Bangladesh RockZ

Bangladesh RockZ We see a positive Bangladesh. We love people who stands out and put our beloved BD on top of all. We salute to you! You people ROCKZ!

12/09/2022
12/09/2022

✨বিচারকের দেহের ত্বক জীবিত অবস্থায় তুলে নেয়ার আদেশ!

🟣 খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ সালে পারসিক সম্রাট ক্যাম্বাইসিস ২য় এর সময় সিসামনেস নামে একজন রাজকীয় বিচারক ছিলেন। তিনি ঘুষের বিনিময়ে অন্যায্য রায় প্রদান করতেন। রাজার কাছে অভিযোগ যায়, তদন্তে বিচারকের অপরাধ প্রমাণিত হলে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রাজা বিচারকের দেহের ত্বক জীবিত অবস্থায় তুলে নেয়ার আদেশ দেন। তারপর প্রধান বিচারক কে হবেন সে বিষয়ে ওই ঘুষখোর বিচারকের মতামত চান রাজা। লোভী বিচারক নিজ পুত্র ওতানেস এর নাম প্রস্তাব করেন। রাজা মহোদয় ওতানেসকে প্রধান বিচারক নিয়োগ দেন। ছেলে ওতানেস প্রধান বিচারক হয়ে আদেশ দিলেন পিতা সিসামনেসের চামড়া প্রধান বিচারকের আসনে ব্যবহৃত হবে। ছেলে ওতানেস দীর্ঘদিন সুনামের সাথে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন এবং তিনি প্রতিনিয়ত স্মরণ রাখতেন তার পিতার চামড়া দিয়ে তৈরী আসনে তিনি বসে রায় লিখছেন।

◾হজরত উমর (রা:) এর শাসনামলে কাজী শুরায়হের আদালতে স্বয়ং খলিফা ওমরের বিরুদ্ধে সাওয়ারীর (এক জাতীয় যানবাহন) ক্ষতি সম্পর্কে এক ব্যক্তি বিচার প্রার্থনা করে। বিচারটি ছিল- খলিফা ওমর সাওয়ারিটি নিয়ে তা অপরকে আরোহণ করতে দিয়েছিলেন। এতে সাওয়ারিটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বিচারক উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শুনে রায় দিলেন। রায় খলিফা উমরের বিরুদ্ধে চলে যায়। অর্ধ জাহানের খলিফার বিরুদ্ধে রায়! যার নাম শুনলে সিংহহৃদয় পুরুষদের অন্তরও কেঁপে উঠতো। কিন্তু ইনসাফ ও ন্যায়ের মূর্ত প্রতীক হজরত উমর এ বিচারের রায় মেনে নিতে বিন্দুমাত্র কুণ্ঠাবোধ করেননি। বরং অম্লান বদনে রায় মেনে বাদির দাবি অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ প্রদান করেন।

নির্ভীক বিচারের রায়ের ফলশ্রুতিতে হজরত উমর তাঁকে স্থায়ী বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন। ৭৫ বছর পর্যন্ত তিনি কুফার বিচারপতির আসন অলঙ্কৃত করেছিলেন। যা ছিল সৎ সাহসিকতার নগদ প্রাপ্তি।
সংগৃহিত

Asolei😜
10/09/2022

Asolei😜

:D

বৃটিশ কালো অধ্যায়ের সমাপ্তি হল কি?
09/09/2022

বৃটিশ কালো অধ্যায়ের সমাপ্তি হল কি?

08/09/2022

IQ Test

08/09/2022

রাডার আবিস্কার হবার পূর্বে এভাবেই শত্রুপক্ষের বিমান উপস্থিতি পর্যবেক্ষন করা হত।

This is how enemy aircraft were detected before the invention of radars

■  কিছু কথাসোনায় সোহাগা আমাদের এই বাংলাদেশ। এদেশের আনাচে কানাচে, ঝোপ জঙ্গলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মুক্তো মানিক। কিন্তু অতিব দ...
02/09/2022

