Hill Travel Agency

Hill Travel Agency পার্বত্য চট্টগ্রামে ঘুরা'র গাইড এবং তথ্য সরবরাহ করা হয়

রাঙ্গামাটি কায়াক ক্লাব এখন বরগাঙ রেস্টুরেন্ট, রাঙ্গামাটিতে।কায়াকিং উপভোগ করুন প্রিয়জনের সাথে  Tours
30/11/2021

রাঙ্গামাটি কায়াক ক্লাব এখন বরগাঙ রেস্টুরেন্ট, রাঙ্গামাটিতে।
কায়াকিং উপভোগ করুন প্রিয়জনের সাথে
Tours

Congratulations Dipu Chakma
02/12/2019

Congratulations Dipu Chakma

নেপালের এসএ গেমসে প্রথম সোনার পদক জিতলো বাংলাদেশ। সোমবার তায়কোয়ান্দোতে এসেছে কাঙ্ক্ষিত সেই পদক। বাংলাদেশকে প্র...

 #রাংগামাটি_টু_বালুচর_টু_রাংগামাটি আজ থেকে প্রতিদিন বিকাল ৩.৩০ ঘটিকায় সমতাঘাট, বনরুপা হতে ভ্রমণ প্রিয়দের আকর্ষনীয় স্থান ...
06/06/2019

#রাংগামাটি_টু_বালুচর_টু_রাংগামাটি
আজ থেকে প্রতিদিন বিকাল ৩.৩০ ঘটিকায় সমতাঘাট, বনরুপা হতে ভ্রমণ প্রিয়দের আকর্ষনীয় স্থান বালুচর, কান্দবছড়ার উদ্দেশ্যে Water Bus সার্ভিস চালু হল। ফেরার সময় সন্ধ্যা ৬.৪৫।

জনপ্রতি ভাড়াঃ ৮০/- টাকা (আসা যাওয়া)
#আসন সংখ্যা ২৬ জন
#কল করে অগ্রিম বুকিং করা যায়।
Mob: +8801537325451, +8801863899808 (সুমন চাকমা, বোট ব্যবস্থাপক)

for reserve also

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিরাপত্তার কারণে আগামী ২৮-৩১ ডিসেম্বর চার দিন টেকনাফ-সেন্ট মার্টিনে নৌপথে পর্যটকব...
23/12/2018

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিরাপত্তার কারণে আগামী ২৮-৩১ ডিসেম্বর চার দিন টেকনাফ-সেন্ট মার্টিনে নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে।

শনিবার বিকেলে বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে শনিবার বিকেলে প্রাথমিকভাবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য চার, নতুবা তিন দিন জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবেই। এ ব্যাপারে দুই-এক দিনের মধ্যে জাহাজ কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হবে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) টেকনাফ অঞ্চলের পরিদর্শক (পরিবহন) মোহাম্মদ হোসেন বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখা হবে। এর আগে গত ২৬ অক্টোবরে এ নৌপথে দুইটি জাহাজ চলাচল শুরু করা হয়। বর্তমানে কেয়ারি সিন্দাবাদ, কেয়ারি ক্রুজ অ্যান্ড ডাইন, বে-ক্রুস, এলসিটি কাজল, এমভি ফারহান ক্রুজ ও গ্রিন লাইন-১ প্রতিদিন পর্যটক পরিবহন করে আসছে। গত বছর এ নৌপথে আটটি জাহাজ চলাচল করলেও এখন পর্যন্ত ছয়টি জাহাজ চালু রয়েছে।

পর্যটকবাহী জাহাজ এলসিটি কাজল ও এমভি ফারহান ক্রুজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তোফায়েল আহমদ ও কেয়ারি সিন্দাবাদ টেকনাফের ব্যবস্থাপক মো. শাহ আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘এটা রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত। তবে এ-সংক্রান্ত কোনো চিঠি এখনো পাইনি। চার দিন পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখার কথা আগেই জেলা প্রশাসনের কাছ থেকে শুনেছি। আগামী ১ জানুয়ারি নতুন বছরের শুরুতে জাহাজগুলো পুনরায় এ নৌপথে পর্যটক পরিবহন করবে বলে আশা করছি।’

সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রবিউল হাসান বলেন, নির্বাচনের সময় নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে স্থানীয় জেলা প্রশাসন ২৮-৩১ ডিসেম্বর চার দিনের জন্য টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিরাপত্তার কারণে ২৮-৩১ ডিসেম্বর চার দিন টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে পর্যট....

