Bayyinah Travels

Bayyinah Travels At Bayyinah Travels, we are committed to making your Hajj and Umrah journeys as smooth and fulfilling as possible.

Bayyinah Travels offers you the most affordable Hajj and Umrah packages from Bangladesh.

14/05/2026

মাগরিবের আজান

🔔 আগামী জুলাই মাসে উমরাহ প্যাকেজ🕋 উমরাহ প্যাকেজ ( স্ট্যান্ডার্ড )💵  প্যাকেজ রেট : ১,৬০,০০০/- (খাবার সহ)➡️  খাবার ছাড়া :-...
14/05/2026

🔔 আগামী জুলাই মাসে উমরাহ প্যাকেজ

🕋 উমরাহ প্যাকেজ ( স্ট্যান্ডার্ড )
💵 প্যাকেজ রেট : ১,৬০,০০০/- (খাবার সহ)
➡️ খাবার ছাড়া :-- ১,৫০,০০০/-
✈️ ফ্লাইট : ডিরেক্ট (সৌদি এয়ার)
🗓 তারিখ : ০১ জুলাই ও ২৬ জুলাই (সম্ভাব্য)
🕛 সময়কাল : ১৪ দিন
🎯 বুকিংয়ের শেষ তারিখ : ৩০ মে ২০২৬

📦 প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত :
🛫 রিটার্ন এয়ার টিকেট
📄 ভিসা
🚍 ট্রান্সপোর্ট
🏨 স্ট্যান্ডার্ড মানের হোটেল
🏞 মক্কা-মদিনা যিয়ারাহ (এসি বাসে)
🍽 তিন বেলা মানসম্মত বাঙ্গালি খাবার
🛃 অভিজ্ঞ গাইড ও মুআল্লিম সার্ভিস
🔵 উমরাহ ট্রেনিং (বাধ্যতামূলক)

🏨 মক্কা হোটেল:
👉 দূরত্ব: দিওয়ান আল আজইয়াদ ( আজইয়াদ আস সা'দ রোডে) হারাম থেকে ৮০০ মিটার।
🚶‍♂️পায়ে হেঁটে : হারামে যেতে ১০ - ১৫ মিনিট
🏨 মদিনা হোটেল : দিয়ার আল নূর ( কুবা রোডে)
👉 দূরত্ব : হারাম থেকে ৮০০ মিটার
🚶‍♂️পায়ে হেঁটে : হারামে যেতে ১০ - ১৫ মিনিট

❌ প্যাকেজে যা অন্তর্ভুক্ত নয়
▪️ যে-কোনো ব্যক্তিগত খরচ
▪️ হোটেলে ও গাড়িতে পানির ব্যবস্থা
▪️ ব্যক্তিগত সাইড সিইং

📃 বুকিংয়ে প্রয়োজনীয়তা :
👉 পাসপোর্ট এর মূল কপি (আবশ্যক)
👉 ১ কপি সাদা ব্যাকগ্রাউন্ট ছবি
👉 বুকিং মানি ৫০% পেমেন্ট (আবশ্যক)
👉 ফ্লাইটের ৭ দিন পূর্বে ফুল পেমেন্ট (বাধ্যতামূলক)

🔹সময় খুবই সীমিত। দ্রুত বুকিং কনফার্ম করুন,,,,

🎯 বুকিং করতে আজই যোগাযোগ করুনঃ
🏠 ২/১১ এম এম কমপ্লেক্স, লিফট-২, মিরপুর সাড়ে এগারো, পল্লবী, ঢাকা। (মেট্রো পিলার-- ১৮৫)
📞 ০১৮৯৮-৮৭৮৬৩৩, ০১৮৯৮-৮৭৮৬৩৪

আরাফাতে দাঁড়িয়ে…সবাই একসাথে ইবাদতে মশগুলকিন্তু জানেন কি, এই মসজিদের একটা অংশে দাঁড়িয়ে থাকলেআপনার আরাফাতে অবস্থানই গণ্য হ...
14/05/2026

আরাফাতে দাঁড়িয়ে…
সবাই একসাথে ইবাদতে মশগুল
কিন্তু জানেন কি, এই মসজিদের একটা অংশে দাঁড়িয়ে থাকলে
আপনার আরাফাতে অবস্থানই গণ্য হবে না?
মসজিদে নিমরাহ (নামিরাহ) - Masjid Nimrah (Namirah) (مسجد نمرة)

মসজিদের অবস্থান ও ইতিহাস
মসজিদে নিমরাহ অবস্থিত ওয়াদি উরানা-তে।
১০ হিজরি, বিদায় হজে
৯ জিলহজের দিনে
রাসূল ﷺ এখানে অবস্থান করেছিলেন।
দুপুরের পর
তিনি উরানা উপত্যকায় নিজের উটের পিঠে বসে
তার ঐতিহাসিক খুতবা প্রদান করেন
এরপর তিনি সালাত আদায় করান।
সেই হজে তার সাথে ছিলেন
এক লক্ষেরও বেশি সাহাবি (রাঃ)।

বিদায় হজের খুতবা (যেমনটি বর্ণিত)

