National Tourism Bangladesh Limited

National Tourism Bangladesh Limited সর্বদা কম খরচে কোয়ালিটিফুল সকল ধরণের দেশি ও বিদেশি ট্যুর প্যাকেজ সেবা প্রদান করে আসছে।

সবচেয়ে কম দামে কিনুন অভ্যন্তরীণ, আন্তর্জাতিক সকল বিমানের টিকেট, ইন্ডিয়ান বিমান ও রেল টিকেট, যেকোনো দেশের ভিজিট ভিসা, প্য...
21/10/2020

সবচেয়ে কম দামে কিনুন অভ্যন্তরীণ, আন্তর্জাতিক সকল বিমানের টিকেট, ইন্ডিয়ান বিমান ও রেল টিকেট, যেকোনো দেশের ভিজিট ভিসা, প্যাকেজ টুর, গ্রুপ টুর, হোটেল বুকিং এবং ডিসকাউন্ট রেটে কক্সবাজার আপ ডাউন টিকেট।
যে কোন সহযোগিতার জন্য যোগাযোগ করুন-01710085354/ 01711345364

29/09/2020

🌹🌹অতি তাড়াতাড়ি কম খরচে সবার জন্য আকর্ষণীয় কিছু ট্যুর পেকেছ নিয়ে হাজির হবো ইনশাল্লাহ।🏵💮 আর আগামি জানুয়ারীতে ইন্ডিয়া সিকিম ট্যুর হবে তাই যারা যারা যেতে চান রেডি হন🌷🌷পাসপোর্ট না থাকলে আমাদের থেকে কম খরচে করে নিতে পারেন।

🌷🌷🌷🌷🌷সুখবর, সু খবর🌷🌷🌷🌷🌷           সাপ্তাহিক ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন   🌷মাত্র ৪০০০ টাকায় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার 🌷যদি আপনি ভ...
16/09/2020

🌷🌷🌷🌷🌷সুখবর, সু খবর🌷🌷🌷🌷🌷
সাপ্তাহিক ছুটিতে ঘুরে আসতে পারেন
🌷মাত্র ৪০০০ টাকায় সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার 🌷
যদি আপনি ভালবাসেন সমুদ্র, আর অঝোর ধারায় বৃষ্টিতে ভেজা সৈকতে হেটে যেতে !
প্রিয় অতিথিরা, আপনার বর্ষাবিলাসের আনন্দকে আরো বাড়িয়ে তুলতে ""Sundarban Tiger Tour & Travles"" সাথে ঘুরে আসতে পারেন কক্সবাজার।
যেহেতু এটা একটি রিল্যাক্স ট্যুর তাই নিজে একা অথবা ফ্যামিলি নিয়েও আমাদের কক্সবাজার ট্যুুর জয়েন্ট করতে পারেন। অবশ্যই মনে রাখবেন আগে বুকিং মানে সামনে সিট পরে বুকিং মানে পেছনে সিট।***আপনাদের সব ধরনের ট্যুর সেবা দিতে আমাদের রয়েছে মহিলা এবং ছেলেদের জন্য ছেলে গাইড পেনেল।
সময়কাল ২দিন/৩রাত।
যাত্রাঃ ২৪শে সেপ্টেম্বর ২০২০
ফেরাঃ২৭শে সেপ্টেম্বর সকালে ঢাকা।
ইভেন্ট ফিঃ
সিঙ্গেলঃ ৪০০০টাকা
কাপলঃ ৮৭০০ টাকা (২জন )।
ফ্যামিলিঃ আলোচনা সাপেক্ষে………
যোগাযোগঃ 0১৭১০-০৮৫৩৫৪/ ০১৭৬১-০৪৯১২০
ই-মেইলঃ[email protected]

সাজেক ভ্যালিবাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত সাজেক ইউনিয়নের একটি বিখ্যাত পর্যটন আকর্ষণ। সাজেক ভ্যা...
13/09/2020

