আলে রাসূল যিয়ারত কাফেলা

আলে রাসূল যিয়ারত কাফেলা যিয়ারত-ওমরা-হজ্ব

নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবারনারায়ে রিসালাত ইয়া রাসূলাল্লাহনারায়ে হায়দারী ইয়া আলীনারায়ে যামানা ইয়া মাহ্দীআল্লাহর ন...
16/06/2026

নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবার
নারায়ে রিসালাত ইয়া রাসূলাল্লাহ
নারায়ে হায়দারী ইয়া আলী
নারায়ে যামানা ইয়া মাহ্দী

আল্লাহর নামে (শুরু করছি) যিনি অতিশয় দয়ালু (সাধারণভাবে সবার জন্য)
এবং পরম করুণাময় (বিশেষ কিছু ব্যক্তির জন্য এবং বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে)।

মুহাররম শুধু একটি মাসের নাম নয়;
এটি সত্য ও অসত্যের সংঘর্ষের ইতিহাস,
ত্যাগ ও আত্মোৎসর্গের মহাকাব্য,
আর মানবতার মুক্তির জন্য রক্তে লেখা
এক চিরন্তন বার্তা।

সালামুন আলায়কুম,
মানবতার বন্ধু, মজলুমদের সাহায্যকারী, মহানবী (সা.)-এর প্রানপ্রিয় নাতি সন্তান ইমাম হুসাইন ও তাঁর অসহায় পরিবার এবং সঙ্গী-সাথীদের নির্মম ও হৃদয় বিদারক শাহাদাতের মাস মহররম মাস। তাই, আরবী নতুন বছরের শুরুতে আশেকানে রাসূল (সা.)-কে জানাই অশ্রম্নসিক্ত শোক ও সমবেদনা।
৬১ হিজরীর ১০ মহররম জান্নাতী যুবকদের সর্দার, মানবতার মুক্তির মহান দিশারী, আহলে বাইতে রাসুল (দ.) তথা পুত পবিত্রতম মহাসত্তা, সত্যের জন্য চরম আত্মোৎসর্গীত মহাপুরুষ ইমাম হুসাইন ইবনে আলী ইবনে আবু তালিব (সালামুল্লাহি আলাইহিমা)-এর শাহাদাতের দিন তথা আশুরা।
মুমিনদের আত্ম পরিচয় খুঁজে পাওয়ার এবং উন্নত মনোবৃত্তির সব শিক্ষা জড়িয়ে আছে আশুরা বিপ্লবের মধ্যে। যতদিন এ মহান ইমামের মহান আত্মত্যাগের স্মরণে অন্তরে ভক্তি ও ভালবাসা থাকবে, আর জিহ্বায় থাকবে তার সাহসী প্রকাশ, ততদিন এ রক্তাক্ত শাহাদাতের বাণী সমুন্নত ও চিরন্তন থাকবে, পৌঁছে যাবে পরবর্তী বংশধরদের কাছে।
মহররম মাসের তাৎপর্য এবং আশুরার গুরুত্ব প্রসঙ্গে গণসচেতনতা তৈরীর লক্ষ্যে এ মহান শোকের মাসকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করার উদ্দেশ্যে আলে রাসূল পাবলিকেশন্স-এর উদ্যোগে আগামী ১৭ জুন ২০২৫ বুধবার, সকাল ১০:৩০টায় যশোর প্রেসক্লাব চত্বরের একটি মানব বন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে।
উক্ত মানব বন্ধনের অংশগ্রহণের জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।

আরোজগুজার
শাহবাজ আহম্মেদ
-প্রকাশক
আলে রাসূল পাবলিকেশন্স
০১৫৫১৩৬৪৫২৯
০১৯৭৩৩৬৪৫২৯

তারিখ : ১৭ জুন ২০২৫, বুধবার
সময় : সকাল ১০:৩০ টায়
স্থান : প্রেসক্লাব চত্বর
আয়োজনে : আলে রাসূল পাবলিকেশন্স

আলহামদুলিল্লাহ 🤲আসসালামু আলাইকুমসদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, ঈদুল ফিতর পরবর্তী (২৩ মার্চ ২০২৬, সম্ভাব্য ফ্লাইট) গ্রুপের...
01/03/2026

