Khoab Tourism & Event Management

Khoab Tourism & Event Management Your vision, Our Innovation, Event Solution

টাঙ্গুয়ার হাওর—প্রকৃতির এক অপার বিস্ময়, জল আর নীলিমার এক স্বপ্নময় মিলনমেলা।নদীর কান্না জমে যেখানে সৃষ্টি হয় নিরব জলরাশি,...
27/05/2025

টাঙ্গুয়ার হাওর—প্রকৃতির এক অপার বিস্ময়, জল আর নীলিমার এক স্বপ্নময় মিলনমেলা।নদীর কান্না জমে যেখানে সৃষ্টি হয় নিরব জলরাশি, সেখানেই হাওরের গভীর বুক জুড়ে জেগে ওঠে জীবনের গান। বর্ষার দিনে বিস্তীর্ণ জলরাশি ছুঁয়ে দেয় আকাশের কোল, নৌকা ভেসে চলে বাতাসের তালে, আর পানির উপর খেলে সূর্যের স্বর্ণালি ছটা।শীতকালে এখানে নামে পরিযায়ী পাখির মেলা—হাজারো ডানায় ভরে ওঠে আকাশ, যেন তারা এসেছে দূর দেশের কোন কবিতার ডাকে। হাওরের নিঃশব্দ দুপুরে কেবল শোনা যায় পানির মৃদু ঢেউ আর পাখির কূজন। গাছপালা, মাছ, মানুষ—সব মিলিয়ে টাঙ্গুয়া এক জীবন্ত প্রকৃতির রূপকথা।এখানে সূর্য ডুবে যায় এক অলৌকিক আবেশে, আর চাঁদ ওঠে যেন হাওরের মুখে প্রেয়সীর হাসি হয়ে। এ যেন জলজ সুরে বাঁধা এক কবিতা, যেখানে প্রতিটি ঢেউ একটি গল্প, প্রতিটি আলোছায়া এক চিরন্তন ভালবাসার চিহ্ন। টাঙ্গুয়ার হাওর শুধু একটি হাওর নয়, এটি এক স্বপ্ন-জলে আঁকা বাংলাদেশের হৃদস্পন্দন।শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত চমৎকার এই হাউজবোটে আছে সর্বোচ্চ আরাম আয়েশের ব্যবস্থা-এক কথায় শহুরের ব্যস্ততার পারফেক্ট সমাধান।নির্মল জলে ভাসতে ভাসতে জঞ্জালে পরিপূর্ণ মন অজান্তেই শান্ত শীতল হয়ে যায়।কখনো হাওরের ধারে লুকিয়ে থাকা গল্প অন্বেষণ করার সময় হৃদয়ের অশ্রুত শব্দ শোনা যায়।এর সাথে আমাদের দক্ষ শেফদের দ্বারা সুস্বাদু খাবারে পাবেন নিজ শেকড়ের স্বাদ।হাওরের ভাসমান জীবনের অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতায় নিজেকে নিমজ্জিত করতে হাওরের জলঘুড্ডিতে আপনাকে স্বাগত।
বুকিং করতে:
01753260990 ( WhatsApp)

