FG Tours Travel & Consultancy

FG Tours Travel & Consultancy FG Tours Travels & Consultancy is always ready to give you high quality services in a cost effective

We provide appointments for the below hospitals:Apollo Hospital- Kolkata, Chennai,Delhi, Bangalore, Hyderabad Fortis Hos...
04/07/2026

We provide appointments for the below hospitals:

Apollo Hospital- Kolkata, Chennai,Delhi, Bangalore, Hyderabad
Fortis Hospital- Kolkata,Delhi, Gurgaon, Noida, Bangalore,Mumbai
Max Hospital - Delhi, Gurgaon,Noida,Mumbai
HCG - Kolkata, Bangalore,Mumbai
Manipal Hospital - Kolkata, Bangalore,Delhi
Dr.Agarwala Eye hospital - Kolkata, Chennai
Miot hospital - Chennai
Peerless hospital - Kolkata
Ruby general hospital -Kolkata
Global Gleneagles hospital - Chennai
Yashoda hospital - Hyderabad
Dr Rela hospital - Chennai
Desun hospital - kolkata
Tx Hospital - Hyderabad
Rainbow Children hospital & IVF - Bangalore

Please contact in inbox for the treatment in India.

26/06/2026

দীর্ঘ প্রায় ২.৫ বছর পর আবারও চালু হচ্ছে ভারতের ট্যুরিস্ট ভিসা। আগামী ২৮ তারিখ থেকে নতুন করে শুরু হচ্ছে ভারত ভ্রমণের সুযোগ, যা বাংলাদেশের ভ্রমণপিপাসুদের জন্য নিঃসন্দেহে আনন্দের খবর।

ভারতের জনপ্রিয় কিছু উল্লেখযোগ্য ডেস্টিনেশন তুলে ধরা হলো—

📍 কলকাতা: ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, হাওড়া ব্রিজ, পার্ক স্ট্রিট, ইকো পার্ক, সায়েন্স সিটি, কালীঘাট মন্দির, দক্ষিণেশ্বর কালী মন্দির।

📍 দিল্লি: ইন্ডিয়া গেট, কুতুব মিনার, লোটাস টেম্পল, লাল কেল্লা, হুমায়ুনের সমাধি, অক্ষরধাম মন্দির, চাঁদনী চক।

📍 আগ্রা: তাজমহল, আগ্রা ফোর্ট, মেহতাব বাগ, ইতিমাদ-উদ-দৌলা।

📍 মুম্বাই: গেটওয়ে অব ইন্ডিয়া, মেরিন ড্রাইভ, এলিফ্যান্টা কেভস, জুহু বিচ, ছত্রপতি শিবাজী টার্মিনাস।

📍 গোয়া: বাগা বিচ, কালাঙ্গুট বিচ, আগুয়াদা ফোর্ট, ডোনা পাওলা, বাসিলিকা অব বম জেসাস।

📍 জয়পুর (রাজস্থান): আমের ফোর্ট, হাওয়া মহল, সিটি প্যালেস, জল মহল, নাহারগড় ফোর্ট।

📍 কোচি (কেরালা): ফোর্ট কোচি, মাট্টানচেরি প্যালেস, চাইনিজ ফিশিং নেট, মেরিন ড্রাইভ।

📍 মানালি: হিড়িম্বা মন্দির, সোলাং ভ্যালি, রোটাং পাস, আটল টানেল, সিসু ভ্যালি।

📍 শিমলা: দ্য রিজ, মল রোড, জাখু মন্দির, কুফরি, ক্রাইস্ট চার্চ।

📍 শ্রীনগর (কাশ্মীর): ডাল লেক, নিশাত বাগ, শালিমার বাগ, মুঘল গার্ডেন, শিকারা রাইড।

📍 গুলমার্গ: গন্ডোলা রাইড, আফারওয়াত পিক, স্নো অ্যাক্টিভিটিজ।

📍 পাহেলগাম: বেতাব ভ্যালি, আরু ভ্যালি, বাইসারান ভ্যালি।

📍 সোনমার্গ: থাজিওয়াস গ্লেসিয়ার, সিন্ধু নদীর উপত্যকা।

📍 কারগিল: কারগিল ওয়ার মেমোরিয়াল, সুরু ভ্যালি, মুলবেক মনাস্ট্রি।

📍 লে-লাদাখ: লে প্যালেস, শান্তি স্তূপ, খারদুংলা পাস, প্যাংগং লেক, নুব্রা ভ্যালি, ম্যাগনেটিক হিল।

📍 গ্যাংটক (সিক্কিম): এমজি মার্গ, রুমটেক মনাস্ট্রি, ছাঙ্গু লেক, বাবা মন্দির, নাথুলা পাস।

📍 পেলিং: পেমায়াংতসে মনাস্ট্রি, স্কাইওয়াক, কাঞ্চনজঙ্ঘা ভিউ পয়েন্ট।

📍 দার্জিলিং: টাইগার হিল, বাতাসিয়া লুপ, ঘুম মনাস্ট্রি, চা বাগান, দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে।

