Al-Zahir Travels & Tours

Al-Zahir Travels & Tours Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Al-Zahir Travels & Tours, Travel Company, Madan Mohon School Market, 2nd Floor (West Side), Chowmuhani, Begumgonj, Noakhali, Noakhali Sadar Upazila.

Al-Zahir Travels is one of Bangladesh’s trusted travel service providers, dedicated to making travel planning simple, convenient, and affordable for individuals, families, and businesses.

15-08-2026******SV DAC RUH 20,23AUG - Call For PricesRX DAC RUH 21,22,24AUG(F) - Call For PricesBS DAC RUH 26AUG - Call ...
15/08/2026

15-08-2026
******
SV DAC RUH 20,23AUG - Call For Prices
RX DAC RUH 21,22,24AUG(F) - Call For Prices
BS DAC RUH 26AUG - Call For Prices
J9 DAC KWI 19,22,23AUG(F) - Call For Prices

FZ DAC JED 16,17,18AUG(3H+F)-SF
FZ DAC TUU 26AUG(4H+F) - Call For Prices
FZ CGP DOH 22AUG(4H+F) - Call For Prices
FZ CGP RUH 20,22AUG(5H+F) - Call For Prices
FZ CGP DMM 20AUG(5H+F) - Call For Prices
FZ DAC DXB 15AUG(F) - Call For Prices
FZ DAC DOH 24,27AUG(5H) - Call For Prices

G9 DAC RUH 23AUG(3H+F) - Call For Prices
G9 DAC AHB 21AUG(3H+F)- - Call For Prices
G9 DAC ELQ 22,23AUG(8H+F) - Call For Prices
G9 DAC HAS 25AUG(2H+F) - Call For Prices
G9 DAC DMM 25,26AUG(2H+F) - Call For Prices
G9 CGP SHJ 22,23AUG(N) - Call For Prices

OV CGP MCT 16,17AUG-SF
OV CGP MCT-
OV CGP JED 22,23,24AUG(1H) - Call For Prices
OV CGP DMM 24AUG(4H) - Call For Prices
OV CGP MED 25AUG(1H) - Call For Prices
OV CGP MED 22AUG(7H) - Call For Prices
WY DAC RUH 21,25AUG(6H+F) - Call For Prices
WY DAC JED 20,21,24AUG(5H+F) - Call For Prices

ATTRACTIVE NDC FARE-QR,EK,GF,WY,SV,TK

Al-Zahir Travels & Tours Jafar U Ahmed Anik

Al-Zahir Travels is one of Bangladesh’s trusted travel service providers, dedicated to making travel planning simple, co...
08/08/2026

Al-Zahir Travels is one of Bangladesh’s trusted travel service providers, dedicated to making travel planning simple, convenient, and affordable for individuals, families, and businesses. Since our establishment, our mission has been to deliver reliable travel solutions with a strong commitment to customer satisfaction, quality service, and professional support.

Al-Zahir Travels & Tours

বাংলাদেশ থেকে ভারতের Medical Visa (MV) আবেদন করার জন্য সাধারণত নিম্নলিখিত কাগজপত্র প্রয়োজন হয়।Indian Medical Visa-এর জ...
28/07/2026

বাংলাদেশ থেকে ভারতের Medical Visa (MV) আবেদন করার জন্য সাধারণত নিম্নলিখিত কাগজপত্র প্রয়োজন হয়।

Indian Medical Visa-এর জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
মূল পাসপোর্ট
কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে।
অন্তত ২টি খালি (Blank) পৃষ্ঠা থাকতে হবে।
সকল পুরাতন পাসপোর্ট (যদি থাকে)
১ কপি সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি
সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড
২×২ ইঞ্চি
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) অথবা জন্ম নিবন্ধনের কপি
ঠিকানার প্রমাণ (Proof of Residence)
বিদ্যুৎ বিল / গ্যাস বিল / ল্যান্ডলাইন ফোন বিল
সাধারণত ৬ মাসের মধ্যে ইস্যুকৃত বিল গ্রহণযোগ্য।
আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ
গত ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট
অথবা প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রার এন্ডোর্সমেন্ট
অথবা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ড/ট্রাভেল কার্ডের কপি।
পেশার প্রমাণ
চাকরিজীবী: Employer Certificate/NOC
সরকারি চাকরিজীবী: Government Order
ব্যবসায়ী: Trade License/Business Registration
ছাত্র: Student ID
অবসরপ্রাপ্ত: Retirement Documents
বাংলাদেশের চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ও মেডিকেল রিপোর্ট
রোগ নির্ণয়ের রিপোর্ট
টেস্ট রিপোর্ট
প্রেসক্রিপশন
ভারতের হাসপাতালের Appointment/Invitation Letter
হাসপাতালের অফিসিয়াল লেটারহেডে হতে হবে।
রোগীর নাম ও পাসপোর্ট নম্বর
অ্যাটেনডেন্টের (যদি থাকে) তথ্য
ডাক্তার, অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখ ও হাসপাতালের বিবরণ উল্লেখ থাকতে হবে।
অনলাইন ভিসা আবেদন ফর্ম (Printed Copy)
Medical Attendant (MX) Visa-এর জন্য অতিরিক্ত ডকুমেন্ট
অ্যাটেনডেন্টের পাসপোর্ট
NID/জন্ম নিবন্ধন
পাসপোর্ট সাইজ ছবি
রোগীর সঙ্গে সম্পর্কের প্রমাণ (যদি প্রয়োজন হয়)
রোগীর Medical Visa আবেদনপত্রের তথ্য।
বিশেষ ক্ষেত্রে

