Omar's Reaction

Omar's Reaction প্রবাসীরা দেশের সূর্য সন্তান। তারা পরিবারের সুখের জন্য নিজের সুখের কথা ভুলে যায়।
(1)

মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার্স সিঙ্গাপুর (MWS)-এর বিশেষ হেল্প ডেস্ক: প্রবাসী শ্রমিকদের সহায়তায় নতুন উদ্যোগসিঙ্গাপুরে কর্মরত প্...
26/09/2026

মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার্স সিঙ্গাপুর (MWS)-এর বিশেষ হেল্প ডেস্ক: প্রবাসী শ্রমিকদের সহায়তায় নতুন উদ্যোগ

সিঙ্গাপুরে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে এগিয়ে এসেছে 'মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার্স সিঙ্গাপুর' (MWS)। সংগঠনটি একটি বিশেষ হেল্প ডেস্কের আয়োজন করতে যাচ্ছে, যা সকল অভিবাসী শ্রমিকের জন্য উন্মুক্ত।

ইভেন্টের সময়সূচী ও স্থান:
* তারিখ: ২৭ সেপ্টেম্বর
* সময়: দুপুর ২:০০ টা থেকে বিকাল ৫:০০ টা পর্যন্ত (উল্লেখ্য, রেজিস্ট্রেশন দুপুর ২:৩০ মিনিটে বন্ধ হয়ে যাবে)।
* স্থান: দ্য ব্যালকনি (Mahmud's Tandoor), ২০ কান্দাহার স্ট্রিট, লেভেল ৩ অ্যাটিক, সিঙ্গাপুর ১৯৮৮৮৫ (সুলতান মসজিদের কাছে)।

যেসব বিষয়ে সহায়তা প্রদান করা হবে
এই হেল্প ডেস্কে প্রবাসী শ্রমিকদের বিভিন্ন দৈনন্দিন ও আইনি সমস্যা সমাধানে উত্তর এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ও সহায়তা দেওয়া হবে:

১. ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত সহায়তা: পাসপোর্ট নবায়ন বা ই-পাসপোর্ট সংক্রান্ত তথ্য।

২. প্রতারণা ও ভুয়া এজেন্ট: ভুয়া এজেন্ট বা স্ক্যামারদের হাত থেকে সুরক্ষা এবং পরামর্শ।

৩. ইস্তফাপত্র (Resignation Letter): সঠিক নিয়মে পদত্যাগপত্র লেখার নির্দেশনা।

৪. বেতন সংক্রান্ত সমস্যা: বকেয়া বেতন বা অন্যান্য আর্থিক জটিলতা।

৫. কর্মক্ষেত্রের দুর্ঘটনা ও আঘাত: কাজের সময় আঘাতপ্রাপ্ত হলে করণীয় ও ক্ষতিপূরণ।

৬. কর্মক্ষেত্রের বাইরের দুর্ঘটনা: সাধারণ বা কাজের বাইরের শারীরিক আঘাত।

৭. মানসিক স্বাস্থ্য: প্রবাস জীবনের মানসিক চাপ দূরীকরণে সহায়তা ও পরামর্শ।

পোস্টারে দেওয়া QR কোড স্ক্যানিং করে গ্রুপে যোগ দেওয়ার অনুরোধ রইলো।

প্রবাসীদের কঠোর শ্রমে উপার্জিত অর্থ নিজেরা পুরোপুরি ভোগ করতে না পারার বিষয়টি অত্যন্ত করুণ ও বাস্তবসম্মত। বিদেশে দিনরাত এ...
21/09/2026

প্রবাসীদের কঠোর শ্রমে উপার্জিত অর্থ নিজেরা পুরোপুরি ভোগ করতে না পারার বিষয়টি অত্যন্ত করুণ ও বাস্তবসম্মত। বিদেশে দিনরাত এক করে রক্তপানি করা উপার্জন সত্ত্বে অধিকাংশ প্রবাসী নিজেদের প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হন। এর পেছনে প্রধান কারণগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

১) পরিবারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা:
প্রবাসীদের সিংহভাগই বিদেশে যান পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে। দেশে থাকা বাবা-মা, ভাই-বোন, স্ত্রী ও সন্তানের দৈনন্দিন খরচ, চিকিৎসা, পড়াশোনা এবং সামাজিক অনুষ্ঠানাদি সামলাতেই তাদের উপার্জিত অর্থের একটি বড় অংশ চলে যায়। পরিবারকে একটু ভালো রাখার তাগিদেই তারা নিজেরা কষ্ট করে সব টাকা দেশে পাঠিয়ে দেন।

