Spectacular Bangladesh

Spectacular Bangladesh It's all about Bangladesh Travels & Tours Information and Travel Guide for travelers & Tourist who want to Discover Bangladesh. Happiness needs no reason here.

This is what you will feel when you’ll come to this land. Here everyone has a story – story to celebrate the life, story to survive, story to come to the help of others, story to become and hospitable and smiling – which might be your life-time experience. Life is so good when you live it in Bangladesh. The people and the nature will help you to get the most out of it. Happiness, for us, needs no

reason. We are always happy with knowing who we are whether our capability is satisfactory to us or not. We know how to celebrate the life we are give. We know how to get the most out of our life. There are many kinds of lifestyle of the people can be seen in Bangladesh — urban, rural and Tribal. Amidst the concrete jungle, the urban life follows a different direction than the rural life. The rural life has a much more strong relation with the nature. And, far from the maddening crowd, there are many tribal lifestyles can be noticed which are unique and vibrant in their own characteristics.

স্বরুপকাটি একদম হঠাত করেই কথাবার্তা ছাড়াই বলতে গেলে বাংলাদেশের ভ্রমন পিপাসুদের কাছে খুব আগ্রহের কেন্দ্রে চলে গেছে। আর শর...
01/09/2015

স্বরুপকাটি একদম হঠাত করেই কথাবার্তা ছাড়াই বলতে গেলে বাংলাদেশের ভ্রমন পিপাসুদের কাছে খুব আগ্রহের কেন্দ্রে চলে গেছে। আর শর্ট টাইম বাজেটের মাঝে ঘুরার জন্য বেস্ট একটা প্লেস এইটা । কিন্তু মোসুম বেশি দিনের না , খালি বর্ষা কাল যতদিন থাকে ততদিন , এর পর আর পেয়ারাও হয় না , ভাওসমান জলজ বাজার ও নাকি তেমন জমে না । স্বরুপকাটিকে DSLR এর বাইরে , নরমাল ক্যামেরায় দেখতে ঠিক এমনি লাগে। কিছুদিন আগে আমি গেছিলাম এইখানে , সব ছবি দেওয়া আছে ।
বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর অনেক মানুশ হাজার হাজার ডলার খরচ করে থাইল্যান্ড সহ অন্যান্য অনেক দেশেই যায়, বা ভাসমান জলজ বাজার গুলা দেখতে , আবার অনেকেই ভারতের কেরালাই যায় বা সোজা বাংলাই বলতে গেলে খালে-বিলে ঘুরে বেড়ানোর জন্য । অথচ এই নিজের দেশেই, বাংলাদেশের ভেতরেই একই সাথে Floating Market আর Backwater Travel করার মতো জায়গা যে আছে , তা অনেকেই আসলে জানে না। আর এই ভ্রমনের জন্য যেতে হবে জলের দেশ স্বরুপকাটিতে । বরিশালের স্বরুপকাটির ভিমরুলি বাজার হচ্ছে ঐ এলাকার সবচেয়ে বড় ভাসমান পেয়ারার বাজার , আর কে না জানে যে বরিশালের পেয়ারা খুবই বিখ্যাত !!!!!! আর স্বরুপকাটির আটঘর-কুড়িয়ানা থেকেই বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি পেয়ারা সাপ্লাই হয় । তাই খুব ভোরে যদি এই এলাকাটা ঘুরার ভাগ্য কারো জুটে , তাহলে সে একই সাথে অসংখ্য Floating Market দেখার সুযোগ পাবে আর খালে-বিলে ঘুরতে ঘুরতে Backwater Travel বাংলাদেশি ভার্সনটাও কভার হয়ে যাবে তার । আর একই সাথে আরেকটু সময় নিয়ে যদি বরিশাল সদর আর চাঁদপুরে নেমে পদ্মার ইলিশ দিয়ে জেলে পাড়াতে ভাত খেয়ে আসতে পারে, তাইলে তো কথায় নাই । তার উপর লঞ্চ জারনিতে যদি পূর্ণিমার চাঁদ থাকে , ব্যাস আর কি লাগে এই এক জীবনে। আর আমার এই অ্যালবামে আমি আমার সেই ভিমরুলি- স্বরুপকাটি - বরিশাল - চাঁদপুর এর বিভিন্ন স্মৃতি যততুকু পারলাম, দেখানোর চেস্টা করছি ।
আমরা প্রথমে সদরঘাট থেকে ঢাকা - হুলারঘাট - ভান্দারিয়া রুটের লঞ্চ ধরি রাতের সাড়ে ৭ টার দিকে , আর নামি পিরোজপুরের কোড়ি-খাড়া ঘাটে, যেইটা লোকালি ইন্দুরঘাট নামেই বেশি পরিচিত । সেখান থেকে একটা নৌকা ১৩০০ টাকায় ভাড়া করি , ভোর ৫ টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত । ঐ নৌকা করে আটঘর- কুড়িয়ানা- ভিমরুলি বাজার , পেয়ারা বাগান , সকাল বেলায় বসা আরো অনেক ভাসমান জলবাগান সহ লোকাল ২/৩ টা বাজারে আমাদের নৌকা থামিয়ে একটু ঘুরে নেয় । আর সাপের মতো একে বেঁকে যাওয়া অনেক খালে ঘুরা ঘুরি তো আছেই। এর পর দুপুর দেড়টার দিকে আবার স্বরুপকাটি ব্যাক করে বরিশালের গুটিয়া মসজিদের উদ্দেশ্যে বাস ধরি । এর পর বরিশালের গুটিয়া মসজিদ আর দুর্গা সাগর দীঘি দেখে রাওনা দেই উজিরপুরের সাতলা এলাকাই, শাপলা বাগান দেখার জন্য, কিন্তু ভেঙ্গে ভেঙ্গে বিশাল এক জার্নি করা ছাড়া তেমন আর কিছুই হই নাই আমাদের ।
সে যায় হোক, সন্ধ্যা ৭ টার দিকে আবার সাতলা থেকে বরিশালের উদ্দেশ্যে রাওনা দেয়, যখন বরিশালের লঞ্চ ঘাটে এসে পোছায় তখন বাজে রাতের ১০টা , সব লঞ্চ ততক্ষনে বরিশাল ছেড়ে দিছে । পরে ঘাটের একজন থেকে জানতে পারলাম, বরগুনা থেকে ঢাকাগামী একটা লঞ্চ রাতের ১১টায় আসে, কিন্তু সেই লঞ্চ নাকি বরিশালে দাঁড়াই না , তবে যদি কিছু টাকা পয়সা দিতে পারি , তাইলে ঐ লঞ্চকে বরিশালেও দাড়া করানো যাবে ১ মিনিটের জন্য। আমরাও উনার কথা মত ৪০০ টাকা পুলিশ+ ঘাটের ইনচার্জকে দিয়ে রাতের ১১টায় ঐ বরগুনা থেকে বরিশালগামী লঞ্চকে দাড়া করাই এবং ঢাকার দিকে রাওনা হয় । ঐ লঞ্চ ভোর আট টার দিকে চাঁদপুর এসে পোঁছায়, আর ততক্ষনে লঞ্চ যাত্রার উপর বিরক্ত হয়ে আমরা ঢাকা না নেমে চাদপুরেই নেমে যায়, আর চাঁদপুরে ইলিশ মাছ দিয়ে ভাত খেয়ে কিছু ঘুরাঘুরি করে আবার ঢাকার উদ্দেশ্যে লঞ্চ এ চড়ে বসি ।
ঢাকা এর TSC থেকে যাত্রা শুরু করে স্বরুপকাটি - বরিশাল - চাঁদপুর হয়ে আবার TSC এসে পোঁছানোর পরে হিসাব কষে দেখলাম , আমাদের ৮ জনের গ্রুপে জনপ্রতি মাত্র ১৭৭০ টাকা করে খরচ পরে পুরা ট্যুর এ। আর বিনিময়ে যে অভিজ্ঞতা পায়, তা অসাধারন । আর এই অভিজ্ঞতা কাউকে বলে বুজানো যাবে না , একমাত্র যদি না সে নিজের থেকে সেখানে ঘুরতে যায় ।
লেখক এবং চিত্র সংগ্রাহকঃ বিজিতা রায়

তেঁতুলিয়া ডাকবাংলোতেঁতুলিয়া ডাকবাংলো কিন্তু বহু আগের, প্রায় তিনশ’ বছরের পুরোন। এর অবস্থানটা আকর্ষণীয়: ঐ যে দেখা যাচ্ছে ভ...
31/08/2015

তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো
তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো কিন্তু বহু আগের, প্রায় তিনশ’ বছরের পুরোন। এর অবস্থানটা আকর্ষণীয়: ঐ যে দেখা যাচ্ছে ভারত-সীমান্ত, মাঝখানে ভারতের কাঞ্চনজঙ্ঘা থেকে নেমে আসা মহানন্দা নদী, আর এই টিলায় ডাকবাংলোটা। এই সমতল এলাকায় টিলা পাওয়াও দুষ্কর, তবু ডাকবাংলোটা একটা টিলায়। ডাকবাংলোর একদিকে নদী, আরেক দিকে বাংলাবান্ধা-তেঁতুলিয়া প্রধান সড়ক। আর অন্য পাশে পিকনিক কর্ণার, তাও ১৯৮৬’র সময়কার। অপূর্ব এই ডাকবাংলো দেখেই মনটা জুড়িয়ে যায় ।
কেয়ারটেকারের মাধ্যমে জানা, ভিআইপি রুমটা ঐতিহাসিক, কারণ এই রুমে বাংলাদেশের সব প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপ্রধানরা একরাত হলেও থেকে গেছেন ।
তিনশ’ বছরের পুরোন ডাকবাংলোর নকশায়ও সেরকম ছাপ আছে: রুমগুলো যতটা বড়, তার প্রায় দ্বিগুণ বেশি উঁচু। দুটো কক্ষেই দুটো ডাবল খাট, খাট অবশ্য মেসের মতো। ভিআইপি রুমে আছে এসি, টাইল্‌স করা বিশাল টয়লেটে আছে উষ্ণজলের গিযারও। পুরো ডাকবাংলোর নকশাটা এরকম: একটা গাড়ি বারান্দা, তার ডান দিকে গেট দিয়ে ঢুকে একটা করিডোর, করিডোর ধরে বাম দিকে প্রথম কক্ষটা হলো ডায়নিং, তারপর একটা কক্ষ, তারপর ভিআইপি কক্ষ। ডান দিকে একটা বাড়তি বাংলো-বারান্দা, সেখানে সোফা পাতা। এখানে দাঁড়ালে সামনেই মহানন্দা নদী, আর ঐ তো ভারতের চা বাগান দেখা যাচ্ছে। বাংলোর সীমানার ভিতরে আছে ফুলের বাগান। আছে বিশাল গাছ, আর বাংলাদেশের স্বাধীনতার একটি সৌধ, যাতে শামসুর রাহমানের “স্বাধীনতা তুমি” কবিতাটি মর্মরে গাঁথা।
Photo Credit - Nayan

মহানন্দা নদী পিছনে হিমালয় পর্বতমালাভারত ও বাংলাদেশের একটি নদী। এর উৎপত্তিস্থল হিমালয় পর্বতের ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের...
30/08/2015

মহানন্দা নদী পিছনে হিমালয় পর্বতমালা
ভারত ও বাংলাদেশের একটি নদী। এর উৎপত্তিস্থল হিমালয় পর্বতের ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং জেলার অংশে। এখান থেকে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাংশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে এটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বাংলাবান্ধার বিপরীতে ভারতের ফুলবাড়ী দিয়ে মহানন্দা নদী প্রবেশ করেছে বাংলাদেশে । এর পর আবার পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলায় প্রবেশ করে, ও পরে আবার বাংলাদেশের চাপাই নবাবগঞ্জ জেলা শহরের কাছে প্রবেশ করে পদ্মা নদীর সাথে মিলিত হয়। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মহানন্দা নদীর অংশটির দৈর্ঘ্য ৩৬ কিমি।
এ নদীর পাথর সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করছে হাজারো মানুষ। হাতে লম্বা লোহার রড মোটরের ফুলানো টিউব ঢাকি এবং পাথর চালনি নিয়ে মহানন্দার ঠান্ডা পানিতে পুরো শরীর ডুবিয়ে সংগ্রহ করছে নুড়ি পাথর । ভৌগোলিক ও আবহাওয়া জনিত কারনে এলাকার জমি গুলো বালিয়ারী হওয়ায় কৃষি বিপর্যয় এবং কর্মসংস্থানের পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় যুগ যুগ ধরে পাথর সংগ্রহ করেই দিনাতিপাত করে আসছে এখানকার মানুষ। তেঁতুলিয়া থানা সদর থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার মহানন্দা পাড়ের ১০ টি গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার পরিবারের মুল উপার্জন পাথর সংগ্রহ। সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত মহানন্দার বুক থেকে পাথর সংগ্রহ করেই বেঁচে আছে এসব মানুষ যুগ যুগ ধরে।
Photo Credit - Akram Hossain Ratan

মহানন্দা নদীভারত ও বাংলাদেশের একটি নদী। এর উৎপত্তিস্থল হিমালয় পর্বতের ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং জেলার অংশে। এ...
29/08/2015