📍 গুয়াহাটি (আসাম): কামাখ্যা মন্দির, উমানন্দ মন্দির, ব্রহ্মপুত্র রিভারফ্রন্ট।

📍 শিলং (মেঘালয়): উমিয়াম লেক, এলিফ্যান্ট ফলস, শিলং পিক, ওয়ার্ডস লেক।

📍 চেরাপুঞ্জি: নোহকালিকাই ফলস, সেভেন সিস্টার্স ফলস, লিভিং রুট ব্রিজ।

📍 ডাউকি: উমনগট নদীর স্বচ্ছ জল, বোটিং ও সীমান্ত এলাকা।

📍 কোহিমা (নাগাল্যান্ড): ওয়ার সিমেট্রি, নাগা হেরিটেজ ভিলেজ, জাপফু পিক।

📍 ইম্ফল (মণিপুর): লোকতাক লেক, কাংলা ফোর্ট, INA মেমোরিয়াল।

📍 পোর্ট ব্লেয়ার (আন্দামান): সেলুলার জেল, রস আইল্যান্ড, করবিনস কোভ বিচ।

📍 হ্যাভলক আইল্যান্ড: রাধানগর বিচ, এলিফ্যান্ট বিচ, স্কুবা ডাইভিং।

ইনশাআল্লাহ, আপনাদের নিয়ে আবারও শুরু হবে নতুন নতুন ভ্রমণের গল্প।

👇 এতগুলো গন্তব্যের মধ্যে আপনার প্রথম পছন্দ কোনটি?
কাশ্মীর, লাদাখ, সিক্কিম, দার্জিলিং, গোয়া নাকি আন্দামান?

কমেন্টে আপনার পছন্দের জায়গার নাম লিখুন!

03/11/2024

ইন্দোনেশিয়া এই মুহুর্তে ১৪ দিনে পাসপোর্ট ডেলিভারি দিচ্ছে, যারা প্রিপারেশন নিচ্ছেন ২ সপ্তাহ সময় হাতে নিয়ে এপ্লাই করুন।
আজকে সাবমিট হওয়া পাসপোর্ট এর ডেলিভারি ডেট দিয়েছে ১১ , নভেম্বর ২০২৪।

যে সকল ডকুমেন্টস অবশ্যই লাগবে

➡️ কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ থাকা একটি বৈধ পাসপোর্ট

➡️‌ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম নির্ভুলভাবে পূরণ করবেন

➡️ ৩৫*৪৫ সাইজের ছবি; অবশ্যই ল্যাব প্রিন্ট হতে হবে।

➡️ কাভার লেটার / ভিসা রিকোয়েস্ট লেটার - আপনি কে, কি করেন, কেন যেতে চান, কত দিন থাকবেন, কোন শহরগুলিতে যাবেন, আপনার সাথে পরিবারের কে কে যাচ্ছে - এসব লিখবেন, আপনার পূর্বের ট্রাভেল হিস্টোরি উল্লেখ করবেন।

➡️ ব্যাংক স্টেটমেন্ট : এক জনের জন্য মিনিমাম ২০০০ ডলার ব্যালেন্স সহ লাস্ট ছয় মাসের স্টেটমেন্ট দেখাতে হবে। বিজনেস একাউন্টে অবশ্যই প্রতিমাসে ৫/১০ টা লেনদেন থাকতে হবে।
যদি ৩ জন ফ্যামিলি মেম্বার আবেদন করেন তাহলে একজনের ২০০০*৩ ডলার করে স্টেটমেন্ট দেখাতে হব। সেই সাথে সল্ভেন্সি সার্টিফিকেট দিবেন

➡️ ফ্লাইট বুকিং: শেয়ারট্রিপ অথবা গো জায়ান থেকে নন পেইড টিকেট বুক করবেন আর পেমেন্ট মেথড দিবেন ক্যাশ অন ডেলিভারি। এটা প্রিন্ট করে নিলেই হবে। অন্যথায় কোন এজেন্সি থেকে করে নিবেন।

➡️ হোটেল বুকিং: বুকিং ডট কম অথবা অ্যাগোডা থেকে একটা ননপেইড বুকিং দিবেন; ফিল্টার থেকে বুক উইদআউট ক্রেডিট কার্ড সিলেক্ট করে।

➡️ ট্রাভেল আইটেনারি : আপনি যেই স্থানে ঘুরতে যাবেন এবং যতোদিন থাকতে চাইবেন সে অনুযায়ী সেখানকার ট্রাভেল আইটেনারি দিবেন।

➡️ পেশাগত প্রমান : আপনি জব হোল্ডার হলে অবশ্যই এনওসি, অফিস আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে।
আর বিজনেস করলে ট্রেড লাইসেন্স এর নোটারাইজড কপি এবং ভিজিটিং কার্ড ও পেড লাগবে।

➡️স্পাউস সঙ্গে থাকলে স্পাউসের নাম যদি পাসপোর্টে মেনশন না থাকে তাহলে ম্যারেজ সার্টিফিকেট নোটারাইজড কপি লাগবে।

➡️ ট্রাভেল ইন্সুরেন্স

➡️কোভিড-১৯ টিকার সার্টিফিকেট

➡️লেটার অফ হেলথ ডিকলারেশন

➡️চিকিৎসা ব্যয়ের জন্য সম্মতি পত্র

➡️ যতো বেশি ডকুমেন্টস দিয়ে আপনাকে উপস্থাপন করতে পারবেন ততোবেশি ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