প্রতিবেশ সংকটাপন্ন সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ছাড়পত্র ছাড়া অবৈধভাবে নির্মিত ১০৪টি আবাসিক হোটেল-কটেজের কাঠামো সরিয়ে নিতে নোটিশ ...
05/02/2018

প্রতিবেশ সংকটাপন্ন সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ছাড়পত্র ছাড়া অবৈধভাবে নির্মিত ১০৪টি আবাসিক হোটেল-কটেজের কাঠামো সরিয়ে নিতে নোটিশ দিয়েছিল পরিবেশ অধিদপ্তর। এ ব্যাপারে নির্দেশনা ছিল উচ্চ আদালতের। ২০১৭ সালের ১ মে দেওয়া নোটিশে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয় পরবর্তী ১০ দিন। অথচ গত আট মাসে একটি হোটেলও অপসারণ করা হয়নি। উল্টো এসব হোটেলে এখন বাড়ানো হচ্ছে নতুন কক্ষ।

দুই মাস ধরে ৩০ থেকে ৩৫টি হোটেলের কলেবর বাড়ানোর কাজ চলছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। হোটেল মালিকদের দাবি, হোটেল অপসারণ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়েছে।

বঙ্গোপসাগরে প্রায় সাত বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই দ্বীপটি টেকনাফ উপজেলা প্রশাসনের আওতাধীন। এটি দেশের একমাত্র প্রবালদ্বীপ। এর জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ১৯৯৯ সালে সরকার সেন্ট মার্টিনকে পরিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ইসিএ) ঘোষণা করে। সামুদ্রিক কচ্ছপের প্রজননক্ষেত্র ও প্রবালের অন্যতম আধার এই দ্বীপে কংক্রিটের তৈরি অবকাঠামো নির্মাণও নিষিদ্ধ।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন ছিদ্দিক প্রথম আলোকে বলেন, সেন্ট মার্টিন দ্বীপে স্থাপনা নির্মাণের ওপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা আছে। তারপরও সেখানে নতুন করে স্থাপনা তৈরি হচ্ছে খবর পেয়ে সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তিনি। এতে অবৈধ হোটেলেই কক্ষ বাড়ানোর সত্যতা পান। এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসকসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিত প্রতিবেদন দেওয়া হবে।

সম্প্রতি সরেজমিনে দ্বীপের পশ্চিম সৈকতে দেখা গেছে, সৈকত ঘেঁষেই তৈরি হয়েছে ‘লাবিবা রিসোর্ট’ নামের একটি হোটেল। এটির প্রথম ও দ্বিতীয় তলা আগেই তৈরি হয়েছিল। এখন তৃতীয় তলার ছাদে কাজ চলছে। প্রথম ও দ্বিতীয় তলার ৩৮টি কক্ষে ভাড়ায় থাকছেন পর্যটকেরা। তৃতীয় তলায় ১৩ জন শ্রমিক ছাদ ঢালাইয়ের কাজ চালাচ্ছেন।

ছাদ ঢালাইয়ের কাজ তদারক করছেন মো. রফিক নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি। তিনি বলেন, তৃতীয় তলায় আপাতত আটটি কক্ষ হবে। হোটেল নির্মাণের বিপরীতে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ও কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (কউক) থেকে নকশার অনুমোদন নেই বলে স্বীকার করেন তিনি।

উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অমান্য করে হোটেলের কক্ষ বাড়ানো প্রসঙ্গে রিসোর্টের ব্যবস্থাপক আবদুস সালাম বলেন, জমি কিনেই তাঁরা হোটেল তৈরি করেছেন। শুধু তাঁরা কেন, সেন্ট মার্টিনের আরও শতাধিক হোটেলেরও অনুমোদন নেই।

