20/07/2015
দুবলারচর সুন্দরবনের মাঝে জেগে ওঠা বিচ্ছিন্ন একটি দ্বীপ বা চর। সাগরের কোলঘেঁষা এ চরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে কুঙ্গা ও মরা পশুর নদী। সব সময় এ চরে লোকজন বসবাস করে না। তবে শীত মৌসুমে এ চরে অসংখ্য জেলে সম্প্রদায় বসবাস করে। তারা শীত মৌসুমজুড়ে এ চরের আশপাশের নদী-খাল ও সাগরে মাছ ধরে এবং তা দিয়ে শুঁটকি তৈরি করে। এজন্য দুবলারচরকে অনেকে শুঁটকি পল্লীও বলে। এ চরেই প্রতি বছর কার্তিক মাসের পূর্ণিমা রাতে অনুষ্ঠিত হয় রাস মেলা। অসংখ্য সনাতন ধর্মাবলম্বী অংশ নেন এ মেলায়।
ইতিহাসের পাতা থেকে জানা যায়, ১৯২৩ সালে হরিচাঁদ ঠাকুরের বনবাসী ভক্ত হরিভজন এ মেলা শুরু করেন। আবার কেউ কেউ মনে করেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের দেবতা শ্রীকৃষ্ণ শত বছর আগে কার্তিকের পূর্ণিমা রাতে পাপমোচন ও পুণ্যলাভের আশায় গঙ্গাস্নানের জন্য স্বপ্নে আদেশ পান। তখন থেকেই এ মেলার শুরু। আবার অনেকে মনে করেন, শ্রীকৃষ্ণ বনবাসী গোপীদের সঙ্গে রাসলীলা করেছিলেন এ কার্তিকের পূর্ণিমা রাতে। সে উপলক্ষেই এ মেলা।
তবে ইতিহাস যা-ই হোক, এখন দুবলারচরের রাস মেলা সর্বজনীন উৎসব। সনাতন ধর্মালম্বীদের পাশাপাশি উৎসব দেখতে আসেন অসংখ্য দেশি-বিদেশি পর্যটক। এ উপলক্ষে এখানে গ্রামীণ মেলাও বসে।
রাস মেলার মূল আনুষ্ঠানিকতা হলো ভোরে সাগরে প্রথম জোয়ারের পানিতে স্নান করা। সে জন্য সূর্য ওঠার আগেই সনাতনধর্মীরা সাগরের পাড়ে বসে যান প্রার্থনা করতে। তারপর সূর্য ওঠার পর যথন জোয়ার শুরু হয় এবং সে পানি পুণ্যার্থীদের গায়ে এসে লাগে, তখনই পুণ্যার্থীরা নেমে যান সাগরে স্নান করতে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, এ স্নানের মাধ্যমে তাদের সব পাপ ধুয়ে-মুছে সাগরে মিশে যায় এবং তারা পুণ্যবান হন।
দুবলারচর সুন্দরবনের মাঝে জেগে ওঠা বিচ্ছিন্ন একটি দ্বীপ বা চর। সাগরের কোলঘেঁষা এ চরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে কুঙ্গা ও মরা পশুর নদী। সব সময় এ চরে লোকজন বসবাস করে না। তবে শীত মৌসুমে এ চরে অসংখ্য জেলে সম্প্রদায় বসবাস করে। তারা শীত মৌসুমজুড়ে এ চরের আশপাশের নদী-খাল ও সাগরে মাছ ধরে এবং তা দিয়ে শুঁটকি ত…