আলহামদুলিল্লাহ 🤲
আসসালামু আলাইকুম
সদয় অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, ঈদুল ফিতর পরবর্তী (২৩ মার্চ ২০২৬, সম্ভাব্য ফ্লাইট) গ্রুপের ভিসা আজ আমরা হাতে পেয়েছি।
পরবর্তী গ্রুপের সাথে ইরাকে জিয়ারতে যেতে আগ্রহীদের দ্রুত যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি 🙏

🤲 আলহামদুলিল্লাহ 🤲আলে রাসূল যিয়ারত কাফেলা'র পক্ষ থেকে সকলের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি 🙏ঈদুল ফিতরের দু-চার দিন পরে অর্থাৎ ...
10/02/2026

🤲 আলহামদুলিল্লাহ 🤲

আলে রাসূল যিয়ারত কাফেলা'র পক্ষ থেকে সকলের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি 🙏

ঈদুল ফিতরের দু-চার দিন পরে অর্থাৎ ২৩ অথবা ২৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে ইরাকের সম্ভব্য ফ্লাইট নির্ধারণ করা হয়েছে, এ সময়ে যিয়ারতে যেতে আগ্ৰহীদের দ্রুত যোগাযোগ করতে অনুরোধ জানাচ্ছি।

ভিসা-ফ্লাইট-হোটেল-খাবার-ট্রাসপোট-গাইড

বিস্তারীত জানতে কল করুন .....

শাহবাজ আহমেদ
(পরিচালক)
01551364529 (Whatsapp)
01973364529 (Hot-line)

www.alerasultour.com

18/01/2026

Celebrating my 2nd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

https://www.facebook.com/photo?fbid=122108131965133233&set=a.122103954675133233
11/12/2025

https://www.facebook.com/photo?fbid=122108131965133233&set=a.122103954675133233

ইরানে বাংলাদেশি রোগীর সফল কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট

বাংলাদেশের একজন রোগী সম্প্রতি Ale Rasul Health Tourism-এর সহায়তায় ইরানে সফলভাবে কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট সম্পন্ন করেছেন।

এই ক্ষেত্রে, দাতা ও গ্রহীতা উভয়েই বাংলাদেশি নাগরিক ছিলেন।

ইরানে কিডনি দাতা ও গ্রহীতার মধ্যে রক্তের সম্পর্ক থাকা বাধ্যতামূলক নয়। শুধুমাত্র জৈবিক মিল থাকলেই ট্রান্সপ্লান্টটি আইনগত ও চিকিৎসাগতভাবে অনুমোদিত — যা ইরানকে আন্তর্জাতিক কিডনি ট্রান্সপ্লান্টের জন্য অন্যতম নমনীয় ও সহজগম্য গন্তব্য করে তুলেছে।

# সাশ্রয়ী খরচ
# দক্ষ সার্জন ও অনুমোদিত হাসপাতাল
# আত্মীয় দাতা প্রয়োজন নেই
# আইনগত ও নৈতিক ট্রান্সপ্লান্ট প্রক্রিয়া

আপনি যদি বিদেশে নিরাপদ এবং খরচ-সাশ্রয়ী কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট খুঁজে থাকেন, আমরা প্রতিটি ধাপে আপনার পাশে আছি।

WhatsApp-এ আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন:
+88 01551 364529 (BD)
+98 930 453 9260 (IRAN)

আরও জানুন: https://www.alerasultour.com/

https://www.facebook.com/profile.php?id=61583997016976

পাকিস্তানে সুপরিচিত সূফী মাজার সমূহ: লাহোরের দাতা গঞ্জ বাখশ্ দরবার এবং সেহওয়ান শরীফে বাবা লাল শাহবাজ কালান্দারের মাজারে...
29/11/2025

পাকিস্তানে সুপরিচিত সূফী মাজার সমূহ:

লাহোরের দাতা গঞ্জ বাখশ্ দরবার এবং সেহওয়ান শরীফে বাবা লাল শাহবাজ কালান্দারের মাজারের মতো জনপ্রিয় সুফি মাজারগুলি আধ্যাত্মিক জ্ঞানার্জনের জন্য ভক্ত এবং দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করে। এই মাজারগুলি তাদের প্রাণবন্ত অনুষ্ঠানের জন্য পরিচিত, যার মধ্যে রয়েছে কাওয়ালি (সুফি ভক্তিমূলক সঙ্গীত) এবং বার্ষিক ওরস উৎসব, যেখানে হাজার হাজার সাধু-সন্তদের সম্মান জানাতে সমবেত হয়।

