Feni Toursit Group (FTG)

Feni Toursit Group (FTG) মাদক থেকে দূরে থাকুন
ভ্রমনে উৎসাহী হোন

Hotel Vista Bay....coxbazar...Contuct for Affordable Budget Room....01625706996...
15/12/2025

Hotel Vista Bay....
coxbazar...

Contuct for Affordable Budget Room....

01625706996...

ফেনী সদরেই এত মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশ এতদিন অদেখাই ছিল।ফরহাদনগর,ভোর বাজারের কাছেই নদী ঘেঁষে এমন সুবজের হাতছানি...
19/05/2025

ফেনী সদরেই এত মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশ এতদিন অদেখাই ছিল।
ফরহাদনগর,ভোর বাজারের কাছেই নদী ঘেঁষে এমন সুবজের হাতছানি...

সাঙ্গু নদী -  প্রকৃতির এক অপার বিস্ময়!বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের সৌন্দর্য যেখানে নিঃশব্দে কথা বলে, সেখানে *রুমা উপজেলা*...
11/05/2025

সাঙ্গু নদী - প্রকৃতির এক অপার বিস্ময়!

বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলের সৌন্দর্য যেখানে নিঃশব্দে কথা বলে, সেখানে *রুমা উপজেলা* যেন প্রকৃতির নিপুণ হাতে আঁকা এক স্বপ্নলোক। এই উপজেলার বুক চিরে বয়ে চলেছে *সাঙ্গু নদী*, যার শান্ত অথচ প্রবাহমান স্রোত যেন পাহাড়ি জীবনের নিরব সাক্ষী।

⛰️ সাঙ্গু নদীর পাশে দাঁড়িয়ে যখন দূর আকাশের মেঘেরা পাহাড় ছুঁয়ে চলে যায়, তখন মনে হয় — প্রকৃতি যেন এখানে নিজের আসল রূপে হাজির। নদীর স্বচ্ছ জল, দুই পাশে সবুজে মোড়া পাহাড়, আর মাঝেমধ্যে দেখা যায় কাঠের নৌকায় ভেসে চলা আদিবাসী জীবনযাপন।

🎒 রুমার সৌন্দর্য শুধু চোখে দেখার নয়, হৃদয়ে অনুভব করার বিষয়।
- এখানে এসে যে কেউ হারিয়ে যাবে পাহাড়ি পথের মোহে,
- নদীর স্রোতে শুনবে এক অনন্ত শান্তির সুর।

📸 যারা ঘুরতে ভালোবাসেন, তাদের জন্য রুমা ও সাঙ্গু নদী নিঃসন্দেহে একটি must-visit জায়গা।

🛶 নদী শুধু পানি নয়,এটি একটা জীবন,সংস্কৃতি, ইতিহাস। আর রুমা উপজেলার মানুষ সেই নদীর সাথে হৃদয়ের বন্ধনে বাঁধা।

👉 যদি প্রকৃতিকে ভালোবাসো, নিজেকে একবার এই রূপে ডুবিয়ে দেখো। রুমা ডাকছে, তুমি কি সাড়া দেবে?

ছবি- JA HI R (FTG Bogalake tour 2021)

07/05/2025

বীচ ক্যাম্পিং এ সকালে থাকে এমন মজার নডুলস...

যারা ঘুরতে পছন্দ করেন তারা অবশ্যই পড়বেন।ভয়ংকর বাড়বকুণ্ড!❌আমরা যারা নিয়মিত এদিক সেদিন ঘুরতে পছন্দ করি তাদের কাছে সীতাকুণ্...
06/05/2025

যারা ঘুরতে পছন্দ করেন তারা অবশ্যই পড়বেন।

ভয়ংকর বাড়বকুণ্ড!❌

আমরা যারা নিয়মিত এদিক সেদিন ঘুরতে পছন্দ করি তাদের কাছে সীতাকুণ্ড রেঞ্জের সবগুলো বীচ অনেক পছন্দের। সাপ্তাহিক বা অনান্য ছুটির রাত গুলো আমরা এখানেই কাটাই।
আচ্ছা, মূল ঘটনা বলি এবার!