সকল ডকুমেন্টস রেডি হলে ইন্দোনেশিয়ার দূতাবাসে চলে যাবেন। ওনারা ফাইল চেক করে আপনাকে ব্যাংক টাকা জমা দেওয়ার রশিদ দিবে।

ভিসা ফি: ১০৮০০ টাকা জমা দিয়ে পুনরায় এম্ভাসিতে আসতে হবে, তাদের কাছে রশিদ জমা দিয়ে পাসপোর্ট ডেলিভারি রিসিট সংগ্রহ করে বাসায় চলে যাবেন। মানে আপনার কাজ শেষ।

পাসপোর্ট কালেক্ট: ডেলিভারি স্লিপে দেওয়া নির্দিষ্ট ডেটে এম্ভাসিতে গিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করবেন।

স্ক্রিপ্ট কপি রাইট - আশ্রাফ স্যার।

27/09/2024

🔷 কানাডার ভিজিট ভিসার জন্য যেসব ডকুমেন্টস প্রয়োজন তা সহজে আপনাদের জন্য উল্লেখ করার চেষ্টা করছিঃ

১. বর্তমান পাসপোর্ট এর স্ক্যানড কপি (ইনফরমেশন পেজ অর্থাৎ যেখানে আপনার তথ্য রয়েছে সেই পেজ) অবশ্যই পিডিএফ ফরমেটে হতে হবে।
২. পুরাতন পাসপোর্ট এর স্ক্যানড কপি (যেখানে বিগত ১০ বছরের এন্ট্রি এবং এক্সিস্ট সিল রয়েছে অর্থাৎ শুধু ভিসা ও সিল রয়েছে সেই পেজ গুলা লাগবে) অবশ্যই একটা পিডিএফ ফরমেটে হতে হবে।
৩. শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত তথ্য যেমন ইউনিভার্সিটির নাম, পোস্ট গ্রাডুয়েশন এর পাশের সাল। কোন ধরনের সার্টিফিকেট লাগবে না শুধুমাত্র পাশের সাল গুলো (ব্যবসায়িদের ক্ষেত্রে পড়াশোনা খুব বেশি জরুরী না,থাকলে দিতে পারেন না থাকলে খুব বেশি জরুরি না)
৪. বিগত ৪ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং সলভেন্সি এফডিআর থাকলে দিতে পারেন (এটাসটেড)
৫. ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স এর কপি ইংলিশ নোটারাইজড
৬. অ্যাসেট ভাল্যুশন (এটা সিএ ফার্ম থেকে করে দিতে হবে এবং নোটারাইজড হতে হবে)
৭. চাকুরীজীবি হলে স্যালারি স্ট্যাটমেন্ট অথবা পে স্লীপ লাগবে
৮. ওয়াইফ, ভাই-বোন, সন্তান এর বাসার এড্রেস, ফোন নাম্বার ইমেল আইডি
৯. বাবা মা এর জন্ম সাল যদি জীবিত থাকে, মৃত্যু হলে প্রয়োজন নেই।
১০. ম্যারেজ সার্টিফিকেট ইংলিশ করে দিতে হবে। (নোটারাইজ)
১২. ভোটার আইডির স্ক্যান কপি বা বার্থ সার্টিফিকেট এর স্ক্যান কপি (ভোটার আইডির সাথে যদি পাসপোর্ট এর কোন প্রবলেম ও থাকে সেই ক্ষেত্রে চিন্তার কোন কারণ নেই sop তে লিখে দিলেই হবে
১৩. ৩৫*৪৫ সাইজ এর ছবি কানাডায়িন সাইজ।
১৪. পাসপোর্ট, বাসার এড্রেস, ইমেইল আইডি, ফোন নাম্বার।
বর্তমানে কানাডার এম্বাসি ফি এবং ভিএফএস ফিংগার দেয়ার ফি হলো $১৮৫ কানাডিয়ান ডলার।
সকল ডকুমেন্টস এবং এম্বাসি ফি জমা দেয়ার পর আপনাকে গুলশানের ভিএফএসে যেয়ে ফিংগার প্রিন্ট দেয়া লাগবে তারপর কেবল অপেক্ষা করা লাগবে এম্নাসি এর সিদ্ধান্তের জন্য। যদি এম্বাসি আপনার ভিসা অনুমোদন করে থাকে তাহলে ইমেইল এর মাধ্যমে পাসপোর্ট গুলশানের ভিএফএসে জমা করতে বলবে। আপনার পাসপোর্ট ভিএফএস থেকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে এবং সেখান থেকেই ভিসা প্রিন্ট হয়ে পরবর্তীতে ভিএফএস থেকেই আপনার পাসপোর্ট আপনাকে ফেরত দেয়া হবে।

27/07/2024

#কলকাতায় ঘুরতে গেলে কাজে লাগবে, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন

► #কলকাতা মেট্রো রেলের A to Z ◄

কলকাতা ঘুরতে গিয়ে সঠিক গাইড লাইনের অভাবে অনেকেই ট্যাক্সি বা ক্যাবের পিছনে অনেক টাকা খরছ করছেন । যারা ওই অতিরিক্ত খরছ কমিয়ে সুন্দর ভাবে ঘুরতে চাচ্ছেন তাদের ভরসার অন্য নাম হতে পারে কলকাতা মেট্রো রেল । এ সম্পর্কে আপনাদের কিছু বিষয় জানাচ্ছি । মেট্রো রেল গুলো প্রতি ৪ মিনিট পর পর সকাল থেকে রাত ১০.২০ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া যায় ।

অনেকেই বনগাঁ থেকে সরাসরি শিয়ালদাহ স্টেশনে চলে আসেন । এর পর ক্যাবে ১০০ - ১৫০ রুপি দিয়ে পার্ক স্ট্রিট বা মির্জা গালিব স্ট্রীটে । আপনারা সরাসরি বনগাঁ থেকে দমদম জং এ এসে নামবেন ( দম দম জং এবং দম দম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনের মধ্যে প্যাঁচ লাগাবেন না ) । এখান থেকে মাত্র ১৫ রুপি দিয়ে মেট্রো রেলে করে পার্ক স্ট্রীট চলে আসতে পারবেন ।

কলকাতা মেট্রো রেলের রুট
=====================
দম দম > বেল গাছি > শ্যাম বাজার > শোভা বাজার > গিরিশ পার্ক > M.G রোড > সেন্ট্রাল > চাঁদনী চক > স্প্লানেড > পার্ক স্ট্রীট > মায়দান > রবিন্দ্র সনদ > নেতাজী ভবন > জতিন দাস পার্ক > কালীঘাট > রবিন্দ্র সরোবর > টলিগঞ্জ > নেতাজি >মাস্টার দা সুর্যসেন > গীতাঞ্জলী > কবি নজরুল > শহীদ ক্ষুদিরাম > কবি সুভাস

ভাড়া ১০ , ১৫ , ২০,২৫ । আপনি যদি দমদম থেকে পার্ক স্ট্রীট আসেন তবে ভাড়া ১০ রুপি আবার পার্ক স্ট্রীট থেকে চাঁদনী চক যান তবে ভাড়া ৫ রুপির মত । চিন্তা করার কোন কারন নেই এই দ্রুত গামী মেট্রো রেলের প্রতিটি স্টেশনে সে স্টেশন থেকে যে স্টেশনে যাবেন সেখানকার ভাড়া লিখা আছে । আপনি টিকিট কেটে উপরের সাইনবোর্ড দেখে বাম বা ডান দিকের প্লাটফর্মের ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করবেন ।
এবার আসুন আলোচনা করি কোন মেট্রো রেলওয়ে স্টেশনের পাশে কি কি আছে ।
=====================================================
╚►ভিক্টরিয়াল মেমোরিয়ালঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►গড়ের মাঠঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►হাওড়া ব্রিজঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামঃ পার্ক স্ট্রীট অথবা ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►জোড়া সাঁকোর ঠাকুর বাড়িঃ গিরিশ পার্ক মেট্রো স্টেশন
╚►রাম মন্দিরঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►মার্বেল প্লেসঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►ময়দানঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►কালীঘাট কালী মন্দিরঃ কালীঘাট মেট্রো স্টেশন
╚►ইডেন গার্ডেনঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►কার্জন পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►নেতাজী সুভাস স্টেডিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►মিনেলিয়াম পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►দ্বিতীয় হুগলী ব্রিজঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►কলকাতা হাইকোর্টঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►বাবুঘাট কলকাতাঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►প্রিন্সেপ ঘাটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►ফোর্ট উইলিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►শহীদ মিনারঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►সেন্ট পল চার্চঃ রবীন্দ্র সদন মেট্রো স্টেশন
╚►চাঁদনী চকঃ চাঁদনী চক মেট্রো
╚►নিউমার্কেটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►বড় বাজারঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►রবীন্দ্র সরোবরঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন
╚►লায়ন সাফারি পার্কঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন

আমরা অনেকেই নিউমার্কেট এরিয়ায় অনেক সময় হোটেল সংকটের কারনে বেশি দামে হোটেল ভাড়া দিয়ে থাকি । আপনারা ইচ্ছে করলেই দমদম বা শোভা বাজার এদিকের হোটেলে থাকতে পারেন । সেক্ষেত্রে মাত্র ১০ বা ১৫ রুপি দিয়ে এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে চলে আসুন । এখান থেকে মিনিট ২ হাটলেই নিউমার্কেট এরিয়া ।

নোট : মেট্রো রেলওয়ে স্টেশন গুলো থেকে ভ্রমনের স্থান গুলো খুব বেশি হলে ১ কিঃ মিঃ এর মধ্যে অবস্থিত, যারা ট্রাভেলার তাদের জন্য এটা কিছুই না 🙂 মেট্রো রেলের স্টেশন গুলোতে ছবি তুলা নিষিদ্ধ এবং এই ট্রেন গুলো তে আপনি বড় বড় বস্তা ক্যারি করতে পারবেন না । সাধারন ব্যাগ , হ্যান্ড ব্যাগ , অফিস ব্যাগ , শপিং ব্যাগ ইত্যাদি বহন করতে পারবেন । ভালো থাকবেন .

