Bohemian Faisal

Bohemian Faisal Travel | History | Stories
“Life is short and the world is wide.”
(4)

13/05/2026

বুলবুল ললিতকলা একাডেমি সংক্ষেপে বাফা (বুলবুল একাডেমি অব ফাইন আর্টস) ভবন।

বাংলাদেশের একটি কলা কেন্দ্র। ১৯৫৫ সালের মে ১৭ তারিখে বেগম আফরোজ বুলবুল এই সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠা করেন।

ওয়াইজ হাউস পুরান ঢাকার ওয়াইজ ঘাটে অবস্থিত প্রায় দুইশতবর্ষী পুরাতন ভবন। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল সংলগ্ন এই ভবনটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের এবং ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ও রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ এর ৯৩ টি ঐতিহাসিক নান্দনিক ভবনের তালিকার অন্তর্ভুক্ত।

12/05/2026

রাজধানী ঢাকার অদূরে ধামরাই উপজেলার বেলীশ্বর জমিদার বাড়ি। জমিদার মদন মোহন রায় চৌধুরী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত প্রায় দুইশ বছরের পুরাতন বেলিশ্বর জমিদার বাড়ি ধামরাইয়ের সুতিপারা ইউনিয়নে বেলীশ্বর নামক স্থানে অবস্থিত। মদন মোহনের দুই ছেলে। মোহিনী মোহন রায় চৌধুরী এবং রায় মোহন রায় চৌধুরী। মোহিনী মোহনের দুই ছেলে মেলিন্দ মোহন রায় চৌধুরী এবং মেদেনি মোহন রায় চৌধুরী। অন্য দিকে রায় মোহনের ছেলে জমিদার কুমুদ মোহন রায় চৌধুরী। মূলত কুমুদ মোহনের সময়েই এই জমিদারির শান শওকাত বেশি ছিল।

📍যাদুনগর শিব মন্দির,  ভোলাহাট,  চাঁপাইনবাবগঞ্জ।এখানে দুটো শিব মন্দির। স্থানীয় ভাবে এগুলো জোড়া মন্দির নামেও পরিচিত।আশেপাশ...
11/05/2026

📍যাদুনগর শিব মন্দির, ভোলাহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

এখানে দুটো শিব মন্দির। স্থানীয় ভাবে এগুলো জোড়া মন্দির নামেও পরিচিত।আশেপাশে অনেক হিন্দু বসতি আছে কিন্তু এগুলো এখনো পরিত্যক্ত অবস্থায় পরে আছে।

নিরবে নিভৃতে দাঁড়িয়ে আছে একসময়ের রাজকীয় বনেদী বাড়ি কুন্ডুনিবাসআবদুল্লাহপুর,মুন্সিগঞ্জ।
10/05/2026

নিরবে নিভৃতে দাঁড়িয়ে আছে একসময়ের রাজকীয় বনেদী বাড়ি কুন্ডুনিবাস

আবদুল্লাহপুর,মুন্সিগঞ্জ।

চৌধুরী বাড়ি মঠ।মহাকালী, মুন্সিগঞ্জ।
09/05/2026

চৌধুরী বাড়ি মঠ।
মহাকালী, মুন্সিগঞ্জ।

বেলীশ্বর জমিদার বাড়ি দুর্গা মন্দির। বেলীশ্বর,ধামরাই,ঢাকা।
08/05/2026

বেলীশ্বর জমিদার বাড়ি দুর্গা মন্দির।
বেলীশ্বর,ধামরাই,ঢাকা।

রবীন্দ্রনাথের শ্বশুর বাড়ি।দক্ষিণডিহি,খুলনা। বেজেরডাঙ্গা থেকে ভ্যানে উঠে পরলাম এবার গন্তব্য দক্ষিণডিহি গ্রামে। এই দক্ষিণড...
08/05/2026

রবীন্দ্রনাথের শ্বশুর বাড়ি।
দক্ষিণডিহি,খুলনা।

বেজেরডাঙ্গা থেকে ভ্যানে উঠে পরলাম এবার গন্তব্য দক্ষিণডিহি গ্রামে। এই দক্ষিণডিহি গ্রামের সাথে কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুর বাড়ির নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান।বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর,ঠাকুরের বাবা এবং চাচা এই দক্ষিণডিহি গ্রামের মেয়ে বিয়ে করেছিলেন।

