05/04/2025
জুলাই মাসের ৩ তারিখে আমরা যাবো বান্দরবানের এক উপজেলা যার নাম আলিকদম। সেই আলিকদমের গহীনে।
৪ দিন ৫ রাতের এই রোমাঞ্চকর ট্যুরে যেতে যারা আগ্রহী তাদেরকে এই গ্রুপে সবাই যুক্ত করবেন।
আমরা এই ভ্রমণে ঘুরে দেখব:
🟢আলীকদমের সর্বোচ্চ দুটি পাহাড় চূড়া ক্রিসতং এবং রুংরাং।
🟢 পালংক্ষিয়ং ঝর্ণা
🟢 সায়াংপ্রা ঝর্ণা
🟢 লাদ মেরাগ ঝর্ণা
🟢 থ্যানকোয়াইন ঝর্ণা
আমাদের ভ্রমণ বিস্তারিত ⏩
আমাদের এই ভ্রমণের সকল খরচ ঢাকা হতে শুরু করে আবার ঢাকা আসা পর্যন্ত হিসাব করা হবে।
⏺️ ৩ জুলাই: রাত ৯ টাই আমরা সবাই কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন হতে যাত্রা শুরু করবো। চট্টগ্রামের অভিজাত ট্রেন তুর্না এক্সপ্রেসে করে আমাদের যাত্রা শুরু হবে। সারারাত ট্রেনে ঘুম দিয়ে আমরা চলে যাবো চট্টগ্রাম।
🔘 ৪ জুলাই : সকালে ট্রেন থেকে নেমে বাসে করে আমরা চলে যাবো চকরিয়া। সকালের নাস্তা শেষ করে আমাদের গন্তব্য আলিকদম বাজার। রিসার্ভ জীপ গাড়িতে চলে যাবো আলিকদম।
( নোট পথিকগণ ) 📌
যাত্রাপথে এইটাই আমাদের শেষ লোকালয় বাজার। তাই যার যা কিছু প্রয়োজন এই বাজার থেকে কেনাকাটা করে নিতে হবে। আমাদের ৩/৪ দিনের বাজার এইখান থেকে করে নিবো। তারপর গাইডকে সাথে নিয়ে রওনা করবো ১৩ কিলো নামক জায়গায়। ১৩ কিলো পর্যন্ত আমরা যাবো বিখ্যাত চাঁদের গাড়িতে।
⭕ আমাদের ট্রেকিং শুরু হবে এই জায়গা থেকেই। গাইডকে অনুসরণ করে আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে এইখান থেকে খেমচং পাড়ায় যেতে সময় লাগে ৫-৭ ঘন্টার মতো। যাওয়ার পথে আমাদের সবাইকে স্বাগত জানাবে অসংখ্য মেঘমালা, সবুজ প্রকৃতি আর কিচিরমিচির পাখির কোলাহল সাথে ঝিরিপথের কল কল শব্দ।
📌 সন্ধ্যায় পাড়াতে পৌঁছে সবাই ফ্রেশ হয়ে রান্নার কাজ শুরু করতে হবে। নিজেদের পছন্দ মতো মেনু সাজিয়ে রান্না শেষে সবাই শান্তির এক ঘুমে রাত শেষ করবো।
🔘 ৫ জুলাই : সকালে উঠে নুডুলস রান্না করে আমরা চলে যাবো ক্রিসতং পাহাড় সামিটে। সামিট শেষে ফিরবার পথে আমরা দেখবো অপরূপ সুন্দর সায়াংপ্রা ঝর্ণা। তারপর সন্ধ্যার আগে আমরা আবার ফিরে আসব খেমচং পাড়ায়। আবার রাতে রান্নাবান্না করে খাওয়া শেষ করে ঘুমিয়ে পড়বো।
🔘 ৬ জুলাই: আজকে সকালে আমাদের উদ্দেশ্য রুংরাং পাহাড় সামিট করা। পাহাড় সামিট শেষে আমরা চলে যাব লাদ মেরাগ ঝর্ণায়। এই ঝর্ণাতে আমরা দেবতাখুমের ফিল নিতে পারবো। শেষবিকেলে আমরা চলে যাবো মেনিয়াং পাড়ায়। এই রাতেই থাকবে পাহাড়ি পাড়ায় আমাদের শেষ রাত্রীযাপন।
🔘 ৭ জুলাই : ভোরে উঠেই আমরা চলে যাব তোয়েন খাল ধরে পালঙ্খিয়াং এবং থানকোয়েন ঝর্ণায়। ঝর্ণা দেখা শেষ করে ফিরে আসবো আলীকদম। আলীকদম থেকে বাসে করে চলে আসবো চকরিয়া। তারপর চকরিয়া থেকে চট্টগ্রাম। রাত দশটায় চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে করে আমরা চলে আসবো ঢাকায়।
🔘 ৮ জুলাই সকালবেলা আমরা ঢাকা থাকবো ইনশাল্লাহ।
⭕ যা যা সঙ্গে নিয়ে আসতে হবে ⭕
* গামছা/ তোয়ালে
* ব্রাশ ও পেস্ট
* প্রয়োজনীয় ঔষুধ : নাপা, আমোদিস, ইমোটিল, স্যালায়াইন, ব্যথার ট্যাবলেট।
* শুকনো খাবার : খেজুর, বিস্কিট, চানাচুর, চকোলেট ইত্যাদি।
* শর্ট প্যান্ট ১-২ টা, প্যান্ট ১ টা, টিশাার্ট ২/৩ টা
* রেইনকোর্ট ( যদি থাকে)
📌 ব্যাগ বেশি ভারি করা যাবে না।
✅ আমরা যা যা আলিকদম হতে দিবো
* ট্রেকিং জুতা
* বৃষ্টির জন্য মাস্টার পলিথিন
* কিছু শুকনো জাতীয় খাবার
🟢 ভ্রমণ খরচ : ঢাকা - আলিকদম - ঢাকা পর্যন্ত সর্বমোট আনুমানিক খরচ জনপ্রতি 5500 টাকা ( কম বা বেশি লাগতে পারে)।
📌 ভ্রমণ শেষে অতিরিক্ত টাকা সবাইকে সমান ভাগে ভাগ করে দেওয়া হবে।📌
⭕⭕ বুকিং এর সময়সূচি ⭕⭕
যারা যেতে ইচ্ছুক তারা সকলেই ১৫ জুনের আগে ২৫৫০ টাকা বিকাশে জমা দিয়ে বুকিং কনফার্ম করতে হবে। কেননা আমরা সবাই ট্রেনে যাব বিধায় ১০ দিন আগে ট্রেনে অগ্রিম টিকিট কাটতে হবে এবং গাইড কনফার্ম এর জন্য উনাকে কিছু টাকা পে করতে হয়।
📌 বুকিং করার পরে কেউ যদি ভ্রমণে যেতে না চায় তবে তার এই টাকা ব্যাক দেওয়া হবে না।