11/04/2021
প্রিয় বিশ্ব বন্ধনের দর্শক,
আমরা গত ১১ ফেব্রুয়ারী রাত ৯.৫২ মিনিটের চট্টগ্রামগামী মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনে করে ৪ জন বন্ধু মিলে ১ দিনের সফরে চট্টগ্রাম গিয়ে ঘুরে দেখার চেষ্টা করেছি পাহাড় পর্বতে ঘেরা অপূরূপ সৌন্দের্যের লীলাভূমি চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ।
আমরা আমাদের চোখে দেখা এই ভ্রমনের বিভিন্ন অংশ ও অভিজ্ঞতা এই ভিডিওতে শেয়ার করার চেষ্টা করেছি আশা করি আমাদের আপনাদের ভালো লাগবে ।
আমরা ঘুরে এসেছিঃ
১) দস্তগীর হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট
২) চট্টগ্রাম ওয়্যার সিমেন্ট্রি
৩) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও
৪) পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত
১) দস্তগীর হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট
================================
আমাদের চট্টগ্রাম ভ্রমণের অন্যতম লক্ষ ছিলো দস্তগীর হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট সকালে গরুর নলা দিয়ে নাস্তা করা । চট্টগ্রামের আন্দরকিল্লা এলাকার মোমিন রোডে অবস্থিত দস্তগীর হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট। আলো ফোটার আগে ফজরের সময় থেকেই ভোজনরসিকদের আনাগোনা শুরু হয় হোটেলটিতে।
এরপর ধীরে ধীরে এ জমায়েত পরিণত হয় ভিড়ে। যা লেগে থাকে মধ্যরাতে হোটেল বন্ধের সময় পর্যন্ত।
হোটেলটিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভোর ৬টায়ও বেশ ভিড়। এখানে আসা অতিথিরা বলছেন, মূলত পায়া এবং নলি দিয়ে সকালের নাস্তা সারতেই ভোজনরসিকদের এতো ভিড়। এখানকার অন্যতম আকর্ষণ এটিই।
শুধুই হাইপ নাকি খাবারেও স্বাদ আছে? খাবার চেখে দেখা মাত্রই এই প্রশ্নের উত্তর পাওয়া যাবে। তন্দুর রুটি আর পায়া বা নলি যারা খাবেন তাদের হাত বেশ চেটেপুটেই খেতে হবে।
এখানকার খাবার এতটাই জনপ্রিয় যে, কানাডিয়ান ফুড ব্লগার ট্রেভর জেমস এর ‘দ্য ফুড রেঞ্জার’ নামক ফুড ব্লগিং প্ল্যাটফর্মেও দস্তগীর হোটেল নিয়ে ফিচার প্রকাশিত হয়েছে।
হোটেলটির অন্যতম আকর্ষণ সকালের পায়া-নলির প্রতিই বেশি টান ভোজনরসিকদের। সকালের আলো ফোটার আগেই নগরীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অতিথিরা চলে আসেন এখানে। সকাল ৬টার দিকেও হোটেলটির বাইরে পার্ক করে রাখা মোটরবাইকের সারি দেখা যায়।
২) চট্টগ্রাম ওয়্যার সিমেন্ট্রি
======================
কমনওয়েলথ ওয়ার সিমেট্রি চট্টগ্রামের দামপাড়া এলাকায়, ১৯ নং বাদশা মিয়া চৌধুরী সড়কে অবস্থিত। এটি মেডিকেল কলেজের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে, চট্টেশ্বরী সড়কের চারুকলা ইনস্টিটিউটের কাছাকাছি এবং ফিনলে গেস্ট হাউসের নিকটবর্তী পাহাড়ি ঢালু আর সমতল ভূমিতে গড়ে উঠেছে।
২২ কিমি উত্তরে এবং চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৮ কিমি দূরে অবস্থিত। সমাধি এলাকা সবুজ বৃক্ষ আর পাতাবাহারের বেষ্টনী দিয়ে ঘেরা। ওয়ার সিমেট্রির প্রতিষ্ঠাকালে এলাকাটি বিশাল ধানক্ষেত ছিলো, যদিও বর্তমানে এটি বেশ উন্নত এলাকা এবং শহরের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিগণিত। পঞ্চাশের দশকের প্রথমার্ধে নির্মিত এ সিমেট্রির বাইরের অংশে খোলা মাঠ রয়েছে। প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১২ টা এবং বিকেল ৩ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্যে প্রবেশাধিকার উন্মুক্ত, তবে শীতকালীন মৌসুমে এ সময়সূচির কিছুটা পরিবর্তন ঘটে থাকে। কোলাহলমুক্ত এই সমাধি এলাকায় দর্শনার্থীদের উন্মুক্ত প্রবেশাধিকার থাকলেও এখানে বসা নিষেধ।