Wanderbd

Wanderbd ভ্রমন পিপাসুদের প্রতিষ্ঠান

01/12/2022

OIETC পরীক্ষার প্রস্তুতি ও সাপোর্ট!
পরীক্ষা প্রস্তুতির যাবতীয় সহযোগীতা। ইংরেজি ও কম্পিউটার দক্ষ টিম আপনাকে সম্ভব সব রকম লাইভ সহযোগীতা দেবে। যা আপনার সাফ্যল্যের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেবে দ্বিগুন!
CAS ইন্টারভিউ এবং OIETC পরীক্ষার সকল প্রশ্ন ও উত্তর আপনার উপযোগী করে লিখে দেয়া হবে।
IELTS, OIETC, CAS interview, পরীক্ষা বা প্রস্তুতি সংক্রান্ত কোন বিষয়ে এক্সপার্ট টিম এর সাথে ফ্রি মিটিং নির্ধারণের জন্য নিম্নের লিংকে ঢুকে প্রয়োজনীয় তথ্য ফিলআপ করুন : https://forms.gle/4YedjJ9xdjc9nEtU6
এবং eteam লিখে SMS করুন +88 01611 202040 WhapsApp -এ।
শীঘ্রই আমাদের এক্সপার্ট টিম আপনার সাথে যোগাযোগ করবে।
ILA educare (Est, 1991)
আইএলএ এডুকেয়ার
ইংলিশ এন্ড কম্পিউটার ট্রেনিং ইন্সটিটিউট
উপশহর মেইন রোড, সিলেট।
ফোন: 01611 202040 / 01715 020700 / 01712 166714
ইমেইল: [email protected]

04/11/2022
25/08/2022

What is the best way to describe yourself in an interview?

Interviewer- Describe yourself.
Neal- It’s all in my CV.
Interviewer- Tell me something which is not in your CV.
Neal- I am a greedy person.
Interviewer- Then, you are here for just salary. Right?
Neal- Yes!
Interviewer- What if, our company goes through a crisis and we can’t provide salary to our employees for a month? Will you leave our company during the crisis?
Neal- You want me to work for you for free? And you won’t give salary to your employees? Then, why should someone work for you?
Interviewer- Just answer my question. Will you leave the organisation or not during a crisis?
Neal- It depends.
Interviewer- Are you saying No? Then, why should we hire such a person like you?
Neal- I didn’t say no.
Interviewer- Then what did that mean?
Neal- As I said I’m greedy. So, it depends.
Interviewer- Explain..!
Neal- Because it is easy to keep a greedy person motivated.
Interviewer- How?
Neal- A normal employee will work to save his job but get demotivated when he has to work for free during the crisis.
But…
I will take advantage of the crisis and walk to you and say “Sir, I am ready to put extra hours during this crisis for free so we can get out of this. In exchange of that, I need a better salary when the crisis is over.”

A ILA educare collection

29/07/2022

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কি? ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কীভাবে কাজ করে?

আপনি কি কখনো চাঁদে গিয়েছেন? বা সমুদ্রের মাঝখানে গিয়ে সাঁতার কেটেছেন? মনে হয় এসব আপনি করেননি। এখন আপনার কাছে অসম্ভব মনে হচ্ছে। তবে আমি যদি বলি এসব আপনারা করতে পারবেন? সত্যি বলতে এখন এগুলো খুব সহজেই করা যায় ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহার করে।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে যে কোন কাল্পনিক পরিবেশ তৈরি করে, সে পরিবেশে থাকার অনুভব নিতে পারি। কিন্তু অনেকেই জানে না ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কি? এটি কিভাবে কাজ? করে চলুন তাহলে এসব বিষয়ে জেনে নেই।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কি? What is Virtual Reality
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ইংরেজি হচ্ছে Virtual Reality. এটি Virtual এবং Reality দুটো শব্দের সমন্বয়ে গঠিত। Virtual শব্দের অর্থ “সামনে” আর Reality শব্দের অর্থ “বাস্তবতা”। তবে এ বাস্তবতা শুধু মানুষ দ্বারা অনুভব করা যায়।
অর্থাৎ, Virtual Reality শব্দের অর্থ হচ্ছে “সামনের বাস্তবতা “। একে এক ধরনের নির্দিষ্ট বাস্তবিক অনুকরণ বলা যেতে পারে।
প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা অনুভবে বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে। এটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও সম্ভব করা যায়। কল্পনার পাখায় ভর করে ইচ্ছে করলে যেকোনো অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়। কল্পনার পাখায় ভর করে ইচ্ছে করলে প্রশান্ত মহাসাগরের গভীরতম অঞ্চলে ঘুরে আসা যায়, মানুষের মস্তিষ্কের নিউরন সংযোগের উপর দিয়ে হাঁটা এবং জুরাসিক পার্কের সেই অতিকায় ডাইনোসরের তারাও খাওয়া যায়।

