Pathway With Patwary

Pathway With Patwary Trying to explore every corner of Bangladesh from Heritage to Natural gems.

করাটিয়া জমিদার বাড়ি,টাঙ্গাইল
20/06/2026

করাটিয়া জমিদার বাড়ি,টাঙ্গাইল

19/06/2026

ঈসা খাঁর জঙ্গলবাড়ি,কিশোরগঞ্জ

ঈসা খাঁ ছিলেন ১৬ শতকের বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বীর, বারো ভূঁইয়াদের প্রধান এবং মোগল সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে বাংলার স্বাধীনতার অন্যতম প্রতীক। ১৫২৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে জন্ম নেওয়া ঈসা খাঁ শৈশবে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হলেও পরবর্তীতে নিজের বীরত্ব ও নেতৃত্বগুণে পূর্ব বাংলার অন্যতম শক্তিশালী শাসকে পরিণত হন।

১৫৭৬ সালে বাংলার স্বাধীন সুলতানদের পতনের পর তিনি মোগল সম্রাট আকবরের অধীনতা স্বীকার করতে অস্বীকৃতি জানান এবং পূর্ব বাংলার বিভিন্ন স্বাধীন জমিদারকে একত্রিত করে শক্তিশালী বারো ভূঁইয়া জোট গঠন করেন। তিনি “মসনদ-ই-আলা” উপাধি গ্রহণ করে বর্তমান নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওকে প্রশাসনিক ও সামরিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলেন। পাশাপাশি কিশোরগঞ্জের জঙ্গলবাড়িতে একটি গুরুত্বপূর্ণ দুর্গ নির্মাণ করেন।

নদীমাতৃক ভাটি অঞ্চলের ভৌগোলিক সুবিধা কাজে লাগিয়ে ঈসা খাঁ মোগল বাহিনীর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন সফল প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তাঁর নেতৃত্বে মোগল সেনাপতিরা একাধিকবার পরাজিত হয়। রাজা মানসিংহের সঙ্গে তাঁর ঐতিহাসিক সংঘর্ষ ও বীরত্বের কাহিনি আজও বাংলার লোকগাথায় অমর হয়ে আছে।

১৫৯৯ সালে তাঁর মৃত্যু হলেও বাংলার স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রামে ঈসা খাঁর অবদান ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে। তিনি শুধু একজন জমিদার নন বরং বাংলার স্বাধীনচেতা আত্মপরিচয়ের এক উজ্জ্বল প্রতীক।

ঢাকা পর্ব ০১পুরান ঢাকাকে আজ আমরা যতটা অবহেলিত ও জীর্ণ অবস্থায় দেখি, একসময় কিন্তু চিত্রটা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। বর্তমানে যে...
18/06/2026

ঢাকা পর্ব ০১

পুরান ঢাকাকে আজ আমরা যতটা অবহেলিত ও জীর্ণ অবস্থায় দেখি, একসময় কিন্তু চিত্রটা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। বর্তমানে যেমন গুলশান–বনানী রাজধানীর সবচেয়ে অভিজাত ও মূল্যবান এলাকা হিসেবে পরিচিত, ব্রিটিশ আমলে তেমনি পুরান ঢাকা ছিল ব্যবসা-বাণিজ্য, সংস্কৃতি ও আভিজাত্যের অন্যতম কেন্দ্র।

বুড়িগঙ্গা নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা এই জনপদ মুঘল আমলে বাংলার গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র ছিল। পরবর্তীতে আর্মেনীয়, পর্তুগিজ ও ইংরেজ বণিকদের আগমনে পুরান ঢাকা একটি বহুজাতিক ও সমৃদ্ধ নগরীতে পরিণত হয়। সেই ইতিহাসের ছাপ আজও দেখা যায় সূত্রাপুর, ফরাশগঞ্জ, আরমানিটোলা,গেন্ডারিয়া ও শাঁখারীবাজারের অলিগলিতে।

