01/06/2026
ইদে পর্যাপ্ত পর্যটক নেই কুয়াকাটায়, ব্যাক্তিগতভাবে আমি এটা শুনে খুশি হয়েছি। কেন খুশি হয়েছি জানেন..?
"তাহলে বলি"
(১) এক টাকার মাল ১০০ টাকা রাখা।
(২) ক্যামেরাম্যানদের আচারন মারাত্মক খারাপ, কখনো এরা পর্যটকের গায়ে হাতও তুলে।
(৩) ছবি অল্প তোলার নাম করে আজেবাজে সব ছবি তুলে, একগাদা টাকা জোর করে হাতিয়ে নেয়।
(৪) অটোরিকশা ভাড়া তো দিগুণ নেওয়া হয়, যারা প্রথম কুয়াকাটা আসে তাদের ও এরা পুরা লুটেপুটে খায়।
(৫) বাইকারদের সিন্ডিকেট, যারা বিচের পাড়ে বা কুয়াকাটা এড়িয়ায় রাইড শেয়ার করে তারা তো রিতিমতো পর্যটকদের গলায় ছু*ড়ি দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেয়।
(৬) খাবার হোটেলের সিন্ডিকেট যেই খাবার মহিপুর/আলিপুর ১০০ টাকা,সেই একই খাবার কুয়াকাটা ৫০০টাকা।
(৭)কিলো চালানো মোটরসাইকেল তো ডাকাত ১ কিলো যাইয়া ২০ কিলোর টাকা রাখা হয়, আরো ভুজুং ভাজুং দিয়েও টাকা রাখা হয়।
বাইকের কিছু না হলেও বলে বাইক নষ্ট হয়েছে জরিমানা দেন।
একদিন তো আমি দেখলাম একটা ছেলে ১৭-১৯ এমন বয়স হবে সেই ছেলেটাকে কি সব বলে অনেকগুলো টাকা দাবি করতেছে, আর বলতেছে টাকা না দিয়ে কেমনে যাও দেখে নিবো।
এমন আরো বহু কারন আছে।
এগুলো সবগুলোই পর্যটক হয়রানি, আপনারা এগুলো বন্ধ না করতে পারলে ধীরে ধীরে পর্যটক কমতেই থাকবে।
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত আমাদের দক্ষিণ বঙ্গের অনেকটা অর্থনৈতিক যোগান দেয়, তারই সাথে এটা আমাদের জন্য একটা সম্মানের বিষয়।
যারা পর্যটক হয়রানি করে এরা সুধু দক্ষিণবঙ্গের অর্থনৈতিক ক্ষতিই করে না তার পাশাপাশি আমাদের অঞ্চলের সম্মানও নষ্ট করে।
বর্তমান কুয়াকাটার পরিস্থিতি দেখে ব্যাক্তিগতভাবে আমি কোন মানুষকেই বলব না কুয়াকাটা আসেন।
দরকার পড়লে বাসার পাশের খাল বা ছোট নদী থাকলে সেখানে গিয়ে গোসল করেন, কিন্তু কুয়াকাটা আসিয়েন নাহ।
কুয়াকাটার ট্যুরিস্ট পুলিশ ও যারা দায়িত্বশীল ব্যাক্তি আছেন তাদের অনুরোধ করবো, কুয়াকাটার সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে এসব অসাধু ব্যাবসায়ী ও সিন্ডিকেট বন্ধ করুন।
নাহলে ধীরে ধীরে কুয়াকাটা সম্পুর্ন পর্যটক হারা হয়ে পড়বে, কতাটা মিলিয়ে নিয়েন।
✒️ লেখাটি একভাই তার ফেসবুকে লিখেছেন, উনি আমার মনের কথাই লিখেছেন তাই কপি করে শেয়ার করলাম।