FG Tours Travel & Consultancy

FG Tours Travel & Consultancy FG Tours Travels & Consultancy is always ready to give you high quality services in a cost effective

03/11/2024

ইন্দোনেশিয়া এই মুহুর্তে ১৪ দিনে পাসপোর্ট ডেলিভারি দিচ্ছে, যারা প্রিপারেশন নিচ্ছেন ২ সপ্তাহ সময় হাতে নিয়ে এপ্লাই করুন।
আজকে সাবমিট হওয়া পাসপোর্ট এর ডেলিভারি ডেট দিয়েছে ১১ , নভেম্বর ২০২৪।

যে সকল ডকুমেন্টস অবশ্যই লাগবে

➡️ কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ থাকা একটি বৈধ পাসপোর্ট

➡️‌ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম নির্ভুলভাবে পূরণ করবেন

➡️ ৩৫*৪৫ সাইজের ছবি; অবশ্যই ল্যাব প্রিন্ট হতে হবে।

➡️ কাভার লেটার / ভিসা রিকোয়েস্ট লেটার - আপনি কে, কি করেন, কেন যেতে চান, কত দিন থাকবেন, কোন শহরগুলিতে যাবেন, আপনার সাথে পরিবারের কে কে যাচ্ছে - এসব লিখবেন, আপনার পূর্বের ট্রাভেল হিস্টোরি উল্লেখ করবেন।

➡️ ব্যাংক স্টেটমেন্ট : এক জনের জন্য মিনিমাম ২০০০ ডলার ব্যালেন্স সহ লাস্ট ছয় মাসের স্টেটমেন্ট দেখাতে হবে। বিজনেস একাউন্টে অবশ্যই প্রতিমাসে ৫/১০ টা লেনদেন থাকতে হবে।
যদি ৩ জন ফ্যামিলি মেম্বার আবেদন করেন তাহলে একজনের ২০০০*৩ ডলার করে স্টেটমেন্ট দেখাতে হব। সেই সাথে সল্ভেন্সি সার্টিফিকেট দিবেন

➡️ ফ্লাইট বুকিং: শেয়ারট্রিপ অথবা গো জায়ান থেকে নন পেইড টিকেট বুক করবেন আর পেমেন্ট মেথড দিবেন ক্যাশ অন ডেলিভারি। এটা প্রিন্ট করে নিলেই হবে। অন্যথায় কোন এজেন্সি থেকে করে নিবেন।

➡️ হোটেল বুকিং: বুকিং ডট কম অথবা অ্যাগোডা থেকে একটা ননপেইড বুকিং দিবেন; ফিল্টার থেকে বুক উইদআউট ক্রেডিট কার্ড সিলেক্ট করে।

➡️ ট্রাভেল আইটেনারি : আপনি যেই স্থানে ঘুরতে যাবেন এবং যতোদিন থাকতে চাইবেন সে অনুযায়ী সেখানকার ট্রাভেল আইটেনারি দিবেন।

➡️ পেশাগত প্রমান : আপনি জব হোল্ডার হলে অবশ্যই এনওসি, অফিস আইডি কার্ডের ফটোকপি লাগবে।
আর বিজনেস করলে ট্রেড লাইসেন্স এর নোটারাইজড কপি এবং ভিজিটিং কার্ড ও পেড লাগবে।

➡️স্পাউস সঙ্গে থাকলে স্পাউসের নাম যদি পাসপোর্টে মেনশন না থাকে তাহলে ম্যারেজ সার্টিফিকেট নোটারাইজড কপি লাগবে।

➡️ ট্রাভেল ইন্সুরেন্স

➡️কোভিড-১৯ টিকার সার্টিফিকেট

➡️লেটার অফ হেলথ ডিকলারেশন

➡️চিকিৎসা ব্যয়ের জন্য সম্মতি পত্র

➡️ যতো বেশি ডকুমেন্টস দিয়ে আপনাকে উপস্থাপন করতে পারবেন ততোবেশি ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

সকল ডকুমেন্টস রেডি হলে ইন্দোনেশিয়ার দূতাবাসে চলে যাবেন। ওনারা ফাইল চেক করে আপনাকে ব্যাংক টাকা জমা দেওয়ার রশিদ দিবে।

ভিসা ফি: ১০৮০০ টাকা জমা দিয়ে পুনরায় এম্ভাসিতে আসতে হবে, তাদের কাছে রশিদ জমা দিয়ে পাসপোর্ট ডেলিভারি রিসিট সংগ্রহ করে বাসায় চলে যাবেন। মানে আপনার কাজ শেষ।

পাসপোর্ট কালেক্ট: ডেলিভারি স্লিপে দেওয়া নির্দিষ্ট ডেটে এম্ভাসিতে গিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করবেন।

স্ক্রিপ্ট কপি রাইট - আশ্রাফ স্যার।

27/09/2024

🔷 কানাডার ভিজিট ভিসার জন্য যেসব ডকুমেন্টস প্রয়োজন তা সহজে আপনাদের জন্য উল্লেখ করার চেষ্টা করছিঃ

১. বর্তমান পাসপোর্ট এর স্ক্যানড কপি (ইনফরমেশন পেজ অর্থাৎ যেখানে আপনার তথ্য রয়েছে সেই পেজ) অবশ্যই পিডিএফ ফরমেটে হতে হবে।
২. পুরাতন পাসপোর্ট এর স্ক্যানড কপি (যেখানে বিগত ১০ বছরের এন্ট্রি এবং এক্সিস্ট সিল রয়েছে অর্থাৎ শুধু ভিসা ও সিল রয়েছে সেই পেজ গুলা লাগবে) অবশ্যই একটা পিডিএফ ফরমেটে হতে হবে।
৩. শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত তথ্য যেমন ইউনিভার্সিটির নাম, পোস্ট গ্রাডুয়েশন এর পাশের সাল। কোন ধরনের সার্টিফিকেট লাগবে না শুধুমাত্র পাশের সাল গুলো (ব্যবসায়িদের ক্ষেত্রে পড়াশোনা খুব বেশি জরুরী না,থাকলে দিতে পারেন না থাকলে খুব বেশি জরুরি না)
৪. বিগত ৪ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট এবং সলভেন্সি এফডিআর থাকলে দিতে পারেন (এটাসটেড)
৫. ব্যবসায়ী হলে ট্রেড লাইসেন্স এর কপি ইংলিশ নোটারাইজড
৬. অ্যাসেট ভাল্যুশন (এটা সিএ ফার্ম থেকে করে দিতে হবে এবং নোটারাইজড হতে হবে)
৭. চাকুরীজীবি হলে স্যালারি স্ট্যাটমেন্ট অথবা পে স্লীপ লাগবে
৮. ওয়াইফ, ভাই-বোন, সন্তান এর বাসার এড্রেস, ফোন নাম্বার ইমেল আইডি
৯. বাবা মা এর জন্ম সাল যদি জীবিত থাকে, মৃত্যু হলে প্রয়োজন নেই।
১০. ম্যারেজ সার্টিফিকেট ইংলিশ করে দিতে হবে। (নোটারাইজ)
১২. ভোটার আইডির স্ক্যান কপি বা বার্থ সার্টিফিকেট এর স্ক্যান কপি (ভোটার আইডির সাথে যদি পাসপোর্ট এর কোন প্রবলেম ও থাকে সেই ক্ষেত্রে চিন্তার কোন কারণ নেই sop তে লিখে দিলেই হবে
১৩. ৩৫*৪৫ সাইজ এর ছবি কানাডায়িন সাইজ।
১৪. পাসপোর্ট, বাসার এড্রেস, ইমেইল আইডি, ফোন নাম্বার।
বর্তমানে কানাডার এম্বাসি ফি এবং ভিএফএস ফিংগার দেয়ার ফি হলো $১৮৫ কানাডিয়ান ডলার।
সকল ডকুমেন্টস এবং এম্বাসি ফি জমা দেয়ার পর আপনাকে গুলশানের ভিএফএসে যেয়ে ফিংগার প্রিন্ট দেয়া লাগবে তারপর কেবল অপেক্ষা করা লাগবে এম্নাসি এর সিদ্ধান্তের জন্য। যদি এম্বাসি আপনার ভিসা অনুমোদন করে থাকে তাহলে ইমেইল এর মাধ্যমে পাসপোর্ট গুলশানের ভিএফএসে জমা করতে বলবে। আপনার পাসপোর্ট ভিএফএস থেকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হবে এবং সেখান থেকেই ভিসা প্রিন্ট হয়ে পরবর্তীতে ভিএফএস থেকেই আপনার পাসপোর্ট আপনাকে ফেরত দেয়া হবে।

