বাউন্ডুলে ট্রাভেল & টুরিজম

বাউন্ডুলে ট্রাভেল & টুরিজম বাউন্ডুলে ট্রাভেল এন্ড টুরিজম একটি ট?

 #বাঘে_ছুটে_১৮_ঘা_পুলিশ_ছুলে_৩৬? শ্বাসরুদ্ধকর থ্রিলিং সিনেমার চিত্রনাট্য অথবা গা শিউরে ওঠা কিশোর উপন্যাসের কাহিনীর চেয়ে ...
31/05/2020

#বাঘে_ছুটে_১৮_ঘা_পুলিশ_ছুলে_৩৬?

শ্বাসরুদ্ধকর থ্রিলিং সিনেমার চিত্রনাট্য অথবা গা শিউরে ওঠা কিশোর উপন্যাসের কাহিনীর চেয়ে কোনো অংশেই কম নয় বরং ঘটনাটি নতুন ও প্রাণবন্ত!

সময়: বুধবার সকাল ১০:০০ টা। স্থান: সুন্দরবন।

বনরক্ষীদের দৃষ্টি এড়িয়ে নেহাত মজা করতে গিয়ে সুন্দরবনের "প্রবেশ নিষেধ" ও "বিপদজনক" এলাকায় ঢুকে পড়ে একদল দূরন্ত কিশোর। কিন্তু তাদের সে মজা বিভীষিকা হয়ে উঠতে বেশি শময় নেয়নি। পথ হারিয়ে বনের গহীনে হারিয়ে গেলো উদ্দাম কিশোরের দল!

সংখ্যায় ওরা ছয় জন--জয়, সাইমুন, জুবায়ের, মাঈনুল, রহিম ও ইমরান। বয়স ১৬-১৭ বছর। দুজন ঢাকায় থাকে। বাকি চারজন গ্রামে। ঈদ উপলক্ষে সুন্দরবনে বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করে তারা। যেই ভাবনা, সেই কাজ। পরিকল্পনা অনুযায়ী তারা বুধবার সকালে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের ধানসাগরে বেড়াতে যায়।

ধানসাগরের লাগোয়া এলাকায় বনরক্ষীদের অফিস রয়েছে। পাশেই একটি ছোট খাল। খালের ওপর ওপাড়ে যাওয়ার জন্য একটি কাঠের পুল রয়েছে। পুলটি সাধারণ মানুষের জন্য নয়। এই সুন্দরবন পাহারা দিতে যে বনরক্ষীরা যান, কেবল তাঁরাই এটি ব্যবহার করেন।

ছয় কিশোর লোক চক্ষুর অন্তরালে পুল পেরিয়ে খালের ওপারে চলে যায়। এরপর গল্প করতে করতে তারা সুন্দরবনের ভেতরে হাঁটতে থাকে। সকাল গড়িয়ে দুপুর হলো, দুপুর গড়িয়ে বিকেল। কিশোরেরা ভুলেই যায় তাদের ঘরে ফিরতে হবে। ততক্ষণে সুন্দরবনের বিপদসংকুল গহীন অংশে ঢুকে পড়েছে উদ্দাম কিশোরের দলটি।

বিকেলে বহু দূরের মসজিদ থেকে ভেসে এলো আসরের আজানের শব্দ। তাদের সম্বিৎ ফেরে! এতক্ষণে তবে ঘরে ফেরার কথা মনে হলো! কিন্তু পৃথিবীর বৃহত্তম এই ম্যানগ্রোভ বনের কাঁদা-জলে বেড়ে ওঠা শ্বাসমূলের ফাঁকেফাঁকে অপার্থিব রহস্য লুকায়িত রয়েছে। সুন্দরী, কেওড়া, গরান ও হোগলার পরতে পরতে আনন্দ ও মৃত্যু দুটোই আপনাকে মন্ত্রমুগ্ধ করে ডাকবে।

কিশোরের দল যে পথে ঢুকেছিলো সুন্দরবনে, সে পথ তারা খুঁজে পেলো না। এদিকে-ওদিকে এলেমেলো হাটাহাটি করে চূড়ান্তভাবে পথ হারালো তারা। বন থেকে বেরিয়ে আসার পরিবর্তে উল্টো বনের গহীনে যেতে লাগলো পথের মাঝে পথ হারানো দূরন্ত-উৎসুক কিশোরের দল। এদিকে বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা। বেরুনোর কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছে না তারা। এবার ওরা রীতিমতো ভীত, বিচলিত ও দিশেহারা।

