Hidayah Life

Hidayah Life Islami Dawah Centre

Hidayah Life এর সকল সেবার প্রতিটি আয়ের ৫% সাদাকাহ প্রজেক্টে ব্যয় করা হয়,আপনার প্রতিটি সাপোর্টে রয়েছে সওয়াবের অংশ, ইনশাআল্লাহ।

হেদায়েহ-কেন্দ্রিক জীবন ও সুস্থতা
ইসলামিক দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্ল্যাটফর্ম
মানসিক ও আধ্যাত্মিক পরিচর্যা।

ঈদুল আজহা ত্যাগ ও আনন্দের দিন। ইসলাম আনন্দ-উৎসবের এ দিনকে ইবাদত-বন্দেগি দ্বারা মাহাত্ম্যপূর্ণ করেছে। এ দিনের রয়েছে করণীয়...
27/05/2026

ঈদুল আজহা ত্যাগ ও আনন্দের দিন। ইসলাম আনন্দ-উৎসবের এ দিনকে ইবাদত-বন্দেগি দ্বারা মাহাত্ম্যপূর্ণ করেছে। এ দিনের রয়েছে করণীয় ও বর্জনীয়।

করণীয়

গোসল করা : ঈদের নামাজের আগে গোসল করা সুন্নত। আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে গোসল করতেন। (মুয়াত্তা ইমাম মালিক)

উত্তম পোশাক পরিধান : ঈদের দিন রাসুল (সা.) ভালো পোশাক পরিধান করতেন। হাদিসে আছে, রাসুল (সা.)-এর লাল ও সবুজ ডোরার একটি চাদর ছিল, তিনি তা দুই ঈদ ও জুমার দিন পরিধান করতেন।

সুগন্ধি ব্যবহার : সুগন্ধি ব্যবহার সুন্নত। আর ঈদের দিনে রাসুল (সা.) বিশেষভাবে সুগন্ধি ব্যবহার করতেন। রাসুল (সা.)-এর তিনটি পছন্দনীয় জিনিসের মধ্যে একটি হলো সুগন্ধি। তাই ঈদের দিনের পোশাক পরিধানের পর সুগন্ধি ব্যবহার করা উত্তম।

ঈদের দিনে খাওয়া : কোরবানির দিনে ঈদের নামাজের আগে কিছু না খাওয়া মোস্তাহাব। নবী করিম (সা.) ঈদুল আজহার দিন ঈদের নামাজ আদায় পর্যন্ত কিছুই খেতেন না। (তিরমিজি, ইবনে মাজাহ)

ঈদগাহে যাওয়া : ঈদগাহে একপথ দিয়ে যাওয়া ও অন্যপথ দিয়ে ফেরা সুন্নত। (বোখারি, হাদিস : ৯৮৬) সম্ভব হলে ঈদগাহে হেঁটে যাওয়াও সুন্নত। (ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১০৭১)

তাকবির পাঠ করা : ঈদের দিন তাকবির পাঠের মাধ্যমে আল্লাহতায়ালাকে বেশি বেশি স্মরণ করা সুন্নত। পুরুষরা এ তাকবির উঁচু আওয়াজে পাঠ করবে, মেয়েরা নীরবে। এ তাকবির জিলহজ মাসের ৯ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত পাঠ করবে। (ফাতহুল বারি : ২/৫৮৯)

ঈদের নামাজ আদায় : ঈদের নামাজ সুন্নতে মুয়াক্কাদাহ। ঈদের নামাজ সব নফল নামাজের মধ্যে ফজিলতপূর্ণ। ঈদের নামাজের আগে ও ফজরের নামাজের পরে কোনো নামাজ নেই। ঈদের নামাজের কোনো আজান ও ইকামত নেই।

শুভেচ্ছা বিনিময় : ঈদের দিনে ছোট-বড় সবার সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করা সুন্নত। ঈদের দিনে সাহাবায়ে কিরামদের সম্ভাষণ ছিল ‘তাকাব্বাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকা’।

