MHS IMMIGRATION SERVICE

MHS IMMIGRATION SERVICE Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from MHS IMMIGRATION SERVICE, Travel Agency, Office:29, 3rd Floor, Lift-03, West World Shopping City Zindabazar, Sylhet.

22/08/2025

Greece Work Permit

ভিসা পরে পেমেন্ট। আগ্রহীগন কমেন্ট করুন। আমরা আপনার সাথে যোগাযোগ করব।

22/05/2025

🇪🇺❗ শেনজেন ভিসা রিজেকশনে বাংলাদেশ শীর্ষে! ❗🇧🇩
সতর্ক হোন, প্রস্তুত হোন — ইউরোপ যাত্রার জন্য।

🔍 ২০২৪ সালে সুইডেন, নরওয়ে ও ডেনমার্ক থেকে সর্বোচ্চ শেনজেন ভিসা রিজেকশন হয়েছে বাংলাদেশিদের ক্ষেত্রে!

📉 শুধুমাত্র সুইডেন থেকে বাংলাদেশিদের রিজেকশন রেট ছিল ৫৬.২% — যা বিশ্বের মধ্যে সর্বোচ্চ!
📌 বাংলাদেশ থেকে জমা পড়া ৩৯,৩৪৫টি আবেদনের মধ্যে ২১,১৫৬টি রিজেক্ট — রিজেকশন রেট ৫৪.৯%!



⚠️ কেন এই বিপুল সংখ্যক রিজেকশন?
✔️ ভুল বা অসম্পূর্ণ ডকুমেন্টেশন
✔️ পর্যাপ্ত ট্রাভেল হিস্টোরির অভাব
✔️ অগোছালো আবেদন প্রক্রিয়া
✔️ ভুয়া বুকিং, ইনভয়েস বা ইনস্যুরেন্স



🎯 Sylmart International কীভাবে আপনাকে সহায়তা করতে পারে?
🔹 অভিজ্ঞ ভিসা এক্সপার্টদের মাধ্যমে কনসালটেশন
🔹 প্রতিটি ডকুমেন্ট যাচাই ও প্রফেশনাল সাজেশন
🔹 অথেনটিক ট্রাভেল ইনস্যুরেন্স, ফ্লাইট ও হোটেল বুকিং
🔹 ফিনান্সিয়াল সাপোর্ট ডকুমেন্টেশন এবং পুরো আবেদন প্রক্রিয়ায় সহায়তা



✨ আপনার ইউরোপ ভিসা যাত্রাকে করুন সহজ, নিরাপদ ও সফল।
বিশ্বাস রাখুন অভিজ্ঞতায় — পেশাদার সহযোগিতায় গড়ুন ভবিষ্যৎ।

📩 আজই যোগাযোগ করুন mhs immigration service -এর সাথে — সঠিক পরিকল্পনায় নিশ্চিত করুন আপনার শেনজেন ভিসা!



#ভিসা_সহায়তা #শেনজেন_ভিসা #ইউরোপ_যাত্রা

22/05/2025

UK vs Canada: Whose Tax System is Kinder to Immigrants?

Let’s talk about something most people don’t like to hear but can’t escape, taxes.

In the UK, you start paying 20 percent income tax once you earn more than £12,570. Once you go past £50k, it jumps to 40 percent, and over £125k, it’s 45 percent. On top of that, National Insurance will still chop your money.

Now here’s where it gets interesting.

In Canada, the tax system is progressive too, but it’s split between federal and provincial taxes. Each province sets its own rate.

For example, in Ontario, the federal rate starts at 15 percent, and provincial tax adds another 5.05 percent on the first chunk of income.

The higher you earn, the more it climbs, but for middle-income earners, the difference compared to the UK is not as scary as people think.

But let’s move past percentages and enter reality.

In the UK, if you’re on a visa, you’ll most likely be slapped with taxes but not entitled to public funds.

That means no benefits, no support, just pure deductions. Even child benefit is not for everyone.

Meanwhile, in Canada, once you become a permanent resident, the story changes. You get:
• Childcare benefits straight to your account
• Free healthcare with your health card
• Dental care for kids and even adults in many cases
• Tax credits and rebates for low to moderate income families

Even as a newcomer, there are GST and HST rebates and provincial supports depending on your income.

In other words, you pay tax and actually feel the government giving back.

So which country is more affordable for immigrants?

It’s Canada, especially if you’re planning to raise a family. You might pay slightly more tax depending on your income and province, but the return is far more tangible.
In the UK, it’s easy to feel like you’re constantly giving but not receiving anything unless you’ve secured your ILR or citizenship.

At the end of the day, nobody likes paying tax, but if you must, it should come with peace of mind.