৬ মে, ২০২৫ মঙ্গলবার। রাত ১ টার কিছু বেশি।
আমরা রাতে রান্নাবান্না শেষ করতে ব্যস্ত। এদিকে চাঁদের একটা সুন্দর ফ্রেম দেখে নাইম ভাই ফটো তুলতে চাইলো। রিফাত ভাই ও রান্না রেখে ছবি তুলতে বীচের কাছাকাছি চলে আসলো আমাদের সাথে। নাইম ভাই ছবি তুলে চলে গেলেও আমি আর নাইম ভাই থেকে যাই।

হঠাৎ করে চিৎকার আসলো! এদিকে আয়! শুভ ভাই হ্যামকে ঘুমাচ্ছে তখন। আমাদের সাথে স্থানীয় একটা ছেলে আড্ডা দিতে আসলো এবং নিয়মিত হেল্প করতো কাজে, ঐ ছেলেটাও ছিলো। ছেলেটা দাড়ানো।

মুখে মুখোশ দেখে আমরা কিছুটা আতঙ্কিত হই। ৪ জন ছেলে ছিলো। সবার হাতে অত্যাধুনিক অস্র। চাইনিজ কুড়াল, রান্দা, ছুরি, এস এস পাইপ। কিছু বলার আগেই সবার মোবাইল চাইলো।

কথা বলার বিন্দুমাত্র সুযোগ দিচ্ছে না। সাউন্ড করলে কোপ দিবে বলতেছে বারবার।
আমি ফোন তাবুর নিচে সেইফলি রেখে দিই একটা সুযোগে। তবে বাকি ৩ জন দিয়ে দেয় ফোন। আমি ফোন বেড়িবাঁধের দিকে চাচার ঘরে চার্জে রেখে আসছি মোবাইল এটা বলে বুঝানোর চেষ্টা করি।

মানিব্যাগ চাইলো এবার। হাবভাব গুরুতর দেখে সবাই দিয়ে দিই। পরবর্তীতে তারা পুরো তাবু তন্নতন্ন করে খুঁজে কোথাও টাকা আছে কিনা। পরে তারা সবার মানিব্যাগ গুলো নিয়ে মোবাইল গুলো দিয়ে দেয়। শুধু নাইমের মোবাইল নিয়ে যায়।

প্রায় ১৪/১৫ মিনিটের একটা ছোট সময়ে একটা ভয়ানক পরিস্থিতি হয়ে যায়। সবাই হতভম্ব এবং বাকরুদ্ধ। মনে হচ্ছে আমাদের কিছু বলার বা করার নেই।
যাওয়ার সময় থ্রেট দিয়ে যায় ভোরের আলো ফুটার আগেই যাতে বাড়বকুণ্ড ছেড়ে দিই। না হয় মেরে ফেলবে আমাদের।

সারারাত অনিদ্রা। আর পেটে খুদা। কারণ, সন্ত্রাসীরা যাওয়ার সময় আমাদের খাবার গুলো ফেলে দিয়ে যায়।
বাকরুদ্ধ হয়ে মাটিতে বসে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিলাম সবাই। না ঘুমিয়ে সকাল হলো। বাট কারো কাছে কোনো টাকা পয়সা নাই।

এলাকার পরিচিত এক ছোটভাইকে দিয়ে সকালে নাস্তা আনালাম। বাট খাওয়া গলা দিয়ে নামলো না।

সকাল ১০ টার পর আমরা যখন বের হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। তখনি যে ছেলেটা আমাদের কাজে প্রতিদিন সাহায্য করেছিলো এলাকার লোকাল ঐ ছেলেটা বললো রাতে যারা ছিলো আমি ওদের চিনি। নাম জানি। ঠিকানা জানি। এবং নাম্বার ও আছে।
ওর নাম রাকিব। রাকিবকে বললাম তুমি একটু খোঁজ নাও। শুধু ফোনটা দিয়ে দিতে বলো। টাকা যা লাগে দিবো।

১১ টায় বলা হয় মোবাইল দিয়ে দিবে। টাকা দিতে হবে।
১৫ হাজার। আমরা নিয়ে আসতে বলি। তবে তারা আমাদের দুপুর ৩ টা পর্যন্ত নানা বাহানা করে ঘুরায়। সময় ক্ষেপণ করায়।
আমরা যেহেতু এসব জায়গায় দীর্ঘদিন থেকে ঘুরি বা যাই স্থানীয় অনেকের সাথে পরিচয় আছে। ভালো সম্পর্ক।
তারমধ্যে একজন আছেন মহিউদ্দিন জেলে। ইয়াং।
তাকে বিস্তারিত বলার পর ওনি আমাদের স্থানীয় মেম্বারের কাছে নিয়ে যায়।

মেম্বারের বাড়ি গিয়ে এক ভয়ংকর তথ্য!

