Arshi Travel & Hajj Agency

Arshi Travel & Hajj Agency Travel Service

আল্লাহর গণনায় মাস ১২টি। এরমধ্যে ৪টি মাস সম্মানিত। যে মাসগুলোতে আল্লাহ তাআলা যুদ্ধ-বিদ্রোহ ও রক্তপাতকে হারাম ঘোষণা করেছেন...
24/06/2024

আল্লাহর গণনায় মাস ১২টি। এরমধ্যে ৪টি মাস সম্মানিত। যে মাসগুলোতে আল্লাহ তাআলা যুদ্ধ-বিদ্রোহ ও রক্তপাতকে হারাম ঘোষণা করেছেন। তন্মধ্যে জিলহজ মাস একটি। হাদিসের বর্ণনায় এ মাসের প্রথম ১০ দিনের রয়েছে বিশেষ আমল ও ফজিলত।
বর্ণিত হয়েছে, ‘শপথ প্রত্যুষের এবং দশ রাতের।’ (সূরা ফাজর, আয়াত : ১-২) অন্য আয়াতে বর্ণিত হয়েছে, ‘যাতে তারা তাদের কল্যাণময় স্থানগুলোতে উপস্থিত হতে পারে এবং তিনি তাদের চতুষ্পদ জন্তু থেকে যা রিজিক হিসেবে দান করেছেন, তার ওপর নির্দিষ্ট দিনগুলোয় আল্লাহর নাম স্মরণ করতে পারে।’ (সূরা হজ, আয়াত : ২৮)
প্রথম আয়াতের ‘দশ রাত’ এবং দ্বিতীয় আয়াতের ‘নির্দিষ্ট দিনগুলো’ থেকে জিলহজ মাসের প্রথম দশককেই বোঝানো হয়েছে।
অন্যদিকে হাদিসে এ মাসের প্রথম ১০ দিনকে শ্রেষ্ঠতম দিন বলা হয়েছে। যেমন হজরত ইবনে আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সা. বলেছেন, ‘এমন কোনো দিন নেই যার আমল জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের আমল থেকে আল্লাহর কাছে অধিক প্রিয় হবে।’ প্রশ্ন করা হলো, ‘হে আল্লাহর রাসূল সা.! আল্লাহর পথে যুদ্ধ করা থেকেও কি অধিক প্রিয়?’ রাসূল সা. বললেন, ‘হ্যাঁ, যুদ্ধ করা থেকেও অধিক প্রিয়। তবে যদি এমন হয় যে ব্যক্তি তার জানমাল নিয়ে আল্লাহর পথে বের হলো এবং এর কোনো কিছুই ফেরত নিয়ে এলো না।’ (বুখারি ও তিরমিজি)
হাদিসের আলোকে এ দিনগুলোতে আমাদের করণীয় সম্পর্কে সংক্ষেপে জেনে নিই—
অধিক পরিমাণে নেক আমল
এই দশ দিনে অত্যধিক আমলে সালেহ তথা উত্তম আমল করা। কেননা, এ দিনগুলোতে যে আমল করা হয়, তা আল্লাহ তাআলার নিকট অন্য যেকোনো দিনের আমলের চেয়ে অধিক প্রিয়। জিকির, কোরআন তিলাওয়াত, নফল নামাজ ও নফল-রোজা সবই এর অন্তর্ভুক্ত।
বেশি পরিমাণে জিকির করা
এই দিনগুলোতে অধিক পরিমাণে জিকির করা উচিত। বিশেষত, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার ও আলহামদুলিল্লাহ পাঠে নিমগ্ন হওয়া চাই।
আল্লাহর নবী সা. হাদিসে ইরশাদ করেন, ‘আল্লাহ তায়ালার নিকট জিলহজের প্রথম দশকের আমলের চেয়ে অধিক মহৎ ও প্রিয় আমল আর নেই। সুতরাং তোমরা এ দিনগুলোতে বেশি বেশি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ ‘আল্লাহু আকবার’ ও ‘আলহামদুলিল্লাহ’ পড়। (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ৫৪৪৬)
আরও পড়ুন
চাঁদ দেখা গেছে, ঈদুল আজহা ১৭ জুন
সূরা কাউসারে মহানবী সা.-কে কোরবানির নির্দেশ
ইবরাহিম আ. যেভাবে হজের ঘোষণা দিয়েছিলেন
নখ-চুল ও পশম ইত্যাদি না কাটা
জিলহজের চাঁদ ওঠার পর এই দশ দিন কোরবানি আদায় করা পর্যন্ত শরীরের কোনো প্রকার চুল-পশম ও নখ না কাটা মুস্তাহাব। এ বিষয়ে বর্ণিত সকল হাদিস এবং সাহাবায়ে কেরাম ও তাবেয়িদের আমল থেকে প্রতীয়মান হয় যে, যারা কোরবানি করবেন এবং যারা সামর্থ্যের অভাবে কোরবানি করবেন না— সবার জন্যই এই আমল করা উত্তম।
তবে যে ব্যক্তি কোরবানি করবে, তার জন্য এ আমলটি তুলনামূলক অত্যাধিক গুরুত্ব রাখে।
আল্লাহর নবী সা. বলেন, ‘যখন তোমরা জিলহজের চাঁদ দেখতে পাও এবং তোমাদের কেউ কোরবানি করতে চায়, সে যেন— তার চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে। (মুসলিম, হাদিস : ১৯৭৭)
অন্য হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) এক ব্যক্তিকে বললেন— আমাকে কোরবানির দিন ঈদ পালনের আদেশ করা হয়েছে, যা আল্লাহ এ উম্মতের জন্য নির্ধারণ করেছেন। লোকটি বলল, হে আল্লাহর রাসুল! যদি আমার কাছে শুধু একটি মানিহা থাকে (অর্থাৎ অন্যের থেকে নেওয়া দুগ্ধ দানকারী উটনী) আমি কি তা দিয়ে কোরবানি করব? নবীজি (সা.) বললেন- না, তবে তুমি নখ, চুল ও মোঁচ কাটবে এবং নাভির নীচের পশম পরিস্কার করবে। এটাই আল্লাহর দরবারে তোমার পূর্ণ কোরবানি বলে গণ্য হবে। (সহিহ ইবনে হিব্বান, হাদিস : ৭৭৩, ৫৯১৪)
এমনকি সাহবায়ে কেরাম ও তাবেয়িরাও এ দিনগুলোতে শিশুদের চুল-নখ কাটা অপছন্দ করতেন। আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.) এক নারীর পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন। ওই নারী জিলহজের দশকে ছেলের চুল কেটে দিচ্ছিলেন। তখন তিনি বললেন, সে যদি কোরবানির দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করত— অনেক ভালো হতো। (মুস্তাদরাকে হাকিম, হাদিস : ৭৫৯৫)
প্রথম দিন থেকে নবম দিন রোজা
সম্ভব হলে জিলহজের প্রথম তারিখ থেকে নয় তারিখ পর্যন্ত রোজা রাখা। বা এরমধ্যে যে কয়দিন সম্ভব হয়— রোজা রাখা। তবে নয় তারিখ অর্থাৎ, ঈদের আগের দিন অবশ্যই রোজা রাখার চেষ্টা করা। কেননা এই এক দিনের রোজার ফলে এক বছর আগের ও এক বছর পরের মোট দুই বছরের গোনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।
আল্লাহর নবী সা. বলেন, ‘আমি আশা করি, আরাফার দিন অর্থাৎ জিলহজের নয় তারিখের রোজার ফলে— আল্লাহ তাআলা এক বছর আগের ও এক বছর পরের গোনাহ মাফ করে দেবেন। (মুসলিম, হাদিস : ১১৬২)
জিলহজের প্রথম নয় দিন— রোজা রাখার বিষয়ে একাধিক হাদিস বর্ণিত হয়েছে, যেগুলো সনদের বিচারে দুর্বল হলেও মুহাদ্দিসগণ এ গুলোকে সমষ্টিগতভাবে আমলযোগ্য বলেছেন। (লাতায়িফুল মাআরিফ; ইমাম ইবনে রজব হাম্বলি, পৃষ্ঠা : ৩৫২-৩৫৩ )
তাকবিরে তাশরিক পাঠ
জিলহজের নয় তারিখ ফজরের নামাজের পর থেকে তের তারিখ আসরের নামাজ পর্যন্ত প্রত্যেক ফরজের পর পুরুষদের জন্য উচ্চস্বরে আর মহিলাদের জন্য নিম্নস্বরে তাকবিরে তাশরিক পড়া ওয়াজিব।
পুরুষরা ঈদের নামাজে যাওয়ার সময়ও উচস্বরে তাকবিরে তাশরিক পাঠ করবে। তাকবিরে তাশরিকের জন্য বিভিন্ন শব্দ হাদিস শরিফে উল্লেখিত হয়েছে। তার মধ্যে সর্বোত্তম ও সর্বজনবিদিত পাঠ হলো এই—
الله أكبر، الله أكبر، لا إله إلا الله، و الله إكبر، الله أكبر، و لله الحمد
উচ্চারণ : আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার; লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার; ওয়া লিল্লাহিল হামদ। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বাহ, হাদিস : ৫৬৯৬-৫৬৯৯; সুনানু ইবনিল মুনযির : ৪/৩৪৯)
কোরবানি করা
কোরবানি করা জিলহজের অন্যতম মহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ আমল। আল্লাহর রাসুল সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তির কোরবানি করার সামর্থ্য আছে, কিন্তু কোরবানি করে না সে যেন আমাদের ঈদগাহে উপস্থিত না হয়।’ (মুসতাদরাকে হাকিম, হাদিস : ৭৬৩৯)
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জিলহজ মাসের প্রথম ১০ দিনের নির্ধারিত আমলগুলো পালনের মাধ্যম হাদিসে ঘোষিত ফজিলত ও মর্যাদাগুলো পাওয়ার তাওফিক দান করুন। আমিন।

হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের জন্য ই-ভিসা চালু করেছে সৌদি আরব। ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির হজ ও ওমরাহ ম...
24/06/2024

হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের জন্য ই-ভিসা চালু করেছে সৌদি আরব। ইতোমধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ভিসা ইস্যু শুরু করেছে। চলতি বছর ১৯ জুলাই (মহররম, ১৪৪৫) থেকে ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকরা সৌদিতে সমবেত হতে পারবেন।
নুসুক প্ল্যাটফরমের মাধ্যমে বিশ্বের মুসল্লিদের মক্কা ও মদিনা ভ্রমণের ব্যবস্থা আরও সহজতর করা হয়েছে। এছাড়া এর মাধ্যমে মুসল্লিরা পছন্দ অনুযায়ী বাড়ি বা বাসস্থান বেছে নেওয়া, যোগাযোগ সেবার পাশাপাশি বিস্তৃত তথ্যের ভান্ডারেও প্রবেশ করতে পারেন।
এছাড়া সহজেই যেন বিশ্বের সব মানুষ পছন্দ অনুযায়ী প্যাকেজ বেছে নিতে পারেন এবং সাবলীলভাবে চলাচল করতে পারেন, সেজন্য অ্যাপটিতে বেশ কয়েকটি ভাষাও যুক্ত করা আছে। অ্যাপটির মাধ্যমে মুসল্লিরা ২৪/৭ বিভিন্ন পরিষেবা পাবেন।
এর আগে ওমরাহ ও হজ মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছিল, উপসাগরীয় দেশগুলোর ভিজিট ভিসাধারী ব্যক্তি এবং সেনজেন ভিসাধারীদের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ভিসাধারীরা সৌদিতে পৌঁছানোর আগেই নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে পবিত্র ওমরাহ পালনের অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে পারবেন।
এদিকে পবিত্র হজ উপলক্ষ্যে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ওমরাহ পালন বন্ধ রয়েছে। ওই সময় যাদের কাছে হজের অনুমতি ছিল, শুধু তারাই মক্কা নগরীতে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছিলেন।