সাজেক ভ্যালিবাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলার অন্তর্গত সাজেক ইউনিয়নের একটি বিখ্যাত পর্যটন আকর্ষণ। সাজেক ভ্যালি রাঙামাটি জেলার সর্বউত্তরের মিজোরাম সীমান্তে অবস্থিত। সাজেকের উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, দক্ষিণে রাঙামাটির লংগদু, পূর্বে ভারতের মিজোরাম, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা অবস্থিত। সাজেক হচ্ছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ইউনিয়ন; যার আয়তন ৭০২ বর্গমাইল। এখানে সাজেক বিজিবি ক্যাম্প অবস্থিত। সাজেকের বিজিবি ক্যাম্প বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উঁচুতে অবস্থিত বিজিবি ক্যাম্প। বিজিবি সদস্যদের সুষ্ঠ পরিকল্পনায়, বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের দ্বারাই বর্তমান সাজেকের এই ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে । বর্তমানে সাজেকে ভ্রমণরত পর্যটকদের জন্য প্রায় সকল ধরণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়। সারাবছরই সাজেক যাওয়া যায়। আর সাজেকে পাহাড়ধস বা রাস্তাধস এরকম কোন ঝুকি নেই। সাজেক রুইলুইপাড়া এবং কংলাক পাড়া এই দুটি পাড়ার সমন্বয়ে গঠিত । ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত রুইলুই পাড়ার উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৭২০ ফুট । আর ১৮০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত কংলাক পাহাড়-এ কংলাক পাড়া অবস্থিত । সাজেকে মূলত লুসাই, পাংখোয়া এবং ত্রিপুরা আদিবাসী বসবাস করে । সাজেকের কলা ও কমলা বেশ বিখ্যাত । রাঙামাটির অনেকটা অংশই দেখে যায় সাজেক ভ্যালি থেকে । তাই সাজেক ভ্যালিকে বলা হয় রাঙামাটির ছাদ ।
যাতায়াতখাগড়াছড়ি জেলা সদর থেকে সাজেকের দূরত্ব প্রায় ৭০ কিলোমিটার। আর দীঘিনালা থেকে প্রায় ৪৯ কিলোমিটার। রাঙামাটি থেকে নৌপথে কাপ্তাই হয়ে এসে অনেক পথ হেঁটে সাজেক যাওয়া যায়। সাজেক রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত হলেও এর যাতায়াত সুবিধা খাগড়াছড়ি থেকে । খাগড়াছড়ি শহর অথবা দীঘিনালা হতে স্থানীয় গাড়িতে (জিপ গাড়ি, সি.এন.জি, মটরসাইকেল) করে সাজেকে যাওয়াই হচ্ছে বর্তমানে সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় মাধ্যম। এক্ষেত্রে পথে পড়বে ১০ নং বাঘাইহাট পুলিশ ও আর্মি ক্যাম্প । সেখান থেকে ভ্রমণরত সদস্যদের তথ্য দিয়ে সাজেক যাবার মূল অনুমতি নিতে হবে। একে আর্মি এসকর্ট বলা হয়। আর্মিগণের পক্ষ থেকে গাড়িবহর দ্বারা পর্যটকদের গাড়িগুলোকে নিরাপত্তার সাথে সাজেক পৌছে দেয়া হয়। দিনের দুইটি নির্দিষ্ট সময় ব্যতীত আর্মি ক্যাম্পের পক্ষ হতে সাজেক যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয় না। পর্যটকদের সর্বাধিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই এই নিয়ম অনুসরণ করা হয়। সাজেকগামী জিপ গাড়িগুলো স্থানীয়ভাবে চান্দের গাড়ি নামে পরিচিত । সাজেক যাওয়ার পথে বাঘাইহাটে হাজাছড়া ঝর্ণাঅবস্থিত। অনেক পর্যটকগণ মূল রাস্তা হতে সামান্য ট্রেকিং করে গিয়ে ঝর্ণাটির সৌন্দর্য উপভোগ করে থাকেন ।প্রাকৃতিক রূপ :সাজেকে সর্বত্র মেঘ, পাহাড় আর সবুজের দারুণ মিতালী চোখে পড়ে । এখানে তিনটি হেলিপ্যাড বিদ্যমান ; যা থেকে সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের অপূর্ব দৃশ্য প্রত্যক্ষ করা যায় । সাজেকে একটা ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতা হচ্ছে এখানে ২৪ ঘণ্টায় প্রকৃতির তিনটা রূপই দেখা মিলে । কখনো খুবই গরম, একটু পরেই হঠাৎ বৃষ্টি এবং তার কিছু পরেই হয়তো চারদিকে ঢেকে যায় মেঘের চাদরে ; মনে হয় যেন একটা মেঘের উপত্যকা । সাজেকের রুইলুই পাড়া থেকে ট্রেকিং করে কংলাক পাহাড়-এ যাওয়া যায়। কংলাক হচ্ছে সাজেকের সর্বোচ্চ চূড়া । কংলাকে যাওয়ার পথে মিজোরাম সীমান্তের বড় বড় পাহাড় , আদিবাসীদের জীবনযাপন, চারদিকে মেঘের আনাগোনা পর্যটকদের দৃষ্টি কেড়ে নেয়। বছরের নির্দিষ্ট সময়ে অনুষ্ঠিত আদিবাসীদের উৎসবের সময় তাদের সংস্কৃতির নানা উপকরণ পর্যটকরা উপভোগ করতে পারেন ।সতর্কতা :সাজেকগামী রাস্তা পাহাড়ী বলে, পাহাড়ী রাস্তায় গাড়ি চালানো অভিজ্ঞতা বিহীন চালকদের নিয়ে না যাওয়াই উত্তম। এক্ষেত্রে স্থানীয় জিপ গাড়ি ( চান্দের গাড়ি ) ভাড়া করার পরামর্শ দেয়া হয় । সাজেকে পানি কিছুটা অপ্রতুল এবং প্রবন্ধ সম্পাদনকালীন পর্যন্ত সাজেকে এখনো সাজেকে বিদ্যুৎ সংযোগ নেই ; পর্যটকদের থাকার কটেজগুলোতে সোলার সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।