27/07/2024

#কলকাতায় ঘুরতে গেলে কাজে লাগবে, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন

► #কলকাতা মেট্রো রেলের A to Z ◄

কলকাতা ঘুরতে গিয়ে সঠিক গাইড লাইনের অভাবে অনেকেই ট্যাক্সি বা ক্যাবের পিছনে অনেক টাকা খরছ করছেন । যারা ওই অতিরিক্ত খরছ কমিয়ে সুন্দর ভাবে ঘুরতে চাচ্ছেন তাদের ভরসার অন্য নাম হতে পারে কলকাতা মেট্রো রেল । এ সম্পর্কে আপনাদের কিছু বিষয় জানাচ্ছি । মেট্রো রেল গুলো প্রতি ৪ মিনিট পর পর সকাল থেকে রাত ১০.২০ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া যায় ।

অনেকেই বনগাঁ থেকে সরাসরি শিয়ালদাহ স্টেশনে চলে আসেন । এর পর ক্যাবে ১০০ - ১৫০ রুপি দিয়ে পার্ক স্ট্রিট বা মির্জা গালিব স্ট্রীটে । আপনারা সরাসরি বনগাঁ থেকে দমদম জং এ এসে নামবেন ( দম দম জং এবং দম দম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনের মধ্যে প্যাঁচ লাগাবেন না ) । এখান থেকে মাত্র ১৫ রুপি দিয়ে মেট্রো রেলে করে পার্ক স্ট্রীট চলে আসতে পারবেন ।

কলকাতা মেট্রো রেলের রুট
=====================
দম দম > বেল গাছি > শ্যাম বাজার > শোভা বাজার > গিরিশ পার্ক > M.G রোড > সেন্ট্রাল > চাঁদনী চক > স্প্লানেড > পার্ক স্ট্রীট > মায়দান > রবিন্দ্র সনদ > নেতাজী ভবন > জতিন দাস পার্ক > কালীঘাট > রবিন্দ্র সরোবর > টলিগঞ্জ > নেতাজি >মাস্টার দা সুর্যসেন > গীতাঞ্জলী > কবি নজরুল > শহীদ ক্ষুদিরাম > কবি সুভাস

ভাড়া ১০ , ১৫ , ২০,২৫ । আপনি যদি দমদম থেকে পার্ক স্ট্রীট আসেন তবে ভাড়া ১০ রুপি আবার পার্ক স্ট্রীট থেকে চাঁদনী চক যান তবে ভাড়া ৫ রুপির মত । চিন্তা করার কোন কারন নেই এই দ্রুত গামী মেট্রো রেলের প্রতিটি স্টেশনে সে স্টেশন থেকে যে স্টেশনে যাবেন সেখানকার ভাড়া লিখা আছে । আপনি টিকিট কেটে উপরের সাইনবোর্ড দেখে বাম বা ডান দিকের প্লাটফর্মের ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করবেন ।
এবার আসুন আলোচনা করি কোন মেট্রো রেলওয়ে স্টেশনের পাশে কি কি আছে ।
=====================================================
╚►ভিক্টরিয়াল মেমোরিয়ালঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►গড়ের মাঠঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►হাওড়া ব্রিজঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামঃ পার্ক স্ট্রীট অথবা ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►জোড়া সাঁকোর ঠাকুর বাড়িঃ গিরিশ পার্ক মেট্রো স্টেশন
╚►রাম মন্দিরঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►মার্বেল প্লেসঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►ময়দানঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►কালীঘাট কালী মন্দিরঃ কালীঘাট মেট্রো স্টেশন
╚►ইডেন গার্ডেনঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►কার্জন পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►নেতাজী সুভাস স্টেডিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►মিনেলিয়াম পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►দ্বিতীয় হুগলী ব্রিজঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►কলকাতা হাইকোর্টঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►বাবুঘাট কলকাতাঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►প্রিন্সেপ ঘাটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►ফোর্ট উইলিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►শহীদ মিনারঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►সেন্ট পল চার্চঃ রবীন্দ্র সদন মেট্রো স্টেশন
╚►চাঁদনী চকঃ চাঁদনী চক মেট্রো
╚►নিউমার্কেটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►বড় বাজারঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►রবীন্দ্র সরোবরঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন
╚►লায়ন সাফারি পার্কঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন

আমরা অনেকেই নিউমার্কেট এরিয়ায় অনেক সময় হোটেল সংকটের কারনে বেশি দামে হোটেল ভাড়া দিয়ে থাকি । আপনারা ইচ্ছে করলেই দমদম বা শোভা বাজার এদিকের হোটেলে থাকতে পারেন । সেক্ষেত্রে মাত্র ১০ বা ১৫ রুপি দিয়ে এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে চলে আসুন । এখান থেকে মিনিট ২ হাটলেই নিউমার্কেট এরিয়া ।

নোট : মেট্রো রেলওয়ে স্টেশন গুলো থেকে ভ্রমনের স্থান গুলো খুব বেশি হলে ১ কিঃ মিঃ এর মধ্যে অবস্থিত, যারা ট্রাভেলার তাদের জন্য এটা কিছুই না 🙂 মেট্রো রেলের স্টেশন গুলোতে ছবি তুলা নিষিদ্ধ এবং এই ট্রেন গুলো তে আপনি বড় বড় বস্তা ক্যারি করতে পারবেন না । সাধারন ব্যাগ , হ্যান্ড ব্যাগ , অফিস ব্যাগ , শপিং ব্যাগ ইত্যাদি বহন করতে পারবেন । ভালো থাকবেন .

