Travelers Of Pabna

Travelers Of Pabna "Travelers of Pabna" is an organization dedicated to showcasing the rich history, vibrant culture, and abundant tourism opportunities of Pabna.

We also offer you tour guide for having a great tour.

ময়দান প্রস্তুত!  পাবনাবাসী প্রস্তুত তো?আর কয়েক মুহুর্ত পরই শুরু হতে যাচ্ছে পাবনাবাসীর প্রাণের আয়োজন  "রুচি বৈশাখী উৎসব -...
13/04/2026

ময়দান প্রস্তুত! পাবনাবাসী প্রস্তুত তো?আর কয়েক মুহুর্ত পরই শুরু হতে যাচ্ছে পাবনাবাসীর প্রাণের আয়োজন "রুচি বৈশাখী উৎসব - ১৪৩৩"।

বহুদিন পর রুচি বৈশাখী উৎসবে আবারো নগর বাউল জেমস! পাবনার ছাওয়ালপল সব রেডি তো?
09/04/2026

বহুদিন পর রুচি বৈশাখী উৎসবে আবারো নগর বাউল জেমস!

পাবনার ছাওয়ালপল সব রেডি তো?

🌊 জলের বুকেই স্বপ্নের আলো: চলনবিলের ভাসমান স্কুলের অনন্য গল্পবাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ জলাভূমি চলনবিল—পাবনা, নাট...
01/04/2026

🌊 জলের বুকেই স্বপ্নের আলো: চলনবিলের ভাসমান স্কুলের অনন্য গল্প

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ জলাভূমি চলনবিল—পাবনা, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জুড়ে বিস্তৃত এই অঞ্চল বর্ষা এলেই রূপ নেয় এক বিশাল জলরাজ্যে। বছরের দীর্ঘ সময়জুড়ে পানিতে ডুবে থাকে গ্রামের পর গ্রাম। তখন থেমে যায় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা—যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, কৃষিকাজ ব্যাহত হয়, আর সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসে শিক্ষাব্যবস্থায়। শিশুদের স্কুলে যাওয়ার পথ পানির নিচে তলিয়ে যায়, ফলে পড়াশোনা হয়ে পড়ে অনিশ্চিত ও বিচ্ছিন্ন।

কিন্তু এই প্রতিকূল বাস্তবতার মাঝেই জন্ম নেয় এক ব্যতিক্রমী চিন্তা—শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাবে না, বরং স্কুলই পৌঁছে যাবে শিক্ষার্থীদের কাছে। এই ভাবনা থেকেই শুরু হয় চলনবিলের ভাসমান স্কুলের যাত্রা। নৌকাই হয়ে ওঠে শ্রেণিকক্ষ, আর নদী-খাল-বিলই হয়ে ওঠে শিক্ষার পথ।

চলনবিলের বুক চিরে ভেসে বেড়ানো এসব নৌকা স্কুল শুধু পরিবহনের মাধ্যম নয়, এগুলোই শিশুদের স্বপ্নের ঠিকানা। প্রতিটি নৌকায় নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী ক্লাস পরিচালিত হয়, যেখানে প্রত্যন্ত গ্রামের শিশুরা সহজেই অংশ নিতে পারে। বর্ষার জল আর এখানে কোনো বাধা নয়—বরং সেটাই হয়ে উঠেছে শিক্ষার মাধ্যম।

এই ভাসমান স্কুলগুলোতে শুধু প্রাথমিক শিক্ষাই নয়, রয়েছে আরও বিস্তৃত সুযোগ। শিশুদের জন্য পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি রয়েছে লাইব্রেরি সুবিধা, কম্পিউটার শিক্ষা, এমনকি আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার শেখার সুযোগও। পাশাপাশি স্থানীয় কৃষকদের জন্য আয়োজন করা হয় বিভিন্ন প্রশিক্ষণ, যেখানে তারা শিখতে পারেন জলমগ্ন পরিবেশে কীভাবে টেকসই কৃষিকাজ চালিয়ে যাওয়া যায়।

