Travel planning & execution

Travel planning & execution Let the adventure begin!

আলহামদুলিল্লাহ,আমার বিগত ২৮ দিন এর ফেসবুক এর ইনকাম, যা বাংলা টাকায় প্রায় ১২ লাখ ৯৮ হাজার ৬৩৫ টাকা মাত্র। 😲জীবনে একটা স...
03/26/2025

আলহামদুলিল্লাহ,
আমার বিগত ২৮ দিন এর ফেসবুক এর ইনকাম,
যা বাংলা টাকায় প্রায় ১২ লাখ ৯৮ হাজার ৬৩৫ টাকা মাত্র। 😲
জীবনে একটা সময় ছিল যখন নিজের একটা ভালো মোবাইল ছিল না অন্যের থেকে ফোন নিয়ে ভিডিও বানাতাম, একটা ক্যামেরা স্ট্যান্ড কেনার মতো সামর্থ ছিলো না আমার,
কিন্তু এখন আমার সব আছে, একটা ফ্ল্যাট ও কিনবো ভাবছি 🥰
অনেক এ ভাববেন আমি শো অফ করছি কিন্তু না, 😒
বিশ্বাস করেন,
আমি শো অফ করছি না, 😒
তবে এই পোস্ট টা দেওয়ার জন্য আমাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে 😐
গুগল থেকে ছবিটা খুঁজে বের করতে হইছে
যাতে আপনারা বিশ্বাস করেন। 😬
দোয়া করবেন যেন আমি এমন ছবি গুগলে আরো খুঁজে পাই এবং আপনাদের কাফি ভাইয়ের মতো এতো ইনকাম আর বিনোদন দিতে পারি 🥴 আর ছবিটা যেন সত্যি হয় 🤣🤣

কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের একটি অঞ্চল ব্রিটিশ আমলেই নজর দেয় শিল্পের দিকে। গড়ে উঠতে থাকে নানা প্রতিষ্ঠান। জেলাটির নাম কুষ্টিয়া...
01/26/2025

কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের একটি অঞ্চল ব্রিটিশ আমলেই নজর দেয় শিল্পের দিকে। গড়ে উঠতে থাকে নানা প্রতিষ্ঠান। জেলাটির নাম কুষ্টিয়া। কৃষি আর শিল্পের সম্মিলন এই জেলাটিকে আর্থিকভাবে করেছে সমৃদ্ধ। খুলনা বিভাগের এই জেলাটি এক দশক আগেও ছিল দেশের সবচেয়ে কম দারিদ্র্যপীড়িত এলাকা। কয়েক বছর আগে নারায়ণগঞ্জ পেছনে ফেলেছে একে। এখানে দারিদ্র্যের হার ৩ শতাংশ মাত্র। ঢাকা শহরেও এই হার ১৭ এর বেশি। এতেই বোঝা যায় এই জেলার মানুষদের আর্থিক মেরুদণ্ডটা কতটা শক্ত।

এই জেলায় বৃহৎ শিল্প আছে ১২০ টি, মাঝারি শিল্প আছে ২৩০ টি, ক্ষুদ্র শিল্প আছে ৬ হাজারের বেশি, কুটির শিল্পের সংখ্যা ২২ হাজারের বেশি। বৈদ্যুতিক তার তৈরির বিআরবি কেবলস কারখানা এই জেলায় অবস্থিত। জেলার কুমারখালি উপজেলায় গড়ে উঠেছে উন্নতমানের ফ্রেব্রিকস শিল্প। ভেড়ামারা উপজেলায় ৫০০ একর জমিতে নির্মিত হচ্ছে ইকোনমিক জোন। সেখানে শত শত শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠবে।

দৌলতপুর উপজেলায় রয়েছে তামাক শিল্প। খাজানগর এলাকায় আছে ৪০০ অটো এবং হাস্কিং রাইস মিল। এখানে দেশের ৩০ শতাংশ চাল প্রক্রিয়াজাত হয়। জেলায় গড়ে উঠেছে অনেক আটা ময়দার মিলও। এখানে আছে আখ শিল্পও। এখানে কুটির শিল্পে নির্মিত তিলের খাজা আর ঘি সারা দেশেই সমাদৃত।

সেন্টমার্টিনের রিপ কারেন্ট ও বিপদজনক বিচ, যা সম্পর্কে আমাদের সকলের জানা থাকা উচিত।বাংলাদেশের একমাত্র নীল পানির দ্বীপ বা ...
01/08/2025

সেন্টমার্টিনের রিপ কারেন্ট ও বিপদজনক বিচ, যা সম্পর্কে আমাদের সকলের জানা থাকা উচিত।
বাংলাদেশের একমাত্র নীল পানির দ্বীপ বা সৈকতের জন্য সেন্টমার্টিন জনপ্রিয়। প্রতি বছর হাজার হাজার পর্যটকের পদচারণায় মূখরিত হয় যার পুরো প্রান্তর। অনেক জল্পনা কল্পনার শেষে, এই বছর আবারো শুরু হয়েছে সেন্টমার্টিনের সাথে সকল রুটের জাহাজ চলাচল। কেউ হয়তো প্রথমবার, কেউ হয়তো অসংখ্যবারের মতন আবারো ছুটবেন সেন্টমার্টিনের পথে। কিন্তু কিছু কথা সেন্টমার্টিন নিয়ে অন্তত প্রতি সিজেনের শুরুতে না বললেই হয়তো নয়। সেন্টমার্টিন ভ্রমণ যাতে কারো কাছে বিষাদের বিষয় বস্তুতে পরিনত না হয় তাই সেন্টমার্টিন যাবার পূর্বেই জেনে নেয়া দরকার।

