GoZiyarah

GoZiyarah Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from GoZiyarah, Travel Agency, Muradpur.
(1)

শরিয়াহভিত্তিক দিকনির্দেশনা, অভিজ্ঞ আলেমদের তত্ত্বাবধানে নির্ভরযোগ্য সাপোর্ট টিমের মাধ্যমে আমরা নিশ্চিত করি পরিকল্পিত হজ্জ ও উমরাহ সফর।

যোগাযোগ করুন আজই: +880 1828-877771

28/05/2026
تقبل الله منا ومنكمআল্লাহ আমাদের ও আপনাদের নেক আমল গুলো কবুল করুন।
27/05/2026

تقبل الله منا ومنكم
আল্লাহ আমাদের ও আপনাদের নেক আমল গুলো কবুল করুন।

আপনি জানেন তো ১০ই জিলহজের কি কি করতে হবে?মুজদালিফা থেকে সকালে মিনায় পৌঁছানোর পর ১০ জিলহজ ধারাবাহিকভাবে ৪টি কাজ করতে হয়:-...
27/05/2026

আপনি জানেন তো ১০ই জিলহজের কি কি করতে হবে?

মুজদালিফা থেকে সকালে মিনায় পৌঁছানোর পর ১০ জিলহজ ধারাবাহিকভাবে ৪টি কাজ করতে হয়:-

১. বড় শয়তানকে পাথর মারা (রমী): মিনায় পৌঁছে অন্য কোনো কাজ করার আগে প্রথমে শুধু বড় শয়তানকে (জামারাতুল আকাবা) লক্ষ্য করে ৭টি পাথর নিক্ষেপ করবেন। প্রতিটি পাথর মারার সময় আল্লাহু আকবার বলবেন। প্রথম পাথরটি মারার সাথে সাথেই আপনার তালবিয়া (লাব্বাইক পড়া) বন্ধ হয়ে যাবে।

২. কুরবানি করা (হাদি): পাথর মারা শেষ করে কুরবানি করবেন। যারা হজে তামাত্তু বা কেরান করছেন, তাদের জন্য এই কুরবানি করা ওয়াজিব।

৩. মাথা মুণ্ডন করা (হলক): কুরবানির পর মাথার চুল সম্পূর্ণ কামিয়ে ফেলবেন অথবা পুরো মাথার চুল আঙুলের এক কর পরিমাণ ছোট করবেন (পুরুষদের জন্য মাথা ন্যাড়া করা উত্তম), নারীরা শুধু চুলের অগ্রভাগ থেকে এক ইঞ্চি পরিমাণ কাটবেন)। এই কাজটির মাধ্যমে আপনার ইহরামের প্রথম তাহাল্লুল বা আংশিক মুক্তি ঘটবে। এখন আপনি সাধারণ পোশাক পরতে পারবেন এবং স্ত্রী সহবাস ছাড়া ইহরামের কারণে নিষিদ্ধ সব কাজ আপনার জন্য হালাল হয়ে যাবে।

৪. তাওয়াফে জিয়ারত ও সাঈ: এরপর মক্কায় গিয়ে কাবা শরিফের তাওয়াফে জিয়ারত (ফরজ তাওয়াফ) করবেন এবং সাঈ সম্পন্ন করবেন। এই তাওয়াফটি শেষ করার পর আপনার দ্বিতীয় তাহাল্লুল হবে, অর্থাৎ স্ত্রী সহবাসসহ ইহরামের সব নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি উঠে যাবে। (এই তাওয়াফটি ১২ জিলহজ সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত যেকোনো সময় করা যায়)। তাওয়াফ শেষে আবার মিনায় ফিরে আসবেন।

হজের সফরে আছেন কিন্ত ভাবছেন দিনটি কিভাবে অতিবাহিত করবেন? আসুন জেনে নেইঃ-৯ জিলহজ অর্থাৎ আরাফাতের দিনটি পুরো হজের সবচেয়ে গ...
25/05/2026