Let’s argue in the comments, UK or Canada, which one treats immigrants better when it comes to taxes?

21/05/2025

ইংরেজি ছাড়া ইউকে স্থায়ীভাবে আসতে চান? তাহলে আজই আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

ইউরোপের যেসব দেশে সহজেই ভিসা পাওয়া যায়: যেভাবে আবেদন করবেন এটুজেট ইউরোপের যেসব দেশে তুলনামূলকভাবে সহজে শেঞ্জেন ভিসা (Sch...
06/05/2025

ইউরোপের যেসব দেশে সহজেই ভিসা পাওয়া যায়: যেভাবে আবেদন করবেন এটুজেট

ইউরোপের যেসব দেশে তুলনামূলকভাবে সহজে শেঞ্জেন ভিসা (Schengen Visa) পাওয়া যায়, তার মধ্যে কয়েকটি হচ্ছে এমন দেশ যারা সাধারণত বেশি রিফিউজাল (অস্বীকৃতি) দেয় না এবং আবেদনকারীদের প্রতি সহনশীল নীতি অনুসরণ করে। ভিসা সহজে পাওয়া নির্ভর করে বিভিন্ন বিষয়ের ওপর, যেমন: আবেদনকারীর ডকুমেন্টেশন, ভ্রমণের উদ্দেশ্য, পূর্ববর্তী ট্র্যাভেল হিস্টোরি, এবং কোন দূতাবাসে আবেদন করছেন।

সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী (২০২৪ সালের তথ্য অনুসারে), শেঞ্জেন ভিসা সহজে পাওয়া যায় এমন কিছু দেশের নাম নিচে দেওয়া হলো:
লিথুয়ানিয়া (Lithuania) – শেঞ্জেন ভিসা রিফিউজাল রেট খুবই কম, আবেদন সহজ।
এস্তোনিয়া (Estonia) – যথেষ্ট কম রিজেকশন রেট।
ফিনল্যান্ড (Finland) – ডকুমেন্ট ঠিক থাকলে সহজে ভিসা দেয়।
লাটভিয়া (Latvia) – সহজ প্রক্রিয়া এবং কম রিজেকশন।
পোল্যান্ড (Poland) – তুলনামূলকভাবে সহনশীল ভিসা নীতি।
অন্যদিকে, যেসব দেশে ভিসা পাওয়া কঠিন হতে পারে:
ফ্রান্স
জার্মানি
স্পেন
নেদারল্যান্ডস এই দেশগুলোর রিজেকশন রেট তুলনামূলক বেশি।
তবে মনে রাখবেন, কোন দূতাবাসে আবেদন করছেন সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বাংলাদেশ থেকে আবেদন করলে একটি দেশের দূতাবাস হয়তো কড়া নিয়ম মানে, আবার অন্য দেশের জন্য ঢাকায় অবস্থিত ভিন্ন দূতাবাস সহজ হতে পারে।
শেঞ্জেন (Schengen) ভিসার জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া সাধারণভাবে প্রায় একই রকম, তবে নির্দিষ্ট দেশের দূতাবাস বা ভিএফএস (VFS) সেন্টারের নিয়মে কিছুটা তারতম্য হতে পারে। নিচে ট্যুরিস্ট ভিসা (শেনজেন ভিসা) আবেদন করার সাধারণ ধাপগুলো দেওয়া হলো:
🔹 ১. সঠিক দেশ নির্বাচন করুন

আপনার ভ্রমণের প্রধান গন্তব্য কোন দেশ, সেটি অনুযায়ী ভিসার জন্য সেই দেশের দূতাবাস বা কনস্যুলেটে আবেদন করবেন।
উদাহরণ: আপনি যদি লিথুয়ানিয়া, ফিনল্যান্ড বা লাটভিয়া ঘুরতে চান, তাহলে সেই দেশের দূতাবাসে বা ভিএফএস সেন্টারে আবেদন করবেন।
🔹 ২. অনলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং
প্রায় সব দেশের দূতাবাসে এখন অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে হয়।
VFS Global: https://www.vfsglobal.com
দূতাবাসের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকেও করা যায়
🔹 ৩. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস প্রস্তুত করুন

নিম্নলিখিত কাগজপত্র প্রস্তুত রাখতে হবে (সব কপি ইংরেজিতে অনুবাদ করা প্রয়োজন):
ভিসা আবেদন ফর্ম – অনলাইনে পূরণ করে প্রিন্ট করতে হবে
পাসপোর্ট – কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ থাকতে হবে, পুরনো পাসপোর্টও সঙ্গে নিন