মেম্বারের দোকানে যাওয়ার পর বের হলো যারা ডাকাতি করছে, তাদের একজন মেম্বারের আপন ভাতিজা, একজন ঐ যে আমাদের কাজে হেল্প করছিলো রাকিব তার চাচাতো ভাই। আর দুইজন ওদের বন্ধু। সবাই রিলেটেড।

মেম্বার ভদ্রলোক প্রচন্ড রকম ভালো, এবং বিনয়ী।আমাদের কাছে বারবার লজ্জিত হলেন। মোটামুটি গন্যমান্য সকলকে কল দিয়ে মোবাইল উদ্ধার করার চেষ্টা করলেন। কোনোভাবেই কিচ্ছু হচ্ছে না। ওরা টাকা চাচ্ছে ১৫ হাজার। পরবর্তীতে ৫ হাজার। মেম্বার অনেক ভাবে কল দেওয়ানোর পরও সম্ভব হচ্ছিলো না।
পুরা এলাকার কিছু সংখ্যক মানুষ আমাদের কাছে চলে আসে ততক্ষণে ঘটনা শুনতে। বলা হয় নাম্বার ওয়ান ডাকাত এরা এলাকার। সবাই চিনে জানে, নেশা করে কিন্তু কোনো সমাধান হয়না। সবাই বলতেছে শুকরিয়া আদায় করেন যে কাউকে কোনো কোপ দেয় নাই। এরা নিয়মিত সন্ত্রাসী কার্যক্রম করে।

মোটামুটি ২/৩ ঘন্টার বিশাল বাকবিতন্ডা৷
মেম্বার অনেক ভাবে বিভিন্ন লোক দিয়ে কল দেওয়ানোর পর তারা এক পর্যায়ে মোবাইল দিতে রাজি হয়। মেম্বার নিজে বাদী হয়ে মামলা করার কথা বলার পর মেইনলি সন্ত্রাসীরা মোবাইল রাকিবের মাধ্যমে পাঠায়।

খোদার শুকরিয়া আদায় করে আমরা ৪ জন অনেক সতর্কে বাড়বকুণ্ড থেকে সীতাকুণ্ড বাজারে এসে পৌঁছি।
কারণ ওরা রাস্তা আটকিয়ে ক্ষতি করার চেষ্টা করতে পারে।

আলহামদুলিল্লাহ। ভালো আছি। সুস্থ আছি।

তবে সীতাকুণ্ড এরিয়ায় সবগুলো স্পট ঝুকিপূর্ণ। আমি বয়কট করলাম বাড়বকুণ্ড বীচকে পার্সোনালি। আপনারাও করেন। সন্ত্রাসী আড্ডা অনেক ভয়াবহ এদিকে। সেইফলি ঘুরা চারটেখানি কথা না। কথা বলার আগেই কোপ দিবে।
এই নিয়ে অনেকবার বিপদে পরলাম। নিজের দেশে শান্তি মতো ঘুরতে না পারার আপসোস মনে হয় প্রতিটা ভবঘুরে মানুষের। আমাদের চোরের মতো পালিয়ে সামিট করতে হয়। এসব ঘটনা বাংলাদেশ ভ্রমণে মানুষ নিরুৎসাহিত করবে এটাই স্বাভাবিক।

আপনাদের ভ্রমণ নিরাপদ হোক!

শুভ, ৬ মে, সীতাকুণ্ড(CP)

সময়টা সম্ভবত ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারী ৩ তারিখ..দুপুরে মিনহাজ মামার ফোন..  মামা চল ক্যাম্পিং এ যাই..আমি মাত্র দুপুরের খাওয়া ...
23/01/2024

সময়টা সম্ভবত ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারী ৩ তারিখ..
দুপুরে মিনহাজ মামার ফোন..
মামা চল ক্যাম্পিং এ যাই..
আমি মাত্র দুপুরের খাওয়া শেষ করে বিছানায় গা এলিয়ে দিয়েছিলাম...

