The Interval Tours

The Interval Tours We want to show new places.we also providing contents,marketing and consultancy support to travel agency's, hotels and others

Explore the World with The Interval Tours ✈️🌍Every journey becomes more beautiful when you travel with a trusted partner...
15/05/2026

Explore the World with The Interval Tours ✈️🌍

Every journey becomes more beautiful when you travel with a trusted partner.
From breathtaking nature to unforgettable adventures, we are here to make your travel dreams come true. 🌿🧳

✅ Trusted & Reliable Service
✅ Domestic & International Tours
✅ Comfortable Travel Experience
✅ Customized Tour Packages
✅ 24/7 Customer Support

📍 Your Journey, Our Priority
Let’s create unforgettable memories together!

Explore the Wild Beauty of Sundarban with The Interval Tours 🐅Your trusted partner for unforgettable adventures, comfort...
14/05/2026

Explore the Wild Beauty of Sundarban with The Interval Tours 🐅
Your trusted partner for unforgettable adventures, comfortable journeys, and memorable experiences.
📞 Booking & Details: 01712343257
WhatsApp : 01919910919

এটি হলো Greater Racket-tailed Drongo — বাংলায় একে সাধারণত র‍্যাকেট-লেজ ফিঙে বা র‍্যাকেট টেইল ড্রঙ্গো বলা হয়।এর বৈজ্ঞানিক...
07/05/2026

এটি হলো Greater Racket-tailed Drongo — বাংলায় একে সাধারণত র‍্যাকেট-লেজ ফিঙে বা র‍্যাকেট টেইল ড্রঙ্গো বলা হয়।
এর বৈজ্ঞানিক নাম Dicrurus paradiseus।

এই পাখিটি তার লম্বা র‍্যাকেট আকৃতির লেজ এবং চকচকে কালো-নীল পালকের জন্য খুবই বিখ্যাত ও আকর্ষণীয়।

বৈশিষ্ট্য

* পুরো শরীর চকচকে কালো বা নীলচে-কালো।
* মাথায় ছোট ঝুঁটির মতো পালক থাকে।
* লেজের শেষ অংশে দুই পাশে “র‍্যাকেট” আকৃতির পালক থাকে — এটাই এর সবচেয়ে বিশেষ সৌন্দর্য।
* আকার প্রায় ৩০–৩৫ সেমি, তবে লেজসহ আরও বড় দেখায়।

কোথায় দেখা যায়

বাংলাদেশে সাধারণত:

* Sundarbans
* পাহাড়ি বনাঞ্চল
* গভীর বন ও ম্যানগ্রোভ এলাকায় দেখা যায়।

এছাড়া ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতেও পাওয়া যায়।

খাবার

এরা সাধারণত খায়:

* পোকামাকড়
* ছোট টিকটিকি
* ছোট ব্যাঙ
* কখনও ছোট পাখির ছানাও খেতে পারে।

বিশেষ আচরণ

* এরা অসাধারণ “mimic” বা নকল করতে পারে।
অন্য পাখির ডাকও সুন্দরভাবে অনুকরণ করতে পারে।
* খুব সাহসী পাখি; নিজের এলাকা রক্ষা করতে বড় পাখিকেও তাড়া দেয়।

মজার তথ্য

র‍্যাকেট-টেইল ড্রঙ্গোকে অনেক সময় বনাঞ্চলের “স্মার্ট অভিনেতা” বলা হয়, কারণ এরা বিভিন্ন পাখির ডাক নকল করে অন্য প্রাণীদের বিভ্রান্ত করতে পারে।

07/05/2026

ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অফ সুন্দরবন (TOAS) এর উদ্যোগে আমরা সুন্দরবন পরিছন্ন অভিযান ২০২৬ সফল ভাবে শেষ করতে পেরেছি আলহামদুলিল্লাহ।

শেখের টেক – (৪০০ বছর পুরানো কালি মন্দির)গহিন বন, চারদিকে ঘন গাছের সারি। এরই মধ্যে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ইট-পাথরের ...
25/04/2026