২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি – শেনজেন স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী
কভার লেটার – কেন যাচ্ছেন, কোথায় থাকবেন, বিস্তারিত ব্যাখ্যা
ফ্লাইট রিজার্ভেশন (টিকিট বুকিং, পেমেন্ট না করলেও চলবে)

হোটেল বুকিং/আবাসন প্রমাণ
ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স – কমপক্ষে ৩০,০০০ ইউরো কাভারেজ সহ
ব্যাংক স্টেটমেন্ট – শেষ ৬ মাসের, যথেষ্ট ব্যালান্স থাকতে হবে (প্রতি দিনের জন্য প্রায় ৬০-৭০ ইউরো)
নিয়মিত আয়ের প্রমাণ – চাকরি হলে নিয়োগপত্র, ছুটির অনুমতি, সেলারি স্লিপ ট্যাক্স রিটার্ন/আইনগত কাগজপত্র – আয়কর রিটার্ন, ট্রেড লাইসেন্স ইত্যাদি (যদি প্রযোজ্য হয়)

🔹 ৪. আবেদন ফি জমা দিন
সাধারণত ৮০ ইউরো (প্রায় ৯৫০০-১০০০০ টাকা)
ভিএফএস সার্ভিস চার্জ আলাদা
🔹 ৫. বায়োমেট্রিক ও ডকুমেন্ট সাবমিট
অ্যাপয়েন্টমেন্টের দিনে ঢাকায় নির্ধারিত VFS সেন্টারে গিয়ে বায়োমেট্রিক (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) ও কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
🔹 ৬. ভিসা প্রসেসিং টাইম
সাধারণত ১৫ কার্যদিবস লাগে
অনলাইন বা এসএমএসের মাধ্যমে স্ট্যাটাস ট্র্যাক করা যায়

🔹 ৭. পাসপোর্ট সংগ্রহ
পাসপোর্ট রেডি হলে VFS বা কুরিয়ারের মাধ্যমে পাসপোর্ট রিসিভ করবেন
✳️ অতিরিক্ত টিপস:
আপনার ট্রাভেল হিস্টোরি থাকলে (যেমন: মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, দুবাই) সেটা পজিটিভ প্রভাব ফেলে
সব তথ্য সত্য ও পরিষ্কারভাবে উপস্থাপন করুন
ভিসা অফিসার যেন বুঝতে পারেন আপনি সফর শেষে দেশে ফিরে আসবেন – এরকম প্রমাণ দেখানো জরুরি

🇬🇧🏴󠁧󠁢󠁥󠁮󠁧󠁿বাংলাদেশ থেকে ইউকে/লন্ডন ভিসা পাওয়ার উপায় ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য : যেগুলো সবার অবশ্যই জেনে রাখা উচিত । শেয়ার করে ...
10/12/2024

🇬🇧🏴󠁧󠁢󠁥󠁮󠁧󠁿বাংলাদেশ থেকে ইউকে/লন্ডন ভিসা পাওয়ার উপায় ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য : যেগুলো সবার অবশ্যই জেনে রাখা উচিত । শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিবেন।

🟢যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডন বাংলাদেশের মানুষের কাছে একটি জনপ্রিয় গন্তব্য। শিক্ষা, কাজ, বিনিয়োগ, ভ্রমণ কিংবা স্থায়ীভাবে বসবাস করার জন্য লন্ডনে যাওয়ার নানা সুযোগ রয়েছে। সঠিক ভিসা ক্যাটাগরি বেছে নিয়ে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে সহজেই লন্ডনে যাওয়া সম্ভব।

🟢 লন্ডন যাওয়ার জন্য ভিসার ক্যাটাগরি
লন্ডনে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন ভিসা ক্যাটাগরি রয়েছে। আপনি যে উদ্দেশ্যে লন্ডনে যেতে চান তার ওপর নির্ভর করে সঠিক ক্যাটাগরি নির্বাচন করতে হবে।

১. ভিজিটর ভিসা (Visitor Visa):
লন্ডনে স্বল্পমেয়াদী ভ্রমণের জন্য এই ভিসা প্রয়োজন। এটি সাধারণত ৬ মাস মেয়াদী হয়।

২. স্টুডেন্ট ভিসা (Student Visa):
লন্ডনের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে ভর্তি হলে এই ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।

৩. ওয়ার্ক পারমিট ভিসা (Work Permit Visa):
লন্ডনে বৈধভাবে কাজ করার জন্য এই ভিসা প্রয়োজন। বিভিন্ন পেশার জন্য যেমন কৃষি শ্রমিক, নার্স, ইঞ্জিনিয়ার, এবং নির্মাণ শ্রমিক, আলাদা ওয়ার্ক পারমিট দেওয়া হয়।