ছয় কিশোরের সাথে ছিলো তিনটি মুঠোফোন। কিন্তু যে বিশাল বন তার বুক দিয়ে আইলা, সিডর, আম্ফানের মতো প্রলয়ঙ্করী ঝড় আটকে দিয়েছে বারংবার, সেই সুন্দরবনে ইন্টারনেটের তরঙ্গ বাধাগ্রস্ত হবে সেটাই স্বাভাবিক। মুঠোফোনে নেটওয়ার্ক আসে যায়, আসে যায়। একপর্যায়ে ওরা সমর্থ হলো। ফোন দিয়ে বাড়িতে জানালো তারা বনের গহীনে হারিয়ে গেছে!

দূর্বিনীত কৈশোর বাঁধ মানে না। হারিয়ে যাওয়াদের একজন বুদ্ধি করে জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এ ফোন করে। নিজেদের সমস্যার কথা জানিয়ে বনের মধ্যে পথ হারানো কিশোরেরা তাদেরকে উদ্ধারে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে অনুরোধ জানায়। পুলিশ কন্ট্রোলরুম থেকে সঙ্গে সঙ্গে শরনখোলা থানার সাথে তাকে যোগাযোগ করিয়ে দেয়। এদিকে নৌ-পুলিশকেও বিষয়টি অবহিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বলা হয়।

খবর পাওয়া মাত্রই শুরু হয় পুলিশের উদ্ধার অভিযান। কিন্তু বিশাল এই সুন্দরবনে কারো অবস্থান জানা তো সহজ বিষয় নয়। খড়ের গাদায় সুই খোজা? নাহ! এটা তারচেয়েও কঠিন ও ভয়াবহও বটে!

ওদিকে কিশোরদের সাথে থাকা দুটি ফোন চার্জের অভাবে ইতোমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে। থাকলো বাকি এক। সেটির মাধ্যমেই তাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছিলো পুলিশ।

পুলিশের অভয় পেয়ে কিশোরের দল কিছুটা ধাতস্থ হলো এবং অনেকটা নিশ্চিন্ত হলো এ যাত্রায় হয়তো বেঁচে ফেরা সম্ভব হবে। কিন্তু তাদের সেই আশাও ধপ করে নিভে যাওয়ার উপক্রম হলো যখন পুলিশের উদ্ধারকারী দলটি ওদের জানালো ওরা যে এলাকায় হারিয়ে গেছে সেই চাঁদপাই রেঞ্জের ওই অংশে বাঘের চলাচল আছে! সুতরাং হাটাহাটি করা চরম অনিরাপদ।
কিশোরদের বনের মধ্যে হাঁটা চলা না করে গাছে চড়ে বসার জন্য পরামর্শ দিলেন তাদের উদ্ধারে বনে আসা পুলিশের সদস্যরা।

কিন্তু যেখানে বাঘের ভয় সেখানেই রাত পোহায়! কিছু সময় পরই শুরু হলো প্রবল বৃষ্টি। গহীন অরন্যে গুমোট অন্ধকারের সৃষ্টি হলো। এতে আরও ভড়কে গেলো কিশোরেরা। এরমধ্যেই আবার তাদের ফোনের নেটওয়ার্কও চলে গেল!

এই রকম মুশলধারে বৃষ্টি নামলে আর সাথে থাকা মুঠোফোনগুলো সেবা দেওয়া বন্ধ করে দিলে সমতলের যেকোনো অপরিচিত জায়গায়ও রীতিমতো ভয় পেতে পারতো আমাদের এই কিশোরের দলটি। জলে কুমির, ডাঙ্গায় বাঘ কথাটা যে সুন্দরবনকে ঘিরে প্রচলিত হয়েছে কিশোরের দলটি ততক্ষণে হাড়েহাড়ে টের পেয়েছে।

ইতোমধ্যে সন্ধ্যা ঘনিয়ে রাত নেমেছে পৃথিবীর অন্যতম দূর্ভেদ্য ও ভয়ংকর এই বনরাজিতে। বাচ্চাদের খুঁজে বের করতে পুলিশও মরিয়া হয়ে ঘুরছে জঙ্গলময়। পুলিশের সদস্যরা নির্ভিক। বন্দুকের ম্যাগাজিন ফুললি লোডেড অবস্থায় এগিয়ে যাচ্ছেন মুঠোফোনে বলা ওদের সম্ভাব্য অবস্থানের দিকে। সতর্ক পুলিশ। যেকোন মুহূর্তে তাঁদের ওপর ঝাপিয়ে পড়তে পারে সুন্দরবনের বেরসিক রাজকীয় পাহারাদার!