আল্লাহর প্রশংসা ও শুকরিয়া আদায়ের পর রাসূল ﷺ বলেন,

হে মানুষ, মনোযোগ দিয়ে আমার কথা শোনো। আমি জানি না, এই বছরের পর আমি আর তোমাদের মাঝে থাকতে পারব কি না। তাই আমি যা বলছি, তা ভালোভাবে শোনো এবং যারা উপস্থিত নেই, তাদের কাছেও পৌঁছে দিও।

হে মানুষ, যেমন তোমরা এই মাস, এই দিন, এই শহরকে পবিত্র মনে করো তেমনি প্রতিটি মুসলমানের জীবন ও সম্পদকে পবিত্র আমানত হিসেবে গণ্য করো। তোমাদের কাছে যে আমানত আছে, তা তার হকদারকে ফিরিয়ে দাও। কাউকে কষ্ট দিও না, যাতে কেউ তোমাকে কষ্ট না দেয়। মনে রেখো, তোমরা অবশ্যই তোমাদের রবের সাথে সাক্ষাৎ করবে, এবং তিনি তোমাদের আমল সম্পর্কে হিসাব নেবেন।

আল্লাহ তোমাদের উপর সুদ (রিবা) হারাম করেছেন। অতএব, সব ধরনের সুদ বাতিল। তবে তোমাদের মূলধন তোমাদেরই থাকবে। তোমরা কারো উপর জুলুম করবে না এবং তোমাদের উপরও জুলুম করা হবে না। আল্লাহ ফয়সালা করেছেন কোনো সুদ থাকবে না, আর আমার চাচা আব্বাস ইবনে আব্দুল মুত্তালিবের সব সুদও বাতিল।

শয়তান থেকে সতর্ক থাকো তোমাদের দ্বীনের নিরাপত্তার জন্য। সে বড় বিষয়ে তোমাদের পথভ্রষ্ট করতে না পারলেও, ছোট ছোট বিষয়ে তোমাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করবে।

হে মানুষ, তোমাদের নারীদের উপর যেমন তোমাদের অধিকার আছে, তেমনি তাদেরও তোমাদের উপর অধিকার আছে। মনে রেখো, তোমরা আল্লাহর আমানত হিসেবে তাদের গ্রহণ করেছো। তারা যদি তোমাদের অধিকার রক্ষা করে, তবে তাদের ভরণ-পোষণ ও পোশাকের দায়িত্ব তোমাদের উপর সদাচরণের সাথে। তাদের সাথে ভালো আচরণ করো, কারণ তারা তোমাদের সঙ্গী ও সহায়।

হে মানুষ, মনোযোগ দিয়ে শোনো
আল্লাহর ইবাদত করো,
পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করো,
রমজানে রোজা রাখো,
তোমাদের সম্পদ থেকে যাকাত দাও,
এবং সামর্থ্য থাকলে হজ আদায় করো।

সমস্ত মানুষ আদম ও হাওয়ার সন্তান।
কোনো আরবের উপর অনারবের শ্রেষ্ঠত্ব নেই,
কোনো অনারবের উপর আরবের শ্রেষ্ঠত্ব নেই।
কোনো সাদার উপর কালোর শ্রেষ্ঠত্ব নেই,
কোনো কালোর উপর সাদার শ্রেষ্ঠত্ব নেই
শ্রেষ্ঠত্ব কেবল তাকওয়া ও সৎকর্মে।

জেনে রাখো প্রত্যেক মুসলমান অন্য মুসলমানের ভাই, এবং সকল মুসলমান এক ভাইচারা।
কোনো মুসলমানের সম্পদ অন্য মুসলমানের জন্য হালাল নয়, যদি না সে স্বেচ্ছায় তা প্রদান করে।
অতএব, তোমরা নিজেদের প্রতি জুলুম করো না।

মনে রেখো একদিন তোমাদের আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হবে এবং তোমাদের আমলের জবাব দিতে হবে।
সতর্ক থেকো আমার পরে যেন তোমরা সত্যের পথ থেকে বিচ্যুত না হও।

হে মানুষ, আমার পরে আর কোনো নবী আসবে না, কোনো নতুন দ্বীন আসবে না।
তাই ভালোভাবে বোঝো আমি তোমাদের কাছে যা পৌঁছে দিচ্ছি।

আমি তোমাদের মাঝে রেখে যাচ্ছি দুটি জিনিস
আল্লাহর কিতাব (কুরআন) এবং আমার সুন্নাহ।
এগুলো আঁকড়ে ধরলে তোমরা কখনো পথভ্রষ্ট হবে না।

যারা আজ এখানে উপস্থিত, তারা যেন এই বার্তা অন্যদের কাছে পৌঁছে দেয়।
সম্ভবত পরবর্তীরা আজ যারা শুনছে, তাদের থেকেও ভালোভাবে তা বুঝবে।
হে আল্লাহ! সাক্ষী থাকুন আমি আপনার বার্তা পৌঁছে দিয়েছি।

