আবিদ হজ্জ ট্যুর অ্যান্ড ট্র্যাভেলস

  • Home
  • Bangladesh
  • Rajshahi
  • আবিদ হজ্জ ট্যুর অ্যান্ড ট্র্যাভেলস

আবিদ হজ্জ ট্যুর অ্যান্ড ট্র্যাভেলস Abid Hajj Tours & Travels is a trusted travel agency that is always ready to fulfill your dream plac
(1)

28/05/2026

আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর,
লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ,
ওয়াল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবর
ওয়ালিল্লাহিল হামদ।

আমি প্রতিরাতে তাহাজ্জুদ পড়তাম।একই দোয়া। একই কান্না। একই চাওয়া। কিন্তু কিছুই বদলাচ্ছিল না। একদিন একজন আলেম আমাকে এমন একটা...
24/04/2026

আমি প্রতিরাতে তাহাজ্জুদ পড়তাম।একই দোয়া। একই কান্না। একই চাওয়া। কিন্তু কিছুই বদলাচ্ছিল না। একদিন একজন আলেম আমাকে এমন একটা কথা বললেন, যা আমাকে নাড়িয়ে দিল:

"তুমি আল্লাহর সাথে কথা বলছো, কিন্তু থেমে তাঁকে তোমার সাথে কথা বলতে দিচ্ছো না।"আমরা তাহাজ্জুদকে যেন একটা "চাওয়ার সময়" বানিয়ে ফেলেছি।

• আমরা আসি।
• নিজের চাওয়া-চাওয়ি বলি (দোয়া করি)।
• তারপর চলে যাই।

কিন্তু তাহাজ্জুদ শুধু কিছু চাওয়ার সময় না এটা একটা কথোপকথন। তুমি যদি শুধু বলতেই থাকো, তাহলে সম্পর্কের অর্ধেকটাই হারিয়ে ফেলছো। সেই আলেম বুঝিয়ে বললেন, আল্লাহ তিনটি প্রধান পথে আমাদের সাথে কথা বলেন—
(১) কুরআনের মাধ্যমে→ এটা তাঁর সরাসরি বাণী।
(২) তাকদীর (Al-Qadr)-এর মাধ্যমে→ তোমার পরিস্থিতির পরিবর্তনের ভেতর দিয়ে।
(৩) সাকীনাহ (As-Sakinah)-এর মাধ্যমে→হঠাৎ হৃদয়ে নেমে আসা অদ্ভুত, ব্যাখ্যাতীত শান্তির মাধ্যমে।

আমি বুঝতে পারলাম, আমি এতটাই ব্যস্ত ছিলাম আল্লাহকে আমার চাওয়া জানাতে, যে তিনি আমাকে কী দিচ্ছেন সেটা শোনারই সময় নিচ্ছিলাম না।
আল্লাহ বলেন—
"নিশ্চয়ই ফজরের কুরআন তিলাওয়াত উপস্থিত থাকে (সাক্ষী থাকে)।" [১৭:৭৮]

আলেমরা বলেন, ফজর আর রাতের তিলাওয়াত ফেরেশতারা সাক্ষী থাকে। মানে? রাত ৩টার সেই নীরব মুহূর্ত এটা একটা কথোপকথনের জায়গা।
তুমি সিজদায় কাঁদতে কাঁদতে বলো—"ইয়া আল্লাহ, আমাকে হেদায়েত দিন…" তারপর উঠে কুরআন বন্ধ করে চলে যাও, অর্থাৎ, যে উত্তরের দরজা খোলা ছিল, সেখান থেকে সরে যাচ্ছো!