কোরবানি করা : ঈদুল আজহার দিনে সামর্থ্যবান ব্যক্তিদের ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। কোরবানির গোশত নিজে খাবে, নিজের পরিবারবর্গকে খাওয়াবে, আত্মীয়স্বজনকে হাদিয়া-তোহফা দেবে ও গরিব-মিসকিনকে দান করবে। মোস্তাহাব হলো, কোরবানির গোশত তিন ভাগে ভাগ করা। ১. নিজ পরিবার-পরিজনের জন্য এক ভাগ। ২. আত্মীয়স্বজনের জন্য এক ভাগ। ৩. দরিদ্রদের জন্য এক ভাগ। আর যদি পরিবারের লোকসংখ্যা বেশি হয়, তাহলে কোরবানির সব গোশত খেলেও অসুবিধা নেই। (শামি : ৫/২০৮)

পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা : ঈদুল আজহায় পশুর রক্ত, আবর্জনা ও হাড় থেকে যেন পরিবেশ দূষিত না হয়, সেদিকে প্রত্যেক মুসলমানের সতর্ক হওয়া উচিত। কোরবানি শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রক্ত, আবর্জনা ও হাড় নিরাপদ দূরত্বে নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলে দিতে হবে। বেশির ভাগ লোকই নিজস্ব জায়গায় পশু জবাই করে। এতে অলিগলিতে বর্জ্য যেমন পড়ে, তেমনি রক্ত পড়ে দূষিত হয় পরিবেশ, চলাচলের অনুপযোগী হয় রাস্তাঘাট। তাই ঈদুল আজহায় পশুর রক্ত, আবর্জনা পরিষ্কারে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি ব্যক্তিগতভাবেও উদ্যোগ গ্রহণ করে পরিবেশ দূষণের হাত থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য কাজ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইমানের অঙ্গ।

বর্জনীয়

ঈদের দিনে রোজা : ঈদের দিনে রোজা রাখা হারাম। ‘রাসুল (সা.) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার দিনে রোজা রাখতে নিষেধ করেছেন। (সহিহ বোখারি ও মুসলিম)

ঈদের দিনকে কবর জিয়ারতের জন্য নির্দিষ্ট করা : ঈদের দিনকে কবর জিয়ারতের বিশেষ দিন মনে করে জিয়ারত করা বিদআত (সহিহ ফিকহুস সুন্নাহ : ১/৬৬৯), তবে পূর্বনির্ধারিত রুটিন ছাড়া হঠাৎ সুযোগ হয়ে গেলে একাকী কেউ জিয়ারত করলে দোষণীয় নয়।

ঈদের নামাজ না পড়ে আনন্দ-ফুর্তি : অনেকে ঈদের আনন্দে মশগুল হয়ে নতুন জামা-কাপড় পরিধান, সেমাই, ফিরনি ইত্যাদি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে, ঈদের নামাজ আদায় করার কথা ভুলে যায়। অথচ এই দিনে ঈদের নামাজ ও কোরবানি করাই হচ্ছে মুসলমানদের মূল কাজ।

মুসাফাহা-কোলাকুলি এ দিনে জরুরি মনে করা : ঈদগাহে বা ঈদের দিন সাক্ষাৎ হলে মুসাফাহা ও মুআনাকা (কোলাকুলি) করতেই হবে এমন বিশ্বাস ও আমল করা বিদাআত। তবে এমন বিশ্বাস না করে সালাম ও মুসাফাহার পর মুআনাকাতে (গলায় গলা মেলানো) কোনো অসুবিধা নেই। কারণ মুসাফাহা ও মুআনাকা করার মাধ্যমে পারস্পরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি হয়। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘একদা হাসান ইবনে আলী (রা.) নবী করিম (সা.)-এর কাছে এলেন, তিনি তখন তাকে জড়িয়ে ধরেন ও মুআনাকা (কোলাকুলি) করেন।’

কোরবানির কোনো কিছু বিক্রি করা : কোরবানির গোশত, চামড়া ও এর কোনো অংশ বিক্রি করা যাবে না। অর্থাৎ বিক্রি করে নিজে উপকৃত হওয়া যাবে না। এমনকি কসাইকে পারিশ্রমিকস্বরূপ গোশত দেওয়া নিষিদ্ধ। (বোখারি, হাদিস : ১৭১৭, মুসলিম, হাদিস : ১৩১৭) তবে সাধারণভাবে তাকে খেতে দেওয়ায় অসুবিধা নেই।