হাওড় ভ্রমণে আপনাকে স্বাগতম।।
27/05/2025

হাওড় ভ্রমণে আপনাকে স্বাগতম।।

12/05/2025

পর্ব-৩
যাদুকাটা নদী:
বাংলাদেশের উত্তর পূর্ব সীমান্তের কোল ঘেঁষে বয়ে চলেছে স্বচ্ছ নীল জল্রাশির এই নদী। এটি একটি আন্ত সীমান্ত নদী। যাদুকাটা নদীর উৎপত্তি স্থল ভারতের খাসিয়া জৈন্তিয়া পাহাড়। জৈন্তিয়া পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্বরপুর দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। নদীটি বাংলাদেশ সীমান্তের প্রায় ৫ কিলোমিটার ভেতরে উপজেলার ফাজিলপুর নামক স্থানে নাম নিয়েছে রক্তি। এখানেই নদীটি বৌলাই নদীর সঙ্গে মিলিত হয়। যাদুকাটা নদীর আদি নাম রেণুকা। কথিত আছে, নদীর তীরবর্তী কোন এক গায়ের বধূ তার পুত্র সন্তান যাদুকে কোলে নিয়ে নদীর একটি বড় মাছ কাটছিলেন। হঠাৎ অন্যমনস্ক হয়ে নিজ ছেলে যাদুকেই কেটে ফেলেন। পরবর্তীকালে এই প্রচলিত কাহিনী থেকেই এ নদীর নাম হয় যাদুকাটা নদী। বৈচিত্রময় মনোহর রুপের কারণে পাহাড়ী নদী যাদুকাটাকে দেশের অন্যতম সৌন্দর্য্যরে নদী হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
যাদুকাটা নদীটির ওপারে মেঘালয়ের বিশাল পাহাড় আর এপারে তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তে অবস্থিত সুদৃশ্য বারেক টিলা। আর এই বারেক টিলার পাশ দিয়েই নদীটি বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করেছে। এ কারণে দুই দেশের সীমান্তে নদীটি অপরুপ দৃশ্য ধারণ করেছে। মনে হয় যাদুকাটা যেন নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যরে লীলাভুমি। বর্ষায় এর বুকদিয়ে প্রবাহিত নদীর তীব্র স্রোতধারা আর হেমন্তে শুকিয়ে যাওয়া নদীর বিশাল এলাকাজুড়ে ধুধু বালুচর এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।নদীর রাতে মেঘালয় থেকে নেমে আসা বালি আর পাথরের কারণে নদীটি সম্পদশালী ও গুরুত্বপূর্ণ। এর সবুজাভ স্বচ্ছ পানি পর্যটকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে। এ নদী থেকে প্রতিবছর প্রায় পাঁচ কোটি ঘনফুট বালি, এক কোটি ঘনফুট নুড়ি, বোল্ডার ও ভাঙ্গা পাথর আহরণ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়ে থাকে। নদীটিতে প্রত্যক্ষভাবে প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিক কাজ করে থাকে। এর মধ্যে প্রায় ১৫ হাজার হচ্ছেন বারকি শ্রমিক। ২ ফুট প্রস্ত আর ৪০ ফুট দীর্ঘ একটি বারকি নৌকা। সাধারণত ২ জন শ্রমিক একটি বারকি নৌকা পরিচালনা করে থাকেন। নদী থেকে বালি কিংবা পাথর সংগ্রহ করে বারকি নৌকা বোঝাই করা হয়। একটি বারকি নৌকায় ৪০ থেকে ৫০ বর্গফুট বালি কিংবা পাথর নেওয়া যায়। নদীটিতে প্রতিদিন চলাচলকারী শত শত বারকি নৌকার সারি যাদুকাটা নদীর রুপকে অপরুপ করেছে। তবে বালি-পাথরের কারণে নদীটি নাব্যতা হারিয়েছে। শীতের শুরু থেকেই বড় নৌকার পরিবর্তে ছোট নৌকা চালাতে হয়। হেমন্তেকালে কয়েক মাস নৌ-চলাচল একেবারেই বন্ধ হয়ে পড়ে। এ সময় অধিকাংশ শ্রমিকই বেকার হয়ে পড়ে।
সৌন্দর্যের এই রাজ্যে স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে পরিবার, প্রিয়জন কিংবা বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ভ্রমণ করতে চাইলে সাহায্য নিতে পারেন।
আমাদের হাওরের সিজন শুরু হয়ে গেছে ১মে থেকে।
যেকোন প্যাকেজ এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে।।
+8801726037323
+8801749-482867
+8801924-567182
+8801580-593067