পরের রাত থেকে আমি আমার তাহাজ্জুদ পড়ার নিয়ম বদলে দিলাম। দোয়া শেষ করেই আর ঘুমাতে যাইনি। চুপচাপ জায়নামাজে বসে রইলাম। কুরআন খুললাম সওয়াবের জন্য না, উত্তরের জন্য।

আর তখনই পেলাম। যে আয়াতটা হাজারবার পড়েছি, সেটাই হঠাৎ নতুনভাবে আঘাত করলো:"তিনি তো আপনাকে পথহারা অবস্থায় পেয়েছিলেন, অতঃপর পথ দেখিয়েছেন।" [৯৩:৭]

কয়েক মাসের মধ্যেই এমন দরজা খুলতে শুরু করলো, যেগুলোর জন্য আমি কখনো কড়া নাড়িনি। যদি তুমি দোয়া করে করে ক্লান্ত হয়ে যাও, আর মনে হয় "কিছুই হচ্ছে না"

আজ রাতেই এটা চেষ্টা করে দেখো:
১. তোমার সালাত আদায় করো।
২. সম্পূর্ণ ভাঙা মন নিয়ে দোয়া করো।
৩. তারপর অন্তত ১০ মিনিট বসে থাকো। ধীরে
ধীরে কুরআনের এক পৃষ্ঠা পড়ো।

ভাবো। গভীরভাবে চিন্তা করো।৷ তোমার ঝড় কত বড় এটা আল্লাহকে বলা বন্ধ করো। বরং শোনো তিনি তোমাকে দেখাচ্ছেন, তিনি কত বড়।
কম বলো। বেশি শোনো। দেখবে, আল্লাহ কীভাবে তোমার জীবনকে বদলে দেন।

✍🏻Afroza's Islamic Shorts

 #হজ্জ২৬সম্মানিত আল্লাহর মেহমানদের জন্য  কিছু জরুরী নির্দেশনা অবশ্যই মেনে চলতে হবে
12/04/2026

#হজ্জ২৬

সম্মানিত আল্লাহর মেহমানদের জন্য কিছু জরুরী নির্দেশনা অবশ্যই মেনে চলতে হবে

27/03/2026

""সূরা কাহাফ (Surah Al-Kahf)""

সূরা কাহাফ (Surah Al-Kahf) কুরআনের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূরা, যা আমাদের জীবনের নানা পরীক্ষার (fitnah) ব্যাপারে শিক্ষা দেয়। এর মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সংক্ষেপে নিচে দেওয়া হলো—
📌 সূরা কাহাফের প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য-
১. ঈমান রক্ষা করা (বিশেষ করে ফিতনার সময়)-
এই সূরায় বলা হয়েছে, দুনিয়ায় নানা ধরনের পরীক্ষা আসবে—ধর্ম, সম্পদ, জ্ঞান ও ক্ষমতা নিয়ে। এসবের মাঝে কিভাবে ঈমান ঠিক রাখতে হয়, তা শেখানো হয়েছে।
২. চারটি বড় ফিতনার সতর্কতা-
সূরাটিতে ৪টি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার মাধ্যমে ৪ ধরনের ফিতনা থেকে বাঁচার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে:
* ধর্মের ফিতনা → আসহাবে কাহাফ (গুহাবাসীদের ঘটনা)
* সম্পদের ফিতনা → দুই বাগানের মালিকের ঘটনা
* জ্ঞান বা অহংকারের ফিতনা → মুসা (আ.) ও খিজির (আ.) এর ঘটনা
* ক্ষমতার ফিতনা → যুলকারনাইন এর ঘটনা
৩. দুনিয়ার অস্থায়িত্ব বুঝানো-
এই সূরায় দুনিয়ার জীবনকে অস্থায়ী ও প্রতারণাময় বলা হয়েছে, যাতে মানুষ আখিরাতের জন্য প্রস্তুত হয়।
৪. আল্লাহর উপর ভরসা করা- (তাওয়াক্কুল)
মানুষের উচিত সব কাজে আল্লাহর উপর নির্ভর করা এবং “ইনশাআল্লাহ” বলা—এটা সূরাটিতে শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।
৫. দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা-
হাদিস অনুযায়ী, প্রতি শুক্রবার সূরা কাহাফ পাঠ করলে দাজ্জাল এর ফিতনা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
🌿 সারসংক্ষেপ:
সূরা কাহাফ আমাদের শেখায়—
কঠিন পরিস্থিতিতে ঈমান ধরে রাখা
দুনিয়ার মোহে না পড়ে আখিরাতের কথা ভাবা জ্ঞান, সম্পদ ও ক্ষমতায় অহংকারী না হওয়া আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখা।

