Travel with Symum Al-Mahdi Al-Azhari سيموم المهدي الأزهري

Travel with Symum Al-Mahdi Al-Azhari سيموم المهدي الأزهري মিশর ভ্রমণে যেকোনো সহযোগিতায় আপনি আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

অবশেষে প্রায় ২ দশক ধরে চলমান কাজ শেষ করে হাজারো জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পৃথিবীর সকলের সামনে উন্মোচিত হলো বর্তমান বিশ্...
03/11/2025

অবশেষে প্রায় ২ দশক ধরে চলমান কাজ শেষ করে হাজারো জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে পৃথিবীর সকলের সামনে উন্মোচিত হলো বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে বড় মিউজিয়াম Grand Egyptian Museum এর নির্মাণ কাজে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ প্রায় ১০০ কোটি মার্কিন ডলার।

মিউজিয়ামটিতে প্রবেশ করার সাথে সাথে প্রতীক হিসেবে স্থাপন করা হয়েছে Ramses II-এর ৮৩ টন ওজনের ভাস্কর্য, যা নিমগ্নভাবেই একটি পরিবেশতত্ত্ববদ্ধ যাদুরম্ভ হিসেবে কাজ করে।
উক্ত মিউজিয়ামের সংগ্রহে রয়েছে ১০০,০০০’র বেশি প্রাচীন মিশরীয় নিদর্শন —তার মধ্যে অনেকটাই প্রথমবার এখানে প্রদর্শিত হচ্ছে। বিশেষ আকর্ষণ হিসাবে থাকছে রাজা "তুতেন খামুন"এর সম্পূর্ণ সংগ্রহ (৫,০০০ + নিদর্শন) একইস্থানে প্রদর্শিত হবে।

11/01/2025

কুরআনে বর্ণিত আসহাবুল কাহাফের সেই গুহা।
আল-কোরআনের সূরা আল-কাহাফের সাত জন যুবকের 309 বছরের ঘুমের ঐতিহাসিক ঘটনা ও স্হান।

05/09/2024

যে নবী সূর্যকে থামিয়ে দিয়েছিলেন।
হযরত ইউশা বিন নূন (আ:) এর মাকাম শরীফ, জর্ডান।

06/01/2024

যে ডকুমেন্টারিটি আমাকে বহুবার কাঁদিয়েছে!
গত এক বছরের আমাদের নিস্বার্থ, ঘাম ঝড়ানো পরিশ্রমগুলো উঠে আসছে এখানে। সম্পূর্ণ দেখুন। অনেক কিছু জানার আছে।

2023 সালে Bangladesh Students' Organization এর General Secretary/সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করেছি। গত এক বছরে আমাদের দায়িত্বশীলদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার কিছু স্মৃতিময় সময়। অধীকাংশ ছাত্রের মতামত, আপনাদের এই সেশনটি সব থেকে সেরা ছিলো। আলহামদুলিল্লাহ।
যাজাকুমুল্লাহ খাইরান। সবার সহযোগিতা ছিলো বলেই আমরা সফল হতে পেরেছি।

খুব মিস করবো প্রিয় মানুষগুলোকে।

এই গত সেশনে, সম্পূর্ণ মেধা, সৃজনশীলতা দিয়ে চেষ্টা করেছি, নতুন কিছু করার। এই ডকুমেন্টারিটাও মাত্র ১২ ঘন্টার মাঝে স্ক্রিপ্ট লিখে, ভয়েজ রেকর্ড আবার ইডিটরের পাশে বসে বসে ইডিটিং করা।

আগামী দু'তিন বছর Organization এর সব ধরনের দায়িত্ব থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছি। Study তে সম্পূর্ণ ফোকাস দেওয়ার জন্য। ছোট বেলা থেকেই ক্লাসের নেতৃত্ব, Captaincy সহ সাংগঠনিক অনেক ধরনের দায়িত্ব পালন করে আসছি, আলহামদুলিল্লাহ।

এখন অন্যান্য দুর্গগুলো জয় করতে হবে। ইন শা আল্লাহ।

19/07/2023

আজিজে মিসর, নবী হযরত ইউসুফ (আ:) এর ঐতিহাসিক জাবিরা কারাগার, মিশর।

15/04/2023

যার কবিতা শুনে রাসূল (সা:) স্বপ্নে চাদর পড়িয়ে দিলেন। ইমাম শারফুদ্দীন আল বুসিরি | কাসিদায়ে বুরদা শরীফ।

12/04/2023

যার নামে আল-কুরআনে একটা সূরার নাম করণ করা হয়েছে, হযরত লোকমান হাকিম (আ:) এবং বনি ইসরাইলের প্রভাবশালী নবী হযরত দানিয়েল (আ:)