দ্বীপের ডেইলপাড়ায় রাস্তার পাশে তৈরি হয়েছে আরেকটি ভবন। ভবনটির চতুর্থ তলায় ছাদ ঢালাইয়ের কাজ করছেন ২৫ জন শ্রমিক। তিনতলা পর্যন্ত কাজ শেষ হলেও এটি এখনো চালু হয়নি। এই হোটেলের শ্রমিকেরা বলেন, হোটেলের মালিক ঢাকার আবু জাফর। পুরো ভবন নির্মিত হলে এটি চালু হবে।

এই ভবনটির উত্তর ও পশ্চিম অংশে ছোট-বড় আরও ৩০টির মতো হোটেলের কলেবর বাড়ানো হচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজারের সহকারী পরিচালক সাইফুল আশ্রাব প্রথম আলোকে বলেন, ২ জানুয়ারি তিনি সেন্ট মার্টিন গিয়ে নির্মাণাধীন চারটি বহুতল ভবনের কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। উচ্চ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে হোটেল ও কটেজের কলেবর বৃদ্ধির নির্মাণকাজ চলা আরও ২৭টি হোটেলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের ১৫ জানুয়ারির মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। এর মধ্যে চারজন নোটিশের জবাবে কলেবর বাড়ানোর কথা অস্বীকার করেছেন। বাকিরা জবাব দেননি। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে স্থাপনা নির্মাণ বন্ধ হয়নি।

সেন্ট মার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, টেকনাফ থেকে এই দ্বীপে ইট, বালু, সিমেন্ট ও রড পরিবহন নিষিদ্ধ থাকলেও বহিরাগত প্রভাবশালীরা জাহাজে করে এসব এনে বহুতল ভবন তৈরি করছেন। অনেকে দ্বীপের প্রাকৃতিক পাথর তুলে কাজে লাগাচ্ছেন। বাধা দিয়েও নির্মাণকাজ বন্ধ করা যাচ্ছে না।

পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) একটি রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১১ সালের ২৪ অক্টোবর হাইকোর্ট সেন্ট মার্টিনে ছাড়পত্রবিহীন স্থাপনা অপসারণের আদেশ দেন। একই সঙ্গে নতুন কোনো স্থাপনা নির্মাণ না করা ও বিরল প্রজাতির প্রাণী সংরক্ষণেরও নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ২০১৭ সালের ২১ মার্চ হাইকোর্ট সেন্ট মার্টিনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ ও নতুন স্থাপনা নির্মাণ বন্ধে ব্যর্থতার জন্য চার সচিবসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল জারি করেন। এরপর পরিবেশ অধিদপ্তর সেন্ট মার্টিনের ১০৪টি হোটেল সরিয়ে নিতে নোটিশ পাঠায়। ১০৪টি হোটেলের মধ্যে ছিল একতলা ১৮টি, দোতলা ১৭টি, তিনতলা ৩টি ও কটেজ ৬৬টি। নোটিশে ২০১৭ সালের ১০ মের মধ্যে নিজ দায়িত্বে স্থাপনা সরানোর সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল।

সেন্ট মার্টিন হোটেল ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক শিবলুল আজম কোরাইশী বলেন, হোটেলের মালিকেরা হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করেন। আদালত গত ডিসেম্বর মাসে আদেশের ওপর ছয় মাসের অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেন। এই অবস্থায় স্থাপনা অপসারণ কিংবা বাড়ানো কোনোটাই করা যাবে না। এরপর কিছু হোটেলের মালিক কক্ষ বাড়ানোর কাজ করছেন, তা গ্রহণযোগ্য নয়।

পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সাইফুল আশ্রাব বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি প্রতিবেদন আকারে উচ্চ আদালতে উপস্থাপন করা হবে। এরপর আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী ঠিক করা হবে পরবর্তী করণীয়।

