Discover The World.

Discover The World. The Biggest Tours & Travel Company.
চাকরি আপনার পকেট ভরে কিন্তু ভ্রমণ আপনার আত্মা পূর্ণ করে

⚠️ নার্সিসিস্ট থেকে সাবধান ❌ যদি এমন কাউকে ভালোবেসে ফেলেন, যে একদিন আপনাকে চোখে চোখে আগলে রাখে, আর বাকি চারদিন আপনাকে ভে...
07/08/2025

⚠️ নার্সিসিস্ট থেকে সাবধান ❌

যদি এমন কাউকে ভালোবেসে ফেলেন, যে একদিন আপনাকে চোখে চোখে আগলে রাখে, আর বাকি চারদিন আপনাকে ভেতরে ভেতরে পোড়ায়, জানবেন সে শুধু প্রেমিক বা প্রেমিকা নয়, সে একজন নিঃসন্দেহে নার্সিসিস্ট। এমন মানুষ নিজের আনন্দ আর তৃপ্তির জন্য আপনার মনকে খেলনার মতো ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখে, আপনার কষ্ট দেখেও শান্তির নিশ্বাস ফেলে।

নার্সিসিস্টদের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ব্যাপার হলো, প্রথম দেখায় আপনি বুঝতেও পারবেন না। তারা চমৎকারভাবে কথা বলতে জানে, আপনাকে মুহূর্তেই মুগ্ধ করবে, আপনার চোখে চোখ রেখে এমনভাবে হাসবে যে মনে হবে পৃথিবীর সেরা মানুষটিকে পেয়েছেন। তারা হয়তো খুবই স্মার্ট, বুদ্ধিমান, আর সবার মন জয় করতে ওস্তাদ।

কিন্তু কাছ থেকে দেখলে বোঝা যায়, এরা আসলে ভয়ংকর এক ধরণের খেলোয়াড়। আপনার অনুভূতিগুলো আস্তে আস্তে তারা তাদের মুঠোয় পুরে নেয়, আপনাকে নিজের মতো করে ভাঙে গড়ে। যখন এদের আসল রূপ দেখবেন, তখন আবিষ্কার করবেন একেবারে ভিন্ন একজন মানুষ—যার মনে দয়া নেই, যিনি কেবল নিজের স্বার্থটুকু দেখে।

বিশ্ববিখ্যাত মনোবিজ্ঞানীরা বলেন, নার্সিসিস্টরা একধরনের দ্বিমুখী জীবনযাপন করে। বাইরে মানুষকে দেখায় তারা কত মানবিক, কত সৎ আর কেয়ারিং। কিন্তু নিজের ঘরের দরজার ভেতর তারা হয়ে ওঠে হৃদয়হীন, স্বার্থপর, আর নির্মম এক স্বত্বা—যা শুধু প্রিয় মানুষকে কষ্ট দিয়ে আনন্দ পায়।

এরা ভালোবাসা দিয়েই আপনাকে আটকাবে, আবার সেই ভালোবাসার নামেই আপনার মন ভেঙে ফেলবে। যখন আপনি এদের কথার বা ইচ্ছের বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন, তখনই বুঝতে পারবেন তাদের আসল রূপ। আপনার চোখের জল, কাকুতি-মিনতি কিছুই তখন আর ওদের কাছে দাম পাবে না।

সবচেয়ে কষ্টের জায়গাটা হলো, এরা কখনো পরিবর্তন হয় না। এরা মনে করে, তাদের কথাই সঠিক, তারা সবার চেয়ে আলাদা আর বিশেষ। আর সবচেয়ে কাছের মানুষটিকেই তারা সবচেয়ে বেশি কষ্ট দেয়, মানসিক খেলায় পরিণত করে।

তাই যদি এমন কারো প্রেমে পড়েন, খেয়াল রাখবেন, যেন তার সুন্দর মুখোশের আড়ালে লুকোনো অন্ধকার আপনাকে গিলে না ফেলে।

✍️ #সংগৃহীত

"দামী গাড়িটা একসময় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াল।ব্র্যান্ডেড কাপড়গুলো আসলে অতটা দরকারি ছিল না।আমি খুঁজছিলাম আনন্দের ক্ষণিক...
21/06/2025