মনে আছে, কিছুদিন আগে ভাইরাল হওয়া নেটওয়ার্ক এর বাইরে - নাটকের কথা। কিংবা বহু বছর আগে সেন্টমার্টিনে আহ‌্ছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের দুঃখজনক মৃত্যুর কথা। আজ বলবো কিছু কথা সেই বিষয়েই।

যদি সেন্টমার্টিন এর ম্যাপ দেখেন আর যে প্রান্তে সর্বাধিক মৃত্যু ঘটে তা দেখেন তবে দেখবেন, সেন্টমার্টিনের মাথা বা কোনার দিকের এই ঘটনা বেশি ঘটে। বিস্তারিত ২ নাম্বার ছবিতে। সেন্ট মার্টিন দ্বীপের একটা ছবি যেইটায় একটা কোনার মত অংশ বেরিয়ে আছে।

বাংলাদেশের সাথে পৃথিবীর অন্য সৈকতের মানুষ মারা যাওয়ার একটা পার্থক্য হলো, ভাটার সময় কোন দেশে আপনাকে নামতেই দিবেনা। কিন্তু, বাংলাদেশে অনেক মানুষ, ভাটার সময় পানিতে নেমে ভেসে যায়, এই অজ্ঞানতার কারনে অনেক জীবন বিনষ্ট হচ্ছে। এই জন্যে কক্সবাজার বা কুয়াকাটায় যাওয়ার আগে গুগল করে। জোয়ার ভাটার সময় জেনে যেতে পারেন।

ভাটার সময় মানুষের ভেসে যাওয়া বাদেও আর একটা বিপদজনক ইস্যু আছে। যেটা সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা অনেক কম।

একে বলা হয়, রিপ কারেন্ট। সোজা বাংলায় আমরা সুবিধার জন্যে এর নাম দিতে পারি উলটো স্রোত।

সমুদ্র সৈকতে ৮০% মৃত্যু এই রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতের জন্যে হয়। এমনকি অস্ট্রেলিয়াতেও প্রতি বছর গড়ে ২২ জন মারা যায় রিপ কারেন্টের কারণে।

আমাদের দেশেও সমুদ্র সৈকতে যেই সব মৃত্যু হয়, তার বেশীর ভাগ এই রিপ কারেন্টের জন্যেই হওয়ার কথা। এবং সেন্টমার্টিনের মাথার দিকে যে সরু অংশ তাও রিপ কারেন্টের একটা বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলে।

🚩রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতঃ
এইটা এক ধরনের ঢেউ যা সমুদ্রের তটে ধাক্কা খেয়ে, উলটো দিকে প্রবাহিত হয়। অনেক ক্ষেত্রে, এই ধাক্কা খেয়ে ফিরে যাওয়া ঢেউ বাতাসের কারনে বা প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে চিকন একটা পথ ধরে, সমুদ্রে ফিরে যেতে পারে। এবং এর ফলে সেই সরু পথে যদি কেউ থাকে তবে ঢেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে গভীর সমুদ্রে নিয়ে ফেলতে পারে। এই সরু পথের ঢেউটাকেই বলা হয়, রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোত।

আমি রিপ কারেন্টের কিছু ছবি দিচ্ছি ছবি ৩, ৪,৫

এইটা যে কোন স্থানে হতে পারে। যে কোন সমুদ্রে হতে পারে, কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারনে নিয়মিত রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোত নিয়মিত হতে পারে।

🚩কিভাবে রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোত চিনবেন ?
রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতের একটা ভয়ঙ্কর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এইটা দেখতে মনে হয় খুব শান্ত। এবং উপর থেকে একে গাঢ় নীল দেখা যায়। অনেক ক্ষেত্রে রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতের সময়ে দেখবেন কিছু না কিছু ভেসে সাগরের দিকে যাচ্ছে বা আশে পাশের ঢেউ এর মধ্যে ঢেউ এর মাথা দেখা যাচ্ছে না। ছবিগুলো খেয়াল করেন, রিপ কারেন্ট যখন প্রবাহিত হয় তখন সে ফেরার পথে ঢেউয়ের মাথা ভেঙ্গে দেয়।

ফলে সেই স্থানটা বেশী শান্ত দেখায়।

🚩উলটো স্রোতে কিভাবে বাঁচতে হবে ?
যারা সাঁতার জানেন তারা রিপ কারেন্টে পড়লে, উলটো দিকে তীরের দিকে না গিয়ে সৈকতের সমান্তরাল ভাবে উলটো স্রোত থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে। কারণ, সাগরের স্রোত যখন টান দিবে তখন শক্তি দিয়ে স্রোতের বিপরীতে ফেরা যাবেনা।

🚩কয় ধরনের রিপ কারেন্ট আছে ?
তিন ধরনের রিপ কারেন্ট আছে। একটা ফিক্সড আর একটা হঠাৎ আর একটা টপোগ্রাফিক যার মধ্যে অন্যতম একটা হচ্ছে হেডল্যান্ড এর কারনে রিপ কারেন্ট। ফিক্সডটা হয় কিছু কিছু এলাকায় যেমন যেইখানে ব্রিজ আছে, যেইখানে কোন গভীর গর্ত আছে। হঠাৎ যেইটা হয়, সেইটা যে কোন জায়গায় বাতাসের কারনে হতে পারে।