যদি কিডনি, লিভার, বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট বা অনুরূপ অঙ্গ প্রতিস্থাপনের চিকিৎসা হয়, তাহলে অতিরিক্ত সরকারি অনুমোদন বা সংশ্লিষ্ট ক্লিয়ারেন্স প্রয়োজন হতে পারে।
Al-Zahir Travels & Tours

*27-07-2026******FZ DAC AJF 05AUG(7H+F) - Please Call For PricesFZ DAC AHB 10AUG(3H+F) - Please Call For PricesFZ DAC EA...
27/07/2026

*27-07-2026
******
FZ DAC AJF 05AUG(7H+F) - Please Call For Prices
FZ DAC AHB 10AUG(3H+F) - Please Call For Prices
FZ DAC EAM 11AUG(2H+F) - Please Call For Prices
FZ CGP DXB 11AUG(F) - Please Call For Prices
FZ CGP AHB 09AUG(5H+F) - Please Call For Prices

OV CGP MCT 07,09,10AUG - Please Call For Prices
OV CGP SLL 05,10AUG(1H) - Please Call For Prices
OV CGP MED 08AUG(1H) - Please Call For Prices
OV CGP JED 11AUG(6H) - Please Call For Prices

RX DAC RUH 10,13AUG - Please Call For Prices

NDC-QR,EK,GF,WY,SV,TK

Al-Zahir Travels & ToursJafar U Ahmed Anik US-Bangla Airlines

সকাল ৮টায় হোটেলে নাস্তা সেরে লবিতে বসে অপেক্ষা করছিলাম। ৮টা ১৫ মিনিটে আমাকে নিতে এলেন এরশাদ ভাই। তিনি গত ৩৫ বছর যাবৎ মদি...
26/07/2026

সকাল ৮টায় হোটেলে নাস্তা সেরে লবিতে বসে অপেক্ষা করছিলাম। ৮টা ১৫ মিনিটে আমাকে নিতে এলেন এরশাদ ভাই। তিনি গত ৩৫ বছর যাবৎ মদিনায় বসবাস করেন। আমার একজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু মিরপুরের সুপরিচিত মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলামের ভগ্নিপতি। মদিনা এলেই তিনি আমার লোকাল গার্ডিয়ান। এয়ারপোর্টে রিসিভ করা, হোটেলে নিয়ে আসা, জিয়ারত সবই চলে তার তত্ত্বাবধানে। সবশেষে আমাকে মদিনা এয়ারপোর্ট বা মক্কার উদ্দেশ্যে গাড়ীতে তুলে দিয়েই তার ছুটি। আমি মদিনায় এলে তার সব কাজ বন্ধ। তার কাজ শুধুই আমাকে সময় দেয়া।