হজের সফরে আছেন কিন্ত ভাবছেন দিনটি কিভাবে অতিবাহিত করবেন? আসুন জেনে নেইঃ-

৯ জিলহজ অর্থাৎ আরাফাতের দিনটি পুরো হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "আল-হাজ্জু আরাফাহ" অর্থাৎ আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করাই হলো মূল হজ। এই মহামূল্যবান দিনটি কীভাবে পার করবেন, তার একটি রূপরেখা নিচে দেওয়া হলো:-

১. আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া (৯ জিলহজ সকালবেলা):- মিনায় ৯ জিলহজের ফজর সালাত আদায় করার পর সূর্য উদিত হলে তালবিয়া পড়তে পড়তে (লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক....) আরাফাতের ময়দানের দিকে রওনা হবেন।

২. জোহর ও আসর সালাত আদায় করা:- আরাফাতের ময়দানে জোহর ও আসরের সালাত একসাথে মিলিয়ে (জমা করে) পড়া সুন্নাত। জোহরের ওয়াক্তে প্রথমে জোহর ২ রাকাত এবং এরপর আসর ২ রাকাত (কসর করে) এক আজান ও দুই ইকামতে আদায় করতে হয়।
- নামাজ শেষ করার পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পুরো সময়টি শুধুই দোয়াতে মশগুল থাকবেন।

৩. উকুফে আরাফাহ বা দাঁড়িয়ে তাওবা-দোয়া করা (সবচেয়ে প্রধান আমল):- দুপুরের পর থেকে নিয়ে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়টুকুকে উকুফে আরাফাহ বলা হয়। এই সময়টুকু হাত তুলে, কেবলামুখী হয়ে, দাঁড়িয়ে বা বসে বিনীতভাবে দুয়া করবেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) এই সময়ে দীর্ঘক্ষণ হাত তুলে দাঁড়িয়ে দোয়া করেছিলেন।
- এটি বছরের সবচেয়ে সেরা দিন এবং এই দিনে আল্লাহ তাআলা সবচেয়ে বেশি মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন ও বান্দার দোয়া কবুল করেন। তাই অলসতা বা গল্পগুজব করে এক মুহূর্তও নষ্ট করবেন না।

৪. আরাফাতের দিনের বিশেষ জিকির ও দোয়া:- বেশি বেশি তালবিয়া পড়তে থাকবেন: লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক...।
- রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আরাফাতের দিনের সেরা দোয়া হলো এই তাসবিহটি, এটি সারাদিন বারবার পড়বেন: "লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।"
- এছাড়া নিজের গুনাহের জন্য খাঁটি মনে তওবা ও ইস্তিগফার করবেন। নিজের দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ, মা-বাবা, পরিবার এবং পুরো মুসলিম উম্মাহর জন্য মন খুলে দোয়া করবেন।

৫. সূর্যাস্তের পর মুজদালিফার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়া:- সূর্য সম্পূর্ণ ডুবে যাওয়ার পর মাগরিবের নামাজ না পড়েই অত্যন্ত শান্ত ও ধীরস্থিরভাবে আরাফাতের ময়দান ত্যাগ করে মুজদালিফার দিকে রওনা হবেন। সেখানে খোলা আকাশের নীচে রাত্রি যাপন করতে হবে।
- মুজদালিফায় গিয়ে এশার ওয়াক্তে মাগরিব (৩ রাকাত) এবং এশা (২ রাকাত) একসাথে মিলিয়ে পড়তে হয়।

৬. মুজদালিফা থেকে মিনার উদ্দেশ্যে রওনা:- রাতে মুজদালিফায় অবস্থান করে সকালে ফজরের সালাত মুজদালিফায় আদায় করে লম্বা সময় নিয়ে দুয়া করা। রাসুল (সা.) মুজদালিফায় ফজরের সালাত আদায় করে লম্বা সময় নিয়ে দুয়া করেছেন। দুয়ার পর মিনার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হবে।

✨ আপনার হজ্জের সফরকে সহজ ও সুন্নাহভিত্তিক করতে GoZiyarah আছে আপনার পাশে। ২০২৭ সালের হজ্জের রেজিস্ট্রেশন কিন্তু ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে!

