Bangladesh e-Passport Portal

Bangladesh e-Passport Portal Helping people to do passport application and Airlines Tickets for Domestic and International

ইন্ডিয়া থেকে মরদেহ আনার পদ্ধতি*****************************আজকের পোস্ট এসকল বিষয় নিয়েই লেখা।ইন্ডিয়ায় গিয়ে কেউ মারা গেলে ...
06/08/2026

ইন্ডিয়া থেকে মরদেহ আনার পদ্ধতি
*****************************
আজকের পোস্ট এসকল বিষয় নিয়েই লেখা।

ইন্ডিয়ায় গিয়ে কেউ মারা গেলে সেই লাশ দেশে ফিরিয়ে আনতে আপনাকে লম্বা একটি রাস্তা বা বেশ কিছু প্রসেস সম্পন্ন করে দেশে মৃতদেহ ফেরত আনতে হবে। এসময় বেশ কিছু অফিসে কাগজপত্র জমা দিয়ে প্রমাণ করতে হবে মৃতদেহটি আপনার আত্মীয়র, বা রোগীর এটেন্ডেন্স হিসেবে রোগীর সাথে আপনি বাংলাদেশ থেকে এসেছেন। সাথে এটাও প্রমাণ দিতে হবে সেখানে অবস্থানকালে আপনি বা মৃত ব্যক্তি অবৈধ কোন কাজ করেন নি। অবৈধ কাজ বলতে পাসপোর্ট ব্যতীত ইন্ডিয়া গমন, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও অবস্থান, মাদক বা আইনী মামলায় আটক, অবৈধ উপায়ে অঙ্গ প্রতিস্থাপন ইত্যাদি।

আমি একের পর এক ধাপ সম্পর্কে লিখছি যা আপনাদের জন্য এই পরিস্থিতিতে সহায়ক হবে।

ধাপ-১ঃ

ডেথ সার্টিফিকেট ( Death Certificate):
রোগীর মৃত্যুর পরে প্রথমেই আপনাকে হাসপাতাল থেকে ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হবে। ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা খুবই সহজ। রোগী হাসপাতালে যে ডাক্তারের অধীনে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনিই রোগীর ডেথ সার্টিফিকেট লিখে দিবেন। হাসপাতালের এডমিনেস্ট্রেশন বিভাগ থেকে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে এটির ১০ টি জেরক্স কপি করে নিবেন।

ধাপ-২ঃ

পুলিশ এন.ও.সি (Police N.O.C):
ডেথ সার্টিফিকেটের অরজিনাল আর জেরক্স কপি এবং রোগীর যে কোনো একজন এটেন্ডেন্সের পাসপোর্ট ( অরজিনাল এবং জেরক্স) নিয়ে যে থানার অধীনে হাসপালে পড়েছে সেই থানায় যেতে হবে। সেখানে কথা বলে নাম, ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য প্রদান করে পুলিশের নিকট থেকে N.O.C সংগ্রহ করতে হবে। N.O.C সংগ্রহ করতে কোন টাকা পয়সা লাগে না। কাউকে দিয়ে পাসপোর্ট বা কোন কপি পাঠাবেন না। যিনি রোগীর এটেন্ডেন্স এবং মৃতদেহ নিয়ে দেশে আসবেন তিনি নিজে স্বশরীরে থানায় উপস্থিত হবেন।

ধাপ-৩ঃ

Passport Cancellation and N.O.C:
ডেথ সার্টিফিকেট, N.O.C পেপার এবং মৃত রোগীর পাসপোর্ট এবং এটেন্ডেন্সের পাসপোর্ট ( অরজিনাল এবং জেরক্স) নিয়ে নিকটস্থ হাই কমিশনারের কার্যালয়ে চলে যেতে হবে এটেন্ডেন্সকে। হাই কমিশনারের কার্যালয় ২৪ ঘন্টা খোলা থাকে। তবে সন্ধ্যা ৬ টার পরে ফোন করলে বা উপস্থিত হলে পরের দিন সকালে যেতে বলে। মৃত ব্যক্তির পাসপোর্ট ক্যান্সেলেশনের জন্য আসছেন এটা বলবেন। তাহলে অনেক সময় ৬ টার পরেও কাজ করে দেয়। ওখানে মৃত ব্যক্তির মূল পাসপোর্টটা ক্যান্সেল করে সীল মেরে হাই কমিশনারের আরেকটি N.O.C সংগ্রহ করে নিবেন। সংগ্রহ করে এই কাগজেরও ১০ টি জেরক্স কপি করে নিবেন।

