22/09/2017
ইবিএল অ্যাকোয়া কার্ড এর আবেদন পদ্ধতি
|
ইবিএল অ্যাকোয়া কার্ড এর আবেদন পদ্ধতি । বর্তমান যুগ ব্যবসায়ের যুগ। এই যুগে সবথেকে বেশি চাহিদার মাঝে যে সকল পেশা রয়েছে তাদের মাঝে অন্যতম হল ব্যবসায়। পৃথিবীর প্রায় সকল ধর্মেই ব্যবসাকে অত্যন্ত সম্মানের চোখে দেখা হতো। মুসলমানদের পবিত্র ধর্ম আল-কোরআনে উল্লিখিত রয়েছে “আমি ব্যবসাকে হালাল করেছি এবং সুদকে হারাম করেছি”। কিন্তু বর্তমানে আমরা ব্যবসাতে নানাভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছি, এবং তার মাঝে একটি হচ্ছে বাহিরের দেশ থেকে প্রডাক্ট/পণ্য বা সার্ভিস/সেবা কেনাকাটায়। তাই আজ আমরা আলোচনা করবো কিভাবে আমাদের দেশ থেকে অতি সহজেই ইবিএল অ্যাকোয়া কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে বাহিরের দেশ থেকে যে কোন সেবা বা পণ্য অনলাইনে কেনাকাটা, হোটেল বুকিং, ইন্টারনেশ্যানাল ফী, গুগল ও ফেজবুক বিজ্ঞাপনের চার্জসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে পারব।শুধুমাত্র ব্যবসায়ীদের এবং ফ্রীল্যান্সারদের কথা মাথায় রেখেই ইস্টার্ণ ব্যাঙ্ক নিয়ে এলো ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার কার্ড যা ইবিএল অ্যাকোয়া প্রিপেইড কার্ড নামেই পরিচিত। এখানে তারা ব্যবহার করেছে ই.এম.ভি চিপ কার্ড যার কারণে আপনি নিশ্চিন্তভাবে তাদের কার্ডটি আপনার দৈনন্দিন কাজে অনায়াসে ব্যবহার করতে পারবেন।
|
অ্যাকোয়া কার্ড এর সুবিধাসমূহঃ
|
ডুয়েল কারেন্সি ই.এম.ভি. প্রি-পেইড কার্ড
দেশজুড়ে ১,৩০০ টিরও বেশি আউটলেটে আকর্ষনীয় ছাড়ের সুবিধা
বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে অ্যাকাউন্ট ম্যানেজমেন্ট করা
দেশের ভিতরে এবং বাহিরের যেকোন স্থান থেকে কেনাকাটার সুযোগ
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছাড়াই ব্যাংকিং সুবিধা প্রাপ্তি
ইস্টার্ণ ব্যাংকের সকল এ.টি.এম. থেকে ফ্রী ক্যাশ উইথড্রয়াল
দেশের বাহিরের সকল মাস্টার কার্ড সাপোর্টেড এ.টি.এম. থেকে ক্যাশ উইথড্রয়াল
অনলাইনে ইউটিলিটী বিল পরিশোধ
ফ্রী রিচার্জ
ট্রাঞ্জেকশন অ্যালার্ট
একইসাথে দেশীয় ও বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবহারের সুযোগ
৩ বছরের স্থায়িত্ব (নবায়নযোগ্য)
ফেসবুকসহ সকল সোশ্যাল মিডিয়ার মার্কেটিং
যোগ্যতাঃ
|
বৈধ বাংলাদেশী নাগরিক
নূন্যতম ১৮ বছর বয়সী
অ্যাকোয়া কার্ড এর জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসঃ
|
বৈধ পাসপোর্টস
আবেদন পত্র (ব্যাংক থেকে প্রদও)
2 কপি পাসপোর্ট সাইজ ফটো
জাতীয় পরিচয় পত্র
অ্যাকোয়া কার্ড এর জন্য আবেদনপদ্ধতিঃ