শেখের টেক – (৪০০ বছর পুরানো কালি মন্দির)
গহিন বন, চারদিকে ঘন গাছের সারি। এরই মধ্যে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ইট-পাথরের প্রাচীন এক মন্দির। সেটি ৪০০ বছরের পুরোনো বলে মনে করছেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। মন্দিরটি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে হাতে তৈরি ইট ও চুন এবং স্থানীয় নদীর বালু।
প্রাচীন ওই মন্দিরের অবস্থান সুন্দরবনের পশ্চিম বন বিভাগের খুলনা রেঞ্জের কালাবগী ফরেস্ট স্টেশনের আওতাধীন ১৬ নম্বর কম্পার্টমেন্টের শেখের টেক এলাকায়। শিবসা নদীর দক্ষিণ-পূর্ব পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কালীর খাল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দক্ষিণে সুন্দরবনের ভেতরে অবস্থিত মন্দিরটি। নদীপথে খুলনা সদর থেকে ওই স্থানের দূরত্ব প্রায় ৮৫ কিলোমিটার।

১৯১৪ সালে প্রকাশিত সতিশ চন্দ্র মিত্রের লেখা যশোহর-খুলনার ইতিহাস, প্রথম খণ্ড বইতেও ওই মন্দিরের উল্লেখ রয়েছে। ওই বইতে মন্দিরের দুটি ছবিও দেওয়া আছে। তবে ওই ছবি কত সালে তোলা তার উল্লেখ নেই। মন্দিরটির স্থাপত্য নকশা অনুযায়ী সেটিকে মোগল আমলে রাজা প্রতাপাদিত্য নির্মাণ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন সতিশ চন্দ্র মিত্র।
ওই মন্দিরের কয়েক কিলোমিটার আগে শিবসা নদীর পাড়ে আরও কিছু প্রাচীন স্থাপনার নির্দশন রয়েছে। সেগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। রয়েছে শুধু ইটের স্তূপ। ওই স্থাপনার চারপাশ ঘিরে যে মোটা ইটের দেয়াল ছিল, সেটির প্রমাণ এখনো রয়েছে। নদীভাঙনে ওই প্রাচীন স্থাপনা বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার লেখা বাঙলাদেশের প্রত্নসম্পদ বইতে ওই স্থাপনার কথা উল্লেখ রয়েছে। তিনি ওই স্থাপনাকে শেখের বাড়ি বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, ওই স্থাপনাটি ছিল দ্বিতল ভবন।

সম্প্রতি বন বিভাগের সহায়তায় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর খুলনার একটি দল ওই মন্দিরটি ও আশপাশের প্রাচীন স্থাপনা পরিদর্শন করেছে। যেহেতু মন্দিরটি এখনো অক্ষত আছে, তাই সেখান থেকে নিয়ে আসা মাপের ভিত্তিতে ওই মন্দিরের একটি নকশাও তৈরি করেছেন ওই দপ্তরের কর্মকর্তারা। ওই নকশা অনুযায়ী, মন্দিরের বাইরের অংশ ৬৫৫ সেন্টিমিটার বর্গাকার। আর ভেতরের অংশ ৩২৫ সেন্টিমিটার বর্গাকার। দেয়ালের পুরত্ব ১৬৫ সেন্টিমিটার। ভেতরে উত্তর দিকে একটি ছোট কুঠরি রয়েছে। দক্ষিণ ও পশ্চিম পাশে রয়েছে ৯৭ সেন্টিমিটার চওড়া দুটি প্রবেশপথ।

মন্দিরের ছাদ চারচালা রীতিতে এক গম্বুজ দ্বারা নির্মিত। নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে পাতলা ইট। মন্দিরের বাইরের দিকে জ্যামিতিক নকশা, ফুল-লতা-পাতাসংবলিত পোড়ামাটির অলংকৃত ইট ব্যবহার করা হয়েছে।

🦅 এটি Brahminy Kite, বাংলায় শঙ্খচিল নামে পরিচিত। সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকায় এই পাখিটি খুবই পরিচিত।শঙ্খচিলের বিস্তারিত————...
22/04/2026

🦅 এটি Brahminy Kite, বাংলায় শঙ্খচিল নামে পরিচিত। সুন্দরবন ও উপকূলীয় এলাকায় এই পাখিটি খুবই পরিচিত।

শঙ্খচিলের বিস্তারিত———————

* বাংলা নাম: শঙ্খচিল
* ইংরেজি নাম: Brahminy Kite
* বৈজ্ঞানিক নাম: Haliastur indus
* পরিবার: Accipitridae (ঈগল, চিল ও বাজপাখির পরিবার)

চেনার উপায়:

* মাথা, গলা ও বুক সাদা
* শরীর ও ডানা লালচে-বাদামি / চেস্টনাট রঙের
* ঠোঁট বাঁকা ও ধারালো
* নখর শক্তিশালী
* লেজ সাধারণত গোলাকার

কোথায় দেখা যায়:

শঙ্খচিল সাধারণত দেখা যায়—

* নদীর তীর
* উপকূলীয় এলাকা
* ম্যানগ্রোভ বন, বিশেষ করে সুন্দরবন
* মাছ ধরার ঘাট ও জলাশয়ের পাশে

খাদ্য:

এরা মূলত খায়———

* মাছ
* কাঁকড়া
* ছোট সরীসৃপ
* ব্যাঙ
* মৃত প্রাণীর দেহ (scavenger হিসেবেও কাজ করে)

অনেক সময় পানির ওপর দিয়ে নিচু হয়ে উড়ে শিকার ধরে।

আচরণ:

শঙ্খচিল আকাশে ধীরে ধীরে ভেসে উড়তে খুব পছন্দ করে। একা বা জোড়ায় দেখা যায়। এদের উড়ার ভঙ্গি খুব রাজকীয় এবং ফটোগ্রাফিতে অসাধারণ লাগে।

বিশেষ তথ্য:

বাংলাদেশ ও ভারতীয় উপমহাদেশে শঙ্খচিলকে অনেক সময় সৌন্দর্য ও স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে দেখা হয়।
ছবি: নাজিম আহম্মেদ ভাই।

এটি নীলকান মাছরাঙা (Blue-eared Kingfisher) — বৈজ্ঞানিক নাম Alcedo meninting।নীলকান মাছরাঙা সম্পর্কে বিস্তারিত:* বাংলা না...
21/04/2026

এটি নীলকান মাছরাঙা (Blue-eared Kingfisher) — বৈজ্ঞানিক নাম Alcedo meninting।

নীলকান মাছরাঙা সম্পর্কে বিস্তারিত:

* বাংলা নাম: নীলকান মাছরাঙা
* ইংরেজি নাম: Blue-eared Kingfisher
* বৈজ্ঞানিক নাম: Alcedo meninting

চেহারা ও বৈশিষ্ট্য:

* শরীরের ওপরের অংশ উজ্জ্বল কোবাল্ট নীল ও আকাশি নীল রঙের।
* কানের পাশে বা মাথার পাশে গাঢ় নীল দাগ থাকে, তাই এর নাম “নীলকান”।
* নিচের অংশ কমলা-বাদামি।
* ঠোঁট লম্বা, সরু ও ধারালো — মাছ ধরার জন্য উপযুক্ত।
* আকারে সাধারণত ১৬–১৭ সেমি লম্বা।

কোথায় থাকে:

এরা সাধারণত দেখা যায়—

* ঘন বনাঞ্চলের ছোট খাল ও ছায়াঘেরা জলধারার পাশে
* ম্যানগ্রোভ বন, বিশেষ করে সুন্দরবনেও দেখা যায়
* নদী, পুকুর ও জলাভূমির আশেপাশে

খাদ্য:

এর প্রধান খাবার:

* ছোট মাছ
* চিংড়ি
* জলজ পোকামাকড়
* ছোট ব্যাঙ ও লার্ভা

এরা ডালে বসে পানির দিকে তাকিয়ে থাকে, তারপর হঠাৎ ঝাঁপ দিয়ে শিকার ধরে।

স্বভাব:

নীলকান মাছরাঙা খুবই লাজুক ও একাকী স্বভাবের পাখি। সাধারণত ঘন ছায়াযুক্ত স্থানে থাকে এবং দ্রুত উড়ে যায়, তাই দেখা পাওয়া একটু কঠিন।

বাদামি কসাই (Brown Shrike / Lanius cristatus) পাখি❤️বাদামি কসাই পাখির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য:* এটি একটি ছোট আকারের শিকারি প...
21/04/2026

বাদামি কসাই (Brown Shrike / Lanius cristatus) পাখি❤️
বাদামি কসাই পাখির চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য:

* এটি একটি ছোট আকারের শিকারি পাখি।
* স্বভাবে খুব সতর্ক, চটপটে ও একাকী।
* সাধারণত ডালের মাথায়, বিদ্যুতের তারে বা ঝোপের ওপর বসে চারপাশ লক্ষ্য করে।
* শিকার দেখলে দ্রুত নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ে ধরে ফেলে।
* এদের একটি বিশেষ স্বভাব হলো শিকারকে কাঁটাযুক্ত ডাল বা ঝোপে গেঁথে রাখা, তাই একে “কসাই” বলা হয়।
* খাবার হিসেবে পোকামাকড়, ফড়িং, ঘাসফড়িং, ছোট টিকটিকি, ব্যাঙ এবং ছোট পাখি খায়।

শারীরিক বর্ণনা:

* শরীরের ওপরের অংশ বাদামি বা খয়েরি রঙের
* চোখের ওপর কালো মুখোশের মতো দাগ
* নিচের অংশ হালকা সাদা বা হালকা হলদে
* লম্বা ও সরু লেজ
* ঠোঁট ধারালো ও সামান্য বাঁকানো, যা শিকার ধরতে সাহায্য করে
* আকারে প্রায় ১৭–২০ সেমি

আপনার ছবির পাখিটির কালো চোখের দাগ এবং বাদামি পালক এই বৈশিষ্ট্যগুলো খুব সুন্দরভাবে দেখা যাচ্ছে।

কোথায় থাকে:

বাদামি কসাই সাধারণত দেখা যায়—

* বনাঞ্চলের ধারে
* ঝোপঝাড়ে
* খোলা মাঠে
* কৃষিজমির পাশে
* ম্যানগ্রোভ বন এলাকায়
* বাগান ও গ্রামীণ এলাকায়

বাংলাদেশে এটি সাধারণত শীতকালে আগত পরিযায়ী পাখি হিসেবে দেখা যায়। সুন্দরবন, গ্রামীণ ঝোপঝাড়, খোলা বনাঞ্চল এবং নদীর পাড়ে এদের দেখা মেলে।
Pic - তানজির রুবেল ভাই ।

গয়লা হাঁস (Masked Finfoot)বাংলা নাম: গয়লা হাঁস / কালামুখ প্যারাপাখিইংরেজি নাম: Masked Finfootবৈজ্ঞানিক নাম: Heliopais pe...
20/04/2026

গয়লা হাঁস (Masked Finfoot)

বাংলা নাম: গয়লা হাঁস / কালামুখ প্যারাপাখি
ইংরেজি নাম: Masked Finfoot
বৈজ্ঞানিক নাম: Heliopais personatus

এটি বিশ্বের অন্যতম দুর্লভ ও বিপন্ন জলচর পাখি। বাংলাদেশের সুন্দরবন এই পাখির অন্যতম প্রধান আবাসস্থল। বর্তমানে এটি Critically Endangered (অতি সংকটাপন্ন) হিসেবে বিবেচিত।

চেহারা ও বৈশিষ্ট্য

* আকারে প্রায় একটি মাঝারি হাঁসের মতো
* শরীর বাদামি-ধূসর
* মুখে কালো মাস্কের মতো দাগ থাকে, এজন্য নাম “Masked”
* ঠোঁট হলদেটে বা হালকা কমলা
* পা সবুজাভ এবং পায়ের আঙুলে lobed feet থাকে, যা পানিতে সাঁতারের জন্য উপযোগী
* পুরুষ পাখির গলা বেশি কালো
* স্ত্রী পাখির গলার অংশে সাদা রং বেশি দেখা যায়

কোথায় দেখা যায়

বাংলাদেশে এটি মূলত সুন্দরবনের খাল, নদী ও ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলে দেখা যায়। বিশেষ করে পূর্ব সুন্দরবনে এদের উপস্থিতি বেশি।

খাদ্য

এই পাখি সাধারণত খায়:

* ছোট মাছ
* চিংড়ি
* কাঁকড়া
* জলজ পোকামাকড়
* শামুক ও ঝিনুক

এরা পানির ধারে ধীরে ধীরে খাবার সংগ্রহ করে।

স্বভাব

* খুব লাজুক ও আড়ালপ্রিয়
* সাধারণত একাকী বা জোড়ায় দেখা যায়
* মানুষের উপস্থিতি টের পেলেই ঝোপে লুকিয়ে যায়
* তাই এটি দেখা বেশ কঠিন