09/04/2023

টেম্পেল: ফেরাউন যে দেবতার পূজা করতো সেই দেবতার রাজপ্রাসাদ।

02/04/2023

তূর পর্বতে তিন হাজার বছরের প্রাচীন গির্জার ভিতরে, মূসা (আ:) এর কুপ, তাওরাত. জাবুর ও ইনজিল শরীফের প্রাচীন পান্ডুলিপি। সেন্ট ক্যাথরিন গির্জা, তূরে সাইনা, মিশর। Symum AL Mahdi

27/03/2023

রাজপ্রাসাদ: আজিজে মিসর, হযরত ইউসুফ (আ:) এর একমাত্র মুসলিম ফারাও সম্রাট, যিনি আল্লাহকে প্রভু রুপে গ্রহণ করেছিলেন।
----------------------------------------------------------------

(এই ফেরাউন, একজন “মুসলিম” ফারাও সম্রাট ছিলেন। এক আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী ছিলেন)
আসুন জেনে নেই, হযরত ইউসুফ (আ:) এর ফেরো “আখনাতুনের” গল্প।

হযরত ইউসুফ (আ.) যে ফারাও বাদশাহর সময়ে “আজিজে মিসর” বা মিশরের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, সেই ফারাও বাদশাহ হলেন, #চতুর্থ_আমেন_হোতেপ_বা_আখনাতুন। একমাত্র ফারাও সম্রাট যে এক আল্লাহর উপর ঈমান এনেছিলেন।

মিশরের “তিল্লুল আমারনা” তার রাজপ্রাসাদে, হাইরোগ্লাফিক্স ভাষায় স্পষ্ট অক্ষরে আখনাতুনের কথাগুলো খোদাই করা আছে:

আখনাতুন এক আল্লাহর ইবাদাতের প্রতি মানুষদের আহ্বান করেছিলেন। এক স্রষ্টায় বিশ্বাসী ছিলেন।
আখনাতুনের কথাগুলো ছিলো,

يا أيها الإله الأحد الذي لا يوجد بجانبه شأن لأحد خلقت الأرض علي حسب رغبتك و لم يكن بجوارك أحد

“হে অদ্বিতীয় সত্তা, একক প্রভু, যে পরাক্রমশালীর সমকক্ষ কেউ নেই। এই বিশ্ব জগৎ সৃষ্টি করেছেন, যেমনটি আপনি চেয়েছেন। এই সৃষ্টি জগতের আপনিই একমাত্র স্রষ্টা বা প্রতিপালক।”

আহ! সূরা ইখলাসের সাথে তার কথাগুলো কতই না মিল।

হযরত সাইয়্যেদুনা ইউসুফ (আ.) এর সময়ের ফারাও সম্রাট কে এই আখনাতুন?
যার বাবা ছিলেন, তৃতীয় আমেন হোতেপ। সেই হিসেবে তার উপাধি চতুর্থ আমেন হোতেপ। এই নামেই মিশরবাসী সবাই তাকে চিনতো। এবং তার উপাসনা করতো। কিন্তু বাদশাহ একদিন হঠাৎ করেই রাষ্ট্রের সবাইকে আমন্ত্রণ করলেন। ঐ দিনটি ছিলো, আমুন দেবতার মিশরের বিজয়ের দিন। স্বভাবতই সূর্য দেবতা আমুনের সম্মানে, বাদশাহ রাজকীয় পোষাক পরিধান ও আমুনকে শ্রদ্ধা জানানোর কথা ছিলো। কিন্তু বাদশাহ একি করলেন! স্বাভাবিক পোষাকেই সবার সামনে এলেন। তখন সবার মাঝে গুঞ্জন শোনা গেল, কি ব্যাপার! বাদশাহর তো দেখছি আমুন দেবতার প্রতি সম্মান প্রদর্শনের কোনো ইচ্ছাই নেই।
তিনি দেবতাকে অপমান কেন করছেন?

সবার নিরবতা ভেঙ্গে, আমেন হোতেপ বললেন, আমি সবার মনের কথা বুঝতে পেরেছি, আজকে কেন আমি দেবতা আমুনকে শ্রদ্ধা জানাইনি। কেন উত্তম পোষাক পরিধান করিনি।

তোমরা শুনে রাখ, আজ থেকে আমার নাম আখন আতুন বা এক শ্রষ্টার উপাসনাকারী। সেই সাথে আজ থেকে মিসরের প্রধান ধর্ম আতুন তথা আল্লাহর ধর্ম। এ সময়ে তার পাশেই দাড়িয়ে ছিলেন, নবিউল্লাহ আজিজে মিশর, আজমালুল খলক হযরত ইউসুফ (আ.)