 #মেঘের রাজ্য সাজেক ভ্যালী ও খাগড়াছড়ি ভ্রমনরিটার্ন বাস টিকেট, প্রতিদিন ৩বেলা খাবার, সাজেক ১রাত ইকো কটেজে রাত্রিযাপন, বার...
11/09/2020

#মেঘের রাজ্য সাজেক ভ্যালী ও খাগড়াছড়ি ভ্রমন
রিটার্ন বাস টিকেট, প্রতিদিন ৩বেলা খাবার, সাজেক ১রাত ইকো কটেজে রাত্রিযাপন, বার-বি-কিউ, চাদের গাড়ি, এন্ট্রি ফি, গাইডেন্সসহ নানা আয়োজন।
#ভ্রমনের তারিখঃ ২৪ই সেপ্টেম্বর রাত ৭ টা
#ফেরার তারিখঃ ২৭ই সেপ্টেম্বর সকাল ৬টা
#ভ্রমন ফিঃ ৪৯৯৯ টাকা জনপ্রতি
#বুকিং ও বিস্তারিত তথ্যের জন্য আমাদের ফোন করুন -০১৭১০০৮৫৩৫৪-০১৭৬১০৪৯১২০❑ ভ্রমণের স্থান সমুহঃ
* সাজেক
* হাজাছড়া ঝর্ণা / রিসাং ঝর্ণা
* তারেং
* রুই লুই পাড়া
* কংলাক পাহাড়
* স্টোন গার্ডেন
* হ্যালিপ্যাড
* আলুটিলা গুহা
* হা‌র্টিকালচার পার্ক ( ঝুলন্ত ব্রিজ )