🎯সেন্ট মার্টিনের এই অংশটা একটা হেডল্যান্ড বৈশিষ্ট্যের এলাকায় যেইখানে রিপ কারেন্ট ঘন ঘন হবে প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে। [ছবি ৫]

কারণ বাতাসের কারণে দুই দিকের পানি ধাক্কা দিয়ে এর মাথায় বা তার দুই পাশেই একটা রিপ কারেন্ট তৈরি করতে পারে। এইটা একটা মৃত্যুফাঁদ। এইখানে প্রাকৃতিক অবস্থানের কারণে অনেক বড় বড় চ্যানেল তৈরি হয়েছে যেইগুলো দিয়ে ঘন ঘন উলটো স্রোত বা রিপ কারেন্ট প্রবাহিত হওয়ার চান্স বেশী। যা শান্ত পানি দেখে নামা পর্যটকদের ভাসিয়ে নিয়ে যায়। তাই অবশ্য জেটি ঘাটে নেমেই উত্তরের বিচে ছবিতে চিহ্নিত স্থানে ভুল করেও নামতে যাবেন না। যদিও সেন্টমার্টিন এর পানিতে নামার জন্য সব থেকে আকর্ষণীয় বিচ উত্তর বিচ। কিন্তু উত্তর-পূর্বের এই অংশেই আছে ভয়ংকর রিপ কারেন্ট। সেন্ট মার্টিনের এলাকাবাসি জানে এই এলাকায় সাঁতার কাটতে নাই। তাই সামনে কাউকে দেখলে এরা মানা করে। কিন্তু সেইটা সবার জানার সুযোগ হয় না। এই ভাবেই সামান্য অসাবধানতার কারণে অনেক পর্যটক মারা যায়।

সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যের কারণে হেডল্যান্ড ধরনের টপোগ্রাফিক রিপ কারেন্ট কিন্ত নিয়মিত একটা বৈশিষ্ট্য। এই স্থানে যদি একটা মৃত্যুও ঘটে আমরা তাকে দুর্ঘটনায় বলতে পারিনা। এইগুলো হয় আত্নহত্যা নয়তো হত্যার পর্যায় পড়ে। কারন আমাদের সকলের উচিত এসকল স্থান সম্পর্কে জানা ও অন্যকে জানানো। যাতে না জানার জন্য আর কোন মৃত্যু না হয়।

বলে রাখা ভালো রিপ কারেন্ট পৃথিবীর সব সৈকতে হয় এবং এই জন্যে সতর্কতা নিতে হয়। রিপ কারেন্টের ভয়ে সমুদ্রযাত্রা বন্ধ করার দরকার নাই। কিন্তু সতর্কতা গুলো নিতে হবে।

দেশবাসী ট্যুরে যান, ট্রেকিং এ যান। যেখানে মন চায় যান, যেভাবে মন চায় যান। কিন্তু প্রকৃতি ও পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন কিছুই করবেন না প্লিজ।

লেখা ও ছবি সংগৃহীত

আরভিনের পাহিমালয়ের কোলে পড়ে আছে একটি পা। জুতো আছে। মোজাও আছে। মোজার গায়ে সেলাই করা একটি নাম--AC IRVIN.একশো বছর।ঠিক একশো ...
10/31/2024

আরভিনের পা

হিমালয়ের কোলে পড়ে আছে একটি পা। জুতো আছে। মোজাও আছে। মোজার গায়ে সেলাই করা একটি নাম--AC IRVIN.

একশো বছর।

ঠিক একশো বছরের নিঃসঙ্গতা নিয়ে পড়ে আছে পা-টি।

এই পা হয়তো প্রথম এভারেস্টের শিখর ছুঁয়েছিল।

ইতিহাস সব কিছু জানে না। জানার কথাও নয়।

বেচাকেনা চুকিয়ে, লেনাদেনা মিটিয়ে এসি স্যান্ডি আরভিন হিমালয়ে বিলীন হয়েছিলেন ১৯২৪ সালে।

কিন্তু তাঁর পা-টি এখনও পড়ে আছে। দেহের বাকি অংশ কোথায় ? কেউ জানে না। শুধু পা-টি আছে বরফের কোলে। পৃথিবীর সবচেয়ে আলোচিত রহস্যের সাক্ষী হয়ে।

কে এই এসি আআরভিন ? একজন ব্রিটিশ পর্বত অভিযাত্রী।

তিনি এবং জর্জ ম্যালোরি একশো বছর আগে প্রথম এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন বলে জনশ্রুতি। কিন্তু স্রেফ প্রমাণের অভাবে তাঁরা সেই স্বীকৃতি পাননি। দুর্গম হিমালয়ে মিলিয়ে গিয়েছিলেন অকুতোভয় দুই প্রাণ। এন্ড্রু কোমিন 'স্যান্ডি' আরভিনের বয়স তখন ২২। ম্যালোরির ৩৭। কুয়াশায় ঘেরা, বরফ আচ্ছাদিত হিমালয়ে কোথায় হারিয়ে গেলেন তাঁরা ? আজও পৃথিবীর সেরা রহস্য সেটি।

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক স্কুলশিক্ষক ম্যালোরি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ছিলেন ফ্রান্সে। যুদ্ধের পর দেশে ফেরার পরই পাহাড়ের নেশা চেপে বসে ম্যালোরির। বারবার ছুটে গিয়েছেন হিমালয়ের কোলে। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, 'বারবার হিমালয়ে যান কেন ?'