"দামী গাড়িটা একসময় কষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়াল।
ব্র্যান্ডেড কাপড়গুলো আসলে অতটা দরকারি ছিল না।
আমি খুঁজছিলাম আনন্দের ক্ষণিক উত্তেজনা, কিন্তু আসল স্বাধীনতা নয়।

আসল সম্পদ হলো — এমনভাবে ঘুম থেকে ওঠা, যেদিন আপনার মাথায় কোনো দায়িত্ব নেই।
এই সত্যিটা বুঝতে সারাজীবন নষ্ট করে ফেলবেন না।

দামী গাড়ি, মোবাইল বা ডিজাইনার ব্যাগ লক্ষ্য হওয়া উচিৎ নয়।

আসল লক্ষ্য হলো —
একটা শান্ত মস্তিষ্ক,
কিছু ফাঁকা সময়,
ভালোবাসার মানুষগুলো পাশে থাকা,
আর প্রতিদিন সকালে আনন্দ নিয়ে জেগে ওঠা।"

যে আপনাকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসে,তার থেকে আপনাকে কিছু চেয়ে নেওয়া লাগবে না, একদম কিচ্ছু না! সে আপনার ভয়েস কিংবা মেসেজ ...
17/06/2025

যে আপনাকে সত্যিকার অর্থে ভালোবাসে,
তার থেকে আপনাকে কিছু চেয়ে নেওয়া লাগবে না,
একদম কিচ্ছু না!
সে আপনার ভয়েস কিংবা মেসেজ লেখার ধরন দেখেই বুঝতে পারবে আপনার মন ভালো কি খা'রাপ!
সে জানে কি করলে আপনার মন ভালো হবে এবং কোন ব্যাপারে আপনার মন খা'রাপ হবে!
সে আপনার ছোট ছোট ব্যাপার গুলোও মনে রাখবে,
আপনি কিভাবে হাসেন, আপনার রা'গ, অভিমান সব সে দেখবে! আপনি রা'গ বা অভিমান করলে সে অ'স্থির হয়ে উঠবে! আপনার কোনো পরিবর্তন আসলে সহজেই সে বুঝে যাবে!আপনাকে তার থেকে কিচ্ছু চেয়ে নিতে হবেনা। কারণ স‌ত্যিকার ভা‌লোবাসার মানুষ শখের মানুষকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে!❤️🥀

🔴 যদি মৃত্যু না হত* ‼️*যদি এমন হয় যে 'আমার' মৃত্যু হবে না, বা 'আমি' অমর তাহলে কি হবে!**আলেকজান্ডার চেয়েছিলেন অমর হতে। তা...
11/06/2025