অন্যান্য উল্লেখযোগ্য মাজার: করাচিতে আবদুল্লাহ শাহ গাজীর মাজার এবং উচ শরীফে বিবি জাওয়িন্দির মাজারের মতো স্থানগুলি প্রতিফলন এবং ইবাদতের জন্য স্থান প্রদান করে, যা সুফি ঐতিহ্য এবং ইসলামী রহস্যবাদে আগ্রহীদের কাছে আকর্ষণীয়।

আমারও প্রস্তুত; ইনশাআল্লাহপাকিস্তানে রুহানী সফরলাহোর-ইসলামাবাদ-মুলতান[১৪ রাত ১৫ দিন]দিন ০১লাহোরে আগমনবিমানবন্দরে সাক্ষাৎ...
27/11/2025

আমারও প্রস্তুত; ইনশাআল্লাহ

পাকিস্তানে রুহানী সফর

লাহোর-ইসলামাবাদ-মুলতান

[১৪ রাত ১৫ দিন]

দিন ০১
লাহোরে আগমন
বিমানবন্দরে সাক্ষাৎ ও সহায়তা, হোটেলে স্থানান্তর
রাত্রিযাপন: লাহোরে

দিন ০২
লাহোর সিটি ট্যুর: বাদশাহী মসজিদ, মিনারে পাকিস্তান, লাহোর দুর্গ, পাকিস্তানের কবি-দার্শনিক আল্লামা ইকবালের সমাধি (১৮৭৭-১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দ)।
রাত্রিযাপন: লাহোরে

দিন ০৩
হযরত দাতা গঞ্জ বখশ (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত (৯৯০-১০৭৭), পাকিস্তানের সবচেয়ে বেশি পরিদর্শন করা মাজারগুলির মধ্যে একটি। শায়খ সৈয়দ আলী আল-হুজভিরি বা দাতা গঞ্জে বখশ (রহ.)-এর মাজারটি খোদাই করা সাদা মার্বেল পাথর দিয়ে তৈরি একটি মুঘল যুগের সমাধিতে অবস্থিত। গামে শাহ্ কারবালা।
রাত্রিযাপন: লাহোরে

দিন ০৪
লাহোরে রুকাইয়া বিনতে আলী ইবনে আবি তালিবের প্রতি উৎসর্গীকৃত ‘বিবি পাক দামান’-এর মাজার পরিদর্শন। ইমাম
আলী রিদ্বা মাজার গবেষণা কেন্দ্র, ইরানের মতে, মাজারটিতে রুকাইয়া বিনতে আলী ইবনে আবি তালিবের কবর রয়েছে, যিনি ইমাম আলী ইবনে আবি তালিবের কন্যা, হযরত আবুল ফজল আব্বাস ইবনে আলী যিনি কারবালায় ইসলামের পতাকাবাহক ছিলেন তাঁর বোন এবং হযরত মুসলিম ইবনে আকিলের স্ত্রী।
লাহোরে অবস্থিত ১৭ শতকের একটি মাজার, যা সুফি মরমী মিয়া মীরের প্রতি উৎসর্গীকৃত। মাজারটি লাহোরের অন্যতম বিখ্যাত এবং ঐতিহাসিকভাবে মুসলিম এবং শিখ সম্প্রদায় উভয়ের দ্বারাই সম্মানিত।
হযরত শাহ ইনায়েতের মাজার পরিদর্শন (১৬৪৩ - ১৭২৮) ছিলেন একজন পাঞ্জাবি মুসলিম সুফি পণ্ডিত, সাধক এবং দার্শনিক। তিনি তার বেশিরভাগ দার্শনিক রচনা ফার্সিতে লিখেছিলেন। শাহ ইনায়েত কাদিরি সর্বজনীন পাঞ্জাবি কবি ‘বুল্লে শাহ্’ এবং ‘ওয়ারিস শাহ্’-এর আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক হিসেবে বিখ্যাত।
রাত্রিযাপন: লাহোরে

দিন ০৫
শাহ হোসেন (রাহ.)-এর মাজার পরিদর্শন (১৫৩৮ - ১৫৯৯), যিনি ‘মাধু লাল হোসেন’ নামেও পরিচিত ছিলেন। তিনি একজন পাঞ্জাবি সুফি কবি, যাকে পাঞ্জাবি কবিতায় ‘কাফি’ ধারার পথিকৃৎ হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং প্রথম পাঞ্জাবের প্রধান প্রাথমিক-আধুনিক কবি, যিনি ১৬ শতকের গোড়ার দিকে মুঘল যুগে বাস করতেন।
হযরত শাহ্ জামাল (রহ.)-এর মাজার পরিদর্শন। সুফি সাধক বাবা শাহ জামালের মাজার লাহোরে অবস্থিত।
রাত্রিযাপন: লাহোরে

