Naser Export- Import

Naser Export- Import Export - Import information, Searching Buyer and Seller. +8801926959755 what's app

23/02/2026
আজ শুক্রবার টোকিওতে জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হোরি ...
06/02/2026

আজ শুক্রবার টোকিওতে জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ও জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হোরি ইওয়াও নিজ নিজ সরকারের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। তথ্য অধিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশ এই প্রথমবারের মতো কোনো দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করল।

১০০ টাকার ফলে শুল্ক দিতে হয় ১৩৬ টাকা। ফল আমদানির ওপর ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক, ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক, ৩০ শতাংশ সম্পূ...
04/02/2026

১০০ টাকার ফলে শুল্ক দিতে হয় ১৩৬ টাকা।

ফল আমদানির ওপর ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক, ২০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণমূলক শুল্ক, ৩০ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক, ১০ শতাংশ অগ্রিম কর, ১৫ শতাংশ ভ্যাট, ৫ শতাংশ অগ্রিম কর আছে।

মোটামুটি যত ধরনের শুল্ক-কর আছে, সবই আরোপ করা হয়েছে বিদেশি ফল আমদানির ক্ষেত্রে। সব মিলিয়ে শুল্ক-কর ভার ১৩৬ শতাংশ।

প্রচলিত আমদানি পণ্যের মধ্যে গাড়ি ও মদ-সিগারেটের পর তাজা ফল আমদানিতেই সবচেয়ে বেশি শুল্ক-কর দিতে হয়।

অত্যাবশ্যকীয় পণ্য তাজা ফলকে বাংলাদেশে বিবেচনা করা হয় বিলাস পণ্য হিসেবে।

02/02/2026

এই লেখাটা কোনো মোটিভেশনাল পোস্ট না। লেখাটা স্পেশালী ক্রস বর্ডার ট্রেড নিয়ে—যেখানে নিজের গন্ডির মধ্যে থেকেও সারা বিশ্বের সাথে বিজনেস করা... মার্চেন্ট ট্রেড করে, এক দেশের পন্য আরেক দেশে নেওয়া।

আমি একজন রপ্তানিকারক। তাই শুধু দেশীয় বাজারকে প্রাধান্য না দিয়ে, আমি দেখি বর্ডারের ওপারের বাজার। কারণ আগামী ১০–২০ বছর পরে টিকে থাকতে, গ্লোবাল ট্রেডই হবে একমাত্র ভরসার জায়গা।

এখন কথা হইল ক্রস বর্ডার ট্রেড মানে শুধু পণ্য পাঠানো না।এর মানে হচ্ছে— এক দেশের ডিমান্ড বোঝা, আরেক দেশের সাপ্লাই ব্যবহার করা.... কারেন্সি, লজিস্টিক্স, ডকুমেন্টেশন আর রিস্ক একসাথে ম্যানেজ করা।

আমি দেখেছি এই জায়গায় বাংলাদেশ এখনো শুরুর লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। সো সুযোগ অফুরন্ত...

যাঁদের বয়স কম, তাঁদের বলি—ভাষা শিখুন।

ইংরেজি মিনিমাম। তার সাথে চাইনিজ বা আরবি হলে আপনি শুধু চাকরি না—ডিল করবেন। ক্রস বর্ডার ট্রেডে ইংরেজি জানা ভালো, তবে তার চেয়ে ভালো যে দেশের সাথে ট্রেড করব তাদের ভাষা জানা... এটা ডিলিংস এ অবশ্যই আপনাকে এগিয়ে রাখবে।

যাঁদের বয়স একটু বেশি, তাঁদের বলি—, বেশি বেশি দেশ ঘুরেন।সত্যি হইল ক্রস বর্ডার ট্রেড ক্লাসরুমে শেখা যায় না, শেখা যায় না ট্রেনিংয়ে। তবে ক্লাসরুমে বা ট্রেনিংয়ে আপনি কিছু কিছু জানতে পারবেন... পথ পাবেন

শিখতে চাইলে আপনাকে ফ্যাক্টরি ভিজিট করতে হবে, বায়ার মিটিংয়ে থাকতে পারলে ভালো , বাস্তবে শিপমেন্ট দেখতে পারলে আরও ভালো।

গত ৬ মাসে শুধু চায়না থেকে পণ্য এনে বিজনেস করা অনেকের সাথে ক‌থা হয়েছে । সেখান থেকে বুঝেছি পুরো সেক্টর এখনো বাচ্চা লেভেলে।