এটি 3D এবং 5D প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম্পিউটারের মাধ্যমে তৈরি করা এমন একটি বিশ্ব যার মাধ্যমে আপনি ফিজিক্যাল এবং মেন্টালিটি দু মাধ্যমেই অনুভব করতে পারবেন।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটির পরিবেশ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান | Elements of VR
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির পরিবেশ তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো হলো –
 রিয়েলিটি ইঞ্জিন বা সিমুলেটর (Reality Engine / Simulator)
 ইনপুট ও আউটপুট সেন্সর ডিভাইস (Input & Output Sensor Device)
 হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display)
 ডেটা গ্লোভ (Data Gloves)
 একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit)
 অডিও ডিভাইস (Audio Device)
 ব্যবহারকারী (User)
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ধাপ | Phase of Virtual Reality
 এর প্রথম ধাপ হলো কম্পিউটারে তৈরি ত্রিমাত্রিক ছবি দিয়ে ভার্চুয়াল পরিমাণ বানানো হয়।
 দ্বিতীয়ত ব্যবহারকারীর গতিবিধি অনুসরণ করে ত্রিমাত্রিক ছবি অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে।
 এরপর ডান দিকে তাকালে ডান দিকের ছবি দেখাবে। গেইমে শত্রু যদি সমানে আসতে থাকে তাহলে প্রয়োজন অনুযায়ী হাত নেড়ে তার সঙ্গে লড়াই করতে হবে। এই নাড়াচড়াগুলো অনুসরণ করার জন্য সেন্সর ব্যবহার করা হয়।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কীভাবে কাজ করে? How does Virtual Reality Work?
কতগুলো যন্ত্রের সাহায্যে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কাজ করে। এখানে বিশেষ ধরণের চশমা বা হেলমেট পরা হয়। যেখানে দুটি চোখে দুটি ভিন্ন দৃশ্য দেখিয়ে ত্রিমাত্রিক অনুভূতি সৃষ্টি করা হয়। অনেক সময় একটি স্কিনে ভিন্ন ভিন্ন দৃশ্য দেখিয়ে অনুভূতি সৃষ্টি করা হয়।
এ প্রক্রিয়াগুলো সম্পূর্ণ করার জন্য মূলত কম্পিউটারের সাহায্যে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কোন একটি পরিবেশ বা ঘটনার বাস্তবভিত্তিক ত্রি-মাত্রিক চিত্রায়ণ করা হয়। তাই বলা হয় ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরি করা এমন কৃত্রিম পরিবেশ যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে বাস্তব পরিবেশ বলে মনে হয়।
আর এ পরিবেশ তৈরির জন্য শক্তিশালী কম্পিউটারে সংবেদনশীল গ্রাফিক্স ব্যবহার করতে হয়। সাধারণ গ্রাফিক্স আর ভার্চুয়াল গ্রাফিক্সের মধ্যে তফাত হলো – এখানে শব্দ ও স্পর্শকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। ব্যবহারকারীরা যা দেখে এবং স্পর্শ করে বাস্তবের কাছাকাছি বুঝানোর জন্য চশমা ও হেলমেট ছাড়াও অনেক সময় গ্লাভস, বুট, স্যুট ব্যবহার করা হয়।
উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটারে গ্রাফিক্স ব্যবহারের মাধ্যমে দূর থেকে পরিচালনা করার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।তাছাড়া এর মাধ্যমে বাস্তবভিত্তিক শব্দও সৃষ্টি করা হয়, যাতে মনে হয় শব্দগুলো বিশেষ স্থান থেকে উৎসারিত হয়।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ইতিহাস | History of Virtual Reality
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ইতিহাস
১৮৩৮ সালে সর্বপ্রথম Stereoscope আবিষ্কার করা হয়েছিল যেখানে একটি ইমেজকে প্রজেক্ট করার জন্য টুইন মিরর ব্যবহার করা হয়েছিল।১৯৮০ দর্শকের মাঝের দিকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রথম ব্যবহার করা হয়েছিল।
“Morton Heiling” ১৯৫৭ সালে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেন।
Virtual reality প্রযুক্তির উদ্ভাবন (invent) করা হয়েছিল, ১৯৫৭ সালে “Morton Heilig” এর দ্বারা। ভার্চুয়াল রিয়েলিটিকে সংক্ষেপে VR বলা হয়।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রকারভেদ | Classifications of Virtual Reality
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত পাঁচ প্রকার। যথাঃ
 Fully-immersive Virtual Reality
 Semi-immersive Virtual Reality
 Non-immersive Virtual Reality
 Augmented Reality
 Collaborative VR
Fully-immersive Virtual Reality
ভার্চুয়াল জগতে সম্পূর্ণ বাস্তব অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য Fully-immersive ভার্চুয়াল টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়। এতে মনে হবে আপনি সম্পূর্ণ একটি অন্য জগতে আছেন। আপনার মনে হবে আপনি শারীরিকভাবে সে ভার্চুয়াল জগতে উপস্থিত আছেন এবং শারীরিকভাবে অনুভব করতে পারবেন।
মজার বিষয় হচ্ছে ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডে যা যা ঘটবে তার সবটাই সত্য বলে মনে হবে। তবে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির এপ্রকার অনেক এক্সপেন্সিভ।