এর কিছুক্ষণ পরই নাযিল হয় সেই আয়াত

“আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পূর্ণ করে দিলাম,
আমার নিয়ামত সম্পূর্ণ করলাম,
এবং ইসলামকে তোমাদের জন্য দ্বীন হিসেবে মনোনীত করলাম।”
~ (সূরা মায়েদা ৫:৩)

মসজিদে নিমরাহ (নামিরাহ) এক গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতা

এই মসজিদটি নির্মিত হয়
সেই স্থানে, যেখানে রাসূল ﷺ খুতবা দিয়েছিলেন এবং সালাত আদায় করিয়েছিলেন।
কিন্তু
👉 ওয়াদি উরানা আরাফাতের সীমানার বাইরে

তাই মসজিদের সামনের অংশও
আরাফাতের বাইরে পড়ে।

পরবর্তীতে মসজিদ সম্প্রসারণের পর
এটি দুই ভাগে বিভক্ত হয়:

▪️ সামনের অংশ - আরাফাতের বাইরে
▪️ পেছনের অংশ - আরাফাতের ভেতরে

এজন্য ভেতরে সাইনবোর্ড দেওয়া আছে
যাতে হাজিরা বিষয়টি বুঝতে পারেন।

👉 যোহর ও আসর একসাথে আদায়ের পর
হাজিদের উচিত
মসজিদের পেছনের অংশে বা বাইরে গিয়ে
আরাফাতের সীমানার ভেতরে অবস্থান করা।

❗ যদি কেউ দুপুর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত
সামনের অংশেই অবস্থান করে

তাহলে তার আরাফাতে অবস্থান সহিহ হবে না,
এবং তার হজ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

মসজিদে নিমরাহ (নামিরাহ)...

শুধু একটি মসজিদ না
এখানেই উচ্চারিত হয়েছিল উম্মাহর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বার্তাগুলোর একটি।

আর এখানেই
একটা ছোট অজ্ঞানতা
একজন হাজির পুরো হজকে ঝুঁকিতে ফেলতে পারে।

জানাটা
কখনো কখনো ইবাদতকে ঠিক রাখার সবচেয়ে বড় অংশ।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন: 01898878633 ,
ওয়েব সাইট - https://www.bayyinahtravels.com/
📍 অফিস ঠিকানা: 301 M M Complex (2nd Floor), Mirpur 2/11, Pallabi, Dhaka

৮ই জিলহজ্ব যেদিন মিনায় যাবেন, সে “মিনা” মাশআরের ব্যাপারে ছোট্ট একটা ধারণা নিন 🌱🍀 আল্লাহ যদি এ বছর আপনাকে হজের সৌভাগ্য দা...
13/05/2026

৮ই জিলহজ্ব যেদিন মিনায় যাবেন, সে “মিনা” মাশআরের ব্যাপারে ছোট্ট একটা ধারণা নিন 🌱

🍀 আল্লাহ যদি এ বছর আপনাকে হজের সৌভাগ্য দান করেন 🌿
🌷 তাহলে ৮ই জিলহজ্ব আপনি যাবেন মিনা মাশআরে 🌷

🍀 মিনা আয়তনের দিক থেকে বড় বড় মাশআরের মধ্যে অন্যতম।
এর আয়তন আনুমানিক ১৭ বর্গ কিলোমিটার 🍀

🌹 এই স্থানে হযরত ইবরাহিম আ. তাঁর পুত্র হযরত ইসমাইল আ.–কে কুরবানি করতে উদ্যত হন এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁর পরিবর্তে পশু কুরবানী হয়। এবং এখানেই জামারাতে কঙ্কর নিক্ষেপ করা হয় 🌹

🌳 এই স্থানে সংঘটিত হয়েছিল প্রথম আকাবা বাইআত, নবী মুহাম্মদ ﷺ–এর নবুওয়াতের ১২তম বছরে। যেখানে আউস ও খাযরাজ গোত্রের ১২ জন ব্যক্তি তাঁর হাতে বাইআত গ্রহণ করেছিলেন 🌳

🥀 এই স্থানে সংঘটিত হয়েছিল দ্বিতীয় আকাবা বাইআত, নবুওয়াতের ১৩তম বছরে। যেখানে মদীনাবাসীদের মধ্য থেকে ৭৩ জন পুরুষ ও ২ জন নারী নবী ﷺ–এর হাতে বাইআত করেছিলেন 🥀

🌱 এই স্থানে নাযিল হয়েছিল সূরা আল-মুরসালাত।
সহীহ বুখারীতে আব্দুল্লাহ রা. থেকে বর্ণিত:
“আমরা একবার মিনার এক গুহায় নবী ﷺ–এর সঙ্গে ছিলাম, তখন তাঁর ওপর (ওয়াল মুরসালাত) নাযিল হলো। তিনি তা তিলাওয়াত করছিলেন আর আমি তাঁর মুখ থেকেই তা গ্রহণ করছিলাম, আর তাঁর মুখ তখনও তাতে সিক্ত ছিল।” 🌱