ধাপ-৪ঃ

FRO:
উপরের সব মূল কাগজ এবং তার জেরক্স নিয়ে FRO তে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করলে মোটামুটি মেডিকেল এবং আইনি কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। মনে রাখবেন FRO সকাল ১০ টার আগে খুলে না। তাই ১০ টার আগে ওখানে গিয়ে কোন কাজ হবে না।

ধাপ-৫ঃ

Embalming Certificate:
ইন্ডিয়ায় অনেক সংস্থা আছে যারা মৃতদেহ প্রিজারভেশন (Preservation) এর কাজ করে থাকে। তাদের মধ্যে Peace Heaven হচ্ছে ভারতের সবচেয়ে পুরাতন সংস্থাগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিগত ৭০ বছর ধরে তারা মৃতদেহ সংরক্ষণের কাজ করে আসছে। আর এরা সংরক্ষণের জন্য অন্যদের তুলনায় কম টাকা নিয়ে থাকে। এছাড়াও Green Ambulance সংস্থাটিও বেশ ভালোভাবে এই কাজ করে।

যে কোন একটি সংস্থায় কথা বলে সকল ফর্মালিটিস সম্পন্ন করতে হবে। ফর্মালিটিস পূরণের জন্য এখানে উপরের ৪টি কাগজ নিয়ে যেতে হবে সেখানে। অত:পর সেখান থেকে Embalming Certificate সংগ্রহ করে নিবেন। বডি প্রিজারভেশন এর জন্য এখানে নির্ধারিত পরিমাণ টাকা দিতে হয়। এক এক সংস্থায় এক এক রকম চার্জ নির্ধারণ করা থাকে। Peace Heaven সংস্থা ৭২ ঘন্টার জন্য বডি প্রিজারভেশন, কফিন এবং ১ দিনের মর্গ চার্জ হিসেব করে ১৬,২০০ রুপি নিয়ে থাকে। এছাড়া উপরের প্রসেসগুলোতে আর কোন টাকা লাগে না।

★ ইন্ডিয়া থেকে দেশে মৃতদেহ ফিরিয়ে আনতে হলে উপরে উল্লেখিত ৫ টি পেপার অবশ্যই সংগ্রহ করে সাথে রাখতে হবে। এবং সবগুলো পেপারের ৭ টি করে জেরক্স করে আলাদা আলাদা করে ৭ টি সেট তৈরি করে নিতে হবে।

মৃতদেহ যদি বাই রোডে নিয়ে আসতে চান, তাহলে এম্বুলেন্সের ড্রাইভার বা মালিকের সাথে যোগাযোগ করে ভাড়া নির্ধারণ করে নিতে হবে। এবং বিকেল ৫ টার মধ্যে যেন বর্ডারে পৌঁছানো যায় এমন সময়ে রওনা দিতে হবে। কারণ ৬ টার পরে বর্ডার বন্ধ করে দেওয়া হয়। ৫ টায় মধ্যে পৌঁছাতে না পারলে ৬ টার মধ্যে যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করে বের হয়ে আসা অত্যন্ত কঠিন হয়ে যাবে।

আর যদি বাই এয়ারে মৃতদেহ নিয়ে আসতে চান, তাহলে প্লেনের টিকিট কেটে টিকিটের একটি প্রিন্ট কপি এবং যাবতীয় কাগজ (উপরের ৫ টি পেপার) নিয়ে কার্গো বিভাগে গিয়ে কথা বলে বডি ডিস্প্যাচ করার কাগজ সংগ্রহ করে নিতে হবে। বাকি কাজ কখন কিভাবে করতে হবে তার দ্বায়িত্ব তারা নিজেই নিয়ে নিবে।