ওদিকে গহীন সুন্দরবনের ঘুটঘুটে অন্ধকারে পথ চলা কঠিন। পুলিশের লোকজন হারিয়ে যাওয়াদের মোবাইলে কলের পরে কল করে যাচ্ছেন কিন্তু সংযোগ পাওয়া যাচ্ছেনা। বহু চেষ্টায় পুলিশ তাদের সাথে পুনরায় মোবাইল ফোনে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হন।

কিন্তু পথঘাট না চেনা ও দিক বলতে অক্ষম অপরিপক্ব বেয়াড়া পর্যটকদের উদ্ধারে পুলিশ একটু ভিন্ন কৌশল বেছে নিলেন। সুন্দরবনের ওই অঞ্চলে একটা ছোট্ট মসজিদ ছিলো। পুলিশের নির্দেশে মসজিদের লাউডস্পিকারে শব্দ করা হলে তা শুনতে পায় পথহারা বালকেরা। ওদের কান উদ্দীপ্ত হয়, চোখ চিকচিক করে ওঠে।

কিন্তু সমস্যাটা হলো বনের ওই এলাকার পাশের লোকালয়ে দুই পাশে দুটি মসজিদ আছে। কাজেই কোন মাইকের শব্দ তারা শুনতে পেলো, সেটি জানতে পারলে তাদের অবস্থানের ব্যাপারে কিছুটা ধারণা পাওয়া যাবে। এবার একপাশের মসজিদের মাইক দিয়ে তাদের ডাকা হলো। আর ফোনে জানতে চাওয়া হলো, আওয়াজ শোনা যায় কিনা? জবাব এলো, খুবই কম। এবার বনের অন্য পাশের মসজিদের মাইক দিয়ে ডাকা হলো। এবার মোবাইল ফোনে কিশোরেরা জানালো, তুলনামূলক স্পষ্ট শব্দ শুনতে পাচ্ছে তারা। এটার মাধ্যমে বনের মধ্যে তাদের অবস্থানটি কিছুটা আঁচ করে নিলেন পুলিশের উদ্ধারকারী দলটি। সুন্দরবনের ভেতরে স্বাভাবিকভাবে ৩-৪ কিলোমিটার পর্যন্ত শব্দ শোনা যায়। তবে রাতের নিস্তব্ধতা পেরিয়ে শব্দ আরও গহীন থেকে শোনা যায়। তাই সুন্দরবনের ৪-৫ কিলোমিটার ভেতরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে এগুতে থাকে পুলিশ।

আগেই বলেছিলাম সুন্দরবনের ভেতর হাঁটা সহজ নয়। কেওড়ার শ্বাসমূলের সাথে লতাগুল্ম, ঝোপঝাড় আর নানান ধরনের কাঁটা। বনের অন্ধকারের সাথে সমানে চলছিলো বৃষ্টিপাত। পিচ্ছিল পথে এক কণ্টকাকীর্ণ যাত্রা। কয়েক ঘন্টা ধরে সেই পথ পাড়ি দিয়ে বনের আরও ভেতরে যেতে থাকলেন জেদী পুলিশের লোকজন। বাঘের ভয় এখন আর নেই, বাচ্চাদের উদ্ধার করে নিরাপদে বাড়িতে পাঠানোই একমাত্র চিন্তার বিষয়।

বনের গহীনে হাটতে হাটতে পুলিশের দলনেতা ফোনে ওই কিশোরদের বললেন, "আমরা হাঁক তুলবো। যদি তোমরা শুনতে পাও তো তোমরাও হাঁক তুলবে যাতে আমরা বুঝতে পারি তোমরা আমাদের আশেপাশেই আছো।"

