SA Dream Tour

SA Dream Tour Let's Memorable Your Visit

শেখের টেক – (৪০০ বছর পুরানো কালি মন্দির)গহিন বন, চারদিকে ঘন গাছের সারি। এরই মধ্যে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ইট-পাথরের ...
02/04/2026

শেখের টেক – (৪০০ বছর পুরানো কালি মন্দির)
গহিন বন, চারদিকে ঘন গাছের সারি। এরই মধ্যে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে ইট-পাথরের প্রাচীন এক মন্দির। সেটি ৪০০ বছরের পুরোনো বলে মনে করছেন প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। মন্দিরটি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে হাতে তৈরি ইট ও চুন এবং স্থানীয় নদীর বালু।
প্রাচীন ওই মন্দিরের অবস্থান সুন্দরবনের পশ্চিম বন বিভাগের খুলনা রেঞ্জের কালাবগী ফরেস্ট স্টেশনের আওতাধীন ১৬ নম্বর কম্পার্টমেন্টের শেখের টেক এলাকায়। শিবসা নদীর দক্ষিণ-পূর্ব পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া কালীর খাল থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দক্ষিণে সুন্দরবনের ভেতরে অবস্থিত মন্দিরটি। নদীপথে খুলনা সদর থেকে ওই স্থানের দূরত্ব প্রায় ৮৫ কিলোমিটার।

১৯১৪ সালে প্রকাশিত সতিশ চন্দ্র মিত্রের লেখা যশোহর-খুলনার ইতিহাস, প্রথম খণ্ড বইতেও ওই মন্দিরের উল্লেখ রয়েছে। ওই বইতে মন্দিরের দুটি ছবিও দেওয়া আছে। তবে ওই ছবি কত সালে তোলা তার উল্লেখ নেই। মন্দিরটির স্থাপত্য নকশা অনুযায়ী সেটিকে মোগল আমলে রাজা প্রতাপাদিত্য নির্মাণ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন সতিশ চন্দ্র মিত্র।
ওই মন্দিরের কয়েক কিলোমিটার আগে শিবসা নদীর পাড়ে আরও কিছু প্রাচীন স্থাপনার নির্দশন রয়েছে। সেগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। রয়েছে শুধু ইটের স্তূপ। ওই স্থাপনার চারপাশ ঘিরে যে মোটা ইটের দেয়াল ছিল, সেটির প্রমাণ এখনো রয়েছে। নদীভাঙনে ওই প্রাচীন স্থাপনা বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত আবুল কালাম মোহাম্মদ যাকারিয়ার লেখা বাঙলাদেশের প্রত্নসম্পদ বইতে ওই স্থাপনার কথা উল্লেখ রয়েছে। তিনি ওই স্থাপনাকে শেখের বাড়ি বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, ওই স্থাপনাটি ছিল দ্বিতল ভবন।

সম্প্রতি বন বিভাগের সহায়তায় প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর খুলনার একটি দল ওই মন্দিরটি ও আশপাশের প্রাচীন স্থাপনা পরিদর্শন করেছে। যেহেতু মন্দিরটি এখনো অক্ষত আছে, তাই সেখান থেকে নিয়ে আসা মাপের ভিত্তিতে ওই মন্দিরের একটি নকশাও তৈরি করেছেন ওই দপ্তরের কর্মকর্তারা। ওই নকশা অনুযায়ী, মন্দিরের বাইরের অংশ ৬৫৫ সেন্টিমিটার বর্গাকার। আর ভেতরের অংশ ৩২৫ সেন্টিমিটার বর্গাকার। দেয়ালের পুরত্ব ১৬৫ সেন্টিমিটার। ভেতরে উত্তর দিকে একটি ছোট কুঠরি রয়েছে। দক্ষিণ ও পশ্চিম পাশে রয়েছে ৯৭ সেন্টিমিটার চওড়া দুটি প্রবেশপথ।