বাড়িটি কতটা ঐতিহাসিক এরচেেয় বড় হলো এই বাড়ির জামাই কতোটা ঐতিহাসিক ছিলেন।দোতলা বাড়িটিতে নিচে কক্ষ আছে ছোট-বড় চারটি। উপরে দু’টি। চারদিকে বারান্দা। একটি চিলেকোঠা। পেছনে রয়েছে একটি শৌচাগার। দীর্ঘদিন বাড়িটি ছিল অন্যের ভোগদখলে। ১৯৯৫ সালে উদ্ধার করা হয়।

বিশ্বকবির মা সারদা দেবীর বাবার বাড়ি এবং মাতামহী দিগম্বরী দেবীর বাড়ি ছিল এই এলাকায়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শ্বশুরবাড়ি ও মামার বাড়ি ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণডিহিতে। তার পূর্ব-পুরুষ খুলনার রূপসা উপজেলার পিঠাভোগে বাস করতেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল ভবতারিনী ওরফে মৃণালিনী দেবীর। মৃণালিনীর বয়স তখন ১১ বছর। রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল ২২ বছর। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন পীরালী বংশের লোক। রবীন্দ্রনাথ বর সেজে দক্ষিণডিহিতে আসেননি এমন জনশ্রুতি রয়েছে। তবে ভারতের কলকাতার জোড়া সাঁকোর ঠাকুর বাড়িতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

রবীন্দ্রনাথের বিয়ের প্রসঙ্গের আগে একটু বাড়িটি নিয়ে বলে নেওয়া যাক। চার শতক জায়গার ওপর যে ভবনটি এখন দৃশ্যমান সেটি কবে কে নির্মাণ করেন তার সঠিক তথ্যও পাওয়া যায় না। জানা যায়, বিয়ের আগে, অর্থাৎ ১৮৮৩ সালের আগে বেনীমাধব রায় চৌধুরীর যে বাড়িটি এখানে ছিল সেটি ছিল টিনের তৈরি। রবীন্দ্রনাথের সঙ্গে তার একমাত্র মেয়ে ভবতারিনী দেবী ওরফে ফেলীর বিয়ের পর নাকি বর্তমানে দৃশ্যমান দোতলা বাড়িটি তৈরি করা হয়। তবে কে তৈরি করেন তা স্পষ্ট করে কোথাও লেখা নেই। কেউ বলেন, বিয়ের পর নাকি রবীন্দ্রনাথ নিজেই এটি বানিয়ে দেন। তবে এর কোনো প্রামাণ্য তথ্য নেই।

রবি ঠাকুরের শ্বশুর বেনী মাধব রায় চৌধুরী দক্ষিণডিহি গ্রামে ছিলেন। তার ছেলে নগেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী ওই বাড়ির দোতলা ভবনসহ ৮.৪১ একর জমির মালিক ছিলেন। নগেন্দ্রনাথের দুই ছেলে বীরেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী ও ধীরেন্দ্রনাথ রায় চৌধুরী ৭.০৮ একর জমির মালিক হন।

উদ্ভব সাহার বাড়ি ডাংগা,পলাশ, নরসিংদী।
07/05/2026

উদ্ভব সাহার বাড়ি
ডাংগা,পলাশ, নরসিংদী।

বরগুনার আমতলীর সবুজে ঘেরা গ্রাম ঘোপখালী। সেই গ্রামে ঢুকলে হঠাৎ চোখে পড়ে বিশাল এক পুরোনো বাড়ি। গাছপালা আর নীরবতার আবরণে ঘ...
03/05/2026

বরগুনার আমতলীর সবুজে ঘেরা গ্রাম ঘোপখালী। সেই গ্রামে ঢুকলে হঠাৎ চোখে পড়ে বিশাল এক পুরোনো বাড়ি। গাছপালা আর নীরবতার আবরণে ঘেরা, যেন প্রকৃতির সঙ্গে লুকোচুরি খেলে দাঁড়িয়ে আছে বাড়িটি।

বাড়িটির স্থাপত্যে ব্রিটিশ আমলের প্রভাব সুস্পষ্ট। খিলানযুক্ত বারান্দা, কারুকার্যপূর্ণ থাম ও অলংকৃত জানালাগুলো যেন সময়কে আটকে রেখেছে। বাড়িটির নিচতলার খিলান, মাঝের গম্বুজধর্মী কাঠামো এবং ওপরের জানালায় ব্যবহৃত কলামগুলো থেকে অনুমান করা যায়, এটি ব্রিটিশ আমলের।