আজ শবে কদরের সবচেয়ে শক্তিশালী সম্ভাবনার রাত — এই ১০টি সূরা ও ১০টি দোয়া এখনই দেখে নিনআজ ২৬ রমজান।মানে—আজ মাগরিবের পর থে...
16/03/2026

আজ শবে কদরের সবচেয়ে শক্তিশালী সম্ভাবনার রাত — এই ১০টি সূরা ও ১০টি দোয়া এখনই দেখে নিন

আজ ২৬ রমজান।

মানে—আজ মাগরিবের পর থেকেই শুরু হবে ২৭ রমজানের রাত।

অনেক আলেমের মতে—এটাই শবে কদরের সবচেয়ে শক্তিশালী সম্ভাবনার রাত।

তাই এই পোস্টটা এখনই পড়ুন।
সেভ করে রাখুন।
কারণ আজ রাতের আগে প্রস্তুতি নিতেই হবে।

আজ রাত শুধু জেগে থাকলেই হবে না।
জানতে হবে—কী পড়বেন, কী চাইবেন, কীভাবে রাত কাটাবেন।

অনেকে রাতে ইবাদতে বসেন, কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই দ্বিধায় পড়ে যান।

কোন সূরা পড়বো?
কোন দোয়া পড়বো?
কী চাইবো?
কোথা থেকে শুরু করবো?

তাই আজকের এই পোস্টে একসাথে দিলাম—
১০টি সূরা এবং ১০টি দোয়া।

আজ সারাদিনে সময় করে এগুলো দেখে নিন।
যা পারেন মুখস্থ করুন।
যা পারেন লিখে রাখুন।
আজ রাতের জন্য এটাই হতে পারে আপনার পূর্ণ গাইড।

---

আজ রাতের ১০টি সূরা

১) সূরা কদর — শবে কদরের সূরা

إِنَّا أَنزَلْنَاهُ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ

উচ্চারণ:
ইন্না আনযালনাহু ফি লাইলাতিল ক্বদর।

অর্থ:
নিশ্চয়ই আমরা এটা নাজিল করেছি লাইলাতুল কদরে।
(সূরা কদর: ১)

আজ রাতের শুরু হোক এই সূরা দিয়ে।

২) সূরা দুখান — তাকদিরের রাতের সূরা

فِيهَا يُفْرَقُ كُلُّ أَمْرٍ حَكِيمٍ

উচ্চারণ:
ফিহা ইউফরাকু কুল্লু আমরিন হাকিম।

অর্থ:
এই রাতে প্রতিটি প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয় নির্ধারিত হয়।
(সূরা দুখান: ৪)

আজ রাতে তাকদিরের জন্য দোয়া করুন।

৩) সূরা মুলক — কবরের আযাব থেকে রক্ষা

নবীজি ﷺ বলেছেন—এই সূরা একজনের জন্য সুপারিশ করবে, যতক্ষণ না তাকে ক্ষমা করা হয়।
(আবু দাউদ: ১৪০০, তিরমিজি: ২৮৯১)

উচ্চারণ শুরু:
তাবারাকাল্লাযি বিইয়াদিহিল মুলক...

আজ রাতের শেষে এটা পড়ুন।

৪) সূরা সাজদাহ — তাহাজ্জুদকারীদের সূরা

تَتَجَافَىٰ جُنُوبُهُمْ عَنِ الْمَضَاجِعِ

উচ্চারণ:
তাতাজাফা জুনুবুহুম আনিল মাদাজি‘।

অর্থ:
তাদের পার্শ্ব বিছানা থেকে দূরে থাকে।
(সূরা সাজদাহ: ১৬)

আজ রাতের তাহাজ্জুদের জন্য হৃদয় তৈরি করবে।

৫) সূরা মুযযাম্মিল — রাতের ইবাদতের ডাক

قُمِ اللَّيْلَ إِلَّا قَلِيلًا

উচ্চারণ:
কুমিল লাইলা ইল্লা কলিলা।

অর্থ:
রাতে দাঁড়াও, অল্প অংশ ছাড়া।
(সূরা মুযযাম্মিল: ২)