🤲 হে আল্লাহ! আমাদের সবাইকে মিনায় রাত্রিযাপনের তাওফিক দিন, তারপর আরাফায় অবস্থান, তারপর মুযদালিফার দিকে রওনা হওয়ার তাওফিক দিন—হে রহমানুর রহিম 🤲

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:
📞 01898878633 , 01898878634
🌐 ওয়েব সাইট - https://www.bayyinahtravels.com/
📍 অফিস ঠিকানা: 301 M M Complex (2nd Floor), Mirpur 2/11, Pallabi, Dhaka

13/05/2026

🧊 জমজমের ঠান্ডা পানি সরাসরি পান করা নিয়ে কিছু জরুরি সতর্কতা
পবিত্র ও বরকতময় জমজমের পানি পান করা আমাদের সবার জন্যই পরম সৌভাগ্যের। তবে হজ বা উমরার সফরে অনেকেই একটি সাধারণ ভুল করে বসেন—প্রচণ্ড গরমে তৃষ্ণা মেটাতে সরাসরি একদম কনকনে ঠান্ডা পানি পান করেন।
বিশেষজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ হাজীদের পরামর্শ অনুযায়ী, সরাসরি অতিরিক্ত ঠান্ডা জমজমের পানি পান করা থেকে বিরত থাকা উচিত। এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ নিচে তুলে ধরছি:

১. হঠাৎ তাপমাত্রার পরিবর্তন (Thermal Shock)
মক্কা-মদিনায় বাইরে প্রচণ্ড গরম থাকে। বাইরের উচ্চ তাপমাত্রা থেকে এসে হুট করে খুব ঠান্ডা পানি পান করলে শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়। এতে হঠাৎ অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

২. গলা ব্যথা ও সর্দি-কাশি
অতিরিক্ত ঠান্ডা পানি সরাসরি গলায় লাগলে টনসিল ফুলে যাওয়া, গলা ব্যথা এবং খুসখুসে কাশির সৃষ্টি হতে পারে। দীর্ঘ ভ্রমণের ক্লান্তি ও আবহাওয়া পরিবর্তনের মাঝে এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও দুর্বল করে দেয়।

৩. হজমে সমস্যা
অত্যধিক ঠান্ডা পানি পাকস্থলীর রক্তনালীগুলোকে সংকুচিত করে ফেলে, যা হজম প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

💡 আমাদের যা করা উচিত:
* **মিশিয়ে পান করুন:** জমজমের কুয়োর পাশে দেখবেন দুটি অপশন থাকে—**‘Cold’ (ঠান্ডা)** এবং **‘Not Cold’ (স্বাভাবিক)**। চেষ্টা করুন ঠান্ডা পানির সাথে কিছুটা সাধারণ তাপমাত্রার পানি মিশিয়ে পান করতে।

* **অল্প অল্প করে পান:** একবারে অনেকটা ঠান্ডা পানি না খেয়ে ধীরে ধীরে চুমুক দিয়ে পান করুন।

* **বসে এবং কিবলামুখী হয়ে:** সুন্নাহ অনুযায়ী বসে এবং তিন নিঃশ্বাসে পানি পান করুন। এটি কেবল সওয়াবের কাজই নয়, বৈজ্ঞানিকভাবেও শরীরের জন্য উপকারী।
আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবার হজ ও উমরাহ কবুল করুন এবং সুস্থতার সাথে ইবাদত করার তৌফিক দান করুন। আমিন। 🤲✨

পরামর্শ: অবশ্যই আপনার সাথে থাকা বয়োজ্যেষ্ঠদের এই ব্যাপারে সচেতন করবেন। সুস্থ শরীর ইবাদতে বেশি মনোযোগী হতে সাহায্য করে।

#জমজম #ইসলামিকজীবনদশর্ন

🕋 আপনি জানেন কি মক্কার হারাম এলাকার সীমানা কতটুকু?হারামে প্রবেশের আদব ও এমন কিছু তথ্য, যা অনেকেই জানেন না!মক্কা নগরী পৃথ...
12/05/2026

🕋 আপনি জানেন কি মক্কার হারাম এলাকার সীমানা কতটুকু?

হারামে প্রবেশের আদব ও এমন কিছু তথ্য, যা অনেকেই জানেন না!
মক্কা নগরী পৃথিবীর সবচেয়ে সম্মানিত ও পবিত্র ভূমিগুলোর একটি। এটি শুধু একটি শহর নয়—এটি আল্লাহ তাআলার বিশেষভাবে নির্ধারিত “হারাম” এলাকা। এই পবিত্র সীমার ভেতরে প্রতিটি মুহূর্ত, প্রতিটি আমল এবং প্রতিটি আচরণের আলাদা মর্যাদা রয়েছে।
অনেকেই মনে করেন শুধু কাবা শরিফই পবিত্র, কিন্তু বাস্তবে কাবাঘরকে কেন্দ্র করে চারপাশের বিশাল একটি নির্দিষ্ট অঞ্চল “হারাম” হিসেবে ঘোষিত। এই সীমা কোনো মানুষের নির্ধারণ করা নয়; বরং আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে নির্ধারিত।
ফেরেশতা জিবরাইল (আ.) আল্লাহর নির্দেশে হজরত ইবরাহিম (আ.)-কে হারামের সীমানা দেখিয়ে দেন। এরপর হজরত ইবরাহিম (আ.) বিভিন্ন স্থানে চিহ্ন স্থাপন করেন, যাতে মানুষ বুঝতে পারে কোথা থেকে হারাম এলাকার শুরু।

