Paprhi Travels

Paprhi Travels Welcome to Paprhi Travels. This is a new pulse of your dream. To know details please visit our group.

17/05/2024

কিনার খুঁজে যায় না পাওয়া
মহাসাগর সাঁতরে
রবের কাছে সব পাওয়া যায়
চাইলে কেঁদে রাত্রে।

05/05/2024
04/05/2024

ইউএসএ ৫ বছরের ট্যুরিস্ট ভিসা
Paprhi Travels
01711 480 379

শুভ জন্মদিন অজিত রায় ভজন দাদা
30/04/2024

শুভ জন্মদিন অজিত রায় ভজন দাদা

29/04/2024

আল্লাহর নবী হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম একবার সফরে বের হলেন। এসময় তিনি একব্যক্তিকে সফরসঙ্গী বানালেন। তাঁরা যাত্রাপথে আহার করার জন্য তিনটি রুটি সঙ্গে নিলেন। হাঁটতে হাঁটতে একসময় একটি নদীর তীরে গিয়ে কিছুক্ষণ বসে বিশ্রাম করলেন।

হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম বললেন, চলো আমরা আহার পর্ব শেষ করি। ক্ষুধা তো কম লাগেনি।
তিনি তাঁর সফরসঙ্গীকে নিয়ে একটা করে রুটি আহার করলেন। তারপর নবী আলাইহিস সালাম নদীতে গেলেন পানি পান করতে। ফিরে এসে দেখলেন তাঁর সফরসঙ্গী লোকটি বসে আছে কিন্তু তার কাছে অবশিষ্ট রুটিটি নেই।

ঈসা নবী আলাইহিস সালাম জিজ্ঞেস করলেন, রুটিটি কি তুমি খেয়েছো?
লোকটি বলল, জি না হুজুর।
তাহলে রুটিটি কোথায় গেল?
আমি জানি না।

লোকটি অস্বীকার করার কারণে হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম আর কথা বাড়ালেন না। আবার পথ চলা শুরু করলেন। চলতে চলতে অনেকদূর যাওয়ার পরে তাদের আবারও ক্ষুধার উদ্রেক হলো। এবার তিনি বিশ্রামে বসে অদূরে একটি হরিণীকে দেখতে পেলেন। হরিণীর দুটি ছানা ছিল।

নবী ঈসা আলাইহিস সালাম একটি হরিণ ছানাকে কাছে ডাকলেন। সে নবী আলাইহিস সালাম এর নিকটে এলো। তিনি হরিণছানাটিকে জবাই করে গোশত ভুনা করে সফরসঙ্গী লোকটিকে সঙ্গে নিয়ে তৃপ্তি সহকারে আহার করলেন।
অতঃপর বললেন, আল্লাহর হুকুমে জীবিত হয়ে যাও।
সাথে সাথে হরিণছানাটি জীবিত হয়ে দৌড়ে মায়ের কাছে ছুটে গেল।

এবার হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম বললেন, এ হরিণ ছানাটিকে জীবিত করার মুজেজা যিনি দেখোলেন তাঁর কসম করে বলছি, রুটিটি কে নিয়েছে বলে দাও।
লোকটি আগের মতোই জবাব দিল, আমি জানি না হুজুর!

হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম লোকটিকে সঙ্গে নিয়ে আবার পথ চলতে শুরু করলেন। অনেকক্ষণ হাঁটার পর পাহাড় থেকে ঝরনা নেমে আসা একটি নদী তাদের সামনে পড়ল। নবী ঈসা আলাইহিস সালাম লোকটির হাত ধরে নদীর পানি দিয়ে হেঁটে পথ পাড়ি দিলেন।
নদী পার হয়ে তিনি বললেন, যিনি বিনা নৌকায় আমাদের নদী পার হওয়ার মুজেজা দেখালেন তাঁর কসম করে বলছি, রুটিটি কে নিয়েছে বলে দাও।
লোকটি আবারও আগের মতোই বলল, আমি তো জানিই না, কে নিয়েছে রুটিটি!

হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম আবার হাঁটতে শুরু করলেন। একসময় এক জঙ্গলের কাছাকাছি জায়গায় গিয়ে থামলেন। সেখানে অনেক বালু ছিল। তিনি বালুগুলোকে জমা করলেন । যখন বিরাট একটি বালুর স্তুপ হয়ে গেল তখন তিনি বললেন, আল্লাহর হুকুমে সোনা হয়ে যাও।
মুহূর্তেই বালুর স্তুপটি সোনায় পরিণত হয়ে গেল।

হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম সোনাগুলোকে সর্বমোট তিনভাগ করলেন। তারপর সফরসঙ্গীকে বললেন, এ তিনভাগ সোনার একভাগ আমার, একভাগ তোমার এবং অপর একভাগ সেই ব্যক্তির যে আমাদের অবশিষ্ট রুটিটি নিয়েছিল।

এ কথা শোনামাত্র এতক্ষণ ধরে অস্বীকার করা লোকটি বলে উঠল, হুজুর, রুটিটি তো আমিই নিয়েছিলাম। আমার ক্ষুধা বেশি লেগেছিল, তাই আপনি নদীর পানি পান করার সময় আমি রুটিটি খেয়ে ফেলেছি। পরে লজ্জায় আপনাকে বলতে পারিনি!

হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম বললেন, তাহলে এই তিনভাগ সোনার পুরোটাই তোমাকে দিয়ে দিলাম। এখন তোমার পথ আর আমার পথ ভিন্ন।
এ কথা বলে নবী আলাইহিস সালাম লোকটিকে সোনার স্তুপের পাশে রেখে হেঁটে যেতে লাগলেন।

এদিকে লোকটি সেখানেই বসে থাকল। এতগুলো সোনার মালিক হয়েছে, এ আনন্দেই আত্মহারা সে। জঙ্গলের ধারে বসে থেকে অনেক স্বপ্ন দেখতে লাগল। এ সোনা দিয়ে সে কী কী করবে তার পরিকল্পনা করতে লাগল। এমন সময় সেখানে দুজন লোক এসে তাকে সোনা নিয়ে বসে থাকতে দেখে বলল, এই মিয়া, দূর হও এখান থেকে। সোনাগুলো আমাদেরকে দাও।
কী! এগুলো আমার সোনা। তোমাদেরকে দেবো কেন?
আগন্তুক লোক দুটি হযরত ঈসা আলাইহিস সালামের সফরসঙ্গী সেই রুটিচোর লোকটিকে মারতে উদ্যত হলো। তখন লোকটি বলল, দেখ, লড়াই করলে হেরে যাওয়ার ভয় সবারই আছে। আমিও কম শক্তিশালী নই। তাই লড়াই না করে এসো আমরা এই সোনাকে তিনজন সমানভাবে ভাগ করে নিয়ে যাই। এতে তিনজনই লাভবান হবো।

লোকটির এ প্রস্তাবে আগন্তুক লোকদুটি রাজি হয়ে গেল। কারণ তারা ভেবে দেখল, কথা সত্য। লড়াই করে যদি কেউ মারা যাই তাহলে আমও যাবে ছালাও যাবে। তারচেয়ে সোনার ভাগ নেওয়াতেই কল্যাণ।

তারপর লোকটি বলল, খুব ক্ষুধা লেগেছে। তোমাদের মধ্য থেকে একজন বাজারে গিয়ে কিছু খাবার নিয়ে এসো। খানা খেয়ে আমরা সোনা ভাগাভাগি করব।
লোকটির এ প্রস্তাবেও তারা রাজি হয়ে গেল এবং একজন বাজারে রওয়ানা হলো।
বাজারে যাওয়াার সময় এ লোকটি ভাবতে লাগল, আমি যদি খাবারে বিষ মিশিয়ে নিয়ে আসি তাহলে ওই দুজন বিষ খেয়ে মারা যাবে এবং সমস্ত সোনার মালিক আমি বনে যাব! যেই ভাবা সেই কাজ। সে বাজারে গিয়ে খাবার কিনে তাতে বিষ মিশিয়ে নিয়ে আসতে লাগল!

এ দিকে সোনার স্তুপের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা লোকদুজন চিন্তা করল, বাজারে পাঠানো লোকটিকে যদি হত্যা করা যায় তাহলে সমস্ত সোনাকে দুই ভাগ করে তারা দুজন নিতে পারবে। তারা দুজনে শলাপরামর্শ করে সিদ্ধান্ত নিল, বাজার থেকে সেই লোকটি ফিরে আসা মাত্রই হত্যা করে ফেলতে হবে। আর সোনার ভাগাভাগি তাদের দুজনের মধ্যেই হবে।

বাজার থেকে সেই লোকটি খাবার নিয়ে যখন এ দুজনের নিকট উপস্থিত হলো তখন এরা দুজন মিলে তাকে সাথে সাথে হত্যা করে ফেলল! তারপর লোকটির আনা খাবারগুলো দুজন মিলে মজা করে খেতে লাগল।
কিন্তু এ খাবারে যে লোকটি বিষ মিশিয়ে এনেছিল তাদেরকে হত্যা করার জন্য এ কথা তো তারা কল্পনাও করতে পারেনি।