Fully-immersive Virtual Reality প্রযুক্তির মাধ্যমে কাল্পনিক পরিবেশ উপভোগ করার জন্য টেকনিকেল হ্যামলেট, গ্লাভস এবং কিছু বডি কানেক্টরস ব্যবহার করা হয়। বডি কানেক্টরসগুলো শক্তিশালী কম্পিউটারের সাথে যুক্ত হয়ে থাকে।
আপনার শারীরিকভাবে করা প্রত্যেকটি মুভমেন্ট এবং চোখের সাধারণ পিটপিট করাটাও শনাক্ত করে সে গুলোকে ভার্চুয়াল জগতে স্থাপন করা হয়। এজন্য আপনি সম্পূর্ণভাবে ভার্চুয়াল জগতে আছেন বলে মনে করবেন।
Semi-immersive Virtual Reality
এটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটির এমন প্রকার যাতে Non-immersive এবং Fully-immersive Virtual Reality র মিশ্রণ ঘটে। এটি এমন ধরনের ভার্চুয়াল জগত তৈরি করে যেখানে আপনি একটি কম্পিউটারের স্ক্রিন বা VR বক্স ও হ্যান্ডসেট ব্যবহার করছেন। এখানে আপনাকে কোন রকম শারীরিক গতিবিধি ব্যবহার করার প্রয়োজন হবে না। এখানে শুধু ভার্চুয়াল এক্সপেরিয়েন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়াল জগতের মজা নিতে পারবেন।
Non-immersive Virtual Reality
এমন কিছু ভার্চুয়াল এক্সপেরিয়েন্স গুলোকে Non-immersive virtual reality বলা হয় যেগুলোতে আপনি সফটওয়্যার এর ভিতরে থাকা ক্যারেক্টারস এবং এক্টিভিটিস গুলোকে কন্ট্রোল করতে পারবেন। তবে এ ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ক্ষেত্রে আপনি সম্পূর্ণ ভার্চুয়াল জগতের সাথে যুক্ত থাকছেন না।
যেমন – মনে করুন আপনি একটি হাই গ্রাফিক এবং Realistic কম্পিউটার গেইম খেলছেন। এক্ষেত্রে আপনি একটি গেইমের কথা ভাবতে পারেন। হতে পারে সেটা Call of Duty বা Tomb Rider.
এ গেইমের মধ্যে আপনি গেমিং ক্যারেক্টারগুলোকে নিজের মনে করে কন্ট্রোল করতে পারবেন। যেগুলোর নিজস্ব একটা আলাদা এনিমেশন এবং গঠন রয়েছে। এক্ষেত্রে আপনি যদিও একটি ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডের সাথে যুক্ত আছেন, তবে সোজাসুজি ভাবে সেখানে মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু আপনি নন।
প্রত্যেকটি কাজ, পরিবেশ এবং বৈশিষ্ট্যগুলো গেইমের ভিতরে থাকা ক্যারেক্টারগুলো সাথে ইন্টারাক্ট করছে। কিন্তু আপনার সাথে নয়।
প্রতিটি গেমিং ডিভাইস যেমন – প্লে স্টেশন, এক্সবক্স কম্পিউটার গুলো Non- immersive virtual reality র অনুভব প্রদান করছে।
Augmented Reality
মনে করেন, আপনি আপনার মোবাইলে নিজের ঘরের রুম গুলো দেখতে পারছেন দএবং একটি কার্টুন ক্যারেক্টার আপনার রুমে রেখে দিলেন। এবার আপনি আপনার ফোনের স্ক্রিনে থাকা ঘরের রুমের সে কার্টুন ক্যারেক্টারটি দেখতে পাবেন তবে সেটা বাস্তবে থাকবে না।
Augmented Reality হনোর যেখানে একটি অংশ ক্যারেক্টার জিনিস আছে বলে মনে হবে কিন্তু সেটা বাস্তবে থাকবে না। এ ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বেশিরভাগ ব্যবসায়ীরা তাদের ব্যবসার কাজে ব্যবহার করেন।
যেমন – আপনি আপনার ঘরের জন্য ফার্নিচার কিনতে যাবেন, তখন এই ভার্চুয়াল রিয়েলিটি টেকনোলজি ব্যবহার করে ফার্নিচারগুলো আপনার ঘরের ভেতরে থাকার অনুভব করিয়ে দেখানো হবে। এতে একজন গ্রাহক হিসেবে আপনি সহজেই বুঝতে পারবেন কোন ফার্নিচারগুলো আপনার ঘরে ভালো দেখাবে।
Collaborative VR
এ ভার্চুয়াল রিয়েলিটিটি অনেক উন্নত মানের এবং আধুনিক। প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা এই ভার্চুয়াল জগতে বিভিন্ন জায়গা থেকে লোকেরা যুক্ত হয়ে একই ভার্চুয়াল পরিবেশে আসতে পারে। এ ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে লোকদের মধ্যে সহযোগিতা করা।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ব্যবহার | Uses of Virtual Reality
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ব্যবহার
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বিভিন্ন কাজে এবং বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়। আর কিছু হল –
 শিশু শিক্ষায়
 ডাক্তারদের প্রশিক্ষণ এবং প্র্যাকটিস
 গেমিং
 কার ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ
 বিমান চালনার প্রশিক্ষণ
 সেনাবাহিনীতে যুদ্ধ প্রশিক্ষণ
 ব্যবসায় বাণিজ্যে
 মহাশূন্য অভিযানে
 গেইমস তৈরি
 নগর উন্নয়নে
 মিলিটারি ট্রেনিং এবং প্রশিক্ষণ
 স্পোর্টস
 শিক্ষা ক্ষেত্রে
 সেফটি ট্রেনিং
 মনোরঞ্জনের ক্ষেত্রে
 জব ট্রেনিং
 সেলস ট্রেনিং
 ভার্চুয়াল মিটিং
 আর্কিটেকচার বা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজাইন
এছাড়া আরো অনেক উদ্দেশ্যে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহার করা হয়।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির লাভ ও সুবিধা | Advantages of Virtual Reality
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কিছু লাভ ও সুবিধা হলঃ
 শিক্ষা ও ট্রেনিং এর ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মাধ্যমে অনেক লাভ হচ্ছে।
 যেকোন কাল্পনিক জগতে গিয়ে সে পরিবেশের অনুভব নেওয়া সম্ভব।
 গেমিং এর ক্ষেত্রে অনেক লাভজনক
 ট্রেনিং ও প্রশিক্ষণের সময় সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকা যায়
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির অসুবিধা | Disadvantages of Virtual Reality
 চড়া দাম এবং জটিলতা বেশি এবং এ প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামও খুবই মূল্যবান ও ব্যয়বহুল।
 চোখের ও শ্রবণশক্তির ক্ষতি হতে পারে।
 স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
 কল্পনার জগতে বিচরণ
 মনুষ্যত্বহীনতা ইত্যাদি।