10/05/2025

টাঙ্গুয়ার হাওর পরিচিতি
পর্ব-২

নীলাদ্রি লেক
বাংলাদেশের কাশ্মীর নীলাদ্রি। নীল রঙে রূপায়িত এই মনোরম জায়গাটির অবস্থান টেকেরঘাট, সুনামগঞ্জে। টেকেরঘাট টাঙ্গুয়ার হাওড়ের কাছে ভারত সীমান্তবর্তী একটি স্থান।
নীলাদ্রি নামটা যেমন সুন্দর, এর রূপও তেমনি মোহনীয়। চোখে না দেখলে বিশ্বাসই হবে না পানির নীল প্রকৃতির মায়াবী রূপ। এখানে চুনাপাথরের বিশাল খনি থাকলেও বর্তমানে তার কার্যকারিতা নেই। টেকেরঘাট চুনাপাথরের লেকের পানি নীল না হলেও বেশ পরিষ্কার। চুনাপাথর খননের ফলে লেকটি সৃষ্টি হয়।
অনেকেই টাঙ্গুয়ার হাওর দেখতে আসেন সুনামগঞ্জে। কিন্তু এর পাশেই অনেক সুন্দর সুন্দর জায়গা আছে যা যে কোনো পর্যটককে মুহূর্তেই মোহিত করবে। এমনই একটি জায়গা টেকেরঘাট চুনাপাথরের পরিত্যক্ত খনির লাইমস্টোন লেক। লেকটির অপর নাম শহীদ সিরাজ লেক। মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বীর যোদ্ধা বীর বিক্রম খেতাব প্রাপ্ত সিরাজুল ইসলামের নামে নামকরণ করা হয়েছে। নামটি তাহিরপুর এলাকাবাসীর দেয়া। মুক্তিযুদ্ধে এই অঞ্চলের অবদানের স্বীকৃতি এই নামকরণ। কিন্তু কোনো সাইনবোর্ড না থাকায় বা সেভাবে প্রচার না হওয়ায় পর্যটকরা ‘নীলাদ্রি’ নামে নামকরণ করে! এ নামটি বেশ জনপ্রিয়তা পায় ভ্রমণকারীদের মাঝে। এতে ঢাকা পড়ে যায় লেকের আসল নাম। যদিও তাহিরপুরবাসীদের কাছে এটি শহীদ সিরাজ লেকই, তারা ভুলে যাননি ইতিহাসকে।
টেকেরঘাট চুনাপাথরের লেকের বাংলাদেশ প্রান্তে প্রায় ২৫ ফুট উচ্চতার কয়েকটি কৃত্রিম টিলা রয়েছে। যা সুন্দরভাবে সাজিয়ে পর্যটন কেন্দ্র বানানো হয়েছে। টিলার মাঝে মাঝে রয়েছে বেঞ্চ এবং ছায়ার ব্যবস্থার জন্য বড় বড় ছাতা। টিলার পাশেই চুনাপাথরের বিশাল খনি। প্রচুর লাইমস্টোন রপ্তানি করা হয় এই টেকেরহাট থেকেই।
মাঝের টিলা আর ওপাড়ের পাহাড়ের নিচের অংশটুকু বাংলাদেশের শেষ সীমানা। বড় উঁচু পাহাড়টিতেই সীমানা কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া।
নীলাদ্রি লেকের পাশেই ভারতের মেঘালয় পাহাড়। পাহাড় আর মেঘের মিলনে তৈরি হয়েছে এক মনোরম পরিবেশ।
সৌন্দর্যের এই রাজ্যে স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে পরিবার, প্রিয়জন কিংবা বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ভ্রমণ করতে চাইলে সাহায্য নিতে পারেন।
আমাদের হাওরের সিজন শুরু হচ্ছে আগামী ১ মে থেকে।
যেকোন প্যাকেজ এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে।।
+8801726-037323
+8801924-567182
+8801580-593067
+8801749-482867




টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি হাওর। প্রায় ১২৬ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এ হা...
05/05/2025

টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি হাওর। প্রায় ১২৬ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এ হাওর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি।স্থানীয় লোকজনের কাছে হাওরটি নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল নামেও পরিচিত।এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় রামসার স্থান হিসাবে পরিচয়, প্রথমটি সুন্দরবন। এর নীল জলে ভেসে বেড়ায় মন মাতানো সব হাউজ বোট।
শহুরে জীবনের কোলাহল থেকে দূরে, মাটি, জল আর সবুজের খুব কাছাকাছি কাটিয়ে যেতে পারেন ২ দিন এক রাত। এই সুনীল জলরাশি মাঝে ভেসে বেড়ায় আমাদের হাউজ বোটগুলো।।
বিস্তারিত জানতে কল করুন
+8801580-693067 ( Whatsapp Available )
+8801726-037323
+8801924-567182
+8801749-482867