যে-উত্তরটি দিয়েছিলেন ম্যালোরি তা আজও সোনার অক্ষরে খোদাই করা আছে--কেন যাই ?

" বিকজ ইট ইজ দেয়ার। "

ম্যালোরির দেহ পাওয়া যায় ১৯৯৯ সালে। আমেরিকার এক অভিযাত্রী দল তাঁর দেহ খুঁজে পায়। ৭৫ বছর ধরে হিমালয়ে পড়ে আছে একটি দেহ। কোমরে দড়ির দাগ। শুধু কাছে নেই ম্যালোরির স্ত্রীর ছবিটি। প্রিয়তমার এই ছবিটি এভারেস্টের চূড়ায় রেখে আসার কথা ছিল। সন্দেহ আরও বাড়ে। তা হলে কি এভারেস্টের চূড়াতেই আছে স্ত্রীর ছবিটি ?

তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি নন, এভারেস্টে প্রথম ওঠেন ম্যালোরি-আরভিন জুটি ?

সব রহস্যের কিনারা হয় না। এবং হয় না বলেই পৃথিবী এত সুন্দর।

আরভিনের পা খুঁজে পাওয়া যায় গত মাসে। এক পর্বত অভিযাত্রী ও সিনেমা নির্মাতার দলের নজরে আসে জুতো-মোজা পরা একটি পা পড়ে আছে। ম্যালোরির দেহাবশেষ যেখানে মিলেছিল তার বেশ খানিক নীচে শুয়ে আছে আরভিনের পা। ওই দলের সদস্য জিমি চিন বলেন, 'মোজাটা তুলে দেখি একটা লাল রঙের লেবেল। তাতে সেলাই করা আছে আরভিনের নাম।' দেহের বাকি অংশ নেই। নেই আরভিনের কোডাক ক্যামেরাটাও। এই ক্যামেরার হদিস পেলে হয়তো ইতিহাস অন্যরকম ভাবে লেখা হতো।

আরভিনের পায়ের খবর শুনে কেঁদে ফেলেন জুলি সামার্স। জুলি আরভিনের বংশধর এবং তাঁর জীবনীকারও বটে। তাঁর কথায়, 'আমি ছোটবেলা থেকে আমি হারিয়ে যাওয়ার কথা শুনে এসেছি। যেদিন ম্যালোরির দেহ মিলল, সেদিন ভেবেছিলাম আরভিনের দেহও নিশ্চয় পাওয়া যাবে।' ম্যালোরির দেহ উদ্ধারের ২৫ বছর পর মিলল আরভিনের পা। ঘটনাচক্রে সেই অভিযানের একশো বছর পরে। হয়তো আরও ২৫ বছর পর এভারেস্টের চূড়ায় কেউ খুঁজে পাবে এক নারীর ছবি। প্রচণ্ড তুষারঝড়েও যে-ছবিটি বরফের গায়ে লেগে আছে এক না-লেখা ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে। সেই নারীর নাম রুথ ম্যালোরি। জর্জ ম্যালোরির স্ত্রী।

কবি জানতেন, তাঁর পায়ের চিহ্ন একদিন পড়বে না এই বাটে। কিন্তু আরভিন কি জানতেন, তিনি নন, তাঁর পায়ের চিহ্নও নয়, তাঁর পা-টিই পড়ে থাকবে বরফে ঢাকা হিমালয়ের কোলে ?

একটা জুতো-মোজা পরা পা কত উথালপাতাল দেখল পাহাড়ে। ঝড় বয়, প্রবল ঠান্ডায় কাঁপতে থাকে চরাচর, কিন্তু পা-টি শুয়ে থাকে একা। একশো বছর ধরে।

একশো বছরের নিঃসঙ্গতা নিয়ে হয়তো অন্য কাহিনি লিখবে কেউ। হয়তো কোনও নতুন অভিযাত্রী বলবে, 'কেন যাই ? বিকজ ইট ইজ দেয়ার।'

হিমালয় তো থাকবেই, যেমন আছেন ম্যালোরি-আরভিন। (সূত্র: গার্ডিয়ান)

সংগৃহিত

Don’t wait for things to get easier, simpler, better. Life will always be complicated. Learn to be happy right now. Othe...
10/28/2024

Don’t wait for things to get easier, simpler, better. Life will always be complicated. Learn to be happy right now. Otherwise, you’ll run out of time.