🌿 হারাম শরিফের মর্যাদা কতটুকু?
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন—
“আমাকে তো নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই শহরের রবের ইবাদত করতে, যিনি এ শহরকে সম্মানিত করেছেন।”
— সূরা নামল: ৯১

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—
“আল্লাহ যেদিন আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন, সেদিনই মক্কাকে হারাম ঘোষণা করেছেন। কিয়ামত পর্যন্ত এটি হারামই থাকবে।”
— সহিহ বুখারি: ৩১৮৯

এই হারাম এলাকার মর্যাদা এতটাই বেশি যে এখানে—
❌ যুদ্ধ করা নিষিদ্ধ
❌ রক্তপাত করা নিষিদ্ধ
❌ কাউকে অন্যায়ভাবে ভয় দেখানো নিষিদ্ধ
❌ পশুপাখি শিকার করা নিষিদ্ধ
❌ গাছপালা ও ঘাস কাটা পর্যন্ত নিষিদ্ধ
ভাবুন তো, এমন একটি ভূমি—যেখানে শুধু মানুষ নয়, গাছপালা ও প্রাণীকেও নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে! এটাই ইসলামের সৌন্দর্য, এটাই হারামের সম্মান।

📍 হারামের সীমানা কোথায় কোথায়?
কাবা শরিফকে কেন্দ্র করে সবদিকে সমান দূরত্ব নয়; বিভিন্ন দিক দিয়ে আলাদা আলাদা সীমা নির্ধারিত হয়েছে।
🔹 উত্তরে — তানঈম (মসজিদে আয়েশা)
মদিনার পথে অবস্থিত।
মসজিদে হারাম থেকে দূরত্ব প্রায় ৭–৮ কিলোমিটার।
🔹 পশ্চিমে — হুদায়বিয়া (বর্তমান শুমাইসি)
জেদ্দার পথে অবস্থিত।
দূরত্ব প্রায় ২২ কিলোমিটার।
🔹 উত্তর-পূর্বে — জি-ইরানা
তায়েফের পথে অবস্থিত।
দূরত্ব প্রায় ১৬–২২ কিলোমিটার।
🔹 দক্ষিণে — এযাতু লাবান (আকিশিইয়াহ)
ইয়েমেনের পথে অবস্থিত।
দূরত্ব প্রায় ১২–১৬ কিলোমিটার।
🔹 পূর্বে — নাখলাহ ও আরাফাতের দিক
নাখলাহ প্রায় ১৩ কিলোমিটার এবং আরাফাতের সীমা প্রায় ২২ কিলোমিটার দূরে।

🤲 হারাম এলাকায় প্রবেশের আদব
মুমিনের জন্য হারামে প্রবেশ শুধু একটি ভ্রমণ নয়; বরং এটি আত্মাকে আল্লাহর সামনে সোপর্দ করার মুহূর্ত। তাই কিছু আদব মেনে চলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
✨ ১. বেশি বেশি তওবা ও ইস্তিগফার করা
হারামের সীমানায় পৌঁছে নিজের গুনাহের জন্য কান্না করা, ক্ষমা চাওয়া এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসা সবচেয়ে উত্তম আমলগুলোর একটি।
✨ ২. তালবিয়া ও দরুদ পাঠ করা
“লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক…”
এই তালবিয়া হৃদয়কে নরম করে দেয় এবং বান্দাকে আল্লাহর দিকে আরও বিনয়ী করে তোলে।
✨ ৩. গোসল করে প্রবেশ করা
হারামে প্রবেশের আগে পবিত্রতা অর্জনের জন্য গোসল করা মুস্তাহাব। এটি শরীর ও আত্মা—দুইটিকেই প্রস্তুত করে।
✨ ৪. দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করা
সম্ভব হলে হারামের সীমায় পৌঁছে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়া অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ।
✨ ৫. মসজিদে হারামে ডান পা আগে দিয়ে প্রবেশ করা
এবং এই দোয়া পড়া সুন্নত—
“আল্লাহুম্মাফতাহলি আবওয়াবা রহমাতিক”
অর্থ:
“হে আল্লাহ! আমার জন্য আপনার রহমতের দরজাগুলো খুলে দিন।”
🕊️ মক্কার মাটিতে পা রাখা মানে শুধু পৃথিবীর একটি শহরে প্রবেশ করা নয়—এটি এমন এক ভূমিতে প্রবেশ করা, যাকে আল্লাহ নিজেই সম্মানিত করেছেন।