#এছাড়াও ২জন/৪জন/৬জন কাষ্টমাইজ প্যাকেজ করে থাকি। কর্পোরেট, গ্রুপ, ফ্যামিলি ট্যুরের জন্যও আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।
৪৯৯৯/- টাকা (প্রতি জন)। (এক রুমে ৪ জন শেয়ারিং)
৫৩০০/- টাকা (প্রতি জন)। (এক রুমে ২ জন শেয়ারিং/কাপল)
*** ( ৩/৪ জন শেয়ার, একই পরিবার কিংবা একই সার্কেলের হতে হবে )
*** বাচ্চাদের ক্ষেত্রে যদি বাস, জীপের সীট, খাবার-দাবার সব নেওয়া হয় সেক্ষেত্রে ইভেন্ট ফী ৪০০০ টাকা হবে।
*** পরিস্থিতি বিবেচনায় প্ল্যানে যেকোন ধরনের গ্রহণযোগ্য পরিবর্তন হতে পারে।
*** ৪ জন শেয়ারিং বেসিসে থাকতে হবে (২ জন বেড এবং ২জন এক্সট্রা বেড) এবং থাকার ব্যপারে কোন উজর-আপত্তি পরবর্তীতে গ্রহণযোগ্য নয়। সুতরাং এটা মেনে নিয়েই সাজেক ভ্রমণ করবেন আশা করি।
#ভ্রমন বিস্তারিতঃ
দিন ০০ (২৪ই সেপ্টেম্বর)
রাত ১০ টার নন এসি বাসে করে খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু। মধ্যরাতে যাত্রাবিরতি হবে হাইওয়ে হোটেলে। সকাল ৫/৬টার মধ্যে খাগড়াছড়ি পৌছানো। মধ্যবিরতিতে কোন খাবার থাকবেনা।
দিন ০১ (২৫ই সেপ্টেম্বর)
সকাল ৫/৬টায় খাগড়াছড়ি পৌছেই রেস্টুরেন্ট এ ফ্রেশ হয়ে নাস্তা করা হবে। আমাদের জন্য পাহাড়ে চলাচলের চাঁদের গাড়ী করে সাজেক ভ্যালীর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু। মধ্যপথে আর্মিদের স্কটের জন্য অপেক্ষা। দুপুরের মধ্যে সাজেক ভ্যালী পৌছানো। খাগড়াছড়ি থেকে সাজেক ভ্যালী যাওয়ার পাহাড়ি আকাবাকা রাস্তা আপনার জন্য স্মরনীয় হয়ে থাকবে। সাজেক ভ্যালী পৌছেই ইকো কটেজে চেকইন। ফ্রেশ হয়ে দুপুরের ব্যাম্বো চিকেন দিয়ে লাঞ্চ করা হবে। কিছুটা বিশ্রাম নিয়ে চাদের গাড়ি করে কংলাক পাহাড়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু। চাদের গাড়ি একটা নির্দিষ্ট স্থান পর্যন্ত যাবে তারপর সেখান থেকে ট্রেকিং করে সাজেকের সর্বোচ্চ চূড়া কংলাক পাহাড়ে যেতে হবে। পুরো বিকেল কংলাক পাহাড়ে কাটিয়ে সন্ধ্যা নাগাদ হ্যালিপ্যাডে ফিরে আসবো। সন্ধ্যার পর হ্যালিপ্যাডে কিছুক্ষন আড্ডা দিয়ে রাত ৮টায় বার-বি-কিউ পার্টি। বার-বি-কিউ পার্টি শেষে সাজেকের নাইট লাইফ উপভোগ। নাইট স্টে সাজেক ভ্যালী
দিন ০২ (২৬ই সেপ্টেম্বর)
সকালটা একেবারেই নিজেরমত কাটিয়ে দিতে হবে, চাইলে হ্যালিপ্যাড থেকে সুর্যোদয় উপভোগ করা যাবে। ঠিক সকাল ৮টার মধ্যে সকালের নাস্তা করা হবে। নাস্তা সেরে নিজেদের ব্যাহপ্যাক গুছিয়ে ৯টার মধ্যেই চাদের গাড়িতে ব্যাগপত্র লোড করতে হবে। আর্মিদের এস্কটে খাগড়াছড়ির উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু। দুপুরের মধ্যেই খাগড়াছড়ি পৌছেই ফ্রেশ হয়ে লাঞ্চ করা হবে। লাঞ্চ শেষে সোজা চলে যাবো এডভেন্সারাস আলুটিলা গুহা পরিদর্শনে। আলুটিলা গুহা থেকে চলে যাবো আলুটিলা তেরং যেখান থেকে পুরো খাগড়াছড়ি শহরের ভিউ দেখা যাবে। শেষ বিকেল কাটাবো ইকো পার্ক তথা ঝুলন্ত ব্রীজ ঘুরাঘুরি করে। সন্ধ্যা নাগাদ খাগড়াছড়ি ফিরে ফ্রেশ হয়ে কিছুটা বিশ্রাম। রাত ৮টার মধ্যে ডিনার সেরে ৯টায় ঢাকার গাড়িতে উঠে যাবো। তারপর ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু ও একটি স্মৃতিময় ট্যুরের পরিসমাপ্তি।
শেষদিন (২৭ই সেপ্টেম্বর)
সকাল ৬টার মধ্যে ঢাকায় পৌছাবো ইনশা আল্লাহ
প্যাকেজে যা যা থাকবেঃ
১। ঢাকা-খাগড়াছড়ি-ঢাকা নন এসি বাস
২। প্রতিদিন ৩বেলা খাবার
৩। সাজেকে রাতে বার-বি-কিউ পার্টি
৪। চাদের গাড়ি দুইদিনের জন্য (শেয়ার ব্যাসীস)
৫। এন্ট্রি ফি ও পার্কিং খরচ (সাজেক এন্ট্রি, আলুটিলা এন্ট্রি, ইকো পার্ক এন্ট্রি ফি)
৬। সাজেকে ইকো কটেজে ৪ঃ১ শেয়ার ব্যাসিস ১রাত থাকা
প্যাকেজে যা যা থাকবেনাঃ
১। বাসের মধ্যবিরতিতে কোন খাবার খরচ
২। কোন ধরনের ব্যাক্তিগত খরচ
৩। প্যাকেজে উল্লেখ নেই এমন কোন খরচ
খাবার ম্যানুঃ
❑খাবার মেন্যু:
✅১ম দিন:
সকালের নাস্তা:- পরটা, সবজি, ডিমের ওমলেট, চা।
দুপুরের খাবার:-সাদা ভাত, চিকেন গুতায়া/শুটকি, ব্যাম্বু চিকেন, ডাল, সালাদ।
রাতের খাবার: -পরটা, চিকেন বার-বি-কিউ, সবজি, সফট ড্রিংকস।
✅২য় দিন:
সকালের নাস্তা:-খিচুরি, ডিম ভুনা, চাটনি/ভর্তা।
দুপুরের খাবার:- সাদা ভাত, সবজি/, হাঁস/গরু/মুরগির মাংস, ডাল, সালাদ।
রাতের খাবার:- সাদা ভাত, সবজি/ হাঁসে/গরু/মুরগির মাংস, ডাল, সালাদ।
বাসঃ শান্তি পরিবহন/ শ্যামলী/ সিমিলার