পুরান ঢাকার বুকে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য বনেদি বাড়ি ও ঐতিহাসিক স্থাপনা।কোনোটি আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে, কোনোটিতে এখনো মানুষের বসবাস আবার কোনোটি সময়কে জয় করে ইতিহাসের গর্ব হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারা মসজিদ, আহসান মঞ্জিল, রোজ গার্ডেন, আর্মেনিয়ান চার্চ, বড় কাটরা ও ছোট কাটরার মতো স্থাপনাগুলো আজও সেই গৌরবময় অতীতের নীরব সাক্ষী।

পুরান ঢাকা শুধু স্থাপত্যের জন্যই নয়, তার ঐতিহ্যবাহী খাবার, সংস্কৃতি এবং শতবর্ষী ব্যবসায়িক ঐতিহ্যের জন্যও বিশেষ পরিচিত। সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু বদলে গেলেও, পুরান ঢাকার প্রতিটি অলিগলি এখনো ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আভিজাত্যের এক জীবন্ত স্মারক হয়ে আছে।

17/06/2026

উলপুর জমিদার বাড়ি,গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জ জেলার উলপুর গ্রামে অবস্থিত উলপুর জমিদার বাড়ি বাংলার জমিদারি ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। উনবিংশ শতাব্দীতে এ অঞ্চল রানি রাসমনির স্টেট জমিদারির অন্তর্ভুক্ত ছিল।পরবর্তীতে আনুমানিক ১৯০০ সালের দিকে জমিদার প্রীতীশচন্দ্র রায় চৌধুরী প্রায় ২০০ একর জমির ওপর এই বিশাল জমিদার কমপ্লেক্স গড়ে তোলেন।একসময় এখানে নাটঘর, মেজ বাবুর বাড়ি, ছোট বাবুর বাড়ি, রঙিন কাচ ও সিরামিকের অলংকরণে সজ্জিত মন্দির, বড় বড় দিঘি, শ্মশানসহ প্রায় ৩৬০-৩৬৫টি স্থাপনা ছিল। উলপুরের জমিদাররা ছিলেন প্রায় একশ ঘর শরিক, ফলে পুরো এলাকাটি একটি সমৃদ্ধ জমিদারি নগরীতে পরিণত হয়েছিল।

১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর জমিদার পরিবার কলকাতায় চলে গেলে বিশাল এই সম্পত্তি সরকারি খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত হয়। দীর্ঘদিনের অবহেলা, সংস্কারের অভাব এবং দখলদারিত্বের কারণে অধিকাংশ স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেছে। বর্তমানে মাত্র কয়েকটি দোতলা ভবন টিকে আছে, যার মধ্যে “দিনেশ ধাম” অন্যতম। ঐতিহ্যবাহী ভবনগুলোর কিছু অংশ বর্তমানে ভূমি অফিস, পোস্ট অফিস, স্বাস্থ্যকেন্দ্র ও সরকারি বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সোবহান মঞ্জিল,পুরান ঢাকা
16/06/2026

সোবহান মঞ্জিল,পুরান ঢাকা

15/06/2026

মনি বাবুর বাড়ি,নড়াইল

কুসুম্বা মসজিদ, নওগাঁ
14/06/2026

কুসুম্বা মসজিদ, নওগাঁ

13/06/2026

লালকুঠি,সদরঘাট

আর্মেনিয়ান চার্চ বা চার্চ অব দ্য হোলি রিজারেকশন পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ও স্থাপত্যিক নিদর্শন।১৭৮...
11/06/2026