ওর কথা শুনে উঠে বসে বললাম- কোন দিন যাবি কালকে?
ওদিক থেকে মামা বলে -আজকেই চল...
আমি বললাম হুস..সময় কত দেখছস..?

মামা বলে- চল সময় হয়ে যাবে..

কে যাবে তুই আর আমি শুধু..

হ্যাঁ,দুজনেই যাবো..

আমি কিছু বুঝে উঠার আগেই হ্যাঁ বলে দেই, কারন ট্যুরের কথা শুনলে আর কাউকে না বলতে পারার কারনে মানা করার কোন সুযোগ পাইনি তখন।

মনে পড়ে ভাগিনা আতাউরে'র কথা..ওকে বললে হয়তো যাবে সাথে..অন্য কেউ মনে হয় না রাজি হবে হঠাৎ ক্যাম্পিং'য়ে যেতে..
ওকে ফোন দিতেই বললাম যাবি এখন ট্যুরে
ও সাথে সাথেই রাজি হয়ে গেল..
মামা আমি রেড়ি হয়ে বাজারে যাচ্ছি আপনি আসেন...

যেই ভাবা সেই কাজ..আলসেমী ছেড়ে তাড়াতাড়ি আমার ট্রাভেল ব্যাগ খুঁজে বের করলাম..
একে একে সব খুঁজে খুঁজে বের করে ডুকালাম ব্যাগে..
আমার ব্যাগে একটা ছোটখাট সংসার সুন্দরভাবে এঁটে যায়..
এই যেমন-পাতিল,ছুরি,চপিং বোর্ড,চাপাতি,চা পাতা,চিনি,লবন মরিচ,মসলা,পেয়াজ রসুন থেকে শুরু করে প্লেট,বাটি,গ্লাস..
মোবাইলের চার্জার,পাওয়ার ব্যাংক,হেডফোন,টর্চ..
চাদর(তখন শীতের শেষ দিকে ছিল),গামছা,একসেট জামা,লুঙ্গি,চপ্পল..
দড়ি,সুতা,পলিথিন..আরো কিছু আছে আপতত মনে পড়ছে না এখন!

সব গুছিয়ে বাড়ি থেকে যখন বের হচ্ছি তখন সময় বিকাল চারটা ছুই ছুই..
বাজারে গিয়ে ভাগিনাকে নিয়ে সিএজিতে মহিপাল যাই..
মিনহাজ মামা তখন অপেক্ষা করছে আমার জন্য ঢাকা চট্টগ্রাম হাইওয়ের পাশে মুহুরীগঞ্জ ইকবাল পেট্রোল পাম্পে....

মহিপাল হতে চট্টগ্রামগামী লোকাল বাসে উঠলাম ধরদাম করে..জনপ্রতি ৬০ টাকা বাঁশবাড়িয়া বাজার পর্যন্ত..
কিন্তু ঠাডা পড়া বাস..একহাত সামনে যায় তো তিন হাত পিছনে আসে..
সন্ধ্যার আভাস চারদিকে দৃশ্যমান,তখন বাস ছাড়লো চট্টগ্রামের উদ্যেশে..
এবার একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়লাম...

মিনা উঠলো পাম্পের সামনে থেকে..

আমি আবার বাসে চড়লে ঘুমিয়ে পড়ি খুব তাড়াতাড়ি...
ওইদিন ও ব্যাতিক্রম হয়নি..
ঘুমোতে ঘুমোতে পৌঁছে যাই বাঁশবাড়িয়া বাজার..
বাস হতে নেমে বাজার সদাই করার পালা..

প্রয়োজনীয় চাল,ডাল,মুরগি আর ক্যাম্প ফায়ারের জন্য চারকোল কিনে সিএনজি নিয়ে রওনা দেই বীচের উদ্দেশ্যে..
যখন বীচে পৌঁছাই তখন ঘড়িতে সময় সাতটা বেজে ত্রিশ মিনিট..