যেই কথা সেই কাজ। পুলিশ বনের মধ্যেই হাঁটতে হাঁটতে হাঁক তুললো। কিন্তু ওই পাশ থেকে সাড়া নেই। ঘন্টা খানেক পর ওপাশ থেকেই হাঁকের জবাব এলো। এ যেন নিকোশ কালো অন্ধকার শেষে সুড়ঙ্গের ওপাশে মৃদু আলো দেখার মতো বিস্ময়কর ও বহু কাঙ্খিত শব্দের অনুরণন। এবার পুলিশও বুঝতে পারলেন, উদ্ধারকারী দল আর পথহারানো কিশোরদের মাঝে সরলরেখা বরাবর দূরত্ব ক্রমশ কমতে শুরু করেছে এবং এক সময় দূরত্ব শূন্যে বিন্দুতে এসে ঠেকলো। হারিয়ে যাওয়া কিশোরদের খুঁজে পাওয়া গেলো অবশেষে। ঘড়ির কাটা তখন রাত ৩:০০ টা নির্দেশ করছে। প্রায় দশ ঘন্টার উদ্ধার অভিযানের সফল পরিসমাপ্তি ঘটলো।

দিন ও রাতের বেশিরভাগ সময়ে বনের মধ্যে আটকা পড়া ভীত, টটস্থ, ক্ষুধার্ত ও দিশেহারা কিশোরের দলটি ততক্ষণে ভারমুক্ত হলো পুলিশের কাঁধে। ওদের কপাল ভালো বাঘের পেটে যেতে হয়নি! সুন্দরবনের বাঘেরা কতদিন মাংসের স্বাদ পায়না কে জানে!

প্রতিকূল পরিবেশে থেকে মুষড়ে পড়েছিলো কিশোরেরা। পুলিশ ধরাধরি করে তাদের নিয়ে থানায় ফিরতে ফিরতে রাত পেরিয়ে ভোর। অনেকক্ষণ কিছু না খেতে পেরে আরও ক্লান্ত কিশোরেরা। থানায় এনে প্রাথমিক শুশ্রূষার পাশাপাশি খাবার দেওয়া হলো ওদের। এরপর "নিরাপদে বাঘের মুখ থেকে প্রাণে ফিরে আসার" স্বীকৃতি হিসেবে সকালে মিষ্টিমুখ করিয়ে কিশোরদের যার যার পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হলো।

সন্তানদের ফিরে পেয়ে পরিবারের সদস্যদের চোখে আনন্দ অশ্রু। সন্তানকে বুকে জড়িয়ে বাংলাদেশ পুলিশের জন্য প্রাণভরে দোয়া করলেন তাঁরা। জানালেন অশেষ কৃতজ্ঞতা। থানা থেকে বিদায়বেলা হারিয়ে যাওয়া দলের এক সদস্য জয় থমকে দাঁড়ালো। পুলিশকে লক্ষ্য করে জয়ের কন্ঠে ঝরে পড়লো কৃতজ্ঞতা।

"বনের ভেতরে যখন হারিয়ে গিয়েছিলাম, তখন বারবার মনে হয়েছে এ জীবনে আর ফেরা হবে না। কিন্তু পুলিশের কারণে আমরা ছয়জন আবার নতুন জীবন পেলাম। আমি পড়াশোনা করে পুলিশ হতে চাই। বিপদে এভাবেই মানুষের পাশে দাঁড়াতে চাই।"

জয় লেখাপড়া শিখে পুলিশে আসুক। পুলিশ সদস্যরা যেমন ওর বিপদে পাশে দাড়িয়েছেন, সেও তেমনি একদিন মানুষের বিপদে বুক চিতিয়ে দাঁড়াক। ওর জন্য শুভকামনা রইলো।

গহীন বন থেকে ঘুরে এলেও বাঘ ওদের ছুঁতে পারেনি বরং বাঘের হাত থেকে উদ্ধার করে পুলিশই কোলে কাঁধে করে ওদের লোকালয়ে নিয়ে আসলেন, আদর করে খাওয়ালেন, মিষ্টিমুখ করালেন। কিন্তু লোকে যে বলে আসছে বাঘে ছুটে ১৮ ঘা আর পুলিশ ছুলে ৩৬ ঘা!

সুন্দরবনের বাঘের মুখ থেকে ফিরে এসেও বিষয়টির কূলকিনারা পেলো না বনে পথ হারিয়ে যাওয়া কিশোরের দলটি!