প্রযুক্তির ছোঁয়াও পৌঁছে গেছে এই নৌকা স্কুলগুলোতে। অনেক নৌকায় সৌরশক্তি চালিত বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মাধ্যমে চালানো হয় কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিভাইস। যেখানে একসময় বিদ্যুৎ ও প্রযুক্তি ছিল দূরের বিষয়, এখন সেখানেই তৈরি হচ্ছে নতুন প্রজন্মের ডিজিটাল সচেতনতা।

একসময় এই অঞ্চলের মানুষ শিক্ষার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল। বর্ষা মানেই ছিল পড়াশোনার ইতি। অনেকের স্বপ্ন ভেসে যেত পানির স্রোতে। কিন্তু এখন সেই একই জলরাশির উপর দাঁড়িয়ে গড়ে উঠছে নতুন স্বপ্ন। এক প্রজন্মের হারিয়ে যাওয়া শিক্ষার আকাঙ্ক্ষা আজ পূরণ হচ্ছে পরবর্তী প্রজন্মের হাতে।

চলনবিলের এই ভাসমান স্কুল আজ শুধু একটি স্থানীয় উদ্যোগ নয়, বরং এটি বিশ্বব্যাপী একটি অনন্য উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে কীভাবে শিক্ষা চালিয়ে যাওয়া যায়—তার এক বাস্তব ও কার্যকর মডেল এটি।

পাবনার বিশাল অংশ জুড়ে বিস্তৃত চলনবিল এই উদ্যোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। তাই এই ভাসমান স্কুল শুধু একটি প্রকল্প নয়—এটি পাবনার মানুষের উদ্ভাবনী চিন্তা, সংগ্রাম ও অদম্য ইচ্ছাশক্তির প্রতীক।

শেষ পর্যন্ত, চলনবিলের এই গল্প আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়—পরিস্থিতি যত প্রতিকূলই হোক, শিক্ষা থেমে থাকে না। যেখানে চারপাশে শুধু জল, সেখানেই একটি নৌকা হয়ে উঠতে পারে ভবিষ্যতের আলোর বাহক।

তথ্যসূত্রঃ দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

Eid Mubarak from Travelers of Pabna.On this blessed occasion of Eid-ul-Fitr, we extend our heartfelt wishes to everyone....
21/03/2026

Eid Mubarak from Travelers of Pabna.
On this blessed occasion of Eid-ul-Fitr, we extend our heartfelt wishes to everyone. May this Eid bring peace to your heart, joy to your home, and countless blessings to your life.
May your journey ahead be filled with happiness, prosperity, and beautiful memories.
Warm wishes to all.

মাহে রমজানে সেহরির পর জমজমাট রাতের ক্রিকেট, রাত হিসেবে খেলোয়াড়দের উপস্থিতিও অনেক 🏏✨📍কোলাদি,জামতলা, পাবনা সদর, পাবনা
26/02/2026

মাহে রমজানে সেহরির পর জমজমাট রাতের ক্রিকেট, রাত হিসেবে খেলোয়াড়দের উপস্থিতিও অনেক 🏏✨
📍কোলাদি,জামতলা, পাবনা সদর, পাবনা

পাবনায় ভাষার মাসে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী পুস্তক প্রদর্শনী। এতে ৬০০ বছরের বেশি সময় আগের হাতে লেখা দুর্লভ তালপাতার পাণ্ডু...
05/02/2026

পাবনায় ভাষার মাসে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী পুস্তক প্রদর্শনী। এতে ৬০০ বছরের বেশি সময় আগের হাতে লেখা দুর্লভ তালপাতার পাণ্ডুলিপি প্রদর্শন করা হয়েছে। এছাড়া আছে শত বছরের নানা ধরনের পত্রিকা, সাময়িকী, বাংলা, ইংরেজি, ফরাসি, হিন্দি, উর্দুসহ নানা ভাষার বই। শত বছর আগের দৈনিক পত্রিকা ও সাময়িকীও প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে। প্রদর্শনী শেষ হবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি।