04/05/2025

টাঙ্গুয়ার হাওর পরিচিতি
পর্ব-১
টাঙ্গুয়ার হাওর
কখনো আকাশের মতো নীল, কখনো আয়নার মতো স্বচ্ছ এমন স্নিগ্ধ রঙে রাঙা পানিতে টইটুম্বর হাওর-বাঁওড়। দূরে মেঘালয় রাজ্যের পাহাড়, ঝরনা থেকে নেমে আসা স্বচ্ছ পানি, অগণিত পাখির কলতান আর করচ-হিজল বনের অপরূপ সৌন্দর্যের সমাহার দেখা যাবে শুধু টাঙ্গুয়ার হাওরেই। টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত একটি হাওর। মূলত হাওরটি সুনামগঞ্জের দুই উপজেলায় ১৮ টি মৌজায় ৫১ টি হাওরের সমন্বয়ে গঠিত। স্থানীয় লোকজনের কাছে হাওরটি নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল নামেও পরিচিত। শীত মৌসুমে পানি কমে গেলে প্রায় ২৪ টি বিলের পাড় জেগে উঠে। আঞ্চলিক ভাষায় পাড় গুলোকে বলা হয় কান্দা। প্রায় ১২৬ বর্গকিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এ হাওর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মিঠা পানির জলাভূমি।এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় রামসার স্থান হিসাবে মর্যাদাপূর্ণ।
টাঙ্গুয়ার হাওরের রূপের বিবরণ লিখে শেষ করার মতো নয়। বর্ষা ও শীত—এই দুই মৌসুমে দুই রকমের সৌন্দর্যে অপরূপ হয়ে ওঠে এই হাওর। তবে পর্যটকদের মতে, এই হাওর তার আসল সৌন্দর্যে সাজে বর্ষাকালে। এ সময়ে পানিতে থই থই করে চারদিক। প্রতি মৌসুমে যেমন হাওর সাজে ভিন্ন রূপে, ঠিক তেমনি প্রতি বেলাতেও এর সাজ একেক রকম। ভোরবেলা হাওর থাকে সুনসান এবং স্নিগ্ধ, কিছুক্ষণ পর হাওর হয়ে ওঠে পাখির কলকাকলিতে পূর্ণ। দুপুর ও বিকেলে দেখা যায় হাওর ও এর চারপাশের বাসিন্দাদের যাপনচিত্র। আর সূর্য ডোবার সময়ে সম্পূর্ণ হাওর ঢেকে যায় সোনালি রঙের চাঁদরে। রাতের ঝকঝকে আকাশে মিটমিট করে তারার মেলা। সৌন্দর্যের এই আমেজে মেতে ওঠেন নৌকার মাঝি নিজেও। তাই সন্ধ্যার পর এই হাওরে প্রায়ই বসে বাউলগানের আসর।
কিছু কিছু জায়গায় এই হাওরের পানি এতটাই স্বচ্ছ যে পানির নিচের জলজ উদ্ভিদ কিংবা মাছ দেখা যায় খালি চোখেই। এই হাওরকে বলা হয় দেশি মাছের আধার বা ‘মাদার ফিশারিজ’। এখানে ১৪০টিরও বেশি প্রজাতির স্বাদু পানির মাছ পাওয়া যায়। এ হাওরের বিখ্যাত মাছের মধ্যে প্রথমেই উল্লেখ করা যায় মহাশোলের কথা। মাছটির দুটো প্রজাতি রয়েছে বৈজ্ঞানিক নাম যথাক্রমে Tortor এবং Torputitora, টাঙ্গুয়ার হাওরে দুই প্রজাতিই পাওয়া যেত। এছাড়াও আইড়, গাঙ মাগুর, বাইম, তারা বাইম, গুতুম, গুলশা, টেংরা, তিতনা, গরিয়া, বেতি, কাকিয়া মাছের ভাণ্ডার হাওরটি। মাছের পাশাপাশি পাখিরও অভাব নেই এখানে। ২০১৯ সালের পাখিশুমারি অনুযায়ী, হাওর ও এর আশপাশের এলাকায় ২০৮ প্রজাতির পাখি দেখা গেছে। বাংলাদেশে দেখতে পাওয়া আটটি বেয়ারের ভুঁতিহাসের পাঁচটিই পাওয়া গেছে টাঙ্গুয়ার হাওরে। বিরল প্রজাতির পাখিদের মধ্যে আরো আছে কালোপাখা টেঙ্গি, মোটাঠুঁটি ফাটানো, ইয়ার, মাছমুরাল, লালবুক গুরগুরি, পাতি লালপা, গেওয়াল বাটান, লম্বা আঙুল চা পাখিসহ অসংখ্য নাম-না-জানা পাখি। তাছাড়া হিজল, করচ, বরুণ, পানিফল, হেলেঞ্চা, বনতুলসী, নলখাগড়া, বল্লুয়া, চাল্লিয়া, সিংড়া, শালুক, শাপলা, গুইজ্জাকাঁটা, উকলসহ নানা ধরনের উদ্ভিদ এখানকার প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করছে।
সৌন্দর্যের এই রাজ্যে স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে পরিবার, প্রিয়জন কিংবা বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ভ্রমণ করতে চাইলে সাহায্য নিতে পারেন।
আমাদের হাওরের সিজন শুরু হচ্ছে আগামী ১ মে থেকে।
যেকোন প্যাকেজ এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে।।
+8801726-037323
+8801580-593067
+8801924-567182
+8801749-482867