আজ রাতের জন্য এই আহ্বান আপনার জন্যও।

৬) সূরা নাবা — কিয়ামতের মহা সংবাদ

عَمَّ يَتَسَاءَلُونَ

উচ্চারণ:
আম্মা ইয়াতাসা’আলুন।

এই সূরা পড়লে আখিরাত, হিসাব, জান্নাত, জাহান্নাম—সব অন্তরে নেমে আসে।

৭) সূরা ইনফিতার — আমলনামার সতর্কতা

يَعْلَمُونَ مَا تَفْعَلُونَ

উচ্চারণ:
ইয়ালামুনা মা তাফ‘আলুন।

অর্থ:
তারা জানে তোমরা কী করো।
(সূরা ইনফিতার: ১২)

আজ রাতের প্রতিটি আমল লেখা হবে।

৮) সূরা জিলজাল — অণু পরিমাণ হিসাব

فَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُ

উচ্চারণ:
ফামাই ইয়া‘মাল মিসক্বালা যাররাতিন খাইরাইঁ ইয়ারাহু।

অর্থ:
যে অণু পরিমাণ ভালো করবে তা দেখবে।
(সূরা জিলজাল: ৭)

ছোট আমলও আজ মূল্যবান।

৯) সূরা কারিয়াহ — পাল্লা ভারী হবে না হালকা?

الْقَارِعَةُ

উচ্চারণ:
আল ক্বারিঅাহ।

আজ রাতের সিজদা, দোয়া, কান্না—সবই সেই পাল্লা ভারী করতে পারে।

১০) সূরা তাকাসুর — দুনিয়ার মোহ ভাঙার সূরা

أَلْهَاكُمُ التَّكَاثُرُ

উচ্চারণ:
আলহাকুমুত তাকাসুর।

অর্থ:
প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা তোমাদের গাফিল করে রেখেছে।
(সূরা তাকাসুর: ১)

আজ রাতের আগে নিজেকে জাগিয়ে তুলুন।

---

আজ রাতের ১০টি দোয়া

১) শবে কদরের দোয়া

اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي

উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা‘ফু আন্নি।

অর্থ:
হে আল্লাহ, তুমি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসো, আমাকে ক্ষমা করো।
(তিরমিজি: ৩৫১৩)

এটাই আজ রাতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দোয়া।

২) সাইয়্যিদুল ইস্তিগফার

اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَىٰ عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي، فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ

উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা আনতা রাব্বি লা ইলাহা ইল্লা আন্তা, খালাকতানি ওয়া আনা আবদুকা, ওয়া আনা আলা আহদিকা ওয়া ওয়া‘দিকা মাসতাতা‘তু, আউযু বিকা মিন শাররি মা সানা‘তু, আবুউ লাকা বিনি‘মাতিকা আলাইয়া, ওয়া আবুউ বিযামবি, ফাগফিরলি ফা-ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয জুনুবা ইল্লা আন্তা।

অর্থ:
হে আল্লাহ, তুমি আমার রব, তুমি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছ, আমি তোমার বান্দা। আমি তোমার নিয়ামত স্বীকার করছি, আমার গুনাহও স্বীকার করছি। তাই আমাকে ক্ষমা করো।
(সহীহ আল-বুখারি: ৬৩০৬)

৩) দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণের দোয়া

رَبَّنَا آتِنَا فِي الدُّنْيَا حَسَنَةً وَفِي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ

উচ্চারণ:
রাব্বানা আতিনা ফিদ্দুনইয়া হাসানাহ, ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাহ, ওয়া ক্বিনা আযাবান নার।

অর্থ:
হে আমাদের রব, আমাদের দুনিয়াতে কল্যাণ দাও, আখিরাতেও কল্যাণ দাও, এবং জাহান্নামের আযাব থেকে রক্ষা করো।
(সূরা বাকারা: ২০১)

৪) হিদায়াত ও তাকওয়ার দোয়া

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْهُدَىٰ وَالتُّقَىٰ وَالْعَفَافَ وَالْغِنَىٰ

উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল হুদা, ওয়াত্তুকা, ওয়াল আফাফা, ওয়াল গিনা।

অর্থ:
হে আল্লাহ, আমি তোমার কাছে হিদায়াত, তাকওয়া, পবিত্রতা এবং অমুখাপেক্ষিতা চাই।
(সহীহ মুসলিম: ২৭২১)