৪. ইনভেস্টমেন্ট ভিসা (Investment Visa):
লন্ডনে ব্যবসায় বা বিনিয়োগ করার উদ্দেশ্যে এই ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

৫. সেটলমেন্ট ভিসা (Settlement Visa):
পরিবারের সদস্যদের পুনর্মিলনের জন্য বা স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য এই ভিসা দেওয়া হয়।

🟢 ভিসা আবেদন করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
যে ভিসা ক্যাটাগরিতেই আবেদন করুন না কেন, কিছু সাধারণ কাগজপত্র প্রয়োজন হবে:
1. ভিসার আবেদনপত্র: সঠিকভাবে পূরণ করা আবেদনপত্র।
2. বৈধ পাসপোর্ট: মেয়াদ ভিসার মেয়াদের পরেও কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে।
3. বায়োমেট্রিক তথ্য: আঙুলের ছাপ এবং ছবি।
4. ভিসা ফি: অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে।
5. আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা স্পন্সরের চিঠি।
6. বাসস্থানের প্রমাণ: লন্ডনে থাকার জায়গার বুকিং বা চুক্তি।
7. ভ্রমণ বীমা: ভ্রমণের সময়কালীন স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় বহনের নিশ্চয়তা।
8. শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট: স্টুডেন্ট বা ওয়ার্ক ভিসার জন্য প্রয়োজন।
9. কাজের অফার লেটার: ওয়ার্ক পারমিটের জন্য আবশ্যক।
10. মেডিকেল সার্টিফিকেট: নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রয়োজন।
11. পুলিশ ভেরিফিকেশন সার্টিফিকেট।
12. ইংরেজি ভাষা দক্ষতার সার্টিফিকেট: (যদি প্রয়োজন হয়)।

🟢লন্ডন ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া (স্টেপ বাই স্টেপ)

১. সঠিক ভিসা ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন:
আপনার উদ্দেশ্য অনুযায়ী সঠিক ভিসা ক্যাটাগরি নির্বাচন করুন।

২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করুন:
উপরের তালিকা অনুযায়ী আপনার ভিসা ক্যাটাগরির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ ও স্ক্যান করুন।

৩. অনলাইনে আবেদন করুন:
যুক্তরাজ্যের সরকারি ভিসা পোর্টালে ভিসার জন্য আবেদন করতে হবে।

🌏 যুক্তরাজ্যের ভিসা পোর্টাল https://www.gov.uk/apply-to-come-to-the-uk

৪. ভিসা ফি প্রদান করুন:
নির্ধারিত ভিসা ফি অনলাইনে পেমেন্ট করতে হবে।

৫. বায়োমেট্রিক অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন:
সাক্ষাৎকারের জন্য স্থানীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রে (ভিএফএস) অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন।
- VFS Global: UK Visa Application Center https://visa.vfsglobal.com

৬. কাগজপত্র জমা দিন:
নির্ধারিত দিনে ভিসা আবেদন কেন্দ্রে গিয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিন এবং বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান করুন।

৭. সাক্ষাৎকার:
কিছু ভিসা ক্যাটাগরির ক্ষেত্রে সাক্ষাৎকার দিতে হতে পারে। এ সময় আবেদনকারীর যোগ্যতা যাচাই করা হয়।

৮. ভিসার সিদ্ধান্ত:
ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার পর সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

🌏গুরুত্বপূর্ণ লিংকসমূহ
1. যুক্তরাজ্যের সরকারি ভিসা ও ইমিগ্রেশন সাইট:
https://www.gov.uk/browse/visas-immigration

2. VFS Global বাংলাদেশ:
https://visa.vfsglobal.com/bgd/en/gbr

3. বোয়েসেল (সরকারি সংস্থা):
http://www.boesl.gov.bd

4. ইউকে হাই কমিশন ঢাকা:
https://www.gov.uk/contact-consulate-dhaka

লন্ডনে যাওয়ার স্বপ্ন পূরণ করতে চাইলে সঠিক পরিকল্পনা, ভিসার প্রয়োজনীয়তা এবং আবেদন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। অনলাইনে সঠিকভাবে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন এবং ভিসার কাগজপত্র যথাযথভাবে প্রস্তুত করুন।

Compare visas to visit, work, study or join a family member already in the UK. How to apply and what the decision on your application means.

It's freezing 🥶
21/11/2024

It's freezing 🥶

Address

Office:29, 3rd Floor, Lift-03, West World Shopping City Zindabazar
Sylhet
3100

Telephone

+8801314038751

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MHS IMMIGRATION SERVICE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to MHS IMMIGRATION SERVICE:

Share

Category