#কলকাতায় ঘুরতে গেলে কাজে লাগবে, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিতে পারেন

► #কলকাতা মেট্রো রেলের A to Z ◄

কলকাতা ঘুরতে গিয়ে সঠিক গাইড লাইনের অভাবে অনেকেই ট্যাক্সি বা ক্যাবের পিছনে অনেক টাকা খরছ করছেন । যারা ওই অতিরিক্ত খরছ কমিয়ে সুন্দর ভাবে ঘুরতে চাচ্ছেন তাদের ভরসার অন্য নাম হতে পারে কলকাতা মেট্রো রেল । এ সম্পর্কে আপনাদের কিছু বিষয় জানাচ্ছি । মেট্রো রেল গুলো প্রতি ৪ মিনিট পর পর সকাল থেকে রাত ১০.২০ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া যায় ।

অনেকেই বনগাঁ থেকে সরাসরি শিয়ালদাহ স্টেশনে চলে আসেন । এর পর ক্যাবে ১০০ - ১৫০ রুপি দিয়ে পার্ক স্ট্রিট বা মির্জা গালিব স্ট্রীটে । আপনারা সরাসরি বনগাঁ থেকে দমদম জং এ এসে নামবেন ( দম দম জং এবং দম দম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনের মধ্যে প্যাঁচ লাগাবেন না ) । এখান থেকে মাত্র ১৫ রুপি দিয়ে মেট্রো রেলে করে পার্ক স্ট্রীট চলে আসতে পারবেন ।

কলকাতা মেট্রো রেলের রুট
=====================
দম দম > বেল গাছি > শ্যাম বাজার > শোভা বাজার > গিরিশ পার্ক > M.G রোড > সেন্ট্রাল > চাঁদনী চক > স্প্লানেড > পার্ক স্ট্রীট > মায়দান > রবিন্দ্র সনদ > নেতাজী ভবন > জতিন দাস পার্ক > কালীঘাট > রবিন্দ্র সরোবর > টলিগঞ্জ > নেতাজি >মাস্টার দা সুর্যসেন > গীতাঞ্জলী > কবি নজরুল > শহীদ ক্ষুদিরাম > কবি সুভাস

ভাড়া ১০ , ১৫ , ২০,২৫ । আপনি যদি দমদম থেকে পার্ক স্ট্রীট আসেন তবে ভাড়া ১০ রুপি আবার পার্ক স্ট্রীট থেকে চাঁদনী চক যান তবে ভাড়া ৫ রুপির মত । চিন্তা করার কোন কারন নেই এই দ্রুত গামী মেট্রো রেলের প্রতিটি স্টেশনে সে স্টেশন থেকে যে স্টেশনে যাবেন সেখানকার ভাড়া লিখা আছে । আপনি টিকিট কেটে উপরের সাইনবোর্ড দেখে বাম বা ডান দিকের প্লাটফর্মের ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করবেন ।
এবার আসুন আলোচনা করি কোন মেট্রো রেলওয়ে স্টেশনের পাশে কি কি আছে ।
=====================================================
╚►ভিক্টরিয়াল মেমোরিয়ালঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►গড়ের মাঠঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►হাওড়া ব্রিজঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামঃ পার্ক স্ট্রীট অথবা ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►জোড়া সাঁকোর ঠাকুর বাড়িঃ গিরিশ পার্ক মেট্রো স্টেশন
╚►রাম মন্দিরঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►মার্বেল প্লেসঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►ময়দানঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন
╚►কালীঘাট কালী মন্দিরঃ কালীঘাট মেট্রো স্টেশন
╚►ইডেন গার্ডেনঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►কার্জন পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►নেতাজী সুভাস স্টেডিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►মিনেলিয়াম পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►দ্বিতীয় হুগলী ব্রিজঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►কলকাতা হাইকোর্টঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►বাবুঘাট কলকাতাঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►প্রিন্সেপ ঘাটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►ফোর্ট উইলিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►শহীদ মিনারঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►সেন্ট পল চার্চঃ রবীন্দ্র সদন মেট্রো স্টেশন
╚►চাঁদনী চকঃ চাঁদনী চক মেট্রো
╚►নিউমার্কেটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন
╚►বড় বাজারঃ মহত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন
╚►রবীন্দ্র সরোবরঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন
╚►লায়ন সাফারি পার্কঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন

আমরা অনেকেই নিউমার্কেট এরিয়ায় অনেক সময় হোটেল সংকটের কারনে বেশি দামে হোটেল ভাড়া দিয়ে থাকি । আপনারা ইচ্ছে করলেই দমদম বা শোভা বাজার এদিকের হোটেলে থাকতে পারেন । সেক্ষেত্রে মাত্র ১০ বা ১৫ রুপি দিয়ে এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে চলে আসুন । এখান থেকে মিনিট ২ হাটলেই নিউমার্কেট এরিয়া ।

নোট : মেট্রো রেলওয়ে স্টেশন গুলো থেকে ভ্রমনের স্থান গুলো খুব বেশি হলে ১ কিঃ মিঃ এর মধ্যে অবস্থিত, যারা ট্রাভেলার তাদের জন্য এটা কিছুই না 🙂 মেট্রো রেলের স্টেশন গুলোতে ছবি তুলা নিষিদ্ধ এবং এই ট্রেন গুলো তে আপনি বড় বড় বস্তা ক্যারি করতে পারবেন না । সাধারন ব্যাগ , হ্যান্ড ব্যাগ , অফিস ব্যাগ , শপিং ব্যাগ ইত্যাদি বহন করতে পারবেন । ভালো থাকবেন .

16/06/2024

কলকাতা ঘুরতে গিয়ে সঠিক গাইড লাইনের অভাবে অনেকেই ট্যাক্সি বা ক্যাবের পিছনে অনেক টাকা খরচ করছেন। যারা ওই অতিরিক্ত খরচ কমিয়ে সুন্দর ভাবে ঘুরতে চাচ্ছেন তাদের ভরসার অন্য নাম হতে পারে কলকাতা মেট্রো রেল। এ সম্পর্কে আপনাদের কিছু বিষয় জানাচ্ছি। মেট্রো রেল গুলো প্রতি ৪ মিনিট পর পর সকাল থেকে রাত ১০.২০ মিনিট পর্যন্ত পাওয়া যায়। আপনি যদি টাকা কে পাইলটের মত উড়াতে ভালোবাসেন তবে এই পোস্ট টি আপনাদের জন্য নয়।
অনেকেই বনগাঁ থেকে সরাসরি শিয়ালদাহ স্টেশনে চলে আসেন। এর পর ক্যাবে ১০০ - ১৫০ রুপি দিয়ে পার্ক স্ট্রিট বা মির্জা গালিব স্ট্রীটে। আপনারা সরাসরি বনগাঁ থেকে দমদম জংশনে এসে নামবেন (দমদম জংশন এবং দমদম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনের মধ্যে প্যাঁচ লাগাবেন না)। এখান থেকে মাত্র ১০ রুপি দিয়ে মেট্রো রেলে করে পার্ক স্ট্রীট চলে আসতে পারবেন।