✍🏻 Arif Billah Arifi

#ঈদ

27/05/2026

"দুঃশ্চিন্তা ও বেদনায় যখন মন ভারী হয়ে যায়, তখন পবিত্র কোরআনের তিলাওয়াত শোনার মতো বড় কোনো ওষুধ আর নেই। এটি আত্মার শ্রেষ্ঠ প্রশান্তি।
🎙আরিফ বিল্লাহ আরিফী

#কুরআন

15/05/2026

আশি বছরের গুনাহ মাফের দুরূদ।

ফজীলত: যে ব্যক্তি জুমার দিন আসরের নামাযের পর নিজ জায়গা থেকে উঠার পূর্বে ৮০ বার নিম্নোক্ত দুরূদ শরীফ পাঠ করবে, তার ৮০ বছরের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে এবং তার আমলনামায় ৮০ বছরের (নফল) ইবাদতের সওয়াব লিখা হবে।
তবরানী, ১/৭৫০, হাদীস নং ২১৪৯

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدِنِ النَّبِيِّ الْأُمِّيِّ وَعَلَى آلِهِ وَسَلِّمْ تَسْلِيمًا

✍🏻 Arif Billah Arifi
Founder- Hidayah Life

#রুকইয়াহ #হিজামা

11/05/2026

এই একটি আমল করলে আপনার টাকা কখনো শেষ হবে না ইনশাআল্লাহ।
🎙আরিফ বিল্লাহ আরিফী

07/05/2026

“আপনি যদি শান্তি খুঁজে থাকেন—
তাহলে কয়েক মিনিট কোরআনের সাথে কাটান।
“কানে হেডফোন লাগিয়ে তেলাওয়াত শুনে আপনার অনুভূতি কমেন্টে জানাবেন…
আল্লাহর কালাম কি আপনার হৃদয় ছুঁয়েছে?”

ঘুমের ঘোরে শাইত্বানের কারসাজি: দুঃস্বপ্ন ও আমাদের করণীয়মানুষের জীবনের এক-তৃতীয়াংশ সময় কাটে ঘুমে। আর এই ঘুমের সুযোগ নিয়ে...
04/05/2026

ঘুমের ঘোরে শাইত্বানের কারসাজি: দুঃস্বপ্ন ও আমাদের করণীয়

মানুষের জীবনের এক-তৃতীয়াংশ সময় কাটে ঘুমে। আর এই ঘুমের সুযোগ নিয়েই শয়তান মানুষের মনে নানাভাবে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করে। রাসূল ﷺ বলেছেন, স্বপ্ন মূলত তিন প্রকার; যার মধ্যে এক প্রকার হলো শাইত্বানের পক্ষ থেকে ভয়ভীতি প্রদর্শন, যার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো বনী আদমকে দুশ্চিন্তা ও কষ্টের সাগরে ভাসিয়ে দেওয়া।
(ইবনে হিব্বান)

আমরা অনেক সময় ঘুমে অদ্ভুত সব ভয়ংকর দৃশ্য দেখি, যা আমাদের মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে। হাদিসে এসেছে, এক ব্যক্তি রাসূল ﷺ এর কাছে এসে বললেন যে তিনি স্বপ্নে দেখেছেন তার মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে গেছে এবং তিনি সেটির পেছনে দৌড়াচ্ছেন। আল্লাহর রাসূল তাকে উপদেশ দিলেন-
"শাইত্বান যখন ঘুমের ঘোরে তোমাদের সাথে এমন খেলা করে, তখন তা মানুষের কাছে বর্ণনা করো না।"
(মুসলিম)

ঘুমের মধ্যে শাইত্বানি প্ররোচনা বা কারসাজির লক্ষণসমূহ:

শাইত্বান যখন ঘুমের মধ্যে কাউকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে, তখন ঘুম থেকে জাগার পর আক্রান্ত ব্যক্তি নিচের লক্ষণগুলো অনুভব করতে পারেন:

১. তীব্র আতঙ্ক: ঘুম ভাঙার পর বুক ধড়ফড় করা এবং এক অজানা আতঙ্ক অনুভব করা।

২. মানসিক অস্থিরতা: ঘুম থেকে ওঠার পর মনটা বিষণ্ণ হয়ে থাকা এবং কোনো কাজে স্বস্তি না পাওয়া।

৩. ভীতি ও আতঙ্ক: মনে হতে থাকে আশেপাশে কোনো অশুভ শক্তি আছে যা ক্ষতি করতে পারে।

৪. গভীর বিষণ্ণতা: কোনো কারণ ছাড়াই মন খারাপ থাকা এবং কান্নার ভাব আসা।

৫. ওয়াসওয়াসা বা কুচিন্তা: অবচেতন মনে নানা ধরণের আজেবাজে চিন্তা এবং সন্দেহের উদয় হওয়া।

৬. শারীরিক অবসাদ: পর্যাপ্ত ঘুমানোর পরেও সকালে শরীর প্রচণ্ড ক্লান্ত বা অসুস্থ মনে হওয়া।

আমাদের করণীয়:

শাইত্বানের এই মানসিক আক্রমণ থেকে বাঁচতে হলে ঘুমের আগের সুন্নাহ আমলগুলোর প্রতি বিশেষ যত্নশীল হতে হবে।

🔸ঘুমানোর আগে অজু করা।
🔸ডান কাঁধে শোয়া।
🔸তিনবার দুরুদ শরীফ পাঠ করা
🔸সুরা ফাতিহা।
🔸আয়াতুল কুরসি।
🔸সুরা বাকারার শেষ তিন আয়াত।
🔸সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়ে শরীরে ফুঁ দেওয়া।
🔸 প্রতিনিয়ত ঘুমের মধ্যে খাওয়ার স্বপ্ন দেখলে সুরা মুজ্জাম্মিল তিনবার পড়ে বা শুনে ঘুমানো।

এই আমলগুলো শক্তিশালী ইমানি বর্ম হিসেবে কাজ করে।

মনে রাখবেন, শাইত্বানের চক্রান্ত কেবল তখনই সফল হয় যখন আমরা আধ্যাত্মিকভাবে গাফেল বা অসতর্ক থাকি।

দুঃস্বপ্ন দেখলে বিচলিত না হয়ে বাম দিকে তিনবার থুথু ফেলে আউযুবিল্লাহ পড়ে পাশ ফিরে শোয়া এবং সেই স্বপ্নের কথা কারো কাছে না বলা-ই হলো ইসলামের শিক্ষা।

যদি এই আমল গুলো করার পরেও দুঃস্বপ্ন দেখা বন্ধ না হয় তাহলে অভিজ্ঞ আলেম রাকির কাছে রুকইয়াহ শারঈয়াহ চিকিৎসা নিন। কারন আপনার উপর মারাত্মক বদ নজর হিংসা জীন জাদুর প্রভাব থাকতে পারে।

উপদেশ:

আপনার প্রশান্তি কেবল আপনার হাতেই নয়, বরং তা আল্লাহর জিকিরের ওপর নির্ভরশীল। ঘুমের আগে আল্লাহকে স্মরণ করুন, তবেই আপনার নিভৃত সময়গুলো হবে নিরাপদ ও শান্তিময়। আল্লাহ আমাদের সবাইকে শাইত্বানি ফিতনা থেকে হেফাজত করুন।

প্রিয় পাঠক, আপনার কি নিয়মিত দুঃস্বপ্ন দেখার অভিজ্ঞতা আছে? আমলগুলো মেনে চলুন এবং এই সচেতনতামূলক তথ্যটি শেয়ার করে অন্যদেরও ভীতিমুক্ত থাকতে সাহায্য করুন।

আল্লাহ আমাদের সকলকে আমল করার তাওফীক দান করুন আমীন।

যেকোন পরামর্শের জন্য আমাদের ইনবক্সে মেসেজ করুন ধন্যবাদ।
Hidayah Life

✍🏻 Arif Billah Arifi
Founder- Hidayah Life

02/05/2026

রুকইয়াহ (শরীয়তসম্মত ঝাড়ফুঁক) কুরআন ও হাদিসের আলোকে জাদুটোনা, বদনজর, জিন-শয়তানের প্রভাব এবং বিভিন্ন শারীরিক-মানসিক রোগ থেকে মুক্তির একটি শক্তিশালী ও সুন্নাহসম্মত চিকিৎসা পদ্ধতি।