মহানন্দা নদী
ভারত ও বাংলাদেশের একটি নদী। এর উৎপত্তিস্থল হিমালয় পর্বতের ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দার্জিলিং জেলার অংশে। এখান থেকে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরাংশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে এটি বাংলাদেশে প্রবেশ করে। বাংলাবান্ধার বিপরীতে ভারতের ফুলবাড়ী দিয়ে মহানন্দা নদী প্রবেশ করেছে বাংলাদেশে । এর পর আবার পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলায় প্রবেশ করে, ও পরে আবার বাংলাদেশের চাপাই নবাবগঞ্জ জেলা শহরের কাছে প্রবেশ করে পদ্মা নদীর সাথে মিলিত হয়। বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত মহানন্দা নদীর অংশটির দৈর্ঘ্য ৩৬ কিমি।
এ নদীর পাথর সংগ্রহ করে জীবিকা নির্বাহ করছে হাজারো মানুষ। হাতে লম্বা লোহার রড মোটরের ফুলানো টিউব ঢাকি এবং পাথর চালনি নিয়ে মহানন্দার ঠান্ডা পানিতে পুরো শরীর ডুবিয়ে সংগ্রহ করছে নুড়ি পাথর । ভৌগোলিক ও আবহাওয়া জনিত কারনে এলাকার জমি গুলো বালিয়ারী হওয়ায় কৃষি বিপর্যয় এবং কর্মসংস্থানের পর্যাপ্ত সুযোগ না থাকায় যুগ যুগ ধরে পাথর সংগ্রহ করেই দিনাতিপাত করে আসছে এখানকার মানুষ। তেঁতুলিয়া থানা সদর থেকে বাংলাবান্ধা পর্যন্ত ২০ কিলোমিটার মহানন্দা পাড়ের ১০ টি গ্রামের প্রায় ১৫ হাজার পরিবারের মুল উপার্জন পাথর সংগ্রহ। সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত মহানন্দার বুক থেকে পাথর সংগ্রহ করেই বেঁচে আছে এসব মানুষ যুগ যুগ ধরে।
From: Tatulia Dakbanglo
Photography BY/Photo Credit - Nafiul Hasan Nasim

গ্রাম বাংলাছয় ঋতুর দেশ আমদের বাংলাদেশ। গ্রীষ্মের পর বর্ষা এর পর শরত এর পরেই আগমন হয় হেমন্তের। শীতের সংকেত তখন থেকেই আসা ...
28/08/2015

গ্রাম বাংলা
ছয় ঋতুর দেশ আমদের বাংলাদেশ। গ্রীষ্মের পর বর্ষা এর পর শরত এর পরেই আগমন হয় হেমন্তের। শীতের সংকেত তখন থেকেই আসা শুরু করে। হেমন্তের প্রায় প্রতিটি সকালেই কুয়াশার দেখা মিলে। এমন কুয়াসা ডাকা হেমন্তের সকালেই হাসি মুখে কৃষক তার মাঠে যায়। দেখে আসে মাঠ হতে ফসল তুলতে আর কত বাকী। বাকিরাও যে যার মতো নিজেদের কাজে লেগে পরে ।শীতকালেই বাংলার সৌন্দর্য প্রকাশ পায় ।
Photo Credit - Nazmul Hossain Nisad

”যে জীবন বাঁধা পাথরের সঙ্গে”পঞ্চগড়।মহানন্দার বুক থেকে জীবন বাজি রেখে মানুষ পাথর তুলে আসছে যুগ যুগ ধরে। তাঁদেরই একজন, এক ...
27/08/2015

”যে জীবন বাঁধা পাথরের সঙ্গে”
পঞ্চগড়।
মহানন্দার বুক থেকে জীবন বাজি রেখে মানুষ পাথর তুলে আসছে যুগ যুগ ধরে। তাঁদেরই একজন, এক পাথর শ্রমিক-কে দেখছেন ছবিতে। টানা দেড় ঘন্টা এই ছেলেটি পানির নীচে ডুব দেয় আবার উঠে আসে। বালি আলাদা করে। তারপর পানির গভীর থেকে তুলে আনে পাথর। অন্যরা পাথর ঘাড়ে করে নদীর পাড়ে জমা করে। মারাত্মক কায়িক পরিশ্রম।
অথচ, এই মানুষগুলোর ভাগ্য আটকে আছে সুযোগ সন্ধানীদের হাতে, মধ্যস্বত্ত্বভোগীর মুঠোয়। বিস্তারিত প্রতিবেদন দেখুন আজ (৬ ডিসেম্বর, ২০১৪) হৃদয়ে মাটি ও মানুষ অনুষ্ঠানে রাত ৯:৫০ মিনিটে চ্যানেল আই-তে।
Photo Credit - Nibir Ahmed

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর১৯৯৭ সালে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বাংলাদেশ-নেপাল ট্রানজিট পয়েন্ট, যা উত্তরাঞ্চলের ...
26/08/2015

বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর
১৯৯৭ সালে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বাংলাদেশ-নেপাল ট্রানজিট পয়েন্ট, যা উত্তরাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্যের সম্ভাবনার বিশাল দ্বার উম্মুক্ত করছে। চালুর পর থেকে কিছু দিন বাংলাদেশ ও নেপাল মালামাল ও পণ্য আমদানি-রফতানি সফলভাবে সম্পন্ন করলেও পরে ভারত সরকার শর্তজুড়ে দেয় তার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোয় যাওয়ার ট্রানজিট সুবিধা না দিলে এ করিডোর ব্যবহার করতে দেবে না। এরই মধ্যে কয়েক কোটি টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে স্থলবন্দরের জন্য পুলিশ ব্যারাক, ১ হাজার টন ক্ষমতসম্পন্ন ওয়্যারহাউস, ব্যাংক, ইমিগ্রেশন হাউস, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ, ট্রাক টার্মিনাল ইত্যাদি অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু কিছু রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের কারণে এখনও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের পূর্ণতা পায়নি। তবে এশিয়ান হাইওয়ের নতুন প্রস্তাবে বাংলাবান্ধা রুট ব্যবহারের কথা উল্লেখ থাকায় অসীম সম্ভারের দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। আমরা আশাবাদী বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরটি চালু হলে অত্র উত্তরাঞ্চলে ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যাপক প্রসার ঘটবে এবং সবমিলে পাল্টে যাবে তেঁতুলিয়া তথা পঞ্চগড়ের দৃশ্যপট।
Photo Credit - Nirjhor Nandonik

বর্ষায় স্বরূপকাঠীপ্রস্তুত্তিঃ ১ টি ব্যাগ নিন। ভেজানোর জন্য কিছু জামা-কাপড়, রেইনকোট, ছাতা, তোয়ালে, গেঞ্জি, থ্রী কোয়ার্টার...
26/08/2015

বর্ষায় স্বরূপকাঠী

প্রস্তুত্তিঃ ১ টি ব্যাগ নিন। ভেজানোর জন্য কিছু জামা-কাপড়, রেইনকোট, ছাতা, তোয়ালে, গেঞ্জি, থ্রী কোয়ার্টার প্যান্ট যা ইচ্ছা নিন। লুংগি নিন (বদলানর জন্য)। সাতার না জানলে লাইফ জ্যাকেট।

বেড়িয়ে পড়াঃ
১ম দিনঃ ঢাকার যেখানেই থাকেন সোজা সদরঘাট চলে যান সন্ধ্যা ৬ টার মধ্যে। ৫ নম্বর প্লাটুন থেকে ঢাকা-হুলারহাট - ভান্ডারিয়া রুটের যেকোন লঞ্চে উঠে পড়ুন। বিলাসবহুল কিছু লঞ্চের নাম- রাজদূত ৭, অগ্রদূত প্লাস, রণদূত প্লাস। ভাড়াঃ- ডেকঃ ২৫০-৩০০ টাকা। কেবিনঃ- ৯০০ টাকা (সিঙ্গেল), ১৮০০ টাকা (ডাবল)। সিংগেল কেবিন ১ জনের জন্য হলেও ডেকের সমতূল্য ভাড়া দিয়ে যে কয়জন ইচ্ছা যেতে পারেন। ডাবল কেবিনের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। রাতের খাবার ইচ্ছা করলে লঞ্চে খেতে পারেন। খরচ হবে জন প্রতি ১২০-১৫০ টাকা। লঞ্চ ছাড়লে পড়ে লঞ্চের ছাদে চলে যান। রাতে নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করুন। ( বেশী কিনারায় যাবেন না। )।
এবার কেবিনে ফিরে আসুন। কেবিন বয়কে বললে খাবার দিয়ে যাব। আর কেবিন বয়কে বলে রাখবেন ইন্দুরহাট নামিয়ে দিতে। এরপর রাত যেভাবে ইচ্ছা কাটিয়ে দিন। শান্তিতে ঘুম দিতে পারেন। আড্ডা দিতে পারেন।
( লঞ্চের ছবি দেখে ভয় পাবেন না। এটা ঈদের সময় বাড়ি ফেড়া মানুষের ঢল :P )