২) ঋণ বা ঋণের দায় পরিশোধ:
প্রবাসে যাওয়ার প্রাথমিক ধাপেই বড় অঙ্কের টাকার প্রয়োজন হয়। ভিসা কেনা, এজেন্সির ফি ও বিমান টিকিটের টাকা জোগাড় করতে অনেক প্রবাসীকে চড়া সুদে ঋণ নিতে হয় বা ভিটেমাটি বন্ধক রাখতে হয়। প্রবাসে গিয়ে প্রথম কয়েক বছর অর্জিত আয়ের মূল অংশই চলে যায় এই ঋণ পরিশোধে।

৩)প্রবাসের উচ্চ জীবনযাত্রার ব্যয়:
প্রবাসে থাকার বাসস্থান খরচ, খাওয়া-দাওয়া, আকামা বা ভিসার নবায়ন ফি, ইনস্যুরেন্স ও যাতায়াত ব্যয় অনেক বেশি। অনেক সময় আয়ের বড় একটা অংশ বিদেশেই তাদের জীবনধারণের মৌলিক খরচে ব্যয় হয়ে যায়, ফলে নিজের সঞ্চয় বা ব্যক্তিগত খরচের সুযোগ থাকে না।

৪) সঞ্চয় বা বিনিয়োগ কৌশলের অভাব:
অনেক প্রবাসীর সঠিক আর্থিক পরিকল্পনা, বাজার সচেতনতা বা লাভজনক বিনিয়োগের ধারণার অভাব থাকে। উপার্জিত অর্থ নির্দিষ্ট কোনো লাভজনক খাতে বিনিয়োগ না করে অলসভাবে ফেলে রাখা বা অনুৎপাদনশীল খাতে ব্যয় করার ফলে ভবিষ্যতে তাদের নিজেদের ব্যবহারের জন্য কোনো অর্থ অবশিষ্ট থাকে না।

৫) দেশে অলাভজনক ও অপচয়মূলক বিনিয়োগ:
কঠিন উপার্জনের অর্থ অনেক সময় দেশে জমিতে বিনিয়োগ, বড় বাড়ি তৈরি বা আত্মীয়স্বজনদের চাহিদা মেটাতে ব্যয় করা হয়। এসব খাত থেকে কোনো তাৎক্ষণিক বা নিয়মিত আয় (Passive Income) আসে না। ফলে বয়স বাড়লে বা দেশে ফিরে এলে তারা আর্থিক সংকটে পড়েন।

৬) মানসিক দায়বদ্ধতা ও স্বার্থত্যাগ:
প্রবাসীরা মানসিকভাবে সবসময় পরিবারকেন্দ্রিক চিন্তা করেন। নিজের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ, আরাম-আয়েশ, ভালো খাওয়া বা ঘোরার মতো শখগুলোকে তারা বিলাসিতা মনে করে ত্যাগ করেন, যাতে দেশে তাদের স্বজনেরা ভালো থাকতে পারে।

টেকসই সমাধানের কয়েকটি দিক

* ব্যক্তিগত বাজেট ও সঞ্চয়: প্রতি মাসে উপার্জনের একটি অংশ নিজের ভবিষ্যতের জন্য আলাদা রাখা।
* সঠিক খাত বেছে নেওয়া: অর্থ কেবল বাড়ি নির্মাণ বা জমিতে না রেখে ডিপিএস, পেনশন স্কিম বা লাভজনক পারিবারিক ব্যবসায় বিনিয়োগ করা।
* পরিবারের সাথে স্পষ্ট আর্থিক আলোচনা: পরিবারের খরচের একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করা এবং অপ্রয়োজনীয় অপচয় রোধ করা।

ারুকী_শিপন #শিপন_ট্রাভেলস #প্রবাসী #নিউজ

19/09/2026

সিঙ্গাপুরে 'Beverage Container Return Scheme (BCRS)'-এর অধীনে পানীয়ের বোতল ও ক্যান ফেরত দিয়ে ১০ সেন্ট পর্যন্ত রিফান্ড পাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে। মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

কীভাবে জমা দিয়ে টাকা ফেরত পাবেন?