#কলকাতায় ঘুরতে গেলে কাজে লাগবে, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন

► #কলকাতা মেট্রো রেলের A to Z ◄

কলকাতা ঘুরতে গিয়ে সঠিক গাইড লাইনের অভাবে অনেকেই ট্যাক্সি বা ক্যাবের পিছনে অনেক টাকা খরছ করছেন । যারা ওই অতিরিক্ত খরছ কমিয়ে সুন্দর ভাবে ঘুরতে চাচ্ছেন তাদের ভরসার অন্য নাম হতে পারে কলকাতা মেট্রো রেল । এ সম্পর্কে আপনাদের কিছু বিষয় জানাচ্ছি । মেট্রো রেল গুলো প্রতি ৪ মিনিট পর পর সকাল থেকে রাত ১০.২০ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া যায় ।

অনেকেই বনগাঁ থেকে সরাসরি শিয়ালদাহ স্টেশনে চলে আসেন । এর পর ক্যাবে ১০০ - ১৫০ রুপি দিয়ে পার্ক স্ট্রিট বা মির্জা গালিব স্ট্রীটে । আপনারা সরাসরি বনগাঁ থেকে দমদম জং এ এসে নামবেন ( দম দম জং এবং দম দম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনের মধ্যে প্যাঁচ লাগাবেন না ) । এখান থেকে মাত্র ১৫ রুপি দিয়ে মেট্রো রেলে করে পার্ক স্ট্রীট চলে আসতে পারবেন ।

কলকাতা মেট্রো রেলের রুট
=====================
দম দম > বেল গাছি > শ্যাম বাজার > শোভা বাজার > গিরিশ পার্ক > M.G রোড > সেন্ট্রাল > চাঁদনী চক > স্প্লানেড > পার্ক স্ট্রীট > মায়দান > রবিন্দ্র সনদ > নেতাজী ভবন > জতিন দাস পার্ক > কালীঘাট > রবিন্দ্র সরোবর > টলিগঞ্জ > নেতাজি >মাস্টার দা সুর্যসেন > গীতাঞ্জলী > কবি নজরুল > শহীদ ক্ষুদিরাম > কবি সুভাস

ভাড়া ১০ , ১৫ , ২০,২৫ । আপনি যদি দমদম থেকে পার্ক স্ট্রীট আসেন তবে ভাড়া ১০ রুপি আবার পার্ক স্ট্রীট থেকে চাঁদনী চক যান তবে ভাড়া ৫ রুপির মত । চিন্তা করার কোন কারন নেই এই দ্রুত গামী মেট্রো রেলের প্রতিটি স্টেশনে সে স্টেশন থেকে যে স্টেশনে যাবেন সেখানকার ভাড়া লিখা আছে । আপনি টিকিট কেটে উপরের সাইনবোর্ড দেখে বাম বা ডান দিকের প্লাটফর্মের ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করবেন ।
এবার আসুন আলোচনা করি কোন মেট্রো রেলওয়ে স্টেশনের পাশে কি কি আছে ।
=====================================================
╚►ভিক্টরিয়াল মেমোরিয়ালঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►গড়ের মাঠঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►হাওড়া ব্রিজঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামঃ পার্ক স্ট্রীট অথবা ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►জোড়া সাঁকোর ঠাকুর বাড়িঃ গিরিশ পার্ক মেট্রো স্টেশন
╚►রাম মন্দিরঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►মার্বেল প্লেসঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►ময়দানঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►কালীঘাট কালী মন্দিরঃ কালীঘাট মেট্রো স্টেশন
╚►ইডেন গার্ডেনঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►কার্জন পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►নেতাজী সুভাস স্টেডিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►মিনেলিয়াম পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►দ্বিতীয় হুগলী ব্রিজঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►কলকাতা হাইকোর্টঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►বাবুঘাট কলকাতাঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►প্রিন্সেপ ঘাটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►ফোর্ট উইলিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►শহীদ মিনারঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►সেন্ট পল চার্চঃ রবীন্দ্র সদন মেট্রো স্টেশন
╚►চাঁদনী চকঃ চাঁদনী চক মেট্রো
╚►নিউমার্কেটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►বড় বাজারঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►রবীন্দ্র সরোবরঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন
╚►লায়ন সাফারি পার্কঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন

আমরা অনেকেই নিউমার্কেট এরিয়ায় অনেক সময় হোটেল সংকটের কারনে বেশি দামে হোটেল ভাড়া দিয়ে থাকি । আপনারা ইচ্ছে করলেই দমদম বা শোভা বাজার এদিকের হোটেলে থাকতে পারেন । সেক্ষেত্রে মাত্র ১০ বা ১৫ রুপি দিয়ে এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে চলে আসুন । এখান থেকে মিনিট ২ হাটলেই নিউমার্কেট এরিয়া ।

নোট : মেট্রো রেলওয়ে স্টেশন গুলো থেকে ভ্রমনের স্থান গুলো খুব বেশি হলে ১ কিঃ মিঃ এর মধ্যে অবস্থিত, যারা ট্রাভেলার তাদের জন্য এটা কিছুই না 🙂 মেট্রো রেলের স্টেশন গুলোতে ছবি তুলা নিষিদ্ধ এবং এই ট্রেন গুলো তে আপনি বড় বড় বস্তা ক্যারি করতে পারবেন না । সাধারন ব্যাগ , হ্যান্ড ব্যাগ , অফিস ব্যাগ , শপিং ব্যাগ ইত্যাদি বহন করতে পারবেন । ভালো থাকবেন .

