মধুটিলা ইকোপার্ক

মধুটিলা ইকোপার্ক অপরুপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি মধুটিলায় স্বাগতম।

পাহাড়ের চূড়ায় সাইট ভিউ টাওয়ারে উঠলেই চোখ জুড়িয়ে যায়, সীমান্ত পেরিয়ে উঁচু উঁচু পাহাড় আর সবুজ অরণ্যের মনোরম দৃশ্য দেখে। দূরের অরণ্যকে একটু কুয়াশাচ্ছন্ন মনে হলেও এর সৌন্দর্যের কোনো কমতি নেই। গারো পাহাড়ের আঁকাবাঁকা উঁচু-নিচু পথ পেরিয়ে যত দূর এগোনো যায়, ততই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সমারোহ।

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পোড়াগাঁও ইউনিয়নে এই মধুটিলা ইকোপার্কটির অবস্থান।

পার্কের গেট পেরিয়ে ভেতরে ঢ

ুকতেই নজরে পড়বে উঁচু গাছের সারি। রাস্তা থেকে ডান পাশে খোলা প্রান্তর আর দুই পাশে রকমারি পণ্যের দোকান। রেস্তোরাঁ পেরোলে পাহাড়ি ঢালুর আঁকাবাঁকা রাস্তা। পাহাড়ের প্রবেশপথেই অভ্যর্থনা জানাবে ধূসর রঙের বিশাল আকৃতির শুঁড় উঁচানো পাথরের তৈরি দুটি হাতি।

এরপর যত এগোনো যাবে, ততই মন ভরে যাবে প্রকৃতির অপার সৌন্দর্যে। পথে বুনো গাছপালার ফাঁকে ফুটে আছে হরেক রকমের বুনোফুল, তাতে বাহারি প্রজাপতির বিচরণ। এক পাহাড় থেকে অন্য পাহাড়ে যাওয়ার পথে ঝোপঝাড়ে দেখা মিলবে হরিণ, রয়েল বেঙ্গল টাইগার, সিংহ, বানর, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি, হ্রদের ধারে কুমির, ব্যাঙ আর মৎস্যকন্যার অতি চমৎকার সব ভাস্কর্য।

আঁকাবাঁকা উঁচু-নিচু পথে ঘন ঘন গাছের সারি গভীর অরণ্যের দিকে চলে গেছে। এখানে উঁচু পাহাড়ের গাছের ছায়ায় বসে কাটানো যাবে দুপুর ও বিকেল।

ইকোপার্কে ঢুকতে জনপ্রতি পাঁচ টাকায় টিকিট কাটার ব্যবস্থা রয়েছে। রয়েছে আলাদা ফি দিয়ে হ্রদে প্যাডেল বোট চালিয়ে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ। ওয়াচ টাওয়ারে উঠে ভারতে অবস্থিত উঁচু উঁচু পাহাড় আর সীমান্তবর্তী সবুজ গারো পাহাড় দেখতে পাবেন।

ভাগ্য ভালো হলে ওয়াচ টাওয়ার থেকেই মিলতে পারে বুনোহাতির দলের দেখা। তারা সাধারণত শেষ বিকেলে অথবা সন্ধ্যায় গভীর অরণ্য থেকে নেমে আসে।

বিভিন্ন রাইড নিয়ে সম্পূর্ণ আলাদা করে গড়ে তোলা হয়েছে শিশুদের খেলাধুলা ও বিনোদনের জন্য শিশুপার্ক।

এখানে ভ্রমণপ্রিয়দের দিনের বেলায় ব্যবহারের জন্য রয়েছে পাহাড়ের চূড়ায় মহুয়া রেস্টহাউস। এটি ব্যবহার করতে চাইলে ময়মনসিংহ অথবা শেরপুর বন বিভাগের অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। এ ছাড়া এখানে রয়েছে ডিসপ্লে মডেল, তথ্যকেন্দ্র, গাড়ি পার্কিং জোন, ক্যানটিন, মিনি চিড়িয়াখানা। ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক প্রজাতির বৃক্ষ, মৌসুমি ফুলসহ বিভিন্ন রঙের গোলাপের বাগান। রয়েছে বেশ কয়েকটি পিকনিক স্পটও। পার্কটিতে জীববৈচিত্র্য ও প্রাণীর সমাহারও চোখে পড়বে।

#কিভাবে_যাওয়া_যায়:

ঢাকা থেকে মধুটিলা ইকোপার্কের দূরত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার। ঢাকার মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে ময়মনসিংহ হয়ে শেরপুরে আসতে হবে। শেরপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী বাজার পর্যন্ত লোকাল বাস সার্ভিস রয়েছে।