এটি আল্লাহর ওপর ভরসা বৃদ্ধি করে, মানসিক প্রশান্তি দেয় এবং শিরক-মুক্ত উপায়ে আত্মিক আরোগ্য লাভ নিশ্চিত করে।

🔸রুকইয়াহ-এর প্রধান উপকারিতাগুলো হলো:জাদু ও কুফরি থেকে মুক্তি: কালো জাদু বা কুফরির প্রভাব দূর করে এবং এর অনিষ্ট থেকে রক্ষা করে।

🔸বদনজর থেকে সুরক্ষা: কারো হিংসাত্মক বা মুগ্ধ দৃষ্টির (বদনজর) ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীর ও মনকে বাঁচায়।

🔸জিন-শয়তানের প্রভাব দূরীকরণ: জিন আছর বা শয়তানের কুমন্ত্রণা (ওয়াসওয়াসা) থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করে।

🔸মানসিক প্রশান্তি ও আরোগ্য: দুশ্চিন্তা, ভীতি, অস্থিরতা এবং বিষণ্নতা দূর করে মনে প্রশান্তি ও স্থিরতা আনে।

🔸শারীরিক রোগ থেকে নিরাময়: কুরআনুল কারিমের আয়াত ও দোয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন শারীরিক অসুস্থতা থেকে আল্লাহর রহমতে দ্রুত সুস্থতা লাভ করা যায়।

🔸ঈমান বৃদ্ধি ও আল্লাহর নৈকট্য: রুকইয়াহ মানুষকে আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা (তাওয়াক্কুল) করতে শেখায় এবং ঈমান ও তাকওয়া বৃদ্ধি করে।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: রুকইয়াহ অবশ্যই কুরআন, সহিহ হাদিস এবং সুন্নাহসম্মত উপায়ে হতে হবে, যাতে কোনো শিরক বা কুফরি মিশ্রিত না থাকে

এই অডিও টি কানে হেডফোন লাগিয়ে চক্ষু বন্ধ করে শুনে দেখুন আপনার কেমন অনুভূতি তৈরি হয়। আপনার অনুভূতি আমাদের জানান।

Hidayah Life যেকোন বিষয়ে পরামর্শ দিচ্ছে একদম ফ্রী তে।
What's app 01300312427

#রুকইয়াহ #হিজামা #রুকইয়াহ

📌পুরুষের জীবনে সিহরু তা'তিলির রিযিকরিযিকে বাধার যাদু কী?  এবং কিভাবে ইহার প্রভাব পতিত হয় এবং রিযিক বৃদ্ধি করার পদ্ধতি।সি...
01/05/2026

📌পুরুষের জীবনে সিহরু তা'তিলির রিযিক

রিযিকে বাধার যাদু কী? এবং কিভাবে ইহার প্রভাব পতিত হয় এবং রিযিক বৃদ্ধি করার পদ্ধতি।

সিহরু তা'তিলির রিযিক এমন একটি যাদু, যার মাধ্যমে একজন মানুষের জীবিকার পথ সংকুচিত করে দেওয়া হয়।

এটি সরাসরি দারিদ্র্য তৈরি করার জন্য নয়, বরং এমনভাবে বাধা সৃষ্টি করা হয় যাতে ব্যক্তি চেষ্টার পরেও সফল হতে না পারে, তার উপার্জনের পথ বারবার বন্ধ হয়ে যায় এবং জীবনে স্থিরতা আসতে না পারে।

বিশেষ করে পুরুষের জীবনে এই যাদুর প্রভাব অনেক গভীর হয়। কারণ পরিবার, দায়িত্ব এবং রিযিকের চাপ সাধারণত পুরুষের উপরই বেশি থাকে। ফলে রিযিকে বাধা সৃষ্টি হলে তা শুধু একজন ব্যক্তির নয়, পুরো পরিবারের জীবনে অস্থিরতা তৈরি করে।

যাদুটি কিভাবে কাজ করে?