দেশ-বিদেশ থেকে আসা জ্ঞানপিপাসু মানুষদের কাছে আগ্রহের বিষয় অন্নদা গোবিন্দ পাবলিক লাইব্রেরির সংগ্রহে থাকা প্রায় ৬০০ বছরের পুরোনো হাতে লেখা বাংলা ও সংস্কৃত পুথি আর পাণ্ডুলিপি। তালপাতা আর কাগজে লেখা এসব পুথি ও পাণ্ডুলিপি সমৃদ্ধ করেছে অন্নদা গোবিন্দ পাবলিক লাইব্রেরিকে। দেশের অন্যতম প্রাচীন ও সমৃদ্ধ লাইব্রেরি হিসেবে জ্ঞানপিপাসুদের কাছে পরিচিত এ লাইব্রেরি। কালের পরিক্রমায় ঐতিহ্যবাহী লাইব্রেরিটির এখন বয়স ১৩৬ বছর। প্রায় ৩৮ হাজার বইয়ে সমৃদ্ধ প্রাচীন এই অন্নদা গোবিন্দ পাবলিক লাইব্রেরি।

প্রতিবছরের মতো এবারও লাইব্রেরিটির উদ্যোগে ভাষার মাসে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী পুস্তক প্রদর্শনী। লাইব্রেরির সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলাম রবির সভাপতিত্বে পাবনার প্রবীণ শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান ফিতা কেটে এই পুস্তক প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন।

লাইব্রেরির অবৈতনিক মহাসচিব আব্দুল মতীন খান জানান, ১৮৯০ সালে পাবনার তাঁতিবন্দের জমিদার বংশের প্রতিষ্ঠাতা উপেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরীর বংশধর অন্নদা গোবিন্দ চৌধুরী পাবনা শহরের আব্দুল হামিদ রোডে ১৩ শতাংশ জমির ওপর লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা করেন। প্রাথমিক অবস্থায় দুই কক্ষের একটি দালানে কিছু বাংলা, সংস্কৃত আর ফারসি বই দিয়ে লাইব্রেরিটির যাত্রা শুরু হয়। পর্যায়ক্রমে এতে বইয়ের সংগ্রহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভবনের কলেবরও বাড়তে থাকে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাবনা অঞ্চলের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলছে এই লাইব্রেরি।

প্রাচীন পাবনা অন্নদা গোবিন্দ পাবলিক লাইব্রেরির সংগ্রহে রয়েছে ৩৮ হাজারেরও বেশি বই। ১৭৫৮ সালে প্রকাশিত ‘দ্য সেইন্টস এভারলাস্টিং রেস্ট’ বইটিই লাইব্রেরির সবচেয়ে পুরোনো সংগ্রহ। এ ছাড়া রয়েছে বাংলা সাহিত্য, ফারসি, উর্দু, আরবি, হিন্দি, বুলগেরিয়ান, নরওয়েজিয়ান, ইতালি, রুশ, তুর্কি, চায়না, ইরানি সাহিত্য ও পালি সাহিত্যের নানা বই। এর পাশাপাশি কয়েক হাজার পত্রিকা, জার্নাল, লিটল ম্যাগাজিন সংগ্রহে রয়েছে।

পাবনার প্রবীণ শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান বলেন, এ ধরনের লাইব্রেরি দেশের অন্য কোথাও নেই। জ্ঞানপিপাসুদের জন্য এটা একটি দর্শনীয় এবং শিক্ষণীয় গ্রন্থাগার হতে পারে। সবার উচিত এই লাইব্রেরি পরিদর্শন করা।

তথ্যসূত্র : পাবনা ট্রিবিউন

১৮ ডিসেম্বর: রক্ত, প্রতিরোধ ও বিজয়ের ইতিহাসে পাবনা মুক্ত দিবস।১৮ ডিসেম্বর—পাবনার ইতিহাসে শুধু একটি দিন নয়, এটি এক দীর্ঘ ...
18/12/2025

১৮ ডিসেম্বর: রক্ত, প্রতিরোধ ও বিজয়ের ইতিহাসে পাবনা মুক্ত দিবস।

১৮ ডিসেম্বর—পাবনার ইতিহাসে শুধু একটি দিন নয়, এটি এক দীর্ঘ যন্ত্রণার অবসান, এক অগ্নিপরীক্ষার জয়গান। মহান মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের দুই দিন পর, ১৯৭১ সালের এই দিনেই শত্রুমুক্ত হয় পাবনা। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম, অসংখ্য শহীদের আত্মত্যাগ আর সাধারণ মানুষের সীমাহীন সাহসিকতার বিনিময়ে আসে এই মুক্তি।