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে প্রথম ফিরতি হজ ফ্লাইট। শুক্রবার (২১ জুন) ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে...
24/06/2024

ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে প্রথম ফিরতি হজ ফ্লাইট। শুক্রবার (২১ জুন) ভোর ৫টা ৪০ মিনিটের দিকে ৪১৭ জন হজযাত্রী নিয়ে শাহজালালে পৌঁছায় ফ্লাইটটি।
হাজিদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, সৌদি এয়ারলাইন্স এবং ফ্লাইনাস এয়ার দেশে ফিরবে।
এবার বাংলাদেশ থেকে মোট ৮৫ হাজার ২২৫ জন সৌদি আরবে যান হজ পালন করতে। আগামী ২২ জুলাই হজের শেষ ফিরতি ফ্লাইট। গত ৯ মে হজের প্রথম ফ্লাইট শুরু হয়ে ১২ জুন পর্যন্ত চলে।
বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, হাজীদের যাওয়া-আসার পথে সুন্দর পরিবেশ সৃষ্টি করতে পেরেছেন। তৃতীয় টার্মিনাল চালু হলে, হজ ব্যবস্থাপনা আরও সুচারুভাবে হবে।
মোট ২১৮টি ফ্লাইটে বাংলাদেশি হজযাত্রীদের সৌদি আরবে পৌঁছে দেয়া হয়। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস পরিচালিত হজ ফ্লাইটের সংখ্যা ছিল ১০৬টি। এ ছাড়া সৌদি এয়ারলাইন্স ৭৫টি এবং ফ্লাইনাস ৩৭টি ফ্লাইট চালিয়েছে।
অন্যদিকে হজ পালন করতে গিয়ে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশি মোট ২৭ জন হজযাত্রী মারা গেছেন। সৌদি আরবে পবিত্র ঈদুল আজহা উদযাপিত হয় গত ১৬ জুন, আর পবিত্র হজ পালিত হয় ১৫ জুন।

🕋হজ্জ পরবর্তী উমরাহ কাফেলা বুকিং চলছে।=============================🎉 প্যাকেজের বিস্তারিতঃ⏱ সম্ভাব্য তারিখঃ ১০ - ১৫ জুলাই...
07/06/2024

🕋হজ্জ পরবর্তী উমরাহ কাফেলা বুকিং চলছে।
=============================
🎉 প্যাকেজের বিস্তারিতঃ
⏱ সম্ভাব্য তারিখঃ ১০ - ১৫ জুলাই ২০২৪।
⏱ ১৪/১৫ দিনের প্যাকেজ।
✈️ ফ্লাইটঃ ট্রানজিট ফ্লাইট।
✈️ বিমানঃ ইজিপ্ট/কাতার/ কুয়েত/ গালফ/ সমমানের।
✈️ রুটঃ ঢাকা - জেদ্দা - মদিনা - ঢাকা।

🔰ইকোনমি প্যাকেজ মূল্যঃ
👉১,২০,০০০/ টাকা (এক রুমে ৪/৫ জন)
👉১,২৫,০০০/ টাকা (এক রুমে ৩ জন)।
👉১,৩৫,০০০/ টাকা (এক রুমে ২ জন)।

🔰রেগুলার প্যাকেজ মূল্যঃ
👉১,৩৫,০০০/টাকা (এক রুমে ৪-৫ জন)।
👉১,৪১,০০০/ টাকা (এক রুমে ৩ জন)।
👉১,৫০,০০০/ টাকা (এক রুমে ২ জন)।

🏘মক্কা হোটেলের ধারণাঃ
👉ইকোনমি হোটেলঃ জামিল হোটেল/লুলু নাওয়ার/মানার খায়ের / হানিন আল হায়াহ/ সমমানের।
দূরত্বঃ ৬০০ - ৮০০ মিটার।
🏘রেগুলার হোটেলঃ তাহারাতুল হুদা/ইমার আল খলিল/ সমমানের হোটেল।
দূরত্বঃ ৪০০ - ৬০০ মিটার।
🏘মদীনা হোটেলের ধারণাঃ
👉ইকোনমি হোটেলঃ
জওয়ার তৈয়বা-2 /ইলাফ কোবা/ সমমানের হোটেল।
⭐️দূরত্বঃ ৭০০ - ৯০০ মিটার।
মারকাজিয়ায় বাহিরে।
👉স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজের মদিনার হোটেলঃ
কারাম সিলভার / করম গোল্ডেন/ সমমানের হোটেল।
⭐️দূরত্বঃ ৩০০ - ৬০০ মিটার

🎉প্যাকেজে অন্তর্ভুক্তঃ
🔰তিন বেলা মানসম্পন্ন খাবার (ইকোনমি প্যকেজে অন্তভূর্ক্ত নয়)
🔰বীমাসহ উমরাহ ভিসা।
🔰রিটার্ন এয়ার টিকেট।
🔰মক্কা ও মদিনায় হোটেল।
🚌মক্কা টু মদিনা বাসের মাধ্যমে যাতায়াত।
🔰মক্কা ও মদিনার দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন।
🔰অভিজ্ঞ মুয়াল্লিম গাইডের উপস্থিতি।
🔰ওমরাহর সকল আহকাম নিজস্ব তত্ত্বাবধানে বিশুদ্ধভাবে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

