Tour Sylhet / ট্যুর সিলেট

Tour Sylhet / ট্যুর সিলেট এটি সিলেট বিভাগের দর্শনীয় স্থান সম্পর্কিত একটি পেজ

 #সিলেটের_নতুন_প্রজন্ম_কি_জানেন_কে_ছিলেন_কাপ্তান_মিয়া? সিলেটের ইতিহাসে যেসব মহান ব্যক্তিত্ব অমর হয়ে আছেন, তাদের মধ্যে মৌ...
06/03/2025

#সিলেটের_নতুন_প্রজন্ম_কি_জানেন_কে_ছিলেন_কাপ্তান_মিয়া?

সিলেটের ইতিহাসে যেসব মহান ব্যক্তিত্ব অমর হয়ে আছেন, তাদের মধ্যে মৌলভী খান বাহাদুর সৈয়দ আবদুল মজিদ, যিনি কাপ্তান মিয়া নামে সমধিক পরিচিত, অন্যতম। তিনি ছিলেন একাধারে রাজনীতিবিদ, আইনজীবী, উদ্যোক্তা এবং সমাজ সংস্কারক। কিন্তু আজকের নতুন প্রজন্ম কি জানেন কে ছিলেন এই কাপ্তান মিয়া? তাঁর অবদান এবং জীবনকাহিনী কি আমাদের সবার জানা উচিত নয়?

# # # প্রারম্ভিক জীবন ও শিক্ষা
কাপ্তান মিয়া ১৮৭২ সালে সিলেটের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা সৈয়দ আবদুল জলিল এবং দাদা সৈয়দ মুহিবুল্লাহ ছিলেন ইসলাম প্রচারক মৌলভীবাজারের সূফি সাধক শাহ মোস্তফার বংশধর। কাপ্তান মিয়ার শৈশব কাটে ঐতিহ্যবাহী ইসলামী পরিবেশে, যেখানে তিনি ধর্মীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় গড়ে ওঠেন। তিনি বাংলা, ইংরেজি এবং উর্দু ভাষায় দক্ষ ছিলেন। সিলেটের নবাব তালেব বেঙ্গল স্কুল এবং সিলেট জেলা উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ ও সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে উচ্চশিক্ষা অর্জন করেন। ১৮৯২ সালে তিনি বিএ (অনার্স) এবং ১৮৯৪ সালে বিএল (অনার্স) ডিগ্রি লাভ করেন।

# # # কৃষি ও চা শিল্পে অবদান
কাপ্তান মিয়ার সবচেয়ে বড় অবদান ছিল কৃষি ও চা শিল্পের উন্নয়নে। তিনি ১৯১১ সালে অল ইন্ডিয়া চা অ্যান্ড ট্রেডিং কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন এবং সিলেট অঞ্চলে তিনটি চা বাগান গড়ে তোলেন। তাঁর এই উদ্যোগ সিলেটের অর্থনীতিতে নতুন প্রাণ সঞ্চার করেছিল। তিনি শুধু চা বাগানের মালিকই ছিলেন না, বরং কৃষি খামার এবং তেল কারখানারও মালিক ছিলেন। তাঁর এই কর্মকাণ্ড তাকে আসামের প্রথম আদিবাসী উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

# # # শিক্ষা ও সমাজ সংস্কার
কাপ্তান মিয়া শুধু অর্থনৈতিক উন্নয়নেই অবদান রাখেননি, তিনি শিক্ষা ও সমাজ সংস্কারেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৯১২ সালে তিনি সিলেটে মুসলিম ইনস্টিটিউট হল প্রতিষ্ঠা করেন, যা বর্তমানে শহীদ সুলেমান হল নামে পরিচিত। তিনি সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তাঁর প্রচেষ্টায় মুরারিচাঁদ কলেজের মর্যাদা প্রথম গ্রেড ডিগ্রি স্তরে উন্নীত হয়। তিনি মুসলিম সমাজের পাশাপাশি অন্যান্য সম্প্রদায়ের উন্নয়নেও কাজ করেছেন। ১৯১৯ সালে তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সিলেটে আমন্ত্রণ জানান, যা সিলেটের সাংস্কৃতিক ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত।