সামনের দিনে শুধু এই একটা দেশ—চায়না—তারা একাই হাজারো নতুন ক্রস বর্ডার ট্রেডার তৈরি করবে।

এবং আরও একটা ইনফো হল বাংলাদেশে সামনে বড় বাণিজ্যিক শিফট আসছে।

গ্রুপ অফ কোম্পানি আর বড় ইন্ডাস্ট্রি নিজেদের ফ্যাক্টরি দিয়ে বাজার দখল করবে।ম্যাস প্রোডাকশনের চাপ সামলাতে না পেরে ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা মার্কেট ছাড়বে।

কিন্তু ম্যাস প্রোডাকশনের বাইরের যে বিশাল স্পেস—
সেটা দখল করবে ক্রস বর্ডার ট্রেডার, মার্চেন্ট ট্রেডার, ই-কমার্স, এফ-কমার্স আর জেন-জি।

আর একটা বিষয় পরিষ্কার হাসু আপার রেজিমে তৈরি হওয়া ঋণখেলাপির কালচার যদি চলতেই থাকে,তাহলে তরুণরা দেশে ফ্যাক্টরি না দিয়ে চায়না, আফ্রিকা, মিডল ইস্টে অপারেশন সেট করবে।

অলরেডি আমাদের মুজাহিদ উল ইসলাম জাহিদ ভাই আফ্রিকা তে হিউজ ইনভেস্ট নিয়ে কাজ করছে। কৃষিকে ডেভলপ করেছে ।উনার ও কিছু কিছু পোস্টে দেখেছি... জাহিদ ভাই ও ক্রস বর্ডার ট্র‌েড নিয়ে ভাবছে।

সো এটাই ফিউচার আছে...

আমার মনে হয় জেন-জিরা আটকে থাকবে না।ওরা বর্ডার পেরোবে, ব্র্যান্ড বানাবে, গ্লোবাল হবে।

আর একটা বিষয় কি জানেন... যত বেশি মানুষ সরকারের ওপর নির্ভরতা কমাবে,ভবিষ্যতের ক্ষমতার চেয়ারে বসা লোকদের সময় ততই কঠিন হবে।

সোশ্যাল মিডিয়া আর ইন্টারনেট—এই দুইটা অস্ত্র ব্যবহার করে গত ৫০ বছরের পরিকল্পিত দুর্দশার বৃত্ত ভাঙতেই হবে।

দেশের মেধাবীদের দেশে নিশ্চিত ভবিষ্যৎ নেই—এটাই বাস্তবতা।তাই সবাইকে বলি—ছড়িয়ে পড়েন। আমাদের ক্রস বর্ডার ট্র‌েডে আপনারা হতে পারেন সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখা একজন....

এছাড়া কেউ পারলে চাইনিজ ও ইন্ডিয়ান কোম্পানিগুলোকে ফলো করেন। আফ্রিকা আর মিডল ইস্ট—এই দুইটা মার্কেট ধরেন।

বাস্তব সত্যি হইল দুনিয়াটা আবেগে চলে না। দুনিয়াটা চলে সাপ্লাই অ্যান্ড ডিমান্ডে।

পরিকল্পিতভাবে যদি আগামী ২০ বছর ক্রস বর্ডার ট্রেডকে অগ্রাধিকার দেওয়া যায়, তাহলে এই ভূখণ্ডের সিস্টেম বদলে যাবে বলে আমার বিশ্বাস।

30/01/2026

অনেকেই জানেন চট্টগ্রাম বন্দর মানে শুধু একটা স্থাপনা না—এটা বাংলাদেশের অর্থনীতির একটা ভিত্তি । তাই এই বন্দরের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, সেটা নিয়ে চলছে অনেক টানাপোড়েন।

গতকাল দেখলাম বিদেশি অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডকে চট্টগ্রাম বন্দর পরিচালনায় যুক্ত করার বিরুদ্ধে করা রিট.... হাইকোর্ট খারিজ করে দিয়েছেন।

এরপর আপিল বিভাগেও চুক্তি স্থগিত হয়নি।

অর্থাৎ আইন তার অবস্থান পরিষ্কার করে দিয়েছে।

কিন্তু এখানেই শুরু হয়েছে আসল অস্বস্তি।কারণ চট্টগ্রাম বন্দরে শৃঙ্খলা মানে অনেকের জন্য লাভ বন্ধ হওয়া।