⭐️প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত নয়ঃ
❌মক্কা ও মদিনায় হোটেলের খাবার পানি।
❌ ব্যক্তিগত খরচ।
❌মোবাইল/ইন্টারনেট বিল।
❌ লন্ড্রি বিল।
❌যে কোন ধরনের মেডিকেল বিল।
❌জেদ্দা/তায়েফ/বদর/জিন পাহাড় ইত্যাদি স্থানসমূহ ভ্রমণ।

🛍হজ্জের আগে বুকিং করলে থাকছে আকর্ষণীয় হাদিয়াঃ
✅ এহরামের কাপড়।
✅ প্রিমিয়াম কোয়ালিটি গলার ব্যাগ।
✅ প্রিমিয়াম কোয়ালিটি পিঠের ব্যাগ।
✅ জুতার ব্যাগ।
✅ মহিলাদের জন্য আকর্ষণীয় হিজাব।
✅ নোট বুক।
✅ কলম।
✅হজ্জ ও উমরাহ এর মূল্যবান বই।

🛎 বিঃদ্রঃ সৌদি সরকারের নতুন কোন আইন,বিমানের টিকেটের অতিরিক্ত মূল বৃদ্ধি কিংবা হোটেলের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির কারণে প্যাকেজের যে কোন পরিবর্তন/পরিমার্জন হতে পারে।
✅ চাকুরীজীবিদের জন্য সুবিধামতো ৫/৭ দিনের প্যাকেজ (চাহিদা অনুযায়ী আলোচনা করে প্রাইস নির্ধারন করা হয়)
প্রতিমাসে আমাদের একাধিক কাফেলা থাকে।
✅ প্যাকেজ ছাড়াও সকল সার্ভিস আমরা আলাদা আলাদা প্রদান করে থাকি।
যেমনঃ
👉শুধু ওমরাহ্ / ১ বছরের মাল্টিপল ভিসা।
👉শুধু রিটার্ন / ডিরেক্ট এয়ার টিকিট।
👉পছন্দ মতো শুধু হোটেল ভাড়া।
👉 শুধু খাবার।
👉 তাছাড়া ওমরাহ বা হজ্বে অবস্থানরত অবস্থায় যেকোন সেবা।
🛎 উমরাহ এর বুকিং দিতে যা যা প্রয়োজনঃ
👉 ভ্রমনের তারিখ হতে ৬ মাস মেয়াদ আছে এমন পাসপোর্টের স্ক্যান কপি।
👉 জনপ্রতি ৫০,০০০ টাকা অগ্রিম বুকিং মানি।
👉 বুকিং এর শেষ সময়ঃ সীট খালি থাকা সাপেক্ষে।
https://www.arshishop.com/category/hajj-umrah/e6W/

যোগাযোগঃ
***********
সরকার অনুমোদিত হজ্ব ও ট্রাভেল এজেন্সি।
🏠 ২৫/১/বি, গোলাপবাগ, ঢাকা-১২০৩ বাংলাদেশ।
🏠 বাড়ি-০৩, রোড-১০, সেক্টর-০১, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ বাংলাদেশ।
হটলাইনঃ 01711077468
WhatsApp : 01711-077468

হজ করার সামর্থ্য সম্পর্কে কোরআনুল কারিমে মহান রাব্বুল আলামিন ঘোষণা করেন-‘আর মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য আছ...
07/06/2024

হজ করার সামর্থ্য সম্পর্কে কোরআনুল কারিমে মহান রাব্বুল আলামিন ঘোষণা করেন-
‘আর মানুষের মধ্যে যার সেখানে যাওয়ার সামর্থ্য আছে, আল্লাহর উদ্দেশ্যে ঐ ঘরের হজ করা তার জন্য অবশ্য কর্তব্য।’ (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ৯৭)

হজ্জে করণীয় এবং বর্জনীয়
****************************
যারা হজ্জে বা ওমরাহ্‌ করতে যাবেন , তাদের হজ্জে করণীয় এবং বর্জনীয় সম্পর্কে কিছু জিনিস জেনে যাওয়া আবশ্যক।
যেমন: দুয়া কবুলের স্থান, সময়, নিষিদ্ধ কাজ, বিদআত, শিরক। একই কাজ স্থানভেদে ইবাদত আবার বিদআত।

★ দুয়া কবুলের স্থান এবং সময়ঃ
* মুলতাযামঃ শব্দের অর্থ “আকড়ে ধরার স্থান”। এটি হাজরে আসওয়াদ ও কাবার দরজার মধ্যবর্তী জায়গা। এখানে আকড়ে ধরে দুয়া করা সুন্নাহ, এটি দুয়া কবুলের অন্যতম স্থান।
* হাতীমঃ শব্দের অর্থ “ভাঙা বা ভগ্নাংশ”। অর্ধ বৃত্তাকার একটি জায়গা। এটি কাবাঘর এর অংশ। এখানে ২ রাকাত সালাত আদায়ে কাবার ভিতর সালাত আদায়ের নেকি পাওয়া যায়। এখানে দুয়া কবুল হয়।
* মীযাবে কাবা বা মীযাবে রহমতঃ এটি কাবার ছাদ থেকে পানি পড়ার নল। হাতিমের ভিতরে, এটি দুয়া কবুলের জায়গা।
* তাওয়াফ ও সাঈ করার সময়
* জমজমের পানি পানের সময়
* সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের উপরে বা কাছে
* মিনায়
* ৯ জিলহজ্জ আরাফার ময়দান
* ছোট ও মধ্যম জামারায় পাথর মারার পর
* মদিনায়ঃ রওদাতুল জান্নাতে।