১) যোগ্য পাত্র: ১৫০ মি.লি. থেকে ৩ লিটার আকারের খালি প্লাস্টিকের বোতল এবং অ্যালুমিনিয়াম বা স্টিলের ক্যান।

২) শর্তাবলী: পাত্রটিতে "10¢ SG RETURN" লোগো ও স্পষ্ট বারকোড থাকতে হবে। পাত্রটি খালি থাকতে হবে এবং বাঁকানো বা চ্যাপ্টা করা যাবে না।

৩) যেগুলো জমা নেওয়া হবে না: কাচের বোতল, কার্টন/টেট্রা প্যাক, পাউচ, এবং ১৫০ মি.লি.-এর কম বা ৩ লিটারের বেশি আকারের পাত্র।

৪) রিফান্ড পদ্ধতি: 'Return Right Reverse Vending Machine (RVM)'-এ বোতল বা ক্যান স্ক্যান করে জমা দিলে 'SimplyGo EZ-Link' বা 'DBS PayLah!'-এর মতো ডিজিটাল মাধ্যমে ১০ সেন্ট ফেরত পাওয়া যাবে।

গুরুত্বপূর্ণ তারিখ:
১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে সিঙ্গাপুরে বিক্রি হওয়া নির্ধারিত সব পানীয়ের বোতল ও ক্যানে BCRS ডিপোজিট মার্ক এবং বারকোড থাকা বাধ্যতামূলক।

প্রবাসী ভাই-বোনদের জন্য টিপস: কেনাকাটা করার আগে পাত্রের গায়ে "10¢ SG RETURN" লোগোটি দেখে নিন এবং ব্যবহারের পর না ভেঙে অক্ষত অবস্থায় মেশিনে জমা দিয়ে রিফান্ড বুঝে নিন।

18/09/2026

সিঙ্গাপুরে কর্মক্ষেত্রে রেকর্ড নিরাপত্তা, কিন্তু বাড়ছে মৃত্যু: সচেতনতার তাগিদ

সিঙ্গাপুরের কর্মক্ষেত্রে সার্বিক গুরুতর দুর্ঘটনার হার (Major Injury Rate) রেকর্ড পরিমাণে কমলেও মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি সিঙ্গাপুরের ম্যানপাওয়ার মন্ত্রণালয় (MOM) প্রকাশিত ২০২৬ সালের প্রথম ৬ মাসের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রধান পর্যবেক্ষণ ও পরিসংখ্যান:
সামগ্রিক চিত্র: ২০২০ সালের কোভিড-পরবর্তী সময় বাদ দিলে বর্তমানে কর্মক্ষেত্রে গুরুতর দুর্ঘটনার হার সর্বনিম্ন—প্রতি ১ লাখে ১৪.৬ জন। তবে মৃত্যুর হার (Fatal Injury Rate) বেড়ে প্রতি ১ লাখে ১.১ জনে দাঁড়িয়েছে। ৬ মাসেই প্রাণ হারিয়েছেন ২১ জন শ্রমিক।

যানবাহন দুর্ঘটনা: মোট মৃত্যুর মধ্যে ৯টিই ঘটেছে যানবাহন-সম্পর্কিত দুর্ঘটনায়। প্ল্যাটফর্ম কর্মীদের (যেমন: রাইডার/ড্রাইভার) ক্ষেত্রে ৪৪টি প্রাণঘাতী ও গুরুতর দুর্ঘটনার মধ্যে ৩৮টিই ছিল যানবাহন দুর্ঘটনা।

নির্মাণ ও মেটালওয়ার্কিং খাত: নির্মাণ খাতে সার্বিক দুর্ঘটনা সামান্য কমলেও (৭৫টি থেকে ৬৯টি), এর ৭০% ঘটেছে ছোটখাটো রেনোভেশন বা মেরামতের কাজে। অন্যদিকে মেটালওয়ার্কিং খাতে দুর্ঘটনা ১৮টি থেকে বেড়ে ২৮টিতে দাঁড়িয়েছে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও প্রবাসীদের করণীয়:
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে MOM তাদের 'bizSAFE' কর্মসূচি পুনর্বিবেচনা করছে এবং প্ল্যাটফর্ম কর্মীদের জন্য বিশেষ ড্রাইভিং নির্দেশিকা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রবাসী ভাইদের উদ্দেশ্যে বিশেষ বার্তা: গাড়ি চালানো, লরি/ভ্যানে ওঠানামা বা রাস্তার আশপাশে কাজ করার সময় সর্বোচ্চ সতর্ক থাকুন। তাড়াহুড়ো বা অসাবধানতা এড়িয়ে চলুন—কাজের চেয়ে আপনার জীবনের মূল্য অনেক বেশি।

17/09/2026

বিএমইটি কার্ড নিয়ে প্রবাসীদের নানান অভিযোগ। আশাকরি সরকার খুব শীঘ্রই এই সমস্যার সমাধান করে প্রবাসীদের পাশে দাঁড়াবে।

ারুকী_শিপন #শিপন_ট্রাভেলস #প্রবাসী #নিউজ

বিদেশফেরত কর্মীদের পুনঃএকত্রীকরণ ও স্বাবলম্বী করতে রেইজ (RAISE) প্রকল্পের বিশেষ উদ্যোগবিদেশফেরত প্রবাসী কর্মীদের সমাজে প...
17/09/2026