দিন ০৬
ইসলামাবাদের উদ্দেশ্যে যাত্রা [৫ ঘন্টা ড্রাইভ]
রাত্রিযাপন: ইসলামাবাদে

দিন ০৭
বাড়ী ইমামের মাজার পরিদর্শন (১৬১৭ - ১৭০৫), ছিলেন ১৭ শতকের একজন পাঞ্জাবি মুসলিম সুফি তপস্বী। শাহ আব্দুল লতিফ কাজম (রহ.), যিনি বারী ইমাম/বাড়ী সরকার নামেও পরিচিত, তিনি ছিলেন ১৭ শতকের কাদিরিয়া তরিকার একজন সুফি সাধক। ইমামিয়া ধারার ৭ম ইমাম, মুসা আল-কাজিমের বংশধর হিসেবে নবী মুহাম্মদ (সাঃ)-এর বংশধর, তিনি পাঞ্জাবের সবচেয়ে শ্রদ্ধেয় সাধকদের একজন। ⁣
রাত্রিযাপন: ইসলামাবাদে

দিন ০৮
ফয়সাল মসজিদ পরিদর্শন। পীর মেহের আলী শাহ (রহ.)-এর মাজার হল ২০ শতকের একটি সুফি মাজার যিনি আহমদিয়া বিরোধী আন্দোলনের নেতাও ছিলেন। মাজারটি ইসলামাবাদ রাজধানী অঞ্চলের ‘গোলরা শরীফ’ গ্রামে অবস্থিত।
রাত্রিযাপন: ইসলামাবাদে

দিন ০৯
ইসলামাবাদ সিটি ট্যুর: শাকারপারিয়ান, দমন-এ-কোহ, সেন্টোরাস মল
রাত্রিযাপন: ইসলামাবাদে

দিন ১০
হযরত সুলতান বাহ (রহ.)-এর মাজারে যাত্রা (১৭ জানুয়ারী ১৬৩০ – ১ মার্চ ১৬৯১)। তিনি ছিলেন সপ্তদশ শতাব্দীর একজন পাঞ্জাবি মুসলিম কবি, সুফি, পণ্ডিত এবং ইতিহাসবিদ। তিনি তাঁর রহস্যময় কবিতার জন্য বিখ্যাত, মুঘল সম্রাট শাহজাহান এবং আওরঙ্গজেবের রাজত্বকালে তিনি সক্রিয় ছিলেন। [৭ ঘন্টা ড্রাইভ]
রাত্রিযাপন: মুলতানে।

দিন ১১
হযরত খাজা গোলাম ফরিদ (রহ.)-এর মাজার পরিদর্শন (১৮৪৫-১৯০১) ছিলেন উপমহাদেশের পাঞ্জাবি কবি এবং চিশতীয়া-নিজামি ধারার অন্তর্ভুক্ত। মিঠানকোটে সমাহিত।
ফেরার পথে ‘উচ শরীফ’-এর মাজার পরিদর্শন। সুফি আধ্যাত্মিক নেতাদের উদ্দেশ্যে নিবেদিত। এই মাজারগুলি বছরের পর বছর ধরে অগনিত বিখ্যাত পরযটক পরিদর্শন করেছেন তাদের মধ্যে মার্কো পোলো এবং ইবনে বতুতা অন্যতম। মূল মাজারটি জালালউদ্দিন সূরখ বুখারি (রহ.), একজন রহস্যময় এবং সাধক যিনি চেঙ্গিস খানকে ইসলামে ধর্মান্তরিত করেছিলেন, তাকে উৎসর্গ করা হয়েছে।
সেই কাঠামো ছাড়াও, আরও দুটি বড় ভবন রয়েছে, যা ইমাম বুখারির নাতি হযরত জালালউদ্দিন বুখারা (রহ.) (এছাড়াও একজন সুফি সাধক) এবং তার স্ত্রী বিবি জাওয়িন্দিকে উৎসর্গ করা হয়েছে।
রাত্রিযাপন: মুলতানে।