১৬ ডিসেম্বর সারাদেশ যখন বিজয়ের উল্লাসে ফেটে পড়ে, তখনও পাবনার মানুষ পুরোপুরি স্বাধীনতার স্বাদ পায়নি। শহরের প্রবেশপথে ব্যারিকেড দিয়ে অবস্থান নেয় পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। তারা জানত—পাবনার মাটি সহজ নয়, এখানে মানুষ মাথা নত করে না। প্রতিশোধের আশঙ্কা আর পরাজয়ের লজ্জায় তারা মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে আত্মসমর্পণ না করে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

বীর মুক্তিযোদ্ধা বেবি ইসলাম স্মৃতিচারণায় জানিয়েছেন, পাকিস্তানি সেনারা মুক্তিযোদ্ধাদের হাতে আত্মসমর্পণ করতে চায়নি। কারণ নয় মাস ধরে তারা পাবনাজুড়ে যে নির্মম নির্যাতন, হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল—তার প্রতিশোধের ভয় তাদের তাড়া করছিল। অবশেষে ১৮ ডিসেম্বর তারা ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন নন্দার কাছে আত্মসমর্পণপত্রে স্বাক্ষর করে পরাজিত পাকিস্তানি বাহিনী পাবনা ছেড়ে যায়।

এরপর বদলে যায় সবকিছু। দীর্ঘদিনের দমবন্ধ করা শ্বাস যেন হঠাৎ মুক্ত বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারণ মানুষের বিজয়োল্লাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো পাবনা শহর। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে উত্তোলন করা হয় স্বাধীন বাংলার লাল-সবুজ পতাকা। সেই পতাকা শুধু কাপড়ের টুকরো নয়—ওটি ছিল রক্তে রঞ্জিত স্বপ্নের প্রতীক।

পাবনার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস শুরু থেকেই ছিল সাহসিকতার এক উজ্জ্বল অধ্যায়। যুদ্ধের একেবারে প্রথম দিকে সাধারণ মানুষ ও মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মিলিত প্রতিরোধে পাকিস্তানি বাহিনী চরমভাবে বিপর্যস্ত হয়। প্রথম দফায় পাবনায় প্রবেশ করা প্রায় সব পাকিস্তানি সেনা নিহত হয়, আর প্রায় দশ দিন পাবনা ছিল শত্রুমুক্ত। সেই সময়টি প্রমাণ করে দিয়েছিল—পাবনার মানুষ দখলদার মানে না।

কিন্তু ১০ এপ্রিল শক্তি সঞ্চয় করে আবার পাবনায় প্রবেশ করে পাকিস্তানি বাহিনী। শুরু হয় এক ভয়াবহ অধ্যায়। গ্রাম থেকে গ্রাম, হাট-বাজার, নদীর ঘাট—কোথাও নিরাপদ ছিল না সাধারণ মানুষ। নির্বিচার গণহত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ আর লুটপাটে রক্তাক্ত হয়ে ওঠে পাবনার জনপদ। নয় মাস ধরে চলা এই নারকীয় হত্যাযজ্ঞে প্রাণ হারান অসংখ্য নিরীহ মানুষ।

আজও পাবনার বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য গণকবর সেই বিভীষিকার নীরব সাক্ষ্য বহন করে। প্রতিটি গণকবর যেন একটি করে না বলা গল্প—একটি পরিবারের নিঃশেষ হয়ে যাওয়ার ইতিহাস।

পাবনার বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক সংগঠক ও সাংবাদিক আব্দুল মতিন খান যথার্থই বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে পাবনার প্রায় প্রতিটি গ্রামেই পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মমতার ক্ষতচিহ্ন রয়ে গেছে। এই জেলা ছিল দখলদার বাহিনীর নিষ্ঠুরতার এক বড় শিকার।

এই আত্মত্যাগের স্মৃতি ধরে রাখতে পাবনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে নির্মিত হয়েছে ‘দুর্জয় পাবনা স্মৃতি স্তম্ভ’। এটি শুধু একটি স্থাপনা নয়—এটি শহীদদের রক্তে লেখা ইতিহাসের প্রতীক। প্রতি বছর ১৮ ডিসেম্বর এখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান মুক্তিযোদ্ধা, তরুণ প্রজন্ম ও সর্বস্তরের মানুষ।