সিহরু তা'তিলির রিযিক সাধারণত খাদেম জিনের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এই জিন ব্যক্তি ও তার জীবিকার উৎসের মাঝে একটি অদৃশ্য বাধা তৈরি করে।

এই পুরো যাদুর প্রক্রিয়াটি কয়েকভাবে ঘটে:

প্রথমত, ব্যক্তির কর্মক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা দুর্বল করে দেওয়া হয়। সে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ভুল সিদ্ধান্ত নেয় বা সুযোগ চিনতে ব্যর্থ হয়।

দ্বিতীয়ত, কাজের পরিবেশে সমস্যা তৈরি করা হয়। হঠাৎ চাকরি চলে যাওয়া, ব্যবসায় অকারণ ক্ষতি, ক্লায়েন্ট বা অংশীদারের সাথে সম্পর্ক নষ্ট হয়ে যাওয়া এগুলোর পুনরাবৃত্তি দেখা যায়।

তৃতীয়ত, রিযিকের সুযোগ আসলেও তা স্থায়ী হয় না। নতুন কাজ শুরু হলেও কিছুদিন পর তা ভেঙে পড়ে বা অজানা কারণে বন্ধ হয়ে যায়।

চতুর্থত, ব্যক্তি নিজেই ধীরে ধীরে হতাশ হয়ে পড়ে। তার ভেতরে অলসতা, ভয়, আত্মবিশ্বাসের অভাব এবং উদ্যোগহীনতা তৈরি হয়, যা যাদুর প্রভাবকে আরও শক্তিশালী করে।

শরীর ও মনের উপর যেভাবে প্রভাব পতিত হয়।

এই যাদু শুধু বাহ্যিক জীবনে নয়, বরং শরীর ও মানসিক অবস্থার উপরও বেশ প্রভাব ফেলে।

অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়
🔸মাথা ভারী লাগা,
🔸চিন্তা পরিষ্কার না হওয়া,
🔸অকারণ ক্লান্তি ও শক্তিহীনতা,
🔸কাজের প্রতি আগ্রহ কমে যাওয়া,
🔸হঠাৎ উদ্বেগ ও ভয় তৈরি হওয়া,
🔸রাতের ঘুমে অস্থিরতা ইত্যাদি...

এই অবস্থায় ব্যক্তি বুঝতে পারে কিছু একটা সমস্যা আছে, কিন্তু সঠিক কারণ নির্ণয় করতে পারে না।

পারিবারিক ও দাম্পত্য জীবনে প্রভাব

আমরা রুকইয়াহর অভিজ্ঞতায় দেখেছি - পুরুষ রিযিকে বাধা সৃষ্টি হলে, এর প্রভাব সরাসরি দাম্পত্য জীবনে পতিত হয়।

স্বামী যখন বারবার ব্যর্থ হয়, তখন তার ভেতরে হতাশা জন্ম নেয়। সে নিজেকে অযোগ্য মনে করতে শুরু করে। অন্যদিকে অনেক স্ত্রী বা পরিবারের পক্ষ থেকেও চাপ তৈরি হয়। এতে করে ধীরে ধীরে সম্পর্কের মধ্যে দূরত্ব, রাগ, অভিমান এবং অশান্তি তৈরি হয়।

অনেক সময় এই অবস্থাই পরবর্তীতে সিহরুত তাফরিক অর্থাৎ বিচ্ছেদের যাদুকে আরও সহজে কার্যকর করে তোলে।

এই যাদুর উপকরণ গুলো।

এই ধরনের যাদুতে সাধারণত কিছু নির্দিষ্ট বস্তু ব্যবহার করা হয়: সংক্ষেপে যদি বলি

তলাসিম লেখা কাগজ
তাবিজ বা গিঁট দেওয়া সুতা
ব্যক্তিগত বস্তু যেমন কাপড়, চুল,দাড়ি, মাটি, ধুলা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পর্কিত কিছু বস্তু
পানি বা খাবারের মাধ্যমে প্রভাব,এই বস্তুগুলো ব্যবহার করে ব্যক্তির রিযিকের সাথে একটি অদৃশ্য সংযোগ তৈরি করা হয়।