✅নির্দেশাবলীঃ
১. ১৮ই সেপ্টেম্বর এর মধ্যে ২৫০০/- টাকা অগ্রীম দিয়ে নিজ নিজ আসন কনফার্ম করতে হবে। বাকি টাকা ট্যুরের দিন পেমেন্ট করতে হবে।
(বিঃ দ্রঃ এডভান্স এর টাকা দিয়ে আপনার সিট কনফার্ম হবার পর, আপনি যদি কোন কারনে না যেতে পারেন সেক্ষেত্রে আপনার রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে অন্য কেউ কনফার্ম করলে অবশ্যই আপনার টাকা ফেরত দিয়ে দেওয়া হবে। অন্যথায় এডভান্স এর টাকা অফেরতযোগ্য।)
#আপনার প্যকেজটি তিনটি উপায়ে বুকিং কনফার্ম করতে পারেনঃ
১। সরাসরি অফিসে টাকা জমা দিয়ে বুকিং কনফার্মঃ
অফিস ঠিকানাঃ
plot -147 Leavel #3 Bscic,konabari 1704 Gazipur,

২। ব্যাংক ডিপোজিট এর মাধ্যমে বুকিং কনফার্মঃ
Bank Account:
Account Name: AL MAMUN
Account No: 9901180841601

Bank Account:
Account Name: AL MAMUN
Account No: 0012100001211

৩। বিকাশ কিংবা নগদ এর মাধ্যমে বুকিং কনফার্ম
01721046332 (Bkash-Personal)
01710085354 (নগদ)