১২তম দিন
বাহাউদ্দিন জাকারিয়া (রহ.)-এর মাজার পরিদর্শন, মুলতানে অবস্থিত ১৩ শতকের একটি মাজার। এই মাজারটি ‘সুহরাওয়ার্দীয়া তরিকার’ সুফি মরমী বাহাউদ্দিন জাকারিয়ার উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত। এটি বিস্তৃত পাঞ্জাব অঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুসলিম মাজার হিসেবে বিবেচিত এবং মুলতানের ধ্রুপদী স্থাপত্য শৈলীর নমুনা।
মুলতানে অবস্থিত শাহ রুকন-ই-আলম (রহ.)-এর মাজার পরিদর্শন, তিনি ১৪ শতকের সুফি সাধক । মাজারটি তুঘলক রাজ বংশের স্থাপত্যের প্রাচীনতম উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত এবং ভারতীয় উপমহাদেশের সবচেয়ে চিত্তাকর্ষক মাজারগুলির মধ্যে একটি।
শামসুদ্দিন সাবজওয়ার (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত (মৃত্যু ১২৭৬)। তিনি ছিলেন বর্তমান ইরানের সাবজওয়ারের একজন মুসলিম সাধক যিনি ১২০০ সালের প্রথম দিকে পাকিস্তানের পাঞ্জাবের মুলতানে আসেন। তিনি সেখানে একটি দরগাহ প্রতিষ্ঠা করেন এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কাছে ইসলাম প্রচার করেন। শামসুদ্দিন সাবজওয়ারীর ১২৭৬ সালে মুলতানে মৃত্যু হয়।
রাত্রিযাপন: মুলতানে।

১৩তম দিন
বাবা ফরিদ (রহ.)-এর মাজার ‘পাকপত্তনে’ অবস্থিত ১৩ শতকের একটি সুফি দরগাহ মাজার, যা পাঞ্জাবি সুফি মরমী এবং কবি বাবা ফরিদের উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত। মাজারটি পাকিস্তানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ইসলামিক পবিত্র স্থানগুলির মধ্যে একটি – যা এই অঞ্চলের মুসলমানদের জন্য স্থানীয়ভাবে ভক্তির কেন্দ্রবিন্দু তৈরি করে। মাজারটি শিখদের দ্বারাও সম্মানিত, গুরু গ্রন্থ সাহেবকে শিখরা চিরন্তন গুরু বলে মনে করে। তিনি বাবা ফরিদের কবিতা তাদের দরমগ্রন্থে অন্তর্ভুক্ত করেন। [৪ ঘন্টা ড্রাইভ]
রাত্রিযাপন: পাকপত্তনে।

দিন ১৪
লাহোরের উদ্দেশ্যে যাত্রা
রাত্রিযাপন: লাহোরে

১৫তম দিন
দেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা

প্যকেজের আওতায় যা আছে:
ব্রেকফাস্ট
বিলাসবহুল গ্র্যান্ড কেবিন/কোস্টার আপ মডেল গাড়ী
ড্রাইভার/জ্বালানি ও টোল-ট্যাক্স
লাহোরে ০৬ রাত থাকা (হোটেল ওয়ান/অনুরূপ)
ইসলামাবাদে ০৪ রাত থাকা (গ্র্যান্ড ইসলামাবাদ হোটেল/অ্যাটলাস হোটেল)
মুলতানে ০৩ রাত থাকা (হোটেল ওয়ান)
পাকপত্তনে ০১ রাত থাকা (মেহরান হোটেল/অনুরূপ)
সমস্ত দরশনীয় স্থানের প্রবেশ টিকিট
ট্যুর গাইড (ইংরেজি/উর্দু/বাংলা)

প্যকেজের বহিভূত:
দুপুরের এবং রাতের খাবার
ব্যক্তিগত খরচ
ভ্রমণ বীমা

আস-সালামু আলায়কুম ওয়া-রাহমাতুল্লাহআলহামদুলিল্লাহ 🤲সম্মানিত ইরান-ইরাক জিয়ারতে গমনে ইচ্ছুক ভাই-বোনদের প্রতি সদয় দৃষ্টি...
04/10/2025

আস-সালামু আলায়কুম ওয়া-রাহমাতুল্লাহ

আলহামদুলিল্লাহ 🤲

সম্মানিত ইরান-ইরাক জিয়ারতে গমনে ইচ্ছুক ভাই-বোনদের প্রতি সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ...