আর লাভ বন্ধ হলেই কিছু গোষ্ঠী হঠাৎ করে “দেশপ্রেমিক” হয়ে ওঠে।

বন্দরের ভেতরের মানুষজন জানেন, রুহুল তরফদারের সাইফ পাওয়ার টেক কীভাবে বছরের পর বছর এই বন্দরকে লুটপাটের মেশিন বানিয়েছিল।

সেই লুটপাটের অধ্যায় শেষ হতেই রাজস্ব আয় ২১ শতাংশ বেড়েছে, রেকর্ড ৫,৪৬০ কোটি টাকা রাজস্ব এসেছে।

এখন ভাবুন, যদি বিশ্বমানের অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ড দায়িত্ব নেয়, তাহলে উন্নতি কোন দিকে যাবে—পেছনে না সামনে?

সাইফ পাওয়ার টেকের সময় বন্দরের আয় থেকে কারা কারা ভাগ নিয়েছে—চট্টগ্রামে এটা ওপেন সিক্রেট।

আওয়ামী লীগের সাবেক মেয়র মহিউদ্দিন, আ.জ.ম নাসির, রেজাউল করিম থেকে শুরু করে বিএনপির কিছু নেতাও সেই সিস্টেমের অংশ ছিল।

হাইকোর্টে রিট খারিজ হওয়ার পরও যারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে মাঠে নেমেছে, তাদের পরিচয়—জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল। কিন্তু আচরণে তারা জাতীয়তাবাদী না, তারা সুবিধাবাদী। কারণ এদের আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু দেশ না, বন্দর না—ভবিষ্যৎ রাজস্বের ভাগ।

23/01/2026

বাংলাদেশ রফতানি খাতকে আরও শক্তিশালী করতে একের পর এক নতুন ইনিশিয়েটিভ নিচ্ছে...

লক্ষ্য একটাই.... ২০৩০ সালের মধ্যে রফতানি আয় ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করা।

আর এই লক্ষ্য অর্জনে শুধু তৈরি পোশাকের ওপর একনিষ্ঠ নির্ভরতা থেকে বের হয়ে আসার পরিকল্পনা চলছে—যা এখন সবারই জানা।

এরই ধারাবাহিকতায় পেপার ও প্যাকেজিং ম্যাটেরিয়ালসকে বর্ষপণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।সরকারের ধারণা, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে রফতানিতে নতুন গতি ও বৈচিত্র্য আসবে।

একই সঙ্গে সরকার ও প্রাইভেট সেক্টর গার্মেন্টসের বাইরে এখন গুরুত্ব দিচ্ছে—চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জুতা শিল্প, প্লাস্টিক পণ্য এবং হালকা প্রকৌশল খাতকে।

এখন ক‌থা হইল এই খাতগুলোর সঙ্গে জড়িত উদ্যোক্তাদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ।

কারণ এসব সেক্টরে এখন তুলনামূলকভাবে বেশি নীতিগত সহায়তা, বাজার সুবিধা এবং রফতানি সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হচ্ছে।

আর এই সুযোগের কারনে আমাদের রপ্তানি ও বাড়বে... আর টার্গেট ও হল রফতানি বাড়ানো । টার্গেট অনুযায়ী ২০৩০ এর মধ্যে ১০০ বিলিয়ন রপ্তানি আয় পূরণ করতে হবে।

সো রফতানি বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই ।

আর রফতানি বাড়াতে হলে এখন মূল ফোকাস হতে হবে— রফতানিতে বৈচিত্র্য আনা, ভ্যালু অ্যাডিশন বৃদ্ধি এবং নতুন ও বিকল্প বাজারে প্রবেশ 2

এছাড়া সঠিক নীতিগত সহায়তা এবং উদ্যোক্তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত হলে, এই লক্ষ্য আর কাগুজে স্বপ্ন থাকবে না—বাস্তবতায় রূপ নেবে।

আমার মনে হচ্ছে বাংলাদেশের রফতানি খাত স্পষ্টভাবেই পরিবর্তনের পথে এগোচ্ছে। এখন আল্লাহ ভরসা...