১৮ ডিসেম্বর আমাদের মনে করিয়ে দেয়—স্বাধীনতা সহজে আসেনি। এটি এসেছে রক্ত, কান্না আর অগণিত জীবনের বিনিময়ে। পাবনার প্রতিটি ইঞ্চি মাটিতে মিশে আছে সেই আত্মত্যাগের গল্প।

এই দিনে আমরা শুধু উৎসব করি না, আমরা প্রতিজ্ঞা করি—
শহীদদের রক্ত যেন বৃথা না যায়,
পাবনার ইতিহাস যেন প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বেঁচে থাকে।

গৌরবের পাবনা, মুক্ত পাবনা—
শ্রদ্ধায়, স্মরণে ও ভালোবাসায়।

সম্পাদনা: মেহেদী হাসান হিমেল, প্রধান সমন্বয়ক,ট্রাভেলার্স অফ পাবনা।

আজ ১৬ ডিসেম্বর—বাংলাদেশের বিজয় দিবস।এই দিনটি শুধু একটি তারিখ নয়, এটি বাঙালির আত্মপরিচয়ের দিন, মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর দিন...
16/12/2025

আজ ১৬ ডিসেম্বর—বাংলাদেশের বিজয় দিবস।
এই দিনটি শুধু একটি তারিখ নয়, এটি বাঙালির আত্মপরিচয়ের দিন, মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর দিন, হাজারো ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার দিন।

১৯৭১ সালের এই দিনে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর পরাজিত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল। জন্ম নিয়েছিল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। যে লাল-সবুজ পতাকা আজ আকাশে উড়ছে, তার প্রতিটি রঙে মিশে আছে শহীদদের রক্ত, মুক্তিযোদ্ধাদের অদম্য সাহস আর এ দেশের মানুষের সীমাহীন আত্মত্যাগ।

পাবনাও এই ইতিহাসের একজন নীরব কিন্তু দৃঢ় সাক্ষী। এ জেলার পথে-প্রান্তরে, গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি—প্রতিরোধ, নির্যাতন, গণহত্যা আর শেষ পর্যন্ত মুক্তির আনন্দ। পাবনার মানুষ যুদ্ধ করেছে হাতে অস্ত্র নিয়ে, আবার বুক চিতিয়ে সহ্য করেছে হানাদার বাহিনীর বর্বরতা। অসংখ্য শহীদের রক্তে রঞ্জিত হয়েছে এই মাটি।

আজ বিজয় দিবসে আমরা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি সেইসব বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদদের, যাঁদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন দেশ, নিজের ভাষা, নিজের পরিচয়। তাঁদের ঋণ কোনোদিন শোধ হবার নয়।

বিজয় দিবস আমাদের শুধু অতীত মনে করিয়ে দেয় না, ভবিষ্যতের দায়িত্বও স্মরণ করিয়ে দেয়—একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার দায়িত্ব।

ট্রাভেলার্স অফ পাবনা-এর পক্ষ থেকে মহান বিজয় দিবসে জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
শহীদদের আত্মা শান্তিতে থাকুক।
জয় হোক মানবতার, জয় হোক বাংলাদেশের।

গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার: পাবনার মাটি থেকে উঠে আসা বাংলা গানের চিরকালের কণ্ঠস্বর“কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই”, “এই পথ যদ...
07/12/2025

গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার: পাবনার মাটি থেকে উঠে আসা বাংলা গানের চিরকালের কণ্ঠস্বর

“কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই”, “এই পথ যদি না শেষ হয়”, “বাঁশি শুনে আর কাজ নাই সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি”—এই গানগুলো শুধু জনপ্রিয় গান নয়, এগুলো কয়েক প্রজন্মের আবেগ, ভালোবাসা আর স্মৃতির অংশ। এমন অসংখ্য কালজয়ী গানের নেপথ্যের মানুষ ছিলেন গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার—বাংলা গানের এক অবিস্মরণীয় গীতিকার।