# # # রাজনৈতিক জীবন
কাপ্তান মিয়া রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন। তিনি ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মোহামেডান শিক্ষা সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন, যা নিখিল ভারত মুসলিম লীগ গঠনের পথ প্রশস্ত করেছিল। তিনি আসামের প্রথম স্থানীয় ও মুসলিম মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯২০ সালে তিনি সিলেট-বেঙ্গল রিইউনিয়ন লিগের নেতা হিসেবে সিলেট ও কাছারকে বাংলায় অন্তর্ভুক্ত করার দাবিতে আন্দোলন করেন।

# # # সম্মান ও পুরস্কার
কাপ্তান মিয়ার অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ১৯১৫ সালে খান বাহাদুর উপাধিতে ভূষিত করে। ১৯২২ সালে তিনি ভারতীয় সাম্রাজ্যের কমপিয়ন অফ দ্য অর্ডার অফ দ্য ইন্ডিয়ান এম্পায়ার (সিআইই) সম্মাননা লাভ করেন।

# # # মৃত্যু ও উত্তরাধিকার
১৯২২ সালে মাত্র ৫০ বছর বয়সে শিলংয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর পর তাকে সিলেটের হযরত শাহজালাল (রঃ) মাজারের ঠিক ডান পাশে মাজার কম্পাউন্ডের বাহিরের কবরস্থানে টাকে দাফন করা হয়। তার কন্যা পুত্র আবু সালেহ চৌধুরী তাঁর জীবনী লিখে রেখে গেছেন। কাপ্তান মিয়ার জীবন ও কর্ম আজও সিলেটবাসীর জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

# # # নতুন প্রজন্মের জন্য বার্তা
কাপ্তান মিয়ার জীবনী শুধু একটি ইতিহাস নয়, এটি আমাদের জন্য একটি দিকনির্দেশনা। তিনি শুধু নিজের উন্নয়নেই নিবেদিত ছিলেন না, বরং সমাজের প্রতিটি স্তরের মানুষের উন্নয়নে কাজ করেছেন। আজকের নতুন প্রজন্মের উচিত তাঁর জীবন ও আদর্শ থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়া। সিলেটের ইতিহাস ও সংস্কৃতিকে ধারণ করে আমরা যেন আমাদের ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারি।

কাপ্তান মিয়ার মতো মহান ব্যক্তিত্বের জীবনী আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সমাজের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য ব্যক্তিগত প্রচেষ্টা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। নতুন প্রজন্মের কাছে এই প্রশ্ন রেখে যাই—আমরা কি কাপ্তান মিয়ার আদর্শকে ধারণ করে এগিয়ে যেতে প্রস্তুত?

মোঃ সামছুল হোসেন
সিনিয়র শিক্ষক

ডাউকি ঝুলন্ত ব্রিজের মালিকানা কি সিলেট দাবী করতে পারবে?অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি, প্রকৃতি কন্যা সিলেটে বেড়াতে আসলে সবার প...
18/12/2024

ডাউকি ঝুলন্ত ব্রিজের মালিকানা কি সিলেট দাবী করতে পারবে?

অপার সৌন্দর্যের লীলাভূমি, প্রকৃতি কন্যা সিলেটে বেড়াতে আসলে সবার প্রথম যা দেখা চাই- ই- চাই তা হলো জাফলং। আর সিলেটের জাফলং বেড়াতে গিয়ে অদূরে পাহাড়ের গায়ে ঝুলে থাকা শহরটির নাম ভারতের ডাওকি।

ভারত বাংলাদেশ কে সংযোগ করা যে অনিন্দ্য সুন্দর
পাহাড়ী উমগট ( ভারত অংশের নাম)- পিয়াইন(বাংলাদেশ অংশের নাম) নদীর উপর
দুই পাহাড়ে ঝুলে থাকা দৃষ্টি নন্দন যে ব্রিজটি সবার দৃষ্টি কাড়ে সেটাই ডাওকি ব্রিজ।

কথা হচ্ছে এই চমৎকার নির্মাণশৈলীতে পরিপূর্ণ এই ব্রিজ টির মালিকানা কি বাংলাদেশ দাবী করতে পারবে?

তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক কি ভাবে সেটা সম্ভব?

তার আগে জানতে হবে এই ডাউকি ঝুলন্ত ব্রিজের ইতিহাস।

জাফলং ভ্রমনকারীদের কাছে ডাওকি ঝুলন্ত ব্রিজের রয়েছে আলাদা আকর্ষন। কিন্তু আমরা অনেকেই জানিনা এই ব্রিজ তৈরীর পেছনের গল্প ।
এর সাথে জড়িয়ে আছে সিলেটের অনেক কৃতি মানুষের নাম।

ব্রিটিশ শাসন আমলে নির্মিত এই সেতুটি এখনো
সবার কাছে আকর্ষনীয় এক বস্তু। যারা এই পথ দিয়ে শিলং বা ভারতে গেছেন তারা কাছ থেকে দেখেছেন চমৎকার এই ব্রিজটি।
কিন্তু হয়ত জানেন না এই ব্রিজটির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পুরোটা জুড়েই রয়েছেন সিলেটের অনেক শ্রদ্ধাভাজন কৃতি সন্তানগন।

সময়টা তখন ১৯১৯ সাল, অবিভক্ত ভারতবর্ষ শাসন করে ব্রিটিশ সরকার। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ইচ্ছা পোষণ করলেন বেড়াতে আসতে চান উত্তর-পূর্ব ভারতের শৈলশহর শিলং’এ ।

শ্রীহট্টে বর্তমান সিলেটে এই খবর শুনে শুরু হলো গুরুদেব যখন এতো কাছের শহরে আসবেন তাহলে কোন ভাবে কি উনাকে সিলেটে নিয়ে আসা যায় কি না, সেই তোড়জোর?
কিন্তু বাঁধা হয়ে দাড়ালো শিলং-শ্রীহট্ট যোগাযোগ ব্যবস্থা!
কেননা সরাসরি কোন সড়ক যোগাযোগ ছিলো না তখন।
একটা ব্যবস্থাই তখন চালু ছিল আর তা হলো চেরাপুঞ্জি হয়ে মানুষের পিঠে চড়ে পাহাড় থেকে নামতে হতো সমতলে।
কিন্তু গুরুদেব কোনভাবেই মানুষের পিঠে চড়ে আসতে রাজি নন ।
যাই হোক্ গুয়াহাটি-বদরপুর-লাতু-কুলাউড়া আন্তঃসংযোগ রেলওয়েতে দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে কবিগুরু শ্রীহট্টে পদার্পণ করলেন। নৌপথে পাড়ি দিলেন পিয়াইন নদী।

এই ঘটনার পর পরই শিলং শ্রীহট্র সরাসরি সড়ক যোগাযোগের বিষয়টি প্রথমে সবার দৃষ্টিতে নিয়ে আসেন কংগ্রেস নেতা ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা ও অর্থমন্ত্রী শ্রীহট্টের মৌলভীবাজারের সন্তান খান বাহাদুর সৈয়দ আবদুল মজিদ ওরফে কাপ্তান মিয়া। তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি এই ব্রিজ ও সড়ক পথের স্বপ্নদ্রষ্টা।

কিন্তু অত্যন্ত দু:খের বিষয় এই মহান ব্যক্তিত্ব কিছুদিন পরই মারা যান। কাপ্তান মিয়া প্রয়াতঃ হবার পর এই ব্রিজ ও সড়ক যোগাযোগ প্রকল্প হুমকির মুখে পড়ে।

এর পর থেকেই ক্ষণে ক্ষণে রাজ্যের নীতিনির্ধারকদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছিল শিলং-ডাউকি-তামাবিল-শ্রীহট্ট সড়ক কি বাস্তবায়ন হবে না?