সম্প্রতি তার সাথে যুক্ত হয়েছেন আরো একজন। নাম রিয়াজুল ইসলাম, বাড়ী সিরাজগঞ্জ। হারাম শরীফের পাশেই একটি বড় হোটেলের রেষ্টুরেন্ট ম্যানেজার। একবার আমি তার হোটেলে উঠেছিলাম। প্রথম পরিচয়েই তার সাথে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। এখন তার হোটেলে না উঠলেও আমি মদিনায় আসলেই তিনি আমার ছায়া সঙ্গী। কাজ থেকে ছুটি নিয়ে আমার সাথে ঘুরে বেড়ান। আজও আমি তাকে হোটেল থেকে তুলে নিয়েছি।
মদিনা এলেই রসুল (সা:)-এর মাজার জিয়ারতের পর দ্বিতীয় প্রায়োরিটি হিসেবে যেখানে যাই তাহলো মসজিদুল কোবা। এটি ইসলামের তৃতীয় মসজিদ। পৃথিবীর প্রথম মসজিদ হচ্ছে বায়তুল্লাহ মসজিদুল হারাম। এরপর দ্বিতীয়টি হচ্ছে মসজিদুল আকসা বা বায়তুল মোকাদ্দাস। আর তৃতীয়টি হচ্ছে মসজিদে কোবা। আর চতুর্থ মসজিদ হচ্ছে মসজিদে নববী। আল্লাহর নির্দেশে মোহাম্মদ (সা:) যখন মক্কায় হিজরত করেন তখন তিনি কোবা নামক পল্লীতে অবস্থান করেন এবং সেখানেই তিনি এই মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেন। পবিত্র কোরআনের সূরা তৌবার ১০৮ নম্বর আয়াতে এই মসজিদের কথা উল্লেখ রয়েছে। মসজিদটি মদিনা শরীফের দক্ষিণ-পশ্চিম কোনে অবস্থিত। এর দূরত্ব মসজিদে নববী থেকে ৫ কিলোমিটার। রসুল (সা:) এরশাদ করেন- যে ব্যক্তি নিজের ঘরে ভালোভাবে পবিত্রতা অর্জন করে মসজিদে কোবায় আগমণ করে নামাজ আদায় করেন তিনি একটি ওমরাহর সমপরিমান সওয়াব পাবেন। আর সেজন্যই রসুল (সা:) এর সময় থেকেই মসজিদে কোবায় গমন করা মদিনাবাসীদের অভ্যাসে পরিণত হয়।

মসজিদে কোবায় আমরা দু’ রাকাত নামাজ আদায় করে রওনা হলাম মসজিদে কেবলাতাইনের দিকে। গাড়ীতে উঠেই আমার গাইড এরশাদউল্লাহ মসজিদে কেবলাতাইনের কিছু তথ্য দিলেন। এই মসজিদে নামাজ পড়ার সময় মুহাম্মদ (সা:)-এর কাছে কিবলা পরিবর্তনের ওহি আসে। মহানবী (সা:) মদিনায় হিজরত করার পর প্রায় ১৬ মাস বায়তুল মোকাদ্দেসের দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করেন। মুসলমানদের কিবলা বায়তুল মোকাদ্দেসের দিকে হওয়ার কারণে ইহুদীরা এই বলে অপপ্রচার চালাতে থাকলো যে, আমাদের ও মুসলমানদের কেবলা এক ও অভিন্ন, অতএব ধর্মের ক্ষেত্রেও মুসলমানদের উচিৎ আমাদের অনুসরণ করা। এসব কারণে হুজুর (সা:) এর হৃদয়ে সুপ্ত বাসনা ছিলো কাবা যদি মুসলমানদের কিবলা হতো? হিজরী দ্বিতীয় সনের শাবান মাসে তিনি আসরের নামাজ আদায়েরর জন্য মসজিদে আসেন। দ্বিতীয় ও তৃতীয় রাকাতের মাঝামাঝি সময়ে আল্লাহর হাবীব হযরত মুহাম্মদ (সা:)-এর ইচ্ছা বাস্তবায়নে জিরাইল (আ:) মহান আল্লাহর বাণী নিয়ে অবতীর্ণ হন। এই বাণীতে কিবলা পরিবর্তনের নির্দেশ দেয়া হয়। এই ঘটনাটি সুরা বাকারার ১৪৪ নম্বর আয়াতে উল্লেখ রয়েছে। দুই রাকাত বায়তুল মোক্কাদ্দেস-এর দিকে আর দুই রাকাত কাবা শরীফের দিকে ফিরে আদায় করেছিলেন বিধায় এই মসজিদটি ইতিহাসে মসজিদে কিবলাতাইন বা দুই কেবলা বিশিষ্ট মসজিদ নামে সুপরিচিত। রসুল (সা:) এর যুগ থেকে দীর্ঘকাল পর্যন্ত এই মসজিদে দুটি মেহরাব বা ইমামের দাঁড়ানোর স্থান ছিলো। পরে সংস্কারের সময় বায়তুল মোক্কাদ্দেস মুখী মেহরাবটি ভেঙ্গে ফেলা হয়।
আমরা গাড়ী থেকে নেমে অজু করে মসজিদে দুই রাকাত নামাজ আদায় করলাম। ঐতিহ্যবাহী আরবীয় স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এই ঐতিহাসিক মসজিদে মুসল্লি ধারণ ক্ষমতা ২ হাজার। মসজিদটির আয়াতন ৩,৯২০ স্কয়ার মিটার। মসজিদটিতে ২টি গুম্বুজ ও ২টি মিনার রয়েছে। উল্লেখ্য, হিজরী ২৩ খ্রীষ্টাব্দে বনিসালামা অঞ্চলে খালিদ বিন অলিদ সড়ক সংলগ্ন এই মসজিদটি রসুল (সা:) সাহাবা একরামদের নিয়ে নির্মাণ করেন। অতপর: খলিফা ইবনে আব্দুল আজিজ ১০০ হিজরীতে মসজিদটি পুন: নির্মাণ করেন। এরপরেও কয়েকবার মসজিদটির সংস্কার কাজ করা হয়।
এরপর আমরা গেলাম একটি কুপ দেখতে। এটির নাম বীর-এ ওসমান। আরবীতে বীর অর্থ কুপ। অর্থাৎ ওসমান (রা:)-এর কুপ। এ নিয়ে একটি কাহিনী আছে। একজন ইহুদীর একটি কুপ ছিলো। সে এই কুপ থেকে মুসলমানদের পানি পান করতে দিতো না। এটা জানার পর হযরত ওসমান (রা:) এই কুপটি খরিদ করে মুসলিম-অমুসলিম সকলের জন্য ওয়াকফ করে দেন। তবে দু:খজনক ঘটনা ছিলো যে হযরত ওসমানের খেলাফতের শেষ দিকে একসময় বিদ্রোহীরা মদিনায় তাঁর বাসভবন ঘেরাও করে খাদ্য ও পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেয়। সেই ঘেরাও অবস্থায় তিনি একদিন জানালা দিয়ে মাথা বের করে মদিনাবাসীকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেছিলেন- রাসুল (সা:)-এর নির্দেশে আমি এই কুপটি ক্রয় করে সর্ব সাধারণের জন্য ওয়াকফ করেছিলাম। আজ সেই কুপের পানি থেকে তোমরা আমাকে বঞ্চিত করেছো। আজ আমি পানির অভাবে ময়লা পানি দিয়ে ইফতার করছি।