আপনার কি মনে হয়... পারব কি আমরা শত বিলিয়নের রপ্তানি আয় পূরণ করতে ।

23/01/2026

সম্প্রতি বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত হয়েছে। বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানিয়েছেন, আগামী মাসে চুক্তি স্বাক্ষর হবে।

জানা যায়, এ চুক্তির ফলে বাংলাদেশের ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য জাপানের বাজারে শুল্ক ছাড়া প্রবেশের সুবিধা পাবে। একইভাবে জাপানের ১ হাজার ৩৯টি পণ্য বাংলাদেশের বাজারে শুল্ক ছাড়া প্রবেশ করতে পারবে।

অর্থনৈতিক খাতে এই বিপুল সম্ভাবনায় আমরা আনন্দিত। আন্তর্জাতিক শিল্প ও বাণিজ্যে এভাবেই বাংলাদেশ বিকশিত হবে।

এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরো (EPB) এবং আফগানিস্তানের Industry and Commerce মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি মিনিস্টারের নেতৃত্বে আসা একটি...
23/01/2026

এক্সপোর্ট প্রমোশন ব্যুরো (EPB) এবং আফগানিস্তানের Industry and Commerce মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি মিনিস্টারের নেতৃত্বে আসা একটি ব্যবসায়িক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের ছবি এটি ।

এই আলোচনার মূল ফোকাস ছিল দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের নতুন বাজার তৈরি এবং সরাসরি ব্যবসায়িক সহযোগিতার সুযোগ চিহ্নিত করা।

যেসব উদ্যোক্তা নতুন মার্কেট খুঁজছেন, বিশেষ করে কৃষিপণ্য ও অন্যান্য রপ্তানিযোগ্য পণ্য— তাদের জন্য আফগানিস্তান হতে পারে একটা নতুন গন্তব্য ।

শুধু রপ্তানি না... আমদানির ও রয়েছে বড় সুযোগ।

তবে আমদানি - রপ্তানি সহজ করতে, ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরী করতে দরকার দুই দেশের মধ্যে ভালো সম্পর্ক.. কিছু FTA এবং PTA এর মত বিজনেস ডিল।

এবং আশা করছি... বাংলাদেশে সে‌ই প‌থেই হাটছে ।

এগিয়ে যাক, বাংলাদেশ সহজ হোক দেশের ব্যবসা... বানিজ্যি।

বিভিন্ন সময়ে ভারতের ওপর আমদানি নির্ভরতা কমানোর বিষয়টি আলোচনায় আসে... পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নানা রাজনৈতিক ও ক...
14/01/2026

বিভিন্ন সময়ে ভারতের ওপর আমদানি নির্ভরতা কমানোর বিষয়টি আলোচনায় আসে... পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও নানা রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারতীয় পণ্য বর্জনের আহ্বানও ও দেখা যায়।

তবে এসব আলোচনার বাস্তব প্রতিফলন ২০২৪–২৫ অর্থবছরের আমদানি চিত্রে পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, গত অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রধান আমদানিকারক দেশগুলোর মধ্যে ভারত থেকেই আমদানি ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি সর্বোচ্চ হয়েছে।

এ সময়ে ভারত থেকে আমদানি ব্যয় বেড়েছে ৭.৮৩ শতাংশ, যা চীন, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের মতো অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উৎস দেশের তুলনায় বেশি।

অর্থাৎ নীতিগতভাবে আমদানির উৎস বৈচিত্র্য করার কথা বলা হলেও বাস্তবে বাজারের সিদ্ধান্ত ভিন্ন পথে যাচ্ছে...

প্রোডাক্ট কস্টিং, দ্রুত সরবরাহ ও কম ঝুঁকির কারণে ভারত এখনো বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান এবং সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল আমদানি উৎস হিসেবে টিকে আছে।

এখন গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো—এই নির্ভরতা একেবারে না কমিয়ে(কারন প্রোডাক্ট কস্টিং একটা বিশাল ইস্যু) , বরং কীভাবে ঝুঁকি সামলে ধীরে ধীরে ভারসাম্য আনা যায়। সেটিই এখন ব্যবসা ও নীতিনির্ধারণ—দুই ক্ষেত্রেরই মূল চ্যালেঞ্জ বলে মনে করি।

আপনিও কি তাই মনে করেন?

14/02/2024

ভ্যালেন্টাইন্স ডে’র পরের দিন ম্যারেজ ডে রাখা উচিত ছিল। তাহলেই বোঝা যেত কার মনে কত প্রেম।

Address

Mirpur

Telephone

+8801926959755

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Naser Export- Import posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Naser Export- Import:

Share