২য় দিনঃ ভোর ৬ টার দিকে আপনাকে ইন্দুরহাট লঞ্চ টার্মিনালে নামিয়ে দিবে। এবার একটা রিক্সা নিন। (হেটেও যেতে পারেন।) রিক্সাওয়ালাকে বলবেন বাজারে তরুনের দোকানে নিয়ে যেতে। তরুনের দোকানে নাস্তা করুন। মিষ্টি অবশ্যই খাবেন ঐ দোকানের। না হলে অনেক কিছু মিস করবেন। ৪০-৫০ টাকা লাগবে। (আমার বাসা ওখানেই। বাড়িতে থাকলে আমাকেও জানাতে পারেন। বিল দিতে না চাইলে :P :P :P )
(কলেজ দিঘী)
খাওয়া শেষে কাউকে জিজ্ঞেস করুন মিয়ারহাট লঞ্চ টার্মিনাল কোথায়। টার্মিনালে গিয়ে সারাদিনের জন্য বোট ভাড়া করুন। টাকা বেশী চাইবে। দরাদরি করলে ৫০০-৭০০ টাকার মধ্যে সকাল থেকে দুপুরের জন্য পেয়ে যাবেন। তবে বেশী দরাদরি না করাই ভালো। তাহলে মাঝি আপনাকে সব যায়গা ঘুরিয়ে দেখাতে নাও পারে। মাঝিকে বলুন কুড়িয়ানা ঘুরিয়ে দেখাতে।
(ভাসমান গোলপাতার বাজার)
(ভাসমান কাঠের বাজার)
যাওয়ার পথে দেখতে পাবেন ছবির মত স্বরূপকাঠীর মানুষের প্রধান ব্যাবসা গোলপাতা আর ভাসমান কাঠের হাট। মাঝি আপনাকে সব যায়গায় ঘুরিয়েও দেখাবে। বাগান মালিকের অনুমতি নিয়ে বাগানে ঢুকে ঘুরতে পারেন। (ভুলেও অনুমতি না নিয়ে ঢুকবেন না। ঝামেলা করবে তাহলে অনেক) । ভাসমান পেয়ারা বাজার থেকে ইচ্ছে করলে পেয়ারা কিনতে পারেন।
(পেয়ারা বাগান)

দাম নিবে প্রতি কেজি ৮- ১০ টাকা। দুপুরের মধ্যে ফিরে আসেন।
স্বরুপকাঠী/ইন্দুরহাট বাজারে দুপুরের খাবার খান। খরচ হবে ১০০ টাকার মত। এবার খেয়ে কাউকে জিজ্ঞেস করলে কলেজ দিঘী দেখিয়ে দিবে। সেখানে কিছুক্ষন বিশ্রাম নিয়ে চলে যান সন্ধ্যা নদীর পাড়ে (যদি অই দিন ফেরার ইচ্ছা না থাকে)। নদীর পাড়ে সূর্যাস্ত উপভোগ করুন। রাতেও থাকতে পারেন কিছু সময়। নদী পার হয়ে ওপারে গিয়ে ঘুরে আসতে পারেন ছারছীনা দরবার শরীফ।

তবে বেশী রাত বাইরে না থাকতেই পরামর্শ দেব। রাতের খাবার দুপুরের হোটেলে খেয়ে আবার মিয়ারহাট বাজারে চলে আসুন। হোটেল ইফতি তে উঠে পড়ুন। থাকার অভিজ্ঞতা নাই তাই ভাড়া বলতে পারছি না। তবে ৩০০ টাকার মধ্যে পেয়ে যাবেন।
আর ঐ দিন ফিরে আসার প্লান থাকলে বিকাল সাড়ে চারটার ( ৪.৩০) মধ্যে ইন্দুরহাট লঞ্চঘাট চলে যান। ৫-৫.৩০ এর মধ্যে লঞ্চ ছেড়ে যায়।

৩য় দিনঃ সকাল সকাল উঠে পড়ুন। হোটেল ছেড়ে দিয়ে চলে যান খেয়াঘাট। ( কাউকে বললেই দেখিয়ে দেবে )। নদী পার হয়ে রিক্সা নিয়ে/ হেটে যেতে পারেন স্বরুপকাঠী বাস স্টান্ড। বাসে উঠে পড়ুন। কামারকাঠী জমিদার বাড়ি ঘুরে আসুন। সময় লাগবে ২ ঘন্টা।
২ ঘন্টার মধ্যে ফিরে এসে গুঠিয়ার টিকিট কেটে বরিশালগামী বাসে উঠে পড়ুন। (অবশ্যই ১১-১২ টার মধ্যে) ভাড়াঃ ৩০ টাকা। কন্ট্রাকটাররে বললে গুঠিয়া মসজিদ নামিয়ে দেবে। সেখানে নেমে মসজিদ কমপ্লেক্স ঘুরে দেখেন।