🔴 যদি মৃত্যু না হত* ‼️
*যদি এমন হয় যে 'আমার' মৃত্যু হবে না, বা 'আমি' অমর তাহলে কি হবে!*
*আলেকজান্ডার চেয়েছিলেন অমর হতে। তাই তিনি ভারতে এসেছিলেন অমরত্বের সন্ধানে। অনেক খোঁজাখুঁজির পর এক যোগীর সন্ধান পান তিনি।* *সম্রাটের আদেশে তাঁর সৈন্যরা সেই যোগীকে গিয়ে বললো, "আমাদের সাথে এক্ষুনি যেতে হবে"।*
*"আমি কোথাও যাই না, সম্রাটের ইচ্ছে হলে এখানে আসতে পারে", যোগী জানায়।*
*এই কথা শুনে সৈন্যরা মূহুর্তে তরবারি বের করে বলে চলো, নাহলে তোমার মুন্ডু নিয়ে যাব। যোগী নির্বিকার, হেসে বললো তাহলে তাই কর। সৈন্যরা এরকম আশ্চর্য জিনিস দেখে নি যার মৃত্যুভয় নেই। কিছুক্ষণ অবাক হয়ে থেকে তারা ফিরে গেল এবং সম্রাটকে সমস্ত জানাল।*
*আলেকজান্ডার অগত্যা নিজেই এলেন কারণ অমরত্ব বড় বালাই। যোগীকে জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি কি আমায় অমরত্বের সন্ধান দিতে পারো?"*
*যোগী তাকে এক স্বচ্ছ জলের সরোবরের সন্ধান দিলেন এবং সেই জল পান করতে বললেন।*
*আলেকজান্ডার যোগীর নির্দেশিত পথে যাত্রা শুরু করলেন এবং যেমন যেমন বলেছিল যোগী, তেমন তেমন মিলে গেল। তিনি সেই স্বচ্ছ জলের সরোবরের সন্ধান পেলেন।*
*কিন্তু যেইমাত্র তিনি হাতে আঁজলা করে জল নিয়ে পান করতে যাবেন, আওয়াজ এল, "খেয়ো না, খেয়ো না"! অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখলেন একটা কাক, তাকে সতর্ক করছে। কাকটা বললো, জানো আমার কি কষ্ট! আমি অমর। আমার মৃত্যু নেই কারণ আমি এই জল পান করেছিলাম কত হাজার বছর আগে। আমার একটুও বেঁচে থাকতে ইচ্ছে করে না। কিন্তু কি করব! আমার সাধ, আহ্লাদ কিছু নেই! এইভাবে বেঁচে থাকা যে কি কষ্ট তা কল্পনাও করতে পারবে না! আমি আত্মহত্যাও করতে পারি না!*
*আলেকজান্ডার কিঞ্চিত থমকে গেলেন। জীবনে এই প্রথম দোর্দন্ডপ্রতাপ সম্রাট ঘাবড়ে গেলেন, হাতের জল গলে পড়ে গেল। কি একটা ভেবে প্রচন্ড ভয় পেলেন। উঠে দাঁড়ালেন এবং ধীরে ধীরে পিছন ফিরে চলে গেলেন।*
*মৃত্যু সুন্দর, খুব সুন্দর। একটা পূর্ণ জীবন কাটিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়াটা যে কত সুন্দর ও বাঞ্ছনীয়, তা যারা সেই সুযোগ দেরীতে পায় তারাই একমাত্র অনুভব করতে পারে। সবথেকে আনন্দের জিনিস হলো আমরা জানি যে আমাদের একদিন মৃত্যু হবে। তাই যতদিন আছি আনন্দ করে বাঁচি, এটাই আশা করা উচিত। জীবন দীর্ঘ নয়, আনন্দের হোক।*
*মৃত্যু নেগেটিভ নয়, বরং অনেক বেশি পজিটিভ। মৃত্যু আছে বলেই জীবন আনন্দের। আমরা যখন পৃথিবীতে আসি তখন আধা মৃত্যু সাথে নিয়েই আসি।

ভিক্টর নোয়ার একজন তরুণ ফরাসি সাংবাদিক, যিনি ১৮৭০ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তার জীবনের চেয়েও আ...
11/06/2025

ভিক্টর নোয়ার একজন তরুণ ফরাসি সাংবাদিক, যিনি ১৮৭০ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তার জীবনের চেয়েও আজ বেশি আলোচিত তার সমা‌ধি।

প্যারিসের বিখ্যাত Père Lachaise Cemetery-তে তাঁর কবরের উপর ১৮৯০ সালের দিকে ভাস্কর জুলস দালু একটি ব্রোঞ্জের মূর্তি নির্মাণ করেন। কিন্তু এই মূর্তি সময়ের সাথে হয়ে ওঠে প্রজনন ক্ষমতা ও প্রেমের সৌভাগ্যের প্রতীক।

মূর্তিটির প্যান্টের একটি ভাঁজকে অনেকেই দেখে থাকেন যৌন-উত্তেজনার ইঙ্গিত হিসেবে। এরপর থেকে স্থানীয় লোককথা ছড়িয়ে পড়ে- যদি কোনো নারী ভিক্টরের টপ হ্যাটে ফুল রাখে, ঠোঁটে চুমু দেয় এবং প্যান্টের নির্দিষ্ট অংশে স্পর্শ করে, তবে তিনি নাকি সন্তান জন্ম দেওয়ার ক্ষমতা পাবেন, ভালোবাসায় সফল হবেন বা এক বছরের মধ্যেই বিয়ে হবে তার।

এই বিশ্বাস এতটাই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে যে, ঐ অংশে ঘষাঘষির কারণে ব্রোঞ্জের রং উঠে গিয়ে আলাদা রং ধারণ করে। ২০০৪ সালে কর্তৃপক্ষ একবার প্রাচীর দিয়ে এসব ঠেকানোর চেষ্টা করলেও জনতার প্রবল প্রতিবাদে তা সরিয়ে নেওয়া হয়।