🔸করণীয় ও প্রতিকার

রিজিক একমাত্র আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে নির্ধারিত। দুনিয়ার কোনো মানুষ কারো রিজিক কমাতে বা বাড়াতে সক্ষম নয়। আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক সৃষ্টির জন্য তার রিজিক নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন, তা সময়মতো তার কাছেই পৌঁছাবে।

আল্লাহ তাআলা বলেন
وَمَا مِنْ دَابَّةٍ فِي الْأَرْضِ إِلَّا عَلَى اللَّهِ رِزْقُهَا

পৃথিবীতে বিচরণশীল এমন কোনো প্রাণী নেই যার রিজিক আল্লাহর দায়িত্বে নয়।
সূরা হূদ ১১:৬

মানুষ যখন অন্যের রিজিক দেখে হিংসা করে, তখন সে মূলত আল্লাহর ফায়সালার উপর অসন্তুষ্টি প্রকাশ করে। কারো কাছে যা আছে, তা তার জন্য নির্ধারিত ছিল। আর আপনার জন্য যা নির্ধারিত, তা কেউ নিতে পারবে না।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন
إِنَّ رُوحَ الْقُدُسِ نَفَثَ فِي رُوعِي أَنَّهُ لَنْ تَمُوتَ نَفْسٌ حَتَّى تَسْتَكْمِلَ رِزْقَهَا
রূহুল কুদস আমার অন্তরে ফুঁকে দিয়েছেন যে, কোনো প্রাণ তার পূর্ণ রিজিক গ্রহণ না করা পর্যন্ত মৃত্যু বরণ করবে না
সুনান ইবনে মাজাহ ২১৪৪, সহিহ

অনেকে মনে করে হারাম পথে গেলে দ্রুত রিজিক আসে। এটি এক মারাত্মক ভুল ধারণা। হারাম উপার্জন রিজিক বাড়ায় না, বরং বরকত ধ্বংস করে দেয় এবং দুআ কবুল হওয়া থেকে মানুষকে বঞ্চিত করে।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন
إِنَّ اللَّهَ طَيِّبٌ لَا يَقْبَلُ إِلَّا طَيِّبًا
নিশ্চয় আল্লাহ পবিত্র, তিনি পবিত্র ছাড়া কিছু গ্রহণ করেন না
সহিহ মুসলিম ১০১৫

গুনাহ মানুষকে শুধু আখিরাতেই ক্ষতিগ্রস্ত করে না, দুনিয়াতেও রিজিক সংকুচিত করে দেয়।

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন

إِنَّ الرَّجُلَ لَيُحْرَمُ الرِّزْقَ بِالذَّنْبِ يُصِيبُهُ

নিশ্চয় মানুষ তার করা গুনাহের কারণে রিজিক থেকে বঞ্চিত হয়
মুসনাদ আহমাদ ২২৩৮৬, হাসান

যে আমল গুলো করলে আপনার রিযিক বৃদ্ধি হবে।

১. গুরুত্ব আর মহব্বত নিয়ে জামাতের সাথে নামাজ আদায় করতে পারি।

২. নিয়মিত সালাতুল হাজত পড়তে পারি।

৩. বড় কোনও গুনাহের বদ অভ্যাস থাকলে তাওবা করা জরুরী।

৪) বে‌শি বে‌শি ই‌স্তেগফার করতে পারি।

৫) মা-বাবার প্রতি সাদাচার করা জরুরী। নিয়মিত আত্মীয়স্বজনের খোঁজখবর রাখতে পারি।

৬) হালাল রিজিকের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রাখতে পারি।

৭) নিয়মিত এই দোয়া করতে পারি,

رَبِّ إِنِّی لِمَاۤ أَنزَلۡتَ إِلَیَّ مِنۡ خَیۡرࣲ فَقِیرࣱ

হে আল্লাহ, আপনি আমার জন্য যে রি‌যিক না‌যিল ক‌রেছেন, আমি তার খুব মুখা‌পেক্ষী (কাসাস: ২৪)।

অতপর এই দুআটি - পাঠ করুন।

اللَّهُمَّ اكْفِنِي بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ، وَأَغْنِنِي بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ

হে আল্লাহ, আপনার হালাল দিয়ে আমাকে হারাম থেকে যথেষ্ট করে দিন এবং আপনার অনুগ্রহ দিয়ে আপন ব্যতীত অন্যদের থেকে আমাকে মুখাপেক্ষীহীন করুন
তিরমিজি ৩৫৬৩, হাসান

৮. এছাড়া ওজুর পরে পঠিত দোয়াটির মধ্যেও রিজিকে বরকতের প্রার্থনা আছে,
اللَّهُمَّ اغْفِرْلِيْ ذَنْبِيْ وَوَسِّعْ لِيْ فِيْ دَارِيْ وَباَرِكْ لِيْ فِيْ رِزْقِيْ

আল্লাহুম্মাগফিরলী যাম্বী ওয়া ওয়াসসিলী ফী দারী ওয়া বারিক লী ফী রিজকী।

ইয়া আল্লাহ, আমার গুনাহ মাফ করে দিন। আমার বসতবাড়িতে প্রশস্ততা দান করুন। আমার রিজিকে বরকত দান করুন (মুসনাদ: ২/৪৫০৬)।

৯. দুই সিজদার মাঝেও পেয়ারা নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রিজিকের দোয়া করেছেন,

اللهُمَّ اغْفِرْ لِيْ وَارْحَمْنِيْ وَاهْدِنِيْ وَاجْبُرْنِيْ وَعَافِنِيْ وَارْزُقْنِيْ وَارْفَعْنِيْ

আল্লাহুম্মাগফিরলী ওয়ার-হামনী, ওয়াহদিনী, ওয়াজবুরনী, ওয়া আফিনী ওয়ারযুকনী ওয়ারফা’নী।

ইয়া আল্লাহ, আমাকে মাফ করে দিন। আমার প্রতি দয়া করুন। আমাকে হেদায়াত দান করে সঠিক পথে পরিচালিত করুন। আমার সমস্ত ক্ষয়ক্ষতি পূরণ করে দিন। আমাকে সার্বিক নিরাপত্তা-সুস্থ্যতা দান করুন। আমাকে রিজিক দান করুন। আমার মর্যাদা বৃদ্ধি করুন (আবু দাউদ: ৮৫)

১০ / প্রতিদিন মাগরীবের পর সুরা ওয়াকিয়া তিলাওয়াত করা বা শোনা।

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রতি রাতে সূরা ওয়াকিয়া তেলাওয়াত করবে তাকে কখনো দরিদ্রতা স্পর্শ করবে না।

(বাইহাকি: শুআবুল ঈমান-২৪৯৮)

রিজিক কোনো মানুষের হাতে নয়। সম্মান, অপমান, প্রাচুর্য ও অভাব সবই আল্লাহর পরীক্ষা। যে ব্যক্তি হালাল পথে অটল থাকে, তাকওয়া অবলম্বন করে এবং ধৈর্য ধারণ করে, আল্লাহ তার জন্য রিজিকের মধ্যে বরকত দান করেন।

আল্লাহ তাআলা আমাদের হালাল রিজিকের উপর সন্তুষ্ট থাকার এবং কৃতজ্ঞ বান্দা হওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

লেখাটি ভালো লাগলে সাদকায়ে জারিয়ার নিয়তে লেখাটি শেয়ার করতে পারেন।

Hidayah Life
Hidayah- Centered Life & Wellness

What's app +8801300312427

#হিদায়াহ_লাইফ #রুকইয়াহ_সাকসেস_স্টোরি #রুকইয়াহ #হিজামা

22/04/2026

রাতের কিছু আমল:

সুরাহ মুলক।
সুরাহ ওয়াক্বিয়াহ।
সুরাহ আলিফ লাম মিম সিজদাহ।
আয়াতুল কুরসি।
সুরাহ ইখলাস, ফালাক্ব, নাস।
সুরাহ কাফিরুন।

সুরাহ বাকারাহ'র শেষ ৩ আয়াত।
সুরাহ আল ইমরান শেষ ১০ আয়াত।

ফিতনাময় যুগে নিরাপত্তার জন্য:

খাস করে সুরাহ কাহাফ প্রথম ও শেষ ১০ আয়াত।

Hidayah Life

Address

Gandaria

Telephone

+8801793761211

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hidayah Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hidayah Life:

Share