কত মানুষ বছরের পর বছর শুধু এই একটি জায়গা দেখার জন্য অপেক্ষা করে…
কত হৃদয় কাঁদে কাবার সামনে দাঁড়িয়ে একটি দোয়া করার জন্য…
কত গুনাহগার মানুষ সেখানে গিয়ে নতুন জীবন শুরু করে…
আল্লাহ যেন আমাদের সবাইকে তাঁর ঘর জিয়ারত করার তাওফিক দান করেন। আমিন। 🤍
📞 বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন: 01898878633 , 01898878634
ওয়েব সাইট - https://www.bayyinahtravels.com/
📍 অফিস ঠিকানা: 301 M M Complex (2nd Floor), Mirpur 2/11, Pallabi, Dhaka

#মক্কা
#হারাম_শরিফ
#কাবা
#ইসলামিক_তথ্য
#হজ
#উমরাহ
#মদিনা
#ইসলামিক_পোস্ট

হজ ইসলামের অন্যতম একটি রুকন, যা শারীরিক ও মানসিকভাবে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। বিপুল জনসমাগম এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে হজের...
11/05/2026

হজ ইসলামের অন্যতম একটি রুকন, যা শারীরিক ও মানসিকভাবে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। বিপুল জনসমাগম এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে হজের সময় হাজীদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। প্রধান সমস্যাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
• তীব্র গরম ও তাপজনিত অসুস্থতা: সৌদি আরবের প্রচণ্ড গরম, রোদ এবং মানুষের ভিড় থেকে নির্গত তাপে হিট স্ট্রোক ও পানিশূন্যতা [Heat Stress] হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
• অতিরিক্ত ভিড় ও পদদলিত হওয়ার ঝুঁকি: মিনা, আরাফাত এবং জামারাত-এ শয়তানকে পাথর মারার সময় প্রচণ্ড ভিড় হয়, যা অনেক সময় পদদলিত বা ভিড়ের কারণে দুর্ঘটনা [Stampedes] ঘটাতে পারে।
• শারীরিক ক্লান্তি ও অসুস্থতা: দীর্ঘ সময় হাঁটা (মক্কা-মিনা প্রায় ৮ কি.মি.) এবং শারীরিক পরিশ্রমের কারণে প্রচণ্ড ক্লান্তি সৃষ্টি হয়। এছাড়াও, ভাইরাসজনিত জ্বর, ঠান্ডা-কাশি, শ্বাসকষ্ট এবং পেটের সমস্যা [Infectious Diseases] সাধারণ বিষয়।
• যানজট ও যাতায়াত সমস্যা: মিনা, আরাফাত ও মুজদালিফার মধ্যে যাতায়াতের সময় বাসের প্রচণ্ড যানজট এবং পরিবহন পেতে দেরি হওয়া অন্যতম প্রধান সমস্যা।
• পরিবার ও দলের সদস্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া: জনস্রোতে অনেক হাজী হারিয়ে যান বা নিজেদের দল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন ।
• টয়লেট ও আবাসস্থলের সমস্যা: মিনা ও আরাফাতে একসাথে লাখ লাখ মানুষের জন্য টয়লেট ও ওযুর জায়গার সংকট হতে পারে।
• শারীরিক সীমাবদ্ধতা (মহিলাদের জন্য): হজের সময় নারীদের পিরিয়ড বা হায়েজ শুরু হলে তাওয়াফ-ই-যিয়ারত করতে সমস্যা হয়, যা বিশেষ ফিকহী নির্দেশনার মাধ্যমে সমাধান করতে হয় ।
সমাধানের উপায়:
• প্রচুর পানি ও তরল পান করুন।
• ছাতা ব্যবহার করুন এবং সরাসরি রোদ এড়িয়ে চলুন।
• ভিড় এড়িয়ে চলুন এবং ট্রাফিকের সময় সচেতন থাকুন।
• নিজেদের পরিচয়পত্র ও পরিচয় নিশ্চিত করার ব্যবস্থা (আইডি কার্ড, রিস্টব্যান্ড) সাথে রাখুন।
• প্রয়োজনীয় ওষুধ সঙ্গে রাখুন এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন।
• ধৈর্য ধারণ করুন এবং নিয়মিত প্রয়োজনীয় মাসায়েল সম্পর্কে অবগত হোন।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:
📞 01898878633 , 01898878634
🌐 ওয়েব সাইট - https://www.bayyinahtravels.com/
📍 অফিস ঠিকানা: 301 M M Complex (2nd Floor), Mirpur 2/11, Pallabi, Dhaka

🕌 মসজিদে খায়েফ — “নবীদের মসজিদ”মিনা প্রান্তরের এক ঐতিহাসিক ও বরকতময় নিদর্শন▪️মসজিদে খায়ফ মিনার দক্ষিণ পাশে অবস্থিত, ছোট ...
10/05/2026

🕌 মসজিদে খায়েফ — “নবীদের মসজিদ”

মিনা প্রান্তরের এক ঐতিহাসিক ও বরকতময় নিদর্শন

▪️মসজিদে খায়ফ মিনার দক্ষিণ পাশে অবস্থিত, ছোট জামারার নিকটে। এটি সেই ঐতিহাসিক স্থান যেখানে রাসূলুল্লাহ ﷺ এবং বহু নবী সালাত আদায় করেছেন। এজন্য একে “মসজিদুন নবিয়্যীন” বা “নবীদের মসজিদ”ও বলা হয়।