কলকাতা মেট্রো রেলের রুট:----

দমদম > বেলগাছি > শ্যাম বাজার > শোভা বাজার > গিরিশ পার্ক > M.G রোড > সেন্ট্রাল > চাঁদনী চক > স্প্লানেড > পার্ক স্ট্রীট > মায়দান > রবীন্দ্র সনদ > নেতাজী ভবন > জতীন দাস পার্ক > কালীঘাট > রবীন্দ্র সরোবর > টালীগঞ্জ > নেতাজি >মাস্টার দা সুর্যসেন > গীতাঞ্জলী > কবি নজরুল > শহীদ ক্ষুদিরাম > কবি সুভাস। ভাড়া ৫, ১০, ১৫, ২০ রুপি। আপনি যদি দমদম থেকে পার্ক স্ট্রীট আসেন তবে ভাড়া ১০ রুপি আবার পার্ক স্ট্রীট থেকে চাঁদনী চক যান তবে ভাড়া ৫ রুপির মত। চিন্তা করার কোন কারন নেই এই দ্রুত গামী মেট্রো রেলের প্রতিটি স্টেশনে সে স্টেশন থেকে যে স্টেশনে যাবেন সেখানকার ভাড়া লেখা আছে। আপনি টিকিট কেটে উপরের সাইনবোর্ড দেখে বাম বা ডান দিকের প্লাটফর্মের ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করবেন।

এবার আসুন আলোচনা করি কোন মেট্রো রেলওয়ে স্টেশনের পাশে কি কি আছে...

★ভিক্টরিয়াল মেমোরিয়ালঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন।
★গড়ের মাঠঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন।
★হাওড়া ব্রিজঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
★ইন্ডিয়ান মিউজিয়ামঃ পার্ক স্ট্রীট অথবা ময়দান মেট্রো স্টেশন।
★জোড়া সাঁকোর ঠাকুর বাড়িঃ গিরিশ পার্ক মেট্রো স্টেশন।
★রাম মন্দিরঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
★মার্বেল প্লেসঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
★ময়দানঃ ময়দান মেট্রো স্টেশন।
★কালীঘাট কালী মন্দিরঃ কালীঘাট মেট্রো স্টেশন।
★ইডেন গার্ডেনঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★কার্জন পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★নেতাজী সুভাস স্টেডিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★মিনেলিয়াম পার্কঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★দ্বিতীয় হুগলী ব্রিজঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★কলকাতা হাইকোর্টঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★বাবুঘাট কলকাতাঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★প্রিন্সেপ ঘাটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★ফোর্ট উইলিয়ামঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★শহীদ মিনারঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★সেন্ট পল চার্চঃ রবীন্দ্র সদন মেট্রো স্টেশন।
★চাঁদনী চকঃ চাঁদনী চক মেট্রো।
★নিউমার্কেটঃ এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন।
★বড় বাজারঃ মহাত্মা গান্ধী মেট্রো স্টেশন।
★রবীন্দ্র সরোবরঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন।
★লায়ন সাফারি পার্কঃ রবীন্দ্র সরোবর মেট্রো স্টেশন।
অনেকেই নিউমার্কেট এলাকায় অনেক সময় হোটেল সংকটের কারনে বেশি দামে হোটেল ভাড়া দিয়ে থাকে । আপনারা ইচ্ছে করলেই দমদম বা শোভা বাজার এদিকের হোটেলে থাকতে পারেন । সেক্ষেত্রে মাত্র ১০ বা ৫ রুপি দিয়ে এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে চলে আসুন। এখান থেকে মিনিট ২ হাটলেই নিউমার্কেট এলাকা।

বি.দ্র. মেট্রো রেলওয়ে স্টেশন গুলো থেকে ভ্রমনের স্থান গুলো খুব বেশি হলে ১ কিঃ মিঃ এর মধ্যে অবস্থিত, যারা ট্রাভেলার তাদের জন্য এটা কিছুই না। মেট্রো রেলের স্টেশন গুলোতে ছবি তুলা নিষিদ্ধ এবং এই ট্রেন গুলোতে আপনি বড় বড় বস্তা ক্যারি করতে পারবেন না। সাধারন ব্যাগ , হ্যান্ড ব্যাগ, অফিস ব্যাগ, শপিং ব্যাগ ইত্যাদি বহন করতে পারবেন। ভালো থাকবেন।

26/05/2022

থাইল্যান্ড ভ্রমণের কথা যারা ভাবছেন তাদের জন্য ভিসা প্রসেসিং সেবা নিয়ে এফ জি ট্যুরস ট্রাভেল এন্ড কন্সালটেন্সি আছে আপনার পাশে।

# #থাইল্যান্ড ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসঃ
১। পাসপোর্ট (নূন্যতম ৭ মাস মেয়াদ থাকতে হবে)।
২। ব্যাংক ব্যালেন্স নূন্যতম এক লক্ষ টাকা(জন প্রতি) সহ বিগত ৬ মাসের ব্যাংক ষ্টেটম্যান্ট এবং ব্যাংক সলভেন্সী/ সার্টিফিকেট ।
৩। ব্যবসায়ীদের জন্যে ট্রেড লাইসেন্স ইংরেজীতে অনুবাদ সহ নোটারী কপি, কোম্পানী প্যাড ও ভিজিটিং কার্ড ইংরেজিতে ।
৪। চাকুরীজীবীদের জন্যে অফিস থেকে এনওসি লেটার, ভিজিটিং কার্ড ও অফিসের আইডি কার্ডের কপি।
৫। ছবি ২ কপি ৩৫x৪৫ সাইজ রঙ্গিন, সাদা ব্যাকগ্রাউন্ড, ম্যাট প্রিন্ট।
৬। সাথে স্পাউস থাকলে তার, পাসপোর্ট, ছবি, ন্যাশনাল আইডি কার্ডের কপি, ম্যারিজ সার্টিফিকেট।
৭। সাথে বাচ্চা থাকলে তাদের পাসপোর্ট, ছবি, জন্ম সনদ ও
স্কুলের আইডি কার্ড কপি।
• ভিসা প্রসেসিং সময়ঃ ১৫ থেকে ২০ দিন।
• এম্বাসী ফি+প্রসেসিং ফিঃ ৬৫০০ টাকা
বিস্তারিত জানতে কল করুনঃ ০১৩৮১৩১৩৭৮১

30/03/2022

দীর্ঘ ২ বছর পরে আজ থেকে বাই রোডে চালু হচ্ছে ইন্ডিয়ান টুরিস্ট ভিস।
★ দেখে নিন ইন্ডিয়ান টুরিস্ট ভিসা করতে কি কি ডকুমেন্টস প্রয়োজন ⤵️
১। ২*২ ল্যাব প্রিন্ট ছবি
২। এপ্লিকেশন ফর্ম
৩। এন আই ডি / স্মার্ট কার্ড / জন্ম নিবন্ধন কপি
৪। বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী আপডেট ইউটিলিটি বিলের কপি।
৫। লাস্ট ৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট (মিনিমাম ব্যালেন্স ২০০০০৳) / ডলার এনডোর্সমেন্ট।
৬। পেশাগত প্রমাণপত্র (NOC/ট্রেড লাইসেন্স ইত্যাদি)
৭। লাস্ট ভিসা কপি (যদি থাকে)।
৮। পাসপোর্ট কপি
৯। নতুন এবং পুরাতন পাসপোর্ট (একসাথে পিনাপ করে দিবেন)
১০। ৮৪০৳ ফি (UPAY)
*** কাগজ গুলো উপরের সিরিয়াল অনুযায়ী সাজিয়ে দিবেন।
★ দেখে নিন আপনি কোথায় যেতে চাইলে কোন পোর্ট দিয়ে ভিসা করবেন??