পাহাড় কেটে কেটে রাস্তা তৈরি যেনতেন কাজ নয়!

বিংশ শতাব্দীর ত্রিশের দশকএ যখন এই দাবী ধীরে ধীরে গন দাবীতে রুপ নিচ্ছিল তখন ব্রিজ ও সড়ক যোগাযোগ প্রকল্প বাস্তবায়নে সব চেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায় অর্থের সংস্থান?

এখানেও এগিয়ে আসেন সিলেটী কংগ্রেস নেতা ও আসাম প্রাদেশিক সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী(প্রথমে পার্লামেন্ট স্পীকার, পরবর্তীতে মন্ত্রী) শ্রীহট্টের বরগঙ্গা গ্রামের(অধুনা বুরুঙ্গা,ওসমানী নগরের ) সন্তান বসন্ত কুমার দাস।

বিষয়টি উনাকে যথেষ্ট ভাবিয়ে তুলে ।

শেষ পর্যন্ত তিনি উদ্যোগ নেন রাস্তাটি নির্মাণের ।

মন্ত্রী বসন্ত কুমার দাসের অকৃত্রিম প্রচেষ্টায় অর্থবাজেটে এই প্রকল্পের জন্য অর্থ বরাদ্দও হয়ে যায় ।

উনার অমানুষিক উদ্যোগ কে সমর্থন জানাতে এগিয়ে আসে ভারতবর্ষের ব্রিটিশ সরকার ।

কিন্তু বিধিবাম, আবারো এই প্রকল্পে বাঁধা হয়ে দাড়ায় খাসিয়া ও জৈন্তিয়া পাহাড়কে বিভক্তকারী খরস্রোতা ‘উমগট নদী’।

কেউ ই এই খরস্রোতা নদীর উপর ব্রিজের নকশা কি ভাবে করবে তা বুঝে উঠতে পারছিল না।

কেননা ব্রিজ করার মতো অনূকূল পরিবেশ ছিল না যথেষ্ট।
একে তো খরস্রোতা নদী তার উপর পাথুরে পাহাড় যেখানে মাটির অস্তিত্ব ছিল কম।

বসন্ত বাবু প্রমাদ গুনলেন ।

এদিকে শ্রীহট্টের করিমগঞ্জের লাতুর (অধুনা, বড়লেখার শাহবাজপুর, পরবর্তীতে শহরের জিন্দাবাজারের কাজী ইলিয়াস এলাকার বাসিন্দা ) তরুণ ছেলে আবিদ রেজা চৌধুরী তখন ‘বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ’ শিবপুর পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রকৌশল শিক্ষা নিয়ে সবেমাত্র চাকুরীতে যোগ দিয়েছেন ।

সেটা ১৯২৯ সালের কথা, এই আবিদ রেজা চৌধুরীই শ্রীহট্টের প্রথম মুসলিম প্রকৌশলী ।

আবিদ রেজাকে এই কঠিন কাজটি করার দায়িত্ব অর্পণ করলেন বসন্ত বাবু।

দায়িত্ব পেয়েই তরুণ ইঞ্জিনিয়ার আবিদ রেজা পূর্ণ উদ্যোম নিয়ে কাজে নেমে পড়লেন।

একদিকে দেশপ্রেম অন্যদিকে রাজ্যের মানুষের সড়ক পথে শিলং যাবার স্বপ্ন ও যোগাযোগের কষ্ট লাগবের তাড়না তরুণ এই মুসলিম প্রকৌশলীকে দারুন ভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল কাজে সফল হতে।
তাছাড়া সিলেটের প্রথম মুসলিম প্রকৌশলী এই একটি বিষয় ও উনাকে অনেক তাড়িত করেছিল কাজে সফল হতে।

শেষ পর্যন্ত দিন রাত এক করে তারই ডিজাইন ও নির্দেশনায় ১৯৩২ সালে পূর্ণতা পেল ডাউকির দর্শনীয় ঝুলন্ত সেতু আর তার মধ্য দিয়ে চালু হলো শ্রীহট্র শিলং সরাসরি সড়ক যোগাযোগ।

উল্লেখ্য বৃটিশ ভারতে শ্রীহট্র ছিলো আসাম প্রদেশের একটি জেলা শহর আর শিলং ছিলো আসামের রাজধানী।

ডাওকির উমগট নদীর উপর নির্মিত দৃষ্টি নন্দন এই
ব্রিজটি তখন বলা হতো Gateway Of Shillong.