আমুন দেবতার পুরোহিতদের বললেন, তোমাদের এই জড় পদার্থের শ্রষ্টাকে বাহিরে নিয়ে যাও। এ বলে তিনি মূর্তিটি সবার সামনে নিক্ষেপ করলেন।

আখনাতুন মূলত একজন সম্রাট হলেও, তার সব দায়িত্ব দিয়েছিলেন, হযরত ইউসুফ (আ.)কে। তার পরামর্শ ছাড়া তিনি কোনো কাজ করতেন না। ইউসুপ (আ.) প্রধানমন্ত্রী হলেও রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতা ও শাসনের অধীকারী ছিলেন তিনি।
হযরত নবী ইয়াকুব (আ.) ও সাইয়্যেদুনা ইউসুফ (আ.) ভাইয়েরা যখন মিশরে আগমন করেন, বাদশা আখনাতুন ছুঁটে গিয়েছিলেন তাদের স্বাগত জানাতে। এবং তাদের বসবাসের জন্য মিশরের ম্যানুফেস বা বর্তমান মিতরাহিনাতে জায়গা নির্ধারন করে দেন। এবং তাদের রাজকীয় মেহমানে ভূষিত করেন।

মিশরে যতগুলো জায়গাতে তার মূর্তি দেখেছি, সবগুলোর চেহারা ঠিক একই রকম। লম্বাটে গাল বিশিষ্ট এক অদ্ভূত চেহারার অধিকারী ছিলেন তিনি। এই মূর্তিগুলো এখন তৈরী হয়েছে এমনটি নয়, এগুলো আজ থেকে চার হাজার বছর পূর্বের তৈরী।
যার এই তিমসালটি Egyptian National Civilization Museum এ সংরক্ষিত রয়েছে।

লেখক,
সাইমুম আল-মাহদী,
শিক্ষার্থী, আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়, কায়রো-মিশর।

“মিশর: আরদুল আম্বিয়া”, আমার অপ্রকাশিত বইয়ের একটি অংশ থেকে।

(লেখাটি অপরিবর্তিত রেখে, ম্যাগাজিন কিংবা পত্রিকায় পাবলিস্ট করার অনুমতি দেওয়া হল।)

24/03/2023

যে বৃক্ষে, আল্লাহ, মূসা (আ:)কে তার জ্যোতি প্রকাশ করেছিলেন।

“তখন ডান উপত্যকার কিনারায় অবস্থিত বরকতপূর্ণ ভূমির একটি বৃক্ষ থেকে ডাকা হলো- হে মুসা! আমিই আল্লাহ, জগৎসমূহের প্রতিপালক।” (সূরা ক্বাসাস)

আল-কোরআনে ইরশাদ হয়েছে,

“মুসা যখন মেয়াদ পূর্ণ করল এবং নিজ স্ত্রীকে নিয়ে রওয়ানা হয়ে গেল, তখন সে তুর পাহাড়ের দিকে এক আগুন দেখতে পেল। সে নিজ পরিবারবর্গকে বলল, তোমরা অপেক্ষা কর। আমি এক আগুন দেখেছি, হয়ত আমি সেখান থেকে তোমাদের কাছে আনতে পারব কোনো সংবাদ অথবা আগুনের একটা জ্বলন্ত কাঠ, যাতে তোমরা উত্তাপ গ্রহণ করতে পার। সুতরাং সে যখন আগুনের কাছে পৌঁছল, তখন ডান উপত্যকার কিনারায় অবস্থিত বরকতপূর্ণ ভূমির একটি বৃক্ষ থেকে ডাকা হলো- হে মুসা! আমিই আল্লাহ, জগৎসমূহের প্রতিপালক।” -(সূরা ক্বাসাস: ২৯-৩০)

এটাই সেই শাজারাতুল মুকাদ্দাসা।
যেখানে আল্লাহ তার জ্যোতি প্রকাশ করেছিলেন। এই গাছের কিছু ডাল ও ফুল নিয়ে আসছি আমার মিউজিয়ামের জন্য। এটা এমন একটি কাটা যুক্ত গাছ, যা পৃথিবীতে আর কোথাও নেই।

স্হান: ওদিল মুকাদ্দাসি তুয়া, সেন্ট ক্যাথরিন, তূরে সাইনা, মিশর।

Address

Gopalganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Travel with Symum Al-Mahdi Al-Azhari سيموم المهدي الأزهري posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Travel with Symum Al-Mahdi Al-Azhari سيموم المهدي الأزهري:

Share

Category