শিক্ষণীয় গল্প: হাতুড়ি ও সুচএকদিন এক কারখানার কোণে দেখা হলো হাতুড়ি আর সুচ-এর।হাতুড়ি ছিল শক্তপোক্ত, ভারী ও গর্জনধারী। গর্ব...
08/06/2025

শিক্ষণীয় গল্প: হাতুড়ি ও সুচ

একদিন এক কারখানার কোণে দেখা হলো হাতুড়ি আর সুচ-এর।

হাতুড়ি ছিল শক্তপোক্ত, ভারী ও গর্জনধারী। গর্ব ভরে সে বলল—
“আমি পেরেক ঠুকি, কাঠ ভাঙি, ধাতু গুঁড়িয়ে ফেলি!
আমার মতো শক্তিশালী আর কেউ আছে নাকি?”

সুচ হালকা হেসে বলল—
“তোমার শক্তির কথা অস্বীকার করছি না।
কিন্তু এমন কিছু কাজ আছে, যেখানে তোমার আঘাত নয়, আমার কোমল স্পর্শ দরকার হয়।”

হাতুড়ি অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল—
“তুমি আবার কী এমন করো, যেটা আমি পারি না?”

সুচ তখন তাকে নিয়ে গেল এক দর্জির দোকানে।
সেখানে একজন দর্জি সুচ ও সুতার সাহায্যে কাপড়ের ছেঁড়া জায়গা সুন্দরভাবে জোড়া লাগাচ্ছেন।
একটুও কষ্ট বা ক্ষতি হচ্ছে না, বরং কাপড় নতুনের মতো দেখাচ্ছে।

এই দৃশ্য দেখে হাতুড়ি চুপ করে গেল।
সে বুঝতে পারল, শুধু জোরে আঘাত করলেই সব সমস্যার সমাধান হয় না।
অনেক সময় ধৈর্য, সূক্ষ্মতা আর যত্ন বেশি দরকার হয়।

তখন সুচ বলল—
“দেখো বন্ধু, আমরা কেউ কারো চেয়ে বড় নই।
তুমি কাঠে পেরেক ঠুকে ঘর তৈরি করো, আর আমি জামা জুড়ে মানুষকে পরার উপযোগী করি।
আমরা আলাদা কাজে দক্ষ, তাই উভয়েরই গুরুত্ব আছে।”

---

গল্পের শিক্ষা:

জীবনে কেউ বড়, কেউ ছোট মনে হলেও, প্রত্যেকেই নিজ নিজ কাজে গুরুত্বপূর্ণ।
শক্তি দিয়ে যেমন বিশাল কাজ হয়, তেমনি সূক্ষ্মতায়ও আসে নিখুঁত সমাধান।
তাই সবাইকে সম্মান করা উচিত—কারণ সবারই নিজস্ব মূল্য আছে।

ফ্রানৎস কাফকা (লেখক,অস্ট্রিয়া) কখনো বিয়ে করেননি এবং তাঁর কোনো সন্তানাদিও ছিলো না। তাঁর বয়স যখন ৪০, তখন একদিন তিনি বার্...
06/06/2025

ফ্রানৎস কাফকা (লেখক,অস্ট্রিয়া) কখনো বিয়ে করেননি এবং তাঁর কোনো সন্তানাদিও ছিলো না।

তাঁর বয়স যখন ৪০, তখন একদিন তিনি বার্লিনের একটা পার্কে হাঁটছিলেন। এমন সময় তিনি একটি ছোট্ট মেয়েকে দেখলেন যে তার প্রিয় পুতুলটি হারিয়ে কাঁদছিল। সেই মেয়েটি এবং কাফকা, দু’জনে মিলে খুব খুঁজলেন হারিয়ে যাওয়া পুতুলটিকে। কিন্তু কোথাও খুঁজে পাওয়া গেল না তা।
কাফকা মেয়েটিকে পরের দিন আবার সেখানে আসতে বললেন। উদ্দেশ্য, আবার তাঁরা দু’জনে মিলে হারিয়ে যাওয়া পুতুলটি খুঁজবেন সেখানে।