(গুঠিয়া মসজিদ কমপ্লেক্স)
সন্দেশ না খেলে পস্তাবেন। বাসার জন্য কিনেও নিতে পারেন। ২-১ ঘন্টা সেখানে ঘুরে ১০ টাকা অটো ভাড়া দিয়ে চলে যান দূর্গা সাগর। ১০ টাকা টিকিট কেটে ভিতরে ঢুকে পড়ুন। বিকাল ৫ -৬ টা পর্যন্ত ঘুরে দেখুন। এরপর ওখান থেকে বাসে করে চলে যান বরিশাল। বরিশাল বাসস্টান্ড থেকে রিক্সা/অটোতে করে চলে যান মুক্তিযোদ্ধা পার্ক। কিছুক্ষণ ঘুরে চলে আসুন বরিশাল লঞ্চ টার্মিনাল। কীর্তনখোলা, সুন্দরবন – ৭ টাইপ বড় কোন লঞ্চে উঠে পড়ুন। ভাড়াঃ ডেক- ২০০ কেবিন- ৮০০(সিংগেল), ১৬০০(ডাবল)। পরদিন সকালে ঢাকা।

না পড়লেও চলবেঃ
আমার ঘোরাঘুরির ইচ্ছা খুব বেশী। স্বরূপকাঠী আমার গ্রাম। এখানে অনেক কিছু দেখার মত আছে। কিন্তু কখনো এটাকে এত সুন্দর করে দেখিনি। কিছুদিন ধরে বিভিন্ন ট্রাভেল গ্রুপে স্বরূপকাঠীকে নিয়ে যেভাবে পোষ্ট দেখছি সেটা আসলেই গর্ব করার মত। আজ আমার সত্যিই গর্ব হচ্ছে। অনেকে দেখলাম আসতেও চাচ্ছে। অনেকে এসে বিভিন্ন সমস্যায়ও পড়েছে। যারা আমার গ্রামটাকে এততা ভালবেসে আসতে চাচ্ছে তাদের সমস্যার কথা না দেখলে আল্লাহও হয়ত আমাকে ক্ষমা করবেন না। তাই ভবিষ্যতে যারা আসতে চাচ্ছে তাদের সুবিধার কথা ভেবে লিখলাম। আমার জানা মতে কোন ভুল তথ্য আমি দেই নাই। লেখালেখির অভ্যাস আমার অতটা নাই। তাই গুছিয়েও লিখতে পারি নাই অতটা। গিয়ে কোন সমস্যায় পড়লে আমাকে জানাতে পারেন। যেকোন ভুল ত্রুটি ছোট ভাইয়ের মত ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

লেখক এবং চিত্র সংগ্রাহকঃ http://www.facebook.com/safi.7356

খাগড়াছড়ি জেলার মাইসছড়ি এলাকার নুনছড়ি মৌজায় অবস্থিত সমুদ্র সমতল হতে প্রায় ৭০০ ফুট উপরে ৫ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত হ্রদটিই ...
26/08/2015

খাগড়াছড়ি জেলার মাইসছড়ি এলাকার নুনছড়ি মৌজায় অবস্থিত সমুদ্র সমতল হতে প্রায় ৭০০ ফুট উপরে ৫ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত হ্রদটিই আসলে দেবতার পুকুর নামে পরিচিত। কথিত আছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের জল তৃঞ্চা নিবারণের জন্য স্বয়ং জল-দেবতা এ পুকুর খনন করেন। পুকুরের পানিকে স্থানীয় লোকজন দেবতার আশীর্বাদ বলে মনে করে। দেবতার অলৌকিকতায় পুকুরটি সৃষ্ট বলে এতো উঁচুতে অবস্থানের পরও পুকুরের জল কখনও শুকোয় না।
খাগড়াছড়ি জেলা সদর থেকে মাত্র ০৫ কি:মি: দক্ষিণে খাগড়াছড়ি-মহালছড়ি সড়কের কোল ঘেষে অবস্থিত মাইসছড়ি এলাকার নুনছড়ি মৌজার আলুটিলা পর্বত শ্রেণী হতে সৃষ্ট ছোট্ট নদী নুনছড়ি। মূল রাস্তায় বাস থেকে নেমে কিলো দুয়েক পায়ে হাঁটা পথ। নিজস্ব পরিবহন থাকলে তা নিয়ে আপনি সোজা চলে যেতে পারেন একেবারে পাদদেশে নদীর কাছে। হাঁটতে হাঁটতে উঁচু পাহাড় যখন পাড়ি দেবেন তখন নিজেকে অনেকটা দিগ্বিজয়ীর মতো মনে হতে পারে আপনার। ক্লান্ত হলে পাহাড়ের কোলে খানিকটা জিরিয়ে নিতে পারেন। যাওয়ার পথেই দেখা যাবে নুনছড়ি নদীর ক্ষীণ স্রোতের মাঝে প্রকান্ড পাথর। স্বচ্ছ জলস্রোতে স্থির পাথর আপনাকে মোহিত করবেই। প্রকৃতির অপূর্ব সাজে মুগ্ধতায় শিহরিত হবে আপনার মন। ছবি প্রেমিক পর্যটকরা এখানে ছবি তোলেন অনেকেই। সমুদ্র সমতল হতে ৭০০ ফুট উচ্চতায় পাহাড়ের চূড়ায় দেবতার পুকুর রূপকথার দেবতার আশীর্বাদের মতো সলিল বারির স্রোতহীন সঞ্চার। বাংলাদেশের আর কোথাও এত উঁচুতে এমন সলিল সঞ্চিত বারির আধার আর নেই।
পুকুরের চতুর্দিকে মালভুমি দ্বারা বেষ্টিত বলে পাড়ে দাঁড়িয়ে এর সঠিক উচ্চতা অনুভব করা যায় না। পাঁচ একর আয়তনের এ পুকুরটির স্বচ্ছ জলরাশির মনভোলা প্রশান্তি মুহূর্তের মাঝে পর্যটকদের হৃদয় মন উদাস করে দেয়।
পুকুরের চতুর্দিকে ঘন বন, যেন সৌন্দর্যের দেবতা বর নিয়ে দাঁড়িয়ে। প্রতি বছর চৈত্র সংক্রান্তিতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের হাজার হাজার নরনারী পূণ্য লাভের আশায় পুকুর পরিদর্শনে আসে। কিংবদন্তীর দেবতার পুকুরটি ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর কাছে পূজনীয়, খাগড়াছড়িবাসীর কাছে গৌরব এবং পর্যটকদের কাছে অন্যতম আকর্ষনীয় প্রতীক।