বীর এ ওসমান কুপটি এখন দেয়াল দিয়ে ঘেরা একটি খেজুর বাগানের ভিতরে। দর্শনার্থী প্রবেশ করতে দেয়া হয় না। আমরা গেটের কাছে দাঁড়ালে ভিতর থেকে একজন লোক এসে গেট খুলে দিয়ে জানালেন- যদিও ভিতরে ঢুকার অনুমতি নেই, তিনি একজন বাংলাদেশী হিসেবে আপনাদেরকে অল্প কিছুক্ষণের জন্য সুযোগ দিচ্ছি। তিনি দ্রুত আমাদেরকে নিয়ে কুপটি দেখিয়ে নিয়ে ফিরে এলেন।
এরপর আমরা গেলাম হযরত সালমান ফার্সীর খেজুর বাগান দেখতে। তিনি ছিলেন রাসুল (সা:)-এর অন্যতম সম্মানিত সাহাবী। এই সালমান ফার্সীর পরামর্শ ও বুদ্ধিতেই খন্দক যুদ্ধে পরীখা খননের মাধ্যমে মুসলিমরা শত্রু পক্ষকে পরাজিত করে। সালমান ফার্সী (রা:) ছিলেন একজন ইহুদীর ক্রীতদাস। সেজন্য স্বাধীনভাবে তাঁর হযরত (সা:)-এর সহচার্য লাভ সম্ভব হচ্ছিলো না। এমন কি বদর ও ওহুদের যুদ্ধেও তিনি শরীক হতে পারেননি। তাই হযরত (সা:) একদিন তাকে ডেকে বললেন- তাঁর ইহুদী মালিকের সাথে আলাপ করে বিনিময় প্রদানের শর্তে মুক্তিলাভের চুক্তি করার জন্য। তিনি তার মুনিবের সাথে আলাপ করলে সে দু’টি শর্ত আরোপ করলো। প্রথমত: তিন বা ৫শত খেজুর গাছ রোপণ করে দিতে হবে এবং সেই গাছে যেদিন খেজুর ফলবে সেদিন তিনি মুক্তি পাবেন। দ্বিতীয়ত: ৪০ উকিয়া অর্থাৎ ৬ সেরের অধিক পরিমান স্বর্ণ প্রদান করতে হবে। আসলেই তাঁকে মুক্তি করে দেয়ার অভিপ্রায় ছিলো না বলেই ইহুদী এই শর্ত আরোপ করেন।