#আমাদের ট্যুর কেন অন্যদের থেকে আলাদা তার কিছু কারন হলোঃ
১। ট্যুর চলাকালীন একজন গাইড সার্বক্ষনীক গ্রুপের সাথে থাকেন যার ফলে কারো কোন সমস্যা হলে সাথে সাথে তার সমাধানের চেষ্টা করা হয়।
২। আমাদের প্রতিটি ট্যুর অত্যন্ত প্ল্যান মাপিক হয়ে থাকে। সবক্ষেত্রে পরিকল্পনামাপিক লোকাল ট্রান্সপোর্ট, হোটেল সবকিছুর ব্যাবস্থা আগ থেকেই রেডি করা থাকে যার কারনে কোথাও কোন ধরনের ভোগান্তি পোহাতে হয় না।
৩। স্ট্যান্ডার্ড মানের হোটেল এর ব্যাবস্থা করা হয়ে থাকে।
৪। ট্যুর প্ল্যান এ যেসকল স্পট এর কথা উল্লেখ আছে প্রতিটা স্পট কাভার করা হয়।
৫। ট্যুর মেম্বারদের ঘুরাঘুরির ক্ষেত্রে যথেষ্ট সময় দেওয়া হয়।
৬। একটি সুন্দর ও আনন্দময় ট্যুরের জন্য আপ্রান চেষ্টা করা হয়।
৭। কোন ধরনের হিডেন চার্জ নেই।
৮। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে ১০০% নজর দেওয়া হয়।
৯। আমাদের এই সাজেক ট্যুরে একজন অভিজ্ঞ ছেলে এবংএক জন মেয়ে গাইড পুরো ট্যুর এ থাকবেন যাতে আমাদের ট্যুর প্ল্যান সঠিকভাবে পরিচালিত হয়।
১০। সোজাকথা আপনি আপনার বন্ধুবান্ধব কিংবা পরিবারের সাথে ট্যুরে যেভাবে করতেন আমাদের ট্যুরগুলো সেভাবেই হয়ে থাকে।
#মনে রাখবেন সস্তা ট্যুর কখনই ভালো হয়না।
#যে বিষয়গুলো অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবেঃ
১। স্থানিয়দের সাথে কোনভাবেই তর্কে যাওয়া যাবে না।
২। ভ্রমনের সময় কোন ধরনের মাদকদ্রব্য বহন করা যাবে না।
৩। মজা আমরা অবশ্যই করব তবে সেটা যেন সীমা অতিক্রম না করে। কোন ধরনের অশ্লীলতা বরদাস্ত করা হবে না।
৪। দলগত ভাবে ঘুরে বেড়াবো।
৫। হোটেলে শেয়ার ব্যাসিস সবাইকে মিলেনিশে থাকতে হবে। মেয়েদের জন্য আলাদা রুমের ব্যাবস্থা থাকবে। (প্রতিরুমে ৪জন)
৬। খাবারের মান যতটা ভাল করা যায় চেষ্টা করা হবে।
৭। পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে যেকোন সিদ্ধান্ত সবার সাথে আলোচনা সাপেক্ষে নেওয়া হবে এবং সেক্ষেত্রে এডমিনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হিসেবে গন্য হবে।
৮। যত্রতত্র ময়লা না ফেলে একটা নির্দিস্ট স্থানে ফেলব।
৯। সর্বোপরি সবার সহযোগিতা ও আন্তরিকতায় ট্যুর সুন্দর ও সাফল্যমন্ডিত করা সম্ভব আশা করি সবাই করবেন।
মৌখিক কনফার্মেশন গ্রহনযোগ্য নয়, অগ্রিম টাকা পাঠিয়ে কনফার্ম করতে হবে।
আপাতত বুকিং এর লাস্ট আসন খালি থাকা সাপেক্ষে।
এই ট্রিপ এ সবাই যেতে পারবেন (ছেলে/মেয়ে/ফ্যামিলি/কাপল)।
বুকিং সিরিয়াল অনুসারে বাস, লোকাল ট্রান্সপোর্ট ও হোটেল রুম সাজানো হবে। এই ক্ষেত্রে কোন ধরনের উজর আপত্তি চলবেনা।

01/09/2020

🛩ষাটোর্ধ বছর বয়সে চাকরী শেষে ১০ কোটি টাকা দিয়ে কি হবে। যদি ৩০ বছর বয়সে পৃথিবীর কোন রুপই না দেখেন!🤔🤔! ঘরে বন্ধি জীবন কাজ আর সংসার এটাই কি জীবন ----?