খাবার খাওয়া শেষ হতেই বিষের প্রতিক্রিয়া শুরু হলো। লোকদুজন কিছুক্ষণ গড়াগড়ি খেয়ে সেখানেই মরে পড়ে রইল।
সোনার তিনটি স্তুপই সেখানে পড়ে থাকল আর তিনজন লোভী ব্যক্তির লাশও সেখানেই পড়ে রইল। ঘটনাক্রমে হযরত ঈসা আলাইহিস সালাম তার কাজ শেষ করে আবার এ পথ দিয়ে ফিরছিলেন।
তিনি এ দৃশ্য দেখে মন্তব্য করলেন, দেখ সম্পদের হাকিকত এটাই! এরা তিনজন লোভী ছিল, লোভে পাপ হয়েছে এবং পাপের ফলাফল তাদের এই মৃত্যু।..
লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু
সংগ্রহ ও সম্পাদনা: কামরুল আলম

সিলেট বিভাগীয় বইমেলায় আপনাকে স্বাগতম। আজ বিকাল ৩টা থেকে শুরু...
28/04/2024

সিলেট বিভাগীয় বইমেলায় আপনাকে স্বাগতম। আজ বিকাল ৩টা থেকে শুরু...

25/04/2024

01711 480 379
পাপড়ির নতুন মোবাইল নম্বর

25/04/2024

হযরত মুসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সময়কাল। প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়ল জনজীবন। দীর্ঘদিন যাবত বৃষ্টি হচ্ছে না। জনগণ তাঁর কাছে এসে বলল, হে নবী, আপনি আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য দুআ করুন, এই বৃষ্টিহীন গরম আর সহ্য হচ্ছে না।
হযরত মুসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম সবাইকে ময়দানে একত্রিত হতে বললেন। সবাই জমায়েত হলো। তিনি সবাইকে নিয়ে বৃষ্টির জন্য নামাজ পড়ে দুআ শুরু করলেন।
দুআ চলাকালে রোদের তীব্রতা আরো বেড়ে গেল! সবাই আশ্চর্য হলো। অবাক হলেন হযরত মুসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বয়ং। তিনি একজন নবী হয়ে দুআ করছেন, অথচ হিতে বিপরীত হচ্ছে। ব্যাপারটা কী?
মুসা নবী আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর একটা বিশেষ সুবিধা ছিল। তিনি সরাসরি আল্লাহর সঙ্গে কথা বলতে পারতেন। তিনি আল্লাহর কাছে তখনই জানতে চাইলেন, এর কারণ কী প্রভু? আমি বৃষ্টির জন্য দুআ করছি, আর আপনি রোদের তেজ বাড়িয়ে দিচ্ছেন! এমনটা কেন হচ্ছে হে আল্লাহ!
আল্লাহ রাহমানুর রাহিম নবী আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর এ প্রশ্নের জবাবে জানালেন, তোমার এই জমায়েতে এমন এক ব্যক্তি আছে, যে চল্লিশ বছর যাবত আমার নাফরমানী এবং আমার বিরোধীতা করে আসছে। একটি দিনের জন্যও আমার বাধ্য হয়নি লোকটি। মূলত তাঁর কারণেই বৃষ্টি বন্ধ রয়েছে এতদিন থেকে।
আল্লাহর কাছ থেকে জবাব পেয়ে হযরত মুসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম জমায়েতের দিকে তাকিয়ে বললেন, দেখো বাপু আমি তোমাকে চিনি না, জানি না। তুমি যেই হও না কেন, গত চল্লিশ বছর যাবত আল্লাহর নাফরমানী করে যাচ্ছো। একটি দিনও তাঁর ইবাদত করোনি। সবসময় আল্লাহর অবাধ্য ছিলে। আজ কেন এই জমায়েতে এসেছো হে? বের হয়ে যাও দ্রুত। তোমার জন্য পুরো জাতির কষ্ট হচ্ছে।
মুসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম- এর কথা শুনে সেই লোকটি ভাবল, এখন যদি এত লোকের সম্মুখে বের হয়ে যাই, তবে সবার সামনে ‘পাপী’ হিসেবে লজ্জা পাবো। আর যদি চুপ করে বসে থাকি, তবে বৃষ্টি আসা বন্ধ থাকবে। এখন আমি কী করি?
লোকটি বিশাল মুশকিলে পড়ে গেল। একদিকে তার ইজ্জতের সমস্যা, আরেকদিকে গরম সহ্যসীমা অতিক্রম করেছে। সবার সঙ্গে সেও কষ্ট পাচ্ছে। অবশেষে লোকটি ভাবল, আচ্ছা, আমি আল্লাহর কাছেই না হয় আমার সমস্যাটা শেয়ার করি। সে নিজের ইজ্জত বাঁচানোর স্বার্থে আল্লাহর কাছে দুআ করতে লাগল। বলল, হে আল্লাহ, চল্লিশ বছর যাবত আমি অনেক পাপ করেছি। সীমাহীন। তুমি সবই জানো। গত চল্লিশ বছর যাবত আমার সেই পাপ তুমি গোপন করে রেখেছো। আজ এই ভরা মজলিসে, এত লোকের সম্মুখে আমি মহা মুসিবতে পড়েছি। আমাকে ক্ষমা করো প্রভু। চল্লিশ বছর যখন আমার পাপ লুকিয়ে রেখেছো, আজকেও আমাকে বাঁচাও। সকলের সম্মুখে পাপী বান্দা হিসেবে আমি দাঁড়াতে পারব না। কথা দিচ্ছি আমি আর পাপ করব না। এখন থেকে তোমার হুকুম পালন করব। আমি ভালো হয়ে যাব আল্লাহ।
লোকটির দুআ শেষ হতেই ঝুমঝুম করে বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল।
এদিকে হযরত মুসা আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবারও অবাক হলেন। আল্লাহর এ কেমন খেলা! তিনি তো বললেন, একজন লোক এই জমায়েতেই আছে যার জন্য বৃষ্টি বন্ধ। আমি তাকে বের হয়ে যেতে বললাম, কেউই তো বের হয়ে গেল না। অথচ বৃষ্টি হচ্ছে।
তিনি আবার আল্লাহর কাছে জানতে চােইলেন। বললেন, হে আল্লাহ, কেউ তো এ জমায়েত থেকে বের হলো না। অথচ বৃষ্টি শুরু হয়ে গেল যে! কারণটা কী?
আল্লাহ জবাব দিলেন। বললেন, যার কারণে বৃষ্টি আসা বন্ধ ছিলো, তাঁর কারণেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে।
মানে কী আল্লাহ?
মানে আমি তাঁকে ক্ষমা করে দিয়েছি। সে আমার কাছে ক্ষমা চেয়েছে, তওবা করেছে।
ইয়া মাবুদ, চল্লিশ বছরের পাপ মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ক্ষমা করে দিলেন। সুবহানআল্লাহ! কিন্তু আল্লাহ, আমি তো লোকটিকে চিনতেও পারলাম না? কে সেই লোক?
আল্লাহ বললেন, যখন পাপের সাগরে ডুবে ছিলো সে, তখনই তাকে গোপন রেখেছি। আর এখন ও যখন তওবা করেছে, তখন কী করে জানাব তার পরিচয়? পাপীদের পাপ আমি যথাসম্ভব গোপন রাখি, এটা আমার সাথে আমার বান্দার একান্ত নিজস্ব ব্যাপার।