কার্গোতে মৃতদেহ আনতে কোন টাকা লাগে না। শুধুমাত্র এটেন্ডেন্ট-এর এয়ার টিকিট লাগবে। বাই রোডে কাস্টমস এবং ইমিগ্রেশনের সময় বডির জন্য কিছু টাকা খরচ করতে হয়। ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের সময় দেশে দেহ আনার সময় ৯০০০ রুপি জমা দিতে হয়।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
আমাদের দেশ থেকে যারা ইন্ডিয়ায় যারা চিকিৎসা করাতে যায়, ইন্ডিয়ায় পৌঁছে তাদের মধ্যে শতকরা ৯৯ শতাংশ মানুষ কোন হোটেল বা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে। ক্যান্সার চূড়ান্ত পর্যায়ে, ব্রেন টিউমার, হার্টের সমস্যা বা বড় বড় রোগে আক্রান্ত রোগীকে হোটেলে বা বাসা ভাড়া নিয়ে সেখানে না রেখে একটু বেশি টাকা খরচ করে হাসপাতালে রাখার চেষ্টা করবেন। আমাদের অনেকেই জানি না চিকিৎসা বা যে কোন কারণে অন্য দেশে গিয়ে কোন ব্যক্তি যদি সেখানের হোটেল বা বাসায় থাকা অবস্থায় মারা যায়, তাহলে পুলিস কেস এবং পোস্টমর্টেম ব্যতীত মৃতদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। আর এই প্রসেস সময় সাপেক্ষ এবং বেশ ঝামেলারও।

নিশ্চয়ই আমরা কেউ চাই না আমাদের প্রিয় মানুষটির দেহ ময়নাতদন্ত করা হোক বা তার দেহ সামান্য আঘাত লাগুক ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়।

হাসপাতালে স্বাভাবিক মৃত্যু হলে রোগীর পোস্টমর্টেমের কোন প্রয়োজন নেই। তবে এক্সিডেন্ট বা সুইসাড জনিত কেস হলে যেখানেই থাকুক না কেন পুলিশ কেস এবং পোস্টমর্টেম করা হবে।

17/07/2026
27/06/2026

ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসায় আবেদনের নতুন নিয়ম:
#বিঃদ্রঃ ভিসা প্রসেসিং এর জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারে

ভিসা আবেদন করবেন কীভাবে

ইন্ডিয়ার জন্য ভিসা আবেদন করতে হবে https://indianvisabangladesh.nic.in/visa/Registration এই ঠিকানায়। এখানে আপনি আবেদন ফর্ম পূরণ, করতে পারবেন। সব ঘর সঠিকভাবে পূরণ করার পর ভিসা আবেদন ফর্ম ডাউনলোড করতে হবে। এরপর অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট বুক করতে হবে।

কীভাবে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করবেন

যেদিন আপনি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেবেন তার আগের দিন অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট বুক করতে হবে। পরবর্তী কার্যদিবসের জন্য অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট পূর্ববর্তী কার্যদিবসে প্রকাশ করা হয়। দুপুর ২টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সাইন-আপ এবং ওয়েবফাইল আপলোড করা যাবে। শুধু যেসব আবেদনকারী সফলভাবে তাদের ওয়েবফাইল আপলোড করেছেন, তাদের জন্য একই দিন বিকাল ৫টা থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং শুরু হবে। অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিংয়ের জন্য https://appointment.ivacbd.com/ সাইনআপ বাটনে ক্লিক করে ভিসার ওয়েব ফাইলে থাকা ইমেইল অ্যাড্রেস দিয়ে সাইনআপ করতে বলা হয়েছে।

সাইনআপ করার একটি ওটিপি এসএমএসে যাবে এবং আরেকটি যাবে ইমেইলে। প্রথমে ইমেইলের ওটিপি এবং পরবর্তী সময়ে মোবাইল এসএমএসের ওটিপি সাবমিট করার মাধ্যমে ইমেইল এবং মোবাইল নম্বর ভেরিফিকেশন করতে হবে। এরপর ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে সাইনআপ করতে হবে। বিকাল সাড়ে ৪টার আগে সাইনআপ না করলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করা যাবে না।

সাইনআপ শেষ হলে মোবাইল নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করতে হবে। লগইন করার পর মোবাইলে ওটিপি পাঠানো হবে। ওটিপি দিয়ে প্রবেশ করলে অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাতা চলে আসবে। সেখানে প্রথমে ডকুমেন্টগুলো আপলোড করতে হবে। ডকুমেন্টগুলো থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য সিস্টেমে যুক্ত হবে। আপলোড করার পর অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট খোলা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সন্ধ্যা ৬টায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট চালু হলে পুনরায় লগইন করতে হবে। লগইন করার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী দিনের জন্য নির্বাচিত একটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্লট দেখাবে। সেটি পরিবর্তন করতে চাইলে একবার বদলানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক হওয়ার পর ভিসা প্রসেসিং ফি পেমেন্ট করতে হবে। আপলোড করা ওয়েবফাইল অবশ্যই মূল ভিসা আবেদনপত্রের পিডিএফ হতে হবে এবং ৩০ দিনের বেশি পুরোনো হওয়া চলবে না। পরিবর্তিত, সম্পাদিত বা বিকৃত ফাইল বাতিল করা হবে।