📖 “খায়ফ” শব্দের অর্থ
▪️আরবি “الخيف” (আল-খায়ফ) অর্থ— পাহাড়ের ঢালু উঁচু স্থান, যা উপত্যকার পানির প্রবাহ থেকে একটু উঁচুতে থাকে। এই ভূ-প্রকৃতির কারণেই মসজিদটির নাম হয়েছে “মসজিদে খায়ফ”।

🌙 মসজিদে খায়ফের ফজিলত
▪️রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ “মসজিদে খায়ফে সত্তরজন নবী সালাত আদায় করেছেন।” (বর্ণনা: ইবনে আব্বাস (রা.), মাজমাউয যাওয়ায়েদ)

এই হাদীস থেকেই বোঝা যায়, এটি সাধারণ কোনো মসজিদ নয়; বরং বহু নবীর ইবাদতের স্মৃতিবাহী এক বরকতময় স্থান।

🕋 বিদায় হজ্জের স্মৃতি

সাহাবি ইয়াযীদ ইবনে আসওয়াদ (রা.) বর্ণনা করেন—
তিনি রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর সঙ্গে হজ্জ করেন এবং মসজিদে খায়ফে ফজরের সালাত আদায় করেন।

➡️ বিদায় হজ্জের সময় রাসূল ﷺ মিনায় অবস্থানকালে এখানে খুতবা দেন এবং সাহাবাদের তাঁবু স্থাপনের নির্দেশনা দেন।

🕌 বর্তমান মসজিদ

বর্তমানে সৌদি সরকার মসজিদটি পুনর্নির্মাণ ও সম্প্রসারণ করেছে। বিশাল এই মসজিদে প্রায় ২৫ হাজার মুসল্লি একসঙ্গে সালাত আদায় করতে পারেন।

🌿 আমাদের জন্য শিক্ষা

মসজিদে খায়ফ আমাদের মনে করিয়ে দেয়—

✅ নবীদের পথ ছিল ইবাদত, তাওহীদ ও আল্লাহর আনুগত্যের পথ।
✅ দুনিয়ার চাকচিক্য নয়, আখিরাতই মুমিনের আসল লক্ষ্য।
✅ ইতিহাসের এই স্থানগুলো ঈমানকে জাগ্রত করে এবং নবীদের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।

🤲 আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে নবীদের আদর্শ অনুসরণ করে ইখলাসের সঙ্গে ইবাদত করার তাওফিক দান করুন। আমীন।

🔵 বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:
📞 01898878633 , 01898878634
🌐 ওয়েব সাইট - https://www.bayyinahtravels.com/
📍 অফিস ঠিকানা: 301 M M Complex (2nd Floor), Mirpur 2/11, Pallabi, Dhaka.

#মসজিদে_খায়ফ #মিনা #হজ্জ #ইসলামের_ইতিহাস #নবীদের_মসজিদ #ইসলামিক_পোস্ট #সুন্নাহ #হাদিস

বিরে আরিস (بئر أريس)মদীনা মুনাওয়ারার মসজিদে কুবা-এর পাশে অবস্থিত বিরে আরিস (بئر أريس)।এই কূপের ধারে মুহাম্মদ ﷺ বসেছিলেন।...
09/05/2026

বিরে আরিস (بئر أريس)

মদীনা মুনাওয়ারার মসজিদে কুবা-এর পাশে অবস্থিত বিরে আরিস (بئر أريس)।

এই কূপের ধারে মুহাম্মদ ﷺ বসেছিলেন। তিনি কূপের পাড়ে বসে তাঁর পবিত্র পায়ের কাপড় উন্মোচন করে দুই পা কূপের ভিতরে ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন। তার পাশে বসেছিলেন দুই মহান সাহাবি—আবু বকর সিদ্দীক এবং উমর ইবন খাত্তাব রাযি., এবং তারাও রাসূল ﷺ যেমন করেছিলেন তেমনই করেছিলেন। এরপর উসমান ইবন আফফান রাযি. এসে তাঁদের বিপরীত পাশে বসেন এবং তিনিও একইভাবে করেন।

এই কূপের কাছেই রাসূল ﷺ, আবু বকর ও উমর রাযি.-কে জান্নাতের সুসংবাদ দেন। আর উসমান রাযি.-কেও জান্নাতের সুসংবাদ দেন, তবে এমন এক পরীক্ষার (বিপদের) কথা জানান যা তাঁর উপর আসবে।