১. সিক্কিম/দার্জিলিং/শিলিগুড়ি/ডুয়ার্স/সান্দাকফু/গোচেলা ট্রেক ইত্যাদি যেতে চাইলেঃ
চ্যাংড়াবান্ধা অথবা ফুলবাড়ি দিতে হবে। ফুলবাড়ি দিলে আপনি খুব সহজেই শিলিগুড়ি পৌঁছে যাবেন। তবে এই পোর্টে সুযোগ সুবিধা কম থাকায় বেশির ভাগ ট্যুরিস্ট চ্যাংড়াবান্ধা দিয়ে প্রবেশ করে। চ্যাংড়াবান্ধা দিয়ে প্রবেশ করলে আপনাকে ২ ঘণ্টার মত জার্নি করে শিলিগুড়ি যেতে হবে।

২. মেঘালয়/নাগাল্যান্ড/অরুণাচল প্রদেশ যেতে চাইলেঃ
আপনাকে ডাউকি পোর্ট দিয়ে ভিসা করতে হবে। যা আমাদের সিলেটের তামাবিল দিয়ে প্রবেশ করতে হয়।

৩. ত্রিপুরা যেতে চাইলেঃ
আপনাকে আগরতলা পোর্ট দিয়ে ভিসা করতে হবে।
আগের নিয়মে উপরের যে কোন পোর্ট নিলে এডিশোনাল পোর্ট হিসেবে (বেনাপোল+গেদে+ট্রেন+এয়ার) পাওয়া যায় বিধায় আলাদা করে শুধু বেনাপোল পোর্ট নেওয়া লস।

বিঃদ্রঃ এছাড়া আপনি ভিসা করার পর মাত্র ৩০০ টাকা দিয়ে আরও ২টি পোর্ট সংযুক্ত করতে পারবেন ৭ দিন সময় এর মধ্যে।

*** যে কোন প্রয়োজনে ইনবক্সে নক দিতে পারেন বা অফিসে এসেও বিস্তারিত জেনে ও করে নিতে পারবেন সকল বিষয়।

Collected

17/11/2021

ভারতীয় টুরিস্ট ভিসা সংক্রান্ত সর্বশেষ আপডেট :

১ ) আপাতত ১৫ ই নভেম্বর থেকে সিঙ্গেল এন্ট্রি ট্যুরিস্ট ভিসা দেওয়া হবে । ভিসা ইস্যু হওয়ার তারিখ থেকে ১২০ দিনের মধ্যে ভারতে প্রবেশ করতে পারবেন এবং সর্বোচ্চ ৩০ দিন ভারতে থাকতে পারবেন ।

২ ) টুরিস্ট ভিসায় কেবলমাত্র বাই এয়ারে ভ্রমণ করা যাবে ।

৩ ) বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার সময় ফ্লাইট ছাড়ার সময় থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে RT - PCR নেগেটিভ রিপোর্ট প্রয়োজন ( ডবল ডোজ ভ্যাকসিন থাকলেও রিপোর্ট প্রয়োজন না থাকলেও প্রয়োজন ) । কেবলমাত্র ২ বছরের কম বয়সী বাচ্চাদের জন্য RT - PCR নেগেটিভ রিপোর্ট প্রয়োজন নেই ।

৪ ) ভারত থেকে বাংলাদেশ ফেরত আসার সময় ফ্লাইট ছাড়ার সময় থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে RT - PCR নেগেটিভ রিপোর্ট প্রয়োজন ( ডবল ডোজ ভ্যাকসিন থাকলেও রিপোর্ট প্রয়োজন না থাকলেও প্রয়োজন ) । কেবলমাত্র ১০ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য RT - PCR নেগেটিভ রিপোর্ট প্রয়োজন নেই ।

৫ ) এছাড়া ভারতে প্রবেশ করার পূর্বে সবাইকে বাধ্যতামূলক AIR SUBIDHA পোর্টালে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে , এবং তামিলনাড়ুর ক্ষেত্রে অতিরিক্ত TN E - Pass রেজিস্ট্রেশন করতে হবে ।

৬ ) আপাতত ভারতে প্রবেশের ক্ষেত্রে করোনা টিকার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই । টিকা থাকলেও ভারতে যেতে পারবেন না থাকলেও যেতে পারবেন ।

collected....

উমরাহ ২০২১ এর জন্য শর্ত সমুহ..√ভ্যাকসিন না নিয়ে কোন ওমরাহ নয় ( দুই ডোজ ) √রাশিয়ান ভ্যাকসিন 'স্পুটনিক ভি' ছাড়া এখন পর...
06/08/2021

উমরাহ ২০২১ এর জন্য শর্ত সমুহ..
√ভ্যাকসিন না নিয়ে কোন ওমরাহ নয় ( দুই ডোজ )
√রাশিয়ান ভ্যাকসিন 'স্পুটনিক ভি' ছাড়া এখন পর্যন্ত সব ভ্যাকসিন অনুমােদন করা হয়েছে।
√ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডােজ পাওয়ার পর অবশ্যই 14 দিন অপেক্ষা করতে হবে যাতে আপনি √কোয়ারেন্টাইন ছাড়া ওমরা করতে পারেন ।
√উমরার জন্য বয়স অনুমােদিত 18 বছর থেকে তার উপরে।
√ রুমে থাকা যাবে সর্বোচ্চ ২ জন মাত্র ।
√একটি বাসে যাত্রী থাকবে ২৫ জন মাত্র ।
√সম্পূর্ন প্যাকেজ উমরাহ এজেন্ট থেকে নিতে হবে।
√ভিসা হওয়ার আগেই হোটেল এবং টিকেট কনফার্ম করতে হবে।
√সফটওয়্যার মাধ্যমে উমরাহ আদায়ের জন্য সিরিয়াল দিতে হবে।
√ এয়াপোর্ট ইমিগ্রেশন এর জন্য করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট থাকতে হবে।
আল্লাহ আমাদের সকলকে উমরাহ পালন সহজ করে দিন! আমীন।

Collected

গুড নিউজ!!!! আগামি ২৬ শে মার্চ চালু হচ্ছে ঢাকা-শিলিগুড়ি ট্রেন চলাচল।ফলে ঢাকা হতে সহজেই যাওয়া যাবে দার্জিলিং ও সিকিম।ট্রে...
27/02/2021

গুড নিউজ!!!!
আগামি ২৬ শে মার্চ চালু হচ্ছে ঢাকা-শিলিগুড়ি ট্রেন চলাচল।ফলে ঢাকা হতে সহজেই যাওয়া যাবে দার্জিলিং ও সিকিম।

ট্রেনটি ঢাকা থেকে ছাড়বে- মঙ্গল ও শুক্রবার রাত ১ টায়।
শিলিগুড়ি থেকে ছাড়বে- সোম ও বৃহস্পতিবার দুপুর ২ টায়।

যাত্রাপথে সময় লাগবে ৯ ঘন্টা। আর ভাড়া শুরু- ১২০০ থেকে (সম্ভ্যাব্য)

ইনশাআল্লাহ ইন্ডিয়ার টুরিস্ট ভিসা চালু হলেই এফ জি ট্যুরস ট্রাভেল এন্ড কনসাল্টেন্সী এর সিকিম, দাজিলিং ট্যুর হবে।

To whom it may concern...
16/08/2020

To whom it may concern...