হযরত সালমান ফার্সী রাসুল (সা:)-এর দরবারে এসে এই ঘটনা বর্ণনা করলে তিনি হযরত আলীকে নিয়ে গেলেন ইহুদীর কাছে। ইহুদী এক কাঁদি খেজুর দিয়ে বললেন- এই খেজুর থেকে চারা উৎপন্ন করে ফল ফলাতে হবে। রাসুল (সা:) দেখলে ইহুদীর দেয়া খেজুরগুলো আগুণ দিয়ে পুড়িয়ে কয়লা করে ফেলা হয়েছে যাতে চারা না গজায়। রাসুল (সা:) খেজুরের কাঁদি হাতে নিয়ে হযরত আলী (রা:)-কে জমিতে গর্ত করতে বললেন। আর সালমান ফার্সী (রা:)-কে বললেন পানি আনতে। আলী (রা:) মাটিতে গর্ত করলে রাসুল (সা:) নিজ হাতে প্রতিটি গর্তে পুড়া খেজুর বপন করলেন। আর সালমান ফার্সী (সা:)-কে নির্দেশ করলেন গর্তে পানি দিতে দিতে সামনে এগিয়ে যেতে। হুজুর আরো বললেন যে, পানি দেওয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত যেনো পিছনে না তাকান। বাগানের শেষ প্রান্তে যাওয়ার পর তিনি পিছনে তাকিয়ে দেখলেন প্রতিটি খেজুর থেকে গাছ উৎপন্ন হয়ে খেজুর ধরে পেকে কালো বর্ণ হয়ে আছে। এই খেজুরের নাম আজুয়া। এটি সবচেয়ে দামী খেজুর এবং স্বাদের দিকে দিয়ে বেশী সুস্বাদু।
বোখারী শরীফের ৫৩৫৬ নম্বর হাদিসে বর্ণিত আছে যে, জুমুয়া ইবনে আব্দুল্লাহ (রা:) তাঁর পিতা থেকে শুনেছেন রাসুল (সা:) বলেছেন- যে ব্যক্তি প্রত্যহ ৭টি আজুয়া খেজুর খাবেন সেদিন তাকে কোন বিষ বা যাদু ক্ষতি করতে পারবে না।

 Al-Zahir Travels & Tours
21/07/2026

Al-Zahir Travels & Tours

*19-07-2026*******J9 DAC KWI 22JUL(F)-37KFZ DAC ELQ 29JUL(2H+F) - Please CallFZ DAC TUU 31JUL(4H+F) - Please CallFZ DAC ...
19/07/2026

*19-07-2026*
******
J9 DAC KWI 22JUL(F)-37K

FZ DAC ELQ 29JUL(2H+F) - Please Call
FZ DAC TUU 31JUL(4H+F) - Please Call
FZ DAC EAM 30JUL(2H+F) - Please Call
FZ DAC RUH 29,30JUL(6H+F) - Please Call
FZ CGP RUH 25JUL(5H+F) - Please Call
FZ CGP DXB 25JUL(F) - Please Call
FZ CGP DXB 27,28JUL - Please Call
FZ CGP DOH 28JUL(2H+F) - Please Call

OV DAC MCT 25JUL - Please Call
OV CGP SLL 24JUL(6H) - Please Call
OV CGP RUH 24,25JUL(1H) - Please Call
OV CGP AHB 30JUL(2H) - Please Call

NDC-QR,EK,GF,WY,SV,TK

#সেন্টমার্টিন Al-Zahir Travels & Tours

 #সেন্টমার্টিন (স্থানীয়ভাবে নারিকেল জিঞ্জিরা) বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থেকে প্রায় ৯...
18/07/2026

#সেন্টমার্টিন (স্থানীয়ভাবে নারিকেল জিঞ্জিরা) বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ থেকে প্রায় ৯–১০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। স্বচ্ছ নীল পানি, প্রবাল, নারিকেল গাছ, সি-ফুড এবং শান্ত পরিবেশের জন্য এটি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় পর্যটন গন্তব্য।

কীভাবে যাবেন?
ঢাকা → টেকনাফ: বাস বা বিমান (কক্সবাজার) + সড়কপথে টেকনাফ।
টেকনাফ → সেন্ট মার্টিন: পর্যটকবাহী জাহাজে প্রায় ২–২.৫ ঘণ্টা।
পর্যটন মৌসুমে জাহাজ চলাচল করে; যাত্রার আগে সময়সূচি নিশ্চিত করুন।

ভ্রমণের উপযুক্ত সময়:
নভেম্বর – জানুয়ারি/ফেব্রুয়ারি: সমুদ্র শান্ত থাকে এবং ভ্রমণের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত সময়।
বর্ষাকালে সমুদ্র উত্তাল থাকায় জাহাজ চলাচল সীমিত বা বন্ধ থাকতে পারে।

ঘুরে দেখার স্থান:
প্রবাল সৈকত (Coral Beach)
ছেঁড়া দ্বীপ (Chera Dwip) – ভাটার সময় হেঁটে যাওয়া যায়, জোয়ারে নৌকায় যেতে হয়।
সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য
নারিকেল বাগান ও সমুদ্রতীর