পরিবেশবাদীরা বলছেন, এখন পর্যটনের মৌসুমে প্রতিদিন ৮টি জাহাজ ও ৬০টির বেশি কাঠের ট্রলারে চড়ে দৈনিক ৭ থেকে ৮ হাজার পর্যটক যাচ্ছেন সেন্ট মার্টিনে। এ ছাড়া দ্বীপের ১ হাজার ৩৫৪ পরিবারের সাড়ে ৮ হাজার বাসিন্দা রয়েছে। ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত মানুষের চাপ দ্বীপের প্রকৃতি-পরিবেশ ঝুঁকিতে ফেলছে।

প্রতিবেশ সংকটাপন্ন সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ছাড়পত্র ছাড়া অবৈধভাবে নির্মিত ১০৪টি আবাসিক হোটেল-কটেজের কাঠামো সরিয়ে ন...

জেলার পর্যটনের দায়িত্বে থাকা নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) আলী নুর খান বলেন, মাসখানেক আগেও জেলায় পর্যটকের সংখ্যা কম ছি...
05/02/2018

জেলার পর্যটনের দায়িত্বে থাকা নেজারত ডেপুটি কালেক্টর (এনডিসি) আলী নুর খান বলেন, মাসখানেক আগেও জেলায় পর্যটকের সংখ্যা কম ছিল। পর্যটন স্পটগুলো ফাঁকা অবস্থায় থাকত। এখন পর্যটকেরা দলে দলে আসতে শুরু করেছেন। হোটেল-মোটেল ও পর্যটনের জায়গাগুলোতে দেশি-বিদেশি পর্যটকের ভিড় বেড়েছে। অধিকাংশ পর্যটকই দাবি করেছেন তাঁরা জেলা শহরের দুটি আকর্ষণীয় স্থান নীলাচল ও মেঘলায় সন্ধ্যার পরেও সময় কাটাতে চান। এ জন্য এখন রাত ৮টা পর্যন্ত ওই দুই স্পটে সময় কাটানোর সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এতে নিরাপত্তার কোনো সমস্যা হবে না। সার্বক্ষণিক টুরিস্ট পুলিশ ও নির্বাহী হাকিম থাকবেন।

ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে বান্দরবানে জেলা শহরের মেঘলা ও নীলাচল পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকদের সান্ধ্যকালীন বিনোদনের সম.....

রাঙ্গামাটির লেকে ঘুরার জন্য যেকোন সাইজের দেশীয় বোট সুলভমূল্যে ভাড়া দেওয়া হয়।
07/10/2017

রাঙ্গামাটির লেকে ঘুরার জন্য যেকোন সাইজের দেশীয় বোট সুলভমূল্যে ভাড়া দেওয়া হয়।

 #গুলিয়াখালি সি বিচআমার দেখা অন্যতম সুন্দর বিচযেভাবে যাবেন : ঢাকা থেকে চিটাগাং এর বাসে উঠবেন, সিতকুন্ড নামবেন,সিতাকুন্ড ...
07/10/2017

#গুলিয়াখালি সি বিচ
আমার দেখা অন্যতম সুন্দর বিচ
যেভাবে যাবেন : ঢাকা থেকে চিটাগাং এর বাসে উঠবেন, সিতকুন্ড নামবেন,সিতাকুন্ড বাজার থেকে সিনজি তে করে পশ্চিমে ৩ কিমি দূরে, ৩০০ টাকা ভাড়া পরবে রিজার্ভ করলে...মুরাদপুর সি বিচ বললেই চিনবে।।।
থাকার জায়গা সিতাকুন্ডতেই...
অনেক সুন্দর মাঠ আছে,ফুটবল নিলে টার্ফ এর ফিলিং পাবেন...জেলেদের বটে করে সমুদ্রেও ঘুরতে পারবেন..২০০০ টাকাতেই ঘুরে আশা যাবে.এটা গত সপ্তাহে তলা বিকেল বেলা..দুপুর এর পর গেলেই ভালো কারণ খাবার র থাকার জায়গা নাই...কমেন্টসে আর পিক পাবেন......