আইএলএ এডুকেয়ার
ইংলিস ও কম্পিউটার ট্রেনিং ইন্সটিটিউট
উপশহর, সিলেট।

সংগৃহীত: https://noproblembd.com/

01/06/2022

উঠে যাচ্ছে সৃজনশীল পদ্ধতি
০১ জুন ২০২২, ০২:৫৭
আগামী বছর থেকে নতুন কারিকুলামে প্রবেশ করতে যাচ্ছে দেশের শিক্ষাব্যবস্থা। নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের শুরুর বছরে প্রথম, দ্বিতীয়, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নতুন বই দেওয়া হবে। এরপর ২০২৫ সালের মধ্যে মাধ্যমিক স্তরে সব শ্রেণিতে বাস্তবায়ন হবে।
নতুন কারিকুলাম অনুযায়ী, বিষয় ও পরীক্ষা কমিয়ে বইয়ে আনা হয়েছে পরিবর্তন। প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা এক বছরের পরিবর্তে দুই বছর হবে। দশম শ্রেণির আগে কোনো পাবলিক পরীক্ষা থাকবে না। একজন শিক্ষার্থী বিজ্ঞান, মানবিক নাকি ব্যবসায় শিক্ষায় পড়বে, সেটি ঠিক হবে উচ্চমাধ্যমিকে গিয়ে। নতুন কারিকুলামে সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে দুই দিন।
তবে এই কারিকুলামে পরীক্ষার প্রশ্ন পদ্ধতি কী হবে এ বিষয়টি নিয়েই সবার আগ্রহ রয়েছে। কারণ চলমান সৃজনশীল পদ্ধতি নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকদের ভীতি এখনো রয়েছে। তাই তারাও চাইছেন এ পদ্ধতি না থাকুক। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়নের পর পরীক্ষায় সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতি থাকবে না। কোন পদ্ধতির আলোকে প্রশ্ন থাকবে তা প্রকাশ করা হবে নভেম্বরে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ ইত্তেফাককে জানান, সৃজনশীল পদ্ধতিতে আগামী বছর থেকে তো আর পরীক্ষা থাকছে না। উন্নত বিশ্বের পরীক্ষা পদ্ধতির আলোকেই তৈরি করা হয়েছে। একই তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার। তিনি ইত্তেফাকের কাছে বলেছেন, নতুন কারিকুলামে সৃজনশীল প্রশ্ন থাকছে না। সেখানে অন্য রকমের প্রশ্নপত্র হবে।
আর জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের সদস্য (কারিকুলাম) অধ্যাপক ড. মশিউজ্জামান বলেন, পরীক্ষার প্রশ্ন পদ্ধতি কেমন হবে আগামী নভেম্বরে প্রকাশ করা হবে। কেন বিলম্বে প্রকাশ করা হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন প্রকাশ করা হলে নোট গাইড মালিকরা আগেভাগেই এগুলো ছাপিয়ে ফেলবে।