সাজেকের কিছু ফটো কালেকশন। ছবি যেন শুধু ছবি নই।>বাংলার রূপ দেখে কবিগুরু বলেছিলেন- ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, ব...
26/08/2015

সাজেকের কিছু ফটো কালেকশন। ছবি যেন শুধু ছবি নই।

>

বাংলার রূপ দেখে কবিগুরু বলেছিলেন- ‘বাংলার মাটি, বাংলার জল, বাংলার বায়ু, বাংলার ফল, পুন্য হউক, পুন্য হউক, পুন্য হউক হে ভগবান!’

সাজেক'র রূপ দেখে আমি বলি- ‘পাহাড়ের মাটি, পাহাড়ের জল, পাহাড়ের বায়ু, পাহাড়ের ফল, গণ্য হউক, পুন্য হউক, ধন্য হউক হে সু-মহান!’

সূর্য পাটে যেতে বসেছে সেদিকে খেয়াল নাই । মাছ ধরার আনন্দ টাই এমনি । দল বেধে মাছ ধরার মজা তারাই বুঝবেন যাদের এই অভিজ্ঞতা আ...
25/08/2015

সূর্য পাটে যেতে বসেছে সেদিকে খেয়াল নাই । মাছ ধরার আনন্দ টাই এমনি । দল বেধে মাছ ধরার মজা তারাই বুঝবেন যাদের এই অভিজ্ঞতা আছে । এমন করে প্রতি বছর এই সময়ে মাছ ধরার উৎসব লেগে যায় টাঙ্গন ব্যারাজে ।
টাঙ্গন ব্যারাজে পঞ্চগড়
Photo Credit - Firoz Al Sabah

বাংলাদেশে চা শিল্প সবচেয়ে বড় শিল্পের মধ্যে একটি । বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়, নানা বিধি সুবিধার কারনে, পঞ্চগড়...
25/08/2015

বাংলাদেশে চা শিল্প সবচেয়ে বড় শিল্পের মধ্যে একটি । বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়, নানা বিধি সুবিধার কারনে, পঞ্চগড়ের উদ্দেক্তারা এবং বিভিন্ন জেলা থেকে উদ্দেক্তারা তাদের ব্যবসায় সম্প্রসারণ করায় , পঞ্চগড় এখন দেশের মধ্য, উন্নত জেলা গুলোর মধ্যে গণনা করা হয়ে থাকে। এই চা শিল্পের সাথে যারা সরাসরি ভাবে জরিত তারা চা শ্রমিক । পারিবারিক, সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত এই সব মানুষ গুলো তবুও খুশি । এক সময়ে কাজের অভাবে এই মানুষ গুলোকে অনেক কষ্টে তাদের জীবন অতিবাহিত করতো হতো । সব মিলিয়ে দিন দিন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রও বেরে চলছে । অদূর ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম বা সিলেট জেলার মতোই আমাদের পঞ্চগড়ও সমৃদ্ধশালী হয়ে উঠবে ।
ছবিটি তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড় থেকে তোলা
Photo Credit - Nazmul Hossain Nisad

Address

Khulna
9100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Spectacular Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Spectacular Bangladesh:

Share