দঃ প্রতাপপুর, পশ্চিম জাফলং, গোয়াইনঘাট, সিলেট

  • Home
  • Bangladesh
  • Sylhet
  • দঃ প্রতাপপুর, পশ্চিম জাফলং, গোয়াইনঘাট, সিলেট

দঃ প্রতাপপুর, পশ্চিম জাফলং, গোয়াইনঘাট, সিলেট আমাদের সুন্দর গ্রাম দঃ প্রতাপপুর

31/12/2016

প্রকৃতি কন্যা হিসেবে সারাদেশে এক নামে পরিচিত সিলেটের জাফলং। খাসিয়া জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জাফলং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরুপ লীলাভূমি। পিয়াইন নদীর তীরে স্তরে স্তরে বিছানো পাথরের স্তূপ জাফলংকে করেছে আকর্ষণীয়। সীমান্তের ওপারে ইনডিয়ান পাহাড় টিলা, ডাউকি পাহাড় থেকে অবিরাম ধারায় প্রবাহমান জলপ্রপাত, ঝুলন্ত ডাউকি ব্রিজ, পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ হিমেলপানি, উঁচু পাহাড়ে গহীন অরণ্য ও শুনশান নিরবতার কারণে এলাকাটি পর্যটকদের দারুণভাবে মোহাবিষ্ট করে। এসব দৃশ্যপট দেখতে প্রতিদিনই দেশি-বিদেশি পর্যটকরা ছুটে আসেন এখানে। প্রকৃতি কন্যা ছাড়াও জাফলং বিউটি স্পট, পিকনিক স্পট, সৌন্দর্যের রাণী- এসব নামেও পর্যটকদের কাছে ব্যাপক পরিচিত। ভ্রমণপিয়াসীদের কাছে জাফলং এর আকর্ষণই যেন আলাদা।
জাফলং, বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলার অন্তর্গত, একটি এলাকা। জাফলং, সিলেট শহর থেকে ৬২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে, ভারতের মেঘালয় সীমান্ত ঘেঁষে খাসিয়া-জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত, এবং এখানে পাহাড় আর নদীর অপূর্ব সম্মিলন। আর অপর পাশে ভারতের ডাউকি অঞ্চল। ডাউকি অঞ্চলের পাহাড় থেকে ডাউকি নদী এই জাফলং দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। মূলত পিয়াইন নদীর অববাহিকায় জাফলং অবস্থিত।
ইতিহাস ঘেটে জানা যায়, হাজার বছর ধরে জাফলং ছিল খাসিয়া জৈন্তা-রাজার অধীন নির্জন বনভূমি। ১৯৫৪ সালে জমিদারি প্রথা বিলুপ্তির পর খাসিয়া জৈন্তা রাজ্যের অবসান ঘটে। তারপরও বেশ কয়েক বছর জাফলংয়ের বিস্তীর্ণ অঞ্চল পতিত পড়ে রয়েছিল। ব্যবসায়ীরা পাথরের সন্ধানে নৌপথে জাফলং আসতে শুরু করেন। পাথর ব্যবসার প্রসার ঘটতে থাকায় গড়ে ওঠে নতুন জনবসতি। আশির দশকে সিলেটের সাথে জাফলং এর ৫৫ কিলোমিটার সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
যাবেন যেভাবেঃ
সিলেট নগরী থেকে ৬২ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় জাফলং এর অবস্থান। সিলেটে থেকে বাস, মাইক্রোবাস, সিএনজি অটোরিকশা বা লেগুনায় যাওয়া যায় জাফলংয়ে। সিলেট শহরের যেকোনো অটোরিকশা বা মাইক্রোবাস স্ট্যান্ড থেকে গাড়ি রিজার্ভ করে যাওয়া যাবে জাফলংয়ে।

গোয়াইনঘাট উপজেলা এখন পর্যটন বিশ্বেও পরিচিত প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা এখন পর্যটন বিশ্বেও একট পরিচিত...
16/07/2016