14/08/2020

সবাইকে ভারতে আমন্ত্রণ বন্ধু ভারতে প্রবেশের জন্য নতুন নিয়ম চালু হয়েছে। কি কি নিয়ম একবার চোখ বুলিয়ে নিন।🇮🇳🇮🇳

#রুলসসমুহ

√ যাদের ভিসা জুলাই মাসের পর থেকে নেওয়া হয়েছে বা পরে নিবেন তাদেরকে অবশ্যই ভারতীয় হাইকমিশন থেকে বিশেষ অনুমতি নিতে হবে নতুবা যেতে পারবেন না।

√ ট্যুরিস্ট/মেডিকেল/বিজনেস এই ৩ ক্যাটাগরির ভিসা আপাতত দেওয়া হবে। পরবর্তীতে সমস্ত ক্যাটাগরিতে ভিসা দেওয়া শুরু করবে।

√ ভ্রমণ শুরুর ৭২ ঘন্টা আগে কোভিড -১৯ টেস্ট রিপোর্ট নেগেটিভ হতে হবে এবং সার্টিফিকেট সাথে রাখতে হবে।

√ কোন অবস্থাতেই ভ্রমণ করার ৫/৬/৭ দিন আগের টেস্ট করা রিপোর্ট গ্রহনযোগ্য নহে অর্থাৎ এমন সময়ে টেস্ট করার জন্য স্যাম্পল দিবেন যাতে ভ্রমণ শুরু হওয়ার ৭২ ঘণ্টা/৩ দিনের মধ্যে পেয়ে যান।

√ যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ তারা নতুন করে যমুনা ফিউচার পার্ক ভিসা এম্বাসিতে ভিসার জন্য এপ্লাই করতে পারবেন তবে এপ্লাই করার ৩/৪ দিন আগে মেইল করে অনুমতি নিতে হবে।

√ আপনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্রগুলোর স্ক্যানকপি ইমেইল করবেন [email protected] (অবশ্যই এম্বাসিতে যাওয়ার ৩/৪ দিন আগে ইমেইল করবেন)

#বিঃদ্রঃ
√ ভারতের ডমেস্টিক ফ্লাইট পুরোদমে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে, কবে চালু হবে সেটা ২৭/২৮ আগষ্ট জানিয়ে দেওয়া হবে।

√ এখন বিশেষ ভাবে মাত্র ২৩০ টি ট্রেন চালু আছে এবং বাকি ৭৫০০+ ট্রেন আপাতত বন্ধ আছে এবং কবে চালু হবে সেটাও পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।

আপনি এখন ভারতে যাবেন কি যাবেন না, বা এখন গেলে সমস্যা হবে কিনা বা ভালো ডাক্তার পাবো কিনা সে বিষয়ে কারো মতামত নেওয়ার আগে বাংলাদেশের চিত্রের সাথে তুলনা করলেই উত্তর পেয়ে যাবেন।

collected...

⏩ পাকিস্তান ট্যুরের নিয়মাবলী........ 🇧🇩✈🇵🇰পাাকিস্তান ট্যুরের জন্য প্রথমেই অনলাইনে পাকিস্তানের ভিসা আবেদন করতে হবে। ঘরে ব...
13/05/2020

⏩ পাকিস্তান ট্যুরের নিয়মাবলী........ 🇧🇩✈🇵🇰

পাাকিস্তান ট্যুরের জন্য প্রথমেই অনলাইনে পাকিস্তানের ভিসা আবেদন করতে হবে। ঘরে বসে অথবা যেকোনো কম্পিউটার দোকানের মাধ্যমে এই আবেদন করতে পারবেন। এতে খরচ হবে ২৫ ডলার (২১৫০ টাকা)। আবেদনের দেড়-দুই মাসের ভেতরেই ভিসা চলে আসবে।
অনলাইনে ভিসা আবেদনের পদ্ধতি...

ভিসা আবেদনের পরপরই ফ্লাইটের ব্যাপারে খোঁজখবর নেয়া শুরু করে দিবেন। সিজন এবং ডেট অনুযায়ী রেট বাড়ে-কমে। ভিসা আসার পর টিকেট কনফার্ম করতে হবে। পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চল ঘুরতে চাইলে আমরা অবশ্যই লাহোরে যাবো। কারন ইসলামাবাদ বা করাচীর ভাড়া বেশি। ঢাকা-টু-লাহোর রাউন্ড টিকেট (যাওয়া-আসা) এর দাম প্রায় ৪২-৪৫ হাজার টাকা। আপনার সুবিধামত কম খরচের একটা এয়ারলাইন্সের টিকেট বুক করে নিবেন।

এভাবে বিমান যোগে পৌছাতে হবে লাহোরে। লাহোর থেকে বাসে করে পৌছুতে হবে রাজধানী ইসলামাবাদ। লাহোর এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে ট্যাক্সি বা অন্য কিছু ভাড়া নিয়ে চলে যাবেন সিটি বাস স্টেশনে (ব্যান্ড রোড)। লাহোর-টু-ইসলামাবাদ রুটের যেকোনো একটা বাসে উঠে ৫ ঘন্টা জার্নি করে চলে আসবেন ইসলামাবাদ। খরচ পরবে ১ হাজার টাকার মত।

ইসলামাবাদে অনেক ক্যাটাগরির হোটেল আছে। আপনার বাজেট অনুজায়ী একটা বেছে নিয়ে ২-১ দিন থাকতে পারেন সেখানে। ইসলামাবাদ বিশ্বের ২য় সুন্দরতম রাজধানী, তাই চাইলে কয়েকদিন সেখানে অবস্থান করে ঘুরে দেখতে পারেন অত্যন্ত সুন্দর এবং আধুনিক এই শহরটিকে।

⏩ কারেন্সি চেঞ্জিং.......🎌🎲🎴

লাহোরে এসেই প্রথমে কোনো ব্যাংক বা এয়ারপোর্টের কোনো নির্দিষ্ট স্থান থেকে বাংলাদেশি টাকাকে রুপিতে কনভার্ট করে নেবেন। নরমালী ১০০ টাকা = ১৯০ রূপি। তবে কনভার্টের সময় কিছুটা কম দেয়া হয়।