■ কিছু কথা
সোনায় সোহাগা আমাদের এই বাংলাদেশ। এদেশের আনাচে কানাচে, ঝোপ জঙ্গলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মুক্তো মানিক। কিন্তু অতিব দুঃখের বিষয় এই যে আমারা আজও সেই মুক্তো মানিক চিনতেই পারিনি। আমরা এগুলোকে পা দিয়ে মাড়িয়ে চলে যাই,তারপরও ভেবে দেখিনি, জেনেও দেখিনি কোন উপকারে আসবে কিনা। রাস্তার ধারে, পুকুরের পাড়ে,বনে বাগানে হাজারো উপকারী গাছপালা, লতাপাতা আছে যা আমাদের প্রাকৃতিক সুরক্ষার দেয় , পাশাপাশি অনেক সুবিধাও দিয়ে থাকে। আজ আপনাদের জানাবো এমনই এক উপকারী গাছের কথা।
■ রিফুজি লতা'র পরিচয়
বাংলা নাম রিফুজি লতা বা আসামি লতা। বৈজ্ঞানিক নাম Mikania micantha । আসামলতা, কইয়া লতা, বুচিলতা, তরুলতা, রিফুজি লতা, শঙ্খুনি লতা, ইত্যাদি নামে এটাকে ডাকা হয়। এই লতা অতি বৃদ্ধিপ্রবল, একবার বেড়ে উঠবার সুযোগ পেলে বিপুলভাবে ছড়িয়ে পড়ে, জড়িয়ে ধরে অন্য গাছের শাখা-প্রশাখা।
রিফুজি লতা বনে-জঙ্গলে, পতিত জমিতে বা পথের পাশে যেখানে ফোটে সে স্বমহিমায় উদ্ভাসিত হতেই থাকে। রিফুজি লতার কোন ধরনের যত্ন না নিলেও চলে,এটি একবার বেয়ে গেলে আর সহজে মরে না।
■ রিফুজি লতা'র ঔষধী গুনাগুন
* প্রসাবে জ্বলাপোড়ায় নিয়মিত পাতার রস খেলে সমস্যা কেটে যাবে।
* লিভারের যে কোন সমস্যায় এই পাতার রস অনেক উপকার করে।
* চোখ লাল হয়ে গেলে এই পাতার রস খেলে সমস্যা কেটে যাবে।
* পাকস্থলীর প্রদাহ হলে আদার সাথে তিনটি পাতা চিবিয়ে খেয়ে নিন।
* এই পাতার রস নিয়মিত খেলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।
* শরীরের কাটা ছেঁড়ায় এ লতার পাতা পিষে ক্ষতস্থানে লাগিয়ে তিন থেকে চার ঘন্টা বেধে রাখুন, জোড়া লেগে যাবে।
* বসন্ত বা হাম হয়েছে যাদের, তারা রিফুজি পাতা পিষে রস পানির সাথে মিশিয়ে পু্রো শরীর ধুয়ে ফেলুন।
* রক্ত দূষিত হলে ৭দিন প্রতি সকালে খালি পেটে আধা-কাপ পাতার রস এক চা চামচ মধুর সাথে মিশিয়ে খাবেন।
* পেটে গ্যাস, এসিডিটি হলেই আধা-কাপ রিফুজি পাতার রস খেয়ে নিন, সেরে যাবে।
* বিষাক্ত পোকা-মাকড় কাঁমড় দিলেই রিফুজি পাতার রস দিয়ে ধুয়ে ফেলুন, সেই সাথে পাতা পিষে লাগিয়ে রাখুন।
* চুলকানী, একজিমা, দাদ হলে এই পাতার রস দিয়ে ধুয়ে রস লাগাতে থাকেন দেখবেন সেরে যাবে।
* এই পাতার রস কাচা হলুদের সাথে মিশিয়ে শরীরে লাগালে শরীর ঠান্ডা থাকে এবং শরীরে দাগ দুর হয়।
* মূখে মেসতা হলে হলুদের সাথে লেবুর রস ও এই পাতার রস মিশিয়ে লাগান সেরে যাবে।

প্রতি বছরপনেরোই আগস্টের পরের দিন পাগলটাকে দেখা যায় এ গলিতে ও গলিতে , এ রাস্তায় ও রাস্তায় , এ মোড়ে ও মোড়ে , ডাস্টবিন...
31/08/2022