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের যেকোন বাসে উঠে কুমিরা নেমে যেতে হবে‚তারপর অটো নিয়ে কুমিরা ঘাট ভাড়া জনপ্রতি ১০টাকা।কুমিরা ঘাট থেকে ...
03/10/2017

ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের যেকোন বাসে উঠে কুমিরা নেমে যেতে হবে‚তারপর অটো নিয়ে কুমিরা ঘাট ভাড়া জনপ্রতি ১০টাকা।
কুমিরা ঘাট থেকে স্পিড বোট বা সীট্রাকে গুপ্তছড়া ঘাট।
স্পীড বোটের ভাড়া জনপ্রতি ৩০০টাকা
আর সীট্রাক বা স্টিমারের ভাড়া জনপ্রতি ১৩০টাকা।
গুপ্তছড়া ঘাট থেকে সিএনজি নিয়ে একেবারে শেষেরদিকে রহমতপুরের দলাইপাড়া। ভাড়া ২৫০-৩০০টাকা নিবে। আমরা এখানেই ক্যাম্পিং করেছিলাম।
সন্দ্বীপ,চট্টগ্রাম ২০১৬

চীনামাটি ও স্বচ্ছ সোমেশ্বরীর দেশে(বিরিশিরি, দুর্গাপুর, নেত্রকোনা)১০০০ টাকায় একদিনেই ঘুরে আসতে পারেন বিরিশিরি থেকে।(পোস্ট...
03/10/2017