কানাডার এক বরফ শীতল রাতে, এক কোটিপতি তার ঘরের সামনে এক দরিদ্র বৃদ্ধকে দেখতে পেলেন। তিনি বৃদ্ধকে জিজ্ঞাসা করলেন, "এত ঠাণ্...
09/22/2024

কানাডার এক বরফ শীতল রাতে, এক কোটিপতি তার ঘরের সামনে এক দরিদ্র বৃদ্ধকে দেখতে পেলেন। তিনি বৃদ্ধকে জিজ্ঞাসা করলেন, "এত ঠাণ্ডায় আপনি কীভাবে আছেন? আপনার গায়ে কোনো উষ্ণ কাপড় নেই!"
বৃদ্ধ উত্তর দিলেন, "আমার উষ্ণ কাপড় নেই, কিন্তু আমি মানিয়ে নিয়েছি।"
কোটিপতি উত্তর দিলেন, "আমার জন্য একটু অপেক্ষা করুন, আমি আপনার জন্য একটা উষ্ণ কাপড় নিয়ে আসবো।"
বৃদ্ধ খুশি হয়ে বললেন, "আমি অপেক্ষা করবো।"

কোটিপতি তার বাড়িতে ঢুকে নিজের কাজে এতটাই ব্যস্ত হয়ে পড়লেন যে, বৃদ্ধের কথা ভুলে গেলেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে বৃদ্ধের কথা মনে পড়তেই তাড়াহুড়ো করে বেরিয়ে এলেন। কিন্তু বৃদ্ধ তখন আর বেঁচে নেই। ঠান্ডায় জমে গিয়ে বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

বৃদ্ধের পাশে একটি চিরকুট পাওয়া গেলো, তাতে লেখা ছিলো:
"যখন আমার কোনো উষ্ণ কাপড় ছিল না, তখন আমি মানিয়ে নিয়েছিলাম। কিন্তু আপনি যখন আমাকে সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিলেন, তখন সেই আশায় অপেক্ষা করতে করতে আমি ঠান্ডার সাথে লড়াই করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেললাম।"

মিথ্যা প্রতিশ্রুতি মানুষকে ভেঙে ফেলে। তাই প্রতিশ্রুতি দেয়ার আগে ভালোভাবে চিন্তা করুন, এবং অপ্রয়োজনীয় মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয়া থেকে বিরত থাকুন।

[এই গল্প থেকে আমরা সবাই শিক্ষা নিতে পারি যে, মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দেয়া একজন মানুষের উপর কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।]

সকাল ১০ টা স্থান ফার্মগেট : সার্জেন্ট, রিক্সা চালাক ও যাত্রীর মধ্যে কথোপকথন।  সার্জেন্ট  টু যাত্রী : আস্সালামু আলাইকুম স...
09/17/2024

সকাল ১০ টা স্থান ফার্মগেট :
সার্জেন্ট, রিক্সা চালাক ও যাত্রীর মধ্যে কথোপকথন।
সার্জেন্ট টু যাত্রী : আস্সালামু আলাইকুম স্যার, কোথা থেকে এসেছেন?
যাত্রী : জিগাতলা
সার্জেন্ট : স্যার এই নিষিদ্ধ অটো রিক্সা নিয়ে এখানে কেন আসলেন?
যাত্রী : আমি নিয়মিত এখানে রিক্সা করে আসি।
সার্জেন্ট: স্যার এই ধরনের অটো ৫ তারিখের আগে কি এই সব এলাকায় চলতে দেখছেন?
যাত্রী : সে একটু ইংরেজিতেই বলা শুরু করলো, how will he survive? he is poor. And your responsibility to stop this রিক্সা.
সার্জেন্ট : dont you have any responsibility? I think that you are completely responsible for this crisis. If you don't use this sort of auto, He cannot pull this auto on this busy road.
যাত্রী : he is poor. সে কি খাবে? তাদের কর্ম দিন আগে তারপর বন্ধ করুন।
সার্জেন্ট : i know he is poor, কিন্তু স্যার আপনি প্রতিদিন বাসায় গিয়ে ঝর তুলেন রাস্তায় অটো সয়লাব কেউ দেখার নাই। আপনি কেন তার জন্য কর্ম সংস্থান করছেন না?
যাত্রী : এটা আমার কাজ না।
সার্জেন্ট : আপনার যদি রিক্সা চালকের কর্ম সংস্থান তৈরির কাজ না হয়। সরকার কবে থেকে বাংলাদেশ পুলিশ কে দায়িত্ব দিলো রিক্সা চালকের কর্ম সংস্থান তৈরির?
সার্জেন্ট টু রিক্সা চালক:
ভাই আপনি এখানে কত দিন যাবৎ আসেন
চালক: স্যার ২ দিন। এর আগে কখনো আসতে পারতেন এই এলাকায় না স্যার। মহল্লায় চালাতাম।
সার্জেন্ট : এখন কেন আসলেন?
চালক : স্যারেরা এখন নিয়ে আসে।
সার্জেন্ট: এদিকে আসা নিষেধ আর আসবেন না এদিকে
।গ্যারেজে গিয়ে সবাইকে বলবেন প্রধান সড়কে অটো চালানো নিষেধ।
চালক : ঠিক আছে স্যার এদিকে আর আসবো না। সবাইকে বলে দিবো।

দোষ কাউকে না চাপিয়ে আসুন আমরা সবাই মিলে একসাথে সচেতন হই! দেশটা আমাদের গড়ার দ্বায়িত্ব আমাদের!