আর্মেনিয়ান চার্চ বা চার্চ অব দ্য হোলি রিজারেকশন পুরান ঢাকার আরমানিটোলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ও স্থাপত্যিক নিদর্শন।১৭৮১ সালে নির্মিত এই গির্জাটি বাংলায় আর্মেনীয় সম্প্রদায়ের গৌরবময় উপস্থিতি ও অবদানের অন্যতম স্মারক।১৬শ ও ১৭শ শতাব্দীতে পারস্যের জুলফা অঞ্চল থেকে আগত আর্মেনীয় বণিকরা মসলিন, নীল, রেশম ও পাটের ব্যবসার মাধ্যমে ঢাকায় নিজেদের শক্তিশালী অবস্থান গড়ে তোলেন এবং বর্তমান আরমানিটোলা এলাকায় বসতি স্থাপন করেন। তাদের নামানুসারেই এই এলাকার নামকরণ হয় ‘আরমানিটোলা’।

ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করার পর আর্মেনীয়দের নিজস্ব উপাসনালয়ের প্রয়োজন দেখা দিলে ১৭৮১ সালে একটি কবরস্থানের জমির ওপর নির্মিত হয় এই গির্জা।মাইকেল সারকিস, আগা মিনাস ক্যাটচিক, মার্কার পোগোজ ও খোজা পেত্রোসসহ তৎকালীন ধনী আর্মেনীয় ব্যবসায়ীরা এর নির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। যিশু খ্রিস্টের পুনরুত্থানের স্মৃতির উদ্দেশ্যে গির্জাটির নামকরণ করা হয় ‘হোলি রিজারেকশন’।

ইউরোপীয় ও আর্মেনীয় স্থাপত্যশৈলীর সমন্বয়ে নির্মিত এই গির্জার অন্যতম আকর্ষণ ছিল এর বিশাল ঘণ্টাঘর, যা ১৭৯২ সালে নির্মিত হয়েছিল।যদিও ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে ঘণ্টাঘরটি ধ্বংস হয়ে যায়, তবুও গির্জার মূল কাঠামো আজও টিকে আছে। এর প্রাঙ্গণে রয়েছে সাড়ে তিনশ’রও বেশি প্রাচীন সমাধি, যার মধ্যে ১৭১৪ সালের একটি সমাধি সবচেয়ে পুরোনো। এখানেই সমাধিস্থ আছেন ঢাকার বিখ্যাত শিক্ষাবিদ ও পোগোজ স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা নিকোলাস পোগোজ।

আর্মেনীয়রা শুধু ব্যবসা-বাণিজ্যেই নয়, ঢাকার আধুনিকায়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।১৮৪৮ সালে নিকোলাস পোগোজ প্রতিষ্ঠা করেন পোগোজ স্কুল, যা ঢাকার প্রথম বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয় হিসেবে পরিচিত। পরবর্তীতে তিনি ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটির অন্যতম প্রথম কমিশনার হিসেবে নগর উন্নয়নেও অবদান রাখেন। একই সময়ে আর্মেনীয় ব্যবসায়ীরা ঢাকায় আধুনিক হোটেল, রেস্তোরাঁ এবং ঘোড়ার গাড়ি বা টিক্কা গাড়ির প্রচলন করেন, যা নগর জীবনে নতুন মাত্রা যোগ করে।

কালের প্রবাহে আর্মেনীয় সম্প্রদায়ের অধিকাংশ সদস্য ঢাকা ছেড়ে চলে গেলেও তাদের স্মৃতি আজও বহন করে চলেছে আর্মেনিয়ান চার্চ।২০২০ সালে ঢাকার শেষ স্থায়ী আর্মেনীয় অধিবাসী মাইকেল জোসেফ মার্টিনের মৃত্যুর মাধ্যমে এই সম্প্রদায়ের প্রত্যক্ষ উপস্থিতির অবসান ঘটে। তবুও আর্মেনিয়ান চার্চ, পোগোজ স্কুল এবং তাদের রেখে যাওয়া ঐতিহাসিক অবদান আজও ঢাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে।

10/06/2026

মিয়ার দালান,ঝিনাইদহ

Address

Dhaka

Telephone

+8801857805373

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pathway With Patwary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Pathway With Patwary:

Share

Category