মন্দিরের ছাদ চারচালা রীতিতে এক গম্বুজ দ্বারা নির্মিত। নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে পাতলা ইট। মন্দিরের বাইরের দিকে জ্যামিতিক নকশা, ফুল-লতা-পাতাসংবলিত পোড়ামাটির অলংকৃত ইট ব্যবহার করা হয়েছে।

সাবধান যারা কক্সবাজার ভ্রমণে যাবেন :-কক্সবাজার ঘুরতে যাবে অবশ্যই যে বিষয় গুলা জেনে যাবেন বর্তমান সময়ে যারা কক্সবাজারে ঘ...
13/09/2025

সাবধান যারা কক্সবাজার ভ্রমণে যাবেন :-

কক্সবাজার ঘুরতে যাবে অবশ্যই যে বিষয় গুলা জেনে যাবেন
বর্তমান সময়ে যারা কক্সবাজারে ঘুরতে যাবেন তাদের নিরাপত্তার জন্য এই সতর্কতাগুলো মাথায় রাখবেনঃ

১. বাস থেকে নামার পর নিজেদের ইচ্ছামত অটোতে উঠবেন, অবশ্যই গন্তব্যস্থল উল্লেখ করে ভাড়া ঠিক করে উঠবেন। অটো ওয়ালাদের কথামতো অটো নিলে ওরা আপনাকে উনাদের নির্ধারিত হোটেলে নিয়ে যাবে।

২. সম্ভব হলে আগেই হোটেল বুকিং দিয়ে যাবেন। তবে বুকিং দেবার আগে ভাড়া ঠিক করে নেবেন। যারা কক্সবাজার এসে হোটেল ঠিক করতে চান তারা অবশ্যই অটো চালকের কথায় কোন হোটেলে যাবেন না। নিজেরা যাচাই করে, রুম দেখে ভাড়া ঠিক করে হোটেলে উঠবেন।

৩. হোটেলে উঠার সময় অবশ্যই এনআইডি কার্ড বা জন্ম নিবন্ধন কার্ড সাথে আনবেন এবং হোটেলে কপি জমা দেবেন।

৪. বিচে নামার সময় মূল্যবান জিনিসপত্র হোটেলে রেখে আসাই উত্তম।

৫. বিচে বসে কোন ম্যাসেজ বয় কে দিয়ে ম্যাসেজ করাবেন না, ম্যাসেজ বয় দেখলে কিটকটের দায়িত্বে থাকা কর্মিকে সরিয়ে দিতে বলবেন অথবা ট্যুরিস্ট পুলিশকে জানাবেন। ( ম্যাসেজের আড়ালে তারা আপনার মোবাইল, মানিব্যাগ নিয়ে যেতে পারে), ট্যুরিস্ট পুলিশ ম্যাসেজ বয়দের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রেখেছে।

৬. কোন ভিক্ষুক, তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ বিরক্ত করলে ট্যুরিস্ট পুলিশকে অবহিত করুন।

৭. বিচ থেকে ভ্রাম্যমাণ হকার উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। শীঘ্রই ভ্রাম্যমাণ হকার মুক্ত করা হবে। আপনারা ভ্রাম্যমাণ হকার থেকে কেনাকাটা থেকে বিরত থাকুন।

৮. ফটোগ্রাফার থেকে ছবি তোলার ক্ষেত্রে আগে থেকেই দরদাম ঠিক করে নিতে হবে। সম্ভব হলে তার লাইসেন্স আছে কিনা সেটা যাচাই করে নিবেন এবং মোবাইল নাম্বার ও ফটোগ্রাফারের ছবি তুলে রাখবেন।

৯. বিচবাইক, ওয়াটার বাইকে চড়ার ক্ষেত্রে তাদের রেইট নির্ধারণ করে দেয়া আছে, যাচাই করে, দাম ঠিক করে উঠবেন।