ঢাকায় আমার বাসায় ২০১৯-২০২০ সালে বিদ্যুৎ বিল আসতো প্রতিমাসে ২০০০-৩০০০ টাকার মধ্যে। আমি হিসাব-নিকাশ করে দেখলাম লোডের সাথ...
09/03/2024

ঢাকায় আমার বাসায় ২০১৯-২০২০ সালে বিদ্যুৎ বিল আসতো প্রতিমাসে ২০০০-৩০০০ টাকার মধ্যে। আমি হিসাব-নিকাশ করে দেখলাম লোডের সাথে মোটামুটি সামঞ্জস্যপূর্ণ। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে ২০২১ কাল থেকে একই লোড এবং একই ব্যবহারের সময় থাকা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ বিল এর পরিমাণ ৫০০০-৭০০০ টাকা আসতে শুরু করে। এবং আরো মজার বিষয় ২০২২ সালে শুরু থেকে বিলের পরিমাণ ১০,০০০-১২০০০ টাকা আসে। এবং আরো অদ্ভুত বিষয় গত মে, জুন, জুলাই মাসে ১৫,০০০-১৬,০০০ টাকা বিদ্যুৎ বিল আসছে। আমি বাধ্য হয়েছি দিতে। আমি খুব মিতব্যয়ী একজন মানুষ, অপ্রয়োজনে একটি ফ্যান বা লাইট চালাই না, তাহলে এমন বিদ্যুৎ বিল কেন আসবে ?

জবাব খোঁজার জন্য আমি কিছু এক্সপেরিমেন্ট করলাম। তাতে যা যা আউট-কাম পেলাম তাতে আমি খুবই বিস্মিত হলাম। আমাদের অফিসে ইলেকট্রিক্যাল লোড এর টেস্টিং এর কাজে খুব নিখুঁত দামি কিছু কিলোওয়াট আওয়ার (ইউনিট) মাপার কিছু মেশিন আছে । আমি আমার পরিচিত রেনডম ১০-১৫ বাসায় বিদ্যুৎ বিভাগের মিটারের পরে আমরা টেস্টিং এর কিছু মিঠার লাগিয়ে রাখলাম। দেখলাম নরমাল যতটুকু লোড বা ইউনিট আসার কথা তার থেকে প্রায় ২০-৪০% ইউনিট বিদ্যুৎ বিভাগের মিটার গুলিতে বেশি দেখায়। তার মানে হল এই মিটার গুলি যে সমস্ত কোম্পানি থেকে আনানো হয়েছে তাদের সাথে চুক্তির সময় হয়তোবা মিটার গুলিতে এভাবে প্রোগ্রামিং করার অবৈধ চুক্তি ভেতরে ভেতরে করা ছিল। গত ছয় সাত বছরে যত মিটার বসানো হয়েছে আমার কথার সত্যতা তখনই পাওয়া যাবে যদি প্রত্যেক লটের একটি করে মিটার বুয়েটে টেস্টিং এর জন্য পাঠানো হয়।

আমি বিদ্যুৎ বিভাগের এই চুরির কিভাবে হচ্ছে তার কিছু আইডিয়া দেখাচ্ছি

১. এখানকার অসৎ কিছু ঊর্ধ্বতন লোকজন (মন্ত্রী থেকে শুরু করে মিটার রিডার প্রায় সবাই) সরকার থেকে ১০ ইউনিট বিদ্যুৎ কিনলে সেটা গ্রাহকের কাছে তারা মিটারের কারিশমার মাধ্যমে ১৫-২০ ইউনিট বিক্রি করছে। এই যে অতিরিক্ত ৫-১০ ইউনিট বিক্রির টাকা তা চোরেরা নিজেরা ভাগ-বাটোয়ার করে খাচ্ছে। এটা যেহেতু ডিজিটাল চুরি গ্রাহক ধরতে পারছে না।

২. প্রতিটি মিটার এটি প্রিপেইড বা পোস্টপেইড যাই হোক এর মধ্যে একটি RTC (Real Time Clock) লাগানো থাকে। এর কাজ মিটারকে একটা ক্যালেন্ডার বা সময় প্রদান করা। এই ক্যালেন্ডার উপর ভিত্তি করে মিটার যাবতীয় হিসাব-নিকাশ গুলো করে। অধিকাংশ মিটারে ডেট বা টাইম উল্টাপাল্টা থাকে, এই কারণে রেনডম ভাবে মিটার কিছু অটোবিল জেনারেট করতে থাকে। মানুষের সঠিক হিসাব-নিকাশ করতে পারে না। এটা ইচ্ছাকৃত-অনিচ্ছাকৃত ভুল যার ফলে গ্রাহককে বেশি টাকা দিতে হয়।

৩. প্রিপেইড মিটার গুলিতে এমন অদ্ভুত ভুল অ্যালগরিদম ব্যবহার করা হয়েছে মাঝে মাঝে বড় বড় স্লাব এর টাকা এমনি এমনি কেটে নেয়। আমি গত দুই বছর পর্যবেক্ষণ করেছি স্পেশালি ঈদ বা বড় কোন অকেশনের আগে মিটার গুলি খুব অস্বাভাবিক আচরণ করে, এবং বেশি করে টাকা কাটে। খুব অদ্ভুত কারণে টাকা চুরি করার জন্য মিটারগুলি প্রোগ্রামিং এপ্রোপ্রিয়েট নেই। আমার অফিসে প্রিপেইড মিটার লাগানো আছে আর এটা আমি প্রতি মাসে মাসেই ফেস করি।

৪. পোস্টপেইড মিটার গ্রাহকের মিটার দেখতে যে মিটার রিডার আসে ইউনিট লেখার সময় উল্টাপাল্টা ভাবে লিখে নিয়ে যায়, এটা অস্বাভাবিক বিদ্যুৎ বিল আসার কারণ।