এই অনুভূতি বলে বুঝানো যায় না!!🤭🤭

🛩🚖🚖সময় থাকতে ভ্রমণ করুন🚖🚖🛩
টাকা ফিরে আসবে, সময় ফিরে আসবে না!🤷‍♀🤷‍♀

31/08/2020

আসছে এমন দিন, খুব তাড়াতাড়ি -

★আজ থেকে আর মাত্র ৫০ বছর পর অবস্থা যেমন হতে পারেঃ-
: হ্যালো ! এটা কি পিৎজা হাট?
– না স্যার, গুগল’স পিৎজা।
: আমি কি তাহলে ভুল নাম্বারে ফোন করেছি?
– না স্যার, দোকানটা কিনে নিয়েছে গুগল !
: ওকে, আমি কি পিজার অর্ডার দিতে পারি?
– স্যার, সাধারণত যে পিৎজার অর্ডার দেন আজকেও কি ওটাই দিবেন?
: আমি সাধারণত যে পিৎজার অর্ডার দেই সেটা আপনি কিভাবে জানেন?
– আপনার ফোন নাম্বার অনুযায়ী, আপনি শেষ ১৫ বার ডাবল চিজ বারো স্লাইস সসেজ পিৎজা অর্ডার করেছেন।
: আমি এবারও ওটাই চাই।
– কিন্তু স্যার, কলেস্টেরল যেহেতু হাই তাই আমি ৮ স্লাইজ ভেজিটেবল পিৎজা অর্ডার করতে পরামর্শ দিচ্ছি।
: আমার কলেস্টেরল হাই এটা আপনি কিভাবে জানেন?
– সাবস্ক্রাইবার গাইড থেকে। আমাদের কাছে আপনার গত ৭ বছরের ব্লাড টেস্টের রিপোর্ট আছে।
: আমি ভেজিটেবল পছন্দ করি না, যেটা চাইছি ঐটাই দেন । কলেস্টেরল এর জন্য আমি ঔষধ খাই।
– কিন্তু আপনি তো নিয়মিত ঔষধ খান না। ৪ মাস আগে লাজ ফার্মা থেকে ৩০টা ট্যাবলেটের একটা বক্স কিনেছিলেন।
: আমি অন্য আরেকটা দোকান থেকে বাকিগুলা নিয়েছি।
– কিন্তু আপনার ক্রেডিট কার্ড তো তা বলছে না!
: আমি নগদ ক্যাশ দিয়ে কিনেছি।
– আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট অনুযায়ী সে পরিমান টাকা আপনি উঠাননি।
: আমার অন্য আয়ের উৎস আছে।
– আপনার ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন ফর্মে সে তথ্য নাই।
: ধুর মিয়া, আপনার পিজার গুষ্টি কিলাই। পিজাই খামু না। গুগল, ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ, সেলফোন, ইন্টারনেট ছাড়া দ্বীপে চলে যামু যেখানে আমার উপর কেউ এত নজরদারি করতে পারবে না।
– জ্বী স্যার বুঝতে পেরেছি, তার আগে আপনার পাসপোর্ট রিনিউ করতে হবে , ৫ সপ্তাহ আগে মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে!!😂🤣

🌹🌹১ তারিখ সেপ্টেম্বর থেকে উন্মুক্ত হচ্ছে সাজেক ভ্যালি🌹🌹খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটির সীমান্তবর্তী বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালি ক...
30/08/2020

🌹🌹১ তারিখ সেপ্টেম্বর থেকে উন্মুক্ত হচ্ছে সাজেক ভ্যালি🌹🌹

খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটির সীমান্তবর্তী বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ভ্যালি করোনার কালীন দীর্ঘ পাঁচমাস বন্ধ রাখার পর অবশেষে ‌‌‍‌‌‌‌‌‌১ সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে।

বুধবার (২৬আগষ্ট) রাতে বাঘাইছড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আহসান হাবিব জিতু এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে পর্যটনকেন্দ্র সাজেক ভ্যালি খুলে দেয়ার সিন্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে তিনি জানান। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মোতাবেক রিসোর্ট মালিকদের সঙ্গে আলোচনা করে ১সেপ্টেম্বর থেকে সাজেক পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার সিন্ধান্ত নেয়া হয়। তবে আগত পর্যটকদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচলের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সভাপতি সুপর্ণ দেব বর্মণ জানান, প্রশাসনের সঙ্গে সাজেকে পর্যটক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা তুলে দেয়ার বিষয়ে বৈঠক হয়েছে। আগামী ১সেপ্টেম্বর থেকে পর্যটকরা স্বাস্থ্যিবিধি মেনে সাজেক ভ্রমণ করাতে পারবে বলে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছ।

এদিকে, দীর্ঘ পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর অবশেষে বাংলার দার্জিলিং নামে খ্যাত সাজেক ভ্যালি উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্তে অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়া কটেজ ও হোটেল মালিকদের মনে কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে

28/08/2020

Address

Plot#A 146-147, Leavel#3 Bscic, Konabari
Gazipur
1704

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when National Tourism Bangladesh Limited posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category