১৩ ই রজব তথা ০৪ জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে মাওলার কায়েনাত আমিরুল মুমেনীন আলি ইবনে আবু তালিব আলাহিস সালামের বেলাদাত তথা জন্মবার্ষিকী।

এই উপলক্ষ্যেকে সামনে রেখে ইরাকের ভিসা প্রসেসিং এর একটি উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে; যারা আলে রাসূল জিয়ারত কাফেলাতে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক, তারা দ্রুত যোগাযোগ করুন।

ভিসা প্রসেসিং-এর জন্য যাবতীয় ডকুমেন্ট অবশ্যই চলতি সপ্তাহেই জমা দিতে হবে।

আপনাদের সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি 🤲

শিফাতুশ শিয়া[ শিয়াদের গুণাবলী ]গ্রন্থকার: শেইখ সাদুক (রহ.)অনুবাদ: শেখ জাহিদ আলীসম্পাদনা: আসিফ আলী ইমামীগ্রন্থস্বত্ব: প...
06/09/2025

শিফাতুশ শিয়া
[ শিয়াদের গুণাবলী ]

গ্রন্থকার: শেইখ সাদুক (রহ.)

অনুবাদ: শেখ জাহিদ আলী

সম্পাদনা: আসিফ আলী ইমামী

গ্রন্থস্বত্ব: প্রকাশক

প্রকাশকাল:
১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪৭ হি.; ২৬ ভাদ্র ১৪৩২ বা.; ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খ্রি.

প্রকাশনায়: আলে রাসূল পাবলিকেশন্স
০১৫৫১৩৬৪৫২৯, ০১৯৭৩৩৬৪৫২৯

পশ্চিম বঙ্গে পরিবেশক: রেনেসা পাবলিশার, ৯০৫১৩৭৫৫১৫; ৯৭৩২৯৮৪০৪১

প্রচ্ছদ: শাহনেওয়াজ রকি

মুদ্রিত মূল্য: ১৭০/— [ একশত সত্তর টাকা ]