আমি আশা করব আমার মতন আরও লক্ষ কোটি মানুষ যারা এইভাবে আর কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন প্রত্যেকে আওয়াজ তুলবেন। দেশের বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি হাত থেকে গ্রাহকের কাছ থেকে লক্ষ্য কোটি টাকা এভাবে চুরি করা হচ্ছে। এগুলো সব ঠিক করার সময় বর্তমানে। একজন আমাকে বসে বসে লুট করবে আর আমি হাততালি দিব এমন অপদার্থ আমি নই।
আওয়াজ তরুণ এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে। আমাদের কস্টের টাকা আমরা এভাবে নষ্ট হতে দিতে পারি না। সৎ ভাবে টাকা আয় করি আমরা,
কষ্ট করতে হয় অনেক💔

আমার এক মাস্টারমশাই কোনদিন কারুর গায়ে হাত তুলতেন না। সেই তিনিই একবার মেজাজ হারিয়ে একজন ছাত্রকে চড় মেরে ফেলেছিলেন। ইস্কুল...
08/29/2024

আমার এক মাস্টারমশাই কোনদিন কারুর গায়ে হাত তুলতেন না। সেই তিনিই একবার মেজাজ হারিয়ে একজন ছাত্রকে চড় মেরে ফেলেছিলেন। ইস্কুল ছুটির পর নিজে সেই ছাত্রকে নিয়ে গিয়ে দোকান থেকে মিষ্টি কিনে খাইয়েছিলেন।

মনে পড়ছে আরও একজনের কথা। বাড়িতে সবসময় কয়েকটা বাড়তি ছাতা রাখতেন। বৃষ্টির দিনে টিউশন পড়তে আসা ছাত্রছাত্রীদের জনে জনে জিজ্ঞাসা করতেন ছাতা আছে কিনা; না থাকলে দিয়ে বলতেন “জানি তোদের বৃষ্টিতে ভিজতে ভাল লাগে, কিন্তু এই সময়টা ভাল না। ভিজিস না। ছাতাটা নিয়ে যা। সামনের দিন নিয়ে আসিস।“

মফঃস্বলের এক অতি প্রবীণ মাস্টারমশাইকে তাঁর রোগশয্যায় ‘কি করতে ইচ্ছে করছে’ জিগ্যেস করায় প্রিয় ছাত্রের নাম করে বলেছিলেন, ওকে খুব দেখতে ইচ্ছে করছে।

ইস্কুলের সাথে বেড়াতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়া ছাত্রীর মাথার কাছে বসে রাত জেগেছিলেন যে স্যার কিম্বা ইস্কুলের মাঠে খেলতে গিয়ে চোট পাওয়া ছাত্রকে নিয়ে হাসপাতালে দৌড়ে ছিলেন যে মাস্টারমশাই, তাঁদের তখন আলাদা আলাদা নাম ছিল হয়ত -- প্রমুখ, কিন্তু আজ এতগুলো বছর পেরিয়ে এসে মনে হয় তাঁদের একটাই পরিচয় ছিল – ‘শিক্ষক’ । তাঁরা বাংলা-ইতিহাস-ভূগোল-অঙ্ক-বিজ্ঞানের বাইরেও কি যেন একটা শিখিয়েছিলেন, সিলেবাসে যার হদিশ মেলেনি কোনদিন।

বিশ্বাস করুন, সিলেবাসের মধ্যে আর সিলেবাসের বাইরের অনেক অনেক জিনিস শেখানোর ফাঁকে এক মুহূর্তের জন্যেও বুঝতে দেননি এটা তাঁদের জীবিকা।

ছাত্রের কাছে হেরে গিয়ে যে শিক্ষক আনন্দে কেঁদে ফেলেন, কিম্বা ছাত্রকে শাস্তি দিয়ে যে শিক্ষক নিজেই কষ্ট পান, শিক্ষকতা শুধুই তাঁর জীবিকা হতে পারেনা।

এত বছরে সিলেবাসের মধ্যের আর সিলেবাসের বাইরের যা কিছু শিখেছি যতজনের কাছ থেকে, তাঁদের সকলকে আমার আনত প্রণাম। যা কিছু শিখতে পারিনি তার দায় পুরোটাই আমার। তার জন্য যা শাস্তি প্রাপ্য, মাথা পেতে নিতে রাজি আছি। শুধু একটাই অনুরোধ ---- বহুদিন আগে যে ছাতাটা দিয়েছিলেন সেটা ফেরত দিতে বলবেন না। আপনাদের দেওয়া ওই ছাতাটার আজও বড্ড দরকার – সময়ে এবং অসময়ে। শুধু ওই ছাতার আশ্রয় পেতেই সারাজীবন আপনাদের ছাত্র হয়ে থাকব।

ভালো থাকবেন স্যার সুস্থ থাকবেন সবাই।
িক্ষকদের_জন্য
সংগৃহীত পোস্ট।💖💖

08/23/2024

বড় বড় ইঞ্জিনচালিত বোট না থাকলে ফেনীর দিকে যেয়ে নিজেরাই বিপদে পড়বেন।

আগে মানুষকে উদ্ধার করতে হবে তারপর ত্রাণ।
যদি মানুষই না থাকে তবে ত্রাণ কাকে দেবেন?