⏩ পাকিস্তানী সিম উত্তলন......🏷🎫🎟

পাকিস্তানে লোকেশন ট্রেকিং সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের প্রয়েজন পরবে। আর সেজন্য অবস্যই পাকিস্তানী সিম লাগবে। তাই সেখানে পৌছেই সিম সংগ্রহ করতে হবে। বিদেশিরা সম্ভবত সিম ক্রয় করা ক্রিটিক্যাল, তবে একজন পরিচিত পাকিস্তানী থাকলে তার রেফারেন্সে সহজেই সিম কিনতে পারবেন।

তবে লাহোর এয়ারপোর্ট থেকে বিদেশিরা সহজেই সিম উত্তোলন করতে পারে। তাই এয়ারপোর্টে থাকতেই অবস্যই সিম কিনে নিবেন। সিম কেনার ক্ষেত্রে Zong নামক সিমটি কেনার চেষ্টা করবেন। নয়তো Jazz নামক সিমটি কিনবেন। সিমের ইন্টারনেট আপনার সব কাজ ইজি করে দেবে।

⏩ প্রাথমিক থাকা/হোটেল বুকিং....🏙🏘🏚

মুল ট্যুর শুরুর পূর্বে পাকিস্তানে গিয়ে আপনাকে ১-২ দিন লাহোর বা ইসলামাবাদে থাকতে হবে। লাহোর বা ইসলামাবাদে এক-দেড় হাজার টাকার ভেতরেই অনেক ভালো মানের হোটেল রুম পাওয়া যায়। সেগুলোতে ব্রেকফাস্টও ফ্রি পাবেন। এই রুম গুলোতে ২-৩ জন করে থাকতে পারবেন। এছাড়া দুই হাজার টাকায় ডবল বেডের রুম পাবেন, যাতে ৪-৬ থাকতে পারবেন। খুব সহজেই পছন্দমত হোটেল খুঁজে পেতে প্লে-স্টোর থেকে Booking.com এপসটি ডাউনলোড করে ফেলবেন।

আবার আপনি চাইলে বাংলাদেশে থেকেই অনলাইনে হোটেল বুক করতে পারবেন। আপনার সাথে যদি মহিলা বা শিশু থাকে, তাহলে ১-২ দিনের আগাম হোটেল বুকিং দিয়ে রাখতে পারেন, নতুবা দরকার নেই।
অনলাইনে হোটেল বুকের পদ্ধতি....

⏩ মুল ট্যুর......🌐🌏🌎🗺

এবার ইসলামাবাদ থেকে শুরু হবে আপনার মুল ট্যুর। খাইবার পাখতুনখা, গিলগিট-বাল্টিস্তান এবং আজাদ কাশ্মীর প্রদেশের যেকোনো অঞ্চল ট্যুরে যেতে পারবেন এখান থেকেই।

নর্থ এরিয়া ট্যুরের জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হলো ইসলামাবাদ থেকে একটা গাড়ি ভাড়া নিয়ে নেয়া। গিলগিট-বাল্টিস্তান এরিয়ায় ভাড়ায় চলিত গাড়ি নেই বললেই চলে। তাই ভেঙে ভেঙে ট্যুর করা পসিবল নয়।

নিজেরা গাড়ি ভাড়া নিয়ে নিলে সব টেনশন শেষ। সেই সাথে পথ খুঁজে পর্যটন স্পর্ট পৌছানোর ঝামেলাও থাকেনা। আপনি জাস্ট লোকেশনের নাম বলবেন, ড্রাইভারই আপনাকে সব স্পর্টে নিয়ে যাবে।

মে থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত পাকিস্তানে গাড়ি রেন্ট করার খরচ কম থাকে। এসময় পার-ডে ভাড়া থাকে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকার ভেতর। অথচ আমাদের দেশে একটা গাড়ির পার-ডে ভাড়া পরে ৪-৫ হাজার টাকা
এভাবে ৪-৫ জনের গ্রুপ মিলে যদি একটা গাড়ি ভাড়া নেয়, তাহলে খরচ কিন্তু অনেক কম হয়। আর ১২-১৩ জনের গ্রুপ মিলে মাইক্রো বাস ভাড়া করে ফেললে খরচ আরো অনেক কমে যাবে। অতঃএব বড় গ্রুপে যাবার চেষ্টা করবেন।

⏩ খরচ কত হতে পারে......?
🤔🤔🤔🤔

প্রথমেই বলে রাখি, পাকিস্তানে থাকা-খাওয়া এবং অভ্যন্তরিন যাতায়ত খরচ বাংলাদেশের মতই বা এর চেয়েও কম। তাই আপনি সেখানে যত দিনই থাকুন, তাতে খরচ তেমন বাড়বে না। মুল খরচটাই হলো বিমান ভাড়া।

পাকিস্তান ট্যুরের প্রধান কিছু খরচঃ✅

▶ পাকিস্তানী ভিসার মুল্য ৩,২০০ টাকা।
▶ ঢাকা টু লাহোর বিমান ভাড়া প্রায় ৪১-৪৫ হাজার টাকা।
▶ লাহোর টু ইসলামাবাদ (যাওয়া-আসা) বাস ভাড়া ২ হাজার টাকা।

তো এখানে খরচ হচ্ছে প্রায় ৪৬-৫০ হাজার টাকার মত। ধরুন পাকিস্তানে ১৫-২০ দিন অবস্থান করলে হোটেল বিল, খাবার, যাতায়ত, ঘুরাঘুরিতে খরচ করলেন আরো ১৫-২৫ হাজার টাকা। তাহলে সব মিলিয়ে টোটাল খরচ হচ্ছে প্রায় ৬৫-৭০ হাজার টাকার মত।

এটা হচ্ছে সিঙ্গেল ১ জনের হিসাব। কিন্তু গ্রুপ ট্যুরে গেলে খরচ অনেক কমে যাবে। ধরুন ৪ জনের একটা গ্রুপ গেলেন। তাহলে ১ টা ডবল বেডের রুম ভাড়া নিয়েই চার জন থেকে যেতে পারবেন। কিছু যায়গায় যেতে হলে গাড়ি ভাড়া নিয়ে যেতে হয়। সেসব ক্ষেত্রে ১ জনের ভাড়াতেই চারজন ঘুরতে পারবেন৷ এভাবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে খরচ কমে মাথাপিছু ৬০ হাজারের ভেতর চলে আসতে পারে। তাই অবস্যই গ্রুপ হিসেবে ৪-৫ জন মিলে যাবেন।

⏩ কোথায় কোথায় ঘুরবেন....?🗻🌋🏖🏕🕌🏰🏩

নর্থ পাকিস্তানে ঘুরার জায়গার কোনো অভাব নাই। আপনি একটানা ১ বছর ধরে ঘুরলেও আপনার স্বাদ মিটবে না। তবে আমাদের যেহেতু এত ঘুরার সামর্থ নেই তাই আমরা বেছে বেছে কিছু যায়গায় ঘুরতে পারি। যেমন.....

১. সোয়াত
২. হুনজা
৩. স্কার্দু
৪. আজাদ কাশ্মীর।

এগুলো খুবই পপুলার পর্যটন অঞ্চল। তবে এগুলোকে আবার ছোটখাটো কোনো পর্যটন স্পট ভাববেন না। কারন এগুলো একেকটাই বাংলাদেশের ২-৩ টা জেলার সমান সাইজের। এগুলোর ভেতর আবার ছোট ছোট অনেক পর্যটন স্পর্ট আছে। যেমন....