১০. পানিতে নামার ক্ষেত্রে যেখানে লাইফ গার্ড রয়েছে তার আশেপাশে নামার চেষ্টা করবেন।

১১. কোন ধরনের হয়রানি হবার সম্ভাবনা হলে ট্যুরিস্ট পুলিশের সহায়তা নিবেন।

১২. হোটেলে খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে মূল্য তালিকা দেখে নিবেন।

১৩. স্ট্রিট ফুড খাওয়ার ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে।

১৪. কক্সবাজার বীচ এলাকা ও এর আশপাশ নিরাপদ। তবে সন্ধ্যার পর ঝাউবন ও অন্ধকারাচ্ছন্ন এলাকায় না যাওয়ায় উত্তম।

১৫. জোয়ার-ভাটার সময় দেখে নিন। ভাটার সময় পানিতে নামবেন না। লাল পতাকা দেখলে বীচে গোসল পরিহার করুন।

১৬. যে কোন আইনী সহায়তা ও হয়রানি প্রতিরোধে যোগাযোগ করুন ডিউটি অফিসার ০১৩২০১৫৯০৮৭, এএসপি ০১৩২০১৫৯২০৯,-কে।

টিম বিটিজি -১৩.০৯.২৫

07/04/2025
07/04/2025

11night to 14th package Running 🥰 any information please contact me 01710-851046

17/02/2025

1. মোট নদ-নদী- প্রায় ৭০০টি।
2. ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা নদী- ৫৫টি।
3. মায়ানমার থেকে বাংলাদেশে আসা নদী- ৩টি।
4. বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক নদী- ১টি (পদ্মা) যার ভারতীয় নাম গঙ্গা।
5. মোট আন্তঃসীমান্ত নদী- ৫৮টি।
6. বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়া নদী- ১টি (কুলিখ)।
7. বাংলাদেশে উৎপত্তি ও সমাপ্তি এমন নদী- ২টি (হালদা ও সাঙ্গু)।
8. বাংলাদেশ থেকে ভারতে গিয়ে আবার বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে- আত্রাই।
9. বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে বিভক্তকারী নদী- নাফ (৫৬ কিমি)।
10. বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদী- হাড়িয়াভাঙ্গা।
11. হাড়িয়াভাঙ্গার মোহনায় অবস্থিত- দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ (ভারতে নাম পূর্বাশা, এই দ্বীপের মালিকানা নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছে।)।
12. প্রধান নদী- পদ্মা।
13. দীর্ঘতম নদী-মেঘনা।
14. দীর্ঘতম নদ- ব্রহ্মপুত্র (একমাত্র নদ)।
15. প্রশস্ততম নদী- যমুনা।
16. সবচেয়ে খরস্রোতা নদী- কর্ণফুলী।
17. বাংলাদেশের একমাত্র আন্তর্জাতিক নদী- পদ্মা।
18. চলন বিলের মধ্য দিয় প্রবাহিত নদী- আত্রাই।
19. জোয়ার-ভাঁটা হয় না- গোমতী নদীতে
20. প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র- হালদা নদী
21. বাংলাদেশ ও মায়ানমারকে বিভক্তকারী নদী- নাফ
22. বাংলাদেশ ও ভারতকে বিভক্তকারী নদী- হাড়িয়াভাঙ্গা
23. বাংলাদেশ থেকে ভারতে গিয়ে আবার বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে- আত্রাই
24. বরাক নদী বাংলাদেশে ঢুকেছে- সুরমা হয়ে (পরে মেঘনায় গিয়ে মিশেছে)
25. যমুনার সৃষ্টি হয়- ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পে
২৬. কুমিল্লার দু:খ বলা হয়-গোমতীকে (জোয়ার-ভাটা হয় না)।