“এই রাত তোমার আমার”, “ও নদীরে, একটি কথা শুধাই শুধু তোমারে”, “এই সুন্দর স্বর্ণালি সন্ধ্যায়, এ কী বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু”, “এই মেঘলা দিনে একলা ঘরে থাকে না তো মন”, “কেন দূরে থাকো শুধু আড়াল রাখো কে তুমি কে তুমি আমায় ডাকো”, “আমার স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা”, “প্রেম একবার এসেছিল নীরবে”, “কী আশায় বাঁধি খেলাঘর”, “তোমার সমাধি ফুলে ফুলে ঢাকা”, “এই মন জোছনায় অঙ্গ ভিজিয়ে এসোনা গল্প করি”—এমন অসংখ্য গান আজও বাংলা গানের শ্রোতাদের হৃদয়ে অনুরণন তোলে। তাঁর লেখার ভাষা ছিল সহজ, কিন্তু অনুভব ছিল গভীর। প্রেম, বিরহ, জীবনদর্শন আর সামাজিক বাস্তবতা—সবই তাঁর গানে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে।

এই মহান গীতিকার জন্মগ্রহণ করেন ১৯২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর বাংলাদেশের পাবনা জেলায়। অর্থাৎ বাংলা গানের এই কিংবদন্তি ছিলেন আমাদের পাবনারই সন্তান। পাবনার মাটি, প্রকৃতি আর মানুষের জীবনসংগ্রাম তাঁর মানসগঠনে বড় ভূমিকা রেখেছিল—এ কথা তাঁর গানের গভীর মানবিক অনুভবেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। পাবনা শুধু শিক্ষা ও সংস্কৃতির শহরই নয়, এটি জন্ম দিয়েছে এমন এক সৃষ্টিশীল মানুষকে, যিনি বাংলা সংগীতকে দিয়েছেন চিরস্থায়ী রত্ন।

গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার শুধু প্রেমের গানেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। তিনি ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক শিল্পীও। মহান মুক্তিযুদ্ধে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ২০১২ সালে তাঁকে “মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা” প্রদান করা হয়। এটি প্রমাণ করে, তিনি শুধু শিল্পীই নন, তিনি ছিলেন একজন দায়িত্বশীল নাগরিকও।

বাংলা সংগীতের প্রায় সব কিংবদন্তি শিল্পীর কণ্ঠেই তাঁর লেখা গান জায়গা করে নিয়েছে। হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, কিশোর কুমার, মান্না দে, সলিল চৌধুরীর মতো মহীরুহ শিল্পীদের সঙ্গে তাঁর সৃষ্টিশীল সম্পর্ক বাংলা গানের ইতিহাসকে করেছে আরও সমৃদ্ধ।

আজ তিনি আমাদের মাঝে নেই। কিন্তু তাঁর গান আছে, তাঁর চিন্তা আছে, তাঁর সৃষ্টি আছে—আর সেগুলোই তাঁকে অমর করে রেখেছে। গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার শুধুই একজন গীতিকার নন, তিনি একটি সময়, একটি আবেগ, একটি সংস্কৃতির নাম।

পাবনার সন্তান হিসেবে গৌরীপ্রসন্ন মজুমদার আমাদের গর্ব। এই মহান গীতিকারের প্রতি রইল গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা এবং কৃতজ্ঞতা।

সম্পাদনা: মেহেদী হাসান হিমেল, প্রধান সমন্বয়ক,ট্রাভেলার্স অফ পাবনা।

পদ্মা- যমুনার তীরে গড়ে ওঠা স্বপ্নের নগরী — আমাদের প্রিয় পাবনা, শুভ জন্মদিন।
16/10/2025

পদ্মা- যমুনার তীরে গড়ে ওঠা স্বপ্নের নগরী —

আমাদের প্রিয় পাবনা, শুভ জন্মদিন।

16/10/2025

পাবনার ঐতিহ্যবাহী প্যারাডাইস সুইটসের নতুন শাখা হতে যাচ্ছে ঢাকা ৬০ ফিট মিজান মসজিদের পাশে।

Address

Pabna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Travelers Of Pabna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Travelers Of Pabna:

Share