16/06/2024

কলকাতা ঘুরতে গিয়ে সঠিক গাইড লাইনের অভাবে অনেকেই ট্যাক্সি বা ক্যাবের পিছনে অনেক টাকা খরচ করছেন। যারা ওই অতিরিক্ত খরচ কমিয়ে সুন্দর ভাবে ঘুরতে চাচ্ছেন তাদের ভরসার অন্য নাম হতে পারে কলকাতা মেট্রো রেল। এ সম্পর্কে আপনাদের কিছু বিষয় জানাচ্ছি। মেট্রো রেল গুলো প্রতি ৪ মিনিট পর পর সকাল থেকে রাত ১০.২০ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া যায়। আপনি যদি টাকা কে পাইলটের মত উড়াতে ভালোবাসেন তবে এই পোস্ট টি আপনাদের জন্য নয়।
অনেকেই বনগাঁ থেকে সরাসরি শিয়ালদাহ স্টেশনে চলে আসেন। এর পর ক্যাবে ১০০ - ১৫০ রুপি দিয়ে পার্ক স্ট্রিট বা মির্জা গালিব স্ট্রীটে। আপনারা সরাসরি বনগাঁ থেকে দমদম জংশনে এসে নামবেন (দমদম জংশন এবং দমদম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনের মধ্যে প্যাঁচ লাগাবেন না)। এখান থেকে মাত্র ১০ রুপি দিয়ে মেট্রো রেলে করে পার্ক স্ট্রীট চলে আসতে পারবেন।

কলকাতা মেট্রো রেলের রুট:----

দমদম > বেলগাছি > শ্যাম বাজার > শোভা বাজার > গিরিশ পার্ক > M.G রোড > সেন্ট্রাল > চাঁদনী চক > স্প্লানেড > পার্ক স্ট্রীট > মায়দান > রবীন্দ্র সনদ > নেতাজী ভবন > জতীন দাস পার্ক > কালীঘাট > রবীন্দ্র সরোবর > টালীগঞ্জ > নেতাজি >মাস্টার দা সুর্যসেন > গীতাঞ্জলী > কবি নজরুল > শহীদ ক্ষুদিরাম > কবি সুভাস। ভাড়া ৫, ১০, ১৫, ২০ রুপি। আপনি যদি দমদম থেকে পার্ক স্ট্রীট আসেন তবে ভাড়া ১০ রুপি আবার পার্ক স্ট্রীট থেকে চাঁদনী চক যান তবে ভাড়া ৫ রুপির মত। চিন্তা করার কোন কারন নেই এই দ্রুত গামী মেট্রো রেলের প্রতিটি স্টেশনে সে স্টেশন থেকে যে স্টেশনে যাবেন সেখানকার ভাড়া লেখা আছে। আপনি টিকিট কেটে উপরের সাইনবোর্ড দেখে বাম বা ডান দিকের প্লাটফর্মের ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করবেন।

এবার আসুন আলোচনা করি কোন মেট্রো রেলওয়ে স্টেশনের পাশে কি কি আছে...

★ভিক্টরিয়াল মেমোরিয়ালঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন।
★গড়ের মাঠঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন।
★হাওড়া ব্রিজঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
★ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামঃ পার্ক স্ট্রীট অথবা ময়দান মেট্রো স্টেশন।
★জোড়া সাঁকোর ঠাকুর বাড়িঃ গিরিশ পার্ক মেট্রো স্টেশন।
★রাম মন্দিরঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
★মার্বেল প্লেসঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
★ময়দানঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন।
★কালীঘাট কালী মন্দিরঃ কালীঘাট মেট্রো স্টেশন।
★ইডেন গার্ডেনঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★কার্জন পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★নেতাজী সুভাস স্টেডিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★মিনেলিয়াম পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★দ্বিতীয় হুগলী ব্রিজঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★কলকাতা হাইকোর্টঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★বাবুঘাট কলকাতাঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★প্রিন্সেপ ঘাটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★ফোর্ট উইলিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★শহীদ মিনারঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★সেন্ট পল চার্চঃ রবীন্দ্র সদন মেট্রো স্টেশন।
★চাঁদনী চকঃ চাঁদনী চক মেট্রো।
★নিউমার্কেটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★বড় বাজারঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
★রবীন্দ্র সরোবরঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন।
★লায়ন সাফারি পার্কঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন।
অনেকেই নিউমার্কেট এলাকায় অনেক সময় হোটেল সংকটের কারনে বেশি দামে হোটেল ভাড়া দিয়ে থাকে । আপনারা ইচ্ছে করলেই দমদম বা শোভা বাজার এদিকের হোটেলে থাকতে পারেন । সেক্ষেত্রে মাত্র ১০ বা ৫ রুপি দিয়ে এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে চলে আসুন। এখান থেকে মিনিট ২ হাটলেই নিউমার্কেট এলাকা।