গোয়াইনঘাট উপজেলা এখন পর্যটন বিশ্বেও পরিচিত


প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলা এখন পর্যটন বিশ্বেও একট পরিচিত নাম। কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে জাফলং ও বিছনাকান্দি পাথর কোয়ারী থেকে পাথর আহরণ করায় ভারত থেকে নেমে আসা পিয়াইন নদী তার নিজস্ব গতিপথ হারাতে চলেছে। ফলে দেশ বিদেশ থেকে আসা পর্যটন প্রেমীরা জাফলং বিমুখ হতে শুরু করেছেন। পরিকল্পিতভাবে পাথর উত্তোলন ও গোয়াইনঘাটে বিদ্যমান সকল পর্যটন কেন্দ্র পরিচালনা করলে গোয়াইনঘাটের আয়ের মাধ্যমে সিলেট জেলার চেহারা পাল্টেদেয়া সম্ভব।
সারকারি উদ্যোগ না থাকায় প্রতি বছর সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলায় কোটি কোটি টাকার রাজস্ব আদায় সম্ভব হচ্ছে না।
দেশের প্রথম সারির পর্যটন কেন্দ্র সিলেটের এ উপজেলায় বিদ্যমান থাকার কারণে প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক গোয়াইনঘাটে ভ্রমন করতে আসেন। সুষ্ঠ পরিকল্পনা ও অব্যবস্থপনায় দেশ বিদেশ থেকে আসা হাজার হাজার পর্যটকের নিকট থেকে সরকার কোন ভাবে উপকৃত হচ্ছে না।
দেশের অন্যতম প্রধান পর্যটন কেন্দ্র প্রকৃতি কন্যা জাফলং। এশিয়া মহাদেশের সর্ব বৃহৎ মিঠা জলে গড়ে উঠা রাতারগুল জলারবন, সাত পাহাড়ের গহীনে পাথরের উপর দিয়ে বহমান ঝর্ণা বিছনাকান্দি ও ভারতের মেঘালয় পাহাড়ের হাজার ফুট উঁচু থেকে নেমে আসা স্বচ্ছ জলরাশি পান্তুমাই, ইতিমধ্যে দেশের পর্যটন প্রেমী ছাড়া ও বহির বিশ্বে নিজেদের পরিচিতি তুলে ধরেছে। ফলে দেশ বিদেশ থেকে আসা পর্যটকের পদচারনায় প্রতিনিয়ত মুখরিত হচ্ছে গোয়াইনঘাটের ওই পর্যটন কেন্দ্রগুলো।
প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্র প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট। ফলে সরকার ওই পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে একটি নিয়ন্ত্রণের আওতায় নিয়ে আসলেই প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা সরকারী কোষাগারে জমা হত। এছাড়া স্থানীয় ও জাতীয় ভাবে হাজার হাজার বেকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হত।
একসাথে ৪টি পর্যটন কেন্দ্র দেশের অন্যকোন উপজেলাতে নেই। এ ক্ষেত্রে গোয়াইনঘাট উপজেলার প্রত্যেকটি পর্যটন কেন্দ্রকে ঢেলে সাজিয়ে এ উপজেলাকে পর্যটন উপজেলা হিসাবে গড়ে তোলা সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, গোয়াইনঘাট উপজেলায় গড়ে উঠা ৪টি পর্যটন কেন্দ্র দেশের অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রগুলির চেয়ে আকর্ষনীয়। তারপর ও সরকারী উদ্যোগ ও সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনায় সে সকল কেন্দ্র হতে প্রতিদিন সরকারি রাজস্ব ভান্ডার উপকৃত হচ্ছে।
এ ব্যাপারে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সালাহ উদ্দিন বলেন, গোয়াইনঘাটে প্রতিষ্ঠিত প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্র সরকারী আয়ের উৎস হতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন উদ্যোগ নিয়ে ওই কেন্দ্রগুলিকে তাদের ব্যবস্থাপনায় নিয়ে আসতে পারে।

07/07/2016

জাফলং ভ্রমনে সাবধানতা অবলম্বন করুন
পিয়াইন নদী কেড়ে নেয় পর্যটকের প্রাণ!
আমাদের সিলেট ডটকম
অপরূপ সৌন্দর্যের অনন্য সৃষ্টি জাফলং। প্রকৃতিকন্যা নামে খ্যাত জাফলংয়ের রূপ দেখতে প্রতিবছরই আগমন ঘটে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের। এবারের ঈদে ও দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পর্যটকগণ সিলেটের জাফলং পর্যটক কেন্দ্র ও লালাখালে ভ্রমন করবেন। নৌকা ভ্রমণ,লালাখাল ও পিয়াইন নদীতে সাঁতার কাঁটা ও সীমান্তে চলাচলের সময় সাবধানতা অবলম্বন করুন।এখানে নৌকাগুলোতে লাইফ জ্যাকেট থাকে না। যারা সাঁতার জানেন না, সঙ্গে অবশ্যই লাইফ জ্যাকেট নিবেন। এছাড়া বিছনাকান্দি এলাকাটি নো ম্যানস ল্যান্ড ঘেঁষা। সীমান্তে চলাচলের সময় ও সাবধানতা অবলম্বন করুন।
এখানে পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ স্বচ্ছ জলরাশির পিয়াইন ও লালাখাল নদী।প্রতি বছরই এ নদীগুলো কেড়ে নেয় পর্যটকের প্রাণ। গত এক যুগে পিয়াইন নদীতে সাঁতার কাটতে নেমে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ৩৭ পর্যটকের। যার মধ্যে ঈদুল ফিতরের সময় ঘুরতে এসে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ১০ জন।পাথর উত্তোলনের ফলে সৃষ্ট গর্তে বালু জমে চোরাবালির সৃষ্ট হওয়ায় ও নদীর স্বচ্ছ জলধারায় গভীরতা কম দেখা যাওয়ায় পর্যটকেরা নদীর পানিতে নেমেই তলিয়ে যান। তাই সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

25/12/2015
আমাদের গ্রামের সবজি ক্ষেত
25/12/2015

আমাদের গ্রামের সবজি ক্ষেত

Address

Jafflong, Gowainghat
Sylhet
3150

Telephone

01515230466

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দঃ প্রতাপপুর, পশ্চিম জাফলং, গোয়াইনঘাট, সিলেট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share