কী কী করবেন?
🌊 সমুদ্রে গোসল (নিরাপদ স্থানে)
🤿 স্নোরকেলিং
🚶 সৈকতে হাঁটা
📸 ফটোগ্রাফি
🌅 সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ
🦞 টাটকা সি-ফুড খাওয়া

কোথায় থাকবেন?
দ্বীপে বিভিন্ন বাজেটের হোটেল, রিসোর্ট ও গেস্টহাউস রয়েছে। পর্যটন মৌসুমে আগে থেকেই বুকিং করা ভালো।

কী খাবেন?
লবস্টার
কাঁকড়া
চিংড়ি
রূপচাঁদা
বারবিকিউ সি-ফুড
ডাবের পানি

আনুমানিক খরচ (প্রতি ব্যক্তি):
ঢাকা–টেকনাফ বাস: ৳১,২০০–২,৫০০ (ধরনভেদে)
জাহাজ ভাড়া: ৳৮০০–২,৫০০+
হোটেল: ৳১,৫০০–৬,০০০+ (মৌসুমভেদে)
খাবার: ৳৩০০–১,০০০ প্রতি মিল

ভ্রমণ টিপস:
পরিচয়পত্র (NID/পাসপোর্ট) সঙ্গে রাখুন।
প্লাস্টিক ও ময়লা সৈকতে ফেলবেন না।
প্রবাল বা সামুদ্রিক প্রাণী সংগ্রহ করবেন না।
সানস্ক্রিন, টুপি ও স্যান্ডেল সঙ্গে রাখুন।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেখে যাত্রা করুন।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

সেন্ট মার্টিনে পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য বর্তমানে পর্যটকের সংখ্যা, ভ্রমণের সময় এবং প্রবেশব্যবস্থা নিয়ে সরকারি নিয়ম রয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে অনুমোদিত টিকিটের সঙ্গে QR-ভিত্তিক ট্রাভেল পাস অন্তর্ভুক্ত থাকে। ভ্রমণের আগে সর্বশেষ নিয়ম যাচাই করে নিন।

*11-07-2026*******J9 DAC KWI 15JUL(FOOD) - Call For PriceFZ DAC HAS 21JUL(2H+F) - Call For PriceFZ DAC ELQ 22JUL(2H+F) -...
11/07/2026

*11-07-2026*
******
J9 DAC KWI 15JUL(FOOD) - Call For Price

FZ DAC HAS 21JUL(2H+F) - Call For Price
FZ DAC ELQ 22JUL(2H+F) - Call For Price
FZ DAC TUU 24JUL(4H+F) - Call For Price
FZ DAC AHB 23JUL(9H+F) - Call For Price
FZ DAC AHB 24JUL(4H+F) - Call For Price
FZ CGP AHB 23JUL(3H+F) - Call For Price
FZ CGP RUH 18JUL(5H+F) - Call For Price

G9 DAC AJF 18JUL(2H) - Call For Price
G9 DAC ELQ 16JUL(5H) - Call For Price
G9 DAC AUH 16JUL - Call For Price
G9 DAC SHJ 13,15JUL - Call For Price

OV DAC MCT 15JUL - Call For Price
OV CGP MCT 13,14 - Call For Price
OV CGP SLL 13,15JUL - Call For Price
OV CGP RUH 23,25JUL(1H) - Call For Price

NDC-QR,EK,GF,WY,SV,TK,MH

Al-Zahir Travels & Tours US-Bangla Airlines SAUDIA AIRLINES الخطوط السعودية

কেউ বলে জ্বীনের পাহাড়। কেউ বলে যাদুরর পাহাড়। ইউরোপীয়ানরা বলে ঘোষ্ট ভেলী। আর আরবদের কেউ ডাকে ওয়াদি আল আবইয়াজ, ওয়াদিয়ে জ্ব...
11/07/2026

কেউ বলে জ্বীনের পাহাড়। কেউ বলে যাদুরর পাহাড়। ইউরোপীয়ানরা বলে ঘোষ্ট ভেলী। আর আরবদের কেউ ডাকে ওয়াদি আল আবইয়াজ, ওয়াদিয়ে জ্বীন, ওয়াদি রাজা। কেউ বা অন্য কোন নামে। তবে যে নামেই পরিচিত হোক না কেনো এটি পৃথিবীর এক অবাক বিস্ময়। এখানে সবকিছু ঢালুর বিপরীতে গড়ায়। মানে সাধারণ নিয়মের সব উল্টো। এখানে হার মেনে যায় বিজ্ঞানের সব সূত্র। দুনিয়া জোড়া জ্ঞান-বিজ্ঞানের এতো প্রসারের পরেও আজ অবদি এই অপার রহস্যের উদঘাটন করতে পারেনি কেউ। আজো বিস্ময় সৃষ্টি করে চলেছে এই অদৃশ্য শক্তির পাহাড়।
জায়গাটি সৌদী আরবের মদীনা শহর থেকে ৪৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত। সেই জ্বীনের পাহাড় দেখবো বলে নিউইয়র্ক থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে গিয়েছিলাম।