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে ব্রিটিশ সেনাবাহিনী এই সমাধিসেৌধ প্রতিষ্ঠা করে। সূচনালগ্নে এখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত সৈন্যদের প্রায় ৪০০টি সমাধি ছিলো। তবে বর্তমানে এখানে ৭৩১টি সমাধি বিদ্যমান যার ১৭টি অজানা ব্যক্তির। এখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে নিহত জাতীয় বিদেশী সৈন্যদের প্রায় ২০টি (১জন ওলন্দাজ এবং ১৯জন জাপানি) সমাধি বিদ্যমান। এছাড়াও এখানে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-১৯৪৫) চট্টগ্রাম-বোম্বের একটি স্মারক বিদ্যমান।
(উইকিপিডিয়া থেকে সংগ্রহিত তথ্য)
যুদ্ধ চলাকালীন সময় সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ এবং ১৫২ নং ব্রিটিশ জেনারেল হাসপাতালের সুবিধার কারণে চট্টগ্রামে মিত্র বাহিনী চতুর্দশ সেনাবাহিনীর এই পথিকৃৎ ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। হাসপাতালটি ডিসেম্বর ১৯৪৪ থেকে অক্টোবর ১৯৪৫ পর্যন্ত সক্রিয় ছিলো। প্রাথমিকভাবে এই সমাধিতে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে প্রায় ৪০০ মৃতদেহ সমাহিত করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়াও যুদ্ধ শেষে অতিরিক্ত মৃতদেহ লুসাই, ঢাকা, খুলনা, যশোর, কক্সবাজার, ধোয়া পালং, দোহাজারি, রাঙ্গামাটি, পটিয়া এবং অন্যান্য অস্থায়ী সমাধিস্থান থেকে এই সমাধিস্থানে স্থানান্তর করা হয়।
৩) চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
========================
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্গত চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার উত্তরে হাটহাজারী উপজেলার ফতেহপুর ইউনিয়নের জঙ্গল পশ্চিম-পট্টি মৌজায় অবস্থিত একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।
যা দেখার আছে
===================
সবুজ পাহাড়ে ঘেরা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস যেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপূর্ব লীলাভূমি।
৪) পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত
=========================
পতেঙ্গা বাংলাদেশের চট্রগ্রামের দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত সমুদ্র সৈকত। মূল শহর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দক্ষিণে কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত। সরকারি ভাবে পাথর দিয়ে বেড়িবাধ বানানো, যেখানে পর্যটকরা বসতে পারেন। এ সৈকতের মুল অকর্ষণ সুর্যাস্থ দেখা এবং দুরে জাহাজের চলাচল দেখা।
Follow us on
===============
Facebook : www.facebook.com/bisshobondhon
Youtube : https://www.youtube.com/channel/UCH4i...
আপনার যেকোন মতামত, পরামর্শ বা অভিজ্ঞতা আমাদের সাথে অবশ্যই শেয়ার করতে ভূলবেননা । ♥
সকলে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন এমন কামনাই রইলো ।
- ধন্যবাদ
ভ্রমণের ভিডিওটি দেখতেঃ
https://youtu.be/SeBmKmC1dXc
প্রিয় বিশ্ব বন্ধনের দর্শক, আমরা গত ১১ ফেব্রুয়ারী রাত ৯.৫২ মিনিটের চট্টগ্রামগামী মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনে করে ৪ .....