📞 বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন: 01828-877771

জাযাকুমুল্লাহু খাইরান ওয়া বারাকাল্লাহু ফি কুম

৮ই জিলহজ মিনার দিনটি যেভাবে অতিবাহিত করবেন:-৮ জিলহজ (যা ইয়াউমুত তারবিয়াহ বা পানি সংগ্রহের দিন নামে পরিচিত) হলো হজের মূ...
25/05/2026

৮ই জিলহজ মিনার দিনটি যেভাবে অতিবাহিত করবেন:-

৮ জিলহজ (যা ইয়াউমুত তারবিয়াহ বা পানি সংগ্রহের দিন নামে পরিচিত) হলো হজের মূল আনুষ্ঠানিকতার প্রথম দিন। এই দিনে মিনায় অবস্থান করা এবং সেখানে সুনির্দিষ্ট কিছু নিয়ম ও আমল পালন করা সুন্নাত।
কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে ৮ জিলহজ মিনার কাজ এবং আমলগুলো নিচে ক্রমানুসারে দেওয়া হলো:

১. ৮ই জিলহজ মক্কা/শিশা/আজিজিয়া থেকে মিনার উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার প্রস্তুতি (সকালবেলা)

-ইহরাম বাঁধা: ৮ জিলহজ সকালবেলা মক্কার বাসস্থান থেকেই হজের নিয়তে নতুন করে ইহরাম বাঁধবেন।

- গোসল ও সুগন্ধি: ইহরামের কাপড় পরার আগে গোসল করা এবং শরীরে সুগন্ধি লাগানো সুন্নাত (তবে কাপড়ে নয়)।

- হজের নিয়ত ও তালবিয়া: ইহরামের কাপড় পরে হজের নিয়ত করবেন: লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা হাজ্জান (হে আল্লাহ! আমি হজের উদ্দেশ্যে আপনার দরবারে হাজির)। এরপর উচ্চস্বরে তালবিয়া পাঠ শুরু করবেন: লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক...।

২. মিনায় ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায়:- রাসুলুল্লাহ (সা.) মিনায় এই নামাজগুলো এভাবে পড়েছেন:
- জোহর, আসর ও এশার নামাজ কসর করা: এই তিন ওয়াক্তের ৪ রাকাতের ফরজ নামাজগুলো আপনি ২ রাকাত করে (কসর) পড়বেন।
- মাগরিব ও ফজর নামাজ: মাগরিব ৩ রাকাত এবং ফজর ২ রাকাত—পুরোটা আদায় করবেন (এগুলোতে কোনো কসর নেই)।
- ওয়াক্তমতো পড়া: নামাজগুলো যার যার ওয়াক্তে পড়তে হবে।
- জামায়াতে পড়া: মিনার তাঁবুতে অন্য হাজিদের সাথে জামায়াতের সাথে নামাজ আদায় করার চেষ্টা করবেন।

৩. মিনায় রাত্রিযাপন করা:- ৮ জিলহজ দিবাগত রাত (অর্থাৎ ৯ জিলহজের রাত) মিনায় অবস্থান বা রাত্রিযাপন করা সুন্নাত। রাসুলুল্লাহ (সা.) এই রাতে মিনায় অবস্থান করেছিলেন এবং ৯ জিলহজ ফজর নামাজ মিনায় আদায় করে তারপর আরাফাতের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন।

৪. সারাদিনের সাধারণ আমল ও জিকির:-মিনায় তাঁবুতে অবস্থানের পুরো সময়টাতে কোনো দুনিয়াবি বা অনর্থক কথাবার্তায় লিপ্ত না হয়ে নিচের আমলগুলোতে মশগুল থাকবেন:
- বেশি বেশি তালবিয়া পাঠ করা: বসা, দাঁড়ানো বা শোয়া—সব অবস্থায় মুখ দিয়ে অনবরত তালবিয়া পড়তে থাকুন। হজের এই সময়ে আল্লাহর কাছে এটি সবচেয়ে প্রিয় জিকির।
- আল্লাহর জিকির ও তাসবিহ: সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার এবং ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করতে থাকুন।
- কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া: নিজের জন্য, মা-বাবার জন্য এবং পুরো মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করুন।

আল্লাহ সকল হাজীদের হজকে কবুল করুন আমিন।

,

মিনা থেকে জামারাত: কষ্টের সফরকে সহজ করতে ব্যাগে কী কী রাখবেন?- ছোট কাঁধের ব্যাগ- ইহরাম (এক্সট্রা সেট)- মহিলাদের জন্য: ২ ...
24/05/2026

মিনা থেকে জামারাত: কষ্টের সফরকে সহজ করতে ব্যাগে কী কী রাখবেন?