টাঙ্গুয়ার হাওর—প্রকৃতির এক অপার বিস্ময়, জল আর নীলিমার এক স্বপ্নময় মিলনমেলা।নদীর কান্না জমে যেখানে সৃষ্টি হয় নিরব জলরাশি,...
03/05/2025

টাঙ্গুয়ার হাওর—প্রকৃতির এক অপার বিস্ময়, জল আর নীলিমার এক স্বপ্নময় মিলনমেলা।নদীর কান্না জমে যেখানে সৃষ্টি হয় নিরব জলরাশি, সেখানেই হাওরের গভীর বুক জুড়ে জেগে ওঠে জীবনের গান। বর্ষার দিনে বিস্তীর্ণ জলরাশি ছুঁয়ে দেয় আকাশের কোল, নৌকা ভেসে চলে বাতাসের তালে, আর পানির উপর খেলে সূর্যের স্বর্ণালি ছটা।
হাওর এ ঘুরতে যেতে চাইলে যোগাযোগ করুন
Khoab Tourism & Event Management
01753260990 ( Whatsapp)

টাংগুয়ার হাওরে বাজেটের মধ্যে সেরা সার্ভিস পেতে চলে আসুন Khoab Tourism & Event Management এ।ফুলবোটে থাকবে স্পেশাল ডিস্কাউ...
30/04/2025

টাংগুয়ার হাওরে বাজেটের মধ্যে সেরা সার্ভিস পেতে চলে আসুন Khoab Tourism & Event Management এ।

ফুলবোটে থাকবে স্পেশাল ডিস্কাউন্ট।

আমরা আপনাদের সার্ভিস দিতে রেডি। এখন আপনাদের রেডি হবার পালা।

টাঙ্গুয়ার হাওর—প্রকৃতির এক অপার বিস্ময়, জল আর নীলিমার এক স্বপ্নময় মিলনমেলা।নদীর কান্না জমে যেখানে সৃষ্টি হয় নিরব জলরাশি,...
30/04/2025

টাঙ্গুয়ার হাওর—প্রকৃতির এক অপার বিস্ময়, জল আর নীলিমার এক স্বপ্নময় মিলনমেলা।নদীর কান্না জমে যেখানে সৃষ্টি হয় নিরব জলরাশি, সেখানেই হাওরের গভীর বুক জুড়ে জেগে ওঠে জীবনের গান। বর্ষার দিনে বিস্তীর্ণ জলরাশি ছুঁয়ে দেয় আকাশের কোল, নৌকা ভেসে চলে বাতাসের তালে, আর পানির উপর খেলে সূর্যের স্বর্ণালি ছটা।
সপ্নময় এই রকম এক ভ্রমণে আপনাকে স্বাগতম জানাচ্ছি আমরা।
যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে....
01753260990 ( Whatsapp)
01580693067
01726037323

সাপের মত আকাবাকা বয়ে চলা এই সুন্দর জলরাশির নাম টাংগুয়ার হাওর!  আমাদের হাওরের সিজন শুরু হচ্ছে আগামী ১ মে থেকে।যেকোন প্যাক...
28/04/2025

সাপের মত আকাবাকা বয়ে চলা এই সুন্দর জলরাশির নাম টাংগুয়ার হাওর!
আমাদের হাওরের সিজন শুরু হচ্ছে আগামী ১ মে থেকে।
যেকোন প্যাকেজ এর জন্য যোগাযোগ করতে পারেন আমাদের সাথে।।
+8801580-593067
+8801726-037323
+8801924-567182
+8801749-482867

Address

Satkhira Highway Road
Khulna
9100

Telephone

+8801749482867

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khoab Tourism & Event Management posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Khoab Tourism & Event Management:

Share

Category