#বিভিন্ন নদীর পূর্বনাম
1. যমুনা> জোনাই নদী
1. বুড়িগঙ্গা> দোলাই নদী (দোলাই খাল)
1. ব্রহ্মপুত্র> লৌহিত্য
26. নদী সিকস্তি- নদী ভাঙনে সর্বস্বান্ত
27. নদী পয়স্তি- নদীর চরে যারা চাষাবাদ করে
28. ফারাক্কা বাঁধ- গঙ্গা নদীর উপরে (বাংলাদেশে এসে গঙ্গা ‘পদ্মা’ নাম নিয়েছে)
29. বাকল্যান্ড বাঁধ- বুড়িগঙ্গার তীরে (১৮৬৪ সালে নির্মিত)
30. টিপাইমুখ বাঁধ- বরাক নদীর উপরে (ভারতের মণিপুর রাজ্যে)
31. কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র- কর্ণফুলী নদীর উপর (১৯৬২ সালে নির্মিত)
32. চট্টগ্রাম বন্দর- কর্ণফুলী নদীর তীরে
33. মংলা (খুলনা) বন্দর- পশুর নদীর তীরে
34. মাওয়া ফেরিঘাট- পদ্মার তীরে
35. প্রধান নদীবন্দর- নারায়ণগঞ্জ
36. নদী গবেষণা ইন্সটিটউট- ফরিদপুর
37. নদী উন্নয়ন বোর্ড- ঢাকায়।

#বিভিন্ন নদীর উৎপত্তিস্থল-
1. পদ্মা> হিমালয়ের গঙ্গৌত্রি হিমবাহ
1. ব্রহ্মপুত্র> তিব্বতের মানস সরোবর
1. যমুনা> তিব্বতের মানস সরোবার
1. মেঘনা> আসামের লুসাই পাহাড়
1. কর্ণফুলী> মিজোরামের লুসাই পাহাড়।

#নদী তীরবর্তী শহর:
* ঢাকা = বুড়িগঙ্গা
* চট্টগ্রাম= কর্ণফুলী
*কুমিল্লা= গোমতী ডাকাতিয়া
*রাজশাহী= পদ্মা
* মহাস্থানগড়= করতোয়া
* বরিশাল= কীর্তনখোলা
*খুলনা= রূপসা
* টঙ্গী=তুরাগ
* চাঁদপুর= মেঘনা
* গাজীপুর= তুরাগ
*সুনামগঞ্জ= সুরমা
* মংলা= পশুর
* ভৈরব=মেঘনা
* রংপুর= তিস্তা
* টাঙ্গাইল= যমুনা
* পঞ্চগড়= করতোয়া
*. কক্সবাজার=নাফ
* নাটোর=আত্রাই
*দৌলতদিয়া= পদ্মা
*কুষ্টিয়া= গড়াই।