**কিন্তু পরের দিনও পুতুলটিকে খুঁজে পাওয়া গেল না। তখন কাফকা ছোট্ট মেয়েটিকে একটি চিঠি দিলেন। আর বললেন, ‘এই চিঠিটি তোমার হারিয়ে যাওয়া পুতুলের লেখা’। সে চিঠিতে লেখা ছিল, ‘দয়া করে তুমি কেঁদো না। আমি পৃথিবী দেখতে বেরিয়েছি। আমি আমার রোমাঞ্চকর ভ্রমণকাহিনী তোমাকে নিয়মিত লিখে জানাব।’

এভাবেই শুরু হয়েছিল একটি গল্পের, যা চলেছিল কাফকার মৃত্যু পর্যন্ত।

ছোট্ট মেয়েটির সঙ্গে কাফকার নিয়মিত দেখা হতো। আর যখনই দেখা হতো তখনই কাফকা একটি চিঠি দিতেন মেয়েটিকে, বলতেন সেই একই কথা, ‘চিঠিটি তার হারিয়ে যাওয়া পুতুলের লেখা’, এবং পড়ে শোনাতেন তার প্রিয় পুতুলের বিশ্ব-ভ্রমণের রোমাঞ্চকর সব বর্ণনা খুব যত্নের সাথে, যে বর্ণনাগুলো মেয়েটিকে ভীষণ আনন্দ দিত।

**এর কিছুদিন পর একদিন কাফকা একটি পুতুল কিনলেন এবং মেয়েটিকে দিলেন। বললেন, ‘এই নাও, তোমার হারিয়ে যাওয়া সেই পুতুল।’
মেয়েটি বললো, ‘এই পুতুলটি মোটেও আমার হারিয়ে যাওয়া পুতুলের মতো দেখতে নয়।’
কাফকা তখন মেয়েটিকে আরও একটা চিঠি দিলেন যেটাতে তার প্রিয় পুতুলটি তাকে লিখেছে, ‘ভ্রমণ করতে করতে আমি অনেক পাল্টে গিয়েছি।’
ছোট্ট মেয়েটি তখন নতুন পুতুলটিকে বুকের সাথে জড়িয়ে ধরল এবং অপার আনন্দে ভাসল।

এর এক বছর বাদে কাফকা মারা যান।
বহু বছর বাদে, সেই ছোট্ট মেয়েটি যখন অনেক বড় হয়ে গেছে, তখন সে সেই পুতুলটির ভিতরে একটি ছোট্ট চিঠি পায়। কাফকার সই করা ছোট্ট সে চিঠিটিতে লেখা ছিলো,

‘Everything you love will probably be lost, but in the end, love will return in another way.

অর্থাৎ

"আপনি যা কিছু ভাল‌োবাসেন তা হয়তো একদিন হারিয়ে যাবে, তবে শেষ পর্যন্ত, ভাল‌োবাসা অন্য উপায়ে ফিরে আসবে।"

আমাদের সন্তানকে বারবার ফিলি স্তিনের ইতিহাস শুনাবো, তাকে বারবার বলব কেন আমরা ফিলি স্তিনকে ভালোবাসি—১. ফিলি স্তিন নবীদের প...
23/03/2025

আমাদের সন্তানকে বারবার ফিলি স্তিনের ইতিহাস শুনাবো, তাকে বারবার বলব কেন আমরা ফিলি স্তিনকে ভালোবাসি—

১. ফিলি স্তিন নবীদের পূণ্যভূমি।

২. ইবরাহীম আলাইহিস সালাম সর্বপ্রথম ফিলি স্তিনে হিজরত করেন এবং পরবর্তীতে স্ত্রী সারার সাথে সেখানে বসবাস করেন।

৩. লুত আলাইহিস সালামের কওমের ওপর পতিত গজব থেকে আল্লাহ তাআলা লুত আলাইহিস সালামকে রক্ষা করেন ফিলি স্তিনে।

৪. নবী ইসহাক আলাইহিস সালাম ও ইয়াকুব আলাইহিস সালাম ও ইউসুফ আলাইহিস সালামের জন্ম এই ফিলি স্তিনে।

৫. নবী মুসা আলাইহিস সালাম মিসর থেকে বনী ইসরাইলকে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন পবিত্র এই ভূমিতে প্রবেশ করার জন্য। যদিও ইহু দিরা তাদের চিরকালীন কাপুরুষোচিত স্বভাবের কারণে প্রবেশ করতে পারেনি। মুসা আলাইহিস সালাম এই ভূমিকে পবিত্র বলেন।