ISBN: 978-984-94791-7-8

https://alerasul.com/product/%e1%b9%a3ifat-al-shia/

ভূমিকা:
সব প্রশংসা ঐ মহিমান্বিত আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের জন্য, যিনি সৃষ্টি করেছেন আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী, যিনি অঁাধারের বুক চিরে আলো সৃষ্টি করেছেন, যিনি হৃদয়কে জ্ঞান, আত্মাকে ঈমান এবং জীবনকে উদ্দেশ্য দান করেছেন।
তিনিই পরম দয়ালু, যিনি আমাদেরকে কুরআনের ছায়াতলে আশ্রয় দিয়েছেন -এক এমন গ্রন্থ, যা হেদায়েতের দীপ্তমান প্রদীপ, করুণার বারিধারা এবং সত্য—অসত্যের সুনির্দিষ্ট মানদণ্ড। তিনিই আমাদেরকে চৌদ্দ মাসুম (আ.)—এর অনুসরণের সৌভাগ্য দান করেছেন, যাঁরা কুরআনের জীবন্ত ব্যাখ্যা, ইলহামের মশাল, আর ন্যায় ও তাকওয়ার অবিচল মডেল।
আমি আমার অনুবাদের কলমকে সাজিয়েছি কৃতজ্ঞতার মালা দিয়ে, যার প্রতিটি শব্দের মাঝে আছে রব্বুল আলামিনের শুকরিয়া এবং চৌদ্দ মাসুম (আ.)—এর প্রতি দরুদ ও সালাম। তাঁদের জীবন ও শিক্ষা আমাদের জন্য এমন এক আয়না, যার মাঝে প্রতিফলিত হয় সত্য, ধৈর্য, ইখলাস এবং ত্যাগের পরাকাষ্ঠা।
দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এবং তাঁর পবিত্র আহলুল বায়েত (আ.)—এর উপর -যাঁরা সত্য, পবিত্রতা ও আধ্যাত্মিক উচ্চতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।
হে আল্লাহ! আমাদের অন্তরকে কুরআনের আলোয় উদ্ভাসিত করো এবং আমাদের আমলকে মাসুমিন (আ.)—এর আদর্শ অনুযায়ী কবুলযোগ্য করে তোলো। -ইলাহী আমীন।
‘শিফাতুশ শিয়া’ হলো শিয়াদের ‘নৈতিক’ ও ‘আচরণগত’ বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত হাদিসের একটি সংকলন, যা শেইখ সাদুক (মৃত্যু: ৩৮১ হিজরি/৯৯১—৯২ খ্রিস্টাব্দ) রচনা করেছেন। এই বইটি শিয়াদের মধ্যে কী ধরনের গুণাবলি ও বৈশিষ্ট্য থাকা উচিত, সে সম্পর্কিত আলোচনায় নিবেদিত। পরবর্তীকালে শিয়া পণ্ডিত ও ফিকহবিদ (ফকিহ)গণ তাদের গবেষণায় এই বইটি পরামর্শ ও উদ্ধৃত করেছেন এবং পরবর্তী অনেক হাদিস সংকলনে এটিকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
বিবরণমূলক তথ্য:
লেখক: শেইখ সাদুক (রহ.)
মূল শিরোনাম: صِفاتُ الشّیعَة (Ṣifāt al-Shīʿa)
ভাষা: আরবি
বিষয়: হাদিস সংকলন
লেখক পরিচিতি:
প্রধান নিবন্ধ: শেইখ সাদুক (রহ.)
মুহাম্মাদ ইবনে আলী ইবনে আল—হুসায়ন ইবনে মুসা ইবনে বাবাওয়াইহ আল—কুম্মী, যিনি আল—শায়খ আল—সাদুক নামে প্রসিদ্ধ ছিলেন, চতুর্থ হিজরি শতাব্দীর (দশম খ্রিস্টাব্দ) একজন অগ্রগণ্য শিয়া ইসলামিক পণ্ডিত।
জীবনবৃত্তান্ত:
— জন্ম: ৩০৫ হিজরির (৯১৭—১৮ খ্রিস্টাব্দ) পূর্বে ইরানের রেই শহরে
— ইন্তেকাল: ৩৮১ হিজরি (৯৯১—৯২ খ্রিস্টাব্দ)
— বিশেষ পরিচয়: তিনি কুম শহরের সর্বশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস (হাদিস বিশারদ) ও ফকিহ (ইসলামিক আইনবিদ) ছিলেন এবং কুমের হাদিস চর্চার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাকেন্দ্রের সাথে যুক্ত ছিলেন।
সাহিত্যকর্ম:
— রচনাসম্ভার: ৩০০—এর অধিক গ্রন্থ রচনা করেন, যার অনেকাংশই কালের প্রবাহে বিলুপ্ত হয়েছে।
— উল্লেখযোগ্য রচনা:
— “মান লা ইয়াহদুরুহু আল—ফকিহ” - শিয়া ইসলামের চারটি প্রামাণ্য হাদিস গ্রন্থের (সিহাহ আরবাআ) অন্যতম।
— “শিফাতুশ শিয়া” (এই গ্রন্থ) - শিয়াদের নৈতিক ও আচরণগত বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত হাদিস সংকলন।
মূল্যায়ন:
তাঁর রচনাসমূহ শিয়া ইসলামী সাহিত্যে মৌলিক স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত হয় এবং পরবর্তী শতাব্দীব্যাপী পণ্ডিতদের জন্য প্রামাণিক রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
বিশ্বাসযোগ্যতা:
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এই গ্রন্থটি শিয়া পণ্ডিত ও ফকিহদের দ্বারা উদ্ধৃত ও পরামর্শকৃত হয়ে আসছে। পরবর্তীকালের বহু হাদিস সংকলনে এটিকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, যেমন:
— “আদ—দুম‘আত আস—সাকিবা” -মুহাম্মাদ বাকির ইবনে আব্দুল করিম আদ—দিহদাশতী আল—নাজাফী
— ‘বিহারুল আনোয়ার” -আল্লামা মাজলিসি
— “ওয়াসাইল আশ—শিয়া” -শায়খ হুর আমিলি
— “মুসতাদরাক আল—ওয়াসাইল” -মুহাদ্দিস আল—নুরি
‘মুহাদ্দিস আন—নুরি’ এই বইটির প্রতি এতটাই আগ্রহী ছিলেন যে, তিনি নিজ হাতে এর একটি পাণ্ডুলিপি তৈরি করেছিলেন, যা বর্তমানেও সংরক্ষিত আছে।
বইটির বিষয়বস্তু:
এই বইটিতে মোট ৭১টি হাদিস সংকলিত হয়েছে, যা নিম্নলিখিত বিষয়গুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে:
— শিয়াদের বৈশিষ্ট্য ও গুণাবলি
— ইমাম (আ.)—গণের নির্দেশাবলি মেনে চলা
— তাকিয়্যাহ্ (প্রয়োজনে ধর্মীয় গোপনীয়তা রক্ষা)
— পরহেযগার ব্যক্তিদের গুণ ও বৈশিষ্ট্য
— মু’মিন (বিশ্বাসী) ব্যক্তির লক্ষণ
— মানুষের সাথে যোগাযোগের পদ্ধতি
— ধর্মীয় নীতিতে অবিচল থাকা
— আল্লাহর জন্য বন্ধুত্ব
— আল্লাহর জন্য শত্রুতা
— নৈতিক সদগুণাবলি
পাণ্ডুলিপিসমূহ:
এই গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থটির বেশ কিছু পাণ্ডুলিপি বিশ্বের বিভিন্ন লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
— তেহরানের ডক্টর নও’ পারাস্ত লাইব্রেরিতে একটি পাণ্ডুলিপি সংরক্ষিত আছে।
— নাজাফের উর্দুবাদী লাইব্রেরিতে আরেকটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে।
— সামারার তাহেরানী লাইব্রেরিতে এই বইটির একটি পাণ্ডুলিপি বিদ্যমান।
— তেহরানের মির্জা আলী বেহযাদী লাইব্রেরিতে (আল—মুহাদ্দিস আন—নূরীর নাতির সংগ্রহশালা) সংরক্ষিত পাণ্ডুলিপিটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, কারণ এটি আল—মুহাদ্দিস আন—নূরী কর্তৃক ১২৭৯ হিজরিতে (১৮৬২—৬৩ খ্রিস্টাব্দ) স্বহস্তে লিখিত।
এই পাণ্ডুলিপিগুলো গ্রন্থটির ঐতিহাসিক ও গবেষণামূলক মূল্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
প্রকাশনার ইতিহাস:
বাংলাদেশের শিয়া মুসলিম সমাজে ধর্মীয় বইপত্রের সীমিত প্রাপ্তি এবং বিশুদ্ধ শিক্ষার স্বল্পতা অনেক দিন ধরেই অনুভূত হয়ে আসছিল। সেই অভাব পূরণের ক্ষুদ্র কিন্তু আন্তরিক প্রয়াস হিসেবে ‘মক্তব—এ—সাকালাইন’—এর উদ্দে্যাগে এবং ‘আলে রাসূল পাবলিকেশন্স’—এর সহায়তায় আমরা এই প্রথম বাংলাভাষায় প্রকাশ করতে যাচ্ছি এক অমূল্য হাদীসগ্রন্থ- “সিফাতুশ শিয়া”।
প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ও আলেমে দ্বীন, শেইখ সাদুক (রহ.) কর্তৃক সংকলিত এই গ্রন্থটি মূলত এমন এক ঐশী দলিলভাণ্ডার, যেখানে রাসূলুল্লাহ (সা.) এবং পবিত্র ইমাম (আ.)—দের মুখনিঃসৃত হাদীসসমূহের মাধ্যমে প্রকৃত শিয়ার বৈশিষ্ট্য ও পরিচয় সুস্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এই গ্রন্থে আমরা দেখতে পাই -শিয়ারা কারা, কেমন তাঁদের চিন্তা ও বিশ্বাস, কেমন তাঁদের আমল ও চারিত্রিক গুণাবলি -সবই ‘নবুয়ত’ ও ‘ইমামত’—এর আলোকে বিশ্লেষিত।
আমাদের এই প্রচেষ্টা তাদের জন্য, যারা নিজেকে পবিত্র আহলুল বায়তের অনুসারী মনে করেন এবং দ্বীনের শুদ্ধ রূপ জানতে আগ্রহী। “শিফাতুশ শিয়া” কেবল একটি হাদীসগ্রন্থ নয়; বরং এটি আত্মগঠন, নৈতিক উন্নয়ন এবং শুদ্ধ আকীদার এক বাস্তব দিকনির্দেশনা।
আমরা এই মহৎ কাজে সাহায্য করার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি এবং আশা করি, এই গ্রন্থটি বাংলাভাষী পাঠকদের হৃদয়ে ঈমান, ভালোবাসা ও আনুগত্যের দীপ্তি জ্বালিয়ে তুলবে পবিত্র আহলুল বায়ত (আ.)—এর প্রতি। একই সঙ্গে সকল পাঠক, গবেষক এবং তরুণ প্রজন্মকে অনুরোধ করছি -এই পবিত্র আমানতের মূল্য বুঝে তা নিজ জীবনে ধারণ করুন এবং অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দিন।

Address

মুজিব সড়ক, রেলগেট, জেলা মডেল মসজিদের বিপরীতে
Jessore
7400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আলে রাসূল যিয়ারত কাফেলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category