এই কূপের আরেক নাম “বিরে খাতাম” (আংটির কূপ)। কারণ, রাসূল ﷺ-এর আংটি এখানে পড়ে গিয়েছিল। আংটিটি প্রথমে রাসূল ﷺ-এর হাতে ছিল তাঁর ইন্তেকাল পর্যন্ত। এরপর তা ছিল তাঁর খলিফা আবু বকর রাযি.-এর হাতে, তারপর উমর রাযি.-এর হাতে, এরপর উসমান রাযি.-এর হাতে তাঁর খেলাফতকালে। তখন সেটি তাঁর হাত থেকে এই কূপে পড়ে যায়। তিনি তিন দিন পর্যন্ত কূপ খালি করার নির্দেশ দেন, কিন্তু আংটি পাওয়া যায়নি। এই ঘটনাকে অনেকেই শাসনব্যবস্থার দুর্বলতা ও ফিতনার সূচনার লক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

আরও আশ্চর্যের বিষয় হলো—একজন সাহাবি জায়েদ ইবন খারিজা রাযি.-এর থেকে একটি অলৌকিক ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। তিনি মৃত্যুর পর কথা বলেছিলেন। উপস্থিত লোকেরা তাঁর বুকে শব্দ শুনতে পান, তারপর তিনি বলেন:
“আহমদ, আহমদ—প্রথম কিতাবে সত্য, সত্য।
আবু বকর সিদ্দীক—নিজে দুর্বল কিন্তু আল্লাহর কাজে শক্তিশালী—প্রথম কিতাবে সত্য, সত্য।
উমর ইবন খাত্তাব—শক্তিশালী ও বিশ্বস্ত—প্রথম কিতাবে সত্য, সত্য।
উসমান ইবন আফফান—তাঁদের পথেই আছেন।
চার বছর কেটে গেছে, দুই বছর বাকি।
ফিতনা এসে গেছে, শক্তিশালী দুর্বলকে গ্রাস করছে, কিয়ামত নিকটবর্তী।
তোমাদের কাছে বিরে আরিসের খবর আসবে—বিরে আরিস কী!”

এই ঘটনা উসমান রাযি.-এর খেলাফতের চার বছর পর ঘটেছিল এবং আংটি হারানোর দুই বছর আগে।

এই কূপ একসময় দৃশ্যমান ছিল এবং কালো পাথর দিয়ে নির্মিত ছিল । কূপের গভীরতা ছিল তখন প্রায় ৬.৩ মিটার, চওড়া ২.২ মিটার এবং পানির স্তর ছিল ১.৩ মিটার। বৃষ্টিপাতের ফলে পানির স্তর ওঠানামা করত। ১৩১৭ খ্রিষ্টাব্দে (৭১৪ হিজরি) কূপের তলদেশে নামার জন্য একটি সিঁড়ি তৈরি করা হয়। উসমানি শাসনামলে কুপের উপর জিপসাম দিয়ে একটি গম্বুজ তৈরি করা হয় এবং এর দক্ষিণে আরেকটি গম্বুজ নির্মাণ করা হয়। পরে এর উপর কুবা মসজিদের খাদেমের জন্য একটি ঘর নির্মাণ করা হয় এবং একটি গম্বুজ তৈরি হয়।

১৯৬৪ সালে (১৩৮৪ হিজরি) মদিনা পৌরসভা কূপটির গম্বুজ দুটো ভেঙে ফেলে এবং কূপটি মার্বেল পাথর দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়। সম্প্রতি এর স্থান পুনরায় চিহ্নিত করা হয়েছে এবং সেখানে বর্গক্ষেত্রের মধ্যে একটি গোলক এঁকে দেয়া হয়েছে।

📞 বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন: 01898878633 , 01898878634
ওয়েব সাইট - https://www.bayyinahtravels.com/
📍 অফিস ঠিকানা: 301 M M Complex (2nd Floor), Mirpur 2/11, Pallabi, Dhaka


#মসজিদে_কুবা #হজ২০২৬ #ইসলামিক_নিউজ

09/05/2026

🕋 মক্কায় হাজীদেরকে নিয়ে হজ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তা'লীম
➡️ সম্মানিত হাজী সাহেবগণ মক্কার যমীনে অবস্থান করছেন। আছরের পর তাদের নিয়ে মদিনার আমল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তা'লীম দেয়া হচ্ছে।

⭐ তা'লীমে উপস্থিত রয়েছেন "বায়্যিনাহ ট্রাভেলস" এর সম্মানিত চেয়ারম্যান সাহেব এবং অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়েছেন শায়খুল হাদীস হযরতুল আল্লাম ইহতিশামুল হক্ব নোমান সাহেব (দা. বা.)

🤲 আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা হাজীদের হজকে হজ্জে মাবরুর হিসেবে কবুল করে নিন। (আমিন)

08/05/2026

মিনার এই তাবুগুলো শুধু থাকার জায়গা নয়, বরং আল্লাহর দরবারে নিজেকে সপে দেওয়ার এক মিলনমেলা। চারদিকে শুধু একটাই ধ্বনি— "লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক"।
আল্লাহর মেহমানদের এই সফরের প্রতিটি মুহূর্ত কবুল হোক। আমাদের জন্য দোয়া করবেন। 🤲✨

Address

M M Complex 301-2 2nd Floor Mirpur 11 1/2
Mirpur
1216

Website

https://www.linkedin.com/company/bayyinahtravels/

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bayyinah Travels posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share