বি.দ্র. মেট্রো রেলওয়ে স্টেশন গুলো থেকে ভ্রমনের স্থান গুলো খুব বেশি হলে ১ কিঃ মিঃ এর মধ্যে অবস্থিত, যারা ট্রাভেলার তাদের জন্য এটা কিছুই না। মেট্রো রেলের স্টেশন গুলোতে ছবি তুলা নিষিদ্ধ এবং এই ট্রেন গুলোতে আপনি বড় বড় বস্তা ক্যারি করতে পারবেন না। সাধারন ব্যাগ , হ্যান্ড ব্যাগ, অফিস ব্যাগ, শপিং ব্যাগ ইত্যাদি বহন করতে পারবেন। ভালো থাকবেন।

26/05/2022

থাইল্যান্ড ভ্রমণের কথা যারা ভাবছেন তাদের জন্য ভিসা প্রসেসিং সেবা নিয়ে এফ জি ট্যুরস ট্রাভেল এন্ড কন্সালটেন্সি আছে আপনার পাশে।

# #থাইল্যান্ড ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসঃ
১। পাসপোর্ট (নূন্যতম ৭ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)।
২। ব্যাংক ব্যালেন্স নূন্যতম এক লক্ষ টাকা(জন প্রতি) সহ বিগত ৬ মাসের ব্যাংক ষ্টেটম্যান্ট এবং ব্যাংক সলভেন্সী/ সার্টিফিকেট ।
৩। ব্যবসায়ীদের জন্যে ট্রেড লাইসেন্স ইংরেজীতে অনুবাদ সহ নোটারী কপি, কোম্পানী প্যাড ও ভিজিটিং কার্ড ইংরেজিতে ।
৪। চাকুরীজীবীদের জন্যে অফিস থেকে এনওসি লেটার, ভিজিটিং কার্ড ও অফিসের আইডি কার্ডের কপি।
৫। ছবি ২ কপি ৩৫x৪৫ সাইজ রঙ্গিন, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, ম্যাট প্রিন্ট।
৬। সাথে স্পাউস থাকলে তার, পাসপোর্ট, ছবি, ন্যাশনাল আইডি কার্ডের কপি, ম্যারিজ সার্টিফিকেট।
৭। সাথে বাচ্চা থাকলে তাদের পাসপোর্ট, ছবি, জন্ম সনদ ও
স্কুলের আইডি কার্ড কপি।
• ভিসা প্রসেসিং সময়ঃ ১৫ থেকে ২০ দিন।
• এম্বাসী ফি+প্রসেসিং ফিঃ ৬৫০০ টাকা
বিস্তারিত জানতে কল করুনঃ ০১৩৮১৩১৩৭৮১

30/03/2022

দীর্ঘ ২ বছর পরে আজ থেকে বাই রোডে চালু হচ্ছে ইন্ডিয়ান টুরিস্ট ভিস।
★ দেখে নিন ইন্ডিয়ান টুরিস্ট ভিসা করতে কি কি ডকুমেন্টস প্রয়োজন ⤵️
১। ২*২ ল্যাব প্রিন্ট ছবি
২। এপ্লিকেশন ফর্ম
৩। এন আই ডি / স্মার্ট কার্ড / জন্ম নিবন্ধন কপি
৪। বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী আপডেট ইউটিলিটি বিলের কপি।
৫। লাস্ট ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (মিনিমাম ব্যালেন্স ২০০০০৳) / ডলার এনডোর্সমেন্ট।
৬। পেশাগত প্রমাণপত্র (NOC/ট্রেড লাইসেন্স ইত্যাদি)
৭। লাস্ট ভিসা কপি (যদি থাকে)।
৮। পাসপোর্ট কপি
৯। নতুন এবং পুরাতন পাসপোর্ট (একসাথে পিনাপ করে দিবেন)
১০। ৮৪০৳ ফি (UPAY)
*** কাগজ গুলো উপরের সিরিয়াল অনুযায়ী সাজিয়ে দিবেন।
★ দেখে নিন আপনি কোথায় যেতে চাইলে কোন পোর্ট দিয়ে ভিসা করবেন??

১. সিক্কিম/দার্জিলিং/শিলিগুড়ি/ডুয়ার্স/সান্দাকফু/গোচেলা ট্রেক ইত্যাদি যেতে চাইলেঃ
চ্যাংড়াবান্ধা অথবা ফুলবাড়ি দিতে হবে। ফুলবাড়ি দিলে আপনি খুব সহজেই শিলিগুড়ি পৌঁছে যাবেন। তবে এই পোর্টে সুযোগ সুবিধা কম থাকায় বেশির ভাগ ট্যুরিস্ট চ্যাংড়াবান্ধা দিয়ে প্রবেশ করে। চ্যাংড়াবান্ধা দিয়ে প্রবেশ করলে আপনাকে ২ ঘণ্টার মত জার্নি করে শিলিগুড়ি যেতে হবে।

২. মেঘালয়/নাগাল্যান্ড/অরুণাচল প্রদেশ যেতে চাইলেঃ
আপনাকে ডাউকি পোর্ট দিয়ে ভিসা করতে হবে। যা আমাদের সিলেটের তামাবিল দিয়ে প্রবেশ করতে হয়।