এই ব্রিজ নির্মানের মধ্য দিয়ে সংযুক্ত হলো খাসি ও জৈন্তিয়া পর্বতমালা।

উন্মোচিত হলো শ্রীহট্র শিলং যোগাযোগের নতুন দ্বার।

এখন এই কথা বলা সমীচীন হবে কি না?
যেহেতু -
এই ডাউকি ঝুলন্ত ব্রিজের ইতিহাসের সাথে এতোগুলা সিলেটী মানুষের নিরন্তর শ্রম,ঘাম মেধা আর যোগ্যতা জড়িত রয়েছে সুতরাং এই ব্রিজের মালিকানা সিলেটীরা দাবী করতে পারবে কি না?

যদিও এ রকম দাবী করার সুযোগ নেই।

বলে নেয়া ভালো এই ডাওকি ব্রিজের স্থপতি ও ডিজাইনার আবিদ রেজা চৌধুরী হলেন সদ্যপ্রয়াত সিলেটের কৃতি সন্তান প্রকৌশলী অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরীর পিতা।

এই আর্টিকেলটি লিখা হয়েছে
shuddhobarta24 এর বার্তা বিভাগ প্রধান
শ্রদ্ধেয় আশফাকুর রহমান ভাইয়ের লিখিত আর্টিকেল এর ছায়া অবলম্বনে।
সম্পাদনা করেছেন
ইঞ্জিনিয়ার মো:সামছুল হোসেন
সিলেট।
ছবি- ইন্টারনেট থেকে সংগ্রহ করা।

ভার্ঘুচুয়াল ভাবে ঘুরে আসুন "লোক ও কারুশিল্প যাদুঘর" সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা। থেকে
16/10/2024

ভার্ঘুচুয়াল ভাবে ঘুরে আসুন "লোক ও কারুশিল্প যাদুঘর" সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা। থেকে

লোক ও কারুশিল্প যাদুঘর, সোনারগাঁও,নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা ,ভ্রমনের এক চমৎকার স্থান। এটি আমাদের লোক শিল্প প্রদর্শনীর এর অ....

দুটি পাতা একটি কুঁড়ির দেশ সিলেটে ভার্চুয়াল ভ্রমনে আপনাকে স্বাগত জানাই।এক ক্লিকে যাবতীয় সিলেট সম্পর্কে জানতে নিচের লিংকে ...
12/12/2023

দুটি পাতা একটি কুঁড়ির দেশ সিলেটে ভার্চুয়াল ভ্রমনে আপনাকে স্বাগত জানাই।
এক ক্লিকে যাবতীয় সিলেট সম্পর্কে জানতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন-

https://youtu.be/rWFTtvexfaE?si=UD7vU7zxyZ9TJPEP

 # সিলেটের সবচেয়ে বয়স্ক ঘড়ি  # আলী আমজাদের ঘড়ি ও ঘড়িঘরআলী আমজদের ঘড়ি (আলী আমজাদের ঘড়ি নামেও পরিচিত) বাংলাদেশের সিলেট শ...
04/09/2020

# সিলেটের সবচেয়ে বয়স্ক ঘড়ি

# আলী আমজাদের ঘড়ি ও ঘড়িঘর

আলী আমজদের ঘড়ি (আলী আমজাদের ঘড়ি নামেও পরিচিত) বাংলাদেশের সিলেট শহরে অবস্থিত ঊনবিংশ শতকের একটি স্থাপনা, যা মূলত একটি বিরাটাকায় ঘড়ি, একটি ঘরের চূড়ায় স্থাপিত।

