছ-মাছ-পাখি আর প্রাকৃতিক জীববৈচিত্র্যের আধার ছিল এই হাওর। ১৯৯৯ খ্রিষ্টাব্দে টাঙ্গুয়ার হাওরকে 'প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা' হিসেবে ঘোষণা করা হয়, তখনই অবসান হয় দীর্ঘ ৬০ বছরের ইজারাদারির। ২০০০ খ্রিষ্টাব্দে ২০ জানুয়ারি এই হাওরকে 'রামসার স্থান' (Ramsar site) হিসেবে ঘোষণা করা হয়। আইসিইউএন এই হাওরের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কাজ করছে। হাওর এলাকার মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার পরিবর্তন, সম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ড সরকারের মধ্যে ২০০১ খ্রিষ্টাব্দে ১২ ফেব্রুয়ারি একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ২০০৩ খ্রিষ্টাব্দের ৯ নভেম্বর থেকে হাওরের নিয়ন্ত্রণ নেয় জেলা প্রশাসন। সুইস অ্যাজেন্সি ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশন (এসডিসি) এবং আইসিইউএন ২০০৬ সালের ডিসেম্বর থেকে 'টাঙ্গুয়ার হাওর সমাজভিত্তিক টেকসই ব্যবস্থাপনা' প্রকল্প পরিচালনা করছে।

শীত মৌসুমে পানি শুকিয়ে কমে গেলে এখানকার প্রায় ২৪টি বিলের পাড় (স্থানীয় ভাষায় কান্দা) জেগে উঠলে শুধু কান্দার ভিতরের অংশেই আদি বিল থাকে, আর শুকিয়ে যাওয়া অংশে স্থানীয় কৃষকেরা রবিশস্য ও বোরো ধানের আবাদ করেন। এ সময় এলাকাটি গোচারণভূমি হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। বর্ষায় থৈ থৈ পানিতে নিমগ্ন হাওরের জেগে থাকা উঁচু কান্দাগুলোতে আশ্রয় নেয় পরিযায়ী পাখিরা —রোদ পোহায়, জিরিয়ে নেয়। কান্দাগুলো এখন (২০১২) আর দেখা যায় না বলে স্থানীয় এনজিও ও সরকারি ব্যবস্থাপনায় সেখানে পুঁতে দেয়া হয়েছে বাঁশ বা কাঠের ছোট ছোট বিশ্রাম-দণ্ড।
টাঙ্গুয়ার হাওরের জীববৈচিত্র্যের মধ্যে অন্যতম হলো বিভিন্ন জাতের পাখি। স্থানীয় জাতের পাখি ছাড়াও শীতকালে, সুদূর সাইবেরিয়া থেকে আগত পরিযায়ী পাখিরও আবাস এই হাওর। ২০১৯ সালের পাখিশুমারি অনুযায়ী হাওর ও এর আশপাশের এলাকায় ২০৮ প্রজাতির পাখি দেখা গেছে।[৪] পরিযায়ী পাখিদের মধ্যে বিরল প্রজাতির প্যালাসেস ঈগল, বড় আকারের গ্রে কিংস্টর্ক রয়েছে এই হাওরে। স্থানীয় জাতের মধ্যে শকুন, পানকৌড়ি, বেগুনি কালেম, ডাহুক, বালিহাঁস, গাঙচিল, বক, সারস, কাক, শঙ্খ চিল, পাতি কুট (এই হাওরের ২৮-২৯%)[১] ইত্যাদি পাখির নিয়মিত বিচরণ এই হাওরে। এছাড়া আছে বিপন্ন প্রজাতির পরিযায়ী পাখি কুড়ুল (বাংলাদেশে এর নমুনাসংখ্যা ১০০টির মতো)। ২০১১-র পাখিশুমারিতে এই হাওরে চটাইন্নার বিল ও তার খাল, রোয়া বিল, লেচুয়ামারা বিল, রুপাবই বিল, হাতির গাতা বিল, বেরবেরিয়া বিল, বাইল্লার ডুবি, তেকুন্না ও আন্না বিলে প্রায় ৪৭ প্রজাতির জলচর পাখি বা ওয়াটারফাউলের মোট ২৮,৮৭৬টি পাখি গণনা করা হয়। এই শুমারিতে অন্যান্য পাখির পাশাপাশি নজরে আসে কুট, মরচেরং ভুতিহাঁস (ইংরেজি: Ferruginous Pochard), পিয়ংহাস; সাধারণ ভুতিহাঁস, পান্তামুখী বা শোভেলার, লালচে মাথা ভুতিহাঁস, লালশির, নীলশির, পাতিহাঁস, লেনজা, ডুবুরি, পানকৌড়ি ইত্যাদি পাখিও।[১] প্রতি বছরই টাঙ্গুয়ায় সমগ্র দেশের মধ্যে সবচেয়ে বিরল কয়েক জাতের পাখি দেখা যায়। এর মধ্যে রয়েছে বৈকাল তিলিহাঁস, বেয়ারের ভুঁতিহাস এবং কালোলেজ জৌরালি (ইংরেজি: Black-tailed godwit)। বাংলাদেশে দৃশ্যমান আটটি বেয়ারের ভুঁতিহাসের পাঁচটিই পাওয়া গেছে টাঙ্গুয়ায়। বিরল প্রজাতির পাখিদের মধ্যে আরো আছে কালোপাখা টেঙ্গি, মোটাঠুঁটি ফাটানো, ইয়ার, মেটে রাজহাঁস, মাছমুরাল, লালবুক গুরগুরি, পাতি লালপা, গেওয়াল বাটান, লম্বা আঙুল চা পাখি, বড় গুটি ঈগল, বড় খোঁপা ডুবুরি, কালো গির্দি প্রভৃতি।

Address

Feni Sadar
Feni
3900

Telephone

+8801827884659

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দেশের পথে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category