৩. ত্রিপুরা যেতে চাইলেঃ
আপনাকে আগরতলা পোর্ট দিয়ে ভিসা করতে হবে।
আগের নিয়মে উপরের যে কোন পোর্ট নিলে এডিশোনাল পোর্ট হিসেবে (বেনাপোল+গেদে+ট্রেন+এয়ার) পাওয়া যায় বিধায় আলাদা করে শুধু বেনাপোল পোর্ট নেওয়া লস।

বিঃদ্রঃ এছাড়া আপনি ভিসা করার পর মাত্র ৩০০ টাকা দিয়ে আরও ২টি পোর্ট সংযুক্ত করতে পারবেন ৭ দিন সময় এর মধ্যে।

*** যে কোন প্রয়োজনে ইনবক্সে নক দিতে পারেন বা অফিসে এসেও বিস্তারিত জেনে ও করে নিতে পারবেন সকল বিষয়।

Collected

17/11/2021

ভারতীয় টুরিস্ট ভিসা সংক্রান্ত সর্বশেষ আপডেট :

১ ) আপাতত ১৫ ই নভেম্বর থেকে সিঙ্গেল এন্ট্রি ট্যুরিস্ট ভিসা দেওয়া হবে । ভিসা ইস্যু হওয়ার তারিখ থেকে ১২০ দিনের মধ্যে ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন এবং সর্বোচ্চ ৩০ দিন ভারতে থাকতে পারবেন ।

২ ) টুরিস্ট ভিসায় কেবলমাত্র বাই এয়ারে ভ্রমণ করা যাবে ।

৩ ) বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার সময় ফ্লাইট ছাড়ার সময় থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে RT - PCR নেগেটিভ রিপোর্ট প্রয়োজন ( ডবল ডোজ ভ্যাকসিন থাকলেও রিপোর্ট প্রয়োজন না থাকলেও প্রয়োজন ) । কেবলমাত্র ২ বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের জন্য RT - PCR নেগেটিভ রিপোর্ট প্রয়োজন নেই ।

৪ ) ভারত থেকে বাংলাদেশ ফেরত আসার সময় ফ্লাইট ছাড়ার সময় থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে RT - PCR নেগেটিভ রিপোর্ট প্রয়োজন ( ডবল ডোজ ভ্যাকসিন থাকলেও রিপোর্ট প্রয়োজন না থাকলেও প্রয়োজন ) । কেবলমাত্র ১০ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য RT - PCR নেগেটিভ রিপোর্ট প্রয়োজন নেই ।

৫ ) এছাড়া ভারতে প্রবেশ করার পূর্বে সবাইকে বাধ্যতামূলক AIR SUBIDHA পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে , এবং তামিলনাড়ুর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত TN E - Pass রেজিস্ট্রেশন করতে হবে ।

৬ ) আপাতত ভারতে প্রবেশের ক্ষেত্রে করোনা টিকার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই । টিকা থাকলেও ভারতে যেতে পারবেন না থাকলেও যেতে পারবেন ।

collected....

উমরাহ ২০২১ এর জন্য শর্ত সমুহ..√ভ্যাকসিন না নিয়ে কোন ওমরাহ নয় ( দুই ডোজ ) √রাশিয়ান ভ্যাকসিন 'স্পুটনিক ভি' ছাড়া এখন পর...
06/08/2021

উমরাহ ২০২১ এর জন্য শর্ত সমুহ..
√ভ্যাকসিন না নিয়ে কোন ওমরাহ নয় ( দুই ডোজ )
√রাশিয়ান ভ্যাকসিন 'স্পুটনিক ভি' ছাড়া এখন পর্যন্ত সব ভ্যাকসিন অনুমােদন করা হয়েছে।
√ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডােজ পাওয়ার পর অবশ্যই 14 দিন অপেক্ষা করতে হবে যাতে আপনি √কোয়ারেন্টাইন ছাড়া ওমরা করতে পারেন ।
√উমরার জন্য বয়স অনুমােদিত 18 বছর থেকে তার উপরে।
√ রুমে থাকা যাবে সর্বোচ্চ ২ জন মাত্র ।
√একটি বাসে যাত্রী থাকবে ২৫ জন মাত্র ।
√সম্পূর্ন প্যাকেজ উমরাহ এজেন্ট থেকে নিতে হবে।
√ভিসা হওয়ার আগেই হোটেল এবং টিকেট কনফার্ম করতে হবে।
√সফটওয়্যার মাধ্যমে উমরাহ আদায়ের জন্য সিরিয়াল দিতে হবে।
√ এয়াপোর্ট ইমিগ্রেশন এর জন্য করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট থাকতে হবে।
আল্লাহ আমাদের সকলকে উমরাহ পালন সহজ করে দিন! আমীন।

Collected

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 18:00
Tuesday 09:00 - 18:00
Wednesday 09:30 - 18:00
Thursday 09:30 - 18:00
Saturday 09:30 - 18:00
Sunday 09:30 - 18:00

Telephone

+880258051290

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FG Tours Travel & Consultancy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to FG Tours Travel & Consultancy:

Shortcuts

Share