প্রতি বছর
পনেরোই আগস্টের পরের দিন পাগলটাকে দেখা যায় এ গলিতে ও গলিতে , এ রাস্তায় ও রাস্তায় , এ মোড়ে ও মোড়ে , ডাস্টবিনের পাশে ,নর্দমার ধারে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চষে বেড়ায় শহরের এ কানা থেকে সে কানা, কাঁধে বস্তা নিয়ে ।
সকালবেলা কৌতুহল বশে জিজ্ঞাসা করেছিলাম,
"তোমার নাম কী?"
বলেছিল , "ক্ষুদিরাম" ।
দুপুরে দেখলাম পোষ্ট অফিসের সামনে , ডাস্টবিনে হাত ঢুকিয়ে কী সব খুঁজছে , বললাম ,
"কী খুঁজছ ক্ষুদিরাম?"
উত্তর দিল, "আমি ক্ষুদিরাম নই , প্রফুল্ল চাকী।"
অবাক হলাম ।
বিকালে আবার দেখা , বললাম,
"প্রফুল্ল চাকী চা খাবে?"
ও বলল , "আমার নাম কানাইলাল" ।
এবার বিস্ময়।
সন্ধের মুখে বড় রাস্তার মোড়ে জটলা দেখে থমকে দাঁড়ালাম। জিজ্ঞাসা করলাম ,
"কী হয়েছে?"
ভীড়ের থেকে একজন বলল, "একটা চোর ধরা পড়েছে।"
ভীড় ঠেলে এগিয়ে গিয়ে দেখলাম , ল্যাম্প পোষ্টে বাঁধা সকালের ক্ষুদিরাম দুপুরের প্রফুল্ল চাকী বিকালের কানাইলাল।
পাশে মাল বোঝাই বস্তা, যা ছিল সকালে খালি।
একজন বলল ,ঐ বস্তায় আছে চুরি করা জিনিস ।
খটকা লাগল ,জিজ্ঞাসা করলাম ,
"চুরি করেছ?"
ও নির্বিকার, কোনো উত্তর দিল না।
আমি বস্তার মুখের বাঁধন খুলে মাটিতে ঢেলে দিলাম , বেরোল ছেঁড়া , ফাটা ,দুমড়ানো ,মোচড়ানো, প্লাস্টিকের ও কাগজের যত জাতীয় পতাকা । রাস্তা , ডাস্টবিন , নর্দমা থেকে কুড়িয়ে ভরেছে বস্তায় ।
মুহূর্তে ভীড় হল অদৃশ্য, .চোখ ভরা জল নিয়ে বাঁধন খুলে দিলাম পাগলের। আমার মুখের দিকে তাকাল একবার, তারপর মৃদুস্বরে বলল,
"যেন কেউ পা দিয়ে মাড়িয়ে না যায় তাই ...."
তারপর আবার পতাকা গুলো বস্তায় ভরে নিয়ে চলে গেল দূর থেকে দূরে ।
আমি দাঁড়িয়ে রইলাম স্থানুর মতো অপার বিস্ময় আর যন্ত্রণা বুকে নিয়ে ।

#সংগ্রহীত

30/08/2022

#বাংলার প্রথম নারী, "নওয়াব" তিনি হলেন,
"নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী" যিনি ব্রিটিশদের দেওয়া, "বেগম" উপাধি গ্রহণ করেননি। শেষ পর্যন্ত নওয়াব উপাধি দিতে বাধ্য হয়েছে এই নারীকে!

১৫ বছর বয়সী কিশোরীর শরীর জুড়ে ছিল রূপ-লাবণ্যের ঢেউ।
টানা টানা চোখ, হরিণীর মতই সদা চঞ্চল। বাবা ছিলেন কুমিল্লা অঞ্চলের (তৎকালীন ত্রিপুরা) পশ্চিম গাঁওয়ের (বর্তমান লাকসাম) বিরাট জমিদার।
#অল্প বয়সেই কিশোরীর বিয়ের প্রস্তাব আসে ভাউকসারের জমিদার গাজী মোহাম্মদ চৌধুরীর কাছ থেকে।
পশ্চিম গাঁও জমিদারির কাজে এসে তিনি কিশোরীকে দেখে পছন্দ করেন। পরে বিয়ে হয়। ফুটফুটে দুটি মেয়েও হয়। তখন তিনি পরিপূর্ণ যুবতী।

#বিয়ের ১৭ বছর পর জানতে পারেন, তার স্বামীর আরেকটি বউ আছে। বিষয়টি তাঁর আত্মসম্মানে লাগে। তিনি প্রতারিত বোধ করেন। স্বামীকে স্পষ্টত জানিয়ে দেন, সতীনের সঙ্গে ঘর করার জন্য জন্ম হয়নি তার। তিনি স্বামীর বাড়িতে আর ফিরে যাবেন না।
#এরই মধ্যে বাবা মারা যাওয়ায় তিনি নিলেন পৈতৃক জমিদারির দায়িত্ব।
এ নিয়ে তার কোনও অভিজ্ঞতা ছিল না। কিন্তু এক সময় বাবার সান্নিধ্যে কাজ শেখা তার মজ্জাগতই ছিল। তিনি সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগান সফলভাবে। সারাদেশে তিনি ছিলেন একমাত্র মহিলা জমিদার।