সবাই স্রোতের বিপরীতে চলতে পারে এমন ইঞ্জিন চালিত বোট নিয়ে আসুন।
সবাই ফেনী, ফুলগাজী, পশুরাম এলাকায় গিয়েছে, কিন্তু ছাগলনাইয়ার ভিতরে ৯০% মানুষের কাছে এখনো কেউ পৌছাতে পারে নাই।
অনেকে ত্রাণ নিয়ে এসে আটকা পড়েছে পরে তাদেরকে উল্টা উদ্ধার করতে হচ্ছে, পানির স্রোত/তীব্রতা এতটাই ভয়াবহ।

নিজে নিজে কানাডার ভিসা করার সম্পূর্ণ পদ্ধতি আপনি যদি নিজে নিজে কানাডার ভিসা আবেদন করতে চান তবে এই গাইডটি আপনার জন্য। নিচ...
07/09/2024

নিজে নিজে কানাডার ভিসা করার সম্পূর্ণ পদ্ধতি

আপনি যদি নিজে নিজে কানাডার ভিসা আবেদন করতে চান তবে এই গাইডটি আপনার জন্য। নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করে সহজেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।

১. প্রাথমিক প্রস্তুতি

প্রথমে, আপনার ব্রাউজার (Chrome, Firefox, Safari) ওপেন করুন এবং সার্চ বারে "IRCC" লিখে সার্চ করুন। IRCC (Immigration Refugees and Citizenship Canada) ওয়েবসাইটে যান এবং GCKey বাটনে ক্লিক করে GCKey একাউন্ট খুলুন। একাউন্ট খোলার সময় আপনাকে ইমেইল অ্যাড্রেস, পাসওয়ার্ড এবং সিকিউরিটি কোশ্চেন সেভ করে রাখতে হবে। একাউন্ট ক্রিয়েট করার পর এই তথ্যগুলো দিয়ে আপনি লগইন করবেন।

২. অ্যাপ্লিকেশন শুরু

আপনার GCKey একাউন্টে লগইন করুন এবং "Start an application" বাটনে ক্লিক করুন। তারপর "Apply to come to Canada" ক্লিক করুন। ভিসা ক্যাটাগরি থেকে "Visitor Visa, Study and Work Permit" সিলেক্ট করুন। তারপর যে প্রশ্ন আসবে তার উত্তর দিন, যেমন "What is your current country/territory of residence?" এখানে "Bangladesh" সিলেক্ট করুন।

৩. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট আপলোড

সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার পর আপনাকে ডকুমেন্ট রিকোয়ারমেন্ট এর তালিকা দেওয়া হবে। নিচের তিনটি PDF ফর্ম সঠিক ইনফরমেশন দিয়ে পূরণ করতে হবে:
1. Application Form (IMM5257)
2. Family Information (IMM5245)
3. Schedule 1 (IMM5227)

আপলোড করতে হবে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট:
1. অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম
2. ট্রাভেল হিস্ট্রি (ভিসা ও ইমিগ্রেশন এন্ট্রি এক্সিট সিল)
3. পাসপোর্ট কপি
4. ব্যাংক স্টেটমেন্ট ও ব্যাংক সলভেন্সি
5. সাম্প্রতিক ছবি
6. ট্রাভেল ইটিনারি, হোটেল রিজার্ভেশন, ইনভাইটেশন বা স্পন্সরশিপ
7. ফ্যামিলি ইনফরমেশন
8. শিডিউল ১ ফর্ম
9. ক্লায়েন্ট ইনফরমেশন বা কাভার লেটার
10. কর্মচারী সার্টিফিকেট বা অফিস আইডি কার্ড বা NOC

সব ডকুমেন্ট স্ক্যান করে আপলোড করুন।

৪. পেমেন্ট

ডকুমেন্ট আপলোড করার পর পেমেন্ট অপশন আসবে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রেডিট কার্ড বা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করুন।
অ্যাপ্লিকেশন ফি: 100 CAD
বায়োমেট্রিক্স ফি: 85 CAD
মোট: 185 CAD

৫. বায়োমেট্রিক্স

পেমেন্ট করার পর বায়োমেট্রিক রিকোয়েস্ট ইমেইল আসবে। বায়োমেট্রিক দেওয়ার জন্য VFS গ্লোবাল থেকে অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন। অ্যাপয়েন্টমেন্ট অনুযায়ী VFS আপনার ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ছবি নেবে। বায়োমেট্রিক সম্পন্ন হলে আপনাকে পাসপোর্ট ফেরত দেওয়া হবে।

৬. রেজাল্টের জন্য অপেক্ষা

আপনার ইমেইলে নোটিশ আসলে IRCC পোর্টালে GCKey একাউন্ট চেক করুন। ভিসা রিকুয়েস্ট ডাউনলোড করে পুনরায় VFS অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিয়ে পাসপোর্ট সাবমিট করুন। ভিসা অনুমোদন হলে ২ সপ্তাহের মধ্যে পাসপোর্ট ভিসাসহ ফেরত পাবেন।

৭. রিজেকশন ও পুনরায় আবেদন

যদি কোন কারণে ভিসা রিজেক্ট হয়, তাহলে GCKey একাউন্টে রিজেকশন লেটার আসবে। বায়োমেট্রিক দিলে তা ১০ বছর মেয়াদে রিজার্ভ থাকে। পুনরায় আবেদন করার সময় বায়োমেট্রিক্স ফি দিতে হবে না, শুধু 100 CAD ভিসা ফি দিয়ে আবেদন করতে পারবেন।

এই প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করে নিজে নিজে কানাডার ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।
Copy

Address

Niagara Falls, ON

Telephone

+8801316706796

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Travel planning & execution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category