সূত্রঃ বাংলাদেশ পুলিশ
ছবিঃ সংগৃহীত
অনুলিখন, সম্পাদনাঃ ডিএমপি নিউজ

স্বাধীনতা দিবসের ছুটি বৃহস্পতিবার সাথে শুক্র শনি ছুটি মিলিয়ে আমরা তিন দিনের এই লিভ উইন্ডোতে যাচ্ছি নাফাখুম, আমিয়াখুম, এড...
25/02/2020

স্বাধীনতা দিবসের ছুটি বৃহস্পতিবার সাথে শুক্র শনি ছুটি মিলিয়ে আমরা তিন দিনের এই লিভ উইন্ডোতে যাচ্ছি নাফাখুম, আমিয়াখুম, এডভেঞ্চার প্রেমীদের জন্য এডভেঞ্চার এর স্বর্গ বলা হয় এই ডেস্টিনেশন কে।

যারা সত্যিকার ভাবে এডভেঞ্চার ভালভাসেন তারা আমাদের নাফাখুম, আমিয়াখুম প্লান টা নিয়ে ভাবতে পারেন।

🔷🔷যাত্রাঃ ২৫ শে মার্চ রাত
🔷🔷ভ্রমনঃ ২৬-২৮ মার্চ
🔷🔷ফেরাঃ ২৯ মার্চ সকাল

ইভেন্ট ফিঃ ৬২৫০ টাকা।

☎☎ ০১৬৭৪৯৭৪৩৮১)

এবার বাংলাদেশেই থাইল্যান্ডের ফিল দিতে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভে চালু হতে যাচ্ছে টুরিস্ট ক্যারাভ্যান।আগামীকাল থেকে চালু হয়ে...
25/02/2020

এবার বাংলাদেশেই থাইল্যান্ডের ফিল দিতে কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভে চালু হতে যাচ্ছে টুরিস্ট ক্যারাভ্যান।

আগামীকাল থেকে চালু হয়ে এটি চলাচল করবে কলাতলী থেকে টেকনাফ জিরো পয়েন্ট হয়ে আবার কলাতলী পর্যন্ত।

ভাড়া ধরা হয়েছে ২০০০ টাকা জনপ্রতি সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার, বিকেলের স্ন্যাক্স আর এন্ট্রি টিকেট আর সাইটসিন সহ। যদিও ভাড়াটা একটু বেশিই মনে হচ্ছে।

এটাতে ওয়াইফাই, লাইব্রেরী, ওয়াশরুমও থাকছে।

কালকে থেকেই প্রতিদিন সকাল নয়টা থেকে যাত্রা শুরু করবে এই ক্যারাভ্যান।

©collected

 #মাত্র_৬২৫০_টাকায়_ঘুরে_আসুন_নাফাখুম_আমিয়াখুম_ভেলাখুমস্বাধীনতা দিবসের ছুটি ২৬ শে মার্চ,  সেদিন  বৃহস্পতিবার, সাথে শুক্র ...
24/02/2020

#মাত্র_৬২৫০_টাকায়_ঘুরে_আসুন_নাফাখুম_আমিয়াখুম_ভেলাখুম

স্বাধীনতা দিবসের ছুটি ২৬ শে মার্চ, সেদিন বৃহস্পতিবার, সাথে শুক্র শনি যুক্ত করলে সহজেই তিন দিনের একটা ছুটি মিলে যাচ্ছে। এই তিন দিনের ছুটিতে চাইলেই আপনি ঘুরে আসতে পারেন বান্দরবানের মোষ্ট এডভেঞ্চারাস (পার্মিটেড) ট্রেক ডেস্টিনেশন নাফাখুম, আমিয়াখুম। এই ট্রিপে আমরা যা যা দেখবঃ

🏞নাফাখুম
🏞আমিয়াখুম
🏞 ভেলাখুম
🏞সাতভাইখুম ( যদি সুযোগ থাকে)
🏞পদ্মঝিরি
🏞রেমাক্রি খাল
🏞নাম না জানা আরো কিছু ঝিরি, খাল, পাহাড়ি গ্রাম।