★ জেয়ারার সময় দোয়া
কাফেলা থেকে মক্কা, মদিনার অনেক জায়গায় ঘুরে দেখাতে নিয়ে যাবে।
এসব জায়গায়, বড়বড় পাথর, পাহাড়গুলোর কাছে দাঁড়িয়ে কেউ একাকী, কেউ দলবদ্ধ ভাবে হাত তুলে দোয়া করছেন। যেহেতু নবিজী (সাঃ), এবং সাহাবীরা এই কাজ করেননি, তাই এসব জায়গায় দোয়া করা ঠিক না। একই কথা কবরস্থান এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মেয়েদের কবরস্থান এ যেতে নিষেধ করা হয়েছে, সেখানে কবর জিয়ারত এর প্রশ্নই আসেনা।

★ হাজরে আসওয়াদ
সম্পূর্ণ হজ্জ সফরে একমাত্র “হাজরে আসওয়াদ ” ছাড়া আর কোথাও চুমু খাওয়ার কোন বর্ননা সহিহ হাদিস থেকে পাওয়া যায়না। হাজরে আসওয়াদ সেই পাথর যা জান্নাত থেকে আনা। এই পাথরের আলাদা কোন বিশেষত্ব নাই ; কিন্তু নবিজী এই পাথরে চুমু দিয়েছিলেন। কিন্তু এর থেকে রহমত বা বরকত পাওয়ার আশা করা যাবেনা। আল্লাহর দয়া এবং রহমত প্রাপ্তির জন্য শুধুমাত্র বায়তুল্লাহ শরীফে দোয়া এবং জমজমের পানি খেতে হবে।

★এছাড়াও আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থান
রুকনে ইয়ামনিঃ
হাজরে আসওয়াদ যে প্রান্তে তার আগের প্রান্তকে বলা হয় রুকনে ইয়ামনি। এখানে স্পর্শ করা যাবে।তবে ওখানে ধরে দাঁড়িয়ে থাকা বা চুমু খাওয়া বা ইশারা করা যাবেনা।
মাকামে ইব্রাহীমঃ কাচে ঘেরা, গম্বুজ আকৃতির ঘর, এর ভিতরে ইব্রাহীম (আঃ) এর পদচিহ্ন অংকিত পাথর আছে। এখানে জড়িয়ে ধরা, চুমু দেয়া কোনটাই সুন্নাতসম্মত না। শুধু দেখা যাবে।
★কাবাঘরের দেয়াল:
অনেকে কাবাঘর এর যেকোন প্রান্ত ধরে দাড়িয়ে, জড়িয়ে ধরে থাকেন। এতে কোন ফায়দা নেই। কেউকেউ জায়নামাজ, মাথার রুমাল কাবাঘরে ঘষে সেটা নিজের শরীরে মোছেন। কাবায় হাতঘষে সেটা মুখে ঘষেন, চুমু দেন।এতে কোন রহমত বা বরকতের আশা করে। এগুলো করা যাবেনা। এমনকি হারামের মাটি সেখান থেকে বের করা যাবেনা এবং নিচে পড়ে থাকা কোনও কিছু কুড়ানো যাবেনা।

★ পর্দা
অনেকে বলেন, হজ্জে গেলে পর্দা শিথিল করা যায়। একেবারেই ভুল একটা কথা। হজ্জের মত ফরজ ।কাজে যেয়ে পর্দায় হেলাফেলা করা একেবারে অনুচিত। তবে অনেকেই জেনেবুঝে আবার কেউকেউ না জেনে না বুঝে পর্দার অবহেলা করেন।
যেমন ধরেন,একই রুমে ৪/৫ জন মহিলা বা পুরুষ থাকেন; সবাই সবার অপরিচিত। একজন মহিলার মাহরাম যখন তার সাথে সেই রুমে দেখা করতে প্রবেশ করলেন, সেখানে থাকা বাকি মহিলাদের জন্য তিনি নন মাহরাম। এবং এতে বাকি সবার পর্দা নস্ট হচ্ছে। আপনি যদি কিছু বলতে বা বুঝাতে যান; আপনাকে উলটা বুঝিয়ে দেবে। অনুরোধ বা নিষেধ কোনটাই শুনবেনা, অযথা রাগ হবে। তাই, নিজেদের পর্দা রক্ষার ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে।

★ পুরুষ, মহিলা মাতাফে নামাজ আদায়:
মক্কায় যেহেতু তাওয়াফ হয়, আজানের পর খুব দ্রুত নামাজ শেষ করে, তাওয়াফের জন্য জায়গা খালি করে দেয়া হয়। এই সময় বেশ তাড়াহুড়ো শুরু হয় জায়গা পাওয়ার জন্য। ছেলেরা যেকোনো জায়গায় দাঁড়াতে পারেন, কিন্তু মেয়েদের মাতাফে সাধারণত দাঁড়াতে দেয়া হতনা, তবে ইদানীং মেয়েদের জন্য মাতাফে আলাদা জায়গা করা থাকে, অবশ্যই সেখানে নামাজ পড়বেন, ছেলেদের সাথে না।
এখানে অনেকেই একটা ভুল করেন, ছেলেদের সাথে একই কাতারে দাঁড়িয়ে যান। অনেকেই জানেন না, মহিলা পুরুষ একই সাথে দাঁড়াতে পারবেন না। মহিলাদের অবশ্যই পুরুষদের পিছনে দাঁড়াতে হবে। কোন মহিলার পিছনে বা পাশে দাঁড়ালে ঐ পুরুষদের নামাজ শুদ্ধ হয়না। এই ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। মহিলারা আযানের আগেই জায়গা খুঁজে মাতাফ থেকে চলে যেতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়। নাহলে আপনাকে ভলান্টিয়াররা বের করে দিবে।