মুখস্থনির্ভর পড়াশুনার পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধা যাচাই করার লক্ষ্যে সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতি চালু হয়েছিল। ২০০৮ সাল থেকে দেশে যখন এটি চালু করা হয়, তখন বলা হয়েছিল, এই পদ্ধতিতে নোট-গাইড বই থাকবে না, কোচিং-প্রাইভেট বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু ফল হয়েছে উলটো। শিক্ষকরাই বিষয়টি ভালোভাবে না বোঝায় শিক্ষার্থীদের কোচিং-প্রাইভেট বা সহায়ক বইয়ের দ্বারস্থ হতে হচ্ছে আগের চেয়ে আরো বেশি। অভিভাবকদেরও ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ভীত রয়েছেন শিক্ষকরাও। প্রায় ৪২ ভাগ শিক্ষকের এ বিষয়ে ধারণা নেই। এসব কারণে এ পদ্ধতি বাতিলের দাবি ছিল শুরু থেকেই। অনেকেই মনে করছেন, সৃজনশীল পদ্ধতি চালু করাই ছিল শিক্ষায় সবচেয়ে বড় ভুল সিদ্ধান্ত। যার খেসারত দিয়েছে সবাই।
নতুন কারিকুলামে আরো যা থাকবে
নতুন শিক্ষাক্রমে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা হবে দুই বছরমেয়াদি। শিক্ষাক্রম অনুযায়ী, প্রথম ও তৃতীয় শ্রেণির আগে স্কুলে কোনো পরীক্ষা থাকবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই ধারাবাহিকভাবে মূল্যায়ন হবে। প্রাথমিকের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণিতে শিখনকালীন মূল্যায়ন বা ধারাবাহিক মূল্যায়ন হবে শতভাগ। চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ে শিখনকালীন মূল্যায়ন হবে ৬০ শতাংশ। সামষ্টিক মূল্যায়ন ৪০ শতাংশ। স্বাস্থ্য সুরক্ষা, ধর্ম শিক্ষা ও শিল্পকলায় শিখনকালীন মূল্যায়ন ১০০ শতাংশ।
ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণিতে বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান এবং ইতিহাস ও সামাজিক বিজ্ঞানে শিখনকালীন মূল্যায়ন ৬০ শতাংশ। সামষ্টিক মূল্যায়ন হবে ৪০ শতাংশ। নবম ও দশম শ্রেণিতে ৫০ শতাংশ শিখনকালীন ও ৫০ শতাংশ সামষ্টিক মূল্যায়ন হবে। দশম শ্রেণিতে গিয়ে হবে পাবলিক পরীক্ষা। শুধু দশম শ্রেণির পাঠ্যসূচির ভিত্তিতে এসএসসি পরীক্ষা হবে। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পাঠ্যসূচির ওপর প্রতিবর্ষ শেষে একটি করে পরীক্ষা হবে। একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষার ফলাফলের সমন্বয়ে চূড়ান্ত ফলাফল নির্ধারিত হবে। এই স্তরে শিখনকালীন মূল্যায়ন ৩০ শতাংশ আর সামষ্টিক মূল্যায়ন ৭০ শতাংশ।
বিষয় নির্ধারণ : প্রাথমিকের জন্য আটটি বিষয় নির্বাচন করা হয়েছে। আর ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে ১০টি অভিন্ন বই পড়ানো হবে। নতুন শিক্ষাক্রমে একাদশ শ্রেণিতে গিয়ে শাখা পরিবর্তন হবে। এই স্তরে তিনটি আবশ্যিক বিষয় থাকবে।
কবে থেকে কোন শ্রেণিতে নতুন বই
২০২৩ সালে প্রথম, দ্বিতীয়, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম, অষ্টম শ্রেণি ২০২৪ তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি ও অষ্টম ও নবম শ্রেণি, ২০২৫ সালে ৫ম ও ১০ম শ্রেণি, ২০২৬ সালে একাদশ ও ২০২৭ সালে দ্বাদশ শ্রেণিতে নতুন কারিকুলাম।