চীনামাটি ও স্বচ্ছ সোমেশ্বরীর দেশে
(বিরিশিরি, দুর্গাপুর, নেত্রকোনা)
১০০০ টাকায় একদিনেই ঘুরে আসতে পারেন বিরিশিরি থেকে।
(পোস্টের শেষে টাকাটা যোগ করে নিবেন। আশা করি ১০০০ টাকার বেশি লাগবে না। আর বিলাসিতা করলে খরচের শেষ নেই। বাট, আমাদের মতো যারা স্টুডেন্ট তারা ট্যুরে যাওয়ার আগে মিনিমাম কত টাকা হলে যাওয়া যায় ওইটা আগে খেয়াল করে। আশা করি ব্যাপারটা বুঝবেন)
কিভাবে যাবেন:
>ঢাকা-নেত্রকোণা-চল্লিশাবাজার-শিমুলকান্দি-বিরিশিরি<
( যেহেতু প্রচলিত শ্যামগঞ্জ-পূর্বধলা রাস্তা চলাচলের অযোগ্য। অনেকে এই কারনে বিরিশিরি যেতে ভয় পায়। বাট, এই রাস্তা ব্যবহার করলে ৬০% কষ্ট কম হবে)
আপনি একদিনেই ঘুরে আসবেন তাই সবচেয়ে ভালো হবে রাতে রওনা দিলে।
ঢাকা টু নেত্রকোনা হাওড় এক্সপ্রেস। বিমান বন্দর থেকে ছাড়ে রাত ১২:০০ টায়। শোভন চেয়ার সিটে আপনি ২০০ টাকায় যেতে পারবেন। (যেহেতু নাইট কোচ রাত ১০ টার পরে নেই সে জন্য সকাল সকাল পৌছানোর জন্য ট্রেনে যাওয়া সবচেয়ে ভালো হবে)
ঈদ পূজা ছাড়া টিকিট নিয়ে চিন্তা না করলেও হয়। ট্রেন অর্ধেক খালি থাকে। আপনি শুয়ে শুয়েও যেতে পারবেন।
ভোর ৫:৩০ এর মধ্যে আপনি নেত্রকোনা পৌঁছে যাবেন। নেত্রকোণা নেমে শহরে ৩০ টাকায় নাস্তা করে আপনি চলে যাবেন চল্লিশা বাজারে। স্টেশন থেকে অটো রিকশায় চল্লিশা পর্যন্ত ২০ টাকা ভাড়া নিবে। নাস্তা করে ফ্রেশ হয়ে চল্লিশা আসতে আসতে আপনার ৬:০০-৬:৩০ বেজে যাবে।
যেহেতু বিরিশিরিতে অনেক গুলা স্পট এবং স্পটগুলোর দূরত্ব একটি আরেকটা ৩-৪ কি:মি তাই আপনাকে মোটরসাইকেলে করে ঘুরলে সবচেয়ে আরামদায়ক হবে। নাহলে হাটতে হাটতে আপনার শরীরের ১২ টা বাজবে। চল্লিশা বাজারে আপনি ভাড়ায় চালিত অনেক মোটর সাইকেল পাবেন। আপনাকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ভাড়া করতে হবে। দামাদামি করে আপনি ৫৫০-৬০০ টাকায় একটা মোটরসাইকেল ভাড়া করে চলে যাবেন চল্লিশা টু শিমুলকান্দি রাস্তা দিয়ে পূর্বধলা হয়ে দূর্গাপুর বিরিশিরি। এক মোটরসাইকেলে ২ জন করে গেলে প্রতিজনে ৩০০ করে লাগবে (চল্লিশা-শিমুলকান্দি রাস্তাটা এখন ওইদিককার মানুষ সবাই ব্যবহার করছে। বিরিশিরি যাওয়ার Common রাস্তা শ্যামগঞ্জ - পূর্বধলা রাস্তার ব্যাপক খারাপ হওয়া এখন ওই রাস্তায় বাস চলাচল অনিয়মিত)
মোটরসাইকেলে করে যেতে আপনার লাগবে বড়জোর ১ ঘন্টা থেকে ১ ঘন্টা ২০ মিনিট। সকাল ৮ টায় বিরিশি বাজারে হালকা নাস্তা করে আপনি বেরিয়ে পড়তে পারেন।
একে একে সবগুলা স্পট ঘুরে বিকেলের মধ্যেই ব্যাক করতে পারবেন।
উল্লেখ্যযোগ্য স্পটগুলো:
>বিজয়পুর পাহাড়
> সোমেশ্বরী নদী
>রানীখং মন্দির
>ওয়াচ টাওয়ার
>বিরিশিরি ক্যালচারাল একাডেমি
নেত্রকোনা শহরে পৌছাতে সন্ধ্যা হবে। শহরের বাস কাউন্টার থেকে শাহজালাল এক্সপ্রেসের নেত্রকোণা টু ঢাকা টিকেট কেটে সময় বাকি থাকলে নেত্রকোণা শহরটা ঘুরে দেখতে পারেন। যাওয়ার আগে শহরের গয়ানাথ মিষ্টি ভান্ডার থেকে নেত্রকোণার বিখ্যাত 'বালিশ মিষ্টি ' খেয়ে যেতে পারেন।
তার পাশেই রাস্তার ধারে ১০০ রকম চায়ের একটা টং আছে। বিভিন্ন স্বাদের দুই এক কাপ চা খেতে পারেন।
এরপর রাতের খাবার খেয়ে বাসে উঠে পরবেন।
নেত্রকোনা থেকে আপনি ট্রেনেও ব্যাক করতে পারবেন।
দুইটা ট্রেন একটা সকালে আরেকটা বিকেলে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। বিকেলের পরে যেতে চাইলে আপনাকে ময়মনসিংহে নেমে যেতে হবে। ময়মনসিংহে আরো কয়েকটি সিডিউলের ট্রেন ঢাকায় যায়।
(চল্লিশা বাজার থেকে যদি কোনো কারনে মোটরসাইকেল ভাড়া না করতে পারেন অথবা অনেক বেশি দাম হাকায় তাহলে আপনি চল্লিশা-শিমুলকান্দি-পূর্বধলা রুটে অটো-সিএনজি করে বিরিশিরি যেতে পারেন। এরপর বিরিশিরি থেকে মোটরসাইকেল ভাড়া করতে পারেন)
পুনশ্চ : Industrial Raw material হিসেবে চীনামাটির ব্যবহারের জন্য দিন দিন কেটে ফেলা হচ্ছে এই সাদা-নীলাভ চীনামাটির পাহাড়। অনেকটায় কেটে ফেলা হয়েছে হয়ত এখন থেকে ১০ বছর পর বিজয়পুরের এই চীনামাটির পাহাড়ের কোনো চিহ্ন থাকবে না। তাই সময় থাকতে দেখে ফেলুন :)
(ছবি: সংগ্রহকৃত)

Address

Rangamati
4500

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hill Travel Agency posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category