★ মেয়েদের আলাদা ওজুর জায়গা
মসজিদের ভিতরে মেয়েদের আলাদা ওজুর জায়গা আছে। ঘর থেকে ওজু করে গেলে সবচেয়ে ভালো, না পারলে ভিতরে জায়গা খুজে নিবেন। অনেকেই জমজমের পানি খাবার জায়গাতেও ওজু করে নেন। কিন্তু কোন অবস্থায় ছেলেদের অজুখানায় ছেলেদের সাথে ওজু করবেন না। এতে পর্দার খেলাফ হয়।

★ মসজিদের ভিতরে ঘুমিয়ে থাকার পর নামাজ:
মসজিদের ভিতরে অনেক লোক ঘুমিয়ে থাকে। যখন আজান হয়, তারা উঠে সাথেসাথে নামাজে দাঁড়িয়ে যায়। অথচ ঘুমিয়ে গেলে ওজু নষ্ট হয়ে যায়। সে অবস্থায় নামাজ হবেনা। প্রথম প্রথম মনে হত, তারা ভুলে গেছেন। পরে বুঝলাম, অনেকে জানেন না। কাউকে মনে করিয়ে দিলে, তারা খুশি হন, ওজু করে নেন। আবার কেউ অস্বীকার করেন এই বলে, তিনি নাকি ঘুমাননাই; শুধু শুয়ে ছিলেন। যাই হোক, এই ব্যাপারে সাবধানতা জরুরী।

★ আরাফার ময়দানে যোহর, আসর একসাথে, নাকি আলদা?
আরাফার ময়দানে মানুষ খুব ঝগড়া ঝাটি করে। যোহর, আসর একসাথে, নাকি আলদা; ৪ রাকাত নাকি কসর? আমাদের দেশে বেশিরভাগ কাফেলা আলাদা পড়েন, ৪ রাকাত পড়েন। তবে নবীজি(সাঃ) একসাথে, কসর পড়েছেন। এখানে মাজহাব রিলেটেড কিছু ব্যাপার আছে। আপনি যেটাই ফলো করেন, অন্তত ঝগড়া করবেন না।

★ এখানে মানুষ খুব সময় নষ্ট করেন।
খাওয়া, দাওয়া, গল্প গুজব করে সময় অপচয় হয়। তাবুতে বেশিরভাগ কেবল কি খাবেন, কখন খাবেন, আর খাবার জমাতেই( মুজদালিফার জন্য) ব্যস্ত থাকেন।

★নিজের চাওয়া পাওয়া আল্লাহ কাছে নিজের ভাষায় প্রকাশ করুন।
একদল দুয়া করেন। অনেকেই দলবেঁধে হাত তুলে দুয়া করেন। এভাবে না করে নিজের মত দুয়া করেন। নিজের চাওয়া পাওয়া আল্লাহ কাছে নিজের ভাষায় প্রকাশ করুন। কেউ মুনাজাত করলো, আর তার সাথে হাত তুলে শুধু “আমিন ” বলাতে নিজের চাওয়া পূর্ণ হবে, সেটা আশা করা বোকামি।

★ জামারায় পাথর মারা নিয়ে কিছু ভুল ধারণা ।
এখানে সবাই একটা ভুল করেন। আমাদের কিছু ভুল ধারণা আছে পাথর মারা নিয়ে। প্রচলিত কথা অনুযায়ী এখানে শয়তান থাকে। আসলে এখানে শয়তান থাকেনা। আর পাথর শয়তানকে মারা জন্য নয়। এখানে পাথর মারার উদ্দেশ্য, জিকিরের মাধ্যমে হৃদয় থেকে শয়তান কে বিতাড়ন। ইব্রাহীম (আঃ) এখানে হজ্জের সময় শয়তানকে তাড়িয়েছিলেন। ইসমাইল (আঃ) কে নিয়ে সহীহ রেয়াওয়াত থেকে কোন বর্ননা পাওয়া যায়না। রসুল (সাঃ) ইব্রাহীম (আঃ) এর সুন্নাতকে জিন্দা করে, জিকির করতে বলেছেন, যেন অন্তর থেকে শয়তান চলে যায়।
আমরা এখানে যে ভুল করি, মনে করি শয়তানকে মারছি। এতে আক্রোশ প্রকাশ পায়, অনেকে আবেগে জুতা, সেন্ডেল, লাঠি মারেন, এতে মূল ইবাদত, অর্থাৎ জিকির করা হয়না। অতিরিক্ত আবেগ প্রকাশ শয়তানককে তাড়ায় না, উলটা শয়তানকে ভিতরে ঢুকিয়ে ফেলে। এবং প্রকৃত ইবাদাত থেকে বঞ্চিত হই।
★ এখানে জিকির করতে হবে রাসুল(সাঃ) এর পদ্ধতিতে, শুধুমাত্র “আল্লাহু আকবার ” বলতে হবে। অনেকেই “বিসমিল্লাহি আল্লাহু আকবার ” বলেন। হাদীসে শুধু “আল্লাহু আকবার ” আছে। ৭ টি তাকবীর অন্তর দিয়ে, মুহাব্বাত সহকারে বলতে পারলে তা অন্তরে চিরস্থায়ী অবস্থান করবে।

★ আরেকটা ভুল করি, সেটা দ্রুত জামারাত মেরে ফ্রি হওয়ার প্রবণতা। রাসুল (সাঃ) প্রথম, দ্বিতীয় জামারায় পাথর মেরে দীর্ঘ সময় ধরে, কান্নাকাটি করে দুয়া করেছেন। এটা দুয়া কবুলের অন্যতম জায়গা। তৃতীয় জামারায় পাথর মারার পর আর কোন দুয়া নেই। অধিকাংশ লোক এখানে দুয়া করেন না। পাথর মেরেই চলে যান।
তবে এখানে খুব ভীড় হয়, যেকারনে পুলিশ খুব বেশিক্ষণ দাঁড়িয়ে দুয়া করতে দেয়না। তবুও অনেক মানুষ পুলিশের বাধা তোয়াক্কা না করে দাঁড়িয়ে দুয়া করেন। যারা জানেন, এখানে দুয়া করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তারা কষ্ট করেও হলেও এখানে দুয়া করার সুযোগ ছাড়তে চাইবেন না।