৫) কবর ও জাহান্নাম থেকে আশ্রয়ের দোয়া

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ وَمِنْ عَذَابِ جَهَنَّمَ وَمِنْ فِتْنَةِ الْمَحْيَا وَالْمَمَاتِ وَمِنْ شَرِّ فِتْنَةِ الْمَسِيحِ الدَّجَّالِ

উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযু বিকা মিন আযাবিল ক্ববর, ওয়া মিন আযাবি জাহান্নাম, ওয়া মিন ফিতনাতিল মাহইয়া ওয়াল মামাত, ওয়া মিন শাররি ফিতনাতিল মাসীহিদ দাজ্জাল।

অর্থ:
হে আল্লাহ, আমি তোমার আশ্রয় চাই কবরের আযাব থেকে, জাহান্নামের আযাব থেকে, জীবন-মৃত্যুর ফিতনা থেকে এবং দাজ্জালের ফিতনা থেকে।
(সহীহ আল-বুখারি: ১৩৭৭, সহীহ মুসলিম: ৫৮৮)

৬) আফিয়াহর দোয়া

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْعَافِيَةَ فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ

উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফিয়াতা ফিদ্দুনইয়া ওয়াল আখিরাহ।

অর্থ:
হে আল্লাহ, আমি দুনিয়া ও আখিরাতে নিরাপত্তা, সুস্থতা ও কল্যাণ চাই।
(ইবনে মাজাহ: ৩৮৭১)

৭) ঈমানের উপর অটল থাকার দোয়া

يَا مُقَلِّبَ الْقُلُوبِ ثَبِّتْ قَلْبِي عَلَىٰ دِينِكَ

উচ্চারণ:
ইয়া মুক্বাল্লিবাল ক্বুলুব, সাব্বিত ক্বালবি আলা দ্বীনিক।

অর্থ:
হে অন্তর পরিবর্তনকারী, আমার অন্তরকে তোমার দ্বীনের উপর অটল রাখো।
(তিরমিজি: ২১৪০)

৮) দোয়া ইউনুস

لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ

উচ্চারণ:
লা ইলাহা ইল্লা আন্তা, সুবহানাকা, ইন্নি কুনতু মিনায যালিমিন।

অর্থ:
তুমি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। তুমি পবিত্র। নিশ্চয়ই আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম।
(সূরা আল-আম্বিয়া: ৮৭)

৯) মা-বাবার জন্য দোয়া

رَّبِّ ارْحَمْهُمَا كَمَا رَبَّيَانِي صَغِيرًا

উচ্চারণ:
রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বাইয়ানি সাগিরা।

অর্থ:
হে আমার রব, তাদের প্রতি দয়া করো, যেমন তারা আমাকে ছোটবেলায় লালন-পালন করেছেন।
(সূরা আল-ইসরা: ২৪)

১০) জান্নাতুল ফিরদাউসের দোয়া

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ الْفِرْدَوْسَ الْأَعْلَىٰ مِنَ الْجَنَّةِ

উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল ফিরদাউসাল আ‘লা মিনাল জান্নাহ।

অর্থ:
হে আল্লাহ, আমি তোমার কাছে জান্নাতের সর্বোচ্চ ফিরদাউস চাই।
(সহীহ আল-বুখারি: ২৭৯০)

আজ সারাদিনে কী করবেন

এখন থেকেই প্রস্তুতি নিন।

দোয়ার একটা তালিকা লিখে ফেলুন।
কাদের জন্য দোয়া করবেন, তা ঠিক করুন।
যে সূরাগুলো পড়তে চান, সেগুলো চিহ্নিত করুন।
আজকের কাজগুলো যতটা পারেন হালকা রাখুন।
রাতে যেন মন ভাঙা না থাকে, শরীর ক্লান্ত হয়ে না পড়ে।

যদি পারেন, দুপুরে কিছুটা বিশ্রাম নিন।
মাগরিবের আগেই মনকে গুছিয়ে ফেলুন।
আজ রাতকে সাধারণ রাত ভাববেন না।