৬. নবী দাউদ আলাইহিস সালাম অত্যাচারী জালূতের কপালে পাথর ছুঁড়ে তখনকার মুমিনদেরকে ফিলি স্তিন পুনরুদ্ধারে সহযোগিতা করেন।

৭. নবী সুলাইমান আলাইহিস সালাম ফিলি স্তিনে বসেই জিন ইনসানসহ পৃথিবীবাসির ওপর রাজত্ব করেন।

৮. সুলাইমান আলাইহিস সালাম ও পিঁপড়ের যে বিখ্যাত কাহিনী কুরআনে বর্ণিত আছে তা এই শহরেই ঘটেছিল। বর্তমান city of ashkelon এ অবস্থিত আন্ট ভ্যালি আছে واد النمل নামে।

৭. নবী জাকারিয়া আলাইহিস সালাম ফিলি স্তিনেই বাস করতেন এবং তার মিহরাব এই ফিলি স্তিনেই ছিল।

৮. এই বায়তুল মাকদিসেই মারইয়াম আলাইহাস সালাম বসবাস করতেন এবং অলৌকিক খাদ্যভাণ্ডার প্রাপ্ত হতেন।

৯. এই ফিলি স্তিনেই মারইয়াম আলাইহিস সালাম কোনো পুরুষ ব্যতীত একটি শিশু গর্ভে ধারণ করার মতো আশ্চর্যজনক ঘটনার জন্ম দেন।

১০. নবী ঈসা ও ইয়াহইয়া আলাইহিস সালামের এই ফিলি স্তিনে জন্মগ্রহণ করেন এবং বেড়ে উঠেন।

১১. এই ফিলি স্তিনেই ঈসা আলাইহিস সালামকে হ ত্যার ষড়যন্ত্র হলে আল্লাহ তাআলা ঈসা আলাইহিস সালামকে আকাশে উঠিয়ে নেন।

১২. আমাদের প্রিয়নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মিরাজের রাতে আকাশের জগতে রওয়ানা হওয়ার আগে আল্লাহ তাআলা তাকে ফিলি স্তিনের বায়তুল মাকদিসে মেহমান করেন।

১৩. বায়তুল মাকদিসের দক্ষিণদিকে কোথাও আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্য জগতের বাহন তাঁর বোরাককে বেঁধে রাখেন।

১৪. ফিলি স্তিনের বায়তুল মাকদিসেই আমাদের রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকল নবী রাসূলগণের নামাজের ইমামতি করেন।

১৫. মিরাজের রাতে নামাজ ফরজ হওয়ার পর মসজিদুল আকসাই ছিল মুসলমানদের প্রথম কিবলা। মুসলমানরা বায়তুল মাকদিসের দিকে মুখ করে নামাজ পড়তেন। পরবর্তীতে আল্লাহর আদেশে কিবলা পরিবর্তন করে আল্লাহর সবশ্রেষ্ঠ ঘর কাবার দিকে ফেরানো হয়।

১৬.

১৭. ঈসা আলাইহিস সালাম দাজ্জালকে ফিলি স্তিন শহরেই শহরের বাবে লুদের কাছে হ ত্যা করবেন।

১৮. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘বায়তুল মাকদিস হলো হাশরের ময়দান। পুনরুত্থানের জায়গা। তোমরা তাতে গিয়ে সালাত আদায় করো। কেননা, তাতে এক ওয়াক্ত সালাত আদায় করা অন্যান্য মসজিদে এক হাজার সালাত আদায়ের সওয়ার পাওয়া যায়।’

১৯. দুনিয়াতে নির্মিত দ্বিতীয় মসজিদ পবিত্র শহর ফিলিস্তিনে অবস্থিত। মসজিদটি হলো মসজিদুল আকসা। বলা হয়ে থাকে আদম আলাইহিস সালামই মসজদটি নির্মাণ করেছেন। আবু জর গিফারি রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু একদিন নবীজিকে বলেন, হে আল্লাহর রাসুল! দুনিয়াতে প্রথম কোন মসজিদটি নির্মিত হয়েছে? তিনি বলেন, মসজিদুল হারাম। তিনি পুনরায় জিজ্ঞেস করেন, তারপর কোনটি? প্রতিউত্তরে তিনি বললেন, তারপর হলো মসজিদুল আকসা। এরপর তিনি জানতে চাইলেন যে, উভয়ের মধ্যে ব্যবধান কত বছরের? তিনি বললেন চল্লিশ বছরের ব্যবধান। [সহিহ বুখারি]