★ আর কিছু লোক আছেন, যারা জামারায় পাথর মারতেই যাননা। পাথর মারা ওয়াজিব। অসুস্থ, দূর্বল লোকদের জন্য অন্যকাউকে দিয়ে পাথর মারানোর অনুমতি আছে। কিন্তু এর বাইরেও অনেকে আছেন। বিশেষ করে মহিলারা, জামারায় পাথর মারতে যাননা বিভিন্ন অযুহাতে। তারা মিনাতেও থাকেন না, সোজা মক্কায় চলে যান।

★ অনেকেই জিজ্ঞাসা করেছেন, পাথর মারতে যাবো কিনা? আমার কাজ আমি না করে অন্য কাউকে দিয়ে করালে, আমার হজ্জে যাবার প্রয়োজন কি, বদলি হজ্জ করালেই হয়।

★ হাজি সাহেব’ বা ‘আলহাজ
বস্তুত মানুষ ইবাদত-বন্দেগি করে একমাত্র আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টির জন্য। কেউ নিয়মিত ঠিকভাবে নামাজ পড়লে তাকে কেউ ‘নামাজি সাহেব’ বলে না অথবা এ ধরনের কোনো উপাধী ব্যবহার করা হয় না। তেমনি হজ করলেই ‘হাজি সাহেব’ বলা নিয়ম নয়। ‘হাজি সাহেব’ বা ‘আলহাজ’ হওয়ার জন্য হজ পালন করা অবৈধ।
তবে মানুষজন যদি সম্মানার্থে ‘হাজি সাহেব’ বলে ডাকেন, তাহলে কোনো অসুবিধা নেই। কিন্তু স্বপ্রণোদিত হয়ে নিজের নামের সঙ্গে ‘হাজি’ বা ‘আলহাজ’ ব্যবহার করা অসঙ্গত। পাশাপাশি কেউ এ বিশেষণটি উল্লেখ না করলে, মনঃক্ষুণ্ন হওয়াও গর্হিত। (মুকাম্মাল মুদাল্লাল মাসায়েলে হজ ও ওমরাহ : ৩২১)

★ হজ থেকে ফেরার পর আমল
হজ থেকে ফিরে এসে নিকটস্থ মসজিদে দুই রাকাত নামাজ আদায় করা সুন্নাত। হজরত কাব বিন মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন কোনো সফর থেকে ফিরে আসতেন, তখন মসজিদে (নফল) নামাজ আদায় করতেন। ’ (বুখারি শরিফ) হজ থেকে ফিরে শুকরিয়াস্বরূপ গরিব-মিসকিন ও আত্মীয়স্বজনকে খাবারের দাওয়াত দেওয়া বৈধ। ইসলামী ফিকহের পরিভাষায় সে খাবারকে ‘নকিয়াহ’ বলা হয়।
জাবের বিন আবদুল্লাহ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, ‘রাসুল (সা.) যখন মদিনায় এসেছেন, তখন একটি গরু জবাইয়ের নির্দেশ দেন। জবাইয়ের পর সাহাবিরা তা থেকে আহার করেছেন। ’ (বুখারি) তবে অহংকার, লোকদেখানো ও বিশেষ উদ্দেশ্য সামনে রেখে এমন দাওয়াতের ব্যবস্থা করা ইসলাম অনুমোদন করে না। (ফতোয়ায়ে মাহমুদিয়া, খণ্ড: ৭, পৃষ্ঠা: ১৮৫)

হজ ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছে সৌদি আরব। যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে ভিসা কেবল জেদ্দা, মদিনা এবং মক্কা ...
07/06/2024

হজ ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে নতুন বিধিনিষেধ ঘোষণা করেছে সৌদি আরব। যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে ভিসা কেবল জেদ্দা, মদিনা এবং মক্কা ভ্রমণের অনুমতি দেবে।
দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় বলেছে, হজ ভিসায় কেবল জেদ্দা, মদিনা ও মক্কায় ভ্রমণ করা যাবে।
হজ ভিসা কাজ, বসবাস বা এসব অঞ্চলের বাইরে যাওয়ার জন্য বৈধ নয়। বিধি লঙ্ঘন করলে ভবিষ্যতে হজে অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হতে পারে।
উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) সদস্য দেশগুলোর হজযাত্রী ছাড়া অন্যান্য দেশের আন্তর্জাতিক দর্শনার্থীদের মধ্যে যারা হজ করতে চান, তাদের অবশ্যই হজের ভিসা নিতে হবে।
হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট হজ ভিসার জন্য এখন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভিসা প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিবন্ধনের সুযোগ দিচ্ছে। কোটা পূরণ সাপেক্ষে জিলহজ মাসের ৭ তারিখের মধ্যে আবেদন করতে হবে।

🕋হজ্জ পরবর্তী উমরাহ কাফেলা বুকিং চলছে।=============================🎉 প্যাকেজের বিস্তারিতঃ⏱ সম্ভাব্য তারিখঃ ১০ - ১৫ জুলাই...
06/06/2024