#তখন ত্রিপুরার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন মি. ডগলাস। একদিন তিনি খেয়াল করলেন ত্রিপুরা অঞ্চল শিক্ষা ও উন্নয়ন খাত ভীষণ অবহেলিত। তিনি এই খাতে অর্থ বরাদ্দ চান ব্রিটিশ সরকারের কাছে। কিন্তু, সেই অর্থ নির্ধারিত সময়ে আসছে না। ডগলাস সাহেব চিন্তিত হলেন। সিদ্ধান্ত নিয়ে ডগলাস স্থানীয় ১০জন জমিদারের কাছে ঋণ হিসাবে ১০ হাজার টাকা করে ১ লাখ টাকা চাইলেন।
কিন্তু কেউই এত অল্প সুদে অর্থ দিতে রাজি হলেন না। একে একে সব আশা যখন শেষ হয়ে গেল তখন হঠাৎ একদিন এই নারী জমিদারের নায়েব, পুটুলি ভর্তি নগদ ১ লাখ টাকা নিয়ে এসে ডগলাসের হাতে দিলেন।

#ডগলাস খুব আনন্দিত এবং নিশ্চিন্ত হলেন।
তিনি কাল বিলম্ব না করে নায়েবের সাথেই রওনা হয়ে জমিদারের বাড়িতে গেলেন ঋণের চুক্তি করতে।
কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেটকে বিস্মিত করে জমিদার নারীটি বললেন -
"আমি কাউকে ঋণ দিই না। আপনার পরিকল্পনা জনহিতকর। এটা নিশ্চিত হয়েই এই টাকা ত্রিপুরার কল্যাণে আমি দান করলাম।"
ডগলাস কৃতজ্ঞচিত্তে ফিরে গেলেন এবং জানলেন যে এই নারী জমিদার জনকল্যাণ মূলক অসংখ্য কাজ করেছেন এবং প্রতিনিয়ত করে চলেছেন।

#ডগলাস এইসব কথা জানিয়ে ইংল্যান্ডে মহারানী ভিক্টোরিয়াকে পত্র পাঠালেন। রাণী ভিক্টোরিয়া এই জমিদারকে "বেগম" উপাধি দিলেন। কিন্তু জমিদার এই উপাধি প্রত্যাখ্যান করলেন। কারণ অন্য জমিদারদের যেখানে 'নওয়াব' উপাধি দেয়া হয় সেখানে তাকে কেন 'বেগম' উপাধি দেয়া হবে? উপাধির কোন জেন্ডার থাকা উচিৎ নয়।

#ভিক্টোরিয়া এই প্রত্যাখানের খবর পেয়ে ভীষণ ক্ষুব্ধ হয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি করে ত্রিপুরায় পাঠালেন। তদন্ত কমিটি এসে নানা বিষয়ে তদন্ত করে একদিন সেই তেজী নারী জমিদার বাড়িতে উপস্থিত হয়ে দেখেন, জমিদার হাতিতে চড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন, কোথাও কোন কাজে যাবেন তাই!
সেখানে তাকে নির্দিষ্ট সময়ে পৌঁছুতে হবে।
তদন্ত কমিটি জমিদারের কাছে সময় চাইলে জমিদার বললেন - "আমি পূর্বনির্ধারিত কাজে যাচ্ছি, এখন আপনাদের সময় দেয়া সম্ভব নয়।" কথা আর না বাড়িয়ে সময়নিষ্ঠ জমিদার তাঁর কাজে রওনা হয়ে গেলেন।
#ব্রিটিশ তদন্ত কমিটি হতবাক হয়ে গেল নেটিভ এই জমিদারের সময়ানুবর্তীতা, তেজস্বী মনেভাব ও অহংকার দেখে! এবং তারা ফিরে গিয়ে রানী ভিক্টোরিয়াকে সব কথা জানালেন।

#এইবার রানী ভিক্টোরিয়া আর ভুল করলেন না। প্রবল ব্যক্তিত্বময়ী এই জমিদারকে "নওয়াব" উপাধি দিলেন।
১৮৮৯ সালে ব্রিটিশ সরকার পঁয়ত্রিশ হাজার টাকা ব্যয় করে যথাযথ মর্যাদা দিয়ে কুমিল্লায় এই জমিদারকে সম্বর্ধনা দিলেন। তিনি হলেন বাংলার প্রথম নারী "নওয়াব"। 👉তাঁর নাম নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী।
#তিনি কেবল জনহিতকর কাজই করেননি, নারী শিক্ষা, নারী উন্নয়ন মূলক অসংখ্য কাজ করেছেন। ছিলেন সুশিক্ষিত, চারটি ভাষা জানতেন। ছিলেন একজন সুসাহিত্যিকও।
সংগৃহীত।

Address

Kazipara
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh RockZ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share