আগেরদিন মদীনার আশেপাশে অনেকগুলো ঐতিহাসিক স্থান ঘুরে দেখেছি। সেগুলোর মধ্যে ছিলো বদর, ওহুদ এবং খন্দকের যুদ্ধ ক্ষেত্র। বীরে রোহা, জবলে মালাইকা, জান্নাতুল বাকী, মসজিদে কুবা, মসজিদে কেবলা তাইন, মদীনা গভর্নর হাউজ সহ আরো অনেক ঐতিহাসিক স্থান। গাইডকে বলা ছিলো আজ জ্বীনের পাহাড় দেখতে যাবো। কথামত তিনি সকাল ৬টায় এসে আমাকে হোটেল থেকে উঠিয়ে নিলেন।
মদীনায় আমার গাইডের নাম এরশাদ উল্লাহ। বাড়ী ঢাকার গাজীপুরে। ৩৫ বছর ধরে বসবাস করছেন নবীর শহর মদীনায়। তার কাজ হজ বা ওমরাহ করতে আসা লোকদের ঐতিহাসিক স্থানগুলো ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখানো। বলা যায় সৌদি আরবের বেশীর ভাগ জায়গা তার হাতের তালুর মতো চেনা।

গাড়ী চলছে রাজপথ ধরে। দুপাশে কালো কালো পাথরের পাহাড়। পাহাড়ের কাছ দিয়ে শুকনো পানি শূন্য খাল। গাড়ীর আওয়াজ ছাপিয়ে কানে আসছে আমার গাইডের ধারা বর্ণনা। ওয়াদি বলা হয় পানি জমা হওয়ার ছোট ছোট খাল-কে। এই খালে বৃষ্টির সময় পানি জমা হয়। আর সে পানি খুব মিষ্টি।

একটু পর পর খেজুর বাগান। পাশেই ন্যাড়া পাহাড়। পাহাড়ের উপর ধারালো সূচের ন্যায় পাথর। এমন পাহাড় নাকি শুধুমাত্র এই এলাকায়-ই। সৌদি আরবের অন্য কোথাও এ ধরনের পাহাড় চোখে পড়ে না। পাহাড়ের মাঝখান দিয়ে চলে গেছে পিচঢালা সড়ক। আর সেই সড়কেই লুকিয়ে আছে অপার বিস্ময়।

এরশাদ উল্লাহ জানান, ২০০৯-১০ সালের দিকে সৌদি সরকার এই এলাকায় রাস্তা বানানোর পরিকল্পনা করে। কিন্তু ৩০ কিলোমিটার পর্যন্ত কাজ করার পর সমস্যা শুরু হয়। হঠাৎ দেখা যায় রাস্তা নির্মাণের যন্ত্রপাতি আসে আস্তে স্বয়ংক্রিয়ভাবে মদিনা শহরের দিকে চলে যাচ্ছে। কোন অদৃশ্য শক্তিগুলো যেনো যন্ত্রপাতিগুলোকে মদীনার দিকে ঠেলছে। এমনকি পিচ ঢলাইয়ের ভারী রোলারগুলো বন্ধ থাকা অবস্থায় আস্তে আস্তে ঢালু বেয়ে উপরের দিকে উঠতে থাকে। এসব দেখে কর্মরত শ্রমিকরা ভয় পায়। এবং তারা কাজ করতে অস্বীকার করে। ফলে রাস্তা নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। রাস্তাটি ২০০ কিলোমিটার করার কথা থাকলেও মাত্র ৩০ কিলোমিটার করেই নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়।
দুই পাহাড়ের মাঝখান দিয়ে যে রাস্তাটি মদিনার দিকে চলে গেছে এটি ক্রমেই উঁচুতে উঠে গেছে। কিন্তু অবাক করা কান্ড হলো গাড়ীর ইঞ্জিন বন্ধ করে দিলেও গাড়ী উচুঁ পথের দিকে চলতে থাকে। আরো একটি বিস্ময়কর ব্যাপার হলো এই সড়কের একেবারে শেষ প্রান্তে প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়কে গাড়ী চলতে কোন তেল লাগে না। ইঞ্জিন বন্ধ অবস্থায়ও গাড়ী চলতে থাকে ১০০ মিটার বেগে।