ঐতিহাসিক তথ্য মতে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার পৃথিম পাশার জমিদার আলী আমজাদ ১৮৭৪ সালে সিলেট জেলার সুরমা নদীর তীরবর্তী স্থানে এই অনন্য সুন্দর স্থাপনাটি তৈরী করেন। তাঁর নাম অনুসারে এটিকে আলী আমজাদ এর ঘড়ি হিসেবে অভিহিত করা হয়।

১৮৭৪ সালে সিলেট জেলা আসাম প্রদেশের সাথে একত্রীভুক্ত হয়। তখন এই নিয়ে সিলেটে তীব্র প্রতিবাদ হয়। সিলেটের জনগণকে শান্ত করার জন্য তৎকালীন বড়লাট লর্ড নর্থ ব্রম্নক সিলেট সফর করেন এবং বড়লাটের সফর উপলক্ষে এবং স্থানীয় জনসাধারণের সুবিধার্থে জমিদার আলী আমজাদের নিজ তহবিল হতে এই ঘড়িটি নির্মাণ করা হয়।

প্রায় ১৪০ বছর যাবৎ উক্তটি ঘড়িটি আলী আমজাদের স্মৃতি বহন করে আসছে। সম্প্রতি সিলেট সিটি কর্পোরেশেনের উদ্যোগে ঘড়িটি আধুনিকায়ন ও মেরামত করা হয়। এটি সিলেট জেলার একটি অন্যতম পর্যটন আকষর্ণীয় স্থান। দেশী-বিদেশী অনেক পর্যটক এই ঘড়িটি একনজরে দেখার জন্য প্রতিনিয়ত ভিড় জমায়।

নকশাকারক - নওয়াব আলী আহমদ
অবস্থান:সিলেট সার্কিট হাউজ ও ক্বিন ব্রিজ সংলগ্ন।

যোগাযোগ ব্যবস্থা:সিলেট রেলওয়ে স্টেশন অথবা কদমতলী কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল হতে ১ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিম দিকে গেলেই ঐতিহাসিক আলী আমজাদ ঘড়িটির অবস্থান।

ঘড়িঘরের পরিমাপ:দৈর্ঘ্য: ৯ ফুট ৮ ইঞ্চি ; প্রস্থ: ৮ ফুট ১০ ইঞ্চি; নীচ থেকে ছাদ পর্যন্ত উচ্চতা: ১৩ ফুট; ছাদ থেকে ঘড়ি অংশের উচ্চতা: ৭ ফুট ; ঘড়ির উপরের অংশের উচ্চতা : ৬ ফুট ; মোট উচ্চতা : ২৬ ফুট।
সুরমা নদীর তীর ঘেঁষে সিলেট সদর উপজেলায় অবস্থিত এই ঘড়ির ডায়ামিটার আড়াই ফুট এবং ঘড়ির কাঁটা দুই ফুট লম্বা। যখন ঘড়ির অবাধ প্রচলন ছিল না, সেসময় অর্থাৎ ১৮৭৪ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট মহানগরীর প্রবেশদ্বার (উত্তর সুরমা) কীন ব্রিজের ডানপার্শ্বে সুরমা নদীর তীরে এই ঐতিহাসিক ঘড়িঘরটি নির্মাণ করেন সিলেটের কুলাউড়ার পৃত্থিমপাশার জমিদার আলী আহমদ খান, তার ছেলে আলী আমজদের নামকরণে। লোহার খুঁটির উপর ঢেউটিন দিয়ে সুউচ্চ গম্বুজ আকৃতির স্থাপত্যশৈলীর ঘড়িঘরটি তখন থেকেই আলী আমজদের ঘড়িঘর নামে পরিচিতি লাভ করে।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন হানাদার বাহিনীর গোলার আঘাতে এই প্রাচীন ঘড়িঘর বিধ্স্ত হয়। স্বাধীনতার পর সিলেট পৌরসভা ঘড়িটি মেরামতের মাধ্যমে সচল করলেও কিছুদিনের মধ্যেই ঘড়ির কাঁটা বন্ধ হয়ে যায়। ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে আলী আমজদের ঘড়ি মেরামত করে পুনরায় চালু করা হয়। এসময় ঘড়িটি চালু করার পর ঢাকার একটি কোম্পানীর কারিগররা ঘড়িটি চালু রাখার জন্য রিমোট কন্ট্রোলের ব্যবস্থা করে দেয়। পৌর চেয়ারম্যানের অফিসকক্ষ থেকে রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে ঘড়ির কাঁটা ঘুরতো। কিন্তু দুই-চার বছর যেতে না যেতেই ঘড়ির কাঁটা আবার বন্ধ হয়ে যায়। এরপর সিজান কোম্পানীর দ্বারা ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে ঘড়িটি পূনরায় চালু করা হয়। কিন্তু বছর না ঘুরতেই ঘড়িটির কাঁটা আবারও বন্ধ হয়ে যায়। ২০১১ খ্রিষ্টাব্দে সিলেট সিটি কর্পোরেশন এই ঘড়িটিকে পূণরায় মেরামত করলে তা আবার দৈনিক ২৪ ঘন্টাব্যাপী সচল রয়েছে।