রাঁতের আধাঁরে তড়িগড়ি করে তাঁবু খাটিয়ে,শুরু করি ছোলামুড়ি মাখানো...
ক্ষিদায় পেট ছোঁ ছোঁ করছিল তখন..

মুড়ি মাখা খেয়ে আবার কাজ শুরু রান্নার..

প্রথমে মুরগি কেটে নিলাম সাথে পেয়াজ,আদা,রসুন..
কিন্তু সমস্যায় পড়লাম অন্য জায়গায়..
নেই কেরোসিন.. ভুলে গিয়েছিলাম একদম ওটা নিতে..

ভাগ্যিস আমাদের মত ক্যাম্পিং করতে আসা ভাইদের থেকে পেয়ে গেলাম সাহায্য..

আগুন ধরিয়ে রান্না ছড়িয়ে দিলাম..

কিন্তু আশে পাশে মিনা নাই..
আমি ভাবলাম সে প্রেম করতে ব্যস্ত কিন্তু না..সে খেজুরের রস চুরি করতে চলে গেছে ততক্ষনে..
রান্না যখন মাঝ পথে হুড়মুড়িয়ে মিনা হাজির..
এসেই বলে--মামা,রস তো অনেক..একটা পাতিল দে কিছু নিয়ে আসি..বোতলের জন্য এতটুকুও আনতে পারি নাই..ব আকার ল

আমি ওকে রাতের খাবার শেষ করা পর্যন্ত সবুর ধরতে বললাম...কাজ হলো তাঁতে..

রান্না শেষ করে এবার খাবার পালা...
রাত তখন ১২ টার বেজে গ্যাছে।পেটে ইঁদুর দৌঁড়াছিল মনে হচ্ছে..
ঝাল মাংশের সাথে খিঁছুড়ি আর সালাদ.
আহ এ যেন অমৃত..
শীতের রাতে ক্যাম্প ফায়ারের আলোতে সাগরের গর্জন শুনতে শুনতে রাতের ভোজ..
কল্পনা করুন একটু..চোখ বন্ধ করে.!

খেয়েধেয়ে মিনার তাঁড়াহুড়ো শুরু.. রস খাবে..

কি করা.ওর আবদার রক্ষার জন্য তিনজন হাঁটা শুরু করলাম বাঁধের দিকে..
চারদিকে শুনশান নিরবতা..বাঁধের দিকে যত এগুছি নিশাচর বাঁদুড় গুলোর উড়াউড়ি নিস্তব্দ রাতকে আরো মোহনীয় করে তুলছিল..

প্রায় ৫-৬ টা গাছ থেকে ৩-৪ লিটার রস সংগ্রহ করে তাঁবুর কাছে ফিরে আসলাম...
সতর্কতার জন্য রস সেদ্ধ করে ঠান্ডা করে খেলাম..কারন যে পরিমানে বাঁদুড় চারপাশে নিপা ভাইরাসের শংকা এড়িয়ে যাওয়া যায় না।

জোয়ার নামে রাত তিনটার দিকে,ততক্ষন বসে ছিলাম তাঁবুর বাহিরে..
চাঁদনি রাতে সাগর পাড়ে বসে এমন কত শত রাত পার করে দিতে ইচ্ছা করে..

শেষ রাতে ক্লান্ত শরীর নিয়ে তাঁবুতে ঘুমাতে গেলাম...তবে মিনা তখনো প্রেমে ব্যস্ত..
ও কখন ঘুমায় তা দেখার সুযোগ হয়নি আমার..

সকালে ঘুম ভাঙ্গে কাঁকের ডাকে..রাতের খাবারের উচ্ছিষ্ট গুলো কাঁড়াকাড়ি করে খাচ্ছে....

লম্বা ঘুম দিয়ে সতেজ লাগছিল শরীর..

সব গুছিয়ে নিলাম সময়ক্ষেপণ না করে...

এবার বাড়ি ফেরার পালা...

এর মাঝে পরের ট্যুরের জন্যও প্ল্যান শেষ করে ফেলছিলাম...

সেটার গল্প না হয় অন্যদিন......

Address

Feni

Telephone

+8801625706996

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Feni Toursit Group (FTG) posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Feni Toursit Group (FTG):

Share

Category