ট্যুরিস্ট ভিসার জন্য কী কী কাগজপত্র লাগবে

ভিসা আবেদনের সঙ্গে বেশকিছু কাগজপত্র জমা দিতে হবে।

১. ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার সময় ছয় মাস মেয়াদসহ মূল পাসপোর্ট কমপক্ষে দুই খালি পৃষ্ঠা থাকতে হবে। পাসপোর্টের কপি (প্রথম ৪ পাতা এবং মেয়াদ বাড়ানোর অনুমোদন যদি থাকে) সঙ্গে দিতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার সঙ্গে পুরোনো সব পাসপোর্ট জমা দিতে হবে।
২. পূর্ণ মুখমণ্ডল দেখা যায় এমন সাম্প্রতিক তোলা (৩ মাসের অধিক পুরোনো নয়) পাসপোর্ট সাইজ (২x২) রঙিন ছবি।
৩. জন্ম তারিখের প্রমাণ: জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি।
৪. আবাসন প্রমাণ: ইউটিলিটি বিল যেমন ইলেকট্রিসিটি, টেলিফোন, গ্যাস বা পানির বিল (ছয় মাসের অধিক পুরোনো নয়)।
৫. পেশার প্রমাণ: যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন সেখানকার নিয়োগকর্তার চিঠি। ছাত্রদের ক্ষেত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র সংগ্রহজনক করতে হবে। ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স লাগবে।
৬. আর্থিক স্বচ্ছতার প্রমাণ: প্রতিটি আবেদনপত্রের সঙ্গে ১৫০ ডলার সমমূল্যের বিদেশি মুদ্রা এনডোর্স বা আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের কপি বা পর্যাপ্ত ব্যালান্স দেখানোর প্রয়োজনে হালনাগাদ ব্যাংক স্টেটমেন্ট।
৭. রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ অনলাইন ভিসা আবেদনপত্র।
৮. অনলাইন ভিসা আবেদনপত্রের প্রদত্ত জায়গায় আবেদনকারীর ছবি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে।
৯. ভিসা আবেদনপত্রের সঙ্গে পুরোনো সব পাসপোর্ট জমা দিতে হবে, এসব ছাড়া ভিসা আবেদন অসম্পূর্ণ বলে গণ্য হবে।
ভিসা ফি

ভিসা ফি ভারত নেয় না। তবে ভিসা প্রক্রিয়াকরণ একটি চার্জ আছে। সব ধরনের ভিসা প্রক্রিয়াকরনের জন্য আইভ্যাক ১ হাজার ৫০০ টাকা নিয়ে থাকে। এটি অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং করার সময় অনলাইনে পেমেন্ট করতে হয়।

WhatsApp:- 01913227788.

Indian Visa Application Center

ঢাকা, চট্রগ্রাম, খুলনা, সিলেট ও রাজশাহী কেন্দ্রে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা পাওয়া যাবে।
25/06/2026

ঢাকা, চট্রগ্রাম, খুলনা, সিলেট ও রাজশাহী কেন্দ্রে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা পাওয়া যাবে।

25/06/2026

২৮ জুন চালু হচ্ছে ভারতের টুরিস্ট ভিসা

দুপুর ২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সাইন-আপ এবং ওয়েবফাইল আপলোড করা যাবে। যেসব আবেদনকারী সফলভাবে ওয়েবফাইল আপলোড করবেন, ...
15/06/2026

দুপুর ২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সাইন-আপ এবং ওয়েবফাইল আপলোড করা যাবে। যেসব আবেদনকারী সফলভাবে ওয়েবফাইল আপলোড করবেন, তাদের জন্য বিকেল ৫টা থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং শুরু হবে।

🚨 **ভারতীয় ভিসা আবেদনে বড় পরিবর্তন! এখন থেকে অনলাইনে ডকুমেন্ট আপলোড বাধ্যতামূলক** 🇮🇳📄ভারতীয় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় গ...
09/06/2026

🚨 **ভারতীয় ভিসা আবেদনে বড় পরিবর্তন! এখন থেকে অনলাইনে ডকুমেন্ট আপলোড বাধ্যতামূলক** 🇮🇳📄