সোয়াত...; কামরাট ভ্যালি, কালাম ভ্যালি, মালুম জব্বা রিসোর্ট, মহোদন্ড লেক, কুন্ডোল লেক ইত্যাদি....

হুনজা...; হুনজা ভ্যালি, আতাবাদ লেক, আলতিত ফোর্ট, বালতিত ফোর্ট, মাউন্ট রকাপুসি ইত্যাদি.....

স্কার্দু.....; সার্ফারাঙ্গা কোল্ড ডেজার্ট, আপার কাচুরা লেক, লোয়ার কাচুরা লেক, সাতপারা লেক, স্কার্দু সিটি ইত্যাদি....

আজাদ কাম্মীর...; মুজাফফরাবাদ সিটি, নীলাম ভ্যালী, রাত্তি-গালি লেক, চিত্তকথা লেক, ইত্যাদি....

একটা কাজ করুন.... উপরোক্ত এই পর্যটন স্পর্ট গুলো সম্পর্কে ইউটিউব ভিডিও বা আমাদের গ্রুপের পোস্ট পড়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করুন। এর ভেতর যেই স্পর্ট গুলো আপনার সবচেয়ে ভালো লাগে তার একটা তালিকা বানিয়ে ফেলুন। পাকিস্তান গেলে তখন সেই তালিকা অনিজায়ী ট্যুর করবেন।

⏩ থাকা/হোটেল...🏛🏘🏘🏛

উপরোক্ত সবগুলো স্থানেই আবাসিক হোটেল আছে। বিশেষ করে হুনজা এবং সোয়াতে হোটেলের পরিমান বেশি। বড় হোটেল গুলোর লোকেশন ইন্টারনেটেই পাবেন, আগাম বুকও করতে পারবেন। অফ সিজনে ৮শ থেকে ১ হাজারের ভেতর ভালো রুম পেয়ে যাবেন। রুমগুলোতে ৪ জন করে থাকতে পারবেন। ট্যুর সিজনে আবার দাম বেড়ে যায়। Booking.com এর মাধ্যমে সহজেই ভালো ভালো হোটেল খুঁজে পাবেন। এখানে দামি-সস্তা সব রকমের হোটেলই পাবেন। আপনার পছন্দ/বাজেট অনুজায়ী যেকোনো একটা বেছে নেবেন।

এছাড়াও ওখানে যাবার পর কম খরচের স্থানীয় হোটেল পাবেন। এসব স্থানীয় হোটেলের লোকেশন ইন্টারনেটে নাও থাকতে পারে। এসব স্থানীয় হোটেলে ভাড়া কম হবে।

আরেকটা কাজ করা যেতে পারে। পোর্টেবল তাবু কিনে নিজেদের মত করে থাকা যেতে পারে। লোকালয় থেকে কাছে, তবে নিরিবিলি-মনুষ্যহীন স্থানে তাবু খাটাবেন। অনেক বিদেশি ট্রাভেলারকে দেখেছি পাকিস্তানে গিয়ে এই কাজ করতে। এর ফলে খাওয়ার খরচ ছাড়া আর কোনো খরচই হবেনা। তবে একাজ তখনই করবেন, যখন আপনারা ৪-৫ জনের গ্রুপ থাকবেন, আর সাথে একজন পরিচিত পাকিস্তানী নাগরিক থাকলে ভালো হবে। আর হ্যা, শীতকালে এই কাজ না করাই উচিত। ওখানকার প্রচন্ড ঠান্ডা সহ্য করা খুব কঠিন।

এছাড়া সবগুলো অঞ্চলেই পাকিস্তান সরকারের টুরিস্ট ইনফরমেশন সেন্টার আছে। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য এবং সহায়তা পেতে পারেন।

⏩ কোন সময় ট্যুরে যাবেন?🏃🚶👬

পাকিস্তান ট্যুরের অফ সিজন হলো মে থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত। এই সময় গেলে গাড়ি ভাড়া, হোটেল ভাড়া অনেক কম হবে। তাই কম খরচে ট্যুর করতে চাইলে এই সময়টা বেছে নেবেন।

এছাড়া এমনিতেও নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত হুনজা বা স্কার্দু যাওয়া বেশ কঠিন। কারন রাস্তায় বরফ জমে থাকে। তবে শীতকালে সোয়াত ট্যুর করে মজা পাবেন। এসময় সোয়াতে আইস স্কেটিং সহ বিভিন্ন ধরনের ইউন্টার গেমিং চলে।

⏩ কিছু বাড়তি পাওয়া....💃💃💃

সোয়াত, হুনজা এবং স্কার্দু, এই তিনটি অঞ্চল মোটামোটি একই ডিরেকশনে। আর এগুলোতে যেতে হয় পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরতম সড়ক কারাকোরাম হাইওয়ে দিয়ে। বিশ্বাস করুন, খোলা জীপে চড়ে যখন কারাকোরাম পাড়ি দেবেন, সেই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মত না।

আর হুনজায় গেলে আরো দুটো বার্তি জিনিস পাবেন। ১ম টা হলো 'বাবুসর পাস' বিশ্বের সবচেয়ে উচু সড়ক। যেখানে মেঘও আপনার নিচে দিয়ে বইবে। আর ২য়টি হলো 'পাসু কোন' যেখান গেলে মনে হবে রাস্তা বুঝি আর কখনো শেষ হবেনা, সামনের পাহাড় গুলোর কাছেও কোনোদিন পৌছানো যাবে না।

আর আজাদ কাশ্মীরে যেতে হয় পীর চিনসি রোড দিয়ে। এটাও কারাকোরাম হাইওয়ের চেয়ে কোনো অংশেই কম না। এখানেও মেঘের উপর দিয়ে গাড়ি চালাতে হবে।

আর আপনি যদি মনে করেন পাকিস্তান ট্যুর খরুচে হয়ে যাচ্ছে, তাহলে স্মরণ করুন... পাকিস্তানের সৌন্দর্য সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, সুইডেনের মত। আর ওই দেশগুলো ট্যুরে গেলে দুই-আড়াই লাখেরও বেশি খরচ হয়। সে তুলনায় পাকিস্তান ট্যুর অনেক সস্তা।

তো আজ এতটুকুই .... আগামীতে আরো তথ্য জোগাড় করতে পারলে তা নিয়ে পোস্ট করা হবে। ধন্যবাদ সবাইকে।

উত্তর অঞ্চল সমূহের ম্যাপ.... এই ম্যাপে এলাকার নাম, রাস্তা-ঘাট, হেটেল, টুরিস্ট ইনফরমেশন কেন্দ্র সহ অনেককিছুর অবস্থান দেখতে পাবেন। ধন্যবাদ।

Address

Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 18:00
Tuesday 09:00 - 18:00
Wednesday 09:30 - 18:00
Thursday 09:30 - 18:00
Saturday 09:30 - 18:00
Sunday 09:30 - 18:00

Telephone

+880258051290

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FG Tours Travel & Consultancy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to FG Tours Travel & Consultancy:

Share