|
কার্ডের জন্য অ্যাপ্লাই করার সাথে সাথেই আপনি কার্ডটি পেয়ে যাবেন আর যদি কার্ডে আপনার নাম প্রিন্ট করে নিতে চান তাহলে ৫-৭ কার্যদিবস সময় লাগবে। কার্ডটি হাতে পাওয়ার পরই মিনিমাম ৫০০ টাকা কার্ডের বিডিটি পার্টে লোড করে নিন।e-Commerce Enrollment এর জন্য ফর্মটি প্রিন্ট করে পুরণ করে স্ক্যান করে [email protected] কে মেইল করে দিন এবং CC তে অবশ্যই [email protected] কে রাখবেন যা পরবর্তীতে কাজে লাগবে।ইনরোলমেন্ট সম্পন্ন হতে সর্বোচ্চ ২৪ ঘন্টা সময় লাগবে, যদি এর মাঝে নাহ হয়ে থাকে তবে অবশ্যই ব্রাঞ্চে ফোন দিয়ে কথা বলবেন, কল সেন্টার এর ক্ষমতা সীমিত, তারা আপনাকে শুধু আশাই দিয়ে যেতে পারবে। ইনরোলমেন্ট সম্পন্ন হলে ফিরতি মেইলে আপনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে।এবার কল সেন্টারে কথা বলে আপনার কার্ডের বিডিটি পার্টের ডিপোজিট কে ইউ.এস.ডি তে কনভার্ট করে ফেলুন। এটি করতে মূলত ১-২ ঘন্টার প্রইয়োজন হয় (অবশ্যই ব্যাংক চালু থাকে অবস্থায়)।এবার আপনার কার্ডটি সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত অনলাইনে কেনাকাটার / বিল পে / সোশ্যাল মার্কেটিং এর জন্য।অ্যাকোয়া কার্ড এর খরচঃকার্ডের জন্য আবেদনের সময় ৫৭৫ টাকা প্রদান করতে হবে যা প্রথম ৩ বছেরর বাৎসরিক চার্জ হিসেবে ধরা হবে।বিডিটি কে ইউ.এস.ডি. তে কনভার্টের সময় ফ্লাট রেট / সমতা নিতী অনুযায়ী ডলারের রেট নির্ধারণ হবে।প্রতি ৩বছর পর পর কার্ডটি রিনিউ করতে হবে যার জন্য মাত্র ৫৭৫ টাকা প্রদান করতে হবে।
|
এ.টি.এম থেকে বিডিটি উইথড্রয়াল চার্জ; ই.বি.এল. এ.টি.এম ফ্রী, মাস্টারকার্ড সাপোর্টেড এ.টি.এম ২৫ টাকা + ১৫% ভ্যাট, এন.পি.এস.বি. সাপোর্টেড এ.টি.এম ১৫ টাকা + ১৫% ভ্যাট।
|
কার্ড রিপ্লেসমেন্ট ফি ৫০০ টাকা
ট্রাঞ্জেকশন অ্যালার্ট ২০০ টাকা
পিন রিপ্লেসমেন্ট ফি ৫০০ টাকা
অ্যাকোয়া কার্ড এর সীমাবদ্ধতাঃ
|
প্রতিদিনের ম্যাক্সিমাম রিচার্জ/রিলোডের লিমিট ১,০০,০০০ টাকা (ব্রাঞ্চ) এবং ২০,০০০ (ই.বি.এল ড্রপবক্স বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং)। ২০,০০০ টাকা বা তার অধিক জমাদানের ক্ষেত্রে ব্যাংক কর্তৃক প্রদত্ত ফরম ফিলাপ করে জমা দিতে হবে।প্রতিদিন পজ মেশিনের সাহায্যে ৪০,০০০ টাকা (৬বারে) বা ১,২৫০ ডলার (১৫ বারে) কেনাকাটার সুযোগ, এটিএম মেশিনের সাহায্যে ৫০,০০০ টাকা (৬বারে) বা ১,২৫০ ডলার (১০ বারে) উত্তোলনের সুযোগ, ইকমার্স বা অনলাইনে ৪০,০০০ টাকা (৪বারে) বা ১,২৫০ ডলার (৮ বারে) ব্যবহারের সুযোগ। প্রতি ট্রাঞ্জেকশন সর্বোচ্চ ৩০০ ডলার।মিনিমাম ৫০ ইউ.এস.ডি. রিলোড/রিচার্জ করতে হবে।