২০. বুখারী শরিফে আছে পৃথিবীতে মাত্র তিনটি মসজিদ ব্যতীত অন্য সকল মসজিদে ইবাদতের উদ্দেশ্য ভ্রমণ করা নিষিদ্ধ। এক.মসজিদুল হারাম। দুই. মসজিদে নববী তিন.মসজিদুল আকসা।

২১. সুরা বনি ইসরাইলে আল্লাহ তাআলা মসজিদুল আকসার পরিবেশকে বরকতময় বলেছেন।

২২. সুরা আম্বিয়ায় আল্লাহ তায়ালা এই ভূখন্ডের ব্যাপারে বলেন, ‘আর আমি তাকে ও লুতকে উদ্ধার করে নিয়ে গেলাম সেই ভূখণ্ডে, যেখানে আমি কল্যাণ রেখেছি বিশ্ববাসীর জন্য।’

২৩. সুরা আরাফে আল্লাহ তাআলা ফিলি স্তিনকে কল্যাণপ্রাপ্ত রাজ্য বলেছেন।

২৪. সূরা আম্বিয়ার আরেকটি আয়াতেও সুলাইমানের আলাইহিস সালামের ঘটনায় আল্লাহ তাআলা ফিলি স্তিনে কল্যাণ রেখেছেন বলে ঘোষণা দেন।

২৫. ফিলি স্তিনের এই ইতিহাস হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হেডলাইন। ফিলি স্তিনের আছে আরও অসংখ্য বিস্তারিত ইতিহাস, সাহাবাদের আমলের, তাবেয়ীদের আমলের, সালাফদের আমলের ইতিহাস, সালাহউদ্দীন আইয়ুবীর ইতিহাস। এই ভূমির কল্যাণের ব্যাপারে আছে হাদিসও। এখানকার মানুষের ব্যাপারেও আছে হাদিস। এতসব কিছু ছাড়া ফিলি স্তিনের যে অধ্যায়টি আমাদের হৃদয়ের সাথে সংযুক্ত, সেটা হলো ফিলি স্তিন হচ্ছে— শ হী দদের ভূমি। এখানে নিয়মিত সেই অমূল্য নেয়ামত লাভে ধন্য হচ্ছে মানুষ, যে নেয়ামত পেলে জীন্দেগী অতিবাহিত করা স্বার্থক। সেই নেয়ামতের কল্যাণে যারা সেখানে বাস করে তারা মুহূর্তেই পৌঁছে যায় জান্নাতের দোরগোড়ায়। ফিলি স্তিন ও ফিলি স্তিনের মানুষকে ভালো না বেসে কি পারা যায়!

সবগুলো কারণেই আমরা ফিলি স্তিনকে ভালোবাসি। তবে বিশেষভাবে ফিলি স্তিনকে ভালোবাসার যদি একটা কারণ জিজ্ঞেস করা হয়— কোন বিশেষ কারণটির কথা বলবেন?

06/03/2025

কেয়ামত স‌ন্নিক‌টে

কালোজাদু করার উদ্দেশ্যে বানানো হয়েছিল হাঁটু গেড়ে বসে থাকা এই নারীর পুতুল। তার গায়ে সর্বমোট ১৩টি পিন গেঁথে আছে জাদু প্রয়ো...
06/03/2025

কালোজাদু করার উদ্দেশ্যে বানানো হয়েছিল হাঁটু গেড়ে বসে থাকা এই নারীর পুতুল। তার গায়ে সর্বমোট ১৩টি পিন গেঁথে আছে জাদু প্রয়োগের জন্য। কাছেই পাওয়া গিয়েছে একটি তামার ফলক, যেখানে এই নারীকে প্রেমে ফেলার জন্য জাদুমন্ত্র লেখা ছিল। কালোজাদুর ইতিহাস অ‌নেক প্রাচীন।

Address

Royal More
Khulna
9100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Discover The World. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Discover The World.:

Share

Category