🔷🔷 আমাদের প্লানঃ

🏞 ঢাকা থেকে যাত্রাঃ ২৫ শে মার্চ রাতের বাস
🏞 ভ্রমনঃ ২৬,২৭,২৮ মার্চ
🏞ঢাকায় ফেরতঃ ২৯ মার্চ রবিবার সকাল( এসে অফিস করা যাবে)

🔷🔷তিন দিন চার রাতের এই ইভেন্ট এর ফি ৬২৫০ টাকা।

ইভেন্ট এর কনফার্মেশন শুরু হয়েছে, আগ্রহীরা দ্রুত কনফার্ম করুন।

☎☎ 01674974381

 #মাত্র_৬২৫০_টাকায়_ঘুরে_আসুন_নাফাখুম_আমিয়াখুম_ভেলাখুমস্বাধীনতা দিবসের ছুটি ২৬ শে মার্চ,  সেদিন  বৃহস্পতিবার, সাথে শুক্র ...
24/02/2020

#মাত্র_৬২৫০_টাকায়_ঘুরে_আসুন_নাফাখুম_আমিয়াখুম_ভেলাখুম

স্বাধীনতা দিবসের ছুটি ২৬ শে মার্চ, সেদিন বৃহস্পতিবার, সাথে শুক্র শনি যুক্ত করলে সহজেই তিন দিনের একটা ছুটি মিলে যাচ্ছে। এই তিন দিনের ছুটিতে চাইলেই আপনি ঘুরে আসতে পারেন বান্দরবানের মোষ্ট এডভেঞ্চারাস (পার্মিটেড) ট্রেক ডেস্টিনেশন নাফাখুম, আমিয়াখুম। এই ট্রিপে আমরা যা যা দেখবঃ

১। নাফাখুম
২। আমিয়াখুম
৩। ভেলাখুম
৪। সাতভাইখুম ( যদি সুযোগ থাকে)
৫। পদ্মঝিরি
৬। রেমাক্রি খাল
৭। নাম না জানা আরো কিছু ঝিরি, খাল, পাহাড়ি গ্রাম।

তিন দিন চার রাতের এই ইভেন্ট এর ফি ৬২৫০ টাকা।

ইভেন্ট এর কনফার্মেশন শুরু হয়েছে, আগ্রহীরা দ্রুত কনফার্ম করুন।

☎☎ 01674974381

(ছবিটা ভেলাখুমের, সংগৃহীত)

20/02/2020

যদি পৃথিবীটা স্বপ্নের দেশ হয়.........এই পথ যদি না শেষ হয়, তবে কেমন হত তুমি বলতো.....??♥♥♥♥

কন্ঠঃমাহাতিম সাকিব।
প্লেসঃবান্দরবান টু থানচি রোড

বিছানাকান্দি থেকে পায়ে হেটে যাব জাফলং আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারিতে। ভারতের সিমান্ত ঘেসা মেঠো পথ মারিয়ে একে একে দেখব লক্ষনছরা,পা...
12/02/2020

বিছানাকান্দি থেকে পায়ে হেটে যাব জাফলং আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারিতে। ভারতের সিমান্ত ঘেসা মেঠো পথ মারিয়ে একে একে দেখব লক্ষনছরা,পান্তুমাই সহ অনেক গুলি সুন্দর সুন্দর গ্রাম।সমতল রাস্তায় ট্রেকিং, তাই যে কেউ চাইলে আমাদের সাথে যেতে পারবেন।😊

 #ভালবাস_দিবসে #ভালবাসার_মানুষকে_নিয়ে_সাজেকআগামী বৃহস্পতিবার ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতের বাসে করে যাচ্ছি ইনশাআল্লাহ মেঘের রাজ্য...
07/02/2020

#ভালবাস_দিবসে
#ভালবাসার_মানুষকে_নিয়ে_সাজেক
আগামী বৃহস্পতিবার ১৩ ফেব্রুয়ারি রাতের বাসে করে যাচ্ছি ইনশাআল্লাহ মেঘের রাজ্য সাজেক ভ্যালিতে।১৪ ও ১৫ তারিখ ঘুরে ১৬ তারিখ সকালে ঢাকায় থাকব ইনশাআল্লাহ। আর অল্প কিছু আসন এখনো ফাকা আছে।
যারা যেতে ইচ্ছুক দ্রুত কনফার্ম করুন।