---

আজ রাত কীভাবে কাটাবেন

আজ রাতে সব একসাথে করতে না পারলেও, অন্তত একটা সহজ নিয়ম ধরুন।

কিছু সূরা পড়ুন।
অর্থ ভাবুন।
তারপর সিজদায় গিয়ে দোয়া করুন।
একটির পর একটি।

গুনাহ মাফ চান।
জান্নাত চান।
রিযিক চান।
মা-বাবার জন্য চান।
সন্তানের জন্য চান।
পুরো উম্মাহর জন্য চান।

চোখে পানি এলে কাঁদুন।
না এলে অন্তর ভেজান।

কারণ আজ রাত শুধু তিলাওয়াতের রাত না—
এটা দোয়া, কান্না, মাগফিরাত, আর তাকদির বদলে যাওয়ার রাত।

---

মনে রাখবেন

আজ রাত শুধু জেগে থাকলেই হবে না।
আজ রাতকে গুছিয়ে কাটাতে হবে।

কোন সূরা পড়বেন—জানতে হবে।
কোন দোয়া পড়বেন—জানতে হবে।
কী চাইবেন—সেটাও ঠিক করতে হবে।

---

শেষ কথা

এখন থেকেই নিয়ত করুন—
আজ রাত আমি নষ্ট করবো না।

হয়তো আজ রাতই শবে কদর।
হয়তো আজ রাতেই আপনার বহু বছরের গুনাহ মুছে যাবে।
হয়তো আজ রাতেই আপনার চোখের পানি কবুল হবে।

তাই আজ রাতের আগেই প্রস্তুত হন।
এই ১০টি সূরা আর ১০টি দোয়া নিয়ে রাখুন।
রাতে সিজদায় যান।
কাঁদুন।
চান।
আল্লাহর দরজা খোলা আছে।ইং শা আল্লহ!

আল্লাহ তাআলা আপনাকে আজ রাতের পূর্ণ বরকত নসিব করুন, আপনার সব গুনাহ মাফ করুন, এবং আপনাকে জান্নাতুল ফিরদাউস দান করুন। আমিন।

লাইলাতুল কদরের বিশেষ ৫ টি দোয়া ❣️
11/03/2026

লাইলাতুল কদরের বিশেষ ৫ টি দোয়া ❣️

06/03/2026

"হাদিসটা পড়ুন, খুশিতে কাঁন্না চলে আসবে আল্লাহপাক যে কত মহান!

হযরত মুসা (আঃ) একদিন আল্লাহর কাছে জিজ্ঞাসা করলেনঃ
হে প্রভু! আমার অনুসারীদের মধ্যে কে সবচেয়ে বড় পাপি?"

আল্লাহর উত্তরঃ "যে ব্যক্তি সর্বপ্রথম এই পথ অতিক্রম করবে, সে ব্যক্তি-ই হলো তোমার অনুসারীদের মধ্যে বড় পাপি"

আল্লাহর কথানুযায়ী হযরত মুসা (আঃ) বসে দেখছেন, কিছুক্ষণ পর দেখলেন এক ব্যাক্তি ছোট একটি ছেলেকে কোলে করে পথ অতিক্রম করছে।
হযরত মুসা (আঃ) বুঝে ফেললেন এই সেই বড় পাপি

হযরত মুসা (আঃ) আল্লাহ কে বললেনঃ হে"প্রভু, এখন আমাকে সবচেয়ে নেকী মানুষটিকে দেখান।"

আল্লাহর উত্তরঃ "সূর্য ডুবার সাথে সাথে যে লোকটি তোমার পূর্বস্থান দিয়ে চলে যাবে সেই হইলো সবচেয়ে নেকী"

হযরত মুসা (আঃ) সূর্য ডুবার বেশ আগের থেকে বসে রইলেন যেই সূর্য ডুবছিলো দেখলেন সে সকালের ঐ ব্যাক্তি-ই ছোট ছেলেকে কোলে করে ফিরে যাচ্ছে।

মুসা (আঃ) হতভম্ব হয়ে আল্লাহকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ "প্রভু একই ব্যক্তি মহা পাপি আবার মহা নেকী" .