#দ্বীপ
1. পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ------ বাংলাদেশ
2. বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ----- সুন্দরবন
3. বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ-----ভোলা (৩৪০৩ বর্গকিমি)
4. বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ জেলা----- ভোলা, (দ্বীপের রাণী)
5. সর্ব দক্ষিণের দ্বীপ-----ছেঁড়া দ্বীপ (না থাকলে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ)
[প্রকৃতপক্ষে, ছেঁড়া দ্বীপ সেন্ট মার্টিন দ্বীপের সর্ব দক্ষিণের অংশ। তবে জোয়ারের সময় এটি সেন্ট মার্টিন দ্বীপ থেকে আলাদা হয়ে যায় ।]
6. একমাত্র সামুদ্রিক প্রবাল দ্বীপ----- সেন্ট মার্টিন দ্বীপ
7. নিঝুম দ্বীপ অবস্থিত----- মেঘনা নদীর মোহনায়
8. নিঝুম দ্বীপের পুরোনো নাম----বাউলার চর
9. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ অবস্থিত- সাতক্ষীরা জেলায় (আয়তন---- ৮ বর্গকিমি)
10. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ অবস্থিত- হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায়
11. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অপর নাম- নিউমুর বা পূর্বাশা দ্বীপ (ভারতে এ নামে পরিচিত)
12. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ নিয়ে বিরোধ----- বাংলাদেশ ও ভারতের
13. ভারতীয় নৌ-বাহিনী জোরপূর্বক দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ দখল করে নেয়------ ১৯৮১ সালে
14. একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ----- মহেশখালি
15.আদিনাথ মন্দির আছে---মহেশখালিতে
16. মনপুরা দ্বীপ অবস্থিত---ভোলা জেলায়
17. হিরণ পয়েন্ট ও টাইগার পয়েন্ট---- সুন্দরবনে অবস্থিত
18. বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত----কুতুবদিয়া
19. প্রাচীনকালে সামুদ্রিক জাহাজ তৈরির জন্য বিখ্যাত ছিল-----সন্দ্বীপ
20.বৃহত্তম দ্বীপ একমাত্র দ্বীপ জেলা--ভোলা।
22. সর্ব দক্ষিণের দ্বীপ------ছেঁড়া দ্বীপ
23. সামুদ্রিক প্রবাল দ্বীপ পূর্বনাম/ অপর নাম- নারিকেল জিঞ্জিরা------সেন্ট মার্টিন, ৮ কিমি।
24. পাহাড়ি দ্বীপ আদিনাথ মন্দির অবস্থিত-------মহেশখালি
55. বাতিঘরের জন্য বিখ্যাত----- -কুতুবদিয়া
26. মনপুরা দ্বীপ অবস্থিত-----ভোলা জেলায়।
27. সুন্দরবনে অবস্থিত-----হিরণ পয়েন্ট
28. সুন্দরবনে অবস্থিত----টাইগার পয়েন্ট
29. সূর্য উদয় ও সূর্যাস্ত একসঙ্গে দেখা যায় যে দ্বীপ থেকে------কুয়াকাটা, পটুয়াখালী, ১৮ কিমি।

#বিল
1. সর্ববৃহৎ বিল- চলনবিল
2. চলনবিল- পাবনা ও নাটোরে অবস্থিত
3. চলনবিলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত নদী- আত্রাই
4. মিঠাপানির মাছের প্রধান উৎস- চলনবিল
5. তামাবিল- সিলেটে
6. বিল ডাকাতিয়া- খুলনায়
7. আড়িয়াল বিল- শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ)

#হাওড়
1. সবচেয়ে বড় হাওড়- টাঙ্গুয়ার হাওড়
2. টাঙ্গুয়ার হাওড়- ‍সুনামগঞ্জে
3. টাঙ্গুয়ার হাওড়- World Heritage (UNESCO ঘোষিত)
4. টাঙ্গুয়ার হাওড়কে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ বলে ঘোষণা করে- ২০০০ সালে
5. হাকালুকি হাওড়- মৌলভীবাজার।

[বিল ও হাওড়ের পার্থক্য মূলত- বিলে সারা বছর পানি থাকে, কিন্তু হাওড়ে সারা বছর পানি থাকে না । শীতকালে হাওড় শুকিয়ে যায়, আবার বর্ষাকালে পানিতে ভরে যায়। বিলের পানির স্তর মাটির স্তরের নিচে থাকে, তাই বিলে সারা বছর পানি থাকে। আর হাওড়ের পানির স্তর থাকে মাটির স্তরের উপরে; মূলত আশেপাশের তুলনায় নিচু হওয়ায় বর্ষাকালে ভরা নদীর পানি হাওড়ে এসে জড়ো হয়। শীতকালে নদীর পানি কমে গেলে হাওড়-ও শুকিয়ে যায় ।]

#ঝরনা
1. শীতল পানির ঝরনা- কক্সবাজারের হিমছড়ি পাহাড়ে।
2. গরম পানির ঝরনা- সীতাকুণ্ডে।

তথ্য সংগৃহীত

Address

Royal More
Khulna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SA Dream Tour posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category