- ছোট কাঁধের ব্যাগ
- ইহরাম (এক্সট্রা সেট)
- মহিলাদের জন্য: ২ জোড়া ঢিলেঢালা, হালকা ও আরামদায়ক সুতি আবায়া বা পোশাক
- আরামদায়ক হাঁটার স্যান্ডেল
- পকেট জায়নামাজ
- ঔষধ (৩দিনের পরিমাণ)
- ওরাল স্যালাইন (ORS) বা ইলেকট্রোলাইট ড্রিংকস
- পাওয়ার ব্যাংক
- চার্জার
- ছাতা ও চশমা
- টয়লেট্রিজ (সুগন্ধবিহীন)
- শুকনা খাবার ও স্ন্যাকস
- পানির বোতল
- নুসুক (Nusuk) আইডি কার্ড
- কিছু সৌদি রিয়াল
- সৌদি সিম (ইন্টারনেট সম্বলিত হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার ও গুগল ম্যাপ দেখার জন্য)

বিঃ দ্রঃ- মনে রাখবেন, প্রচণ্ড গরমে অতিরিক্ত ওজন পিঠে নিয়ে আপনাকে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার হাঁটতে হতে পারে। তাই ব্যাগ প্যাকিং এর ক্ষেত্রে বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

জাযাকুমুল্লাহু খায়রান ওয়া বারাকাল্লাহু ফি কুম

GoZiyarah পরিবার

হজের সময় পানি শূন্যতা? জেনে নিন কিভাবে দুর করবেন।হজে হাইড্রেশনের গুরুত্বপূর্ণ টিপস কিছু টিপস:-- প্রতিদিন কমপক্ষে ৩.৫–৫ ল...
23/05/2026

হজের সময় পানি শূন্যতা? জেনে নিন কিভাবে দুর করবেন।

হজে হাইড্রেশনের গুরুত্বপূর্ণ টিপস কিছু টিপস:-

- প্রতিদিন কমপক্ষে ৩.৫–৫ লিটার পানি পান করুন
গরমে ঘাম বেশি হলে ৫ লিটার পর্যন্ত লাগতে পারে। তৃষ্ণা পাওয়ার আগেই ছোট ছোট চুমুকে খান।

- জমজমের পানি “Not Cold / Normal” ট্যাপ থেকে নিন (আপনার আগের টিপস অনুযায়ী) হঠাৎ ঠান্ডা পানি এড়িয়ে চলুন। শরীর গরম থাকলে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিই সবচেয়ে নিরাপদ।

- ছোট ছোট বোতল সাথে রাখুন:-
৫০০ মিলি বা ১ লিটারের রিইউজেবল বোতল নিয়ে যান। হারাম শরীফ, মিনা, আরাফাত, মুজদালিফা—সব জায়গায় সহজে রিফিল করা যায়।

- খেজুর + জমজমের কম্বিনেশন:-
প্রতি ১-২ ঘণ্টায় ২-৩টা খেজুর + এক চুমুক জমজম। খেজুরে প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট আছে, ডিহাইড্রেশন দ্রুত পুষিয়ে দেয়। রাসূল ﷺ-এর সুন্নাহও।

- সকাল ও সন্ধ্যায় বেশি পানি খান
দুপুর ১২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত রোদে কম বের হোন। এই সময়টা ছায়ায় থেকে হাইড্রেটেড থাকুন।
ইলেকট্রোলাইটের জন্য প্রাকৃতিক উপায় লেবু-মধু-পানির শরবত (যদি হোটেলে বানানো যায়), নারকেল পানি (পাওয়া গেলে)

- ওরসালাইন স্যাচেট সাথে রাখুন (ডাক্তারের পরামর্শে)। চিনি-মিষ্টি ড্রিংকস এড়িয়ে চলুন।