ভারতীয় ভিসা আবেদন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে ভারত সরকার। এখন থেকে ভিসা আবেদন করার সময় শুধুমাত্র অনলাইন ফর্ম পূরণ করলেই হবে না, নির্ধারিত বিভিন্ন ডকুমেন্টও অনলাইনে আপলোড করতে হবে।

📌 **মেডিকেল ভিসার ক্ষেত্রে যেসব ডকুমেন্ট আপলোড বাধ্যতামূলক:**
✅ পাসপোর্টের তথ্য পৃষ্ঠা (Bio Page)
✅ ভারতের হাসপাতালের অফিসিয়াল লেটার/অ্যাপয়েন্টমেন্ট লেটার
✅ Medical Visa Undertaking Form

📌 **ঐচ্ছিক (Optional) হলেও প্রয়োজনে আপলোড করা যেতে পারে:**
🔹 ঠিকানার প্রমাণপত্র
🔹 যাতায়াতের টিকিট
🔹 জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)
🔹 ব্যাংক স্টেটমেন্ট/ইউটিলিটি বিল
🔹 আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ
🔹 পূর্ববর্তী চিকিৎসা সংক্রান্ত কাগজপত্র
🔹 মেডিকেল অ্যাটেনডেন্ট সংক্রান্ত ডকুমেন্ট

⚠️ **গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা:**
🔸 সব ডকুমেন্ট অবশ্যই ইংরেজি ভাষায় হতে হবে।
🔸 PDF ফরম্যাটে আপলোড করতে হবে।
🔸 ফাইল সাইজ ১০ KB থেকে ৫০০ KB-এর মধ্যে হতে হবে।
🔸 অস্পষ্ট বা ভুল ডকুমেন্ট আপলোড করলে আবেদন বাতিল হতে পারে।
🔸 অনলাইনে আপলোড করা ডকুমেন্টের হার্ড কপিও আবেদন জমা দেওয়ার সময় সঙ্গে রাখতে হবে।

📢 **যারা নতুন করে ভারতীয় ভিসার আবেদন করবেন, তারা আবেদন শুরু করার আগে প্রয়োজনীয় সব ডকুমেন্ট প্রস্তুত রাখুন।** নতুন এই নিয়ম অনুসরণ না করলে ভিসা প্রসেসিংয়ে বিলম্ব বা আবেদন বাতিল হওয়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।

✈️ **ভারতীয় ভিসা, মেডিকেল ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা এবং অন্যান্য ভিসা সংক্রান্ত সর্বশেষ আপডেট পেতে Biswas Air International -01913-227788🇧🇩🤝🇮🇳 — in Benapole.

📢 গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি | পেট্রাপোল ল্যান্ড পোর্ট 🇮🇳ভারতের পেট্রাপোল ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট (ICP) থেকে প্রকাশিত এক অফিস ...
06/05/2026

📢 গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি | পেট্রাপোল ল্যান্ড পোর্ট 🇮🇳

ভারতের পেট্রাপোল ইন্টিগ্রেটেড চেকপোস্ট (ICP) থেকে প্রকাশিত এক অফিস মেমো অনুযায়ী, Passenger User Charges (PUC) অর্থাৎ যাত্রী পরিষেবা চার্জ চালু করা হয়েছে।

📅 কার্যকর তারিখ: ০১ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে

🔹 চার্জের তালিকা:

- 🇮🇳 ভারতীয় নাগরিক: ₹২০০
- 🌏 প্রতিবেশী দেশের নাগরিক (যেমন বাংলাদেশ): ₹২০০
- 🌍 অন্যান্য দেশের নাগরিক: ₹৪০০ / USD 5

💡 বিশেষ তথ্য:

- উপরোক্ত চার্জের মধ্যে GST অন্তর্ভুক্ত।
- 👶 ১০ বছরের নিচে শিশুদের জন্য চার্জ মাত্র ₹৫০।
- নির্দিষ্ট সরকারি কর্মকর্তারা (NHAI তালিকা অনুযায়ী) এই চার্জ থেকে অব্যাহতি পাবেন।

📌 এই চার্জ পেট্রাপোল ল্যান্ড পোর্ট ব্যবহারকারী যাত্রীদের জন্য প্রযোজ্য হবে, তাই ভ্রমণের আগে বিষয়টি জেনে প্রস্তুতি নিন।

সবার সুবিধার্থে তথ্যটি শেয়ার করুন ✅

Address

Noapara
7460

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh e-Passport Portal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share