বিদেশফেরত কর্মীদের পুনঃএকত্রীকরণ ও স্বাবলম্বী করতে রেইজ (RAISE) প্রকল্পের বিশেষ উদ্যোগ

বিদেশফেরত প্রবাসী কর্মীদের সমাজে পুনঃএকত্রীকরণ, আর্থিক সহায়তা ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে বিশেষ কার্যক্রম পরিচালনা করছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড। বোর্ডের আওতাধীন ‘রেইজ’ (Reintegration of Returning Migrants - RAISE) প্রকল্পের মাধ্যমে এসব সহায়তামূলক সেবা দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য হলো—প্রবাসে কাজের মেয়াদ শেষ করে কিংবা বিভিন্ন কারণে দেশে ফিরে আসা কর্মীদের সমাজে পুনর্দখল ও টেকসই জীবিকায়ন নিশ্চিত করা। এর আওতায় বিদেশফেরতদের নগদ আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং নতুন উদ্যোগে স্বাবলম্বী হওয়ার প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড জানায়, বিদেশফেরত কর্মীদের নতুনভাবে জীবন গুছিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় রেইজ রি-ইন্টিগ্রেশন প্রকল্প সার্বক্ষণিক পাশে রয়েছে।

প্রকল্পের সেবাসমূহ:
* সমাজ ও পরিবারে পুনঃএকত্রীকরণে সহায়তা।
* নগদ আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা প্রদান।
* নতুন কর্মসংস্থান তৈরি ও ব্যবসা চালুর পরামর্শ।

যোগাযোগের ঠিকানা ও তথ্য:
যেকোনো তথ্য ও সহায়তার জন্য প্রবাসীরা ও তাঁদের পরিবার প্রবাসী কল সেন্টারে যোগাযোগ করতে পারবেন:
* দেশ থেকে (টোল-ফ্রি): ১৬১৩৫
* বিদেশ থেকে: +৮৮০৯৬১০১০২০৩০
* ওয়েবসাইট: www.wewb.gov.bd


ারুকী_শিপন #শিপন_ট্রাভেলস #প্রবাসী #নিউজ

17/09/2026

বিএমইটি রি জে ক্ট হয় কেন!
দয়া করে বিএমইটি কার্ডের জন্য হাতে সময় রাখবেন ১৫ দিন।

বিএমইটি কার্ডের জন্য যোগাযোগ : +8801750339686 ( Whatsapp )

ারুকী_শিপন #শিপন_ট্রাভেলস #প্রবাসী #নিউজ বিএমইটি

16/09/2026

অবৈধপথে রেমিট্যান্স পাঠাতে গিয়ে হারারেল কষ্টে উপার্জিত অর্থ। আসুন বৈধ পথে দেশে রেমিট্যান্স পাঠাই।

ারুকী_শিপন #শিপন_ট্রাভেলস

আপনি জানেন কি! প্রবাসী কর্মীর প্রতিবন্ধী সন্তানদের জীবনমান উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় সহায়তার লক্ষ্যে প্রতিমাসে ২,০০০ টাকা হারে ...
16/09/2026

আপনি জানেন কি!

প্রবাসী কর্মীর প্রতিবন্ধী সন্তানদের জীবনমান উন্নয়ন ও প্রয়োজনীয় সহায়তার লক্ষ্যে প্রতিমাসে ২,০০০ টাকা হারে বছরে এক কিস্তিতে ২৪,০০০ টাকা করে ৭ বছর ভাতা প্রদান করা হয়।

প্রতিবছর জানুয়ারি- মার্চ মাসে এ বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী https://portal.wewb.gov.bd এই লিংক থেকে আবেদন করতে হয়।

প্রবাসী কর্মী ও তাঁদের পরিবারের কল্যাণে সব সময় পাঁশে আছে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন
📞দেশ থেকে (টোল-ফ্রি): ১৬১৩৫
📞 বিদেশ থেকে: +৮৮০৯৬১০১০২০৩০
🌐 www.wewb.gov.bd

ারুকী_শিপন #শিপন_ট্রাভেলস #প্রবাসী #নিউজ

16/09/2026

প্রবাসে অসুস্থ, দূর্ঘটনায় আহত হয়ে দেশে আসলে সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা পেতে ওয়েজ আনার্স কল্যান বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করুন।

বিস্তারিত কমেন্টে

ারুকী_শিপন #শিপন_ট্রাভেলস #প্রবাসী #নিউজ

Address

House 83
Narayanganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Omar's Reaction posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Omar's Reaction:

Shortcuts

Share

Category