নন্নী বাজার থেকে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ভাড়ায় পাওয়া যায়। শেরপুর থেকে ভাড়ায় মাইক্রোবাস, অটোরিকশা অথবা মোটরসাইকেলে মধুটিলা ইকোপার্কে আসা যাবে। অথবা ঢাকার মহাখালী বাসস্ট্যান্ড থেকে সরাসরি নালিতাবাড়ী পর্যন্ত গেটলক সার্ভিস রয়েছে। জনপ্রতি ভাড়া ৩০০ টাকা। নালিতাবাড়ী থেকে অটোরিকশা, মোটরসাইকেলে ২০-২৫ মিনিটে মধুটিলায় যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে দিনে এসে দিনেই ফিরে যাওয়া যায়।

06/05/2026

ফরেনসিকের ডায়েরী
----------------------------------------------------------

সময়টা ২০২৩ সালের উইন্টার ভ্যাকেশনের আগ মূহুর্ত। । সরকারী হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ জার্নির সবে মাত্র 1st prof শেষ করেছি। মেডিকেল শাস্ত্রের প্রাথমিক জ্ঞান অ্যানাটমি, ফিজিওলজির মতো সাবজেক্ট গুলোর ট্রমা কাটাতে না কাটাতেই, এলো আরেক কঠিন সাবজেক্ট ফরেনসিক মেডিসিন। ফরেনসিক মেডিসিনের অন্যতম বিশেষ অনুষঙ্গ "ময়নাতদন্ত "। ময়নাতদন্ত সম্পর্কিত বাস্তব জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জনে ডাঃ তাহমিনা ম্যামের নির্দেশনায় ব্যাচের সবাই মিলে প্রথমবারের মত মর্গে গিয়েছিলাম।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মর্গে সেই দিনটা ছিল আমার জীবনের সবচেয়ে নীরব অথচ সবচেয়ে উৎকন্ঠিত দিন। বাইরে হালকা রোদ, ভেতরে ঘন নীরবতা। ময়নাতদন্তের ঘরে ঢোকার সাথে সাথে শরীরের ভেতরটা হিম হয়ে যায়। সেদিনের লাশটি এক সাংবাদিকের। সে আত্মহত্যা করেছে।

চোখে কালো চশমা পরে থেকেও ডেমো না হতে চাওয়া আমাদের, এক সময় তাকিয়ে থাকি সেই শরীরটির দিকে, যেটির বুক একটু পরেই ছেদ করা হবে, যেটি কেবল "মামলার নম্বর" হয়ে গেছে।

ময়নাতদন্ত শুরু হয়। স্ক্যালপেল হাতে ফরমালিনের গন্ধের মধ্যে ডোমের ছুরি চলে বুক থেকে পেটের দিকে। চামড়ার নিচের চর্বি, পাঁজরের ভাঙা হাড়, কালচে ফুসফুস, থেমে যাওয়া হৃদয়—আমাদের GHMC এর ডাঃ তাহমিনা ম্যাম (বিভাগীয় প্রধান, ফরেনসিক বিভাগ) এবং DMC এর ফরেনসিক ডিপার্টমেন্টের এক ম্যামের নির্দেশনায় সব অঙ্গ - প্রতঙ্গ খুলে দেখানো হয় আমাদের মতো ছাত্রদের জন্য। যেন এই লাশ, যে কাল জীবিত মানুষ ছিল, আজ একটি "শিখন সামগ্রী" মাত্র।

আমি তাকিয়ে থাকি নিঃশব্দে। ভাবি—যে মানুষটা হয়তো শেষ রাতে অনেক কান্না করেছে, যার আত্মহত্যার পেছনে ছিল চাপা কষ্ট, আজ তাকে ঠান্ডা মেঝেতে ফেলে তার বুক খোলা হচ্ছে—নির্মমভাবে, নিঃসংকোচে। মৃত্যুর পর এমন কাটা ছেঁড়ার সম্মান হয়তো কোনো মানুষ চায় না। অথচ সে-ই শেষ মুহূর্তে ভেবেছিল, “মরে গেলে সব শেষ!”

না, কিছুই শেষ হয় না। বরং শুরু হয় এক নির্মম উন্মোচন,নিজেকে খোলা বই বানানোর যন্ত্রণা।

যা বোঝার ছিলঃ

- আত্মহত্যা কোনো মুক্তি না, এটা শরীরের উপর চালানো সবচেয়ে কঠিন ছুরি চালানোর কারণ হয়ে যায়।
- আত্মহত্যা করলে শান্তি মেলে না। ময়নাতদন্তের টেবিলে এক্সপোজার আর অপমানই বরণ করতে হয়।
- যারা যায়, তারা বাঁচতে চায় কিন্তু শেষ সময়টায় পাশে কেউ না থাকায় তারা “মৃত্যু” বেছে নেয়।

---

আত্মহত্যাকে না বলুন। কারও সঙ্গে কথা বলুন। লিখে ফেলুন কষ্টগুলো। কাউকে জড়িয়ে কেঁদে ফেলুন।

কারণ মর্গে দাঁড়িয়ে যখন একজন মানুষের শরীর ছিঁড়ে ফেলা হয়, তখন বোঝা যায়,মৃত্যুর চেয়েও ভয়ংকর কিছু আছে। মৃত্যুর পরের এই নীরব অপমান।

06/05/2026

Alhamdulillah.