ইহরাম, আরাফাত ও রমি-জামরাতের সময় বিশেষ সতর্কতা:-
- এই দিনগুলোতে শারীরিক পরিশ্রম সবচেয়ে বেশি। প্রতি ৩০-৪৫ মিনিট অন্তর ১৫০-২০০ মিলি পানি খান।

- ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ চিনুন:-
গাঢ় হলুদ রঙের প্রস্রাব
মাথা ঘোরা, শুকনো মুখ, অতিরিক্ত ক্লান্তি হাত-পা খিলখিলে হয়ে যাওয়া লক্ষণ দেখা দিলে তৎক্ষণাৎ ছায়ায় বসুন এবং ধীরে ধীরে পানি + লবণ-চিনির মিশ্রণ খান।

-ক্যাফেইন ও চা-কফি কম খান:-
এগুলো ডিহাইড্রেশন বাড়ায়। পরিবর্তে গরম দুধ-চা সামান্য খেতে পারেন।

- হোটেল/তাঁবুতে রাতে ভালো করে হাইড্রেট করুন
ঘুমানোর আগে ও উঠে ২ গ্লাস স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি খান।

জাযাকুমুল্লাহু খায়রান ওয়া বারাকাল্লাহু ফি কুম

"আমার ঘর এবং মিম্বারের মধ্যবর্তী স্থানটুকু জান্নাতের বাগানসমূহের একটি বাগান।"—রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর এই বাণীই প্রমাণ করে রাউদা...
16/05/2026

"আমার ঘর এবং মিম্বারের মধ্যবর্তী স্থানটুকু জান্নাতের বাগানসমূহের একটি বাগান।"—রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর এই বাণীই প্রমাণ করে রাউদা শরিফের মহিমান্বিত মর্যাদা। এই পবিত্র জান্নাতের বাগানে দাঁড়িয়ে একজন মুমিনের আচরণ কেমন হওয়া উচিত? কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে রাউদা জিয়ারতের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ করণীয় ও বর্জনীয় বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো।:-

✔️ রাউদা জিয়ারতের করণীয় দিকসমূহ (যা করবেন)
রাউদা শরিফ জিয়ারতের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত আল্লাহর সন্তুষ্টি, রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি ভালোবাসা প্রদর্শন এবং সুন্নাহর অনুসরণ।

১. নিয়ত খাঁটি করা: শুধু আল্লাহ তা'আলার সন্তুষ্টি এবং রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর রওজা জিয়ারত ও মসজিদে নববীতে সালাত আদায়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করা।

২. নম্রতা ও গাম্ভীর্য বজায় রাখা: অত্যন্ত বিনয়, নম্রতা এবং অন্তরে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান ও ভালোবাসা নিয়ে মসজিদে নববীতে প্রবেশ করা।

৩. রিয়াজুল জান্নাহ-এ সালাত আদায়: রাউজাতে মূল অংশ (যা রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর হুজরা মোবারক থেকে তাঁর মিম্বার পর্যন্ত বিস্তৃত) সম্পর্কে রাসুল ﷺ বলেছেন:
> "আমার ঘর এবং আমার মিম্বারের মধ্যবর্তী স্থানটুকু জান্নাতের বাগানসমূহের একটি বাগান।" (সহীহ বুখারী)
> তাই এখানে সুযোগ পেলে দুখুলুল মসজিদ আদায় করা যায়।

৪. রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি সালাম পেশ করা: রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর রওজা মোবারকের সামনে দাঁড়িয়ে অত্যন্ত শান্ত ও নিচু কণ্ঠে (চিৎকার না করে) সালাম পেশ করা। যেমন:
> *"আসসালামু আলাইকা ইয়া রাসূলাল্লাহ"

৫. আবু বকর (রা.) ও ওমর (রা.)-এর প্রতি সালাম: রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর সালাম শেষে তাঁর ডান পাশে থাকা প্রথম খলিফা হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) এবং এরপর হযরত ওমর ফারুক (রা.)-এর প্রতি সালাম পেশ করা।

৬.বেশি বেশি দরুদ পাঠ: মদিনায় অবস্থানকালীন পুরোটা সময় এবং বিশেষ করে জিয়ারতের সময় রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি বেশি বেশি দরুদ ও সালাম পাঠ করা।