05/02/2020

#ভালবাসা_দিবসে_ভালবাসার_মানুষকে_নিয়ে_সাজেক_ভ্রমন

আর মাত্র অল্প কয়েকজন যেতে পারবেন আমাদের সাথে, তাই যারা আগ্রহী তারা দ্রুত কনফার্ম করুন।

ভালবাসা দিবসে ভালবাসার জন কেই নিয়ে আমাদের এই আয়োজন। এই ট্রিপ টাতে আমরা সবাইকে আলাদা ভাবে সময় দিয়ে দিব , একান্তে নিজের প্রিয়জন কে নিয়ে সময় কাটানোর জণ্য। তাই নিশ্চিন্তে যেতে পারেন আমাদের সাথে এই ট্রিপে।

বেশ কয়েকজন কাপল আমাদের কে কনফার্ম করেছেন, তাই আপনিও আর দেরি না করে কনফার্ম করে ফেলুন।

যাত্রাঃ ১৩ ফেব্রূয়ারি
ভ্রমনঃ ১৪ ( সাজেক), ১৫(খাগড়াছড়ি) ফেব্রূয়ারি
ফেরাঃ ১৬ ফেব্রূয়ারি ( রবিবার) সকাল।

ইভেন্ট ফিঃ ৬০০০ টাকা পার হেড

ইভেন্ট এর কনফার্মেশন শেষ পর্যায়ে।

☎️☎️01674974381

 #ভালবাসা_দিবসে_ভালবাসার_মানুষের_সাথে_শিমুল_বাগানেসুনামগঞ্জের জয়নাল আবেদীনের শিমুল বাগান বিখ্যাত তার বিশালতার জণ্য, এত ব...
04/02/2020

#ভালবাসা_দিবসে_ভালবাসার_মানুষের_সাথে_শিমুল_বাগানে

সুনামগঞ্জের জয়নাল আবেদীনের শিমুল বাগান বিখ্যাত তার বিশালতার জণ্য, এত বড় শিমুল বাগান বাংলাদেশে খুব কম আছে। প্রতি বছর ফেব্রূয়ারি মাসের ২য় এবং ৩য় সপ্তাহে এখানে ভিড় জমে পর্যটন প্রেমীদের, শিমুল বাগান মূল উদ্দেশ্যে হলেও কাছেই রয়েছে আরো অনেক গুলা সুন্দর প্লেস।

প্রতিবার এর মত আমরা যাচ্ছি এই প্লেস গুলাতে ফেব্রূয়ারি মাসের ১৩ তারিখ রাতের বাসে। ১৪ তারিখ সারাদিন রক্তরাঙা শিমুল বাগানে ঘুরে আমরা ঢাকা রওনা করব অইদিন রাতেই।

তাই যারা ব্যস্ততার কারণে ছুটি পান না, তারা আমাদের সাথে ঘুরে আসতে পারেন এই ডে ট্রিপে।

ইভেন্ট ফিঃ ২৮৫০ টাকা

☎️☎️ 01674974381

 #বাউন্ডুলে_ট্রাভেল_এন্ড_ট্যুরিজম #উইন্টার_ট্রেকহার কি দুন, দেবভূমি উওরাখান্ড।❇❇ ঢাকা থেকে যাত্রাঃ ১২ই মার্চ❇❇ ঢাকা ফেরা...
03/02/2020

#বাউন্ডুলে_ট্রাভেল_এন্ড_ট্যুরিজম
#উইন্টার_ট্রেক

হার কি দুন, দেবভূমি উওরাখান্ড।

❇❇ ঢাকা থেকে যাত্রাঃ ১২ই মার্চ
❇❇ ঢাকা ফেরাঃ ২৫ মার্চ সকাল
❇❇ ট্রেক ৬ দিন
❇❇ বিগিনার লেভেল ট্রেক
❇❇ ছেলে মেয়ে সবাই যেতে পারবে।
❇❇ ইভেন্ট ফিঃ ২৭৫০০ টাকা।

☎☎ 01674974381

লাইক বাউন্ডুলে ট্রাভেল & টুরিজম
জয়েন বাউন্ডুলে -boundule Travel and Tourism

Address

Dhaka
Narayanganj
1420

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801674974381

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাউন্ডুলে ট্রাভেল & টুরিজম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to বাউন্ডুলে ট্রাভেল & টুরিজম:

Share

Category