🕋হজ্জ পরবর্তী উমরাহ কাফেলা বুকিং চলছে।
=============================
🎉 প্যাকেজের বিস্তারিতঃ
⏱ সম্ভাব্য তারিখঃ ১০ - ১৫ জুলাই ২০২৪।
⏱ ১৪/১৫ দিনের প্যাকেজ।
✈️ ফ্লাইটঃ ট্রানজিট ফ্লাইট।
✈️ বিমানঃ ইজিপ্ট/কাতার/ কুয়েত/ গালফ/ সমমানের।
✈️ রুটঃ ঢাকা - জেদ্দা - মদিনা - ঢাকা।
🔰ইকোনমি প্যাকেজ মূল্যঃ
👉১,২০,০০০/ টাকা (এক রুমে ৪/৫ জন)
👉১,২৫,০০০/ টাকা (এক রুমে ৩ জন)।
👉১,৩৫,০০০/ টাকা (এক রুমে ২ জন)।
🔰রেগুলার প্যাকেজ মূল্যঃ
👉১,৩৫,০০০/টাকা (এক রুমে ৪-৫ জন)।
👉১,৪১,০০০/ টাকা (এক রুমে ৩ জন)।
👉১,৫০,০০০/ টাকা (এক রুমে ২ জন)।
🏘মক্কা হোটেলের ধারণাঃ
👉ইকোনমি হোটেলঃ জামিল হোটেল/লুলু নাওয়ার/মানার খায়ের / হানিন আল হায়াহ/ সমমানের।
দূরত্বঃ ৬০০ - ৮০০ মিটার।
🏘রেগুলার হোটেলঃ তাহারাতুল হুদা/ইমার আল খলিল/ সমমানের হোটেল।
দূরত্বঃ ৪০০ - ৬০০ মিটার।
🏘মদীনা হোটেলের ধারণাঃ
👉ইকোনমি হোটেলঃ
জওয়ার তৈয়বা-2 /ইলাফ কোবা/ সমমানের হোটেল।
⭐️দূরত্বঃ ৭০০ - ৯০০ মিটার।
মারকাজিয়ায় বাহিরে।
👉স্ট্যান্ডার্ড প্যাকেজের মদিনার হোটেলঃ
কারাম সিলভার / করম গোল্ডেন/ সমমানের হোটেল।
⭐️দূরত্বঃ ৩০০ - ৬০০ মিটার
🎉প্যাকেজে অন্তর্ভুক্তঃ
🔰তিন বেলা মানসম্পন্ন খাবার (ইকোনমি প্যকেজে অন্তভূর্ক্ত নয়)
🔰বীমাসহ উমরাহ ভিসা।
🔰রিটার্ন এয়ার টিকেট।
🔰মক্কা ও মদিনায় হোটেল।
🚌মক্কা টু মদিনা বাসের মাধ্যমে যাতায়াত।
🔰মক্কা ও মদিনার দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন।
🔰অভিজ্ঞ মুয়াল্লিম গাইডের উপস্থিতি।
🔰ওমরাহর সকল আহকাম নিজস্ব তত্ত্বাবধানে বিশুদ্ধভাবে সম্পন্ন করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।
⭐️প্যাকেজে অন্তর্ভুক্ত নয়ঃ
❌মক্কা ও মদিনায় হোটেলের খাবার পানি।
❌ ব্যক্তিগত খরচ।
❌মোবাইল / ইন্টারনেট বিল।
❌ লন্ড্রি বিল।
❌যে কোন ধরনের মেডিকেল বিল।
❌জেদ্দা / তায়েফ / বদর / জিন পাহাড় ইত্যাদি স্থানসমূহ ভ্রমণ।
🛍হজ্জের আগে বুকিং করলে থাকছে আকর্ষণীয় হাদিয়াঃ
✅ এহরামের কাপড়।
✅ প্রিমিয়াম কোয়ালিটি গলার ব্যাগ।
✅ প্রিমিয়াম কোয়ালিটি পিঠের ব্যাগ।
✅ জুতার ব্যাগ।
✅ মহিলাদের জন্য আকর্ষণীয় হিজাব।
✅ নোট বুক।
✅ কলম।
✅হজ্জ ও উমরাহ এর মূল্যবান বই।
🛎 বিঃদ্রঃ সৌদি সরকারের নতুন কোন আইন,বিমানের টিকেটের অতিরিক্ত মূল বৃদ্ধি কিংবা হোটেলের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির কারণে প্যাকেজের যে কোন পরিবর্তন / পরিমার্জন হতে পারে।
✅ চাকুরীজীবিদের জন্য সুবিধামতো ৫/৭ দিনের প্যাকেজ (চাহিদা অনুযায়ী আলোচনা করে প্রাইস নির্ধারন করা হয়)
প্রতিমাসে আমাদের একাধিক কাফেলা থাকে।
✅ প্যাকেজ ছাড়াও সকল সার্ভিস আমরা আলাদা আলাদা প্রদান করে থাকি।
যেমনঃ
👉শুধু ওমরাহ্ / ১ বছরের মাল্টিপল ভিসা।
👉শুধু রিটার্ন / ডিরেক্ট এয়ার টিকিট।
👉পছন্দ মতো শুধু হোটেল ভাড়া।
👉 শুধু খাবার।
👉 তাছাড়া ওমরাহ বা হজ্বে অবস্থানরত অবস্থায় যেকোন সেবা।
🛎 উমরাহ এর বুকিং দিতে যা যা প্রয়োজনঃ
👉 ভ্রমনের তারিখ হতে ৬ মাস মেয়াদ আছে এমন পাসপোর্টের স্ক্যান কপি।
👉 জনপ্রতি ৫০,০০০ টাকা অগ্রিম বুকিং মানি।
👉 বুকিং এর শেষ সময়ঃ সীট খালি থাকা সাপেক্ষে।
https://www.arshishop.com/category/hajj-umrah/e6W/
যোগাযোগঃ
***********
🏠 ২৫/১/বি, গোলাপবাগ, ঢাকা-১২০৩ বাংলাদেশ।
🏠 বাড়ি-০৩, রোড-১০, সেক্টর-০১, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ বাংলাদেশ।
হটলাইনঃ 01711077468
WhatsApp : 01711-077468

Address

Narsingdi

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Arshi Travel & Hajj Agency posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Arshi Travel & Hajj Agency:

Share

Category