❌রাউদা জিয়ারতের বর্জনীয় দিকসমূহ (যা থেকে বিরত থাকে উচিত)
জিয়ারতের সময় আবেগের অতিশয্যে অনেকে এমন কিছু কাজ করে বসেন যা শরিয়তসম্মত নয়, বরং কোনো কোনোটি শিরক বা বিদআতের পর্যায়ে পড়ে। এগুলো থেকে কঠোরভাবে বেঁচে থাকতে হবে:
১. উচ্চস্বরে কথা বলা বা শোরগোল করা: রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর পবিত্র রওজার সামনে উচ্চস্বরে কথা বলা বা চিৎকার করে সালাম দেওয়া সম্পূর্ণ নিষেধ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন:
> "হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর কণ্ঠস্বরের ওপর তোমাদের কণ্ঠস্বর উঁচু করো না..." (সূরা আল-হুজুরাত: ২)

২. রওজা মোবারক বা দেয়াল স্পর্শ ও চুম্বন করা: বরকতের আশায় রওজা মোবারকের গ্রিল, দেয়াল বা মিম্বার স্পর্শ করা, জড়াজড়ি করা বা সেখানে চুম্বন করা বিদআত। সাহাবায়ে কেরাম বা তাবেয়ীদের কেউ এমনটা করেননি।

৩. রওজার দিকে মুখ করে দোয়া করা: দোয়া কেবল আল্লাহর কাছেই করতে হয়। রওজা মোবারকের সামনে দাঁড়িয়ে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর উসিলা বা মাধ্যম দিয়ে আল্লাহর কাছে দোয়া করা যাবে, কিন্তু রওজার দিকে মুখ করে হাত তুলে মোনাজাত করা অনুচিত। দোয়া করার সময় কেবল কেবলামুখী (কাবার দিকে) হয়ে হাত তুলতে হবে।

৪. রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে সরাসরি কিছু চাওয়া:এটি সবচেয়ে মারাত্মক ভুল। রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে সন্তান, সুস্থতা, রিজিক বা ক্ষমা প্রার্থনা করা স্পষ্ট **শিরক**। কারণ দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ। রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে শুধু তাঁর শাফায়াত (সুপারিশ) কামনা করা যেতে পারে আল্লাহর দরবারে পেশ করার জন্য।

৫. রওজা মোবারককে সেজদা করা: রওজা মোবারকের দিকে বা সম্মান প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে মাথা নত করা বা সেজদা করা হারাম। সেজদা একমাত্র আল্লাহর প্রাপ্য।

৬. রওজা মোবারক তাওয়াফ করা:কাবার মতো করে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর রওজা মোবারকের চারপাশে চক্কর দেওয়া বা তাওয়াফ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ ও বিদআত।

৭. ছবি বা সেলফি তোলায় ব্যস্ত থাকা: বর্তমানে রিয়াজুল জান্নাহ বা রওজার সামনে গিয়ে ছবি তোলা, ভিডিও করা বা লাইভে যাওয়ার একটি প্রবণতা দেখা যায়। এতে জিয়ারতের ভাবগাম্ভীর্য নষ্ট হয় এবং ইবাদতের একাগ্রতা ও রিয়া (লোকদেখানো আমল) এর গুনাহ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

সংক্ষেপে মূল কথা: রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর প্রতি অন্তহীন ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা বুকে নিয়ে, সুন্নাত পদ্ধতিতে জিয়ারত সম্পন্ন করাই একজন মুমিনের দায়িত্ব। কোনো অবস্থাতেই যেন আবেগের বশে শরিয়তের সীমা লঙ্ঘন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

২০২৭ সালের হজের জন্য প্রি-রেজিস্ট্রেশন চলছে, বিস্তারিত জানতে কিংবা প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে যোগাযোগ করুন আজই।
📞01828-877771

পাথুরে পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে থাকা ইসলামের এক জীবন্ত ইতিহাস! - তায়েফতায়েফের শীতল বাতাস আর পাহাড়ঘেরা এই জনপদে আল্ল...
13/05/2026

পাথুরে পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে লুকিয়ে থাকা ইসলামের এক জীবন্ত ইতিহাস! - তায়েফ