সংরক্ষণ গুরুত্ব

গয়লা হাঁস সুন্দরবনের একটি বিরল প্রতীকী পাখি। এর সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে বন ধ্বংস, জলবায়ু পরিবর্তন এবং মানুষের বিরক্তির কারণে। সুন্দরবনে এই পাখির উপস্থিতি আমাদের জীববৈচিত্র্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

এটি Brown-winged Kingfisher — বাংলায় খয়রাপাখ মাছরাঙা নামে পরিচিত। সুন্দরবনের অন্যতম সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন পাখিগুলোর একটি...
20/04/2026

এটি Brown-winged Kingfisher — বাংলায় খয়রাপাখ মাছরাঙা নামে পরিচিত। সুন্দরবনের অন্যতম সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন পাখিগুলোর একটি। ছবিতে এর উজ্জ্বল লাল ঠোঁট, সোনালি-বাদামি মাথা এবং নীল পিঠের অংশ খুব স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।

Brown-winged Kingfisher

বিস্তারিত পরিচিতি

বাংলা নাম: খয়রাপাখ মাছরাঙা
ইংরেজি নাম: Brown-winged Kingfisher
বৈজ্ঞানিক নাম: Pelargopsis amauroptera
পরিবার: Alcedinidae (মাছরাঙা পরিবার)

কোথায় দেখা যায়

এই পাখিটি সাধারণত সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল, নদীর পাড়, খাল, এবং জোয়ার-ভাটার কাদামাটির তীরবর্তী গাছে বসে থাকতে দেখা যায়। বাংলাদেশ ও ভারতের সুন্দরবন এদের প্রধান আবাসস্থল।

খাবার

এরা মূলত খায়—

ছোট মাছ
কাঁকড়া
চিংড়ি
ছোট ব্যাঙ
জলজ পোকামাকড়

ডালের ওপর বসে শিকার লক্ষ্য করে, তারপর দ্রুত নিচে নেমে ঠোঁট দিয়ে ধরে ফেলে।

বৈশিষ্ট্য

লম্বা ও মোটা উজ্জ্বল লাল ঠোঁট
মাথা ও ঘাড়ে সোনালি-বাদামি রং
ডানায় গাঢ় বাদামি রং
পিঠে ও লেজের কাছে চমৎকার নীল রঙের পালক
আকারে সাধারণ মাছরাঙার চেয়ে কিছুটা বড়

সংরক্ষণ অবস্থা

এই পাখিটি বর্তমানে Near Threatened (হুমকির কাছাকাছি) হিসেবে তালিকাভুক্ত, কারণ ম্যানগ্রোভ বন ধ্বংস হলে এদের আবাসস্থল কমে যায়।

সুন্দরবনের কুমির, বিশেষ করে লবণাক্ত পানির কুমির, এই ম্যানগ্রোভ বাস্তুতন্ত্রের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। তারা খাদ...
19/04/2026

সুন্দরবনের কুমির, বিশেষ করে লবণাক্ত পানির কুমির, এই ম্যানগ্রোভ বাস্তুতন্ত্রের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রাণী। তারা খাদ্যশৃঙ্খলের সর্বোচ্চ স্তরের শিকারি (apex predator) হিসেবে কাজ করে। এর ফলে নদী ও খালের মাছ, কাঁকড়া এবং অন্যান্য প্রাণীর সংখ্যা একটি স্বাভাবিক ভারসাম্যে থাকে।

এছাড়া কুমির মৃত প্রাণীর দেহ খেয়ে জলাশয় পরিষ্কার রাখতেও সাহায্য করে। এতে পানির দূষণ কমে এবং রোগজীবাণু ছড়ানোর ঝুঁকি হ্রাস পায়। এক অর্থে তারা সুন্দরবনের প্রাকৃতিক “পরিচ্ছন্নতাকর্মী” হিসেবেও কাজ করে।

কুমিরের উপস্থিতি সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের সুস্থতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক। যেখানে কুমির টিকে থাকে, সেখানে সাধারণত নদী, খাল ও ম্যানগ্রোভ পরিবেশও সুস্থ থাকে। তাই কুমির সংরক্ষণ মানে পুরো সুন্দরবনের পরিবেশ সংরক্ষণ। UNESCO-ও সুন্দরবনের গুরুত্বপূর্ণ প্রাণীদের মধ্যে estuarine crocodile-এর উল্লেখ করেছে।

Address

630, Upper Jessore Road
Khulna
9000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Interval Tours posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The Interval Tours:

Share

Category