এই ঘড়িকে কেন্দ্র করে একটি স্থানীয় প্রবাদ চালু ছিল এরকম: চাঁদনী ঘাটের সিড়ি, আলী আমজদের ঘড়ি, জিতু মিয়ার বাড়ী, বঙ্কু বাবুর দাড়ি।
তথ্যসূত্র - উইকিপিডিয়া
ছবি - নতুনটি মোঃ সামছুল হোসেন , পুরাতন টি সংগ্রহ

18/08/2020
>=< কেমন মানুষ ছিলেন নবাব আলী আমজাদ -এই এলাকাটি এক সময় ছিল ত্রিপুরা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত। এখানকার পাহাড়ি এলাকায় নওগা ক...
18/08/2020

>=< কেমন মানুষ ছিলেন নবাব আলী আমজাদ -

এই এলাকাটি এক সময় ছিল ত্রিপুরা রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত। এখানকার পাহাড়ি এলাকায় নওগা কুকি উপজাতির বেশ প্রতাপ ছিল। শ্রীহট্ট সদরে (বর্তমানে সিলেট) সেই সময় একজন কাজী ছিলেন যার নাম মোহাম্মদ আলী।

১৭৯২ সালে ইংরেজ শাসকদের পক্ষ হয়ে নওগা কুকিদের বিদ্রোহ দমনে মোহাম্মদ আলী আমজাদ খাঁন ভূমিকা রাখেন। ইংরেজ সরকার এতে খুশি হয়ে মোহাম্মদ আলীর পুত্র নবাব আলী আমজাদ খাঁনকে ১২০০ হাল বা ১৪,৪০০ বিঘা জমি দান করেন। তখনকার সময়ে বৃহত্তর সিলেটের মধ্যে সবচেয়ে স্বনামধন্য এবং প্রভাবশালী অন্যতম জমিদার ছিলেন নবাব আলী আমজাদ খাঁন।

সিলেটের বিখ্যাত আলী আমজাদের ঘড়ি ও সুরমা নদীর তীরে চাঁদনীঘাটের সিঁড়ি সমাজসেবায় তার একটি অন্যতম দৃষ্টান্ত। ঐ সময় পৃত্থিমপাশা জমিদার বাড়িতে ত্রিপুরার মহারাজা রাধা কিশোর মানিক্য বাহাদুরসহ বহু ইংরেজ ভ্রমণ করে গেছেন।

ইরানের রাজাও ভ্রমণ করে গেছেন। জমিদার বাড়ির ঐতিহ্য ধরে রাখতে আলী আমজাদ খাঁন মৌলভীবাজার ও কুলাউড়ায় বিভিন্ন স্কুল-কলেজ এবং সুপেয় পানির জন্য দীঘি খনন করেন।