চল্লিশ বছরের পাপ কয়েক সেকেন্ডে মাফ
সংগ্রহ ও সম্পাদনা- কামরুল আলম

গতকাল পাপড়িতে এক স্বপ্নবাজ এক তরুণের আগমন। জকিগঞ্জের এই তরুণের নাম Anjar Al Munir, কর্মস্থল গাজীপুরে যাওয়ার পথে পাপড়িতে ...
18/04/2024

গতকাল পাপড়িতে এক স্বপ্নবাজ এক তরুণের আগমন। জকিগঞ্জের এই তরুণের নাম Anjar Al Munir, কর্মস্থল গাজীপুরে যাওয়ার পথে পাপড়িতে ঢুঁ মারার জন্য ধন্যবাদ।

‘বাংলামি’ শব্দের মধ্যে ‘নোংরামি’ কিংবা ‘ভণ্ডামি’ খোঁজার দরকার নেই। এটা বড়োজোর এক ধরনের ‘পাগলামি’ হতে পারে! তা না হলে এটা...
15/04/2024

‘বাংলামি’ শব্দের মধ্যে ‘নোংরামি’ কিংবা ‘ভণ্ডামি’ খোঁজার দরকার নেই। এটা বড়োজোর এক ধরনের ‘পাগলামি’ হতে পারে! তা না হলে এটা হতে পারে এক ধরনের ‘হরুতামি’। ‘হরুতামি’ একটি সিলেটি শব্দ। এর বিশুদ্ধ প্রতিশব্দ হতে পারে ‘শিশুটামি’। আর ‘শিশুটামি’ নামে আমাদের একটি শিশুতোষ পত্রিকাও আছে কিন্তু।
তাহলে বিষয়টি কী দাঁড়ালো। বাংলামিও এক ধরনের শিশুটামি বা হরুতামি বা বাচ্চামি...

Address

411 Rongmohol Tower
Sylhet
3100

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:45
Tuesday 09:00 - 21:45
Wednesday 09:00 - 21:45
Thursday 09:00 - 21:45
Saturday 09:00 - 21:45
Sunday 09:00 - 21:45

Telephone

+8801988474748

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Paprhi Travels posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category