আল্লাহ বললেনঃ "হে- মুসা! সকালে যখন এই ব্যাক্তি ছেলেকে সাথে নিয়ে তোমাকে অতিক্রম করে জঙ্গলে প্রবেশ করলো, তখন কোলের ছেলেটি বাবাকে প্রশ্ন করে ছিলো, বাবা!
এই জঙ্গল কতবড়?
বাবা উত্তরে বলেছিলো,অনেক বড়।

ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, বাবা! জঙ্গল থেকে কি বড় কোনো কিছু আছে?
তখন বাবা বলেছিলো, হ্যাঁ বাবা! ঐ পাহাড়গুলো জঙ্গল থেকে বড়। ছেলে পুনরায় প্রশ্ন করলো,পাহাড় থেকে কি বড় কিছু আছে?
বাবা বললো, আছে, এই আকাশ।

ছেলে আবার প্রশ্ন করলো, আকাশ থেকে কি বড় কিছু আছে?
সেই ব্যক্তি বললো, হ্যাঁ, আমার পাপ এই আকাশ থেকেও বড়। ছেলে বাবার এ উত্তর শোনে বললো, বাবা!

তোমার পাপ থেকে বড় কি কোনো কিছু নেই?
তখন বাবাটি চিৎকার দিয়ে ছেলেটিকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে কাঁদতে বললো আমার পাপ থেকেও অনেক অনেক বড় আমাদের আল্লাহর রহমত।

হে-মুসা! এই ব্যক্তির পাপের অনুভূতি ও অনুশোচনা আমার এতোই পছন্দ হয়েছে যে সবচেয়ে পাপি ব্যক্তিকে সবচেয়ে' নেককার ব্যক্তি বানিয়ে দিয়েছি।
মনে রেখো আমার শাস্তির হাত থেকে ক্ষমার হাত বহুগুন বড়।

হে আল্লাহ আপনি আমাদের সকলকে পিছনের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে সামনের দিনগুলোকে সত্যপথে চলার তাওফিক দান করুন"
আমিন

রাসূল (সাঃ) বলেন, আল্লাহ ওই ব্যক্তির চেহারা উজ্জ্বল করে দেন,যে আমার কোনো হাদিস শুনেছে। অতঃপর অন্যের কাছে পৌঁছে দিয়েছে।
আবু দাউদঃ ৫১৫

22/01/2026

আসসালামু আলাইকুম, সম্মানিত আল্লাহর মেহমানদের খেতমতের জন্য ঈদ এর ২/৩ দিন পরেই পবিত্র উমরাহ পালনের জন্য গ্রুপ রেডি হচ্ছে.. আগ্রহী হাজীগণ যোগাযোগ করুন

পবিত্র মদিনায় আমাদের সম্মানিত আল্লাহর মেহমানদের মিলন মেলা...আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর মেহমানদের সফর অনেক আনন্দদায়ক ছিলো,...
09/01/2026

পবিত্র মদিনায় আমাদের সম্মানিত আল্লাহর মেহমানদের মিলন মেলা...

আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর মেহমানদের সফর অনেক আনন্দদায়ক ছিলো,চোখে মুখে ছিল আত্মতৃপ্তির ছায়া।

আবিদ হজ্জ ট্যুর অ্যান্ড ট্র্যাভেলস
উপশহর নিউমার্কেট, রাজশাহী
01734163351

@ডিসেম্বর ২৫ উমরাহ # #পবিত্র মক্কা নগরীর পবিত্র জাবালে রহমত, জাবালে সুর সহ অন্যান্য ঐতিহাসিক দর্শনীয় জায়গা পরিভ্রমণ
28/12/2025

@ডিসেম্বর ২৫ উমরাহ # #

পবিত্র মক্কা নগরীর পবিত্র জাবালে রহমত, জাবালে সুর সহ অন্যান্য ঐতিহাসিক দর্শনীয় জায়গা পরিভ্রমণ

Address

ABID HAJJ TOURS & TRAVELS, 33 UPOSHAHAR NEWMARKET
Rajshahi
6200

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 00:00
Friday 09:00 - 00:30
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 00:00

Telephone

+8801734163351

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আবিদ হজ্জ ট্যুর অ্যান্ড ট্র্যাভেলস posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আবিদ হজ্জ ট্যুর অ্যান্ড ট্র্যাভেলস:

Share

Category