ছবি- নবাব আলী আমজাদ ও উনার বাড়ীর এর ছবি সংগৃহীত অন্যান্য ছবি তুলেছেন মোঃ সামছুল হোসেন

ক্বীনব্রীজ>সিলেট নাম উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে ক্বীন ব্রীজের নামটি বেশ গর্বের সঙ্গেই উচ্চারিত হয়। সিলেটের প্রবেশদ্বার সিলেট...
04/05/2020

ক্বীনব্রীজ>

সিলেট নাম উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে ক্বীন ব্রীজের নামটি বেশ গর্বের সঙ্গেই উচ্চারিত হয়। সিলেটের প্রবেশদ্বার সিলেটের কীন ব্রীজ ।
সুরমা নদীর ওপর স্থির দাঁড়িয়ে এই ব্রীজ পথচারীদের জানান দেয় যুগ যুগান্তরের নানা রঙের ইতিহাসের। দীর্ঘদিন অবহেলিত থাকার পর এ অন্যতম ঐতিহাসিক নিদর্শনটি সাম্প্রতিক কালে সংস্কার করা হয়েছে ফলে আরো রঙে ,আরো সাজে সেজেছে ক্বীন ব্রীজ।

ইতিহাস থেকে ব্রীজটি সম্পর্কে নানা কথা জানা গেছে। গত শতকের তিরিশের দশকের দিকে আসাম প্রদেশের গভর্ণর ছিলেন মাইকেল ক্বীন। তিনি তখন সিলেট সফরে আসেন। তার স্মৃতিকে অম্লান করে রাখতেই এ ব্রীজটি নির্মাণ হয়। ইতিহাসবিদদের মতে, সে সময় আসামের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম ছিল ট্রেন। সঙ্গত কারণেই সুরমা নদীতে ব্রীজ স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
রেলওয়ে বিভাগ ১৯৩৩ সালে সুরমা নদীর ওপর ব্রীজ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় । ১৯৩৬ সালে ব্রীজটি আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে দেওয়া হয়। ব্রীজটির নামকরণ করা হয় গভর্ণর মাইকেল ক্বীনের নামে। ক্বীন ব্রীজ লোহা দিয়ে তৈরী। এর আকৃতি ধনুকের ছিলার মত বাঁকানো। ব্রীজটির দৈর্ঘ্য ১১৫০ ফুট। প্রস্থ ১৮ ফুট। ব্রীজ নির্মাণে তখনকার দিনেই ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৫৬ লাখ টাকা।
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, তৎকালীন আসাম সরকারের এক্সিকিউটিভ সদস্য রায় বাহাদুর প্রমোদ চন্দ্র দত্ত এবং শিক্ষামন্ত্রী আব্দুল হামিদ ব্রীজটি নির্মাণের ক্ষেত্রে অশেষ অবদান রাখেন।
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ডিনামাইট দিয়ে ব্রীজের উত্তর পাশের একাংশ উড়িয়ে দেয়। স্বাধীনতার পর কাঠ ও বেইলী পার্টস দিয়ে বিধ্বস্ত অংশটি মেরামত করা হয়। পরবর্তীতে তা হালকা যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ের সহযোগিতায় ব্রীজের বিধ্বস্ত অংশ কংক্রীট দিয়ে পুনঃনির্মাণ করা হয়। তৎকালীন নৌ বাহিনীর প্রধান রিয়াল এডমিরাল এম এইচ খান সংস্কারকৃত ব্রীজটি উদ্বোধন করেন।
ব্রীজটি এক নজর দেখার জন্য প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক পর্যটক ভিড় জমান।
সিলেট শহরের কেন্দ্রস্থলে ক্বীনব্রীজ ।
তথ্য সুত্র- উইকিপিডিয়া

সিলেটের গর্বের নদী "নহরে আজরক"
23/04/2020

সিলেটের গর্বের নদী "নহরে আজরক"

Address

Zitumiar Point, Shekhgat
Sylhet
3100

Telephone

+8801672061525

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tour Sylhet / ট্যুর সিলেট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share