ইট-চুন-সুরকি দিয়ে নির্মিত ভবনটির দেয়ালগুলো ২৪ ফুট চওড়া। ভবনটির প্রতিটি তলায় সুষমভাবে গঠিত খিলান ও জানালা আছে। নিচতলায় আছে ৭টি খিলান (অর্ধবৃত্তাকার), যা একটি দীর্ঘ বারান্দা তৈরি করেছে। এই খিলানগুলো রোমান-গথিক ধাঁচের, যা ব্রিটিশ আমলে প্রচলিত ছিল। প্রতিটি খিলানের ওপর রুফ-কার্নিশে ছোট ছোট অলংকরণ আছে

বাড়িটি নির্মাণ করেছিলেন ফটিক হাওলাদার নামের একজন। ফটিকের বাবা ঝরু হাওলাদার আঠারো শতকে পটুয়াখালীর বাউফল থেকে এই এলাকায় আসেন। সঙ্গে ছিলেন ফটিক। তখন এই এলাকা ছিল বনজঙ্গলে ভরা। ঝরু তা সাফ করে বসতি গড়েন

এরপর তিনি প্রচুর জমি ‘হাওলা’ (ঊনবিংশ শতাব্দীতে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় কৃষিজমির মালিকানা সম্পর্কের ক্ষেত্রে সৃষ্ট মধ্যস্বত্ব) করেন। বাবার মৃত্যুর পর জমির মালিকানা পান তাঁর ছেলে ফটিক হাওলাদার। তাঁর আমলে পরিবারটি আরও বিত্তশালী হয়। ‘ফটিক হাওলাদার তালুক’ (জমিদারের কাছ থেকে বন্দোবস্ত করে নেওয়া ভূসম্পত্তি) অর্জন করেন। এরপর পরিবারটির পদবি হয়ে যায় তালুকদার।

ফটিক হাওলাদার তালুক অর্জনের পর উনিশ শতকের গোড়ার দিকে নির্মাণ করেন। ফটিক হাওলাদারের কমপক্ষে এক হাজার একর ফসলি জমি ছিল। সেসব জমি তিনি ওয়াক্‌ফ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু সরকার অধিগ্রহণসহ বিভিন্ন কারণে বর্তমানে তাঁদের এস্টেটের ৯১ একরের মতো সম্পত্তি আছে। বর্তমানে এই এস্টেটের মোতোওয়ালি তিনি।

ফটিক হাওলাদারের তিন ছেলে ছিলেন। এই তিন ছেলের ১২ ছেলে ছিলেন।
বাড়ির উত্তরে পুরোনো মসজিদ, দক্ষিণ পাশে বিশাল কাছারিবাড়ি। মসজিদের পাশেই ফটিক হাওলাদার, তাঁর বাবা ঝরু হাওলাদারের কবর। বাড়ির উত্তর পাশে এক একর আয়তনের বিশাল পুকুর। তাতে শানবাঁধানো পুরোনো ঘাট। বাড়িটির সব জায়গাই যেন স্থাপত্যের অনন্য ছোঁয়া লেগে আছে।

কলকাতা থেকে মিস্ত্রি এনে এই ভবন নির্মাণ করেছিলেন। এর আসবাবসহ সবই কলকাতা থেকে আনা হয়েছিল। ভবনটি পরিত্যক্ত হয়ে গেছে বহু আগে। এটিকে স্থাপনা হিসেবে সংরক্ষণ করা হলে পরের প্রজন্ম জানতে পারত।’

02/05/2026

যেখানে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এসেছিলেন।

পুরান ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালের পাশে লালচে ইটের বিশাল এক দালান। এই দালানটিই লালকুঠি, যাকে অনেকে নর্থব্রুক হল নামেও চেনেন। এক সময় এখানে জমেছিল পুরান ঢাকার সংস্কৃতির আসর, জমিদার-উচ্চবিত্তদের আড্ডা, নাটক, গান, সভা-সমাবেশ।


02/05/2026

আমি আসলে কেন ঘুরি?
ঘুরে ঘুরে স্মৃতি বাড়াই।আল্লাহ হায়াত দিলে বৃদ্ধ বয়সে বসে বসে দেখবো।

গত দু মাসে যা ঘুরলাম।

Address

Turag

Website

https://www.facebook.com/profile.php?id=61579191173409, https://url-shortener.me/GM6V,

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bohemian Faisal posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bohemian Faisal:

Share