I am delighted to share that I have officially received my Temporary Registration from the Directorate General of Health Services (DGHS).

I sincerely express my gratitude to myparents,Family(Siblings,uncles,Cousins),teachers, Friends and well-wishers for their continuous support, prayers, and encouragement. I aspire to dedicate myself to serving humanity with professionalism, compassion, and integrity.

Please keep me in your prayers. 🤍

Dr. Azharul Islam
Bachelor of Homoeopathic Medicine & Surgery (University of Dhaka)
DGHS Reg. No: H -1970

06/05/2026
🚨 নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান চাই 🚨শেরপুরের নৌহাটা খোয়ারপাড়ের এই ভাইটি হারিয়ে গেছে। পরনে: লাল গেঞ্জি "DRIVES Blaster" লেখা, ব...
05/05/2026

🚨 নিখোঁজ ব্যক্তির সন্ধান চাই 🚨

শেরপুরের নৌহাটা খোয়ারপাড়ের এই ভাইটি হারিয়ে গেছে।
পরনে: লাল গেঞ্জি "DRIVES Blaster" লেখা,

বয়স: ৩০-৩৫ বছর।

কেউ দেখে থাকলে দয়া করে জানান 🙏
যোগাযোগ: রাশেদা - 01826837990

#নিখোঁজ #শেরপুর #নৌহাটা

 Dhaka, Bangladesh:  With over 170 million people, Bangladesh faces a serious shortage of homeopathic doctors. There are...
21/02/2026



Dhaka, Bangladesh: With over 170 million people, Bangladesh faces a serious shortage of homeopathic doctors. There are currently only around 2,000 BHMS (Bachelor of Homeopathic Medicine and Surgery) practitioners nationwide—about 1 doctor per 100,000 people.
Dr. Azharul Islam, intern at Government Homoeopathic Medical College & Hospital, said:
"Only two homeopathic medical colleges—Government Homoeopathic Medical College & Hospital and Bangladesh Homoeopathic Medical College & Hospital—offer the BHMS degree under the University of Dhaka. Each year, only around 50 doctors graduate from the government college and another 50 from the non-government college."
As demand for alternative and holistic healthcare rises, this shortage is especially felt in rural and underserved communities, where homeopathy often serves as the main source of care.
Highlighting the need for proactive healthcare, the Health Minister stated:
"People should not have to chase doctors; doctors must go after the people."
Experts emphasize that bridging this gap requires greater investment in homeopathic education, expanded training opportunities, and stronger integration of BHMS practitioners into the national healthcare system. Without urgent action, the divide between demand and available services is likely to widen further.

20/02/2026



Dhaka, Bangladesh: With over 170 million people, Bangladesh faces a serious shortage of homeopathic doctors. There are currently only around 2,000 BHMS (Bachelor of Homeopathic Medicine and Surgery) practitioners nationwide—about 1 doctor per 100,000 people.

Dr. Azharul Islam, intern at Government Homoeopathic Medical College & Hospital, said:
"Only two homeopathic medical colleges—Government Homoeopathic Medical College & Hospital and Bangladesh Homoeopathic Medical College & Hospital—offer the BHMS degree under the University of Dhaka. Each year, only around 50 doctors graduate from the government college and another 50 from the non-government college."

As demand for alternative and holistic healthcare rises, this shortage is especially felt in rural and underserved communities, where homeopathy often serves as the main source of care.

Highlighting the need for proactive healthcare, the Health Minister stated:
"People should not have to chase doctors; doctors must go after the people."
Experts emphasize that bridging this gap requires greater investment in homeopathic education, expanded training opportunities, and stronger integration of BHMS practitioners into the national healthcare system. Without urgent action, the divide between demand and available services is likely to widen further.

17/07/2025

কে কোথা থেকে আমাদের পোস্ট দেখেন?

14/05/2025

কে কে মধুটিলা ইকোপার্ক এ ঘুরতে এসেছিলেন?
কেমন লেগেছিলো?

13/05/2025

শুভ সকাল

Address

Sherpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মধুটিলা ইকোপার্ক posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to মধুটিলা ইকোপার্ক:

Share

Category