গাইড এরশাদ উল্লাহ তার পা গাড়ীর এক্সেলেটর থেকে তুলে সীটের উপর রাখলেন, ইঞ্জিন নিউট্রাল করে দিলেন। অবাক কান্ড স্পীড মিটার ক্রমেই ১৪০ মিটার বেগে গাড়ীর গতি দেখাচ্ছিলো। এই রহস্যময় সীমার এক প্রান্তে এসে এরশাদ উল্লাহ গাড়ী থামিয়ে একটি পানির বোতল রাস্তার ওপর রাখলেন। কি অবাক করা কান্ড? পানির বোতলটি ঢালুর বিপরীতে গড়িয়ে যেতে লাগলো। বোতল থেকে পানি ঢাললাম, তাও বিপরীতেই গেলো।
কেউ কেউ বলে পাশের পাহাড়ে চুম্বক আছে, যা গাড়ীকে উল্টোদিকে টেনে নিয়ে যায়। কিন্তু আমরা সবাই জানি চুম্বক কেবলমাত্র লোহাকেই টানে। পানির বোতল, জুতা বা বোতল থেকে রাস্তায় পানি ঢাললে তাও ঢালের বিপরীতের দিকে গড়াতে থাকে। এ প্রশ্নের জবাব কেউ দিতে পারেননি।

দুই পাহাড়ের মাঝ দিয়ে রাস্তাটি যেখানে গিয়ে শেষ হয়ে ইউটার্ন নিয়ে ফের মদিনার দিকে চলে গেছে সেখানেই গাড়ী পার্ক করলেন এরশাদ। আমাকে সুযোগ দিলে দুইপাশের পাহাড়ের ছবি তোলার সুযোগ দিলেন। দেখলাম বেশকিছু শ্রমিক রাস্তা পরিষ্কার করার কাজ করছে। চেহারা সূরত দেখে বাঙালী বলে মনে হলো। কাছে গিয়ে আলাপ করতেই আমার কথার সত্যতা পেলাম। তাদের সবার বাড়ী বৃহত্তর কুমিল্লার চাঁদপুরে। দিনের বেলায় এখানে কাজ করেন আর সন্ধ্যায় চলে যান মদীনা শহরে। এই রাস্তাটা খোলা রাখা হয় সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এরপর আর কোন গাড়ী বা মানুষকে এই এলাকায় আসতে দেয়া হয় না। কেউ এই এলাকায় থাকতে চাইলেও অনুমতি দেয়া হয় না।

তারা আরো জানান, এই এলাকার উল্টো রীতি নিয়ে বিভিন্ন ধরণের জনশ্রুতি আছে। তা হলো- এই
পাহাড়ের উপরে উঠে নবী করীম (সা:) জ্বীনদের ইসলামের দাওয়াত দিয়েছিলেন। তখন নাকি কিছু জ্বীন পালিয়ে যেতে চায়। তাই বয়স্ক জ্বীনরা তাদের পালানো ঠেকাতে পথ উল্টে দেয়। তাই এখানে সব কিছু উল্টা চলে।

তাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে গাড়ীতে গিয়ে বসলাম। এরশাদ উল্লাহ জানান- বর্তমানে ওয়াদি আল জ্বীন এলাকটি পর্যটন স্পট হিসেবে ধীরে ধীরে পরিচিতি পাচ্ছে। স্থানীয় আরবরা এখানে ছুটির দিনে অবসর কাটাতে আসেন। এখানে ছোট ছোট গাড়ী ভাড়া দেয়ার দোকান গড়ে উঠেছে। সেখান থেকে গাড়ী ভাড়া নিয়ে উল্টো পথে গাড়ী চলার অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়।

মদীনার রহস্যময় এই পাহাড় নিয়ে রীতিমত হৈচৈ চলছে সারা পৃথিবী জুড়ে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে অসংখ্য পর্যটক এখানে আসে এই জ্বীনের পাহাড় দেখতে। প্রতি বছর হজ্ব ও ওমরাহ করতে আসা মানুষও এই রহস্যময় জ্বীনের পাহাড় দেখতে ভীড় জমান।
বেলা যতই বাড়ছিলো প্রচন্ড তাপমাত্রায় অস্থির হয়ে উঠছিলাম। গাড়ীর এসিও মনে হয় কাজ করছিলো না। তাই রহস্যময় এলাকা থেকে মদীনার দিকে গাড়ী চালাতে এরশাদ উল্লাহকে অনুরোধ জানালাম।
Al-Zahir Travels & Tours

Address

Madan Mohon School Market, 2nd Floor (West Side), Chowmuhani, Begumgonj, Noakhali
Noakhali Sadar Upazila
3821

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al-Zahir Travels & Tours posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Al-Zahir Travels & Tours:

Shortcuts

Share