সূত্র:
www.ittefaq.com.bd

28/04/2022

CAS ইন্টারভিউ এবং OIETC পরীক্ষার প্রস্তুতি কোর্স ও সাপোর্ট! ইন্টারভিউ এবং পরীক্ষা প্রস্তুতির যাবতীয় সহযোগীতা। ইংরেজি...

27/04/2022
03/04/2022

ভালো বাংলা লিখতে শিখুন, ইংরেজি অনুবাদ গুগল করে দেবে।

03/02/2022

একটি হৃদয় স্পর্শকারী ছবি !!!

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় (১৯৪৫) জাপানের একটি ছেলে তার মৃত ভাইকে নিয়ে একটি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সামনে দাঁড়িয়ে তার ছোট মৃত ভাইকে দাহ করার জন্য তার পালার অপেক্ষা করছিলো।

যে ব্যক্তি ছবিটি তোলেন তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ছেলেটি নিজের কান্না আটকানোর জন্য তার ঠোঁটগুলো এতটাই জোরে কামড়ে ধরে রেখেছিল যে তার ঠোঁট বেয়ে রক্ত পড়ছিল।

পাশের গার্ড তার কাছে লাশ চেয়ে বললেন "তুমি তোমার বোঝাটা আমাকে দাও। সে উত্তর দিল "সে মোটেও ভারী নয় সে আমার ভাই।" তারপর তাকে তার ভাইয়ের মৃতদেহ দিয়ে চারদিকে কিছুক্ষণ তাকাল। তারপর চলে গেল।

জাপানে এখনো এই ছবিটা শক্তির প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

❝নিজের ভাইয়ের বোঝাটা হয়তো পৃথিবীর সবচাইতে ভারী বোঝা ছিল তার কাছে❞

Address

Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Wanderbd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category