তায়েফের শীতল বাতাস আর পাহাড়ঘেরা এই জনপদে আল্লাহর মেহমানদের সাথে কাটানো কিছু অবিস্মরণীয় মুহূর্ত। একসময় যে শহর ছিল ইসলামের ইতিহাসের কঠিনতম পরীক্ষার সাক্ষী, আজ সেখানে হাজীদের পদচারণায় রহমত আর প্রশান্তি বিরাজ করছে। পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে যেন মিশে আছে ধৈর্য আর বিশ্বাসের গল্প।
আমাদের এই সফরে আমরা জিয়ারত করেছি ঐতিহাসিক মসজিদে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.), যেখানে জ্ঞানের সমুদ্র ইবনে আব্বাস (রা.) শুয়ে আছেন। এরপর আমরা গিয়েছি সেই স্মৃতিবিজড়িত মসজিদে অদ্দাস (রা.) -এ, যেখানের আঙুর বাগানে বসে প্রিয় নবী (সা.) বিশ্রাম নিয়েছিলেন। প্রতিটি মোড়ে মোড়ে ইতিহাসের ছোঁয়া আর হাজীদের চোখে-মুখে তৃপ্তির হাসি দেখে মনটা ভরে গেল।

২০২৭ সালের হজের জন্য প্রি-রেজিস্ট্রেশন চলছে, বিস্তারিত জানতে কিংবা প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে যোগাযোগ করুন আজই।
📞+8801828877771

জাযাকুমুল্লাহু খাইরান ওয়া বারাকাল্লাহু ফি কুম।


"৪০ দিনের সফরের সবচেয়ে আবেগময় এক দিন— মক্কা জিয়ারাহ!"মক্কার প্রতিটি ধূলিকণা যেন কথা বলে ওঠে। জাবালে নূর (হেরা গুহা), জাব...
10/05/2026

"৪০ দিনের সফরের সবচেয়ে আবেগময় এক দিন— মক্কা জিয়ারাহ!"

মক্কার প্রতিটি ধূলিকণা যেন কথা বলে ওঠে। জাবালে নূর (হেরা গুহা), জাবালে সওর, জাবালে নুর, মসজিদে খায়েফ, জামারাহ, ফিল সুরার ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থান, ইসমাঈল (আঃ) কে কোরবানি করতে যাওয়ার স্থান, নহর এ জুবাইদা, মুয়াল্লা আল গারকাত (জান্নাতুল মুয়াল্লা), জিন মসজিদ, সাজারাহ মসজিদ, মিনা, আরাফাত আর মুজদালিফার সেই চিরচেনা পথগুলো যখন হাজীদের সামনে ভেসে উঠছিল, সবার চোখেমুখে ফুটে উঠেছিল এক অপার্থিব তৃপ্তি। ইতিহাসের সেই বইয়ে পড়া ঘটনাগুলো আজ চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে ধরা দিল। ক্লান্তি থাকলেও সবার মুখে ছিল হাসি আর অন্তরে ছিল আল্লাহর শুকরিয়া। এই দীর্ঘ সফরের প্রতিটি মুহূর্ত আমাদের মনে করিয়ে দিচ্ছে— আমরা এখানে নিছক পর্যটক নই, আমরা দয়াময় আল্লাহর মেহমান।

আল্লাহ তায়ালা আমাদের এই জিয়ারাহ এবং আমাদের সকল হাজীদের হজ্জ কবুল করুন। যারা এখনো এই পবিত্র ভূমিতে আসার অপেক্ষায় আছেন, আল্লাহ যেন সবাইকে দ্রুত বাইতুল্লাহর মেহমান হিসেবে কবুল করেন, আমিন।

২০২৭ সালের হজের জন্য প্রি-রেজিস্ট্রেশন চলছে, বিস্তারিত জানতে কিংবা প্রি-রেজিস্ট্রেশন করতে যোগাযোগ করুন আজই।
📞 01828-877771

জাযাকুমুল্লাহু খাইরান ওয়া বারাকাল্লাহু ফি কুম।


#ইসলামের_ইতিহাস

Address

Muradpur

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801828877771

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GoZiyarah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to GoZiyarah:

Share

Category